Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মিতিনমাসি সমগ্র ১ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    সুচিত্রা ভট্টাচার্য এক পাতা গল্প667 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৯. ফিরতে ফিরতে বেশ বেলা হল

    ফিরতে ফিরতে বেশ বেলা হল টুপুরদের। ঢুকেই দেখে পার্থ হাঁড়িমুখ করে সোফায় বসে, বাড়িময় ছড়িয়ে আছে ইলিশমাছ। ভাজার অপরূপ সুঘ্ৰাণ।

    মিতিন হালকা ভাবে জিজ্ঞেস করল, সাহেবের এখনও খাওয়া হয়নি মনে হচ্ছে?

    পার্থ গুমগুমে গলায় বলল, আমি তোমাদের মতো বেআক্কেলে নই। সবাই একসঙ্গে জমিয়ে খাব বলে বাজার করলাম, আর তোমরা আসি বলে কাশী!

    টুপুর কৈফিয়ত দেওয়ার ভঙ্গিতে বলল, কী করব, অনেকগুলো জায়গায় যেতে হল যে। প্রথমে মিস্টার মাইকেলের বাড়ি, সেখান থেকে উৎপলবাবুদের বাড়ি, সেখান থেকে রিপন লেনে মিসেস জোনসের ডেরা…। মিস্টার জোনসের কী হাল গো, বেচারা হুইল চেয়ার ছাড়া মুভই করতে পারেন না।

    গপ্পো পরে ফাঁদবে। ইলিশমাছ কিন্তু বরফ হয়ে যাচ্ছে।

    হ্যাঁ হ্যাঁ, চলো আগে বসে যাই। মিতিন বলল, বুমবুমের খাওয়া হয়েছে তো?

    তার বোধ হয় এতক্ষণে হজম হয়ে গেল। আমি আর ভারতী পেটে কিল মেরে বসে আছি।

    এক থালা খিচুড়ি আর গোটাচারেক ইলিশভাজা পাকস্থলীতে যাওয়ার পর চিত্ত প্ৰফুল্ল হয়েছে পার্থর। হাত চাটতে চাটতে বলল, তা তোমাদের কেস কত দূর এগোল?

    নৌকো প্ৰায় পাড়ে এসে গেছে। এখন নোঙর ফেললেই হয়।

    কীরকম? পবিত্র আত্মাকে ঘায়েল করার প্যাঁচ পেয়ে গেছ বুঝি?

    হচ্ছে ব্যবস্থা। সময় হলেই জানতে পারবে।

    পার্থ অবশ্য জানার তেমন কৌতূহলও দেখাল না। আহার শেষ হতেই হাই তুলছে বড় বড়। বৃষ্টি একদমই থেমে গেছে, আকাশ এখন প্রায় নির্মেঘ, রোদ্দুরে ঝলমল করছে বাইরেটা। পাৰ্থর তবু বেরোনোর কণামাত্র বাসনা নেই, সটান গিয়ে শুয়ে পড়েছে ঘুমন্ত বুমবুমের পাশে। পাঁচ মিনিটের মধ্যেই নাক ডাকা শুরু হয়ে গেল। ফরর ফর, ফরর ফর।

    রান্নাঘরে বসে খাচ্ছে ভারতী। টুপুরকে নিয়ে নিজের গলতায় চলে এল মিতিন। দু-কামরার ভাড়াবাড়ির পিছনের চওড়া বারান্দাটায়। নিজেই বারান্দাটা ঘিরে নিয়েছে মিতিন। অফিস কাম ডিটেকশান চেম্বার। খুপরি জায়গাটুকুতে আছে চেয়ারটেবিল, খুদে সোফা, একখানা ফাইল ক্যাবিনেট, বেঁটে একটা স্টিল আলমারি, আর বইটই। গোপন নথিপত্র থাকে আলমারিতে। নিজের পেশার প্রয়োজনীয় জিনিসও।

    টুপুরকে চেয়ারে বসিয়ে টেবিলফ্যান চালিয়ে দিল মিতিন। বলল, এবার তোর আসল কাজ স্টার্ট।

    টুপুর টান টান, কী করতে হবে?

    রাইটিং প্যাডটা নে। সেই প্রথম দিন থেকে শুরু করে যাকে যাকে দেখেছিস তাদের সম্পর্কে ডিটেলে লিখে ফ্যাল। যেখানে যেখানে গেছিস, যা যা শুনেছিস তাও নোট করবি। তারপর রিমার্কস কলামে লিখবি কার কার কোন কোন ব্যাপারটা তোর সন্দেহজনক লেগেছে। দুঘণ্টা টাইম দিলাম। ও কে?

    তুমি কী করবে এতক্ষণ?

    আমিও যাই একটু গড়িয়ে নিই। খিচুড়ি খেয়ে চোখটা বড় টানছে।

    ঘন্টাদেড়েকের মধ্যে টুপুরের কাজ শেষ। উঠে মিতিনমাসিকে ডাকতে গিয়ে টুপুর বেজায় অবাক। ওমা, ঘুমোচ্ছে কোথায়, মিতিনমাসি তো দিব্যি জাগ্রত। পায়চারি করছে ড্ৰয়িংরুমে। হাঁটতে হাঁটতে দাঁড়িয়ে পড়ছে হঠাৎ, বিড় বিড় করে কী যেন বলছে, কুঁচকোচ্ছে কপাল। চিন্তা করার সময়ে মিতিনমাসি কেমন খ্যাপাটে হয়ে যায়, সারান্ডাতেও দেখেছে টুপুর। এই সময়ে ডাকাডাকি করলে মিতিনমাসির চিন্তার সুতো নাকি ছিঁড়ে যায়।

    টুপুর চুপটি করে দাঁড়িয়ে ছিল। মিতিনেরই হঠাৎ চোখ পড়েছে টুপুরের দিকে।

    ভুরু জড়ো করে বলল, হয়ে গেছে?

    টুপুর ঘাড় নাড়ল, হ্যাঁ।

    এখানেই বোস। পড়ে শোনা। থেমে থেমে পড়বি। হড়বড় করবি না।

    টুপুর গলা ঝেড়ে নিয়ে শুরু করল:

    জোনাথন মাইকেল

    অ্যাংলো-ইন্ডিয়ান। বয়স একাত্তর। হাইট জোর পাঁচ পাঁচ। গায়ের রং ফরসা নয়। বাবা বাঙালি হিন্দু, মা আইরিশ। গত জানুয়ারি মাসে ভাগলপুরের, দুখানা বাড়ি বেচে চোদ্দো লক্ষ টাকা পেয়েছেন। তার মধ্যে পঞ্চাশ হাজার পেয়েছে ডিক, পঞ্চাশ হাজার মির্না। কথাবার্তা ভাল। ভূতপ্রেতে বিশ্বাস করেন। ইলিয়ট রোডের বাড়ির ওপর বড় মায়া, কিন্তু বাড়িটাকে তেমন যত্ন করেন না। ছেলের ওপর দুর্বলতা নেই যে তা নয়, তবে মেয়ের ওপর টান বেশি। জামাইয়ের ওপর অনেকটাই নির্ভর করেন। অজ উৎপলের মুখ থেকে জানা গেল, ভাগলপুরের বেকারি বেচে এসে জোনাথনের মা কলকাতায় একটা বেকারি খুলেছিলেন। পরে জোনাথনই দেখতেন ব্যবসাটা। তবে জোনাথন কোনওকালেই তেমন উদ্যোগী মানুষ নন, বেকারি চলত টিকিয়ে টিকিয়ে। বেকারিটা ছিল তালতলায়। ভাগলপুরের বেকারির নামেই নাম ছিল মাইকেল্স বেকারি। বছর কুড়ি আগে আগুন লেগে বেকারিটি পুরো পুড়ে যায়। তারপর আর ব্যবসায়। নামেননি জোনাথন। বেকারি পুড়ে যাওয়ায় ইনসিওরেন্স থেকে কিছু টাকা পেয়েছিলেন। ভাগলপুরের বাড়ির ভাড়া, আর ইনসিওরেন্সের টাকার সুদেই সংসার চলত। জোনাথনের স্ত্রী মারা গেছেন আট বছর। আগে। ক্যানসারে। সম্ভবত ওই সময়ে স্ত্রীর চিকিৎসা করতে গিয়ে বেশ কিছু জমানো টাকা খরচ হয়ে যায়।

    মাতৃসূত্রে পাওয়া পুরনো বাড়িটার পূর্ব ইতিহাস সম্পর্কে মোটামুটি জ্ঞান আছে জোনাথনের। গুপ্তধনের আশায় বিচিত্র একটা নোট যত্ন করে পুষে রেখেছেন। বাড়িতে ভূতুড়ে উপদ্রব শুরু হওয়ার পর প্রথমে তেমন একটা নাভাস হননি। তবে কাচ ভাঙার ঘটনাগুলোর পর এখন প্রায় বিধ্বস্ত দশা। বাড়ি বেচার ব্যাপারে মন থেকে এতটুকু সায় নেই, সুরজমলকে বার বার ফিরিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু এখন এতটাই ভেঙে পড়েছেন যে বাড়ি বেচতে রাজি হয়ে গেলেও অবাক হওয়ার কিছু নেই।

    দুটো কাচ ভাঙার ঘটনার সঙ্গে জোনাথন সরাসরি যুক্ত। প্রথমে নিজের ঘরের দেওয়াল-আলমারি, দ্বিতীয় বার ডাইনিং প্লেসের বড় ক্ৰকারিকেস। প্রথমটি ভাঙে সন্ধেবেলা, ওষুধ বার করতে গিয়ে। দ্বিতীয়টি গভীর রাত্রে, হাতের চাপ লাগার পর। কোনও ঘটনারই কোনও প্রত্যক্ষ সাক্ষী নেই।

    গোলাপবাগানের শখ আছে, কিন্তু গোলাপগাছের অবস্থা দেখে করুণা হয়। মানুষটিকে দেখেও। বিকেলে নিয়মিত হাঁটার অভ্যেস আছে ভদ্রলোকের। ফেরেন সন্ধে নাগাদ। খানিকটা একাকিত্বে ভোগেন বলে মনে হয়।

    মিসেস মারিয়া জোনস

    অ্যাংলো ইন্ডিয়ান। বয়স বছর পঞ্চাশ। কালো মোটাসোটা চেহারা। গোলগাল মুখে একটা মা মা ভাব আছে। অত্যন্ত ধর্মপ্রাণা। হোলি স্পিরিটে শুধু বিশ্বাসই নেই, আত্মাকে অনুভবও করেছেন। জোনাথন মাইকেলের বাড়ি কাজ করছেন জোনাথনের স্ত্রীর অসুখের সময় থেকে। প্রায় বাড়ির লোকের মতো হয়ে গেছেন। স্বামী অসুস্থ বলে রাতে জোনাথনের বাড়িতে থাকা সম্ভব হয় না। ফার্নিচার রুমে রাতের উৎপাত দেখেননি একদিনও, তবে গল্প শুনেই ভয়ে জবুথবু। দুটো-চারটে বাম্ব, টিউব ভাঙার সময়ে উপস্থিত থাকলেও একটিও কাচের আসবাব ভাঙার সাক্ষী নন। উৎপল-মির্নার সঙ্গে সম্পর্ক ভাল। ডিকের ওপর কিঞ্চিৎ বিরাগ আছে। শনিবার সকালে সুরজমল যখন জোনাথনের কাছে এসেছিল, তখনও উপস্থিত ছিলেন না। বাড়ি বেচা, না বেচার ব্যাপারে তাঁর কোনও মন্তব্যই নেই। ভূতের উপদ্রব চলতে থাকলে হয়তো চাকরি ছেড়ে দিতে পারেন। যথাসম্ভব দেখভাল করেন অসুস্থ স্বামীর। সম্প্রতি কালোসাদা টিভি বেচে একটি রঙিন টেলিভিশন কিনে দিয়েছেন স্বামীকে। ইনস্টলমেন্টে দাম দেন। মাসে তিনশো নিরানব্বই। দু বছরে টাকা শোধ হবে। মাত্র সতেরোশো টাকা মাইনে পান, খুব কষ্ট করে চালান সংসার।

    উৎপল ক্রিস্টোফার বিশ্বাস

    বাঙালি ক্রিস্টান। বয়স বছর বত্ৰিশ তেত্রিশ। স্বাস্থ্যটি দেখার মতো। কলেজের পরীক্ষা না দিয়েই সার্কাসে চাকরি নেন। তিনটে সার্কাস কোম্পানি মিলিয়ে চাকরি করেছেন এগারো বছর। শেষ ছিলেন। জুপিটার সার্কাসে। বলছেন সার্কাসের অবস্থা খারাপ হয়ে যাওয়ায় কাজ ছেড়ে দিতে বাধ্য হন, তবে যুক্তিটা খুব জোরালো নয়। বিয়ে করেছেন জোনাথনকন্যা মির্নাকে। বছর ছয়েক আগে। সার্কাসেই মির্নার সঙ্গে পরিচয়। বাচ্চাকাঙ্ক্ষা এখনও হয়নি। কুকুর পোষেন।

    উৎপল যথেষ্ট করিৎকর্মা। জোগাড়যন্ত্র করে দিব্যি বড়সড় একটা জিমনাসিয়াম বানিয়ে ফেলেছেন। শ্বশুরকে জপিয়ে জাপিয়ে ভাগলপুরের বাড়ি বেচিয়েও পঞ্চাশ হাজার টাকার ব্যবস্থা করেছিলেন। তবে শ্বশুরের প্রতি শ্রদ্ধাভক্তি আছে, শ্বশুরের নিয়মিত দেখাশুনো করেন। শ্বশুরের কাছাকাছি থাকার জন্যেই ঠাকুরপুকুরের বাড়ি ছেড়ে মুজফফর আহমেদ স্ট্রিটে ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়েছেন। ফ্ল্যাট ছোট হলেও সুসজ্জিত। শ্বশুরবাড়িতে প্রচুর অ্যান্টিক ফার্নিচার থাকলেও উৎপলের ফ্ল্যাটে সব আধুনিক আসবাব। খাট আলমারি ড্রেসিংটেবিল সোফা ক্যাবিনেট শোকে সবই প্রায় নতুন। টিভি ফ্রিজও। ওয়াশিংমেশিনটাও নতুন। সেমি অটোমেটিক। বাড়ির রাতদিনের কাজের মেয়ে সেলিমার বয়স বছর কুড়ি। মেয়েটি বদ্ধ কালা। চারবার চেঁচিয়ে বললে তবে শুনতে পায়। টিপসিটা খুব কিউট। লাফিয়ে কোলে উঠে পড়ে। আগের দিন ফিনাইল গিলে ফেললেও আজ যথেষ্ট নাচানাচি করছিল। ব্যাগে একটা চকোলেট ছিল, দেওয়া মাত্র কচর কচর খেয়ে নিল। উৎপল একাধিক দিন ভূতের উৎপাতের সময়ে জোনাথনের বাড়িতে ছিলেন। ভূত বা আত্মা সম্পর্কে তাঁর তেমন বিশ্বাস নেই, কিন্তু এখন যেন একটু একটু দুর্বল হয়ে পড়েছেন। যদিও এখনও উৎপলের আঙুল সুরজমলের দিকেই। বাম্ব-টিউব বা কাচের আসবাব ভাঙার সময়ে অনেকবারই উৎপলা জোনাথনের বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন। অবশ্য তিনি কোনও আসবাবে হাত দেওয়ার সময়ে কাচ ভাঙেনি।

    ফার্নিচাররুমের ফাঁক দিয়ে বাচ্চা গলার আইডিয়াটা উৎপলের মাথায় কেন এসেছিল বলা দায়। বেড়াল ঢোকার থিয়েরিটাও সত্যিই বিশ্বাস করেছিলেন কিনা সন্দেহ আছে। তবে উৎপল গোড়া থেকেই বাড়ি বেচার বিরোধী। শ্বশুরবাড়ির অতীত ইতিহাস সম্পর্কে অবশ্য বিন্দুমাত্র কৌতূহল নেই। বাড়ির কোথাও মহামূল্য জিনিস লুকোনো আছে এমন ধারণাকে গুলগল্প বলে উড়িয়ে দিলেও সেই অজানা জিনিসটির প্রতি চোরা লোভ আছে বলে মনে হয়।

    শখশৌখিনতা নেই। কেজো লোক। ডিকের সঙ্গে সম্পর্কটা এখন ভাল নয়।

    মির্না বিশ্বাস

    অ্যাংলো ইন্ডিয়ান। বয়স বছর তিরিশ। হাইট পাঁচ সাত তো হবেই। হুবহু মেমদের মতো দেখতে, মাথার চুলটি যদিও কুচকুচে কালো। সার্কাসে প্রথম দিকে জিমনাসটিক্সের খেলা দেখাতেন, বিয়ের পর থেকে ট্রাপিজে। ফ্ল্যাটের দেওয়ালে মির্নার জিমনাসটিক্স করার ছবি আছে।

    মির্না বেশ নার্ভাস টাইপ। জোনাথনের ক্ষতি হয়ে যাবে এই আশঙ্কায় সর্বদা কাঁটা হয়ে থাকেন। ভূতপ্রেতে অবিশ্বাসী নন। উৎপলের ওপর কন্ট্রোল আছে। মির্না চান না বলেই উৎপলও সম্ভবত বাড়ি বেচার ব্যাপারে তাঁর মতেই মত দিয়ে যান। মির্নার উপস্থিতিতে অনেকগুলো কাচের জিনিস ভেঙেছে। প্রথমে মোমবাতি বার করতে গিয়ে ভাঙে ওয়ালক্যাবিনেটের কাচের ড্রয়ার। তারপর মোমবাতি রাখতে গিয়ে সেন্টারটেবিলের কাচ। মির্নার নিজের ঘরের দেওয়াল-আলমারির কাচও মির্নার হাত লেগেই ভাঙে! বেশ কয়েকটি বান্ধ-টিউব ভাঙারও সাক্ষী মির্না।

    ডিকের সঙ্গে মির্নার সম্পর্ক খুবই তিক্ত। ভায়ের সম্পর্কে ঝুড়ি ঝুড়ি অভিযোগ জানিয়েছেন তিনি। তাঁর মতে ডিক অত্যন্ত স্বার্থপর, নিজেরটুকু ছাড়া কিছু বোঝেনা, সংসারে একটা পয়সা ঠেকায় না, দিদিকে হিংসে করে, বাবার খেয়াল তো রাখেই না। তবে ডিক যে অস্ট্রেলিয়া চলে যাওয়ার প্ল্যান ভাঁজছে সেটা মির্না জানেন না বলেই মনে হল।

    রিচার্ড মাইকেল (ডিক)

    অ্যাংলো ইন্ডিয়ান। বয়স সাতাশ-আটাশ। গায়ের রং পোড় পোড়া, মুখের আদলে মির্নার সঙ্গে সামান্য মিল আছে। ভীষণ হড়বড় করে

    ইংরিজি বলে, বাংলা জানেই না প্রায়। স্বভাবটা ভারী রুক্ষ, বাড়ির কারও সঙ্গেই বনে না। অবিরাম নাইট ডিউটি করে, আর সকালে এসে পড়ে পড়ে ঘুমোয়। প্রয়োজনীয় টাকা হাতে এলে দেশ ছাড়ার মতলবে আছে। রাতে থাকে না বলে ফার্নিচার রুমের ভূতুড়ে আওয়াজ কোনওদিন শোনেনি। তবে একদিন স্বচক্ষে হেলি। স্পিরিটকে দেখেছে। তার দৃঢ় বিশ্বাস, উৎপল কিছু চেয়ার-টেবিল ফার্নিচার রুমে ঢুকিয়ে দেওয়ার জন্যই হোলি স্পিরিট কুপিত হয়েছেন। এবং তিনি আর কখনওই ঠাণ্ডা হবেন না, বাড়ি এখনই বেচে ফেলাই শ্রেয়।

    অবশ্য ডিক গোড়া থেকেই বাড়ি বেচায় আগ্রহী। সুরজমলের সঙ্গে সেই গোপনে যোগাযোগ করেছিল। এখনও সুরজমলের সঙ্গে তার সম্পর্ক আছে। ভূতুড়ে আওয়াজ না শুনলেও বা ফাটা, কাচ ভাঙার সেও অন্যতম সাক্ষী। তার ঘরেই প্রথম কাচ ভাঙার ঘটনা ঘটে। কোনও কিছুতে না থাকতে চাইলেও বাড়ির ইলেকট্রিক লাইন ডিকই চেক করিয়েছিল।

    ডিকের ঘর দেখে বোঝা যোয় সে খুব শৌখিন। গোছানো স্বভাবের। মোটেই উড়নচণ্ডী নয়। গান শোনার নেশা আছে, ক্যাসেটের কালেকশান ভালই। সিলিন ডিয়নের ভক্ত। ঘরে সিলিনের পোস্টার আছে।

    সুরজমল অগ্নিদেব

    অবাঙালি। হয় উত্তর প্রদেশের, নয় রাজস্থানের। বয়স বছর চল্লিশ। সুদৰ্শন। কেতাদুরস্ত। মুখে দামি পাইপ ঝোলে। ধনী এবং ধুরন্ধর ব্যবসায়ী। নিজেকে অতি ধর্মভীরু বলে প্রতিপন্ন করতে চায়। মা কালীর ভক্ত। মুক্তকেশানন্দ নামের এক গুরুদেবের ছত্রছায়ায় থাকে। এদিকে আবার গুণ্ডাও পোষে। জ্যোতিষেও প্রবল বিশ্বাস। হিরে ছাড়াও তিন আঙুলে তিনটে পাথর বসানো আংটি। একটি সম্ভবত নীলকান্তমণি।

    সুরজমল কথাবার্তাতেও অতি দড়। ব্যঙ্গ-বিদ্রুপও ছুড়তে জানে। বলছে বটে জোনাথনের জমি বাড়ি নিয়ে তত আগ্রহ নেই, কিন্তু কেনার ধান্দায় ডিডের কাগজপত্রসহ অ্যাডভান্স নিয়ে চলেও এসেছিল। জোনাথনের ধ্যাতানি খেয়ে এখন অপমানে গরগর করছে।

    জোনাথনের বাড়ির গুপ্তধনটির খবর সুরজমল সম্ভবত জানে না।

    মিস্টার জোনস

    অ্যাংলো ইন্ডিয়ান। পুরো নাম জানা হয়নি। ষাটের মতন বয়স। দড়িপাকানো চেহারা। গায়ের রং তামাটে। মাথার কোঁকড়া চুল বেশির ভাগই পাকা। অপরিচ্ছন্ন রিপন লেনের পলেস্তরাখসা মান্ধাতা আমলের এক বাড়ির দমচাপা অন্ধকার অন্ধকার একতলার একটা ঘরে বাস। সারাদিন একলাই কাটান। টিভি দেখে। একসময়ে। ধর্মতলার নামী ছবি বাঁধাইয়ের দোকান রয়্যাল বাইন্ডার্সে চাকরি করতেন। সাড়ে চার বছর আগে বাস থেকে পড়ে গিয়ে কোমরে চোট পেয়েছিলেন। পোরাসিক ভাটিায়। প্যারাপ্লেজিয়া মতন হয়ে গেছে। হাঁটতে-চলতে পারেন না, ঘরে রাখা হুইলচেয়ারটাই এখন ভরসা। হুইলচেয়ার করে মাঝে মাঝে বেরোন কাছে পিঠে। মিসেস জোনস হুইলচেয়ার ঠেলে নিয়ে গেলে চার্চেও যান। খুপরি ঘরটার দেওয়াল যিশু আর মা মেরির ছবিতে ছয়লাপ। ধূমপানের নেশা আছে, হাতে পাকানো সিগারেট খান।

    ব্যবহারটি মধুর। উৎপলের সঙ্গে ভালই পরিচয়। জোনাথনের বাড়ির ভূতুড়ে কাণ্ডর খবরাখবর রাখেন। তবে মিসেস জোনসের মতো হহলি স্পিরিটের ব্যাপারে সিরিয়াস নন, বরং মিসেস জোনসের আতঙ্ক দেখে মজাই পান।

    মন্তব্য

    এক– ডিকের ভূত দেখার কাহিনীটা কি আষাঢ়ে নয়?

    দুই— উৎপল সব সত্যি বলছে বলে মনে হয় না কেন?

    তিন— সুরজমলের সত্যি মিথ্যে কি পৃথক করা সম্ভব?

    চার– ডিককে সন্দেহের তালিকার বাইরে কোনওভাবেই রাখা যায় না।

    পাঁচ– কাচ ভাঙছে বাড়িরই কেউ। কিন্তু কীভাবে? বালবটিউবই বা ওভাবে ফাটে কী করে?

    ছয়– ফার্নিচারঘরের শব্দটা কি কোনও টেপের আওয়াজ? কোথায় লুকোনো থাকতে পারে টেপটা? কেই বা তাকে চালু করে? কীভাবে করে?

    টুপুরের পাঠ শেষ। মিতিন চোখ বুজে শুনছিল। বলল, কীরে, আর কিছু নেই?

    আর কী থাকবে?

    প্রত্যেকের বাড়ির ডেক্রিপশান? কাচ ভাঙাভাঙির ডিটেল? ফার্নিচাররুমের বর্ণনা?

    ওগুলোও লিখতে হবে? লিখব?

    থাক। মিতিন ঝুঁকে টুপুরের চুল ঘেঁটে দিল, নোটটা ভালই বানিয়েছিস। ভাষাও বেশ ঝরঝরে হয়েছে। তবে অবজারভেশান আরও তীক্ষ্ম করতে হবে। দু-চারটে ইম্পর্ট্যান্ট পয়েন্ট মিস করে গেছিস।

    যেমন?

    ভাগলপুরের বাড়ি বিক্রি করতে গিয়ে কী একটা ঝামেলা হয়েছিল।

    হ্যাঁ হ্যাঁ, তাই তো। মিস্টার মাইকেল নাকি নিজেদের বাড়ি পর্যন্ত যেতেই পারেননি। হোটলে বসেই তাঁকে নাকি সইসাবুদ করে দিতে হয়েছিল। ন্যায্য দামও পাননি, জলের দরে বেচতে হয়েছে। যে। কিনেছে সে নাকি উৎপলবাবুকেও খুব ভয় দেখিয়েছিল। টুপুর বলতে বলতে থমকাল, কিন্তু মিতিনমিসি, ওসবের সঙ্গে ইলিয়ট রোডের বাড়ির ভূতুড়ে কাণ্ডকারখানার কী সম্পর্ক?

    হয়তো নেই। আবার হয়তো বা আছেও। একটা কথা মাথায় রাখিস, ভাগলপুরের বাড়ি বিক্রি করে আসার আগে পর্যন্ত ইলিয়ট রোডের বাড়িতে কিন্তু কোনও সমস্যা ছিল না।

    তা বটে। টুপুরের চোখ সরু হল, তুমি কি উৎপলবাবুকে সন্দেহ করছ? কিন্তু তিনি কেন তা হলে যেচে তোমার কাছে….?

    সেই মোটিভটাই তো খুঁজে বার করতে হবে। অবশ্য আমি উৎপলবাবুকেই দোষী বলে দিচ্ছি তা কিন্তু নয়। তবে হ্যাঁ, সেও সন্দেহের তালিকার বাইরে নেই। মুখে সে যাই বলুক, শ্বশুর যদি ভয় পেয়ে বাড়ি বিক্রি করেন, তারও কিন্তু মোটা লাভের সম্ভাবনা।

    হুম, এটাও একটা ভাবার বিষয় বটে।

    তারপর ধর, কাচ ভাঙার ব্যাপারটা। লক্ষ করেছিস কি কাচ ভাঙার নেচারটা দুরকমের? লাস্ট কাচটা ভেঙেছে টুকরো টুকরো হয়ে। নট ইন রেগুলার জিওমেট্রিকাল প্যাটার্ন। অন্য দিনের মতো হাত লেগে খসেও পড়েনি, কোন কিছুর আঘাতে ভেঙেছে। প্লাস পুতুল গুড়ো গুঁড়ো হয়ে যাওয়াটাও একেবারেই নতুন ধরনের ইন্সিডেন্ট। তারপর ধর, আমরা প্রথমবার ও-বাড়ি ভিজিট করার পর ফার্নিচার রুমে আওয়াজ হওয়া ঝপ করে কমে গেল। কিন্তু সুরজমল ফের ঘুরে যাওয়ার পর থেকেই শুরু হল বালব-টিউব আর কাচ ভাঙার উপদ্রব। এই পিরিয়ডে ফার্নিচাররুমে মাত্র এক দিনই আওয়াজ হয়েছে। এখন বালব-টিউবও আর রোজ ফাটছে না। এবং চেয়ার-টেবিল বার করে দেওয়ার একদিন পরই লাস্ট ইন্সিডেন্টটা ঘটল।… এগুলো তো তুই লিখিসনি! এইসব ঘটনাই তো সুতায় গাঁথতে হবে। নয় কি?

    টুপুর মাথা চুলকোল, ভুল হয়ে গেছে। দেব নোট করে?

    আর লাগবে না। তবে তোর আর একটা ব্যাপারও আমায় একটু হতাশ করেছে রে।

    কী?

    তোর নাকটা এখনও পাকেনি।

    মানে?

    পরে শুনিস। এখন আয়, সব ইনফরমেশানগুলোকে ছেঁকেছুঁকে তাদের একটা যুক্তির শিকড়ে গেঁথে ফেলি। তারপর মেথড অফ এলিমিনেশান দিয়ে ধাপে ধাপে বুল্স আইতে পৌঁছই। মিতিন ঝপ করে থেমে গিয়ে মুচকি হাসল, তবে তারও আগে আর একটা কাজ যে আছে মিস ওয়াটসন।

    কী?

    জিভটা যে বড় চা চা করছে।

    দৌড়ে ভারতীকে চা করতে বলে ফিরেছে টুপুর, আড়মোড়া ভাঙতে ভাঙতে পাৰ্থর আবির্ভাব। মুখব্যাদান করে প্রকাণ্ড এক জৃম্ভণ সারল। ঢুলুঢুলু চোখে বলল, মাসি-বোনঝিতে জোর গুলতানি চলছে দেখি!

    তাতে কি মহাশয়ের এক ডজন দিবাস্বপ্ন দেখার কোনও ব্যাঘাত ঘটল?

    ডাঁহা ভুল বললেন প্রজ্ঞাপারমিতা দেবী। পাৰ্থ সোফায় বাবু হয়ে বসল, শোনো, মানুষ প্রথম স্বপ্ন দেখে ঘুমানোর সাতষট্টি মিনিট পর। তারপর প্রতিটি স্বপ্ন দেখার মাঝে ব্যবধান থাকে সিক্সটিওয়ান টু সিক্সটিসেভেন মিনিটস। সুতরাং পৌনে তিন ঘণ্টার ঘুমে আমার পক্ষে একজোড়ার বেশি স্বপ্ন দেখা সম্ভব নয়।

    ও তো গড় হিসেব। তুমি তো ব্যতিক্রম।

    পার্থর ঘাড়ের রোঁয়া যেন ফুলে উঠল, তা হলে স্বীকার করছ আমি একটু ডিফারেন্ট?

    অবশ্যই। মিতিন মিটিমটি হাসছে, তা ব্যতিক্রমী মানুষ, তোমাকে যে তিনটে কাজের ভার নিতে হবে।

    আমি প্রস্তুত। কাজকে এ শর্মা ডরায় না।

    বটেই তো। তুমি তো কাজপাগল। নইলে কি নিজেই নিজেকে ছুটি দিয়ে আজ ভোঁস ভোঁস ঘুমোতে! কুটুস করে একটা হূল ফুটিয়ে নিয়ে মিতিন সিরিয়াস হল, মন দিয়ে শোনো। প্রথম কাজ, যে কবরখানায় মাইকেল মধুসূদনের সমাধি আছে, সেখানে গিয়ে রবার্ট ম্যাকগ্রেগরের সমাধি খুঁজে বের করা। মৃত্যু-সাল আঠেরোশো চৌষট্টি।

    কেন?

    প্রশ্ন নয়, যা বলছি তাই করবে।

    কিন্তু পাব কী করে? অত বড় একটা কবরখানায়…?

    খুঁজবে সারাদিন। সঙ্গে সঙ্গে পুরনো কলকাতার ইতিহাস আরও ঝালাই হয়ে যাবে।

    পার্থ বেজার মুখে প্রশ্ন করল, দুনম্বর কাজটা কী?

    পরশু এখান থেকে একজন ইলেকট্রিশিয়ান ধরে নিয়ে গিয়ে মিস্টার জোনাথন মাইকেলের ফার্নিচার রুমে একটা টিউবলাইট ফিট করে দিয়ে আসতে হবে। কাল সকালে আমি টিউবটা তোমায় এনে দেব। মিস্টার মাইকেলকে ফোন করে বলে দেব টিউবটা মন্ত্ৰঃপূত, হোলি স্পিরিটও ওই টিউব ভাঙতে পারবে না। উলটে ওই টিউবের কল্যাণেই ও বাড়ির সমস্ত উপদ্রব বন্ধ হয়ে যাবে। টিউবলাইটটি জ্বালিয়ে দরজায় তালা দেবেন মিস্টার মাইকেল, তুমি বলে আসবে আমি না যাওয়া পর্যন্ত কোনওভাবেই ওই ঘরের দরজা যেন না খোলা হয়। ভেতরে তুলকালাম হয়ে গেলেও না।

    এটা কোনও কাজই নয়। হয়ে যাবে।

    অত সোজা ভেবো না। টিউবলাইট লাগানোর সময়ে লাইকোপোডিয়াম পাউডার ছড়িয়ে দিতে হবে ফার্নিচার রুমের কার্পেটে। খুব সাবধান, কেউ যেন পাউডার ছড়ানো দেখতে না পায়। মিস্টার মাইকেল, উৎপল, মিসেস জোনস, মির্না, ডিক কেউ না।

    মন্ত্ৰঃপূত টিউবলাইট, পাউডার…. ব্যাপারটা কী বলল তো?

    উহুঁ, প্রশ্ন নয়।

    ও কে। ও কে। কী বিটকেল বিটকেল কাজ যে চাপাচ্ছ! তিন নম্বরটা কী?

    ওটাই সিম্পল। কাল জামালপুর এক্সপ্রেসের দুটো টিকিট চাই। আমার আর টুপুরের। আপটু ভাগলপুর।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমিতিনমাসি সমগ্র ২ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    Next Article বিষ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    Related Articles

    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    গল্প সমগ্র – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    অন্য বসন্ত – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    কাছের মানুষ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    হেমন্তের পাখি – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    অলীক সুখ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    আলোছায়া – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }