Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মিতিনমাসি সমগ্র ১ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    সুচিত্রা ভট্টাচার্য এক পাতা গল্প667 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৫. কিরিবুরু মেঘাতুবুরু

    কিরিবুরু মেঘাতুবুরু একদম গায়ে গায়ে লাগানো। কোথায় মেঘাতুবুরুর শেষ, কোথায় বা কিরিবুরুর শুরু, বোঝা মুশকিল। দুই লোহাখনির গেটও প্রায় মুখোমুখি, মাঝে বড়জোর দু-তিনশো মিটারের ব্যবধান।

    রাতে খাওয়াদাওয়া সেরে মিতিনের সঙ্গে হাঁটতে বেরিয়েছিল টুপুর। মেঘাতুবুরুতে জায়গা পাওয়া যায়নি, তারা উঠেছে কিরিবুরুতে। স্টিল অথরিটির গেস্টহাউসে। মেঘাতুবুরুর চেয়ে কিরিবুরুতেই অবশ্য জনবসতি বেশি। দিব্যি সাজানোগোছানো টাউনশিপ। বাজারহাট, দোকানপাট, সিনেমা হল, কী নেই। চওড়াচওড়া মসৃণ পাহাড়ি রাস্তায় এই চড়াই তো এই উতরাই। পথের দু ধারে ইউক্যালিপটাসের সারি। অজস্র খুদে খুদে টিলা চারদিকে, তাদের মাথায় গায়ে সুন্দর সুন্দর বাড়িঘর। এমন একটা মনোরম পাহাড়কে কেন যে পোকার পাহাড় বলা হয়?

    পাহাড়ের মাথায় বলে কিরিবুরুতে ঠাণ্ডা আছে যথেষ্ট। সালোয়ার কামিজের ওপর সহেলির একটা শাল জড়িয়ে নিয়েছে টুপুর। মিতিনের গায়েও গুজরাটি চাদর। এতাল বেতাল হাওয়ায় মাঝে মাঝেই তবু কেঁপে উঠছে মাসি বোনঝি।

    হাঁটতে হাঁটতে কথা বলছিল দুজনে। মিতিন জিজ্ঞেস করল, কী রে, এখনও অব্দি কেমন লাগছে টুরটা?

    টুপুর বলল, দারুণ।

    টেনশন হচ্ছে না?

    কীসের টেনশন?

    কাল আমরা সত্যিকারের জঙ্গলে ঢুকব। যদি থলকোবাদে গিয়ে পাগলা হাতিটার সামনাসামনি পড়ে যাস?

    হাতিকে সামনে আসতে দেব কেন? হুড়মুড় করে জঙ্গল ভাঙছে টের পেলেই কোথাও একটা শেল্টার নিয়ে নেব।

    তুই একটা হাঁদি। হাতি মোটেই জঙ্গল ভেঙে ভেঙে হাঁটাচলা করে না। সত্যি বলতে কী, হাতির চলাফেরা টেরই পাওয়া যায় না।

    পাগলা হাতিরও না?

    আজ্ঞে হ্যাঁ। হাতি এমনিতেই খুব চালাক। অসম্ভব বুদ্ধিমান প্রাণী। পাগলা হওয়ার পর সে আরও ধূর্ত হয়ে ওঠে। যদি ইচ্ছে করে দাপাদাপি না করে, তা হলে পাঁচ হাতের মধ্যে এসে দাঁড়ালেও তুই টের পাবি না। প্লাস, গায়ের রং গাছের গুঁড়ির সঙ্গে একেবারে মিশে থাকে। এই প্রকাণ্ড শরীর নিয়ে একদম নিঃসাড়ে সামনে এসে। দাঁড়ায় আচমকাই।

    টুপুর একটু ঘাবড়েই গেল, তুমি ভয় দেখাচ্ছ কেন মিতিনমাসি?

    ভয় পাচ্ছিস বা কেন? সাবধানে হাঁটাচলা করবি। হুটহাট একাএকা কোথাও চলে যাস না, ব্যস, তা হলেই হল। মিতিন টুপুরের কাঁধে হাত রাখল, তবে কী জানিস, ওই হাতির চেয়েও সাঙ্ঘাতিক ওই লোকটা। বা লোকগুলো। যারা হাতি মারতে জঙ্গলে ঢুকেছে।

    জঙ্গলে তো পাহারাদার থাকে। তারা কালপ্রিট ধরতে পারছে না?

    এ কি তোর বেথুয়াডহরির পাঁচ ফুট বাই পাঁচ ফুট ফরেস্ট? ভেতরে ঢুকলে বুঝবি কাকে বলে অরণ্য। দশ-বিশটা লোকও যদি ছড়িয়ে ছিটিয়ে জঙ্গলে ঘাপটি মেরে বসে থাকে, তাদের ঢুঁড়ে বার করা শার্লক হোমসেরও অসাধ্য।

    তুমিও পারবে না?

    আমি খুঁজব কেন? যাদের কাজ তারাই করুক। মিতিন আলগা টোকা দিল টুপুরের মাথায়, তোকে যা বলেছিলাম করছিস?

    কী গো? ডে-টু-ডে ডায়েরি লেখা?

    ইয়েস। যেখানে যা ঘটছে সব নোট করে রাখ।

    আজকেরটা এখনও হয়নি। শোওয়ার আগে লিখব।

    শর্টে বল তো কী কী নোট করবি আজ?

    মিতিনমাসির কাছে টুপুর শিখেছে কোনও ঘটনাই উপেক্ষণীয় নয়। বহু তুচ্ছ ব্যাপারও বড় কিছু ঘটার ইঙ্গিত দেয়। অনেকটা পাহাড়ি এলাকার মেঘের মতো। এককুচি কালো মেঘ যে কতটা বৃষ্টি ঢালতে পারে সে তো টুপুর চাইবাসাতেই দেখেছে।

    টুপুর সংক্ষেপে তার বিবরণী পেশ করল। ভেবে ভেবে। মনে করে করে। চাইবাসার হোটেলে ঘুম ভাঙা থেকে শুরু করে মেঘাতুবুরুর সূর্যাস্ত পর্যন্ত।

    বিনা মন্তব্যে শুনছিল মিতিন। মাঝে-মাঝে ঘাড় তুলে আকাশটাকে দেখছিল। গাঢ় নীল রাতের আকাশ চাঁদোয়ার মতো ছেয়ে আছে মাথার ওপর। ঝিকঝিক করছে অজস্র তারা। পশ্চিম আকাশ থেকে চাঁদ অনেকটা হেলেছে পুবে। জ্বলজ্বল করছে। ঠিক যেন কানাভাঙা সোনার পিরিচ।

    টুপুর আড়চোখে দেখল মিতিনকে, কী গো, কিছু বাদ পড়ল?

    মোটরসাইকেলের লোক দুটোর টি-শার্টের কালার বললি না তো!

    যে লোকটা মুরগি মারল, সে পরে ছিল মেটে রং। আর অন্যজনের যেন কী রং?

    মনে নেই তো? সবুজ। বুকে সরু সাদা বর্ডার। মিতিন ফের প্রশ্ন করল, আর পুরুষোত্তম সিংহ সম্পর্কে তোর কী কমেন্ট?

    বেশ অ্যাডভেঞ্চারাস লাইফ। নিজের প্রশংসা শুনতে ভালবাসেন। নিজের কথা বলতেও। তবে…। টুপুর একটু থেমে থেকে বলল, শিকারি, অথচ অকারণে প্রাণীহত্যা করেননি, এটা কেমন অদ্ভুত নয়?

    জিম করবেটের নাম শুনেছি?

    যিনি ম্যানইটার্স অফ কুমায়ুন লিখেছিলেন? বইটা পড়েছি। কী সাঙ্ঘাতিক সাঙ্ঘাতিক বাঘ শিকার করেছিলেন জিম করবেট! রুদ্রপ্রয়াগে… রানিখেতে…

    তা হলে তো জানিসই জিম করবেট কোন দরের শিকারি ছিলেন। কিন্তু জঙ্গল বা পশুপাখিকে তিনি কম ভালবাসতেন না। বাঘকেও ভালবাসতেন তিনি। শুধু বাঘ মানুষখেকো হয়ে গেলেই…। মিতিন দুএক সেকেন্ড চুপ থেকে বলল, পুরুষোত্তম যে সত্যিই পশুপ্রেমিক তা তাঁর ঘরদোর দেখেই অনুমান করা যায়।

    কীভাবে?

    ঘরে কোথাও নিজের শিকারের নিদর্শন ছড়িয়ে রাখেননি। এখানে বাঘের চামড়া, ওখানে মোষের শিং, দেওয়ালে হরিণের মুণ্ড. বীরত্বের কোনও ফাঁপা আড়ম্বর নেই।

    কিন্তু ভদ্রলোকের ছোট ছেলেটা যেন কেমন কেমন? টুপুর ফস করে বলে উঠল, মনে হচ্ছিল আমাদের দেখে একটুও খুশি হননি।

    হুম। মনে হয় দুই ভাইয়ের সম্পর্ক ভাল নয়। দাদার পরিচিতদের ভাই পছন্দ করে না।

    তা বলে অভদ্র ব্যবহার করবে?

    ওটাই হয়তো ওর কথা বলার স্টাইল। ক্ষমতা, টাকাপয়সা, এসব হাতের মুঠোয় থাকলে ওরকম বহু লোকই ধরাকে সরা জ্ঞান করে।

    হাতিটাকে নিয়েও কেমন কমেন্ট করছিল দেখলে? যেন হাতি মারা কোনও অন্যায় কাজই নয়!

    হুম।

    কথায় কথায় টুপুররা বাজারের দিকটায় চলে এসেছে। রাত নটা বাজে, অধিকাংশ দোকানেরই ঝাঁপ বন্ধ। শুধু একটা দুটো পান সিগারেটের স্টল খোলা আছে এখনও।

    ডানপাশে এক মস্ত দিঘি। স্থানীয় মানুষের স্নানটানের জন্য বোধহয় কাটানো হয়েছিল কোনও সময়ে। মিতিন আর টুপুর দাঁড়িয়ে পড়ল দিঘির পাড়ে। জলে চাঁদের ছায়া। টুপুরের বিকেলটার কথা মনে পড়ছিল। আজ সানসেট যেন তেমন উপভোগ করা গেল না। জঙ্গলে ছাওয়া ধোঁয়া ধোঁয়া নীলচে পাহাড়ের পেছনে কখন যেন ঝুপ করে হারিয়ে গেল সূর্যটা। তবে হ্যাঁ, কিরিবুরুর লোহাখনিটা ভারী বিচিত্র। আস্ত পাহাড়খানাকে কেটে কেটে কী অতিকায় এক খাদান বানিয়ে ফেলেছে। ওটাকে নাকি বলে ওপেন-কাস্ট মাইন। কয়লাখনির মত গর্ত খুঁড়ে পৃথিবীর ভেতরে ঢুকতে হয় না, ডিনামাইট দিয়ে পাহাড় ভাঙো, আর লোহারা পাথরের চাঙড় তুলে দাও টিপলারে। লোহাখনির খাদানটাও কী টকটকে লাল। লোহার জন্যেই কি? খাদানের মধ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে মানুষ। ট্রলি বুলডোজার কাটার ক্রেন চলছে-ফিরছে এদিক-ওদিক। ওপর থেকে দেখে মনে হচ্ছিল যেন পিঁপড়ের জগৎ।

    টুপুরের ভাবনার মাঝেই হঠাৎ দিঘির পাড়ে পার্থর আবির্ভাব। হাঁফাচ্ছে পার্থ। হাঁফাতে হাঁফাতেই বলল, তোমরা এখানে? আমি তোমাদের সানসেট পয়েন্টে খুঁজতে গিয়েছিলাম।

    মিতিন বলল, এই অন্ধকারে সানসেট পয়েন্টে?

    ভাবলাম যদি গিয়ে থাকো।… বলে যাবে তো কোথায় যাচ্ছ। অন্যদের চিন্তা হয় না? একে একটা পাগলা হাতি ঘুরে বেড়াচ্ছে…

    সে তো সারান্ডায়।

    এটাও তো সারান্ডারই পার্ট। যদি ব্যাটা গুট গুট করে পাহাড়ে উঠে আসে?

    পিচরাস্তা ধরে? লোকালয়ের মধ্যে দিয়ে? মিতিন খিলখিল হেসে উঠল।

    কেন? হাতির বুঝি পিচরাস্তায় হাঁটতে মানা? না কি হাতি লোকালয়ে ঢোকে না? পার্থ প্রতিবাদ জুড়ল, তা ছাড়া বেচারার এখন মাথা খারাপ। এখন কি আর ওর স্থানকালপাত্ৰজ্ঞান আছে?

    উফ, তোমরা না ভয়েই গেলে। মিতিন হাসি থামাল, বুমবুম ঘুমিয়েছে?

    শুয়েছে। বড়দির কাছে। বড়দি একটার পর একটা গল্প শোনাচ্ছে আর বুমবুম গুনছে, সেভেন হল, এইট হল… টোয়েন্টিফাইভ স্টোরি না শুনে সে আজ চোখ বুজবেই না।

    টুপুর হি হি হাসল, মা তা হলে খুব টাইট খাচ্ছে?

    আর তোমার বাবা টাইট দিচ্ছেন। একখানা মাংকিক্যাপ চড়িয়ে গ্যাঁট হয়ে বসে আছেন গেস্টহাউসের রিসেপশনে। ম্যানেজারবাবুর এখন যাকে বলে ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি দশা।

    ওমা, সে কী! কেন?

    অবনীদা নাকি ঠাণ্ডায় জমে যাচ্ছেন। কম্বলে নাকি শীত কাটবে না, তাঁর এখনই লেপ চাই। ম্যানেজার অতিষ্ঠ হয়ে একজোড়া রেজাই আনার জন্য কোথায় যেন লোক পাঠালেন। পার্থ দাঁত ছড়িয়ে হাসল, আরও স্ট্রেঞ্জ ব্যাপার কী জানো? অবনীদা রিসেপশনে বসে ঢুলছেন, কিন্তু কিছুতেই রুমে গিয়ে শোবেন না।

    টুপুর লজ্জিত মুখে বলল, সত্যি, বাবাটা না বড্ড শীতকাতুরে। গত পুজোয় গ্যাংটকে স্লিপিংব্যাগ নিয়ে গিয়েছিল। হোটলের বিছানায় স্লিপিংব্যাগে ঢুকে ঘুমোত।

    পার্থ হাসিতে ফেটে পড়ল। হাসতে হাসতেই ফিরতে শুরু করেছে তিনজনে।

    পার্থ টুপুরকে জিজ্ঞেস করল, হ্যাঁ রে, তোর মাসি কী বলছে? তোকে দিয়ে অ্যাসিস্ট্যান্টের কাজ চলবে?

    মিতিন ফুট কাটল, তুমি চালাতে পারলে টুপুরও পারবে।

    আমি শুধু চালাই? আমিই তো রান করাই। আমি না থাকলে তোমার থার্ড-আই-এর তৃতীয় নয়নটি কানা।

    তাই বুঝি? পরীক্ষা নেব?

    নাও।

    বলো তো পুরুষোত্তম সিংহ মানুষটি কেমন?

    টিপিকাল জঙ্গলের ঠিকাদার। দুনম্বরি করে প্রচুর কামিয়েছেন।

    মাইনাস ফাইভ। বুমবুমও এগুলো বলতে পারে।

    ছেলে দুটোকেও মানুষ করতে পারেননি। একটা পাগল, একটা গোঁয়ার।

    আর?

    তারপর ধরো ভদ্রলোকের বাংলা বলা। পঞ্চাশ বছরেরও ওপর ভদ্রলোক দেশছাড়া, কিন্তু এখনও বাংলা উচ্চারণ কী পরিষ্কার!।

    হুম। এটা অবশ্য একটা গুড অবজারভেশন। তবে কী জানো, মাতৃভাষা ভুলতে চাইলে ছ মাসেই ভোলা যায়। আর না চাইলে মৃত্যু অব্দি ভুলবে না। যেমন ধরো তোমার মাসতুতো ভাই রজত। মাত্র দেড় বছর রজত আমেরিকায় আছে, এখনই কেমন বিকৃত অ্যাকসেন্টে বাংলা বলে শুনেছ তো? অথচ তোমার রঘুজ্যাঠা চুয়াল্লিশ বছর কানাডায় থেকেও এখনও দিব্যি ঢাকাই ডায়লেক্টে গড়গড় করে কথা বলে যান।

    তা ঠিক। পাৰ্থ স্বীকার করল, এটা ম্যান টু ম্যান ডিফার করে।

    যাকগে, পুরুষোত্তমকে ছেড়ে কাজের কথা শোনো। দুটো জব্বর ইনফরমেশন জোগাড় করেছি।

    কী?

    পাগলা হাতিটাকে নিয়ে এখানেও জোর চর্চা চলছে। হাতিটাকে নাকি শেষ দেখা গেছে তিরিলপোসিতে। এবং তিরিলপোসি থলকোবাদ থেকে খুব দূরে নয়।

    বাহ, সুখবর। বড়দি অবনীদার ঘরে আটকে থাকাটা পাকা হয়ে গেল। মিতিন হাসল, যাকগে, করমপদার খবরটা নিয়েছ? এখান থেকে কদ্দূর করমপদা?

    ম্যানেজারবাবু তো বললেন কাছেই। থলকোবাদের রুটেই পড়ে। তবে রেঞ্জ আলাদা। করমপদা গুয়া রেঞ্জে। থলকোবাদ পড়ে সামটায়। এখান থেকে করমপদা মিনিট চল্লিশ।

    মিতিন বলল, তো কাল সকালেই দিদিকে মধুবাবার দর্শন করিয়ে দেবে নাকি?

    সেইজন্যই তো বলছি। গেস্টহাউসের ম্যানেজারও দেখলাম মধুবাবার গল্প জানেন। কিরিবুরু টাউনেও মধুবাবা নাকি এখন একটা ইভেন্ট। এখান থেকেও অনেকে গিয়ে মধুবাবাকে দর্শন করে এসেছে। এবং তারাও নাকি ভক্তিতে সব গদগদ।

    মিতিন বলল, ভালই হল। আমরাও কাল যাওয়ার পথে একবার ঢুঁ মেরে নিচ্ছি।

    পার্থ বলল, বড়দি তো শুনেই লাফাচ্ছেন। মধুবাবার নামে পাগলা হাতির ভয়টয় সব হাপিস।

    টুপুরের মধুবাবাতে আগ্রহ নেই। বলল, আর তোমার সেকেন্ড ইনফরমেশনটা কী?

    মেঘাতুবুরুতে ছুটে ছুটে সানসেট দেখতে যাওয়াটা নাকি আমাদের গোখখুরি হয়ে গেছে। ম্যানেজার বলছিলেন। আমাদের দেখা উচিত সানরাইজ। কপাল ভাল থাকলে, মানে মেঘ না থাকলে, সূর্যোদয় নাকি অনির্বচনীয়। পুব দিকটা পুরো খোলা তো। নীচে রুপালি সুতোর মতো বয়ে যাচ্ছে কারো নদী, জলে সোনালি আলো ঠিকরোচ্ছে…

    পাৰ্থর রীতিমতো ভাব এসে গেছে। টুপুর মনে করার চেষ্টা করছিল মেঘাতুবুরুর পথে কারো নামে কোনও নদী সে পার হয়েছে কি না। মনে পড়ছে না। ছিঃ টুপুর, এটাও তোমার অবজারভেশনের ডিফেক্ট…

    নির্জন পথঘাট। একটা চাপা গুমগুম শব্দ ভেসে আসছে। ডিনমাইট ফাটছে কি?

    উহুঁ, আওয়াজ স্পষ্ট হচ্ছে ক্রমশ। নিস্তব্ধতা চিরে ছুটে আসছে। এক মোটরসাইকেল। কিরিবুরু পেরিয়ে যেদিকে জঙ্গল, সেই দিক থেকে। ঘাচ করে সামনেই এক পান সিগারেটের দোকানে এসে দাঁড়াল।

    আরে, ঝিনিকপানির সেই মোটরসাইকেলটা না? কিন্তু এখন আরোহী মাত্র একজন।

    দোকানদার ঝাঁপ নামাচ্ছিল।

    লোকটা মোটরসাইকেলে বসেই হেলমেট খুলে হেঁকে উঠল, অ্যাই, রুক রুক।

    দোকানদার বলল, কেয়া লেংগে সাব?

    সিগারেট লা। দো পাকিট। ফরেন। বড়িয়াওয়ালা।

    ছুটে এসে লোকটাকে সিগারেট দিয়ে গেল দোকানদার। বলল, আউর কুছ চাহিয়ে?

    সোডা লা। তিন বোতল।

    বোতল তিনটে সাইড-কেরিয়ারে ভরছে লোকটা। সেই সময়েই মুখটা পরিষ্কার দেখতে পেল টুপুর। ফিসফিস করে বলল, মিতিনমাসি… যে লোকটা পেছনে বসে ছিল!

    লোকটারও চোখ পড়েছে মিতিনদের ওপর। ঝটপট হেলমেট পরে নিয়ে গাড়িতে স্টার্ট দিচ্ছে। চামড়ার জ্যাকেট থেকে পার্স বার। করে টাকা দিল দোকানদারকে। তারপর সোঁও করে বেরিয়ে গেল, মেঘাতুবুরুর দিকে।

    টুপুর মোটরসাইকেলটার মিলিয়ে যাওয়া দেখতে দেখতে বলল, তার মানে লোকটা মেঘাতুবুরুতে থাকে?

    মিতিন উত্তর দিল না। পার্থ বলল, সম্ভবত।

    কিন্তু লোকটা একা কেন? অন্যজন গেল কোথায়?

    পাৰ্থ খ্যাক খ্যাক করে হাসল, ওরা কি সারাক্ষণ নিতাই গৌর হয়ে ঘুরবে নাকি?

    তবু…। টুপুর ঢোক গিলল, আচ্ছা, ওরা যদি এদিকেই থাকে, তা হলে ঝিনিকপানি থেকে মুরগি কিনছিল কেন? কম নয়, এখান থেকে ঝিনিকপানি তো ষাট-সত্তর কিলোমিটার দূর।

    তুই তো বললি ওদের চাইবাসায় দেখেছি! ফিরছিল, তখন কিনে নিয়েছে।

    তাই বলে অদ্দূর থেকে? কাছেপিঠে জামদাই তো ছিল।

    ঝিনিকপানির মুরগির হয়তো কোনও স্পেশ্যালিটি আছে। হয়তো ছিবড়ে কম হয়, স্বাদটা মিষ্টি মিষ্টি..

    টুপুর তেমন সন্তুষ্ট হল না জবাবটায়। মিতিনকে ঠেলল, ও মিতিনমাসি, বলো না, ব্যাপারটা একটু অদ্ভুত না? ওরা চারদিকে ঘুরে ঘুরেই বা বেড়াচ্ছে কেন?

    মিতিনকে চিন্তান্বিত দেখাচ্ছিল। অন্যমনস্কভাবে বলল, আমি একটা অন্য কথা ভাবছিলাম।

    কী?

    লোকটাকে আমি কোথায় যেন দেখেছি!

    এই মূর্তিমানকে? পার্থ ভুরু কুঁচকোল।

    না। ওর সঙ্গীটাকে। ঝট করে ওই মুখটা মনে পড়ে গেল। তখনই কেমন যেন চেনা চেনা লাগছিল।

    কোথায় দেখেছ? চাইবাসায়? টাটায়? ট্রেনে? কলকাতায়?

    মিতিন হতাশভাবে মাথা ঝাকাল, সেটাই তো মনে করতে পারছি না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমিতিনমাসি সমগ্র ২ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    Next Article বিষ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    Related Articles

    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    গল্প সমগ্র – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    অন্য বসন্ত – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    কাছের মানুষ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    হেমন্তের পাখি – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    অলীক সুখ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    আলোছায়া – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }