Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মিতিনমাসি সমগ্র ১ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    সুচিত্রা ভট্টাচার্য এক পাতা গল্প667 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১২. কখন যেন নিঃসাড়ে চলে গেছে

    কখন যেন নিঃসাড়ে চলে গেছে মির্না-উৎপল। ডিকও আর বাড়ির ত্ৰিসীমানায় নেই এখন। মিসেস জোনসও বিদায় নিতে চেয়েছিলেন, জোনাথন ছাড়েননি। মরমে মরে থাকা মহিলাটিকে আর খাঁড়ার ঘা দিতে চাননি জোনাথন। নিঃশব্দে মিতিন, পার্থদের হাতে কফির পেয়ালা তুলে দিয়ে তিনি এখন রান্নাঘরে।

    জোনাথন কফিতে চুমুক দিচ্ছিলেন। এখনও খুবই বিভ্রান্ত দেখাচ্ছে তাঁকে। বিষণ্ণও। মিতিন তাঁকে গণপতি চৌধুরীর সঙ্গে দেখা হওয়ার গল্প বলছিল, তিনি যেন সেভাবে শুনছিলেন না ভাল করে।

    আচমকাই একটা বেখাপ্পা প্রশ্ন করে বসলেন, একটা কথা কিছুতেই আমার মাথায় ঢুকছে না প্রজ্ঞাপারমিতা। উৎপল-মির্না হঠাৎ তোমার কাছে ছুটল কেন?

    মিতিন একটুক্ষণ চুপ করে রইল। তারপর বলল, উৎপল-মির্নার মনে কী ছিল বলা কঠিন। তবে আমার যা অ্যাসেসমেন্ট, ওঁরা গেছিলেন খানিকটা বাধ্য হয়ে। রাজনাথ সিং-এর কাছে এঁরা ভাগলপুরের বাড়ি দুটো বেচেছিলেন বটে, তবে তখনও উৎপলবাবুরা বুঝতে পারেননি রাজনাথ সিং কতটা বিপজ্জনক। গণপতিবাবুর মাধ্যমে বিক্রি হলে আসল দাম আপনার অজানা থাকবে না, অতএব টাকা মারারও নো চান্স, শুধু এই কারণেই গণপতিবাবুকে এড়িয়ে রাজনাথের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। মুফতে বারো লাখ এল বটে, তবে এঁরা খপ্পরে পড়ে গেলেন রাজনাথের। এই বাড়িটাও তাকে বিক্রি করার জন্য চাপ তৈরি করতে লাগল রাজনাথ। ব্ল্যাকমেলিং। উপায়ন্তর না দেখে কীভাবে আবার আপনাকে জপানো যায় তাই নিয়ে উৎপল যখন ভাবনাচিন্তা করছেন, তখনই শুরু হল ফার্নিচাররুমে উপদ্ৰব। তার আগে সুরজমল একবার ঘুরে গেছে এবাড়ি থেকে। উৎপলও তো বুদ্ধিমান লোক, তাঁর সিক্সথ সেন্স বলছিল সুরজমলই কোনও ফাউলপ্লে করছে। উটকো ঝামেলায় তাই একটু দিশেহারাই হয়ে গেলেন উৎপল। চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছেন ভূতের গল্পটা বাড়িতে ক্রমশ জাঁকিয়ে বসছে, আজ নয় কাল আপনি দুর্বল হয়ে পড়তেই পারেন। কিন্তু সুরজমল যদি জমিবাড়ির দখল পায়, রাজনাথ সিং তো উৎপলকে ছেড়ে কথা বলবে না। সুতরাং তাঁকে প্রথমে সুরজমলকে সিন থেকে আউট করতেই হবে।

    এবং তার জন্য প্রয়োজন অলৌকিক ঘটনার কার্যকারণ নির্ণয়।

    পার্থ ফস করে বলে উঠল, বিকজ, কীভাবে বন্ধ ঘরে ফার্নিচার নড়ছে তা উৎপলদের ঠিক ঠিক মাথায় ঢুকছিল না।

    কারেক্ট। মিতিন ঘাড় নাড়ল, ইতিমধ্যে হঠাৎ আর একটা কাণ্ড ঘটে গেল। পুরনো একটা বাড়ি ধসে পড়ল লেবুতলায়। মারা গেলেন এক বৃদ্ধ। খবরটা দেখে কাঁটা হয়ে গেলেন উৎপলরা। যদি এমন কিছু ইলিয়ট রোডেও ঘটে? যদি সুরজমলই ঘটায়? রাজনাথের স্বরূপটাও তদ্দিনে মোটামুটি চিনে গেছেন উৎপলরা। বুঝেছেন রাজনাথের পক্ষেও একটা মারাত্মক কিছু করে ফেলা অসম্ভব নয়। মিতিন জোনাথনের দিকে ঘুরল, আপনার মেয়ে জামাইয়ের খুব টাকার লোভ আছে বটে, তবে আপনার কোনও বড়সড় ক্ষতি হয়ে যাক সেটা মির্না কখনওই চাননি। উৎপলও না।

    তা ছাড়া আর একটা ভয়ও নিশ্চয়ই ছিল উৎপলের, পার্থ বিজ্ঞের মতো বলল, যদি কোনও অঘটন ঘটে, যদি মিস্টার মাইকেলের কিছু হয়ে যায়, তবে তো পুলিশকেস হবেই। আর পুলিশে ছুঁলে ছত্রিশ ঘা। তারা ঠিক গুঁতিয়ে গুঁতিয়ে আদ্যোপান্ত সব বার করবে। ভাগলপুরের কীর্তিটি প্রকাশ পেলে নিৰ্ঘাত এই কেসেও ওদেরই চক্রান্তকারী ধরে নিয়ে স্ট্রেট পুরে দেবে গারদে।

    হ্যাঁ। এটাকেও একটা কারণ বলা যায়। মিতিন শেষ চুমুক দিয়ে কফির কাপ নামিয়ে রাখল, নিজেদের গা বাঁচানোর তাগিদও তো একটা বড় তাগিদ। পাশাপাশি অবশ্য আর একটা উদ্দেশ্যও ছিল। উৎপলদের আদৌ না ছুঁয়ে যদি আমি সুরজমলের চাতুরিটা ধরে দিই, তা হলে মেয়ে-জামাইয়ের ওপর মিস্টার মাইকেলের আস্থা আরও বাড়বে। কত বড় একটা বিপদ থেকে তিনি উদ্ধার পেলেন, এই ভেবেই তিনি আর উৎপল-মির্নার অনুরোধ তখন ঠেলতে পারবেন না। বাড়িটাও সহজেই রাজনাথের হাতে তুলে দেওয়া যাবে।

    পার্থ বলল, তা ছাড়া মিস্টার মাইকেলের এই মেগনা যদি সত্যি সত্যি হানাবাড়ি হিসেবে চিহ্নিত হয়ে যায়, উৎপলের তো মেটিরিয়াল লস। রাজনাথ সিং-এর কাছে এবাড়ির ভাও কমবে। সঙ্গে সঙ্গে আমার বন্ধুবরের বখরাও।

    বটেই তো। এরকম সাত-পাঁচ ভেবে দোনামোনা করতে করতেই তো উৎপলদের আমার কাছে আসা। ইনিশিয়াল মিশন, ওই যে বললাম, যেন তেন প্রকারেণ সুরজমলকে আউট করা।

    কিন্তু এটা তো মানবে, আমার বন্ধুর জহুরির চোখ। পাৰ্থ ঠাট্টা জুড়ল, মিসেস জোনস যদি ইস্কাবনের বিবি হন তো সুরজমল ইস্কাবনের টেক্কা।

    ওটা আন্দাজ করা তেমন কঠিন নয়। যে-বাড়িতে কস্মিনকালে ভূত দেখা যায়নি, সেখানে সুরজমল এল আর অমনি ভূতের নৃত্য শুরু হয়ে গেল? তোমার বন্ধু তো আর ঘাসে মুখ দিয়ে চলে না। মিতিন মাথা দোলাল, তবে মিসেস জোনসের কথাটা কিন্তু ওঁর মাথাতেই আসেনি।

    তুমিই বা মিসেস জোনসকে কী করে সন্দেহ করলে প্রজ্ঞাপারমিতা? জোনাথন অনেকক্ষণ পর কথা বললেন, আফটার অল শি ইজ সো টেন্ডার, সো অ্যাফেকশনেট, সো লয়াল..?

    সত্যি কথা বলতে কী, মিসেস জোনস এমন একটা কাজে জড়িত থাকতে পারেন, আমিও ভাবতে পারিনি। তবে আর্চের ফাঁক গলে বাচ্চা ঢুকছে, এমন একটা আষাঢ়ে গল্প বিশ্বাস করানোর জন্য তিনি যেভাবে উঠে পড়ে লেগেছিলেন, তাও আমার মোটেই ভাল লাগেনি। বেড়াল থিয়োরি দিয়ে ওঁকে কাটিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিলাম। যদিও প্রথম থেকেই বুঝেছি, যে ফার্নিচাররুমে আওয়াজ করছে, সে বাড়িটাকে ভূতের বাড়ি প্রমাণ না করে ছাড়বে না। ঠিক তাই হল। শুরু হল কাচ এপিসোড। আবার সুরজমলকে জড়িয়ে দিতে চাইলেন উৎপল। এদিকে কাচ ভাঙার প্যাটার্ন দেখেই আমি পদ্ধতিটা বুঝে যাই। তখন আমি হিসেব করতে শুরু করি কাজটা কে করতে পারে? উৎপলই কি? সম্ভাবনা কম। প্রতিদিন বিকেলে এসে ঘরগুলোর নির্দিষ্ট আসবাবে দাগ টেনে যাওয়া তো উৎপলের পক্ষে কঠিন। অন্তত মিসেস জোনসের চোখ এড়িয়ে। তখনই প্রথম মিসেস জোনসের ভাবনাটাও মাথায় আসে। কথায় কথায় জানতে পারলাম ওঁর স্বামী চাকরি করতেন ফটো বাইন্ডিংয়ের দোকানে। অর্থাৎ যারা নিয়মিত কাচ কাটাকাটি করে। শুধু ফার্নিচারের কাচ ভাঙলে ব্যাপারটা তেমন ভয়াবহ হবে না ভেবে বালব-টিউবের গায়ে অ্যাসিড মাখানোরও আয়োজন করেন। মিসেস জোনস সম্ভবত এই সায়েন্টিফিক থিয়োরিটাও তিনি জেনেছিলেন তাঁর স্বামীর কাছ থেকে। তবে তখনও আমার মিসেস জোনসের মোটিভ নিয়ে সংশয় ছিল। নিজে করলে তিনি কী উদ্দেশ্যে করছেন? নাকি কেউ তাঁকে দিয়ে করাচ্ছে? এবং সে কে?

    অর্থাৎ তখনও তুমি সুরজমলের সঙ্গে মিসেস জোনসকে যুক্ত করতে পারোনি।

    করার উপায়ও ছিল না। সুরজমলের কাছে বুঝতে গেলাম, সুরজমল ব্যাপারটা আরও গুলিয়ে দিল। তার কথায় মনে হল, ডিক এর মধ্যে থাকলেও থাকতে পারে। কিন্তু ডিকও তো বিকেলে বাড়ি থাকে না! ডিকের সঙ্গে কথা বলে মনে হল, সে বড় বেশি আবেগে চলে। ঠাণ্ডা মাথায় অত সুষ্ঠু পরিকল্পনা করা তার পক্ষে সম্ভব নয়। এবং হোলি স্পিরিটের সম্পর্কে তার বিশ্বাসটাও জেনুইন। নইলে সে হোলি স্পিরিটকে দেখার গল্প করে আমাকে সুড়ঙ্গে ঢোকার রাস্তা আবিষ্কারের সূত্রটা জুগিয়ে দিত না। এর পরই আমি যাই মিসেস জোনসের বাড়ি। এবং সেখানেই মিসেস জোনসের সঙ্গে সুরজমলের আঁতাতটা ধরে ফেলি।

    টুপুর বিস্মিত মুখে বলল, কীভাবে?

    তামাকের গন্ধে মিস ওয়াটসন।

    মানে?

    তোকে সেদিন বললাম না, তোর নাক এখনও পাকেনি! এখনও বুঝছিস না?

    না মানে… ওরে বোকা, সুরজমলের পাইপ আর মিস্টার জোনসের হাতে পাকানো সিগারেট, দুটোরই তামাক এক। এক গন্ধ।

    বা রে, একই ব্র্যান্ডের তামাক দুজনে খেতে পারে না?

    অবশ্যই পারে। কিন্তু ওই অতি দামি বিদেশি তামাক কেনা মিস্টার জোনসের পক্ষে যে একেবারেই অসম্ভব। মিস্টার জোনসের বিছানার পাশে যে পাউচটা পড়ে ছিল তার ব্র্যান্ডনেম দেখেছিলি? ওই খাঁটি ভার্জিনিয়া টোব্যাকোর পাউচটির দাম অন্তত চারশো টাকা। ডলার থেকে কনভার্ট করলে ওরকমই দাঁড়াবে। কী বুঝলি?

    টুপুর মাথা চুলকোচ্ছে। মিতিন বলল, অর্থাৎ সুরজমল মিসেস জোনসের বাড়িতে পদধূলি দেন। তারই বদান্যতায়…। হয়ে গেল দুয়ে দুয়ে চার। এর পর মিসেস জোনসের মোটিভ অনুমান করতেও অসুবিধে হয় না। মনে আছে, মিস্টার জোনস বলছিলেন, সেরে ওঠার চান্স আমার নেই… অপারেশান করতে গেলে দুলাখ খরচা, অত টাকা আমরা পাব কোত্থেকে…? তোর নোটে কিন্তু এই কথাগুলোও মিস করে গেছিস।

    টুপুর অধোবদন।

    জোনাথনের ধন্দের ঘোর এখনও কাটেনি। দুদিকে মাথা নাড়তে নাড়তে বললেন, সবই তো বুঝলাম। কিন্তু মিসেস জোনসের ফার্নিচার রুমে যাওয়া-আসা করার রাস্তাটা তুমি খুঁজে পেলে কী করে?

    ফার্নিচাররুমে যে একটা কোনও রহস্যময় ব্যাপার আছে এটা আমার প্রথম দিনই মনে হয়েছিল। সব আসবাবে থিকথিকে ধুলো, অথচ অয়েলপেন্টিংটার তলার কাঠের চ্যানেল দিব্যি পরিষ্কার। অর্থাৎ ইউজ হয়। হাত পড়ে। ছবিটারও মধ্যিখানে চুলের মতো সরু একটা দাগ। তাও আবার লম্বালম্বিভাবে! সরলরেখায়! ক্যানভাস কি ওইভাবে ফাটতে পারে? আগেকার দিনে প্রায় বাড়িতেই গুপ্তকক্ষ তৈরি করা ছিল স্বাভাবিক ঘটনা, একথাটাও আমার মাথায় ছিল। এর পরেই ডিকের একটা স্টেটমেন্ট আমায় অনেকটা গাইড করে দিল। ডিক বলল, হোলি স্পিরিট নাকি পেছনের উঠোনের মাটিতে ভুস করে নেমে গেছিল। শুনেই সঙ্গে-সঙ্গে আমি বাড়ির পেছনে গিয়ে ঘাসে চাপা পড়া সুড়ঙ্গের ঢাকনাটা আবিষ্কার করে ফেলি। এবং লুকিয়ে লুকিয়ে ঢাকনা খুলে দেখেও নিই। ওই সময়েই আংটার পাশ থেকে কুড়িয়ে পাই একটা তামার আংটিও। মিসেস জোনসকে যেটা মাঝের আঙুলে পরতে দেখেছি। বলতে বলতে মিতিন চোখ ঘোরাল, একটা প্রশ্ন কিন্তু আপনারা কেউ করলেন না এখনও। লাস্ট যে কাচের শোকেসটা ভাঙল, সেটা অমন ছ্যাতরা ফ্যাতরা হয়ে চুরমার হয়েছিল কেন? আর কেনই বা ওভাবে গুঁড়ো গুঁড়ো হল পুতুলগুলো?

    এ তো পাঁচ বছরের শিশুও বোঝে। পার্থ কাঁধ ঝাঁকাল, মিসেস জোনস কেসটাকে আরও জটিল করে দিতে চেয়েছিলেন।

    ঘেঁচু বুঝেছ। মিতিন বুড়ো আঙুল দেখাল, ওই শোকেসটা মিসেস জোনস ভাঙেনইনি।

    যাহ বাবা, তা হলে ভাঙলটা কী করে?

    সেকেন্ড একজন ভেঙেছে। যে ঘোলা জলে মাছ ধরতে চেয়েছিল। যার গুপ্তধনের বাসনা অতি প্রবল। শোকেসের কাচ ভেঙে পুতুলগুলোকে আছড়ে আছড়ে ফেলে সে দেখে নিতে চেয়েছিল পুতুলের মধ্যেই কোনও হিরে মণিমাণিক্য লুকোনো আছে কি না। ভেবেছিল ওই শোকেস ভাঙাটাও অন্য কাচ ভাঙার ঘটনার সঙ্গে চালিয়ে দেওয়া যাবে।

    কে সে?

    তোমার বন্ধু। শ্ৰীমান উৎপল ক্রিস্টোফার বিশ্বাস। মিস্টার মাইকেল যখন আওয়াজ পেয়ে এ ঘরে এলেন, উৎপলও তখন এ ঘরে মজুত। মিস্টার মাইকেল ভাবলেন উৎপলও বুঝি আওয়াজ শুনেই ছুটে এসেছেন। অ্যাক্টিংটাও ভালই করেছিলেন উৎপল। তবে তাঁর পরিশ্রম অ্যাক্টিং সবই বৃথা গেল, কিছুই মিলল না।

    নেই কিছু তো পাবে কোত্থেকে? জোনাথন সহসা উত্তেজিত, কী বজ্জাত জামাই! কতদিনকার পুরনো পুতুলগুলোকে শেষ করে দিল।

    গুপ্তধনটা কিন্তু আছে মিস্টার মাইকেল।

    আছে?

    অবশ্যই। এবং তার মূল্য হিরে-জহরতের চেয়ে অনেক বেশি।

    কী জিনিস সেটা? কোথায় আছে?

    আপনার চোখের সামনেই আছে মিস্টার মাইকেল!

    জোনাথন তাকাচ্ছেন এদিক-ওদিক। এ-শোকেস ও-শোকেস, এদেওয়াল, ও-দেওয়াল।

    মিতিন পার্থকে বলল, ঘরাঞ্চি এনে দেওয়াল থেকে তলোয়ারটা পাড়ো তো।

    পার্থ অবাক। মিতিন মৃদু ধমক দিল, আঃ, যা বলছি করো না।

    স্টোররুম থেকে ঘরাঞ্চি এনে কষ্ট করে ভারী অস্ত্রখানা নামাল পার্থ। হাতে নিয়ে আলগাভাবে খাপের ধুলো ঝাড়ল মিতিন। তারপর হ্যাঁচকা টানে খাপ থেকে বার করেছে তলোয়ার। ঝকঝকে ইস্পাতের ফলা ঝলসে উঠল বাতাসে।

    দুহাতের তেলোয় তলোয়ারখানা কায়দা করে রাখল মিতিন। তারপর বাড়িয়ে দিল জোনাথনের দিকে। নাটুকে ভঙ্গিতে বলল, প্লিজ অ্যাকসেপ্ট দা মোস্ট প্রেশাস পজেশান অফ মিস্টার রবার্ট ম্যাকগ্রেগর। এই তলোয়ার ঝাঁসির রানি লক্ষ্মীবাঈ উপহার পাঠিয়েছিলেন মহারাজা কানোয়ার সিং-কে। এর অ্যান্টিক ভ্যালু এখন আর আপনি টাকায় হিসেব করতে পারবেন না মিস্টার মাইকেল।

    কাঁপা কাঁপা হাতে তলোয়ারখানা ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে দেখছেন জোনাথন। প্রায় দেড়শো বছর হয়ে গেছে, এখনও কোথাও এতটুকু মরচে ধরেনি। চকচক করছে, যেন নতুন।

    মিতিন বলল, আমি আপনাকে একটা অনুরোধ করব মিস্টার মাইকেল?

    জোনাথন অস্ফুটে বললেন, কী?

    এই তলোয়ার আপনি মিউজিয়ামকে দান করে দিন।

    দিয়ে দেব? এত মূল্যবান একটা জিনিস?

    এ তো আপনার বাড়িতে থাকার কথা নয়। মিউজিয়ামই এর যোগ্য স্থান। তা ছাড়া এই লুঠের মাল যথাস্থানে পাঠিয়ে দিলে রবার্ট ম্যাকগ্রেগরের পাপের ভার খানিকটা লাঘব হবে।

    জোনাথন থম মারা মুখে একটুক্ষণ কী যেন ভাবলেন। তারপর দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন, তাই হোক।… কিন্তু তুমি কী করে বুঝলে এটাই গুপ্তধন?

    গুপ্তধন নয়, মহামূল্য ধন। আপনারাই মিস্টার ম্যাকগ্রেগরের উইলের ভুল অর্থ করেছেন এতদিন। উনি লিখে গেছিলেন, লিভিং বিহাইন্ড দা মোস্ট প্রেশাস পজেশান অফ মাই লাইফ। হুএভার লক্স ফর ইট শ্যাল গো টু দা গ্রেভ। তার মানে কিন্তু এই নয়, যে মহামূল্য ধনটা চাইবে তাকে মরতে হবে। আসলে তাকে যেতে হবে রবার্ট ম্যাকগ্রেগরের কবরে। রবার্ট ম্যাকগ্রেগরের সমাধিলিপি থেকে উদ্ধার করতে হবে সম্পত্তিটি কী।

    পার্থ অবিশ্বাসের সুরে বলল, যাহ্, কী এমন লেখা ছিল ওখানে? এপিটাফে তো শুধু লেখা ছিল, সামওয়ান হু ওয়ান্স রুলড ডেসটিনি!

    ওটাই তো ক্লু। প্রতিটি শব্দের ফার্স্ট লেটারগুলো অতিকায়। কী সেই লেটারগুলো? এস ডব্লু ও আর ডি। অর্থাৎ সোর্ড। তলোয়ার। তুমি এই ঘরে প্রথম দিন ঢুকেই বলেছিলে না, ওই রকম তলোয়ার তুমি কোথাও দেখেছ? মনে আছে, গত বছরের আগের বছর আমরা আগ্রা ঝাঁসি গোয়ালিয়র বেড়াতে গেলাম। ওখানে..

    ও হ্যাঁ হ্যাঁ, তাই তো। মনে পড়েছে। পার্থ মিতিনের মুখ থেকে কথা কেড়ে নিল, ঝাঁসির ফোর্টে দেখেছি। কেল্লার মিউজিয়ামে অবিকল এইরকম হাতলঅলা একটা তলোয়ার রাখা আছে।

    ইয়েস। স্বয়ং ঝাঁসির রানি লক্ষ্মীবাঈ ওই তলোয়ার ব্যবহার করতেন। এ তারই জুড়ি। কারুকাজ করা বাঁটখানা ভাল করে দ্যাখো, ঝাঁসির রাজবাড়ির ছাপ মারা রয়েছে।

    জোনাথনের কাছে গিয়ে তলোয়ারখানা নিরীক্ষণ করল পার্থ। টুপুরও আলতো হাত বোলাল তলোয়ারের গায়ে। সন্তৰ্পণে। পাছে হাত কেটে যায়। হাতলের সূক্ষ্ম কাজটাও দেখল খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে। ছাপটাও।

    টুপুর মনে মনে কল্পনা করার চেষ্টা করছিল এরকমই দুখানা খোলা তলোয়ার দুহাতে নিয়ে ঘোড়ার পিঠে চড়ে ব্রিটিশ সেনাপতি হিউজ রোজের সঙ্গে যুদ্ধ করতে চলেছেন লক্ষ্মীবাঈ। সিংহির বিক্রমে গর্জন করছেন, মেরি ঝানসি নেহি দুংগি…

    ভাবনার মাঝেই ঘরে ম্ৰিয়মাণ মুখ মিসেস জোনস। মৃদু স্বরে মিসেস জোনস জিজ্ঞেস করলেন, তোমরা কি লাঞ্চ করে যাবে?

    মিতিন বলল, না না, আমরা এবার উঠব।

    জোনাথন বললেন, খেয়ে যাও না। অসুবিধের কী আছে?

    আজ থাক। অন্য একদিন হবে। আপনি মানসিকভাবে একটু থিতিয়ে নিন।

    আর থিতোনো!

    এত মনখারাপ করছেন কেন? আপনার ছেলেমেয়ে, জামাই কেউ তো আদ্যন্ত শয়তান নয়। লোভে পড়ে অন্যায় করেছে…

    আমি তো সবাইকে ক্ষমা করেই দিয়েছি প্রজ্ঞাপারমিতা।

    হুম। জানেন তো, ক্ষমাটাও কখনও কখনও খুব বড় শাস্তি। মিতিন কাঁধে ভ্যানিটিব্যাগ ঝুলিয়ে নিল, আজ চলি। দরকার হলে ডাকবেন, অবশ্যই চলে আসব।

    জোনাথন বললেন, একটু দাঁড়াও। বলেই পরদা সরিয়ে ঢুকেছেন নিজের ঘরে। মিনিট পাঁচেকের মধ্যে ফিরে এলেন, হাতে একটা চেক। বললেন, এটা রাখো।

    মিতিন হাতে নিয়ে দেখল চেকটা। বলল, আমায় কিন্তু উৎপলবাবু আগে সাড়ে সাত হাজার দিয়েছিলেন।

    দিক। এটা আমি দিলাম।

    মিতিন হেসে বলল, ভূত তাড়ানোর মজুরি পঁচিশ হাজার? নাকি এতে গুপ্তধন মিস্ট্রি সলভ করারও ইনাম আছে?

    দুটোর কোনওটাই নয় মাই ডিয়ার চাইল্ড। জোনাথনের চোখ ছলছল করে উঠল, তোমার ঋণ শোধ করার ক্ষমতা আমার নেই। ধরে নাও, এটা আমার কাছের মানুষদের চিনিয়ে দেওয়ার জন্য সামান্য একটু কৃতজ্ঞতা স্বীকার।

    রাস্তায় বেরিয়ে টুপুর ঘুরে একবার দেখল বাড়িটাকে। সিপাই বিদ্রোহের স্মৃতিমাখা এবাড়ির আয়ু এবার বোধ হয় ফুরিয়েই এল।

    মিতিন ঘড়ি দেখছে। পার্থকে বলল, পৌনে একটা বাজে, তুমি কি এখান থেকে সোজা প্রেসে যাবে?

    গোলি মারো প্রেস। এখন আমার এ-পাড়ায় একটা জরুরি কাজ আছে।

    কাজ? এখানে?

    ইয়েস ম্যাডাম। এক্ষুনি সিরাজে ঢুকে দুপ্লেট বিরিয়ানি সাঁটাতে হবে। টুপুরকে বলতে হবে কীভাবে কলকাতায় বিরিয়ানি এল।… বুঝলি টুপুর, বিরিয়ানিকে কলকাতায় এনেছিলেন নবাব ওয়াজিদ আলি শাহের বাবুর্চি। জানিস নিশ্চয়ই, আঠেরোশো সাতান্ন সালে ব্রিটিশরা ওয়াজিদ আলি শাহকে বন্দি করে ফোর্ট উইলিয়ামে নিয়ে আসে? পরে অবশ্য তাঁকে রাখা হয়েছিল খিদিরপুরের ওপাশটায়। সেখানে তিনি একটা মাটির কেল্লা বানিয়েছিলেন। যার থেকে জায়গাটার নাম মেটিয়াবুরুজ। বুরুজ মানে যে কেল্লা সেটা নিশ্চয়ই তোকে বলে দিতে হবে না? সেই মেটিয়াবুরুজেই বাবুর্চি নিয়ে বেশ ফুর্তিতেই থাকতেন…

    ও, আবার তোমার সেই জ্ঞান বিতরণ শুরু হল! মিতিন ঝেঁঝে উঠল, কোনও লেকচার নয়, বিরিয়ানি খেয়েই সোজা বউবাজার যাবে। টুপুরকেও এখন বাড়ি গিয়েই হোমটাস্ক শেষ করতে হবে। ওর ছুটি কিন্তু ফুরিয়ে এল।

    ইস, আবার সেই পড়াশুনো! সেই স্কুল! মেজাজটা মিইয়ে গেল টুপুরের। ঠিক এই মুহূর্তে কথাটা না মনে করিয়ে দিলে কি মিতিনমাসির চলছিল না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমিতিনমাসি সমগ্র ২ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    Next Article বিষ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    Related Articles

    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    গল্প সমগ্র – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    অন্য বসন্ত – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    কাছের মানুষ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    হেমন্তের পাখি – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    অলীক সুখ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    আলোছায়া – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }