Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মিতিনমাসি সমগ্র ১ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    সুচিত্রা ভট্টাচার্য এক পাতা গল্প667 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০১-২. আনন্দে লাফিয়ে উঠল টুপুর

    ঝাও ঝিয়েন হত্যারহস্য – মিতিন মাসি – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    টেলিফোনটা রেখেই আনন্দে লাফিয়ে উঠল টুপুর। রোববার সকালে এমন একটা সুসংবাদ! এইমাত্র পার্থমেসো জানাল, এবার মুম্বই যাওয়া হচ্ছে সদলবলে। শুধু তাই নয়, অজন্তা ইলোরা ঘুরে আসার প্ল্যান আছে। বেরোনো হবে লক্ষ্মীপুজোর পরের দিন, ফেরা দেওয়ালির পরে। সব মিলিয়ে প্রায় দুসপ্তাহ। টানা চোদ্দো দিন মিতিনমাসির লেজ হয়ে থাকতে পারবে টুপুর, তার মধ্যে একটাও কি রোমাঞ্চকর ঘটনা ঘটবে না?

    অবনী ডাইনিং টেবিলে বসে পাকা পেঁপে খাচ্ছে। সহেলি আর টুপুরের মতো ছুটির সকালে লুচি-পরোটা, ভাজাভুজি খাওয়া তাঁর একদমই পছন্দ নয়। ইদানীং তিনি বেশি করে ফলাহারে মন দিয়েছেন। শশা, আপেল, আনারস, কলা, কমলালেবু, যখন যা পাওয়া যায়।

    বেড়ানোর খবরটায় অবনীর তেমন হেলদোল দেখা গেল না। ছোট্ট কাঁটায় এক টুকরো পেঁপে গেঁথে বললেন, অজন্তা ইলোরা আমার দুবার ঘোরা। মুম্বইও গিয়েছি বারচারেক। এবারে মহারাষ্ট্রের দুর্গগুলো দেখে আসতে পারলে কাজের কাজ হয়।

    সঙ্গে সঙ্গে সহেলি হাঁ হাঁ করে উঠেছেন, কখনও না। আমি মরে গেলেও কোনও দুর্গে যাব না।

    টুপুর অবাক মুখে বলল, কেন মা? দুর্গ তো খুব ইন্টারেস্টিং জায়গা। এক-একটা দুৰ্গ মানে, এক-একটা ইতিহাস। আর মহারাষ্ট্রের অনেক ফোর্টই তো ছত্রপতি শিবাজির তৈরি। ইন্ডিয়ার হিষ্ট্রি জানতে গেলে ওই ফোর্টগুলো তো দেখা দরকার।

    নিকুচি করেছে তোর ইতিহাসের। সহেলি ঝেঁঝে উঠলেন, যা উঁচু উঁচু সিঁড়ি হয় কেল্লাগুলোর, বাপস। মনে আছে, রাজস্থানের যোধপুর ফোর্টে গিয়ে আমার কী হাল হয়েছিল? হাঁটু নাড়তে পারছি না, কোমর ঝনঝন, দরদরিয়ে ঘামছি…

    অজন্তা ইলোরা গেলেও কিন্তু হাঁটতে হবে, মা। পাহাড়ে চড়তে হবে।

    সে আমি রাজি আছি। সুন্দর জিনিস দেখার জন্য কষ্ট করতে আমার আপত্তি নেই।

    বা রে, দুর্গে বুঝি সুন্দর সুন্দর জিনিস নেই?

    অবনী পেঁপে শেষ করে ন্যাপকিনে মুখ মুছলেন। বললেন, প্রায় প্রতিটি দুর্গেই একটা করে মিউজিয়াম থাকে। সেখানে রাজা রাজড়াদের পোশাক আশাক, সেই সময়কার অস্ত্ৰ, বাহন, পালকি, হাতির পিঠের হাওদা…

    খ্যামা দাও। খ্যামা দাও। ওই সব ভারী ভারী ঢাল তলোয়ার দেখে দেখে আমার চোখ পচে গিয়েছে। এবার আর ওসবের ছায়া মাড়াচ্ছি না।

    অবনী গোমড়া মুখে বললেন, তোমরা যা খুশি করো। তবে টুরে কেল্লা না থাকলে আমাকে তোমরা বাদ দাও। পুজোর ছুটিটা আমি বাড়িতেই থাকব।

    সহেলি বললেন, তা হলে এও শুনে রাখো, তোমাদের কেল্লা ঘোরার মতলব থাকলে আমি নেই। ..টুপুর, এখনই তোর পার্থমেসোকে জানিয়ে দে আমাকে ছাড়াই যেন প্রোগ্রাম করা হয়।

    এ তো মহা ফ্যাচাং। কোথায় কোথায় যাওয়া হবে তার এখনও ঠিক নেই, তার আগেই বাবা-মা ফাইট শুরু করে দিলেন? মাঝখান থেকে বেড়ানোটাই না কেঁচে যায়।

    দুহাত তুলে টুপুর বলল, ঠান্ডা হও। আগেই মাথা খারাপ কোরো না। একটা-দুটো ফোর্ট তো টুর প্রোগ্রামে থাকতেই পারে। ইচ্ছে যদি না হয়, মা ফোর্টে ঢুকবে না। ওই সময়টায় নিশ্চিন্ত মনে শপিং সারবে।

    এই প্রস্তাবটা দুজনেরই মনোমতো হয়েছে। অবনী খানিকটা সন্তুষ্ট হয়ে অজন্তা আবিষ্কারের কাহিনি শোনাতে শুরু করলেন টুপুরকে। কিছু কিছু টুপুরের জানা, অনেকটাই অজানা। সেই ১৮১৯ সালে কীভাবে একদল ব্রিটিশ শিকারির চোখে পড়ে গিয়েছিল গুহাগুলো, তারপর ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির পাঠানো শিল্পীরা কত কষ্ট করে কুড়ি বছর ধরে অজন্তা গুহার ছবিগুলোকে নকল করল, আবার সামান্য অসাবধানতার জন্য ইংল্যান্ডের কেনসিংটন প্রাসাদে রাখা সেই ছবিগুলোর বেশিরভাগই কেমন করে আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেল… ভারী গুছিয়ে বলছেন অবনী, সহেলিও মন্ত্রমুগ্ধের মতো শুনছেন।

    আপন মনেই সহেলি বিড়বিড় করে উঠলেন, কী কাণ্ড বলো তো! ভাগ্যিস ইংরেজ শিকারিদের ঘোড়াগুলো জল খাওয়ার জন্য ছটফট করেছিল! নইলে হয়ত অজন্তা গুহার খবরই পাওয়া যেত না।

    অবনী বললেন, অনেক বড় বড় আবিষ্কারই ওরকম হঠাৎ হয়ে যায়। ভীমবেটকা গুহার ছবিগুলোও তো হঠাৎ খুঁজে পাওয়া গিয়েছিল।

    টুপুর বলল, তারপর ধরো, কাশ্মীরের অমরনাথ। এক রাখালের ভেড়া হারাল, আর সেই ভেড়া খুঁজতে গিয়ে…।

    সহেলি বললেন, সে তো শুনেছি ক্রিস্টোফার কলম্বাসও ভারতে আসার জনা বেরিয়ে, দিক ভুল করে পৌঁছে গিয়েছিলেন আমেরিকায়।

    জমে-ওঠা আড্ডায় ছেদ পড়ল আচমকা। ডোরবেল বেজে উঠেছে।

    দরজা খুলে একটু অবাকই হল টুপুর। কুশল! সঙ্গে আবার একটা চাইনিজ ছেলে।

    কুশল টুপুরের পাড়ার বন্ধু। মোড়ের হলুদ বাড়িটায় থাকে কুশল, বড় একটা আসে না এবাড়িতে, রাস্তাঘাটে দেখা হলে গল্প-আড্ডা হয় টুপুরের সঙ্গে।

    তা সেই কুশল এক চীনা ছেলেকে নিয়ে…?

    টুপুর কোনও প্রশ্ন করার আগে কুশল বলে উঠল, একটা জরুরি দরকার ছিল রে। আমার এই বন্ধুকে একটু হেল্প করতে হবে।

    কী ব্যাপারে?

    তোর এক মাসি খুব নামী ডিটেকটিভ না?

    হ্যাঁ! মিতিনমাসি। প্রজ্ঞাপারমিতা মুখোপাধ্যায়। ভেরি ভেরি ফেমাস। পুলিশ কমিশনার পর্যন্ত আমার মাসিকে সমঝে চলে।

    সেই মাসির সঙ্গে আমার এই বন্ধুর একটু যোগাযোগ করিয়ে দিবি? বলেই জিভ কাটল কুশল, দেখেছিস কাণ্ড! তোর সঙ্গে লিয়াংয়ের আলাপ করিয়ে দিতেই তো ভুলে গিয়েছি।

    দুমিতিনটেই আলাপ পরিচয়ের পালা শেষ। লিয়াং নিজেই জানাল, তার পুরো নাম ঝাও লিয়াং, সে কুশলের ক্লাসমেট, থাকে মধ্যকলকাতার ছাতাওয়ালা গলিতে। টুপুরের ভাল নাম ঐন্দ্রিলা শুনে বার কয়েক বিড়বিড় করে নামটা উচ্চারণের চেষ্টা করল লিয়াং, তারপর লজ্জা লজ্জা মুখে বলল সে তাকে তুপুর নামেই ডাকবে।

    কুশল আর লিয়াংকে নিজের ঘরে এনে বসাল টুপুর। সহেলি একবার উঁকি দিয়ে গেলেন দরজায়, তাঁর চোখে একরাশ কৌতূহল। ভ্রুকুটি করে মাকে এখন ঘরে আসতে বারণ করল টুপুর।

    ফ্যান চালিয়ে দিয়ে টুপুর বলল, হ্যাঁ, এবার ব্যাপারটা আমায় খুলে বল।

    তুই? কুশল নাক কুঁচকোল, তোকে বলে কী হবে?

    আহা, শুনিই না। আমাকে এত তুচ্ছতাচ্ছিল্য করছিস কেন? অনেক কেসেই আমি মাসির অ্যাসিস্ট্যান্ট থাকি, আমিই হয়তো লিয়াং-এর প্রবলেমটা সলভ করে দিতে পারব।

    কুশল হেসে ফেলল। কাঁধ ঝাঁকিয়ে বলল, অলরাইট। লিয়াং, বল তা হলে।

    ছোটখাটো চেহারায় লিয়াংয়ের চোখে কালো ফ্রেমের চশমা। সিনেমার হ্যারি পটারের স্টাইলে কাটা চুল। কবজিতে শোভা পাচ্ছে একটা কালো ব্যান্ড। চশমার কাচের আড়াল থেকে ছেলেটার সরু সরু চোখ দুটো পিটপিট করে উঠল। তার পরেই লিয়াং বলতে শুরু করেছে, লাস্ট উইকে আমাদের ফ্যামিলিতে একটা ঘটনা ঘটে গিয়েছে। এ ব্যাড ইন্সিডেন্ট। আমার বো…আই মিন আমার কাকা… একটা কার-অ্যাকসিডেন্টে মারা গিয়েছেন। কিন্তু আমাদের মনে হচ্ছে, কাকাকে কেউ ইচ্ছে করে মেরে দিয়েছে।

    টুপুর নড়েচড়ে বসল, কেন? এরকম মনে হচ্ছে কেন?

    কারণ, আমার কাকা অত্যন্ত সাবধানি মানুষ ছিলেন। খুব দেখেশুনে রোড ক্রস করতেন। দুদিক ভালভাবে না দেখে তিনি ফুটপাত থেকে নামতেনই না। আমরা তাই নিয়ে কত ঠাট্টারসিকতাও করেছি। এমন একজন লোককে একটা গাড়ি কী করে ধাক্কা দিল, কিছুতেই বুঝতে পারছি না।

    কোথায় হয়েছিল অ্যাকসিডেন্টটা?

    জায়গাটাও খুব অড। সেই প্রিন্সেপ ঘাটের কাছে। কাকা যে ওখানে সন্ধেবেলা কেন গিয়েছিলেন, সেটাও আমাদের মাথায় ঢুকছে না। কাকার বডিটাও পড়ে ছিল একেবারে ফুটপাতের গা ঘেঁষে। কোনও গাড়ি রাস্তার অতটা ধারে এসে কী করে যে তাঁকে চাপা দিল…!

    লিয়াংয়ের কথায় প্রচুর ইংরেজি শব্দ আছে বটে, তবে তার বাংলাটাও মন্দ নয়। উচ্চারণে একটা বিচিত্ৰ টান থাকলেও বুঝতে তেমন অসুবিধে হয় না।

    একটু থেমে থেকে লিয়াং ফের বলল, আরও একটা ব্যাপার। কাকার কাছে একটা জিনিস থাকার কথা ছিল। জিনিসটা কিন্তু ডেডবডির কাছাকাছি কোথাও পাওয়া যায়নি। কাকার মোবাইল ফোনটাও মিসিং। অথচ কাকার ঘড়ি, পার্স, টাকাকড়ি কিছু খাওয়া যায়নি। পার্সে আড়াই হাজার টাকা ছিল। টাকাটা নিল না, অথচ একটা পুরনো মোবাইল ফোন আর সেই জিনিসটা ভ্যানিশ হয়ে গেল… এটা কি খুব স্ট্রেঞ্জ নয়? সেই জন্যই আমাদের সন্দেহ, সামওয়ান অথবা কোনও গ্যাং আমার কাকাকে মার্ডার করেছে।

    মার্ডার শব্দটা শুনে একটু কেঁপে উঠল টুপুর। অস্ফুটে জিজ্ঞেস করল, জিনিসটা কী জানতে পারি?

    সেটা তো আমরাও সঠিক জানি না। তবে কোনও শোপিসটোপিস ধরনের কিছু হবে। মানে, কাকা আমাদের সেরকমই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন।

    টুপুরের কেমন গুলিয়ে যাচ্ছিল। ঘটেছে কার-অ্যাকসিডেন্ট, অথচ লিয়াংয়ের মনে হচ্ছে খুন! একটা জিনিস লিয়াংয়ের কাকার কাছে থাকার কথা ছিল, কিন্তু জিনিসটা কী তা-ও লিয়াংরা জানে না! অর্থাৎ আসল ক্লুটাই নেই। কেসটা কি টুপুরের পক্ষে একটু বেশি জটিল হয়ে যাচ্ছে না?

    মুখে অবশ্য ঘাবড়ানো ভাবটা ফুটতে দিল না টুপুর। মাথা নেড়ে বলল, খুবই ইন্টারেস্টিং। … দাঁড়াও, মাসির সঙ্গে একবার কথা বলে আসি

    ফোন করতেই ওপারে পার্থমেসো, কী রে, বেড়ানোর নাম শুনেই লাফঝাঁপ শুরু হয়ে গিয়েছে বুঝি? একটু ধৈর্য ধর, আগে টিকিট-ফিকিট কাটি।

    টুপুর বলল, না গো, বেড়ানো নয়, অন্য ব্যাপার। একটু মিতিনমাসিকে ডেকে দেবে?

    সে কি এখন তোর সঙ্গে কথা বলবে? সকাল থেকেই যা ব্যস্ত!

    কেন?

    একটা জাল উইলের কেস সলভ করছে। এখন ফাইনাল স্টেজ। দরজা বন্ধ করে নিজের অফিসরুমে বসে মাথার চুল ছিঁড়ছে।

    ও। টুপুর সামান্য মিইয়ে গেল, তা-ও যদি একটু কথা বলা যেত…! এখানেও একটা বেশ মিস্টিরিয়াস কেস…

    তুইও আজকাল কেস ধরছিস নাকি?

    না গো। আমার এক বন্ধু এসেছে। মিতিনমাসির খোঁজেই। একজন চিনা ভদ্ৰলোক..

    ওরে বাবা, চিনেম্যানদের কেস! তা হলে তো রহস্য ঘনীভূত। ধর, ডেকে দিচ্ছি।

    মিতিনমাসি ফোনে এল বটে, কিন্তু যেন মন দিয়ে শুনছে না। তবু যেটুকু জেনেছে, তার সবটুকুই উগরে দিল টুপুর। বেশ উত্তেজিতভাবে।

    টুপুর থামার পর মিতিন বলল, হুম। কিন্তু আমি তো এখনই ওদের মিট করতে পারব না রে টুপুর। এখনও অন্তত দুতিনটে দিন আমাকে ছোটাছুটি করতে হবে।

    তা হলে ওদের কী বলব? তিন দিন পর তোমার সঙ্গে দেখা করতে?

    তা কেন। সময় গড়িয়ে যেতে দেওয়াটা ঠিক নয়। তুইই বরং ডিটেলে শুনে নে। যদি কারও সঙ্গে দেখা করার প্রয়োজন হয়, ঘুরেও আয়। গিয়ে কথাবার্তা বল, তারপর দেখা যাক, কী করা যায়।

    আমি …? একা-একা ..?

    সাহস আন। আত্মবিশ্বাস জোরদার করা ইনভেস্টিগেশনে গিয়ে চোখকান খোলা রাখবি, ফিরে এসে সব স্টেটমেন্ট নোট করবি।

    পারব আমি?

    কিছুই যদি না পারিস, তোর উপর আমি ভরসা করব কী করে? তোর যে বন্ধুটা লিয়াংকে নিয়ে এসেছে, তাকেই আপাতত অ্যাসিস্ট্যান্ট করে নে। আজ বিকেলেই ছাতাওয়ালা গলিতে চলে যা।

    ফোন রেখে টুপুর চিন্তিত মুখে দাঁড়িয়ে রইল একটুক্ষণ। পায়ে পায়ে ঘরে ফিরে দেখল, সহেলি প্লেট-ভরতি সন্দেশ দিয়ে গিয়েছেন, লিয়াং খুঁটে খুঁটে খাচ্ছে, কুশল টপাটপ সাঁটাচ্ছে।

    মুখ-ভরতি সন্দেশ নিয়ে কুশল জিজ্ঞেস করল, কী বললেন মাসি?

    মাসি এখন অন্য একটা কেস নিয়ে ব্যস্ত রে। আমাকেই তদন্ত শুরু করতে বলল, টুপুর গলায় একটা ভারিক্কি ভাব আনল, লিয়াংয়ের দিকে ফিরে বলল, হ্যাঁ, তোমার কেসটা এবার একটু ডিটেলে শোনা যাক। আমি যা-যা প্রশ্ন করব, ঠিক-ঠিক উত্তর দেবে। কিছু লুকোবে না, কেমন?

    লিয়াংয়ের চোখের পাতা আবার পিটপিট কেঁপে উঠল। ঢক করে ঘাড় নাড়ল শ্রীমান ঝাও লিয়াং।

    .

    ০২.

    তোমার কাকার নাম কী, লিয়াং?

    ঝিয়েন। আই মিন, ঝাও ঝিয়েন। ঝাও আমাদের ফ্যামিলি নেম।

    মানে, আমরা যাকে বলি পদবি?

    হ্যাঁ। অনেকটা তাই। আমাদের ফ্যামিলি নেমটা আসল নামের আগে থাকে।

    ও।… তোমার কাকার বয়স কত হয়েছিল?

    ফরটিসেভেন।

    তোমার কাকি আছেন তো?

    কাকা বিয়ে করেননি। আমাদের জয়েন্ট ফ্যামিলি, কাকা আমাদের সঙ্গেই থাকতেন। টেরিটি বাজারে একটা চাইনিজ স্কুল আছে, অনেক বছরের পুরনো, কাকা ওখানেই পড়াতেন। হিস্ট্রি। পড়াশোনা নিয়েই থাকতেন সারাদিন। আমরা কাকাকে বলতাম বুকওয়ার্ম। উনি আমাদের … মানে বাড়ির ছোটদের কী ভাল যে বাসতেন! কত কিছু কিনে আনতেন আমাদের জন্য। এই তো কদিন আগেই আমার আর মেইলির জন্য হ্যারি পটারের সিডি নিয়ে এলেন ..

    মেইলি কে?

    আমার বোন। ছোট বোন। শি ইজ ইন ক্লাস সিক্স।

    ও।

    মেইলি কাকার খুব পেট ছিল। ও এখনও খুব কান্নাকাটি করছে। ইনফ্যাক্ট, কাকার ওভাবে মৃত্যুটা আমরা কেউই মেনে নিতে পারছি না। আমি, বাবা, মা ..

    বলতে বলতে লিয়াংয়ের গলা ধরে এল। নাক টানছে। টুপুর ডায়েরিতে নোট নিতে নিতে থমকাল। দেখছে লিয়াংকে। রাস্তায় চিনা ছেলেমেয়েদের দেখলে কেমন ভাবলেশহীন মনে হয়, কিন্তু মোটেই এ তো তা নয়! লিয়াং একেবারে টুপুরদের মতোই আবেগপ্রবণ।

    একটু সময় নিয়ে টুপুর আবার কলম ধরল, এবার তা হলে আমরা মেন টপিকে আসি।

    কুশলও আর চুপ থাকতে পারল না। বলল, হা, হেঁয়ালিটা স্পষ্ট হওয়া দরকার। লিয়াং বলছে, ওর কাকার কাছে একটা জিনিস থাকার কথা ছিল। অথচ লিয়াংরা জানে না জিনিসটা কী। এটা কীরকম একটু শোনাচ্ছে না?

    লিয়াং বলল, সত্যি জানি না রে। তবে কাকা বাড়িতে যা বলে বেরিয়েছিলেন, সেইমতে কাকার কাছে জিনিসটা থাকার কথা।

    কিন্তু কী জিনিস?

    তা হলে আর-একটু আগে থেকে বলি। দিন পনেরো আগে কাকা একদিন রাতে বাড়ি ফিরে বললেন, বেকবাগানের এক কিউরিও শপে তিনি অদ্ভুত একটা জিনিস দেখতে পেয়েছেন। জিনিসটা সম্ভবত খুব মূল্যবান। কাকা ঠিক করেছিলেন ওটা তিনি কিনে আনবেন। আর ওই জিনিসটাই নাকি হবে এবারের মুন ফেস্টিভ্যালে আমাদের বাড়ির সবচেয়ে বড় আকর্ষণ।

    টুপুর ডায়েরি থেকে চোখ তুলল, মুন ফেস্টিভ্যালটা কী?

    কুশল আগ বাড়িয়ে বলে উঠল, মুন ফেস্টিভ্যাল জানিস না? … লিয়াংদের চাইনিজ ক্যালেন্ডার তো আমাদের মতো নয়। ওদের বছর ঘোরে চাঁদের হিসেবে। অমাবস্যা টু অমাবস্যা এক মাস। ফেব্রুয়ারি মাসের অমাবস্যার দিন ওদের নববর্ষ। আর সেই হিসেবে অষ্টম চান্দ্রমাসের ফিফটিনথ ডেতে হয় ওদের মুন ফেস্টিভ্যাল। পূর্ণিমার দিন। ঠিক বলছি তো রে লিয়াং?

    হান্ড্রেড পারসেন্ট কারেক্ট।

    সেদিন তো তাদের বাড়িতে বাড়িতে কেক বানানো হয়, তাই না? গত বছর তুই স্কুলে এনে খাইয়েছিলি, আমার মনে আছে। দেদার ড্রাই ফুটস ছিল কেকে। দারুণ টেস্ট।

    আমরা ওই কেকটাকে বলি মুনকেক। মুন ফেস্টিভ্যালের দিন রাত্তিরবেলা আমরা ওই কেক খাই। … যাই হোক, কাকার কথায় আসি। আমরা তো খুব আশায় আশায় ছিলাম, কাকা একটা দারুণ কিছু আনবেন। কিন্তু পরদিন কাকা ফিরলেন বেশ গোমড়া মুখে। কেন? না কিউরিও শপের মালিক নাকি জিনিসটা বেচবেন না। আবার তার দুতিন দিন পরেই দেখি, কাকার মুখে হাসি দোকানের মালিক নাকি শেষ পর্যন্ত দশ হাজার টাকায় জিনিসটা দিতে রাজি হয়েছেন।

    তখনও তোমরা জানতে চাওনি জিনিসটা কী?

    জিজ্ঞেস করেছিলাম। মেইলি তো কাকার কানের পোকা বের করে দিয়েছিল প্রায়। কিন্তু কাকা কিছুতেই বলেননি। খালি বলতেন, সারপ্রাইজ, সারপ্রাইজ, ধৈর্য ধরে। … তারপর লাস্ট স্যাটারডে কাকা স্কুল থেকে বাবাকে মোবাইলে জানালেন, ছুটির পর জিনিসটা কিনে তবে উনি বাড়ি ফিরবেন। কাকার কলিগরা তো বাড়িতে এসেছিলেন, তারাও বলেছেন কাকা ওই দিন দুটোতেই বেরিয়ে পড়েছিলেন। আর অ্যাকসিডেন্টটা ঘটেছে সন্ধেবেলায়। এই চার-পাঁচ ঘণ্টার মধ্যে কাকা কি আর জিনিসটা কিনে ফেলেননি?

    এটা কিন্তু ঠিকঠাক বলা কঠিন। টুপুর ভুরু কুঁচকোল, কিনতেও পারেন, না-ও কিনতে পারেন। … সেই দোকান কী বলছে? কিউরিও শপ?

    লিয়াং যেন থমকাল একটু। ঢোক গিলে বলল, দোকানে তো খবর নেওয়া হয়নি।

    সে কী?

    হ্যাঁ মানে … আমি তো বেকবাগানের দিকটা ভাল চিনি না .. একা-একা যেতে সাহসও পাইনি। তা ছাড়া পোস্টমর্টেম, কাকাকে সমাধি দেওয়া, এসব করতেও তো চলে গেল দিন চারেক। বাড়িতেও সকলের মনের যা অবস্থা ..

    স্ট্রেঞ্জ! জিনিসটা আদৌ কেনা হয়েছিল কিনা সেটা তো আগে জানবে, টুপুর গলা ভারী করল, যাক গে, পুলিশকে বলেছ কাকার মৃত্যুটাকে তোমরা অ্যাকসিডেন্ট বলে মানতে পারছ না?

    বাবা বলেছেন।

    কেন মানতে পারছেন না, তা-ও বলেছেন নিশ্চয়ই?

    হ্যাঁ।

    পুলিশ কী বলছে?

    খুব একটা গুরুত্ব দেয়নি। শুধু জিজ্ঞেস করেছিল, কাকার কোনও এনিমি ছিল কিনা। এমন শত্ৰু, যে কিনা কাকাকে গাড়ি চাপা দিয়ে মারতে পারে।

    আছে কি তেমন কেউ?

    প্রশ্নই আসে না। আমার কাকা নিপাট ভালমানুষ। বললাম তো তোমাকে, কাকা বই আর পড়াশোনাতেই ড়ুবে থাকতেন। আমরা কখনও তাঁকে কারও সঙ্গে ঝগড়া পর্যন্ত করতে দেখিনি।

    আর জিনিসটা হারানোর ব্যাপারে পুলিশের কী রিঅ্যাকশন?

    দোকানের লোকেশানটা নিয়েছে। বলেছে, খোঁজ করে দেখবে। লিয়াং চশমা ঠিক করল, তবে বাবা বলছিলেন, পুলিশ নিজে থেকে কিছুই করবে না। সারাক্ষণ ওদের পিছনে লেগে থাকতে পারলে, নিয়মিত তাড়া লাগালে, হয়তো একটু নড়াচড়া করবে, নইলে তা-ও করবে না। আর আমার বাবার পক্ষে ওদের পিছনে সব সময়ে ছোটাছুটি করা সম্ভবই নয়।

    কেন?

    দোকান সামলাতে হয় যে! তা ছাড়া বাবার মনটাও খুব ভেঙে গিয়েছে। বলছেন, আর কাটাছেঁড়া করে কী লাভ, আমার ভাই তো আর ফিরবে না।

    তা হলে আমার মাসির খোঁজে এসেছ যে বড়?

    সে তো আমি এসেছি। বাবা জানেন না। … আমি ব্যাপারটার শেষ দেখতে চাই। কাকাকে যদি সত্যিই কেউ মেরে থাকে, তাকে শাস্তি না দিয়ে আমি ছাড়ব না।

    লিয়াং আবার নাক টানছে। টুপুর তাড়াতাড়ি বলে উঠল, ঠিক আছে, ঠিক আছে, তুমি শান্ত হও লিয়াং। আমি দেখছি কী করা যায়। তবে আমাদের একদম সিস্টেমেটিক্যালি এগোতে হবে। আমাদের প্রথম কাজ হল ..

    আগে দোকানটায় যাওয়া। টুপুরের মুখ থেকে কথা কেড়ে নিল কুশল, জানতে হবে জিনিসটা সত্যিই লিয়াংয়ের কাকা কিনেছিলেন কিনা।

    এবং জিনিসটা কী ছিল। টুপুর ফের কথা ধরে নিল, যদি সত্যিই জিনিসটা মূল্যবান হয়, তখন তো খুনের আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাবে না। তখন কিন্তু আমাদের লিয়াংয়ের বাড়িও যেতে হবে, সবাইকে কিছু প্রশ্ন করতে হবে। … তোমার বাবা তখন কিছু মনে করবেন না তো, লিয়াং?

    নাক কুঁচকে দুএক সেকেন্ড কী যেন ভাবল লিয়াং। তারপর বলল, নো প্রবলেম। আমি বাবাকে সব বুঝিয়ে বলব।

    গুড।টুপুর কুশলের দিকে ফিরল, কাজে তা হলে নেমে পড়া যায়, কী বল?

    অবশ্যই। আমিও তোর সঙ্গে আছি, কুশল একগাল হাসল, আমার প্রচুর ডিটেকটিভ বই পড়া আছে। আমার অ্যাডভাইস নিলে তিন দিনে কেস সলভ হয়ে যাবে।

    মনে মনে হাসল টুপুর। রহস্যগল্প পড়েই যদি ডিটেকটিভ হওয়া যেত, তা হলে তো মিতিনমাসি নয়, পার্থমেসোই কবে গোয়েন্দা বনে যেত। ডিটেকটিভ হতে গেলে একটা তিন নম্বর চোখ থাকা দরকার। সেই চোখ বই পড়ে গজায় না। যাক গে, তবু কুশল থাকলে ক্ষতি নেই। লোকবলেরও তো মূল্য আছে।

    মুখে একটা প্রাজ্ঞ ভাব ফুটিয়ে টুপুর বলল, তা হলে দোকানে।আমরা কবে যাচ্ছি?

    কুশল বলল, শুভস্য শীঘ্রম। আজই চল।

    দুর, আজ তো রবিবার। দোকান বন্ধ থাকবে। আমরা যাব কাল। বিকেলে। … লিয়াং, তুমি বরং কাল স্কুল থেকে কুশলদের বাড়ি চলে এসো। আমি তোমাদের ডেকে নেব।

    লিয়াং বেশ অনুপ্রাণিত হয়েছে। জ্বলজ্বলে চোখে বলল, তাই হবে।

    লিয়াং আর কুশল চলে যাওয়ার প্রায় সঙ্গে সঙ্গে ঝাঁপিয়ে এলেন সহেলি। ঘটনাটা অর্ধেক শুনেই হাঁ হাঁ করে উঠেছেন, না না, তোর ওসবের মধ্যে থাকার দরকার নেই। একে খুনখারাপির ব্যাপার, তায় আবার এক চিনাম্যান জড়িত, কোত্থেকে কী হয়ে যায়!

    অবনী বললেন, চিনেম্যান তো কী আছে? ওরা কি খুনেবদমাইশ নাকি? তোমার বোধহয় জানা নেই, চিনারাই পৃথিবীর প্রাচীনতম সভ্য জাতি। কত কী যে ওরা আবিষ্কার করেছে, তার ঠিকঠিকানা নেই। এই যে তুমি চা খাচ্ছ, এটাও ওদের অবদান। কাগজ পড়ছ … এটাও ওদের আবিষ্কার। কাগজ কী করে ছাপতে হয়, সেটাও ওরাই শিখিয়েছে। আর চিনে খাবার দেখলে তোমার তো জিভে জল গড়ায়।

    থাক, আর চিনাদের গুণ ব্যাখ্যান করতে হবে না। মেয়ের একটা কিছু বিপদ হোক, তখন দেখব তোমার লেকচার কোথায় থাকে!

    আহা, আগেই ঘাবড়ে যাচ্ছ কেন? টুপুর তো আর কেসটা করছে না, মাসির হয়ে প্রক্সি দিচ্ছে শুধু। যদি কেসটার মেরিট থাকে, মিতিনই তো মাঠে নেমে পড়বে।

    বাবার সমর্থন পেয়ে টুপুরেরও গলার জোর বেড়েছে। সহেলিকে বলল, তোমার সব তাতেই বাড়াবাড়ি, মা। তুমি কি চাও আমি ঘরকুনো হয়ে বসে থাকি?

    অবনী বললেন, মাকে ওভাবে বলতে নেই টুপুর। তোর মার ভয় পাওয়ার একটু-একটু কারণও তো আছে। এই যে চিনারা, এরা আমাদের শহরে কতকাল ধরে আছে জানিস? দুশো বছরেরও বেশি। সেই ওয়ারেন হেস্টিংসের আমল থেকে। ভারতের কোনও শহরে এত চাইনিজ নেই। কলকাতায় এখন এদের সংখ্যা প্রায় কুড়ি হাজার। অথচ কী আশ্চর্য, ভাব তুই, এত বছর ধরে এত লোক আমাদের প্রতিবেশী হয়ে থাকা সত্ত্বেও আমরা কিন্তু সেভাবে তাদের চিনিই না। তাদের রীতিনীতি আদবকায়দা, উৎসব-পার্বণ, কোনও কিছুরই খবর রাখি না। আর এই না-চেনা থেকেই তো তৈরি হয় আশঙ্কা, রহস্য, ভয়।

    তা অবশ্য ঠিক। এই তো, ওদের মুন ফেস্টিভ্যালের নামই আমি জন্মে কখনও শুনিনি।

    আমি অবশ্য খানিকটা জানি। ওদের মুন ফেস্টিভ্যাল অনেকটা আমাদের নবান্নের মতো। ফসল কাটার পরে চিনদেশে এই উৎসবটা হত। এখনও হয়। কলকাতার চিরাও ট্র্যাডিশনটা বজায় রেখেছে। ওই দিন চিনারা যে মুনকেক খায়, তাই নিয়েও একটা ইন্টারেস্টিং গল্প আছে।

    তাই নাকি?

    হ্যাঁ রে। চেঙ্গিস খাঁর নাতি কুবলাই খাঁ থারটিন্থ সেঞ্চুরিতে চিন দখল করে নিয়েছিল। তখন ওখানকার সাধারণ লোকদের মনে একটা বিদ্রোহের ভাব জেগে ওঠে। এই মুন ফেস্টিভ্যালের দিনই প্রথম মুনকেক বানিয়ে তার মধ্যে কাগজ পুরে পুরে বিপ্লবীরা দেশময় খবর চালাচালি করেছিল। এখনও তাই চিনারা মুনকেককে বিপ্লবের প্রতীক হিসেবে মনে করে।

    বাঃ, এটা তো একটা ভাল তথ্য যোগ হল টুপুরের মগজের ভাঁড়ারে। লিয়াংয়ের সঙ্গে আলাপ পরিচয়টা বাড়লে চিনাদের সম্পর্কে আরও কিছু জানা যাবে নিৰ্ঘাত।

    কিন্তু লিয়াংদের কেসটা কী? ঝোঁকের মাথায় দায়িত্ব তো নিয়ে ফেলল টুপুর, শেষ পর্যন্ত সামাল দিতে পারবে তো? ইস, কুশল আর লিয়াংয়ের চোখে সে হাসির খোরাক না হয়ে যায়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমিতিনমাসি সমগ্র ২ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    Next Article বিষ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    Related Articles

    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    গল্প সমগ্র – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    অন্য বসন্ত – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    কাছের মানুষ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    হেমন্তের পাখি – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    অলীক সুখ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    আলোছায়া – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }