Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মিতিনমাসি সমগ্র ১ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    সুচিত্রা ভট্টাচার্য এক পাতা গল্প667 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৭. বিকেলে লালবাজারে পৌঁছে

    বিকেলে লালবাজারে পৌঁছে বেশ খানিকক্ষণ অপেক্ষা করতে হল টুপুরদের। কাল ভরদুপুরে শ্যামবাজারে একটা রোমহর্ষক ব্যাংক ডাকাতি হয়েছে, তাই নিয়ে প্রশ্নবাণ হানতে ডিসি ডিডির ঘরে হাজির হয়েছে সাংবাদিককুল, তাঁদের সামাল দিতে গোয়েন্দা প্রধান এখন মহা ব্যস্ত।

    সাংবাদিকরা কাগজ কলম গুটিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ডাক পড়ল মিতিনদের। ঢুকে টুপুর থ। পুলিশের অফিস বলে মনেই হয় না। ব্রিটিশ আমলের কী বিশাল ঘর। কী চমৎকার সাজানোগোছানো। ভেলভেট মোড়া কাচ বসানো প্রকাণ্ড টেবিলে। খানচারেক রংবেরঙের টেলিফোন। পাশে আর একটা টেবিলে। কম্পিউটার, প্রিন্টার, ফ্যাক্সমেশিন। ঘিয়েরং দেওয়াল ঝকঝক করছে। শ্যাওলারং ভারী ভারী পরদা ঝুলছে জানলায় জানলায়। দেওয়ালে অজস্র ফোটোগ্রাফ এক লাইনে সাজানো। সম্ভবত পূর্বতন অফিসারদের ছবি। বিদেশি, এদেশি। শীতাতপনিয়ন্ত্রিত কক্ষটির মেজাজই যেন আলাদা।

    মিনি সিংহাসনের মতো ঘুরচেয়ারে হেলান দিয়ে বসে আছেন অনিশ্চয়। মিতিনদের দেখেই গাল এঁটো করা হাসি। বললেন, কী সৌভাগ্য! আজ আমার ঘরে দেখি একের পর এক ভি আই পি!

    ভুল বললেন। মিতিন ঠোঁট টিপে হাসল, প্রথমত, আমি নন ভি আই পি। দ্বিতীয়ত, জার্নালিস্টদেরও আপনি মোটেও কেউকেটা ভাবেন না।

    টেবিলের পেপারওয়েটটা ঘোরালেন অনিশ্চয়, আপনি সবসময়ে পয়েন্ট সাজিয়ে কথা বলেন কেন বলুন তো? প্রথমত…? দ্বিতীয়ত…?

    এ তো আপনার কাছ থেকেই শেখা দাদা।

    শুনে বেশ খুশি হলেন অনিশ্চয়। প্ৰসন্ন মুখে বললেন, বলুন কীভাবে আপনার সেবা করতে পারি? এসিটা আর একটু বাড়িয়ে দেব?

    না, না, ঠিক আছে।

     

     

    তবু শুনলেন না অনিশ্চয়। বেয়ারাকে ডেকে ঘরের ঠাণ্ডা আরও জোরদার করালেন। টুপুরের সঙ্গে যেচে সেরে নিলেন আলাপটা। তারপর কোল্ডড্রিংকসের অর্ডার দিয়ে গুছিয়ে বসেছেন, এবার শুনি কী হেতু আগমন?

    যেজন্য আসি আপনার কাছে। কিছু ইনফরমেশান চাই।

    কী ব্যাপারে?

    আপনাদের লেবুতলার কেসটা সলভ হয়েছে? সেই যে বাড়ি ভেঙে পড়ল?

    একটা ফাউলপ্লে যে আছে, এটা প্রমাণিত হয়েছে। ফরেনসিক রিপোর্টও বলছে, একটা এক্সপ্লোশান হয়েছিল। আর তার এফেক্টেই বাড়িটা… আমরা অনেক ক্লু পেয়ে গেছি। আর দুটো দিন, দুষ্টুটাকে ঠিক পাকড়ে ফেলব।

    কোনও পুলিশ অফিসার ক্রিমিনালকে দুষ্টু বলছে, এই প্রথম শুনল টুপুর। মিতিনমাসি ঠিকই বলে, অনিশ্চয় মজুমদার মানুষটা ভারী মজাদার। নিপাট গোবেচারা চেহারা, একটা জাঁদরেলি পুলিশি গোঁফ পর্যন্ত নেই। মাথাজোড়া টাক, ফোলা ফোলা গাল অনিশ্চয় মজুমদারকে তার বাবার মতন কলেজের প্রফেসর হলেই যেন মানাত বেশি। ভদ্রলোকের একটা মুদ্রাদোষও আছে। হাতের আঙুলগুলো নড়াচড়া করছেন সর্বক্ষণ। পেন তুলে নামিয়ে রাখছেন, ফাইল খুলে বন্ধ করছেন, কিছু না হলে টরেটক্কা বাজাচ্ছেন টেবিলে।

    মিতিনের অবশ্য ওসব নিয়ে ভ্রূক্ষেপ নেই। বিনীতভাবে জিজ্ঞেস করল, যদি বলতে আপত্তি না থাকে, জানতে পারি কাকে সাসপেক্ট করছেন? কোনও প্রোমোটার?

    অবশ্যই।…কিন্তু আপনার এ ব্যাপারে কৌতূহল কেন? কেসটায় নেমেছেন নাকি? টকাটক উটপেন খোলা বন্ধ করতে করতে অনিশ্চয় বললেন, আপনি যেভাবে খুশি ডিটেকশান করুন, রাজনাথ সিং আমার মুঠো থেকে ছাড়া পাবে না।

    কে রাজনাথ সিং?

    সিং প্রপারটিজের মালিক। সুলতানগঞ্জের লোক। বিহারের নামকরা মাফিয়া। এখন কলকাতায় এসেও ছড়ি ঘোরাচ্ছে।

    সুরজমল অগ্নিদেব কোনওভাবে সেটায় জড়িত নেই তো? রিগাল প্রপারটিজের মালিক?

     

     

    না, না। লেবুতলার কেসে সুরজমল পিকচারে নেই। অন্তত আমার যা ফাইন্ডিং। বলেই অনিশ্চয়ের ভুরুতে সেকেন্ড ব্র্যাকেট, আপনি কি সুরজমলকে সাসপেক্ট করছেন?

    আমি কাউকে সন্দেহ করছি না দাদা। আমি ওই কেসেই নেই। সম্প্রতি অন্য একটা ব্যাপারে সুরজমলের সঙ্গে আমার মুখোমুখি হওয়ার একটা সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। তার আগে লোকটার সম্পর্কে একটু খোঁজখবর নিচ্ছিলাম আর কী।

    তাই বলুন। অনিশ্চয় ডটপেন ছেড়ে আবার পেপারওয়েট ধরলেন, কী জানতে চান সূরজমল সম্পর্কে?

    লোক কেমন?

    প্রোমোটাররা ইউজুয়ালি যেমন হয়। ধূর্ত, কেজো এবং প্রয়োজন হলে রুথলেস। টাইপ মূলত রাজনাথ সিং-এরই, তবে পাক্কা সাহেব। স্যুট টাই পরে, ক্লাবটাবে যায়, তুখোড় ইংরজি বলে। আবার গুরুদেবও রয়েছে।

    টুপুর বলে উঠল, মুক্তকেশানন্দ?

    ইয়েস মিস ওয়াটসন। মুক্তকেশানন্দই সুরজমলের মূল মন্ত্রণাদাতা। লোকটার মাথায় জিলিপির প্যাঁচ। নিউ আলিপুরে একটা জমি হাতাতে গিয়ে গুণ্ডা লাগিয়ে সুরজমল প্রায় ফেসে যাচ্ছিল, মুক্তকেশানন্দই তাকে বাঁচার রাস্তা বাতলে দেয়। লোকটা আদতে ছিল একটা ছোট্ট চায়ের দোকানের মালিক। হঠাৎ রাতারাতি চায়ের দোকানের পাশে চালা বেঁধে স্বপ্নে পাওয়া কালীমায়ের মন্দির প্রতিষ্ঠা করে, এবং তখন থেকেই সে এক মহান কালীভক্ত। উদ্দেশ্য অবশ্য একটাই ছিল। অন্যের জমি গ্রাস। ওই মন্দির এখন রমরমিয়ে চলছে, প্রতি শনি মঙ্গলবার গাড়ির ভিড় দেখলে তাক লেগে যাবে। ইদানীং প্রতি অমাবস্যায় আমাদের তো পুলিশ পোস্টিং করতে হয়। লোকটার একটাই প্লাস পয়েন্ট। নিজেরও মাথা ঠাণ্ডা, ভক্তদেরও মাথা গরম করতে দেয় না। সূরজমল তো ওর চ্যালা বনার পর থেকে গুণ্ডাবাজি অনেক কমিয়ে দিয়েছে।

    মিতিন বলল, যাক, নিশ্চিন্ত হওয়া গেল। দেখা হলেই লোকটা তেড়ে আসবে না।

    আপনাকে চোখ রাঙায়, সাধ্য কার? আমি আছি না! অনিশ্চয় সোজা হয়ে বসলেন, তা আপনার কেসটা কী?

    খিচুড়ি কেস।

     

     

    মানে?

    এক দিক দিয়ে অগ্নিদেব উঁকি দিচ্ছেন ঠিকই, তবে আর এক দিকে আছেন এক পবিত্র আত্মা।

    কীরকম? কীরকম?

    সংক্ষেপে জোনাথন মাইকেলের বাড়ির ঘটনাবলি অনিশ্চয়কে শোনাল মিতিন। শুনে হাস্যমুখ অনিশ্চয়কে ঈষৎ চিন্তিত দেখাল। বলে দিলেন যেন সামান্যতম প্রয়োজনে মিতিন তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করে।

    লালবাজার থেকে বেরিয়ে মিতিন বলল, কী রে, টায়ার্ড লাগছে?

    আজ টুপুরের শ্রান্ত হওয়ারই কথা। জোনাথন মাইকেলের বাড়ি থেকে ফিরেছিল প্রায় বারোটায়। স্নান খাওয়ার পর কতটুকুই বা জিরোনোর অবকাশ পেয়েছে, তিনটে বাজতে না বাজতেই তো আবার বেরিয়ে পড়া। তবু মিতিনমাসির সঙ্গে থাকা মানে ক্লান্তি ফ্লান্তি সব ভ্যানিশ।

    টুপুর বলল, কেন? আর কোথাও যাবে?

    ভাবছি।

    কোথায়? উৎপলবাবুদের বাড়ি?

    আজ ওখানে গিয়ে লাভ নেই।

    বা রে, দুপুরে উৎপলবাবু ফোন করে বললেন চেয়ারটেয়ার সব সরিয়ে দিয়েছেন। তারপর কী হয়, বিকেল সন্ধেয় সরেজমিন করে এলে হত না?

    তার মানে তুই মাইকেলের বাড়ি যাওয়ার কথা বলছিস?

    হ্যাঁ… উৎপলবাবুদের বাড়ির কথাও বলছি। তুমিই তো বলছিলে ওখানেও এক বার যাওয়া দরকার!

    কিন্তু উৎপলরা তো এখন জিমনাশিয়ামে।

     

     

    তবু বাড়িতে তো কেউ-না-কেউ আছে। অন্তত কুকুরটার জন্যে।

    বলা যায় না। অনেকে তো কুকুরকে একা-থাকা অভ্যেসও করিয়ে দেয়।

    তবু চান্স নিতে দোষ কী! যদি কেউ থাকে। ফাঁকায় ফাঁকায় উৎপলবাবুদের বাড়িটা ঘুরে নেওয়া যাবে।

    দুটো মাইনাস পয়েন্ট আছে। প্রথমত, যে থাকবে সে অচেনা লোককে ঢুকতে দেবে, এ সম্ভাবনা কম। দ্বিতীয়ত, যে কারণে তুই যেতে চাইছিস, অর্থাৎ উৎপল-মির্না সম্পর্কে নিশ্চয়ই সামান্য হলেও তোর সংশয় জেগেছে, সেই উদ্দেশ্যটাই ব্যর্থ হয়ে যাবে। কারণ বারবার না জানিয়ে গেলে ওরা আমাদের মনোভাব টের পেয়ে যাবে। তার চেয়ে বরং ওদের বলেকয়েই না হয় একসময়ে…

    যা ভাল বোঝ। কিন্তু যাবেটা কোথায় এখন?

    এদিকের কাজগুলো সব মিটিয়ে ফেলি। সুরজমলের বুড়িটাই ছুঁয়ে যাই। রোজ রোজ তো আর কম্পিউটার ক্লাস ড়ুব মারতে পারব না। কাছেই বিবাদি বাগের মিনিবাস স্ট্যান্ড। কথা বলতে বলতে দুজনে এসে দাঁড়িয়েছে যাত্রীদের লাইনে। সবে ভেঙেছে। অফিসপাড়া, জনস্রোত গাঢ় ক্ৰমশ। শেষ বিকেলের আলো এসে পড়েছে উঁচু উঁচু বাড়িগুলোর মাথায়। লালদিঘির টলটলে জলে নীল আকাশের ছায়া। আলো আর ছায়ায় মাখামাখি হয়ে ডালহাউসি পাড়া এখন ভারী মায়াবী। ভিড় আর কলরোল সত্ত্বেও মিতিন কবজি উলটে ঘড়ি দেখল। বলল, আজ সময় নেই। থাকলে আমিও তোকে কলকাতার একটা দুটো অ্যান্টিক পিস দেখিয়ে দিতে পারতাম।

    টুপুর বলল, কী গো?

    এখান থেকে একশো গজ দূরে ব্রিটিশদের তৈরি প্রথম কেল্লাটার নিদর্শন আছে। জিপিওর সামনের ফুটপাথেই লোহার পাত আছে একটা। ওটাই ছিল কেল্লার সীমানা। সিরাজদ্দৌলা কলকাতা আক্রমণ করে ফোর্টটাকে ধ্বংস করে দিয়েছিলেন। তারপর ধর, এখান থেকে হাইকোর্ট যেতে হলে পথে পড়বে সেন্ট জোনস চার্চ….

    জানি। ওখানেই তো আছে জোব চার্নকের সমাধি।

    ভেতরে গিয়ে কখনও দেখেছিস সমাধিটা?

     

     

    নাহ।

    খুব ইন্টারেস্টিং লাগে। জোব চার্নকের কবরের ওপর একটা সমাধিসৌধ আছে। তৈরি করে দিয়েছিলেন জোব চার্নকের বড় জামাই চার্লস আয়ার। জোব চার্নকের তিন মেয়ে ছিল। মেরি, এলিজাবেথ, আর ক্যাথরিন। তিন মেয়েই মারা গিয়েছিল কলকাতায়। তার মধ্যে বড় আর ছোটকে কবর দেওয়া হয়েছিল বাবার পাশে। শুধু তাই নয়, ওই গির্জারই এক কোনায় পড়ে আছে হলওয়েল মনুমেন্ট। সিরাজদ্দৌলা নাকি একরাশ সাহেব-মেমকে অন্ধকূপে পুরে মেরে ফেলেছিলেন, এমন একটা অপবাদ দিয়ে হলওয়েল তৈরি করেছিলেন ওই মনুমেন্ট। সুভাষ বোসের আন্দোলনের ফলে ব্রিটিশরা মনুমেন্টটা সরিয়ে দিতে বাধ্য হয়। এখনও ওই মনুমেন্টের গায়ে সাহেবদের লেখা মিথ্যেগুলো জ্বলজ্বল করছে।

    আরও বোধ হয় কিছু বলার ইচ্ছে ছিল মিতিনের, তার আগেই পর পর দুটো বাস এসে গেছে। প্রথমটায় জায়গা হল না, পরেরটায় জানলার ধারে সিট পেয়ে গেল টুপুর। এবং যাত্রীঠাসা বাস মিনিট কুড়ি-পঁচিশের মধ্যে পৌঁছে গেছে ক্যামাক স্ট্রিটের মুখে।

    রিগাল প্রপার্টিজের অফিস খুঁজে পেতে সময় লাগল না বিশেষ। শান্তিনিকেতন বিল্ডিং-এর কাছেই একটা বাড়ির তিনতলায়। ছোট্ট অফিস, কিন্তু ছিমছাম। ফিটফাট। সন্ধে নেমে গেছে, তবু অফিসে এখনও অনেক কর্মী আছে। কেউ বা করছে ড্ৰয়িং, কেউ বা হিসেবপত্র। সুরজমল অগ্নিদেবকেও পাওয়া গেল। ভিজিটিং কার্ড পাঠিয়েছিল মিতিন, প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই আহ্বান।

    সুরজমলের বয়স খুব বেশি নয়, বছর চল্লিশ। সাফারি স্যুট পরে আছে, চোখে মিলেস চশমা, টেবিলে গড়াগড়ি খাচ্ছে মোবাইল। দাঁতে পাইপ চেপে আছে সুরজমল, মিঠে তামাকের গন্ধে ভরে আছে কাচঘেরা চেম্বারটা। সুরজমল ছাড়াও আর একজন আছেন ঘরে। বয়স্ক মানুষ। দুহাত নেড়ে কী যেন বোঝাচ্ছিলেন সুরজমলকে, চোখ অর্ধেক বুজে মাথা দোলাচ্ছিল সুরজমল। মাথার পিছনেই পাশাপাশি দুটো ছবি। মা কালী, আর মুক্তকেশানন্দ।

    মিতিন টুপুরকে সামনের চেয়ারে বসতে বলল সুরজমল। স্মিত মুখে বলল, ইয়েস ম্যাম? হোয়াট ক্যান আই ড়ু ফর ইউ?

    মিতিন ভদ্ৰভাবে বলল, আপনার সঙ্গে কিছু পারসোনাল কথা ছিল।

    প্লিজ, বলুন।

     

     

    আমি একটু প্রাইভেটলি কথা বলতে চাই।

    সুরজমল কী বুঝল কে জানে, এক ঝলক দেখল মিতিনকে। তারপর বয়স্ক মানুষটিকে বলল, সে মিস্টার সানিয়াল, উই উইল বি মিটিং টুমরো লেট মি স্টাডি ইওর প্রবলেম, অ্যান্ড দেন উই উইল ডিসাইড ইট। ও কে?

    ভদ্রলোক উঠে চলে গেলেন।

    মিতিনের চোখে চোখ রেখে সুরজমল বলল, ইয়েস….?

    কোনও ভূমিকায় না গিয়ে সরাসরি মিতিন বলল, আমি মিস্টার জোনাথন মাইকেলের কাছ থেকে আসছি। নামটা নিশ্চয়ই আপনার অপরিচিত নয়?

    হ্যাঁ, আমি চিনি। সুরজমলেরও মুখের পেশিতে কোনও ভাঙচুর হল না, রেসপেক্টেবল জেন্টলম্যান, বাট উইথ ফেডিং মেমারি।

    আপনার সম্পর্কে মিস্টার মাইকেলের কিছু অভিযোগ আছে। বাড়ি ভাঙার প্রস্তাবে তিনি সম্মত নন জেনেও আপনি অন্যায়ভাবে তাঁর ওপর চাপ সৃষ্টি করছেন।

    উনি বলেছেন আমি ওঁর সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেছি?

    ব্যবহারটা বড় কথা নয় মিস্টার অগ্নিদেব। আপনি তাঁকে মিথ্যে করে বলেছেন তিনি আপনাকে বাড়ি বেচতে সম্মত হয়েছেন।

    সুরজমল দুএক মুহূর্ত থেমে থেকে শান্তভাবেই বলল, দেখুন ম্যাডাম, আপনার কার্ড বলছে আপনি প্রাইভেট ইনভেস্টিগেটার। কিন্তু আমি আপনাকে চিনি না। আপনার প্রকৃত পরিচয় সম্পর্কেও আমার কোনও ধারণা নেই। সবচেয়ে বড় কথা, আমি আপনাকে আদৌ কোনও কৈফিয়ত দিতে বাধ্য নই। তবু একজন ভদ্ৰলোক হিসেবে আপনাকে বলছি, আমি মিথ্যে বলিনি। আমার কাছে সত্যিই একটা ফোন এসেছিল। সেই ফোনে স্পষ্টভাবেই মিস্টার মাইকেল জানান তিনি বাড়ি বিক্রি করতে প্রস্তুত। আমি যেন শনিবারই ডিডের কাগজপত্র নিয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করি।

    আমি যদি বলি আপনি কোনও ফোন পাননি? বানিয়ে বলছেন?

    বলতে পারেন। আমার কাছে তো কোনও প্রমাণ নেই। আমি তো প্রাইভেট ইনভেস্টিগেটার নই যে প্রতিটি কল টেপ করে রাখব। তা ছাড়া আপনার কাছে প্রমাণ দেওয়ার আমার কোনও বাধ্যবাধকতাও নেই। আমি যা বলছি, তা অফ মাই ওউন। আপনার ব্যাগে নিশ্চয়ই টেপরেকর্ডার আছে, আপনি স্বচ্ছন্দে টেপ করে রাখতে পারেন।

    টুপুর দেখল মিতিনমাসির মুখ লাল হয়ে গেছে। মিতিনমাসির হয়ে সে-ই জিজ্ঞেস করল, আপনি কবে পেয়েছিলেন ফোনটা?

    গত বৃহস্পতিবার। দুপুরে। এই অফিসেই।

    আপনি শিওর, ওটা মিস্টার মাইকেলের গলা ছিল?

    আমি স্বরবিশেষজ্ঞ নই। তবে গলাটা ছিল বয়স্ক মানুষের। সামান্য কাঁপা কাঁপা। তিনি জোনাথন মাইকেল বলেই নিজের পরিচয় দিয়েছিলেন।

    মিতিন নিজেকে সামলে নিয়েছে। সহজ গলায় বলল, সে যাই হোক, শেষ পর্যন্ত মিস্টার মাইকেল রাজি নন দেখে আপনি তাঁর ওপর নানারকম উৎপাত শুরু করে দিলেন।

    আমি? কী উৎপাত?

    আপনি জানেন না?

    অবশ্যই না।

    ভূতের ভয় তৈরি করছেন না ও বাড়িতে?

    সুরজমলের ভুরুতে ভাঁজ পড়েও মিলিয়ে গেল। মৃদু হেসে বলল, শুনুন ম্যাডাম, কাউকে বাড়িছাড়া করতে হলে ভূতটুতের ভয় দেখানোর আমার প্রয়োজন হয় না। এই কাজটা ভূতের চেয়ে মানুষ আরও বেশি ভাল পারে। তবে ওই জমি আমার কাছে এমন কিছু লোভনীয় নয় যে তার জন্য আমি অত ঝঞ্ঝাট পোয়াব। সত্যি বলতে কী, আমি মিস্টার মাইকেলকে যা অফার করেছি তার পরে আমার বিরাট কিছু লাভ থাকবে না। মনে রাখবেন, যতটাই জমি থাক, ওটা ব্যাক প্লট, সামনের রাস্তা সরু। ওখানে আমি চারতলার বেশি তুলতে পারব না। তুললেও সামনে অনেকটা জমি ছাড়তে হবে। আমার ইন্টারেস্ট ছিল পুরনো বাড়ি ভাঙলে ভাল কাঠ বিম পাওয়া যায়….. ভেবেছিলাম তাই দিয়ে সামান্য কিছু মেকআপ করতে পারব।

    শুধু মূল্যবান কাঠের কথাই ভেবেছেন, নাকি আরও মূল্যবান কিছুর আশা ছিল?

    বুঝলাম না।

    টুপুর উৎসাহের চোটে গুপ্ত সম্পদের কথাটা বলে ফেলতে যাচ্ছিল, মিতিন পা চিপে দিল। সুরজমলকে বলল, আমিও তো অনেক কিছু বুঝছি না। যেমন, লাভ হবে না জেনেও বাড়িটার ওপর আপনার আদৌ আগ্রহ জন্মাল কেন?

    কারণটা আমাকে জিজ্ঞেস করছেন কেন? জোনাথন মাইকেলের বাড়িতে গিয়েই উত্তর খুঁজুন না। আমি তো যেচে ইলিয়ট রোডের বাড়িতে যাইনি, ওখান থেকে প্রস্তাব এসেছে বলেই…

    কে দিয়েছে প্রস্তাব? আপনি কি মিস্টার মাইকেলের ওই কাল্পনিক ফোনটার কথা বলছেন?

    ও তো অনেক পরের কথা। তার ঢের আগেই সামওয়ান আমার অফিসে এসেছিলেন।

    আপনি কার কথা বলছেন?

    প্রাইভেট ইনভেস্টিগেটার হয়েছেন, মিস্টার মাইকেল নিশ্চয়ই আপনার পেছনে পয়সাও ঢালছেন, আপনি নিজেই খুঁজে বার করুন। অনুগ্রহ করে আমাকে বা আমার কোম্পানিকে বদনামের ভাগী করবেন না। আফটার অল রিগাল প্রপার্টিজের একটা গুডউইল আছে। বলতে বলতে পিছন ঘুরে ছবি দুটোকে নমস্কার করল সুরজমল। মিতিনদের বলল, কিছু মনে করবেন না। আমায় এবার উঠতে হবে।

    নীচে নেমে টুপুর বলল, ব্যাপারটা যে আরও গুলিয়ে গেল গো মিতিনমাসি।

    হুম।

    সত্যিই কি মিস্টার মাইকেলের বাড়ির কেউ সুরজমলের কাছে এসেছিল?

    আসতেও পারে। কিংবা সুরজমল মিথ্যেও বলতে পারে।

    যদি এসে থাকে, সে কে? ডিক, না মির্না? নাকি উৎপল?

    কম্পিউটারের ফান্ডামেন্টাল প্রিন্সিপল্টা জানিস? সিগনাল পাঠানো হয়, সেগুলো যায় লজিক গেটের মধ্যে দিয়ে। সিগনালগুলো জুড়ে গেলে হয় অ্যান্ড। আর দুটো সিগনালের একটা যদি ঢোকে, তবে হয় অর। কোনওটাই না ঢুকতে পারলে হয় নর। এখন সবার স্টেটমেন্টকেই সিগনালের মতো করে মগজে ঢোকাতে হবে। দেখা যাক মস্তিষ্কের লজিক গেট কী বলে।

    টুপুর কথাটা ঠিক বুঝে উঠতে পারল না। মিতিনমাসি কী যে হেঁয়ালি করে এক-একসময়ে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমিতিনমাসি সমগ্র ২ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    Next Article বিষ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    Related Articles

    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    গল্প সমগ্র – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    অন্য বসন্ত – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    কাছের মানুষ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    হেমন্তের পাখি – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    অলীক সুখ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    আলোছায়া – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }