Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মিতিনমাসি সমগ্র ১ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    সুচিত্রা ভট্টাচার্য এক পাতা গল্প667 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৯-১০. পরদিন বিকেলে টুপুর

    পরদিন বিকেলে টুপুর সবে স্কুল থেকে ফিরেছে, কুশল লাফাতে লাফাতে উপস্থিত। চকচকে চোখে বলল, এই জানি, মিতিনমাসির আন্দাজই ঠিক।

    টুপুর ভারিক্কি মুখে বলল, মিতিনমাসি কখনওই ভুলভাল গেস করে না।

    তাই তো দেখছি। লিয়াংরা সত্যিই কাল খবর পেয়ে গিয়েছে। পুলিশ কাল বিকেলেই লিয়াংয়ের বাবাকে জানিয়ে দিয়েছে আঙ্কল ঝিয়েনের মৃত্যুটা অ্যাকসিডেন্ট নয়, হোমিসাইড।

    লিয়াংরা তো আগেই সন্দেহ করেছিল। পুলিশ তো জাস্ট কনফার্ম করল।

    তা ঠিক। তবে ওর বাবা নাকি একদম গুম হয়ে গিয়েছেন। কারও সঙ্গে কথাই বলছেন না।

    ওরকম হয়। সন্দেহটা সত্যি বলে প্রমাণ হলে একটা বড় ধাক্কা তো লাগেই …লিয়াংকে আমাদের কালকের কথাগুলো বললি?

    হুঁ।

    শুনে কী রিঅ্যাকশান?

    বোঝা গেল না। ওর মুখে তো সহজে এক্সপ্রেশন ফোটে না। তবে খুব আগ্রহ নিয়ে শুনছিল। তোর কী মনে হয় রে? কাল অত ঘোরাঘুরি করে কোনও লাভ হল?

    জ্ঞান বাড়ল। ডেটা জমল।

    কাজের কাজ কিছু হল কী?

    নিশ্চয়ই হয়েছে। মিতিনমাসি মিছিমিছি ছোটাছুটি করে না।

    তার মানে কাল যাদের মিট করলাম, তারা যে-কেউ কালপ্রিট হতে পারে? কুশল নাক কুঁচকোল, অবশ্য একটা ডিটেকটিভ বইয়ে পড়েছিলাম, একজন প্রোফেসর রাত্তিরবেলা একদম বদলে যেত। তখন সে ডাকাতি, খুন, রাহাজানি, সব কিছু করতে পারত। হয়তো ওই তিনজনের মধ্যে একজন ওরকম দুমুখো মানুষ!

    হতে পারে। আবার নাও হতে পারে। তবে ওঁদের সঙ্গে বাতচিত করে একটা তো লাভ হয়েছে। ওয়ালহ্যাঙ্গিংটা যে একটি মহামূল্যবান বস্তু সেটা তো জানা গেল। আর ওটা কেনার পরে মৃত্যু, মানে ওটা কেনার জন্যেই মৃত্যু। এবং ওটা খোওয়া যাওয়াও কোনও কাকতালীয় ঘটনা নয়। মোটিভ ইজ ক্লিয়ার। এবার শুধু খেলিয়ে খেলিয়ে তোলার অপেক্ষা।

    অত সোজা নয় রে টুপুর। এখনও মিতিনমাসিকে প্রচুর দৌড়োতে হবে। আঙ্কল ঝিয়েনের স্কুল আছে। তাঁর সহকর্মীদের কে কেমন আমরা জানি না…

    কিন্তু তারা কি কেউ জিনিসটার দাম জানে? গুরুত্ব বোঝে?

    অবনী উঁকি দিয়েছেন টুপুরের ঘরে। সদ্য কলেজ থেকে ফিরেছেন, এখনও পোশাক বদলাননি। দরজায় দাঁড়িয়ে বললেন, কী-ই, তোমাদের চাইনিজ-পাজল কদ্দূর? একটাও গিঁট খুলল?

    কুশল বলল, না মেলোমশাই। সুতো টানাটানি চলছে।

    এবং গিঁট আরও শক্ত হচ্ছে। তাই তো? অবনী ঢুকে পড়লেন ঘরে, আমি কিন্তু তোমাদের কেসে খানিকটা হেল্প করতে পারি।

    কীভাবে?

    তোমরা তো কাল জেনে এলে কিউরিও শপের মালিকের কোনও পূর্বপুরুষ নাকি এক চিনেম্যানের কাছ থেকে ওয়ালহ্যাঙ্গিং.. থুড়ি, ম্যাপটা পেয়েছিল। আমি গ্যারান্টি দিতে পারি, লোকটা এই কথাটা অন্তত মিথ্যে বলেনি।

    টুপুর বলল, কোন যুক্তিতে বলছ?

    কারণ, বজবজের দিকটায় সত্যিই একসময় চাইনিজ কলোনি ছিল। প্রপার বজবজ নয়, তার কাছাকাছি। জায়গাটার নাম এখন অছিপুর। এই অছিপুর নামটা কীভাবে হয়েছিল জানিস? আজ থেকে প্রায় সওয়া দুশো বছর আগে আৎসু নামে এক ক্যান্টনি চিনা জাহাজভরতি চা নিয়ে বাণিজ্যে যাচ্ছিল। পথে হঠাৎ প্রচণ্ড ঝড়। ঝড়ের ধাক্কায় জাহাজ সরতে-সরতে এসে পড়ল বজবজের গঙ্গায়। জাহাজ গিয়েছে ভেঙে, তাই আৎসুকে বজবজেই নামতে হল। এক্কেবারে অচেনা জায়গা, অজানা ভাষা… আস্সুর তো মাথা খারাপ হওয়ার দশা। তবে জায়গাটা ওর খুব পছন্দ হয়ে গিয়েছিল। তা তখন ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলার দণ্ডমুণ্ডের কর্তা। ওয়ারেন হেস্টিংস কোম্পানির গভর্নর জেনারেল। আৎসু তাঁর সঙ্গে দেখা করে তাঁকে চা-টা খাওয়াল, নিজের অবস্থাটা বোঝাল। হেস্টিংস তো চা খেয়ে বেজায় খুশি। আৎসুকে একটা ঘোড়া দিয়ে বললেন, এক ঘণ্টায় যতটা জায়গা বেড় দিয়ে আসতে পারবে, সবটাই তোমার। ব্যস, জমিজমা পেয়ে আৎসু থেকেই গেল। বজবজের কাছে একটা চিনির কারখানা খুলেছিল আৎসু। চিনে তখন ঘোর দুঃসময়, দুর্ভিক্ষ, মড়ক, দাঙ্গা লেগেই আছে। আসু সুযোগ বুঝে চিন থেকে সস্তায় লেবার আনতে শুরু করল চিনির কলে। ওই চিনিকল ঘিরেই তৈরি হল আসুপুর। চিনা মহল্লা। সেই আৎসুপুরই মুখে মুখে অছিপুর।

    কুশল বলল, কিন্তু ওদিকে কি এখন আর চিনা আছে? শুনি না তো?

    যারা ছিল, তাদের বংশধররা সবাই এখন কলকাতায়। আস্সুর চিনিকলটা তো চলেনি। পাঁচ-ছবছরের মধ্যে আৎসুও মারা গেল, চিনিকলও ডকে উঠল। আর ওখানকার চিনারাও ধীর ধীরে সরে এসে ডেরা বাঁধল কলকাতায়। …মনে হয় ওই আৎসুর সময়েই, কিংবা তার দশ-বিশ বছর পরে, কিউরিও শপের মালিকের পূর্বপুরুষের কপালে জুটেছিল ওই ম্যাপখানা। কিউরিও শপের মালিক এত ইতিহাস জেনে, সেইমতো সাজিয়েগুছিয়ে মিথ্যে বলবে–অসম্ভব।

    টুপুর বলল, আমারও ওর কথার ভঙ্গি দেখে মনে হচ্ছিল সত্যিই বলছে।

    অবনী হেসে বললেন, আমার এই ইনফরমেশনটা তা হলে তোমার ডিটেকটিভ মাসিকে পাস করে দিও।

    চিনাদের নিয়ে আরও খানিকক্ষণ আড্ডা চলল তিনজনের। লিয়াংয়ের আবির্ভাবের পর থেকে চিনাদের সম্পর্কে অসম্ভব আগ্ৰহ বেড়ে গিয়েছে অবনীর। এখন তিনি অবিরাম জ্ঞানভাণ্ডার বাড়িয়ে চলেছেন। বছরে চিনাদের কটা বড় উৎসব হয়, কোন উৎসবের পিছনে কী গল্প আছে, কোনটাকে চিনারা শুভ বলে মানে, কোনটা অশুভ – সব তিনি সংগ্রহ করে ফেলেছেন ইন্টারনেট থেকে। অবনীর দৌলতেই টুপুররা জানতে পারল, চিনারা বেগুনকে শরীরের পক্ষে ক্ষতিকর বলে মনে করে।

    কুশল বাড়ি গেল সাড়ে ছটা নাগাদ। টুপুর বসল অ্যালজেব্রা নিয়ে। সন্ধের দিকেই অঙ্কটা তার আসে ভাল, রাত বাড়লে উত্তর আর কিছুতেই মিলতে চায় না। পুরো একটা প্রশ্নমালা শেষ করে, খাওয়াদাওয়ার পাট চুকিয়ে, সবে একটু টিভির সামনে বসেছে, হঠাৎই ফোনের ঝনাৎকার। সহেলি রিসিভার তুলেছিলেন, কানে চেপেই আঙুল নেড়ে ডাকলেন টুপুরকে, ধরো। তোমার চিনে বন্ধু।

    টুপুর একটু অবাকই হল। তবে স্বরে ফুটতে দিল না বিস্ময়। স্বাভাবিকভাবেই বলল, হাই!

    হাই! গুড ইভনিং। আমি কি তোমাকে ডিসটার্ব করলাম?

    নট অ্যাট অল। কী বলছ বল?

    আমার পাপা তোমার সঙ্গে একটু কথা বলতে চান।

    টুপুর চমকাল। কী বলবেন লিয়াংয়ের বাবা?

    ওপারে লিয়াংয়ের বাবার গলা শোনা গেল। কেমন যেন মিয়োনো-মিয়োনো, হ্যালো, মাই চাইল্ড!

    ইয়েস আঙ্কল।

    লিয়াংয়ের মুখে শুনলাম তোমরা কাল সারাদিন অনেক দৌড়াদৌড়ি করেছ। তোমার মাসি আমার ভাইয়ের মৃত্যুর তদন্ত করছেন। তাঁকে বোলো, এই হতভাগ্য মানুষটা তাঁর কাছে কৃতজ্ঞ।

    কৃতজ্ঞতার কিছু নেই আঙ্কল। লিয়াং আমার বন্ধু। তার বাড়ির একটা বিপদে আমরা সবাই তার পাশে থাকব, এটাই তো স্বাভাবিক।

    নো মাই চাইল্ড। এটা তোমার মাসির মহানুভবতা। তিনি এক পেশাদার গোয়েন্দা। তাঁর মূল্যবান সময় আমার ভাইয়ের জন্য তিনি খরচ করছেন। তাঁকে বোলো, তাঁর যথাযোগ্য পারিশ্রমিক আমি হয়তো দিতে পারব না, তবু কথা দিচ্ছি, আমার ভাইয়ের হত্যাকারীকে ধরে দিলে তিনি যে-অঙ্কই চাইবেন, আমি দেব।

    ছি ছি, পারিশ্রমিকের কথা উঠছে কেন আঙ্কল? মাসি তো আমাদের ভালবেসে… লিয়াংয়ের কথা ভেবে..

    ঠিক কথা। গাছ কখনও প্রতিদানের আশায় ফল দেয় না। কিন্তু মানুষের তো গাছের প্রতি কর্তব্য আছে। তুমি মাসিকে আমার মিনতিটা জানিও। তাঁকে আরও বোলো, ঝিয়েনের মৃত্যুতে আমার পাঁজরের একটা হাড় খসে গিয়েছে। অপরাধী ধরা না-পড়লে আমার যন্ত্রণা কমবে না।

    অত্যন্ত শান্ত স্বরে কথাগুলো বলছেন লিয়াংয়ের বাবা। কিন্তু শুনতে শুনতে টুপুরের গায়ে কাঁটা দিচ্ছিল। ঢোক গিলে বলল, নিশ্চয়ই বলব, আঙ্কল।

    আর একটা অনুরোধ। যে ম্যাপটার কথা তোমরা শুনেছ, সেটা কিন্তু চিনাদেরই সম্পত্তি। কোনও একজন বাঙালিকে আমাদেরই কেউ একসময় উপহার দিয়েছিলেন। ওটা আবার আমরা ফেরত পেলে বিশেষ খুশি হব। আমার ভাইয়ের আত্মাও শান্তি পাবে।

    আমি বলব মাসিকে। আপনি নিশ্চিন্ত থাকুন।

    শুভরাত্রি। প্রার্থনা করি, শয়তান যেন তোমার ঘুমে বিঘ্ন সৃষ্টি করতে না-পারে।

    টুপুরও গুডনাইট বলতে যাচ্ছিল, দুম করে কাজের কথাটা মনে পড়ে গেল। কাজটা কুশলেরই করার কথা, তবে সে নিৰ্ঘাত ভুলে মেরে দিয়েছে।

    ব্যস্তভাবে টুপুর বলে উঠল, এক সেকেন্ড, আঙ্কল, এক সেকেন্ড।

    বলো, মাই চাইল্ড?

    আমার মাসি একটা কথা জানতে চেয়েছিল।

    কী?

    আঙ্কল ঝিয়েনের মোবাইল নাম্বারটা কী ছিল?

    নোট করে নাও। নাইন এইট থ্রি…

    ফোন রেখে একটুক্ষণ ঝুম হয়ে বসে রইল টুপুর। মিতিনমাসিকে কি এখনই জানাবে লিয়াংয়ের বাবার কথাগুলো? ইচ্ছে করছে না। হঠাৎই মনটা কেমন ভারী হয়ে গিয়েছে।

    রাতে অবশ্য বেশ গাঢ় ঘুম হল টুপুরের। লিয়াংয়ের বাবার শুভকামনায় কী? অন্য দিন বেশ স্বপ্নটপ্ন দ্যাখে, আজ সেসবের বালাই নেই।

    সকালে নিদ্ৰা ভঙ্গ হতে না হতেই নতুন চমক। খবরের কাগজের প্রথম পাতায় চাঞ্চল্যকর সংবাদ। অবনীই ডেকে তুলে দেখালেন টুপুরকে। চিনা ইতিহাসবিদ ঝাও ঝিয়েনের হত্যাকারী সন্দেহে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

    নামটা পড়ে টুপুর প্রায় ভিরমি খাওয়ার জোগাড়। মন্টু। কিউরিও শপের মালিক স্বপন দত্তর সেই ছোকরা কর্মচারী!

    .

    ১০.

    টুপুর ভাবছিল মিতিনমাসিকে একটা ফোন করবে, তার আগেই দূরভাষে মিতিনমাসি স্বয়ং।

    টেলিফোন কানে চেপে টুপুর হাউমাউ করে উঠল, আজকের কাগজটা দেখেছ?

    মন্টুকে গ্রেপ্তার? হুঁ, চোখে পড়ল। মিতিনের কোনও ভাবান্তর নেই, আজ তোর কটা অবধি স্কুল রে?

    আজ তো শনিবার। একটায় ছুটি। টুপুর ফের প্রসঙ্গে ফিরল, এটা কেমন হল, মিতিনমাসি? একটা নিরীহ ছেলেকে পুলিশ অকারণে হ্যারাস করবে? মালিকটাকে পাকড়াও করলেও না হয় কথা ছিল।

    কিছুই অকারণে ঘটে না টুপুর। বাতাস ছাড়া গাছের পাতা নড়ে না।

    কিন্তু তোমার যুক্তি কী বলে? আঙ্কল ঝিয়েন যেদিন জিনিসটা কেনেন, মন্টু তো সেদিন কাজেই আসেনি।

    তাতে কিসসু প্রমাণ হয় না। নিশ্চয়ই পুলিশ কিছু একটা ভেবে তুলে নিয়ে গিয়েছে। ..যাক গে, পুলিশের কাজ পুলিশকে করতে দে, আমরা আমাদের মতো এগোই। মিতিন আবার একটু থেমে থেকে বলল, কাজের কথা শোন। দিদিকে বলে দে, তুই আজ স্কুল থেকে বাড়ি ফিরছিস না। আজ আর কাল আমার এখানে থাকবি, পরশু মেসো তোকে স্কুলে পৌঁছে দেবে। ছুটির পর স্কুলগেটে দাঁড়াস, আমি তোকে তুলে নেব।

    কোথায় যাব গো আমরা?

    মিস্টার ঝিয়েনের কর্মক্ষেত্রে। কুশল যদি আগ্রহী থাকে, তাকেও সঙ্গে নিতে পারিস।

    ওদের সেন্ট পিটার্সে তো শনিবার হলিডে। কুশল মনে হয় বাড়িতেই থাকবে।

    ওকেও তা হলে তোর স্কুলের সামনে চলে আসতে বল। কাঁটায় কাঁটায় একটায়।

    ঠিক আছে। …ইস, বলতে ভুলে যাচ্ছিলাম। লিয়াংয়ের বাবা কাল রাতে ফোন করেছিলেন। উনি বলছিলেন..

    পরে শুনব। তাড়া আছে। ছাড়ছি।

    ফোন রেখে বোঁ করে একখানা পাক খেয়ে নিল টুপুর। কী মজা! আজ আর কাল, দুটো দিন, উত্তেজনার আগুনে বেশ সেঁকে নেওয়া যাবে নিজেকে! মিতিনমাসি নিশ্চয়ই কোনও পরিকল্পনা করছে.. টুপুরকে কি আর একটুও বলবে না?

    সহেলি অবশ্য প্রস্তাবটা শুনে খুব প্রীত হলেন না। গজগজ করতে করতে গুছিয়ে দিলেন টুপুরের জামাকাপড়। কড়া গলায় বললেন, যাচ্ছ যাও। কিন্তু কোনও অজুহাতেই সোমবার স্কুল ড়ুব দেওয়া চলবে না।

    স্কুলে গিয়েও টুপুরের মন উচাটন। কখন একটা বাজে!

    মিতিন আজ এল ট্যাক্সিতে। কুশলও সময়মতে পৌঁছেছিল, টুপুর আর কুশলকে তুলে নিয়ে স্টার্ট দিল ট্যাক্সি। টেরিটিবাজারের দিকে চলেছে।

    স্কুলের নাম নানকিং হাই স্কুল। দোতলা বাড়ি, খুব একটা প্রকাণ্ড নয়। চেহারাও বেশ মলিন। ভিতরে ঢুকে টুপুর তো রীতিমতো হতাশ। ছাত্রছাত্রী কোথায়? স্কুল প্রায় শুনশান, দুটো-চারটে চিনা কুচোকাঁচা দেখা যাচ্ছে শুধু। সবে তো দেড়টা, আজ আগে-আগে ছুটি হয়ে গিয়েছে নাকি?

    প্রিন্সিপালের নেমপ্লেট লাগানো ঘরে এক চিনা বৃদ্ধা। পরনে গাউন। চোখে সোনালি ফ্রেমের চশমা।

    দরজায় দাঁড়িয়ে মিতিন বলল, মে আই কাম ইন?

    মহিলা চশমার ফাঁক দিয়ে দেখলেন একবার। নরম গলায় বললেন, ইয়েস?

    আমরা মিস্টার ঝিয়েনের মৃত্যুর তদন্তের ব্যাপারে এসেছি, মিতিন টেবিলের সামনে গিয়ে নিজের কার্ড বাড়িয়ে দিল, বসতে পারি?

    ও শিয়োর। টুপুরদেরও হাত তুলে ইশারা করলেন মহিলা, তোমরাও বোসো।

    ইংরেজিতেই কথাবার্তা চলছে। মহিলা বিনীত ভঙ্গিতে নিজের নাম-পরিচয় জানালেন। তিনিই অধ্যক্ষা কিউ ইউয়ান। থাকেন স্কুলেরই দোতলায়। প্রায় বিয়াল্লিশ বছর ধরে এই স্কুলে রয়েছেন। অবসর নেওয়ার বয়স হওয়া সত্ত্বেও স্কুল কমিটি তাঁকে নাকি দায়িত্ব থেকে রেহাই দিচ্ছে না।

    মূল প্রসঙ্গে যেতে মিতিন সময় নিল না বিশেষ। জিজ্ঞেস করল, মিস্টার ঝিয়েনের মৃত্যুটা যে অস্বাভাবিক, তা নিশ্চয়ই আপনি জানেন? আপনার কি কখনও মনে হয়েছিল, মিস্টার ঝিয়েনের এরকম একটা বিপদ ঘটতে পারে?

    মিসেস ইউয়ান জোরে জোরে মাথা নাড়লেন, কখনও না। একদমই না। ঝিয়েনের কোনও শত্রু থাকতে পারে, আমরা স্বপ্নেও ভাবতে পারিনি।

    সহকর্মীদের সঙ্গে মিস্টার ঝিয়েনের সম্পর্ক কেমন ছিল?

    সহকর্মী? মিসেস ইউয়ান ম্লান হাসলেন, তা হলে তো আমাদের স্কুলের অবস্থাটা আগে বলতে হয়। আমাদের ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা কমতে কমতে এখন ছেচল্লিশে দাঁড়িয়েছে। শিক্ষক-শিক্ষিকা সাকুল্যে ছয়। আমাকে নিয়ে। মিসেস মিং, মিসেস ওয়া আর মিস লি। ঝিয়েন ছাড়া আর-একজনই শিক্ষক আছেন। মিস্টার ওয়াং। তা মিস্টার ওয়াংয়েরও অবসর গ্রহণের সময় হয়ে গিয়েছে। এঁদের কারও সঙ্গে ঝিয়েনের অসদ্ভাব ছিল বলে আমি শুনিনি।

    মিস্টার ঝিয়েন কি সহকর্মীদের সঙ্গে খুব গল্পগুজব করতেন? মানে উনি তো গবেষণা করছিলেন… সেসব বিষয় নিয়ে…?

    কথা সে সকলের সঙ্গেই বলত। তবে আমরা একটু দূরত্ব বজায় রাখতাম।

    কেন?

    তার কি এই স্কুলে পড়ানোর কথা? সে তো ছিল অনেক উঁচু স্তরের। এই বিদ্যালয় এখন নামেই হাই স্কুল, কিন্তু এখানে তো ক্লাস ফোরের বেশি পড়ানোই হয় না। একটু আধটু চিনা ভাষা শেখাই বাচ্চাদের, চিনের ইতিহাস-ভূগোল সম্পর্কে খানিকটা অবগত করি, আর অঙ্কের প্রাথমিক পাঠটাঠ দিই। এর জন্য কতটুকু বিদ্যে লাগে, বলো? তাই আমাদের কারওই তেমন প্রথাগত ডিগ্রি নেই। একমাত্র ঝিয়েনেরই ছিল সেটা। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সে একজন উজ্জ্বল ছাত্র। এম.এ পাশ। তবু সে এখানে পড়াত। এই স্কুলকে ভালবেসে। ইচ্ছে করলে সে যে-কোনও ভাল জায়গায় যেতে পারত, কিন্তু যায়নি। আমরা সবাই ঝিয়েনকে খুব সমীহ করতাম। আমাদের মতো স্বল্পশিক্ষিতদের সঙ্গে সে গবেষণার বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেই বা কেন, আর আমরা তা বুঝবই বা কী! তবে জানতাম, সে চিনাদের গৌরব বৃদ্ধির জন্য পড়াশোনা করছে।

    তার মানে কোনও ওয়ালহ্যাঙ্গিং বা কোনও ম্যাপ কেনার ব্যাপারে তিনি আপনাদের কাউকে কিছু বলেননি?।

    মারা যাওয়ার দিন সকালে আমাকে একবার বলেছিল কী একটা যেন কিনতে যাবে। ভীষণ খোশমেজাজে ছিল সেদিন। বেরনোর মুখে মুখে প্যাসেজে দাঁড়িয়ে আমার সঙ্গে কথা বলছিল, তখন মোবাইলে কার যেন একটা ফোন এল। তাঁর সঙ্গেও খুব হেসে হেসে কথা হল খানিক।

    চিনা ভাষায়?

    না। ইংরেজিতে। …তারপর তো হুড়মুড় করে বেরিয়েই গেল। মিসেস ইউয়ান চশমা খুলে চোখ মুছলেন, কে জানত ওটাই তার শেষ যাওয়া! ছেলেটা আমাকে জিয়ের মতো, মানে বড় দিদির মতো দেখত। আমার ছোট ভাই আর রইল না।

    আর-একটা কথা। আপনি কি স্মরণ করতে পারেন, মোবাইলে উনি কী বলছিলেন?

    মিসেস ইউয়ানের বলিরেখা এসে যাওয়া কপালে ভাঁজ বাড়ল।

    দুচার সেকেন্ড চিন্তা করে বললেন, শুধু তো ঠিক আছে ঠিক আছে করছিল। একবার বোধহয় সাড়ে চারটে শব্দটা উচ্চারণ করল…

    কোথাও যাওয়ার কথা, বা কারও সঙ্গে দেখা করার কথা বলছিলেন কী?

    সেটা তো বলতে পারব না। মিসেস ইউয়ান বড়সড় একটা শ্বাস ফেললেন, এবার বোধহয় আমাদের স্কুলটা উঠেই যাবে। ঝিয়েনের নাম দেখে দু-চারজন অভিভাবক তা-ও ছেলেমেয়ে পাঠাত, আর তো সেই আকর্ষণটুকুও রইল না। …এমনিই তো কেউ আর চিনে ভাষায় পড়াশোনা করতে চায় না, সবাই ছুটছে ইংরেজি মাধ্যমের দিকে…. কেনই বা ছুটবে না? ইংরেজি না জানলে কি আর চাকরি পাবে? ..আমার নাতিকেই তো এই স্কুলে ভর্তি করতে পারলাম না। ছেলে, ছেলের বউ, দুজনেই এমন আপত্তি জুড়ল! …অথচ আমাদের ভাষার কত ঐশ্বর্য ছিল…

    দুঃখী-দুঃখী মুখে একটানা বলে চলৈছেন মিসেস ইউয়ান। তাঁর মন খারাপটা টুপুরকেও ছুঁয়ে যাচ্ছিল। সত্যি, ইংরেজি ছাড়া বাকি সব মাতৃভাষারই বুঝি একই হাল।

    স্কুল ছুটির ঘণ্টা পড়ল। বাচ্চারা বেরোচ্ছে ক্লাসরুম থেকে। টুপুরদের নিয়ে স্কুলের স্টাফরুমে এলেন মিসেস ইউয়ান। শিক্ষকশিক্ষিকারা যাওয়ার তোড়জোড় করছিলেন, মিস্টার ঝিয়েনের সম্পর্কে মিতিন জানতে এসেছে শুনে দাঁড়িয়ে গেলেন তাঁরা। প্রত্যেকেই হায়-হায় করছেন। এক মধ্যবয়সি শিক্ষিকা তো হাউমাউ করে কাঁদতে শুরু করলেন। আলাপচারিতা কাম জিজ্ঞাসাবাদ সেরে টুপুররা যখন বেরোল, সূর্য অনেকটাই পশ্চিমে হেলে গিয়েছে।

    বাইরে এসে মিতিন বলল, চল, এবার একটু লিয়াংয়ের বাড়ি যাই। লিয়াংয়ের বাবা দুপুরে বাড়ি থাকেন বলছিলি না?

    শুধু লিয়াংয়ের বাবা নন, লিয়াংয়ের মাও আজ আছেন বাড়িতে। শনিবার লিয়াংদের লন্ড্রি দুটোয় বন্ধ হয়, দুপুরবেলা লিয়াংয়ের মাকেও তাই বেরোতে হয়নি। মিতিনদের আগমনে ববকাট চুল, শক্ত-সমর্থ চেহারার চৈনিক মহিলাটি বেজায় ব্যস্ত হয়ে পড়লেন। কীভাবে অভ্যর্থনা করবেন যেন ভেবে পাচ্ছেন না। ঝটিতি বরফশীতল লেমন স্কোয়াশ এসে গেল, সঙ্গে স্যান্ডউইচ, পেষ্ট্রি, কাস্টার্ড। মেইলি হাতে হাতে সাহায্য করছে মাকে। তার কাঁধ ছোঁয়া চুলে আজও সেই নীল উল। তার মায়ের চুলেও। ছোট-ছোট চুলে উলের টুকরোটা বারবার ক্লিপ করতে করতে লিয়াংয়ের মা কতবার যে জিজ্ঞেস করলেন টুপুরদের দুপুরের খাওয়া হয়েছে কিনা। খেলে এখনই তিনি বানিয়ে দিতে পারেন, সংকোচ করার কোনও প্রয়োজন নেই, ইত্যাদি ইত্যাদি।

    লিয়াংয়ের বাবা অবশ্য আজ খুবই ম্ৰিয়মাণ। কথাই বলছেন না বিশেষ। ভাইয়ের মৃত্যুতেই তিনি যথেষ্ট শোকাহত ছিলেন, খুন হওয়ার সংবাদে যেন একেবারেই বিপর্যস্ত। অনেকক্ষণ চুপচাপ বসে থাকার পর বিমর্ষ গলায় মিতিনকে জিজ্ঞেস করলেন, ঝিয়েনের স্কুলে গিয়ে কেনও লাভ হল ম্যাডাম?

    মিতিন বলল, একটা দরকারি তথ্য পাওয়া গেল। সেদিন স্কুল থেকে বেরনোর মুখে-মুখে মিস্টার ঝিয়েনের মোবাইলে একটা কল এসেছিল। সম্ভবত কেউ একজন আপনার ভাইয়ের সঙ্গে অ্যাপয়েন্টমেন্ট করেছিল। বিকেল সাড়ে চারটেয়।

    লিয়াংয়ের মা বিস্মিত স্বরে বললেন, কই, এ খবরটা তো আমাদের কেউ জানায়নি!

    ফোনটা এসেছিল মিসেস ইউয়ানের সামনে। উনিও খুব আপসেট হয়ে পড়েছেন তো, তাই হয়তো কথাটা ঠিক মাথায় ছিল না। আমার প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে হঠাৎই মনে পড়ে গেল।

    উনি কি বলতে পারলেন কার ফোন ছিল?

    না।

    তা হলে তো আর জানা যাবে না। লিয়াংয়ের বাবা দীর্ঘশ্বাস ফেললেন, মোবাইলটাই তো মিসিং।

    তাতে কিছু যায় আসে না মিস্টার ঝাও। সেদিন আপনার ভাইয়ের মোবাইলে কোন-কোন নাম্বার থেকে কল এসেছিল আমি জেনে নেব। যে কোম্পানির কানেকশন, তাদের কাছে সবই রেকর্ডেড আছে।

    ইজ ইট? তা হলে তো কালপ্রিট ধরাই পড়ে গেল।

    অত সহজ নয় বোধ হয়। ফোন করে কেউ অ্যাপয়েন্টমেন্ট করলেই কি প্রমাণ হয় দুজনের দেখা হয়েছিল? আর হলেও সেই যে খুনি, তারই বা নিশ্চয়তা কোথায়?

    লিয়াংয়ের মা অস্ফুটে বললেন, ও। তা হলে এখন কী করবেন?

    দেখি। ইনফরমেশনগুলো ভালভাবে যাচাই করি। আর-একবার স্বপন দত্তর কাছেও যেতে হবে। মিতিন একটা স্যান্ডউইচ তুলল। ছোট্ট কামড় দিয়ে বলল, এবার আপনাদের কি দু-চারটে প্রশ্ন করতে পারি? পার্সোনাল?

    বলুন কী জানতে চান?

    ওই ওয়ালহ্যাঙ্গিং… মানে ওই ম্যাপের কথাটা আপনারা ছাড়া আর কে কে জানতেন?

    লিয়াংয়ের বাবা বললেন, ওটা যে অত মূল্যবান ম্যাপ, সেটা তো আমরাই জানতাম না। সুতরাং আমাদের মাধ্যমে কারও জানার প্রশ্নও আসে না।

    তা ঠিক। মিতিন মাথা দোলাল, তবে মিস্টার ঝাও ঝিয়েন যদি আপনাদের কমিউনিটির কারও কাছে গল্পটল্প করে থাকেন..

    অসম্ভব। সে আমাদেরই বলেনি, অন্য লোকদের বলতে যাবে কেন?

    লিয়াংয়ের মা বললেন, তা ছাড়া আমাদের ঝিয়েন তো কারও সঙ্গে সেভাবে মিশতই না। আর এই ছাতাওয়ালা গলি থেকে বেশিরভাগ চিনাই তো চলে গেছে সেই ট্যাংরায়। এখন আমাদের আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব সবাই প্রায় ওখানে। সামাজিক অনুষ্ঠানটনুষ্ঠান ছাড়া ঝিয়েনের সঙ্গে তাদের দেখাসাক্ষাৎই হত না।

    অর্থাৎ আপনারা নিশ্চিত, ওই ম্যাপের লোভে আপনাদের সম্প্রদায়ের কারও পক্ষে ওই কাজ করা সম্ভব নয়?

    দুশো ভাগ নিশ্চিত। ওই সব ম্যাপট্যাপ, ইতিহাস-টিতিহাস নিয়ে আমরা তো কেউ ভাবিই না। ঝিয়েন ছিল নেহাতই ব্যতিক্রম। এখানকার চিনারা, মানে আমরাতো ব্যস্ত থাকি কীভাবে দুবেলা রুটির জোগাড় করব, কী করে একটা চাকরি জোটাব, কিংবা ব্যবসা চালাব, এসব নিয়ে। ঝিয়েনকে তো তাই প্রায় আমাদের সমাজের বাইরের লোক বলে ধরে নেওয়া যায়।

    মিতিন শরবত শেষ করে মুখ মুছল। হেসে বলল, ধন্যবাদ। আপনারা আমার কাজটাকে অনেক সহজ করে দিলেন। আশা করছি, শিগগিরই মিস্টার ঝাও ঝিয়েনের হত্যাকারীকে ধরে ফেলতে পারব।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমিতিনমাসি সমগ্র ২ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    Next Article বিষ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    Related Articles

    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    গল্প সমগ্র – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    অন্য বসন্ত – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    কাছের মানুষ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    হেমন্তের পাখি – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    অলীক সুখ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    আলোছায়া – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }