Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মিতিনমাসি সমগ্র ১ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    সুচিত্রা ভট্টাচার্য এক পাতা গল্প667 Mins Read0
    ⤶

    ১১-১২. সদ্য কেনা ডিজিটাল ক্যামেরা

    সদ্য কেনা ডিজিটাল ক্যামেরায় পটাপট ছবি তুলছিল পার্থ। ব্যালকনিতে বুমবুম আর টুপুরকে দাঁড় করিয়ে শাটার টিপল বারকয়েক। হোটেলরুমে বুমবুমকে নানা ভঙ্গিমায় বসিয়ে পরীক্ষা করল ফ্ল্যাশগান। টুপুর ড্রেসিংটেবিলের সামনে চুল আঁচড়াচ্ছে, বুমবুম ভেংচাচ্ছে টুপুরকে, চিরুনি উঁচিয়ে ভাইকে মার দেখাল টুপুর …একের পর এক দৃশ্য বন্দি হচ্ছে ক্যামেরায়। সঙ্গে-সঙ্গে খুদে মনিটরে ছবিগুলো দেখেও নিচ্ছে তিনজনে। মন্তব্য চলছে টুকটাক।

    পাৰ্থ প্ৰসন্ন মেজাজে বলল, ছবির কোয়ালিটি তো ভালই মনে হচ্ছে।

    টুপুর বলল, প্রিন্টারটাও একবার টেস্ট করে নাও।

    ক্যামেরার সঙ্গে আস্ত একটা ছবিছাপাই যন্ত্র মুফতে পাওয়া গিয়েছে। সত্যি বলতে কী, প্রিন্টারের লোভেই ক্যামেরার এই মডেলখানা পছন্দ করেছে পার্থ। চকচকে মুখে সে বলল, এখনই প্যাকিং খুলব? না কলকাতায় গিয়ে?

    কেমন প্রিন্ট হয় একবার দেখে নেবে না?

    মহা উৎসাহে বাক্সটা সবে হাতে নিয়েছিল পাৰ্থ, মিতিন স্নান সেরে বেরিয়েছে। চোখ পাকিয়ে বলল, কী ছেলেমানুষি করছ? কোথায় এখন মালপত্র সুটকেসে ভরবে, তা নয়…

    তুমি বড্ড বেরসিক তো!

    বেশি রসিক হয়ে কাজ নেই। সাড়ে বারোটা বাজে, চলো, আগে খেয়ে আসি। দুপুরে বুমবুমকে একটু ঘুমিয়ে নিতে হবে। এয়ারপোর্ট থেকে বাড়ি ফিরতে কত রাত হয় কে জানে?

    টুপুর জিজ্ঞেস করল, আমরা দমদমে নামছি কটায়?

    সাড়ে দশটা।

    সে কী গো? মাত্র দেড় ঘণ্টায় পৌঁছে যাব? আসার সময় চার ঘণ্টা লেগেছিল না? বলেই টুপুর জিভ কাটল, সরি, সরি। কলকাতার ঘড়ি তো সিঙ্গাপুরের চেয়ে পিছিয়ে।

    কারেক্ট। দ্রাঘিমারেখা পরিবর্তনের জন্য হারিয়ে যাওয়া আড়াই ঘণ্টা সময়টাকে ফেরত পেতে হবে তো।

    পাৰ্থ নীচে যাওয়ার জন্য তৈরি। বুমবুমও। মার দেওয়া লম্বা তালিকা ধরে সকালে গাদাখানেক কেনাকাটা করেছে টুপুর, মালবোঝাই প্লাস্টিকব্যাগ নিজের সুটকেসের পাশে রেখে সে-ও বেরিয়ে পড়ল রুম ছেড়ে। সব শেষে দরজা বন্ধ করল মিতিন।

    বুমবুম লিফট চড়তে বেজায় ভালবাসে। তাকে পার্থর সঙ্গে পাঠিয়ে দিয়ে মিতিন আর টুপুর সিঁড়ি ধরল। লাউঞ্জ পেরোতে গিয়ে টুপুরের পা আটকে গিয়েছে সহসা। সুজিত দত্ত সোফায় বসে! সেই একই ছদ্মবেশ। তবে নাকের সাইজ আজ একটু ছোট। সেদিকে মিতিনমাসির দৃষ্টি আকর্ষণ করতেই চাপা ধমক, তাকাস না। সোজা হাঁট। খেয়ে তাড়াতাড়ি রুমে ফিরতে হবে।

    কেন গো। গোছগাছ তো মোটামুটি কমপ্লিট। শুধু যা দু চারটে…

    প্রশ্ন নয় মাই ডিয়ার অ্যাসিস্ট্যান্ট। এখন শুধু দেখে যাওয়া।

    বিদায়ী মধ্যাহ্নভোজনের এলাহি ব্যবস্থা করেছে পার্থ। চিনা আর ভারতীয় পদ মিলিয়েমিশিয়ে। ইন্ডিয়ান পোলাও আছে, চাইনিজ ফ্রায়েড রাইসও। চিকেন আর চিংড়ির সঙ্গে আছে এক অতিকায় কাঁকড়ার তন্দুর। শেষ পাতে ঢালাও আইসক্রিম। গলা অবধি টইটুম্বুর করে পার্থ যখন টেবিল ছাড়ল, সে রীতিমতো হাঁসফাঁস করছে। টুপুরেরও পেট আইঢাই।

    অগত্যা এবার চারজনেই ফিরল লিফটে। ঘরে এসে পাৰ্থ বলল, বুমবুমের সঙ্গে আমিও একটু গড়িয়ে নিই?

    সে সুযোগ পাবে কি?

    কেন?

    মন বলছে, এখনই কোনও অতিথি আসবেন।

    মনকে চুপ করিয়ে রাখো।

    হয়েছে কি হয়নি, অমনি মিতিনের বাক্যকে সত্যি করে দিয়ে দরজায় টকটক।

    মিতিনই গিয়ে দরজা খুলেছে। একগাল হেসে বলল, আরে, মিস্টার নারায়ণ যে? আসুন, আসুন।

    নামটা কানে যেতেই টুপুরের চক্ষুস্থির। পার্থও তোক উঠে বসেছে। তার মুখ দিয়ে প্রশ্ন ছিটকে এল, আপনি? আপনি কোত্থেকে?

    নারায়ণ ধীর পায়ে ঘরে ঢুকলেন। স্বভাবসুলভ বিনয়ী সুরে বললেন, আসতে বাধ্য হলাম স্যার।

    মানে?

    আমাদের হেড অফিসে আপনি মেল করেছিলেন… ওরাই আমায় নির্দেশ পাঠাল। বলল, মিস্টার মুখার্জিরা সিঙ্গাপুর ছাড়ার আগে তাদের সঙ্গে মনোমালিন্য মিটিয়ে নাও।

    পাৰ্থ তাড়াতাড়ি বলে উঠল, না না, মনোমালিন্যের কী আছে। জাস্ট একটা ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল মাত্ৰ।

    একদম ঠিক কথা স্যার। আমিও আপনার কথায় কিছুই মনে করিনি। কাল আর কনট্যাক্ট করতে পারিনি, কারণ এক জাপানি কাপলকে নিয়ে বিশ্রীভাবে ব্যস্ত ছিলাম। মর্নিং টু নাইট ওদের গাইড হয়ে ঘুরতে হচ্ছে। আপনারা মেল না করলেও হোটেল ছাড়ার আগে আমি তো একবার আসতামই।

    মিতিন স্মিতমুখে নারায়ণের কথা শুনছিল। হাত বাড়িয়ে বলল, দাঁড়িয়ে কেন? বসুন।

    থ্যাঙ্কস। সোফায় বসে সুটের পকেট থেকে রুমাল বের করে কপালের ঘাম মুছলেন নারায়ণ। রুমাল যথাস্থানে রেখে বললেন, হেড অফিস বলল, অরিজিনাল লেটারটা কলকাতা অবধি আপনাদের ক্যারি করার দরকার নেই। স্বচ্ছন্দে ওটা আমাকে দিয়ে দিতে পারেন।

    পার্থ জিজ্ঞেস করল, কী মিতিন, ওঁকে দেওয়া যাবে তো?

    অবশ্যই। উনি কষ্ট করে এসেছেন… মিতিন ভ্যানিটি ব্যাগ থেকে পেঙ্গুইন রিসর্টসের প্যাডে লেখা চিঠিটা বের করল। নারায়ণকে বাড়িয়ে দিয়ে বলল, দেখে নিন, এটাই আসল তো?

    নারায়ণ চোখ বোলালেন, হ্যাঁ, ঠিক আছে।

    না না, ভাল করে দেখুন। যদি চান, তো আমার ম্যাগনিফায়িং গ্লাসটাও দিতে পারি। খুঁটিয়ে পরীক্ষা করে নিন, যা চাইছেন তাই পেলেন কিনা।

    ম্যাগনিফায়িং গ্লাস দিয়ে আমার কী হবে? নারায়ণের মুখে ফ্যাকাশে হাসি। উঠে দাঁড়িয়ে বললেন, অল রাইট, চলি তা হলে?

    কিন্তু আপনাকে যে এখনই ছাড়তে ইচ্ছে করছে না মিস্টার নারায়ণ, মিতিনের স্বর সহসা কঠিন, তা ছাড়া চাইলেও বোধ হয় এখন আর যেতে পারবেন না।

    মানে?

    বাইরে আপনার শুভাকাঙক্ষীরা অপেক্ষা করছে যে! সঙ্গীসাথী নিয়ে, বলতে বলতে মিতিন গিয়ে দরজা খুলেছে, আপনারা এবার আসতে পারেন স্যার।

    প্রায় সঙ্গে-সঙ্গেই সুজিত দত্ত ঢুকেছেন ঘরে। সঙ্গে জনাচারেক সিঙ্গাপুরি পুলিশ। বিনা বাক্যব্যয়ে তারা হাতকড়া পরিয়ে দিল নারায়ণকে।

    ক্ষণিকের জন্য নারায়ণ হতভম্ব। পরক্ষণে চেঁচিয়ে উঠলেন, এটা কী হল? এটা কী হল?

    বুঝতে পারছেন না, মিস্টার নারায়ণ? সরি, মিস্টার শঙ্করন? ভারতীয় সেনাবাহিনীর গোপন তথ্য পাচার করার অভিযোগে আপনাকে গ্রেপ্তার করা হল। আপনার সিঙ্গাপুরের সহকারীরাও এখন পুলিশের জিন্মায়। ইস্ট অ্যান্ড ওয়েস্ট ট্র্যাভেল এজেন্সি সিল করে দেওয়া হয়েছে।

    এটা একেবারেই মিথ্যে অভিযোগ। আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র, নারায়ণ আরও গলা চড়ালেন, আমি একজন নিতান্ত নিরীহ মানুষ। সিঙ্গাপুরে খেটে খেতে এসেছি।

    আপনি আত্মপক্ষ সমর্থনের ঢের সুযোগ পাবেন, মিস্টার নারায়ণ, এতক্ষণ পর সুজিত দত্ত মুখ খুললেন, তবে তার আগে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে আপনাকে স্বদেশে নিয়ে যাওয়ার বন্দোবস্ত করি। হয়তো জেনে আহ্লাদিত হবেন, আজ একই সঙ্গে দিল্লিতেও আপনার দুজন কর্মচারী ধরা পড়েছেন। রাজেশ শ্ৰীবাস্তব। এবং অরুণ মাত্রে। আশা রাখি, তাঁরা আপনার কীর্তিকলাপের বিস্তৃত বিবরণ দিতে পারবেন।

    যেন জোঁকের মুখে নুন পড়ল। পলকে মিইয়ে গেলেন নারায়ণ। অথবা শঙ্করন। ল্যাগব্যাগে লোকটা প্রায় টলে পড়ে যাচ্ছিলেন, পুলিশ অফিসার তাঁকে টেনে দাঁড় করিয়ে দিলেন। এখনও নারায়ণের হাতে ধরা আছে পেঙ্গুইনের সুদৃশ্য চিঠিখানা।

    ছোঁ মেরে চিঠিটা নিয়ে নিল মিতিন। নারায়ণ কটমট চোখে ঘুরে দেখলেন তাকে। মিতিন গ্রাহ্য করল না।

    বাকরুদ্ধ হয়ে পার্থ এতক্ষণ দেখছিল জমজমাট নাটকখানা। নারায়ণকে বগলদাবা করে পুলিশ রওনা দেওয়ার পর সুজিত দত্ত ছদ্মবেশ ছেড়ে ফেললেন। দেখে পাৰ্থ বিমোহিত। কোনওক্রমে তোতলাতে-তোতলাতে বলল, ও। আ-আমি তা হলে ভুল করিনি। আপনি ক্রিমিনাল নন। পুলিশের লোক।

    উহুঁ। এক ডিগ্রি উপরে, মিতিন শুধরে দিল, উনি মিলিটারি।

    ইয়েস, আমি লেফটেনান্ট কর্নেল সুজিত দত্ত, পার্থর সঙ্গে করমর্দনের জন্য হাত বাড়িয়ে দিলেন সুজিত, এখন আমি মিলিটারির সিক্রেট সার্ভিসে আছি। একটা অর্গানাইজড গ্যাং বেশ কিছুদিন যাবৎ আমাদের অনেক গোপন খবর বিদেশে পাচার করছিল। খবরগুলো আন্তর্জাতিক বাজারে নিয়মিত কেনাবেচা হয়। আমাদের কাছে ইনফরমেশন ছিল, ওই গ্যাং এখন সিঙ্গাপুর থেকেই অপারেশন চালাচ্ছে। কিন্তু তাদের কাজের পদ্ধতি এত সরল এবং এমনই নিখুঁত যে, কিছুতেই আমরা তাদের হাতেনাতে ধরতে পারছিলাম না। আপনার মিসেসের উপস্থিত বুদ্ধির জোরে, কেসটার আজ সমাধান হল।

    কুষ্ঠিত স্বরে মিতিন বলল, না না, আমার তেমন কৃতিত্ব নেই। নারায়ণ, ওরফে শঙ্করন, যদি কয়েকটা বেসিক ভুল না করতেন, তা হলে হয়তো ব্যাপারটা নিয়ে আমি ভাবতামই না।

    কী রকম?

    প্রথমেই আমার খটকা লেগেছিল প্রাইজের ব্যাপারটায়। সাধারণত এ ধরনের বিদেশ ভ্রমণের অফার যারা দেয়, তারা ট্র্যাভেল ভাউচার পাঠায়। তাদের প্রতিনিধি সিঙ্গাপুর এয়ারপোর্টে ওয়েট করবে, এটাও যেন কেমন অস্বাভাবিক লেগেছিল আমার। তারপর যখন এয়ারপোর্টে নামলাম, লোকটা তখন আগে থেকেই হাজির ছিল। আমি তাকে নোটিশও করেছি। কিন্তু লোকটা আমাদের নেহাতই বুরবক ভেবে দেরি হওয়ার জন্য দুঃখ প্রকাশ করল। আসলে ও তখন একটু তফাতে দাঁড়িয়ে আমাদের বুঝে নেওয়ার চেষ্টা করছিল। এই লুকোচুরিটা আমার খটকাটাকে আরএকটু উসকে দেয়, মিতিন গলা ঝেড়ে নিল, এর পর তো চিঠি এপিসোড। নারায়ণ অরিজিনাল চিঠির জন্য ছটফট করতে লাগল। আর আমিও শিওর হয়ে গেলাম, ইনভিটেশন লেটারেই কোনও গণ্ডগোল আছে। কিন্তু গড়বড়ের নেচারটা কী বুঝে উঠতে পারছিলাম না। ভাবতে-ভাবতে হঠাৎই মনে হল, পেঙ্গুইন রিসর্টস প্রায় প্রতি সপ্তাহেই তো কোনও না-কোনও ফ্যামিলিকে সিঙ্গাপুরে পাঠায়। এবং নারায়ণ মেটিকুলাসলি তাদের কাছ থেকে একটি চিঠি কালেক্ট করে। তাহলে কি সব চিঠিতেই গণ্ডগোল থাকে? নাকি শুধু আমাদেরটাতেই? ভাবছি… ভাবছি… হঠাৎই মিস্টার দত্ত আমায় খানিকটা সাহায্য করে দিলেন।

    পার্থ অবাক মুখে বলল, কীভাবে?

    সেন্টোসায় মিস্টার দত্ত আমাদের ফলো করছিলেন। যদিও তখন আমি মিস্টার দত্তকে ছদ্মবেশে দেখে ঠিক চিনতে পারিনি। এও বুঝিনি, আমি ঠিক যতটা ওঁকে সন্দেহ করছি, উনিও ঠিক ততটাই আমাদের সন্দেহ করছিলেন।

    হান্ড্রেড পারসেন্ট কারেক্ট, ম্যাডাম, সুজিত দত্ত হাসলেন, কারণ আমাদের সোর্স খবর দিয়েছিল, পেঙ্গুইন রিসর্টস ইন্টারন্যাশনাল নামে একটি ভুয়ো কোম্পানি ক্যারিয়ারের মাধ্যমে সিক্রেট ইনফরমেশন চালান করছে। কিন্তু ওই চালান করার পদ্ধতিটা আমরা কিছুতেই ধরতে পারছিলাম না। আপনাদের আগে যাঁরা পেঙ্গুইনের সৌজন্যে সিঙ্গাপুর সফর করে গিয়েছেন, তাঁদের সম্পর্কে ডিটেলে খবর নিয়েছি। তারা সকলেই একেবারে সাদামাটা নিরীহ ফ্যামিলি। বেআইনি কাজকারবার থেকে তাঁরা শত হস্ত দুরে থাকেন। তাই এবার ঠিক করি, যে পরিবারকেই সিঙ্গাপুরে পাঠানো হোক, আমরা খোদ সিঙ্গাপুরেই তাঁদের গতিবিধির উপর নজর রাখব। কার্লটন হোটেলেও আমি সেই উদ্দেশ্যেই উঠেছিলাম।

    বুঝেছি, পার্থ বলল, আমার সঙ্গে সারা সন্ধে আড্ডা দিয়ে যখন বুঝলেন আমরা বদ লোক নই, তখন আপনি আমাদের ছাড়ান দিলেন।

    কিছুটা তাই। বিশেষ করে নারায়ণ চিঠির জন্য ঝুলোঝুলি করার সময় আপনি ফোনে যেভাবে রিঅ্যাক্ট করলেন, তাতে বোঝাই যায় আপনাদের ওই দলের সঙ্গে কোনও যোগ নেই।

    গোমড়া গলায় মিতিন বলল, এটাই তো নারায়ণের ট্রিক মিস্টার দত্ত। ওরা এমন পরিবারকে বেছে নিয়ে পাঠায়, যারা নিজেদের অজ্ঞাতেই দুষ্কর্মের সহযোগী হয়ে যায়। চিঠিটা পাৰ্থর ব্যাগ থেকে মিসপ্লেন্ড না হলে আমরাও তাই হতাম। কিন্তু আমাদের মতো ভুল আগে কেউ করেনি। নারায়ণের কাজও তাই স্মুথলি চলছিল। প্রথম এরকম একটা পরিস্থিতিতে পড়ে নারায়ণ মারাত্মক এক ভুল করে ফ্যালে। কোনও এক অনুচরকে পাঠিয়ে ১০৪ নম্বর ঘরে তন্নতন্ন করে তল্লাশি চালায়। কার্লটন হোটেলের নিরাপত্তা বেশ ঢিলেঢালা। পেশাদার বজ্জাতদের পক্ষে হোটেলের ঘর খুলে ফেলা আদৌ কোনও সমস্যা নয়। রিসেপশনের মেয়েগুলো তো খেয়ালই করে না, কে আসছে, কে যাচ্ছে। কিন্তু সেদিন আর-একটা ঠোক্কর খেল নারায়ণ। আমরা যে স্রেফ একটু প্রকৃতি দর্শনের জন্য রুম পালটে ফেলব, এটা ওর হিসেবেই ছিল না। ফলে লোকটা আরও খানিকটা এক্সপোজড হয়ে গেল। এবং সঙ্গে-সঙ্গে, হয়তো কিছুটা নার্ভাস হয়েই, আমাদের সঙ্গে যোগাযোগটা ছিঁড়ে ফেলল। এত পাকা মাথা, অথচ এটুকু ওর মগজে আসেনি, এতে মানুষের সন্দেহ আরও গাঢ় হয়।

    আহা, এর জন্য আপনি নারায়ণকে দোষ দিতে পারেন না, সুজিত দত্ত হাসতে হাসতে বললেন, ও বেচারার কারবার একেবারে সাধারণ লোকদের নিয়ে। হঠাৎ তার মধ্যে আস্ত একটা গোয়েন্দা ঢুকে পড়বে, এটা ও আন্দাজ করবে কী করে? তাও মিস্টার মুখার্জি যদি ডিটেকটিভ হতেন… নারায়ণ আগেই সাবধান হয়ে যেত। এবং এই বেড়ানোর অফারটা আপনারা পেতেনই না।

    বটেই তো বটেই তো, পার্থ গাল ছড়িয়ে হাসল, বায়োডেটা পাঠানোর সময় আমার মিসেসের অকুপেশন তো গৃহবধূ লিখেছিলাম। রোজগার-টোজগার করে জানালে যদি ব্যাটারা অফারটাকে কমিয়ে দেয়। হয়তো হোটেল ভাড়া মাইনাস করে দিল। কিংবা এক পিঠের প্লেনফেয়ার…

    অজান্তেই মোক্ষম চালটা দিয়েছিলেন মশাই। ওই চালেই নারায়ণের ঘটিবাটি চাঁটি হয়ে গেল, সুজিত হো-হো হাসছেন। হাসতে হাসতে বললেন, আপনার ই-মেলের প্ল্যানটাও কিন্তু জব্বর ম্যাডাম। নারায়ণ যে এত সহজে টোপ গিলবে, এটা সত্যিই বিশ্বাস করা কঠিন।

    লোভ। লোভ। এই চিঠিটার আশা যদি ছেড়ে দিত, তা হলে হয়তো ও বেঁচে যেত। একসময় তো দিয়েওছিল। কিন্তু ই-মেলটা পেতেই আবার লোভটা চাগিয়ে উঠল। একটা চিঠি বেচে ও হয়তো লক্ষ ডলার কামায়। তাই না গুটিগুটি ফের পা বাড়াল।

    অনেকক্ষণ ধৈর্য ধরে কথার পিঠে কথা শুনছিল টুপুর। এবার প্রায় মরিয়া হয়ে বলে ফেলল, কিন্তু একটা সিম্পল চিঠির কী এমন মহিমা? যার থেকে লক্ষ ডলার ইনকাম হয়?

    মিতিন চিঠিটা বাড়িয়ে দিল, পড়। পড়ে দ্যাখ!

    আদ্যোপান্ত খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে পড়ল টুপুর, তুৎ, এ তো সাধারণ এক আমন্ত্রণলিপি। এর মধ্যে রহস্য কোথায়?

    পার্থও ঝুঁকে দেখছিল চিঠিটা। জিজ্ঞেস করল, ভাষাতেই কোনও সংকেত আছে, তাই না? উই মানে হয়ত হান্ড্রেড! প্লিজড মানে হয়তো ব্যাটেলিয়ান। কিংবা সাবমেরিনা।

    ঘোড়ার মাথা। সাংকেতিক ভাষার অর্থ উদ্ধারের জন্য মিলিটারিতে আলাদা একটা বিভাগ আছে। ঠিক কি না, মিস্টার দত্ত?

    আছে বইকী। তবে এদের সংকেত পাঠানোর পদ্ধতি একেবারেই নতুন। এই ধরনের কেস আমরা এই প্রথম পেলাম।

    মিতিন বলল, অথচ ভেবে দেখলে পদ্ধতিটা অতি সিম্পল। চিঠির ভাষা আপনারা নানানভাবে খতিয়ে দেখবেন। কিন্তু সেখানে কিসসু নেই। চিঠির মাথায়, কোম্পানির প্রতীক পেঙ্গুইনের গায়ে, অতি সূক্ষ্ম সূক্ষ্ম লেখা বসিয়ে নারায়ণ যে সবাইকে বুদ্ধ বানাচ্ছিল, কে-ই বা ধারণা করবে? এভাবে খবর পাচার করাটাকে বলে স্টেগানোগ্রাফি।

    জানি, সুজিত দত্ত মাথা নাড়লেন, তবে এভাবে কারিকুরি করে প্রতি সপ্তাহেই যে দেশের বাইরে গোপন খবর চলে যাচ্ছে, এটা অনুমান করা কি সম্ভব? বিশেষ করে সংবাদবাহকরা যেখানে গোটা ব্যাপারটা সম্পৰ্কে একেবারেই অন্ধকারে?

    তা ঠিক, মিতিন চিঠিটা নিয়ে সুজিত দত্তর হাতে দিল, এই চিঠি আপনাদেরই সম্পত্তি। আপনিই রাখুন। তবে নারায়ণের লোকজনের এলেম আছে। চালের উপর আস্ত রামায়ণ লেখার মতো খুদি-খুদি অক্ষরে দিব্যি কেমন লিখে দিয়েছে। ম্যাগনিফায়িং গ্লাস দিয়েও পরিষ্কার পড়তে পারলাম না। সম্ভবত সিয়াচেনটিয়াচেন গোছের কিছু লেখা আছে। সঙ্গে কিছু সংখ্যাও। আপনাদের শক্তিশালী মাইক্রোস্কোপের নীচে নিশ্চয়ই পুরোটা পড়া যাবে।

    মৃদু হাসলেন সুজিত দত্ত। চিঠিটা পকেটে পুরে উঠে দাঁড়ালেন। মাথা ঝুঁকিয়ে বললেন, আপনাকে আবার একবার ধন্যবাদ জানাই ম্যাডাম। ভারতীয় সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে আপনাকে আন্তরিক অভিনন্দন।

    থ্যাঙ্ক ইউ। মিতিনও মাথা নোওয়াল, আপনি কি আজকের ফ্লাইটে ফিরছেন?

    না ম্যাডাম। নারায়ণ আর তার শাগরেদদের দেশে নিয়ে যাওয়ার বন্দোবস্ত করতে হবে। প্রচুর ফর্মালিটি আছে। সেনাবাহিনী প্রতিরক্ষা মন্ত্রককে জানাবে, সেখান থেকে সিঙ্গাপুর সরকারের কাছে অনুরোধ আসবে …এ এক লম্বা প্রসেস। শেষ পর্যন্ত হয়তো আমি থাকব না। তবে শুরুটা তো করে যেতে হবে।

    সুজিত দত্ত বেরিয়ে গেলেন। এতক্ষণ গমগম করছিল ঘরটা, হঠাৎই নিশ্চুপ। তখনই টুপুরের নজরে পড়ল, এত কিছু ঘটে গেল, অথচ তার মধ্যেও কী নিশ্চিন্তে নিদ্ৰা যাচ্ছে বুমবুম!

    টুপুর ঝুঁকে ধাক্কা দিল ভাইকে, অ্যাই কুম্ভকৰ্ণ, ওঠ। জাগ।

    পার্থ ফোড়ন কাটল, উহুঁ, কুম্ভকৰ্ণ নয়। কুম্ভকনম। ঘুমের জালে ধরা পড়েছে।

    .

    ১২.

    আবার আকাশে উড়ল বিমান। চলেছে কলকাতা অভিমুখে। এবারও মাঝের সিটে মিতিন, পাৰ্থ, বুমবুম আর টুপুর। সিটবেল্ট খোলার পরেই আচমকা খিদে পেয়ে গেল পার্থর। জুলজুল চোখে দেখছে কখন স্ন্যাক্স-ট্যাক্স আসে। নৈশাহারের এখনও একটু দেরি, বেত যতক্ষণ না আসে কানমলা তো চলুক।

    টুপুরের এখনও সিঙ্গাপুরের ঘোর কাটেনি। আপন মনে বলল, জীবনে প্রথম বিদেশ বেড়াতে এসে জোর একটা অভিজ্ঞতা হল যা হোক।

    পার্থ ঠাট্টার সুরে বলল, হ্যাঁ। একে বলে শিক্ষামুলক ভ্ৰমণ।

    মিতিন বসেছে বুমবুমের ওপারে। ঘাড় হেলিয়ে বলল, কী কী শিক্ষা পেলে শুনি?

    অনেক। অনেক। কোনটা ছেড়ে কোনটা বলি! এক নম্বর, সুডোকু একটি বিপজ্জনক খেলা। নয় বাই নয় ঘরের ছক মিলিয়ে যে প্রাইজ মেলে, সেটি গ্রহণ করলে হাতে হাতকড়া পরা অসম্ভব নয়। দুনম্বর, বিনি পয়সায় বিদেশ যাওয়ার সুযোগ পেলে নাচতে নাচতে রাজি হতে নেই। কে যে কীভাবে গাড্ডায় ফেলে দেবে, টেরও পাওয়া যাবে না। তিন নম্বর, অজানা অচেনা কোম্পানির চিঠি থেকে শত হস্ত দূরে থাকা উচিত। চার নম্বর, যারা শুধু ই-মেলের মাধ্যমে যোগাযোগ করে, তারা লোক মোটেই সুবিধের নয়।

    টুপুর হিহি হেসে উঠল, তুমি তো বেশ লম্বা তালিকা বানিয়ে ফেলেছ!

    এ তো গেল শিক্ষার ফৰ্দ। এর পর যদি কৌতূহলের লিস্টটা পেশ করি, তোর মাসি আঁতকে উঠবে।

    কেন?

    দুপুরে অপরাধীকে ধরার পর যা সুচারু যুক্তিজাল বিস্তার করে দিল, তারপর আর কি কোনও প্রশ্নের উত্তর দেবে?

    মিতিন হেসে ফেলল, আহা, শোনাই যাক।

    হয়তো খুবই বোকার মতো প্রশ্ন …তবু পার্থ টেরিয়ে তাকাল, নারায়ণ আর শঙ্করন যে একই লোক, তুমি বুঝলে কী করে?

    শাস্ত্রে পড়োনি, সব দেবতাই তো এক। যিনি শিব, তিনিই বিষ্ণু। যিনি নারায়ণ, তিনিই দেবাদিদেব শঙ্কর।

    মগজে সেঁধোল না। মাথার উপর দিয়ে বেরিয়ে গেল। একটু বাংলা করে বলবে কি?

    স্ট্র্যাভেল এজেন্সি থেকে ভাড়া করা গাড়ি কি কেউ নিজে চালায়?

    দ্যাখো কাণ্ড। এই সরল ব্যাপারটা মাথায় আসেনি।

    আর কী জিজ্ঞাস্য আছে?

    অরিজিনাল চিঠিখানা তুমি ঠিক কখন খুঁজে পেয়েছিলে?

    এই জবাবটা দেওয়া যাবে না।

    অর্থাৎ সিঙ্গাপুর রওনা হওয়ার আগেই অরিজিনালটা আমার ব্যাগ থেকে হাতিয়ে তার জায়গায় স্ক্যান করা কপিটা পুরে দিয়েছিলে?

    মন্তব্য নিষ্প্রয়োজন।

    মা আর বাবার প্রশ্নোত্তরের খেলা মন দিয়ে শুনছিল বুমবুম। হঠাই সে হাত তুলে চেঁচিয়ে উঠেছে, আমি একটা কোয়েশ্চেন করতে পারি?

    কাকে জিজ্ঞেস করবি? মাকে? না আমাকে?

    তোমাদের তিনজনকেই।

    বলে ফ্যালো।

    সিঙ্গাপুরে একটাও সিঙ্গাপুরি কলা দেখলাম না কেন?

    টুপুর, মিতিন আর পার্থ শব্দ করে হেসে উঠল। সত্যি, এও এক রহস্য বটে। হয়তো এই রহস্যের সন্ধানেই হয়তো তাদের আসতে হবে সিঙ্গাপুর। আরও একবার।

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমিতিনমাসি সমগ্র ২ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    Next Article বিষ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    Related Articles

    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    গল্প সমগ্র – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    অন্য বসন্ত – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    কাছের মানুষ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    হেমন্তের পাখি – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    অলীক সুখ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    আলোছায়া – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }