Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মিতিনমাসি সমগ্র ১ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    সুচিত্রা ভট্টাচার্য এক পাতা গল্প667 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৮. সন্ধে থেকে মেঘ করেছিল কাল

    সন্ধে থেকে মেঘ করেছিল কাল। ঘন ঘন বিদ্যুৎ চমকাচ্ছিল। গভীর রাতে তুমুল বৃষ্টি নামল। বৈশাখ জ্যৈষ্ঠের হঠাৎ ধেয়ে আসা বারিধারা নয়, আষাঢ় শ্রাবণের ঝমঝমাঝম। সেই যে শুরু হয়েছে। রাত্রে, সকাল হওয়ার পরেও বিরাম নেই। তবে এখন তেজটা কমেছে, চলছে রিমঝিম্ রিমঝিমের পালা।

    বৃষ্টির মধ্যে পাজামা গুটিয়ে ছাতা মাথায় বাজারে ছুটল পার্থ। নিয়ে এসেছে একটা আস্ত ইলিশ মাছ। আজ খুব সরল মেনু। খিচুড়ি, আর সঙ্গে যত ইচ্ছে মাছভাজা। পার্থ স্থির করে ফেলেছে আজ নো প্রেস। শুধু খাওয়া আর ঘুম। যতই কাজের পাহাড় মাথায় চেপে থাকুক, সে আজ নিজেই নিজেকে একটা রেনি ডের ছুটি দিতে চায়।

    এমতো সকালে হঠাৎ উৎপলের ফোন। মিতিন আলুপরোটা ভাঁজছিল, দৌড়ে গিয়ে ফোনটা নিল টুপুরের হাত থেকে। কথা শেষ করে যখন রিসিভার নামাল তখন তার মুখ বেশ গম্ভীর।

    টুপুর উৎকণ্ঠিত স্বরে জিজ্ঞেস করল, কী হয়েছে গো?

    আবার কাচ ভেঙেছে। ড্রয়িংরুমের শো কেসের। তবে এবার শুধু পাল্লা নয়, ভেতরের পুতুলগুলোও গেছে।

    পার্থ সবে শব্দজব্দ খুলে বসেছিল, মিতিনের কথা কানে যেতেই তারও কপালে ভাঁজ, সে কী! বেশ তো বন্ধ হয়ে গিয়েছিল!

    সে আর কইটা দিন, মঙ্গল আর বুধ। মিতিনের গোমড়া মুখে একচিলতে হাসি উঁকি দিল, ভূতবাবাজি বোধ হয় দুদিন একটু সমঝে বুঝে নিচ্ছিলেন।

    কী করবে এখন? যাবে?

    অগত্যা।

    এই বৃষ্টি মাথায় করে?

    উপায় কী, অ্যাডভান্স যখন গিলেছি। মিতিন টুপুরকে দেখল, কী রে, তুই আছিস তো সঙ্গে?

    শুধু মুখের কথা খসার অপেক্ষা, টুপুর পাঁচ মিনিটে তৈরি। মিতিনও বেরিয়ে পড়ল ব্যাগ গুছিয়ে। ট্যাক্সি নিয়ে সাড়ে নটার। মধ্যে পৌঁছে গেছে জোনাথনের বাড়ি।

    বছরের প্রথম বড় বৃষ্টি বলে পথেঘাটে তেমন জল জমেনি, এই একটা বাঁচোয়া।

    উৎপল বাইরের বারান্দায় পায়চারি করছিল। বর্ষাতি পরা মিতিন টুপুরকে দেখতে পেয়ে প্রায় দৌড়ে এল, ও হরিবল্ ব্যাপার। কাল যা হয়েছে তাতে আত্মারাম খাঁচাছাড়া হওয়ার জোগাড়।

    মিতিন বলল, চলুন, দেখছি। বর্ষাতি দুটো হ্যাটস্ট্যান্ডে বুলিয়ে দিয়ে মাঝের প্যাসেজ দিয়ে ড্রয়িংরুমে এল টুপুররা। দেখল বড় সোফায় মুহ্যমান মুখে বসে আছেন জোনাথন, পাশের সোফায় ডিক। ডিকের পরনে ট্রাউজার আর ফুলশার্ট, পায়ে জুতোমোজা। নাইট ডিউটি থেকে ফিরে এখনও ডিক পোশাক বদলায়নি।

    কথা না বলে কাজে নেমে পড়ল মিতিন। উবু হয়ে বসে দেখছে ভাঙচুর। সত্যি ভারী বিশ্রীভাবে ভেঙেছে শোকেসের কাচ। ফ্রেমে যৎসামান্য কাচ লেগে আছে কোথাও কোথাও, কিন্তু একান্তই। এবড়োখেবড়ো ভাবে। পোর্সিলিনের পুতুলগুলোর গুঁড়ো গুঁড়ো দশা, মাটিতে ছড়িয়ে রয়েছে। দুটো মাত্র বড় পুতুল আধভাঙা, বাকিগুলোকে এখন আর পুতুল বলে শনাক্ত করা কঠিন।

    উৎপল বলল, আপনার জন্যই এখনও সাফ করিনি ম্যাডাম। এবার মিসেস জোনসকে বলি ঘর ক্লিন করে দিতে?

    ও শিওর। আমার যা দেখার দেখা হয়ে গেছে।

    মিতিন আর টুপুর সোফায় এসে বসল। জোনাথন দুআঙুলে কপাল চেপে রয়েছেন। মিতিন নরম গলায় ডাকল, মিস্টার মাইকেল?

    জোনাথন অন্যমনস্ক ভাবে সাড়া দিলেন, উ?

    কাল ঠিক কখন হয়েছে ঘটনাটা?

    বেশ রাত্তিরে। আমার তখন ঘুম এসে গিয়েছিল।

    স্লিপিং পিল খেয়েছিলেন?

    না। আমার ইউজুয়ালি ঘুমের ট্যাবলেট লাগে না। জোনাথন মুখ তুললেন, হঠাৎ এ ঘরে প্রচণ্ড জোরে ঝনঝন শব্দ। প্রায় সঙ্গে সঙ্গে এসে দেখি এই কাণ্ড।

    উৎপল বলল, সরি ম্যাডাম, একটা কথা বলতে ভুলে গেছি। কাল সন্ধেবেলা এ ঘরের বালব টিউবও ফেটে গেছিল।

    আগে দুদিন তো লাইট যায়নি?

    জোনাথন বললেন, দুটো দিন তো সবই ঠিক ছিল। বা টিউব কাচ…। আমি তো ধরেই নিয়েছিলাম চেয়ার টেবিলগুলো বার করার পর আবার সব নরমাল হয়ে গেল। কিন্তু তিনি যে এত ক্রুদ্ধ, এত ভয়ংকর হয়ে আছেন এ আমার ইমাজিনেশানেও ছিল না।

    মিসেস জোনস থমথমে মুখে ঝাঁট দিচ্ছেন মেঝেটা। কাচের টুকরো এক জায়গায় জড়ো করতে করতে অস্ফুটে বলে উঠলেন, কী হচ্ছে…! কেন যে হচ্ছে…! পুতুলগুলোর কী দাম, এখন সেগুলোকে পর্যন্ত…!

    মিতিন মৃদু গলায় বলল, হুঁ। এবার কাচের ভেতরকার জিনিসেও হোলি স্পিরিটের নজর পড়েছে।

    গুম হয়ে বসে থাকা ডিক আচমকা ফুঁসে উঠল, সব যাবে। সব যাবে। একটা একটা করে জিনিস চলে যাবে। কিচ্ছু বাঁচবে না। কেউ বাঁচাতে পারবে না।

    উৎপল তাড়াতাড়ি ডিকের কাঁধে হাত রেখেছে, শান্ত হও ডিক। শান্ত হও।

    শান্ত থাকার উপায় রেখেছ তোমরা? সর্বনাশ যা করার সে তো করেই দিয়েছ। আমি বলিনি, হোলি স্পিরিট আর শান্ত হবে না? ফলল আমার কথা?

    সব ঠিক হয়ে যাবে। একটু ধৈর্য ধরো।

    কে ঠিক করবে? তুমি? না তোমার এই ডিটেকটিভ? কেউ কিছু করতে পারবে না। আমি কতবার বলছি, একটা যা হোক কিছু হেস্তনেস্ত করে ফ্যালো, আমার কথা কেউ গ্রাহ্য করছ না। এখন এই হন্টেড হাউস বেচতে গেলেও আর কেউ কিনবে? দাম পাবে?

    বেচার প্রশ্ন উঠছে কেন? তুমি তো জানো ড্যাডি মোটেই বিক্রি করতে চাইছেন না।

    ড্যাডি চাইছেন না? নাকি তোমরা চাইছ না? তোমাদের কী ইন্টারেস্ট আছে, আমি বুঝি না ভেবেছ?

    যাহ্ বাবা, আমাদের আবার কী স্বার্থ? ড্যাডির সেন্টিমেন্টটাকে আমরা তো জাস্ট অনার করতে চাইছি।

    হুহ, ড্যাতির চিন্তায় ঘুম হচ্ছে না! সারা বছরে একবার ড্যাডিকে দেখতে আসার সময় পেতে না, আর এখন ড্যাডির সেন্টিমেন্ট নিয়ে বিগলিত! এই সব গুলগপ্পো আমায় ঝেড়ো না। তোমাদের আসল ইন্টারেস্ট তো বাড়িটাকে জিইয়ে রাখা। তোমরা লোভে পড়ে গেছ। ভাবছ গুপ্তধন খুঁজে বার করে ফেলবে। কিচ্ছু পাবে না, তোমরা মরবে। তোমাদের কবরে গিয়ে আমি ফুল মালা ছড়িয়ে আসব।

    আহ্, ডিক। জোনাথন ধমকে উঠলেন, বিহেভ ইওরসেলফ। মির্না-উৎপল সম্পর্কে তুমি এভাবে কথা বলবে না।

    প্লিজ ড্যাডি, মির্না উৎপলকে তুমি অনেক মাথায় তুলেছ, আর নয়। ওদের এবার নিজের চরকায় তেল দিতে বলো। এ বাড়িতে ভূত লাফাচ্ছে, না মানুষ, এ নিয়ে ওদের গবেষণা করার দরকার নেই।

    বলেই ডিক উঠে গটগট করে ভেতরে চলে গেল। গোটা ঘর নিস্তব্ধ, যেন পিন পড়লেও শব্দ শোনা যাবে। মিসেস জোনসের ঝাড়ু থেমে গেছে, জোনাথনের ঘাড় ঝুলে পড়েছে, উৎপল দাঁড়িয়ে নিথর।

    নীরবতা ভঙ্গ করল উৎপলই। পাংশু মুখে বলল, সরি মিসেস মুখার্জি। আমি আপনার কাছে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।

    না, না, ঠিক আছে। আমি কিছু মনে করিনি, মিতিন আলগা হাসল, আমি কি গিয়ে ডিককে একটু ঠাণ্ডা করে আসব?

    আপনি? যাবেন? এর পরেও?

    কোনও অসুবিধে নেই। ডিকের মাথা বড় তেতে আছে, ওকে একটু বোঝানো দরকার।

    জোনাথন বড় করে একটা শ্বাস ফেললেন। উৎপলও আর আপত্তি জুড়ল না। টুপুরকে ল্যাংবোট করে ডিকের দরজায় এল মিতিন, ভেতরে আসতে পারি?

    কোনও উত্তর নেই।

    সামান্য অপেক্ষা করে মিতিনরা ঢুকেই পড়ল। ডিক চিতপটাং হয়ে শুয়ে ছিল বিছানায়, ধড়মড়িয়ে উঠে বসেছে। রুক্ষ গলায় বলল, আমি কি আপনাদের আসতে বলেছি?

    মিতিন একটুও থমকাল না। কড়া গলায় বলল, আপনি না চাইলেও আমাদের আসতে হবে। প্রয়োজন আছে।

    আমি আপনার সঙ্গে কথা বলতে বাধ্য নই! আপনিও যে দেখি সুরজমলের ভাষায় কথা বলেন। ডিক কটমট করে তাকাল।

    মিতিনের গলা আরও কঠোর হল, চোখ পাকিয়ে লাভ নেই। আপনিও এমন কিছু ভালমানুষ নন। আপনার ড্যাডিকে হ্যারাস করার মূলে তো আপনিই।

    কী বলতে চাইছেন?

    আপনিই তো এই বাড়ি বিক্রির জন্য যেচে সুরজমলের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন।

    থতমত মুখে ডিক বলল, কে বলেছে?

    ঢিল ঠিক জায়গাতেই পড়েছে। ডিকের চোখে চোখ রেখে সামান্য গলা নামাল মিতিন, সুরজমলই বলেছে। তবে আপনার বাড়ির লোক এখনও জানেন না। নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন, শুনলে আপনার বাবা, আই মিন ড্যাডি খুব প্রীত হবেন না!

    একটু চুপ থেকে ফের গরগর করে উঠেছে ডিক, অন্যায়টা কী করেছি? এ বাড়ি রেখে হবেটা কী? বরং বেচলে ড্যাডির হাতে কিছু ক্যাশ আসে। শেষ জীবনটা ড্যাডি আরও ল্যাভিলি কাটাতে পারে।

    ড্যাডির ভাল চাইতে তো আপনি যাননি। গেছেন নিজের ধান্দায়।

    সে টাকা কার না দরকার? উৎপল মির্না টাকার জন্য ছোঁক ছোঁক করে না? ড্যাডির ব্রেনওয়াশ করে ভাগলপুরের বাড়িদুটো বেচাল কে? উৎপলই তো।

    তার ভাগ তো আপনিও পেয়েছেন। মিতিন আর একটা ঢিল ছুড়ল।

    ভাগই বটে। চোদ্দো লাখ টাকা থেকে মাত্র পঞ্চাশ হাজার। বুড়ো কিপটের জাশু। হাত দিয়ে টাকা গলে না। তাও নেহাত মির্নাকে দিয়েছিল বলে আমাকেও দিতে বাধ্য হল।

    তা হলে এ বাড়ি হাতবদল হলেই যে আপনি মোটা টাকা পাবেন এমন আশা করলেন কেন?

    কিছু তো আদায় করতামই। লাখ, দেড় লাখ যা হোক। পারমানেন্টলি ঘাড় থেকে নেমে যাব, এই আনন্দেই ড্যাডি দিয়ে দিতেন টাকাটা।

    ঘাড় থেকে নামা মানে? আপনি আলাদা হতে চান?

    আমি এ দেশ থেকেই চলে যেতে চাই। এ শহর আমার আর এক মুহূর্ত ভাল লাগে না। আমার বন্ধুবান্ধবরা অনেকেই সেটল করেছে অস্ট্রেলিয়ায়, কিছু টাকা হাতে এলে আমিও ওখানেই পাড়ি দেব।

    বুঝলাম। মিতিন ঢক ঢক ঘাড় নাড়ল। এবং তার সঙ্গে তৃতীয় ঢিলটাও ছুড়ল, কিন্তু ডিক, তার জন্য এত ছলাকলার আশ্ৰয় কেন?

    কীসের ছলাকলা?

    আপনার ড্যাডির গলা নকল করে সুরজমলকে টেলিফোন করার কোনও প্রয়োজন ছিল কি?

    ভীষণ চমকেছে ডিক। হতবুদ্ধি মুখে বলল, আমি…? ড্যাডির গলা নকল করেছি। কবে?

    ভান করবেন না। সুরজমল আমায় সব বলেছে।

    মিথ্যে বলেছে। মিথ্যে বলেছে। ডিক আবার পুরনো মেজাজে। প্রায় গর্জে উঠল, আমি তো তাকে নিজের গলাতেই ফোন করেছিলাম। রবিবার রাত্তিরে। সুরজমল আমায় স্ট্রেট কাট জানিয়ে দেয় এই বাড়ি কেনার ব্যাপারে তার আর কোনও আগ্রহ নেই।

    কিন্তু কারুর একটা ফোন পেয়ে শনিবার সুরজমল আপনার ড্যাডির কাছে এসেছিল, এ খবর নিশ্চয়ই আপনার অজানা ছিল না?

    জানব না কেন? কিন্তু ড্যাডি তাকে তাড়িয়ে দিয়েছিল।

    তারপরেও ফোন করলেন?

    ড্যাডির সঙ্গে সুরজমলের ঠিক কী কথা হয়েছে একটু বুঝে নিতে চাইছিলাম।

    কী বুঝলেন?

    বললাম তো। সুরজমল কোনও হন্টেড হাউস কিনতে আর ইচ্ছুক নয়।

    সুরজমল কোত্থেকে জানল বাড়িতে ভূতুড়ে কাণ্ডকারখানা হচ্ছে? আপনি বলেছেন?

    আমার আর খেয়েদেয়ে কাজ নেই? ড্রাম পিটিয়ে সবাইকে বলে বেড়াই, আর হু হু করে বাড়ির দাম পড়ে যাক… আমি কি এতই বোকা?

    তার মানে আপনি মিস্টার মাইকেলের নাম করে ফোন করেননি?

    রিচার্ড মাইকেল অকারণে মিথ্যে কথা বলে না।

    অর্থাৎ কারণ থাকলে বলে, তাই তো?

    সে আপনি যা ইচ্ছে ভেবে নিতে পারেন।

    বেশ। আর একটা প্রশ্ন করি? মিতিন শেষ ঢিলটা ছুড়ল, বাড়িটাকে ভূতুড়ে বানানোর এ খেলায় আপনি নামলেন কেন?

    খেলা? বলছেন কী আপনি? ডিকের মুখচোখ আমূল বদলে গেল। হাত মুঠো করে বলল, আমি নিজের চোখে হোলি স্পিরিটকে দেখেছি। গত সপ্তাহে বুধবার আমার ডিউটি ছিল না। সন্ধেবেলা এক বন্ধুর বাড়িতে ডিনারে গিয়েছিলাম, ফিরতে রাত হয়েছিল। খাওয়াদাওয়া খুব রিচ হয়েছিল সেদিন। আমার বেশি তেলমশলা সয় না, ঘুম আসছিল না রাতে, জলতেষ্টা পাচ্ছিল বারবার। রাত দেড়টা-দুটো নাগাদ ডাইনিং প্লেসে গিয়ে ফ্রিজ থেকে ঠাণ্ডা জলের বোতল বার করছি, তখনই স্পষ্ট দেখতে পেলাম উঠোনের ওপারে একটা ছায়ামূর্তি। ডাইনিং প্লেস আর উঠোনের মধ্যিখানে কাচের দরজাটা রাতে বন্ধ থাকে। পা টিপে টিপে গিয়ে দরজার ছিটকিনি নামাতে-না-নামাতে ভুস করে মাটিতে মিশে গেলেন তিনি।

    মিতিন চোখ কুঁচকে শুনছিল কাহিনীটা। জিজ্ঞেস করল, গত সপ্তাহের বুধবার? মানে তখনও আপনাদের বাড়িতে কাচভাঙা এপিসোড শুরু হয়নি?

    না। হোলি স্পিরিটের বিরক্তি তো শনিবার থেকে প্রকাশ পাচ্ছে।

    আপনি আর কখনও হোলি স্পিরিটকে দেখেননি?

    নাহ্। এক দিনই সে সৌভাগ্য হয়েছিল। আর দেখার বাসনাও নেই। এবার আমি মানে মানে কেটে পড়তে পারলে বাঁচি।

    ড্যাডিকে একা ফেলে চলে যাবেন?

    কীসের একা? এখন তো ড্যাডির পেয়ারের লোকজনরা এসে গেছে। তারাই তো দিব্যি ঘিরে আছে ড্যাডিকে। আমার মতো কম রোজগেরে অপদাৰ্থ সন্তান নয় দূরেই রইল।

    মিতিন নিশ্চুপ। একদৃষ্টে দেখছে ডিককে।

    ডিক ফের বলল, শুনুন ম্যাডাম, আপনি যদি সত্যিই ড্যাডির ভাল চান তা হলে ড্যাডিকে বোঝান। দাম থাকতে থাকতে বাড়ি না বেচলে পরে পস্তাতে হবে। …অবশ্য আপনাকে বলে কী লাভ। আপনি তো উৎপলেরই লোক।

    প্রতিবাদ না করে মিতিন হাসল একটু। বলল, ওকে ডিক। অনিচ্ছাসত্ত্বেও কথা বলার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

    ডিকের ঘরের বাইরে পা রেখেই মিতিন ফিসফিস করে টুপুরকে বলল, তুই ও ঘরে গিয়ে বোস। আমি একটু আসছি।

    ড্রয়িংরুমে ফিরে টুপুর দেখল জোনাথন এখনও বিমর্ষ মুখে সোফায় আসীন। উৎপল পায়চারি করছে বারান্দায়।

    মিনিট পাঁচেকের মধ্যেই উৎপলের কণ্ঠস্বর শোনা গেল, এ কী ম্যাডাম আপনি এদিক দিয়ে যে?

    আর একবার বাড়িটা ঘুরে দেখলাম। মিতিন উত্তর দিল, বার করে দেওয়া টেবিল-চেয়ারগুলোর সত্যিই খুব বুরা হাল। মিছিমিছি বৃষ্টিতে ভিজছে।

    আমি আর কিচ্ছুটি বলব না। খুব শিক্ষা হয়েছে। মিতিনের সঙ্গে কথা বলতে বলতে ড্রয়িংরুমে এল উৎপল। চোরা চোখে জোনাথনকে দেখতে দেখতে বলল, যাদের জিনিস তারাই বুঝুক। ভাল করতে গিয়ে আমি কেন দোষী হই!

    জোনাথন অসহায় মুখে বললেন, ডিকের কথা কেন এত গায়ে মাখছ উৎপল?

    মিতিন জোনাথনের সামনে গিয়ে বসল, মিস্টার মাইকেল, আপনাকে একটা কথা বলব?

    বলো।

    দেখলেন তো, চেয়ারটেবিল বার করে দিয়েও হোলি স্পিরিট শান্ত হলেন না।

    হুম। এখন যে কী হবে!

    কিচ্ছু হবে না। শুনুন মিস্টার মাইকেল, এ বাড়িতে অশান্তিগুলো হোলি স্পিরিট ঘটাচ্ছেন না। এর পেছনে একটা গভীর চক্রান্ত আছে। আপনি আমায় দুচারটে দিন সময় দিন, আপনার কাছে সমস্ত ছবিটা পরিষ্কার হয়ে যাবে।

    বলছ?

    বলছি না, গ্যারান্টি দিচ্ছি। এ বাড়িতে হোল স্পিরিট নিয়েও আর কোনও অশান্তি থাকবে না।

    জোনাথন চোখ পিটপিট করলেন, যদি সত্যিই তা পারো, তুমি যা চাইবে তাই দেব।

    উৎপল বলল, আমি তো প্রথম থেকেই ড্যাডিকে বলছি একটা চক্ৰান্ত চলছে। ড্যাডি মানতেই চান না।

    এবার সব ঠিক হয়ে যাবে। মিতিন ঘড়ি দেখল, আপনি কি এখন এ বাড়িতেই থাকবেন উৎপলবাবু?

    না না, বাড়ি ফিরতে হবে। মির্না সকালে ফোন পাওয়ার পর থেকে ছটফট করছে। আমি গেলে তবে ও আসতে পারবে।

    আটকে আছেন কেন? আপনারা তো দুজনে একসঙ্গে বেরোন।

    আর বলবেন না, কাল দুপুরে একটা কেলেঙ্কারি হয়েছে। টিপসি ফিনাইল খেয়ে ফেলেছে। তারপর থেকে কী বমি…একদম নেতিয়ে পড়েছে বেচারা। অসুস্থ প্রাণীটার কাছে আমাদের একজনকে তো থাকতেই হয়। মির্না কাল ক্লাস পর্যন্ত নেয়নি।

    মিতিন দুএক সেকেন্ড কী যেন ভাবল। তারপর বলল, চলুন, আমরাও আপনার সঙ্গে যাই। টিপসিকে দেখে আসি।

    উৎপল বলল, সত্যি যাবেন? চলুন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমিতিনমাসি সমগ্র ২ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    Next Article বিষ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    Related Articles

    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    গল্প সমগ্র – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    অন্য বসন্ত – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    কাছের মানুষ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    হেমন্তের পাখি – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    অলীক সুখ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    আলোছায়া – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }