Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মিতিনমাসি সমগ্র ১ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    সুচিত্রা ভট্টাচার্য এক পাতা গল্প667 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৬. আবার আড়াআড়ি বাঁশ

    আবার আড়াআড়ি বাঁশ। আবার বনদফতর পথ আটকেছে। করমপদায় থেমে গেল টুপুরদের জিপ।

    নজরুল হোসেন প্যাঁ-পোঁ হর্ন বাজিয়েই চলেছেন। জঙ্গলের মধ্যে এত জোরে শব্দ করা উচিত নয়। কিন্তু উপায়ই বা কী, বিট অফিসারের টিকি দেখা যাচ্ছে না যে!

    কাছেই একখানা একতলা পাকাবাড়ি। দেখে মনে হয় প্রাইমারি স্কুল। দরজা জানলা বন্ধ, সামনের ফাঁকা জায়গায় আপন মনে ছোটাছুটি করছে গোটাকয়েক বাচ্চা। জিপের দিকে ফিরেও তাকাচ্ছে না বাচ্চাগুলো। সম্ভবত এমন জিপ দেখে দেখে তারা অভ্যস্ত। অদূরে একটি লালচে-দেওয়াল মাটির বাড়ি, মাথায় টিনের চালা। বাড়িটায় লোকজন আছে কি না ঠাহর করা যাচ্ছে না গাড়ি থেকে। যদি কেউ থাকেও, তারা নিৰ্ঘাত কালা। এত আওয়াজেও কেউ একবার উঁকি দিল না?

    নজরুল হোসেন স্টিয়ারিং ছেড়ে নামলেন, হল কী? গেল কোথায় সব?

    সহেলি ঝটিতি বললেন, মধুবাবার আশ্রমে চলে যায়নি তো?

    অবনী ঝেঁঝে উঠলেন, তুমি থামবে? মধুবাবা মধুবাবা করে পাগল হয়ে গেলে!

    তুমি বুঝবে কী করে? তোমার তো আর হাঁটু-কোমরে ব্যথা নেই।

    মিতিন দুহাত তুলে বলল, শান্তি, শান্তি। জঙ্গলে ঝগড়া করলে জন্তুজানোয়াররা ঘাবড়ে যাবে। তার চেয়ে বরং নামো, হাত-পা ছাড়াই।

    সেই কোন ভোরে উঠেছে সকলে। মেঘাতুবুরুর সূর্যোদয়ও আজ জমেনি তেমন। দিগন্তে মেঘ ছিল ছেঁড়া-ছেঁড়া। বেজার মুখে গেস্ট হাউসে ফিরে ঝটপট তৈরি হয়ে নিল টুপুররা। তারপর জলখাবার খেয়েই স্টার্ট। থলকোবাদে কিছুই নাকি পাওয়া যাবে না, তাই বনবাসের রসদ সংগ্রহ করতে হল বাজার থেকে। চাল, ডাল, আলু, আটা, ময়দা, তেল, মশলা, নুন, লঙ্কা…। চা চিনি, বিস্কুট, চানাচুর, গুঁড়ো দুধ। ঝিনিকপানির মুরগিবধের দৃশ্য এখনও টুপুরের চোখ থেকে মোছেনি, সহেলিও জ্যান্ত মুরগি বেঁধে নিয়ে যেতে রাজি নন, তাই মুরগি শেষ পর্যন্ত বাদই দেওয়া হল। তার বদলে নেওয়া হল অফুরন্ত ডিম।

    বড় বড় ব্যাগে যজ্ঞিবাড়ির বাজার নিয়ে কিরিবুরুর ঢাল বেয়ে জিপ নেমে গেল জঙ্গলে। তারপর অরণ্য ভেদ করে যাত্রা। কী অপূর্ব যে কাটল সময়টা। চারধারে অগুন্তি শালগাছ, মধ্যিখান দিয়ে রাস্তা, মাঝে-মাঝে শিশু, মহাশিমুল, সেগুন, কেঁদ আর মহুয়াও ডালপালা মেলে দাঁড়িয়ে। সেগুন আর মহুয়া গাছগুলো থোকা থোকা সাদা ফুলে ঢাকা। ভারী মিষ্টি একটা গন্ধে ছেয়ে ছিল গোটা পথ। পাশাপাশি অন্য একটা গন্ধও লাগছিল নাকে। জঙ্গলের গন্ধ। বুনো বুনো। কত যে নাম-না-জানা পাখি ডেকে উঠছিল জঙ্গলে। জিপের যান্ত্রিক শব্দে ফুড়ুত করে উড়ে পালাচ্ছিল তারা, হারিয়ে যাচ্ছিল ঘন পাতার আড়ালে।

    সরু নালার মতো একটা নদীও সঙ্গে সঙ্গে চলল অনেকক্ষণ। কখন যেন কোন বাঁকে হারিয়ে গেল। এই নদীটার নামই কি কারো? না কি ওটা নদী নয়, নেহাতই কোনও নালা?

    এখন করমপদায় জঙ্গল অনেকটাই ফিকে। তাও সূর্যকিরণ সরাসরি পৌঁছতে পারছে না মাটিতে, নরম সবুজ পাতার ফাঁক দিয়ে উঁকিঝুঁকি মারছে। গাছগাছালির নীচে আবছায়া। জঙ্গলের মাটি ঢেকে আছে চৈত্রের শুকনো পাতায়।

    টুপুর অ্যান্ড কোম্পানি নেমে পড়ল জিপ থেকে। পার্থ গাড়ির বনেট ধরে ওঠবোস করে নিল একটু। ব্যায়ামের ভাষায় একে নাকি বলে বৈঠক। অবনীর পরনে আজ পাজামা-পাঞ্জাবি। এতক্ষণ আষ্টেপৃষ্ঠে শালও জড়ানো ছিল। এবার গরম লাগছে, তাই শালখানা রেখে দিলেন গাড়িতে। পায়চারি করছেন। পরীক্ষার হলে গার্ড দেওয়ার ভঙ্গিতে। ছাত্রদের টুকলি আবিষ্কার করার মতো করে সরু চোখে দেখছেন প্রজাপতিদের ওড়াউড়ি। সহেলি জিপের গা ঘেঁষে এমনভাবে দাঁড়িয়ে, যেন বিপদের আশঙ্কা দেখতে পেলেই টুক করে গাড়িতে উঠে পড়বেন। বুমবুম উল্লাসে বিকট শব্দ করতে করতে খানিক স্প্রিন্ট টানল। এবার টুপুরদিদির ক্যারাটের স্টাইল নকল করে হাত-পা ছুড়ছে শূন্যে। গলায় হুহ-হা, হুহ-হা।

    নজরুল গেছে বিট অফিসারের সন্ধানে। মিতিন ঘুরে ঘুরে চারদিকটা দেখছিল। আপন মনে বলল, সাড়ে দশটা বাজে, কখনযে থলকোবাদ পৌছব!

    সময় নিয়ে সহেলি ভাবিত নন। তিনি বললেন, চল না মিতিন, এই ফাঁকে মধুবাবাকে দর্শন করে আসি।

    টুপুর অসহিষ্ণু মুখে বলল, এখন নয়। এখন কোনও মধুবাবা-ফদুবাবা হবে না। ও মিতিনমাসি, বাঁশ ফেলা গেটের দুপাশটাই তো ফাঁকা, গাড়ি সাইড দিয়ে বেরিয়ে যেতে পারে না?

    অবনী তৰ্জনী তুললেন, খবরদার, আইন ভাঙবে না। অপেক্ষা করো।

    টুপুর মুঠো পাকাল, আর কতক্ষণ?

    বেশিক্ষণ অবশ্য দাঁড়াতে হল না। নজরুল পাকড়ে এনেছেন বনকর্মীকে। কেরোসিন কিনতে গিয়েছিল আদিবাসী তরুণটি।

    খালি গা, খাকি ট্রাউজার, হাতে কেরোসিনডিব্বা বনকৰ্মীটি অপ্ৰস্তুত মুখে বলল, দুকান মে লাইন ছিল স্যার।

    পার্থ কাঁধ ঝাঁকাল, করমপদাতেও কিউ? কত লোক থাকে এখানে?

    উত্তর না দিয়ে মৃদু হেসে দ্রুত টিনের চালায় গিয়ে একটা পেল্লাই চাবি নিয়ে এল তরুণটি। চাবি ঘুরিয়ে লোহার আংটা খুলতেই তড়াং করে দাঁড়িয়ে গেছে বাঁশ।

    নজরুল ওপারে গাড়ি নিয়ে গেলেন। অবনীই একমাত্র উঠে বসলেন সিটে। নিজস্ব রাষ্ট্রভাষায় সহেলি বনকৰ্মীটিকে জিজ্ঞেস বসলে করলেন, ভাই, করমপদামে মধুবাবার আশ্রম কাঁহা হ্যায়?

    বনকর্মী রীতিমতো চমকিত, আপ মধুবাবাকো পহচানতেঁ?

    এদিকে আসা ইস্তক নাম শুনছি খুব।

    হাঁ, মধুবাবা বহুত বড়া মহারাজ আছেন। যা ছোঁবেন, তাই মিঠা হবে। যা বলবেন, ফলিয়ে যাবে। তরুণটির চোখে আপ্লুত ভাব, হামার বিবির বারবার বুখার হচ্ছিল। দো দিন মধুবাবাকা মিঠা পানি পিয়েছে, ব্যস, বুখার গায়েব। সে এখন বাপ কা ঘর চলিয়ে গেল।

    মিঠাপানি খেয়ে সোজা বাপের বাড়ি? পাৰ্থ টিপ্পনি কাটল, তোমার তো তা হলে এখন মহা গেরো, হাত পুড়িয়ে রান্না করে খেতে হচ্ছে?

    পাৰ্থর রসিকতা বুঝল না তরুণটি। ফ্যালফ্যাল চোখে তাকাল।

    মিতিন জিজ্ঞেস করল, তা ভাই, তোমাদের মধুবাবার আশ্রম এখান থেকে কদ্দূর?

    এই তো, সামনেই আছে। ইধার এক হাট লাগতা হ্যায়, উস হাটকা বগলমে এক মন্দির আছে, বাবা ওঁহিপর থাকেন। রেললাইনকে উস পার।

    এখানে রেললাইনও আছে নাকি?

    স্টিশান ভি আছে। কিরিবুরুসে আসে ট্রেন, বারসেই তক যায়।

    বলো কী! বারসোই তো ওড়িশায়?

    জঙ্গলের ভিতর দিয়ে লাইন আছে দিদি। লোহাপাথর চালান যায় ট্রেনে। আদমি ভি যায়।

    লাইনটা কি কিরিবুরু থেকেই শুরু?

    কী আবোল তাবোল ভ্যাজরং ভ্যাজরং করছিস মিতিন? সহেলি অধৈৰ্য হলেন, বলো তো ভাই, এখন গেলে বাবার দর্শন হবে?

    আজ তো নেহি হোগা। বাবা তো আভি করমপদামে নেহি হ্যায়।

    সে কী! সহেলির মাথায় হাত, মধুবাবা চলে গেছেন?

    দো চার দিনকে লিয়ে। রাউরকেলাসে এক চেলা এসে নিয়ে গেল।

    ও। ফিরবেন কবে?

    কাল। নেহি তো পরশু। এখানে পরশু হাট আছে। হাটের দিন বাবা জরুর বসবেন বলেছেন।

    পার্থ বলল, তা হলে আর কী বড়দি, চলুন। পরশুই আসব।

    হ্যাঁ, আসেন। আপনারা জঙ্গলমে কতদিন থাকছেন?

    থলকোবাদে পাঁচদিনের বুকিং। পূর্ণিমাতে জঙ্গল দেখে তবে ফিরব।

    বহুত আচ্ছা। পরশু তবে দুপহরে চলিয়ে আসেন। সিধা আমার কাছে আসবেন। বাবা ফরেস্টের স্টাফদের বহুত খাতির করেন, আমি আপনাদের নিয়ে গিয়ে ইস্পিশাল দৰ্শন করিয়ে দেব।

    সহেলি মহা খুশি, আমরা তবে পরশুই আসি, কী বলো?

    মিতিনের প্রশ্ন এখনও ফুরোয়নি। জিজ্ঞেস করল, বাবা কি এরকম মাঝে-মাঝেই চেলাদের বাড়ি চলে যান?

    ডাকলে যান। একবার কিরিবুরু ভি গিয়েছিলেন।

    তা কদিন এখানে এসেছেন মধুবাবা?

    জাদা দিন নেহি। বনকৰ্মীটি মনে মনে হিসেব করে নিয়ে বলল, এক মাহিনাসে ভি কম। হোলিকে দিন এসেছিলেন।

    স্কুলমাঠের বাচ্চাগুলোর কাছে গিয়ে কোমরে হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল বুমবুম। বড়দের মতো ছোটদের খেলা নিরীক্ষণ করছিল। পার্থ তাকে ধরে এনে জিপে পুরে দিল। নিজেও উঠতে যাচ্ছিল, কী ভেবে আবার এল বনকৰ্মীটির কাছে, ভাই, শুনলাম জঙ্গলে একটা হাতি নাকি পাগল হয়ে গেছে?

    হাঁ। সামটা রেঞ্জের সাহাব কাল এসেছিলেন। সাবধান করিয়ে গেছেন। ফরেস্টগার্ডরা ভি গণেশজী কে ঢুঁড়নে কে লিয়ে জঙ্গলে ঘুরছে।

    পাগল হল কেন হাতিটা?

    কেয়া মালুম! চোট ওট লাগা হোগা। অ্যায়সা হোতা কভি কভি।

    টুপুর সামান্য অবাক হল। হাতির গুলি খাওয়ার কথা কি জানে না বনকৰ্মীটি?

    পার্থ জিজ্ঞেস করল, তেমন ভয়ের কিছু নেই তো?

    গাড়ি নিয়ে জঙ্গলে বেশি যাবেন না। আর যদি যান তো সুমায়াকে সাথমে লিবেন।

    সুমায়া কে?

    থলকোবাদ রেস্টহাউসকা চৌকিদারকা বেটা। বহুত চালু লেড়কা। সুমায়া রহনেসে আপনাদের কুছু হবে না।

    যাক, একটা কাজের কাজ হল। পাৰ্থ নিশ্চিন্ত, ভাল একটা গাইডও পাওয়া গেল।

    জিপ চলতে শুরু করার পরও কিছুক্ষণ মধুবাবা আর সুমায়াকে নিয়ে আলোচনা হল। জঙ্গলের মধ্যে কখন ঢোকা হবে, ঢুকলেও রাত্তিরে একদম নয়, এসব নিয়েও কথা হল খানিক।

    থলকোবাদ যাওয়ার রাস্তাটা বেশ জটিল। কখনও জঙ্গল অসম্ভব। ঘন, লতাপাতা গাছগাছালিতে অন্ধকার হয়ে থাকে। কোথাও আবার একেবারেই খোলামেলা, মাঠ-মাঠ। পথে ছোট-ছোট গ্রামও পড়ল এক-আধটা। কখনও রাস্তা দুর্গম হচ্ছে। খাড়া চড়াই ভেঙে অনেকটা উঠতে হচ্ছে জিপকে, গোঁ গোঁ করছে ইঞ্জিন। ঘন ঘন বাঁক। একপাশে জঙ্গল, একপাশে খাদ। নজরুলের মতো হাসিখুশি মানুষেরও চোয়াল শক্ত, এক মুহূর্তের জন্যও উইন্ডস্ক্রিন থেকে চোখ সরাচ্ছেন না। পলকের অসাবধানতা পাহাড়ি রাস্তায় বিপদ ডেকে আনে।

    কিছুদূর অন্তর অন্তর শুকনো পাতা আর কাঠকুটোর ডাঁই। সযত্নে জড়ো করা। টুপুর অবনীকে জিজ্ঞেস করল, কারা এভাবে রেখে গেছে বাবা? ফরেস্ট ডিপার্টমেন্টের লোক?

    না রে অবনী বললেন, রেখেছে গায়ের লোকজন। এই ফাল্গুন-চৈত্রই তো ওদের কাঠকুটো কুড়ানোর সময়।

    কেন?

    পোড়াবে। ছাই ছড়িয়ে দেবে চাষের জমিতে। তারপর পাহাড়ের গায়ে ওইসব জমিতে ওরা চাষ শুরু করবে। একে বলে ঝুম চাষ।

    পাতাটাতা পোড়ানোর আরও একটা কারণ আছে অবনীদা। পার্থ বিজ্ঞ মতামত দিল, শুকনো পাতা সাফ না করলে মাটিতে রোদ জল পৌঁছবে কী করে?

    টুপুর মনে মনে ঠিক করল, এই কথাগুলো আজই ডায়েরিতে লিখে নিতে হবে।

    থলকোবাদ পৌঁছতে বারোটা বাজল। গোটা পথ সবাই সতৃষ্ণ নয়নে বাইরে তাকিয়ে ছিল, যদি কোনও জন্তুজানোয়ার দেখা যায়। কোথায় কী! একটা জন্তুকে শেয়াল মনে হল, কাছে গিয়ে বোঝা গেল সেটি একটি নিরীহ কুকুর।

    থলকোবাদের বিট অফিসার বেশ প্রবীণ মানুষ। গোলগাল হৃষ্টপুষ্ট চেহারা, মাথায় ছড়ানো টাকা নাম দীননাথ সহায়। দীননাথ কথা বলেন ধীরেসুস্থে, নড়াচড়াও করেন অলস মেজাজে। টুপুররা যখন পৌছল, তিনি তখন নিজস্ব কোয়ার্টারের দাওয়ায় বসে আরাম করে গায়ে সরষের তেল মাখছিলেন। নামেই কোয়ার্টার, আদতে মাটির বাড়িা উঠোনে মুরগি চরে বেড়াচ্ছে, সপরিবারে।

    বিট অফিসের ইয়া জাবদা খাতায় নামধাম লিখতে হচ্ছে পার্থকে। বাকিরা পায়ে পায়ে বনবিশ্রামাগারের দিকে এগোল। রেস্টহাউসটা বেশ খানিক উঁচুতে, দীননাথের কোয়ার্টার থেকে শদুয়েক গজ দূরে।

    কাছাকাছি আসতেই এক হেঁড়ে গলার গান, আমার যাওয়ার সময় হল, দাও বিদায়…।

    টুপুর আর মিতিন মুখ চাওয়াচাওয়ি করল। রেস্টহাউসের কাঁটাতার ঘেরা কম্পাউন্ডে এসে আবিষ্কার করল গায়ককে। এক মধ্যবয়সি ভদ্রলোক। প্ৰকাণ্ড চেহারার মানুষটি গান গাইতে গাইতে জিপে মালপত্র তুলছেন। সঙ্গে আর একজন ভদ্রলোকও আছেন, তিনজন মহিলা।

    টুপুরদের দেখেই ভদ্রলোক বললেন, সুস্বাগতম, সুস্বাগতম।

    মিতিন বলল, আপনারা…?

    ভদ্রলোক মজার ভঙ্গিতে গেয়ে উঠলেন, তোমার হল শুরু, আমার হল সারা…।

    অবনী গানটান বেশি বোঝেন না। ভুরু কুঁচকে বললেন, মানে?

    আমাদের জঙ্গল দেখা শেষ। থলকোবাদ এবার আপনাদের জিন্মায়।

    মিতিন হাসতে হাসতে বলল, কেমন দেখলেন জঙ্গল?

    রসিক ভদ্রলোক এককথায় উত্তর দিলেন না। বললেন, ভাল বলব না মন্দ বলব ভেবে পাচ্ছি না। পাক্কা ছদিন রইলাম, নো টাইগার, নো ভালুক, নো হাতি, নট ইভ বুনো শুয়োর…। শুধু একপাল হনুমান এসে কাল রেস্টহাউসের মাথায় দাপাদাপি করেছিল। একদিনই মাত্র তিনটে শম্বর হরিণ দেখেছি। তাও ফর ফিউ সেকেন্ডস। আমাদের দেখে হরিণগুলো এমন লজ্জা পেল…।

    অর্থাৎ জঙ্গল-ভ্রমণ ফ্লপ?

    পুরোটা নয়। জঙ্গলের বিউটি দেখেছি। মারভেলাস। বলেই ভদ্রলোক ডাকলেন, ব্রতীন, ক রিল যেন ছবি তোলা হল?

    ডিগডিগে লম্বা ভদ্রলোকের চটপট জবাব, দু রিল শেষ। প্লাস থার্ড রিলের সাতটা।

    অর্থাৎ সেভেন্টিনাইন ফিল্‌মস। বুঝতেই পারছেন, ছ’ছটা দিন দেড়েমুশে এনজয় করেছি। গোটা থলকোবাদ এখন আমাদের ক্যামেরায় বন্দি। হা হা হা।

    টুপুর ফস করে জিজ্ঞেস করল, আপনারা পাগলা হাতিটাকেও দেখতে পাননি?

    গপ্পোটা এরা বাইরেও চাউর করে দিয়েছে? ভদ্রলোক অবনীর দিকে ফিরলেন, পুরো গাঁজাখুরি কেস মশাই। টুরিস্টদের প্রাণ খুলে বেড়ানোয় বাধা দেওয়ার চেষ্টা। ওই হাতি দেখিয়েই আমাদের পরশু থেকে আটকে রেখেছে। আরে মশাই, সুস্থ হাতিই নজরে এল না, তো পাগলা হাতি!

    অবনী বললেন, জঙ্গলে জন্তুদৰ্শন-ভাগ্য সবার সমান হয় না।

    এটা হক কথা। ভদ্রলোক মাথা দোলালেন, দেখুন, আপনাদের যদি চোখে পড়ে। খুঁজে পেলে পাগলা হাতিকে পাগলাগারদে দিয়ে আসবেন। কাছেই তো রাঁচি। নিজের রসিকতায় ভদ্রলোক নিজেই হাসছেন ফের, ওসব হাতিযাতি ছাড়ুন। এখানকার আসলি জিনিসটা অবশ্যই দেখে যাবেন।

    কী?

    করমপদার মধুবাবা। রিয়েল সেন্টলি পারসন। টাকাপয়সার লোভ নেই, হামবড়া ভাব নেই..

    সহেলি গদগদ গলায় বলেন, আপনারা বুঝি তাকে দেখে এসেছেন?

    দুবার। আসার দিন করমপদার বিট অফিসারের মুখে শুনে খুব কৌতূহল হয়েছিল। বিকেলেই গেছিলাম দেখতে। বিশ্বাস করবেন না, রীতিমতো তাক লেগে গেল। একটা লঙ্কাতে হাত ঘষে দিলেন, অমনই ঝাল লঙ্কা মিষ্টি বনে গেল! প্ৰণামী দিতে গেলাম, হা হা করে আটকে দিলেন। বললেন, টাকা ছুলেই নাকি ওঁর গায়ে ফোস্কা পড়ে। তার পরেও মনটা খুঁতখুঁত করছিল। মনে হচ্ছিল, ভেলকিবাজি দেখিয়ে বোকা বানাচ্ছেন না তো? পরদিনই সকালে আবার গেলাম। আমাকে দেখেই বলে উঠলেন, কী রে, আমায় বিশ্বাস না করে কষ্ট পাচ্ছিস তো? আয়, তোর সব দ্বিধা দূর করে দিই! বলেই আমার হাতে হাত বুলিয়ে দিলেন। কী কাণ্ড, আমার হাত পর্যন্ত মিষ্টি হয়ে গেল! এমন যোগসিদ্ধ সাধু অনেক কপাল করলে দেখা যায় মশাই।

    বলছেন?

    আলবাত। পারলে একবার দেখা করে আসবেন। সারান্ডা বেড়ানো সত্যিই সার্থক হবে।

    ভদ্রলোকের সঙ্গীরা ডাকাডাকি শুরু করেছেন। ভদ্রলোক হাত নেড়ে বিদায় নিলেন।

    সহেলি কড়া গলায় বললেন, কী, এবার বিশ্বাস হল তো?

    টুপুর ধন্দে পড়ে গেল। সত্যিই কি মানুষের ঐশ্বরিক ক্ষমতা থাকে?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমিতিনমাসি সমগ্র ২ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    Next Article বিষ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    Related Articles

    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    গল্প সমগ্র – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    অন্য বসন্ত – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    কাছের মানুষ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    হেমন্তের পাখি – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    অলীক সুখ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    আলোছায়া – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }