Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মিতিনমাসি সমগ্র ১ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    সুচিত্রা ভট্টাচার্য এক পাতা গল্প667 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৭. বাড়িটা ইউ শেপের

    বাড়িটা ইউ শেপের। দুপাশের দুই বাহুতে তিনখানা তিনখানা করে মোট ছখানা ঘর। ইউ-এর তৃতীয় বাহুটি বনবিশ্রামাগারের ডাইনিং হল। খাবার টেবলটি রীতিমতো প্রকাণ্ড, সেখানে স্বচ্ছন্দে জনা কুড়ি লোক আহারে বসতে পারে।

    ডাইনিং হলের পিছনে কিচেন। বড় বড় দুখানা উনুন আছে রান্নাঘরে। জ্বালানি হিসেবে শুধু কাঠই ব্যবহার হয়। সরু মোটা বেঁটে লম্বা নানান মাপের শুকনো ডালপালা রান্নাঘরে মজুত।

    রান্নাবান্না করে বনবিশ্রামাগারের চৌকিদার। সারগিয়া। ষাটের কাছাকাছি বয়স। কপালে বলিরেখা এসে গেলেও তার শরীরটি বেশ শক্তপোক্ত। কোনও কাজেই সে না বলে না, সর্বক্ষণই তার মুখে হাসি লেগে আছে।

    অল্প সময়ের মধ্যেই টুপুরের সঙ্গে আলাপ জমে গেছে সারগিয়ার। বাংলা বুঝতে পারে সারগিয়া, ভাঙা ভাঙা বলতেও পারে। এই বাংলোয় সে প্রায় চল্লিশ বছর চাকরি করছে। এখানে যারা বেড়াতে আসে তাদের বেশিরভাগই বাঙালি, ভ্রমণার্থীদের সঙ্গে কথা বলেবলেই সারগিয়া মোটামুটি ভাষাটা রপ্ত করে নিয়েছে।

    দুপুরে আজ খাওয়ার আয়োজন অতি সংক্ষিপ্ত। খিচুড়ি, ডিমভাজা, আলুভাজা আর ঘি। সারগিয়া চালে-ডালে খিচুড়ি বসিয়ে দিল, তারপর বাঁক কাঁধে চলল টুপুরদের স্নানের জল। আনতে।

    টুপুর আর বুমবুম সারগিয়ার সঙ্গে সঙ্গে যাচ্ছিল। খেটো ধুতি পরা সারগিয়ার গা খালি, বুকে পিঠে অজস্র কাটাছেড়ার দাগ।

    টুপুর প্রশ্ন করল, তোমার গায়ে ওগুলো কীসের দাগ, সারগিয়াদাদা?

    ভালুক আঁচড়ে দিয়েছে। সারগিয়ার নিরুত্তাপ উত্তর, অনেক সাল আগে। আমার উমর তখন তেইশ-চব্বিশ হবে। জঙ্গলে কাঠ আনতে গিয়েছিলাম, অচানক মহুয়া গাছের পেছন থেকে ভালুকটা এসে গায়ে লাফিয়ে পড়ল। তখন আমার শরীরে তাকত অনেক বেশি ছিল, খুব লড়াই হল ভালুকের সঙ্গে। ভালুক ভি ছাড়বে না, হামি ভি নেই ছোড়ুঙ্গা…. আধা ঘণ্টা পর ভালুক পালিয়ে গেল। তখন আমার গা দিয়ে খুন ঝরছে। চাইবাসায় নিয়ে যেতে হয়েছিল আমাকে, এক মাস হাসপাতালে ছিলাম।

    তার মানে তুমি শেষ পর্যন্ত জিতেছিলে সেদিন?

    জঙ্গলে জিত হার নেই দিদি। সেদিন ভালুকটা মাতাল ছিল, বহুত মহুয়া খেয়েছিল ব্যাটা। নেশায় না থাকলে ওই ভালুক তো সেদিন আমায় চিরে খতম করে দিত।

    বুমবুম অবিশ্বাসের স্বরে বলল, যাহ্, ভালুক আবার নেশা করে নাকি?

    করে বইকী খোকাবাবু! ভালুক আদমি সে ভি জাদা নেশা করে।

    খোকাবাবু বলে ডাকলে বুমবুম ভীষণ বিরক্ত হয়। পলকে তার মুখ হাঁড়ি। আর কথা বলছে না, গোঁজ হয়ে হাঁটছে। একটা লাঠি কুড়িয়ে নিল মাটি থেকে, সপাং সপাং লাঠি চালাচ্ছে হাওয়ায়।

    ঢাল বেয়ে নামতেই রাস্তার ধারে এক ক্ষীণ জলধারা। রাস্তা থেকে খানিকটা নিচুতে পাথরের ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে প্রায় নিঃশব্দে। জলটার রং কালচে।

    বেড়ালের মতো ক্ষিপ্ৰ পায়ে জলধারার কাছে নেমে গেল সারগিয়া। টিনে জল ভরছে।

    বিট অফিসারের ঘরের দিক থেকে হঠাৎ একটা ছেলেকে আসতে দেখা গেল। টুপুরের থেকে কিছুটা বড়ই হবে। কালকুলো হাট্টাকাট্টা চেহারা, মাথায় ঝাঁকড়া ঝাঁকড়া চুল, প্যান্ট শার্ট পরা, হাতে বাজারের থলি।

    টুপুরদের সামনে এসে দাঁড়িয়ে গেল ছেলেটা। দুর্বোধ্য ভাষায় সারগিয়াকে কী যেন বলছে। সারগিয়াও চেঁচিয়ে উত্তর দিল, আঙুল দেখাচ্ছে ওপরে। সঙ্গে সঙ্গে ছেলেটা দৌড়ল রেস্টহাউসের দিকে।

    সারগিয়া জল নিয়ে উঠে আসতেই টুপুর বলল, ও কে গো?

    আমার ছেলে। সুমায়া!

    ও। এই তা হলে সুমায়া? ও নাকি খুব জঙ্গল চেনে?

    হাঁ খোকি। বিলকুল আমার মতো হয়েছে। দিনরাত জঙ্গলে ঘুরছে।

    টুপুরকে খুকি বলাতে বুমবুম মহা খুশি। তিড়িং বিড়িং লাফাচ্ছে, ছোট ছোট পাথর কুড়িয়ে ছুড়ছে জলে।

    টুপুর জিজ্ঞেস করল, তোমার বুঝি ওই একটাই ছেলে?

    আমার তিন লেড়কা, তিন লেড়কি। বাঁক ঝাধে দুলে দুলে হাঁটছে সারগিয়া। হাঁটতে হাঁটতেই নিজের কথা শোনাচ্ছে, আমার বড় মেয়ের শাদি হয়েছে নোয়ামুন্ডিতে। মেজোর করঞ্জিয়ায়। আর ছোট বেটির কিরিবুরু। বড়া দুই লেড়কা ভি কিরিবুরুতে আছে। মাইনে কাজ করে। ওরা পড়ালিখা ভি জানে। স্কুল পাশ করেছে। স্রেফ এই সুমায়াই পড়াই করল না। জামদার বোর্ডিং-এ রেখে এলাম, পালিয়ে এল। জঙ্গল ছেড়ে ও এক দিন থাকতে পারে না।

    টুপুর বলল, খুব খ্যাপা আছে তো!

    জংলি আছে। সারগিয়ার স্বরে হালকা বিরক্তি, থাক, জঙ্গলেই থাকুক। দো সাল বাদ আমার রিটারমিন, তখন ও আমাদের বুড়াবুড়ির দেখভাল করবে। রেঞ্জারসাব বলেছেন, থলকোবাদের চৌকিদারের পোস্টের জন্য সুমায়াকে রেকমিন্ড করবেন।

    ভালই তো। সাহেবের রেকমেন্ডেশনে চাকরিটা হয়ে গেলে সুমায়ার পাকাপাকি হিল্লে হয়ে যাবে।

    তা হবে। তবে তার আগে আমি ওর ডানা ছেঁটে দেব দিদি। শাদি দিয়ে দেব সুমায়ার। ইস সালই। লেড়কি ভি দেখা আছে।

    টুপুর হেসে গড়িয়ে পড়ল, ওইটুকু ছেলের বিয়ে দেবে কী?

    ছোট কোথায়? পন্দরা বরস পুরে গেছে। আমার তো শাদি হয়েছিল তেরো বছর বয়সে।

    কথায় কথায় রেস্টহাউসে পৌঁছে গেছে টুপুররা। বাথরুমে জল দিয়ে রান্নাঘরে চলে গেল সারগিয়া, টুপুর আর বুমবুম এসে দাঁড়াল রেস্টহাউসের চাতালটায়। সেখানে এখন সুমায়াকে ঘিরে ছোট্ট জটলা।

    পার্থ জেরা করছে সুমায়াকে, তুমি তা হলে বলছ জন্তুজানোয়ার দেখা যাবে?

    সুমায়া বলল, হাঁ সাব।

    আগে যারা ছিল তারা যে বলে গেল কিছু চোখে পড়েনি?

    ওঁরা তো ঘর ছেড়ে বেরোতেনই না সাব। সারাদিন বসে বসে তাস খেলতেন। স্রেফ দুপুরবেলায় এক দো ঘণ্টার জন্য ঘুমাতেন, ব্যস। বেশি দূর ভি যেতেন না। জাদা সে জাদা সাত আট কিলোমিটার। ইতনা নজদিক কোন জানোয়ার মিলবে? বহুত ডরপুক থে উয়োলোগ। পাগলা হাতির খবর শুনে তো রুমসে নিকালনা বিলকুল বন্ধ কর দিয়ে থে।

    টুপুর তো হাঁ। ভদ্রলোক তো ডাহা মিথ্যেবাদী। উহুঁ, মিথ্যেবাদী নয়, চালবাজ। এমন ভান করলেন, যেন গোটা জঙ্গলটা চরকি মেরে বেড়িয়েছেন। শুধু কথাবার্তা শুনেই কোনও লোক সম্পর্কে ধারণা করা যে কী কঠিন।

    পার্থ বলল, তার মানে তুমি বলছ জন্তু দেখতে গেলে আমাদের ভোরে বা সন্ধেবেলায় বেরোতে হবে?

    হাঁ সাব। এমনি টাইমে হরিণ ছাড়া কিছু মিলবে না। আলো যখন কম থাকে, তখনই জানোয়ার জাদা দেখা যায়। রাতে বেরোতে পারলে তো সবচেয়ে ভাল।

    সহেলি আঁতকে উঠলেন, না, না, রাত্তিরে বেরোতে হবে না। সাপখোপ আছে, কোন দিক থেকে বাঘ ভালুক গায়ে লাফিয়ে পড়বে ঠিক নেই…

    টুপুর বলল, আমরা তো জিপে থাকব মা।

    ওই পাগলা হাতিটা এসে গেলে? সে তো জিপ নিয়ে ফুটবল খেলবে!

    সুমায়া তাড়াতাড়ি বলে উঠল, হাতি যেদিকে আছে, রাতে সেদিকে যাব কেন মাজি?

    তুমি বুঝি জেনে বসে আছ ওই হাতি কোথায় থাকবে?

    আমি বুঝতে পারি মা-জি। জানোয়ার যেমন আদমির গন্ধ পায়, আমিও তেমনই জানোয়ারের গন্ধ পাই।

    বলো কী হে! পার্থর চোখ বড় বড়, তুমি কি টারজান? একমাত্র টারজানই তো বাঘ, সিংহ, হাতি, গন্ডারের গন্ধ পেত জানতাম।

    সুমায়া কথাটা ঠিক বুঝতে পারল না। জোরে জোরে মাথা নেড়ে বলল, নেই সাব, সচ্‌ বাত। আমি বুঝতে পারি। আমিই তো পাগলা হাতিকে প্রথম দেখেছি।

    আচ্ছা? অবনী সন্দিগ্ধ চোখে তাকালেন। কোথায় দেখলে?

    তিরিলপোসির বাংলো থেকে আরও দো কিলোমিটার আগে। ওখান দিয়ে সালাই যাওয়ার একটা রাস্তা আছে, ওই রাস্তায় দাঁড়িয়ে জোরে জোরে ডাকছিল। খুন বেরোচ্ছিল হাতির শুড় দিয়ে। বুড়া হাতি, ভাল করে চলতে ভি পারছিল না।

    তারপর?

    আমিই তে গিয়ে রেঞ্জারসাবকে খবর দিলাম।

    তুমি বুঝলে কী করে পাগল হয়ে গেছে?

    পাগল না হলে হাতি কক্ষনও দল ছাড়ে না। দল যখন ওকে ছেড়ে দিয়েছে, তার মানেই ও দল থেকে বাতিল। পাগলা হাতি। আর বুড়া হাতি, ইয়ে দোনোকো দলমে জাগাহ্ নেহি। ও এখন একা একাই ঘুরবে, আর চারদিকে ক্ষতি করে বেড়াবে। গাঁয়ে ঢুকে আদমিকে পিষে দেবে।

    তেমন কিছু করেছে নাকি?

    আভি তক তো করেনি। যাতে কিছু না করতে পারে এইজন্যই তো আমি রেঞ্জ অফিসে খবর করে দিলাম। ওরা এখন টিম পাঠাবে, হাতিটাকে পাকড়াও করবে।

    পাগলা হাতিকে ধরে কী করা হবে?

    হাতির তো গোলি লেগে গেছে সাব। গোলি বার করতে হবে না?

    তুমি দেখেছ গুলি লেগেছে?

    হাঁ সাব। জখম দেখেই বোঝা যাচ্ছে।

    কত কাছ থেকে দেখেছ তুমি?

    দশ বারা হাত।

    অবনীর বিশ্বাস হল না। বললেন, অত কাছে গেলে, আর হাতি তোমায় কিছু বলল না?

    হাতির তখন বহুত দর্দ হচ্ছিল সাব। ব্যথায় ছটফট করছিল। আমাকে নজর করেনি। জখম একদম টাটকা, এক দো দিন কা অন্দর লেগেছে গোলি।

    মিতিন চুপচাপ সব শুনছিল এতক্ষণ। হঠাৎ প্রশ্ন জুড়ল, তুমি কবে দেখেছ হাতিটাকে?

    পরশু। পরশুই খবর করে দিলাম।

    কিন্তু গুলিটা করল কে?

    কৌন জানে! হোগা কোই শয়তান। এসেছে কোথাও থেকে। এ জঙ্গলে কত দিক থেকেই তো ঢোকা যায়। গুয়াসে, মনোহরপুরসে…ওড়িশাসে ভি আসতে পারে।

    সারগিয়া বেরিয়ে এসে হাঁক পাড়ছে, এই সুমায়া, দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে গপ করলেই হবে? বাবুদের পিনে কা পানি কে আনবে?

    আসর ভেঙে গেল। সুমায়া কাজ করতে ছুটেছে।

    টুপুররাও পায়ে পায়ে যে যার নিজের ঘরে।

    থলকোবাদের রেস্টহাউসটি তেমন দেখনবাহার নয় বটে, তবে ঘরগুলো মোটামুটি চলনসই। প্রতি ঘরেই দুখানা করে চৌকি পাতা! চৌকির ওপর বিছানাও বেশ পরিচ্ছন্ন। চেয়ার-টেবল, আলমারি, আয়নাও আছে ঘরে। লাগোয়া একখানা অ্যান্টিরুমও। বাথরুমও নেহাত ফ্যালনা নয়, বাথরুমের জানলা দিয়েও দিব্যি জঙ্গলের শোভা দেখা যায়।

    টুপুর স্নানটান সেরে মিতিন পার্থদের ঘরে এল। এ ঘরটা একেবারে প্রান্তে। জানলার বাইরেই জঙ্গল। দুপুরবেলাতেও জঙ্গলে বেশ অন্ধকার, চোখ পড়লে গা ছমছম করে ওঠে। কী নিঝুম! এই ঘরটাই টুপুরের বেশি পছন্দ ছিল, মিতিনমাসিও এ-ঘরেই তাদের থাকতে বলেছিল। কিন্তু সহেলি কিছুতেই রাজি হননি। রাতদুপুরে জানলায় যদি ভালুক এসে দাড়ায়!

    পাৰ্থ স্নানে গেছে। মিতিন চুল আঁচড়াচ্ছিল। টুপুরকে বলল, মশার ধূপগুলো মনে করে ঘরে নিয়ে যা। দুপুরবেলাতেই জ্বালিয়ে দেওয়া ভাল।

    খুব মশা আছে কি? কামড়াচ্ছে না তো।

    জানলার জাল দেখে বুঝতে পারছি না? মশারিগুলোই বা বিছানায় দিয়ে গেছে কেন? বিনা কারণে? জঙ্গলের মশা কিন্তু খুব ডেঞ্জারাস। বিশেষ করে সারান্ডার আর সিমলিপালের। মুকুলবাবু ট্রেনে সাবধান করে দিয়েছিলেন, মনে নেই?

    সত্যি ম্যালেরিয়া হয়?

    যে-সে ম্যালেরিয়া নয়। ফরেস্ট ম্যালেরিয়া। ফ্যালসিফেরাম জীবাণু থেকেই হয়। খুব খারাপ ধরনের অসুখ। বাহাত্তর ঘন্টার মধ্যে ব্রেন অ্যাটাক করে, ঘাড় স্টিফ হয়ে যায়, এবং তারপরে অক্কা। তোর মাকে আবার গল্প করিস না, শুনলে তোর মা আরও নার্ভাস হয়ে যাবে।

    সে আর বলতে। টুপুর মুচকি হাসল। চোখ চালিয়ে দেখছে ঘরখানাকে বলল, পোকামাকড়ও কম নেই!

    জঙ্গলে পোকামাকড় থাকবে না? মিতিন চুলে বিনুনি করতে করতে বলল, তোর সুমায়া ছেলেটাকে কেমন লাগল রে?

    সুমায়া নয়, বলো টারজান। ব্ল্যাক টারজান। টুপুর খিলখিল হেসে উঠল, জানো, এ বছরই ব্ল্যাক টারজানের বিয়ে হবে!

    মিতিন মোটেই অবাক হল না। বলল, তাই বুঝি?

    হ্যাঁ গো। বউও নাকি ফিট। ভাবো একবার, পনেরো বছরের একটা ছেলে বিয়ে করতে চলেছে!

    বাল্যবিবাহ তো সর্বত্রই চলছে এখনও। আমাদের ওয়েস্ট বেঙ্গলেও কত গ্রামে হয়। আর এরা তো উপজাতি, বাল্যবিবাহটাই তো এদের রেওয়াজ। তাও তো সুমায়া বয়সের তুলনায় অনেক সাব্যস্ত…

    সুমায়ারা কী উপজাতি?

    হ্যাঁ। সারান্ডা রেঞ্জে হো উপজাতিই বেশি। ইনফ্যাক্ট, সারান্ডা নামটাই হো উপজাতির ভাষা থেকে এসেছে। সারান্ডা মানে কী জানিস? সাতশো পাহাড়ের দেশ।

    এখানে সাতশো পাহাড় আছে?

    এডজ্যাক্ট নাম্বারটা নাও মিলতে পারে। ছশো নব্বইও হতে পারে, সাতশো দশও হতে পারে। মোটামুটি সাতশোর কাছাকাছি।…তবে পঞ্চাশ একশো বছর পরে পাহাড়ের সংখ্যা অনেক কমে যাবে।

    কেন?

    দেখলি না, কীভাবে পাহাড় কাটা হচ্ছে? বিশ-তিরিশ বছর পরে কিরিবুরু অদৃশ্য হয়ে যাবে। মেঘাতুবুরুও। তখন লোহার খোঁজে আবার একটা বুরু কাটা শুরু। যন্ত্রপাতিরও উন্নতি হচ্ছে দিন দিন, এর পর পাহাড় সাফ করতে সময় লাগবে আরও কম।

    ইস, পাহাড়গুলো প্লেন হয়ে গেলে কী বিশ্রী লাগবে, না মিতিনমাসি?

    কী করা যাবে! সভ্যতার অভিশাপ।

    টুপুরের মনটা একটু ভার হয়ে গিয়েছিল, হঠাৎ বুমবুমের চিৎকারে চমকে উঠল, টুপুরদিদি, জলদি আয়। অ্যানিম্যাল!

    বুমবুমের ডাকের উৎসটা বুঝতে কয়েক সেকেন্ড সময় লাগল মিতিন টুপুরের। তার পরেই দুজনে দৌড়েছে। প্রত্যেকটা ঘরের পিছনেই একটা করে দরজা আছে, টুপুর আগে লক্ষ করেনি। দরজার পরেই সিঁড়ি, ধাপগুলো সোজা নেমে গেছে জঙ্গলে। ওই দরজা দিয়েই কখন বেরিয়ে গেছে বুমবুম। সিঁড়ি দিয়ে নেমে দাঁড়িয়ে আছে এক শালগাছের নীচে।

    মিতিন ধমকে উঠল, কী করছ? ওখানে কেন গেছ? উঠে এসো।

    বুমবুমের গম্ভীর জবাব, আমি অ্যানিম্যাল দেখছি।

    কোথায় অ্যানিম্যাল?

    ওই তো। টাইগারের আন্টি।

    একজোড়া বেড়ালবাচ্চা খেলা করছে গাছের তলায়। মিতিন বকবে কী, ছেলের কথা শুনে হেসে খুন। হাসতে হাসতে বলল, সত্যি সত্যি যখন আন্টির নেফিউ চলে আসবে, তখন টেরটি পাবে।

    আমায় বাঘ খাবেই না।

    কেন?

    তুমিই তো বলল, আমি পেকে ঝুনো নারকেল। বাঘ কি নারকেল খায়?

    এবার আর হাসল না মিতিন। ছেলেকে হিড়হিড় করে তুলে এনেছে ওপরে। ঘরে ঢুকিয়ে দরজায় ছিটকিনি তুলে দিল।

    পাৰ্থ স্নান সেরে পাজামা পাঞ্জাবি পরে নিয়েছে। মিতিনকে বলল, দ্যাখো, সাদা পোশাক চলবে তো?

    জঙ্গলে উজ্জ্বল রঙের জামাকাপড় পরতে পই পই করে নিষেধ করেছে মিতিন। সবুজ চলতে পারে। ঘিয়ে ঘিয়েও চলবে, কিন্তু লাল, হলুদ, মেরুন, কটকটে নীল একদম নয়। চড়া রং বুনো প্রাণীরা মোটেই পছন্দ করে না।

    মিতিন ভুরু কুঁচকে বলল, সাদাও না পরলেই পারতে। সাদা রংও চোখে লাগে। যাকগে, এটা মন্দের ভাল।

    পার্থ বলল, আমি কিন্তু এখন সিগারেটও কম খাচ্ছি।

    রেস্টহাউসের ঘরে বসে দুচারটে খেতে পারো। কিন্তু জঙ্গলে সিগারেটের প্যাকেট নিয়ে যাওয়া চলবে না। মনে রেখো, সিগারেটের আগুন আর ধোঁয়া, দুটোই জীবজন্তুদের কাছে অসহ্য।

    পার্থ হেসে বলল, ওফ টুপুর, তোর মাসির নাম প্রজ্ঞাপারমিতা না হয়ে জ্ঞানদাসুন্দরী হওয়া উচিত ছিল। সারাক্ষণ যা জ্ঞান দেয়!।

    প্রজ্ঞাপারমিতাও জ্ঞানের দেবী স্যার। হিন্দুদের নয়, বৌদ্ধদের। মিতিন কটাস করে পার্থকে চিমটি কাটল, চলো , এবার তো তোমার পেটপুজোর পালা।

    সারগিয়ার রান্নার হাত মন্দ নয়। ধনে জিরের গুঁড়ো ছড়িয়ে একটা অন্যরকম স্বাদ করেছে খিচুড়ির। সকলেরই পেট চুঁই চুঁই, থালায় পড়তে না পড়তেই খিচুড়ি সাবাড়। অবনী যে অবনী, তিনিও আজ এক হাতা চেয়ে নিলেন।

    রাতের মেনুও বলে দেওয়া হল সারগিয়াকে। রুটি, বেগুনভাজা, ডিমের ডালনা আর স্যালাড। শুধু বুমবুম রুটি খায় না, তার জন্যএকটু ভাত।

    নজরুলের জন্য ডাইনিং হলের পাশের একটা ঘর খুলে দিয়েছে সারগিয়া। নজরুলও খেলেন টুপুরদের সঙ্গে। জিজ্ঞেস করলেন, আপনারা কি এখন বেরোবেন?

    মিতিন বলল, কাছেপিঠে ঘুরব। আপনি রেস্ট নিন। বিকেল সন্ধেয় বেরোলে আপনাকে ডেকে নেব।

    অবনী আঁচাতে আঁচাতে ঘোষণা করলেন, আমি এখন একটা লম্বা ঘুম দেব। তোমরা জঙ্গলে যাও, জাহান্নমে যাও, কেউ আমাকে ডাকবে না।

    সহেলিও ক্লান্ত। ইয়া ইয়া হাই তুলছেন। বললেন, যাই বাবা, আমিও একটু গড়িয়ে নিই। সারগিয়া চা করলে আমায় ডেকে দিস।

    পার্থরও শোয়ার বাসনা ছিল। মিতিন টুপুর বেরোচ্ছে দেখে সেও সঙ্গী হয়েছে। আর বুমবুম তো এক পায়ে খাড়া, সুমায়ার কাঁধে উঠে পড়ল।

    খুব দূরে গেল না টুপুররা। বিট অফিসারের ঘরের সামনের রাস্তাটা চলে গেছে জঙ্গল অভিমুখে, সেই পথ ধরেই হাঁটছে। একটু এগোতেই চতুর্দিক সুনসান। অসম্ভব নিস্তব্ধ। হঠাৎ হঠাৎ হাওয়া উঠছে জঙ্গলে, চারদিকে তখন শব্দ বাজছে বুমবুম। বাতাস থেমে গেলেই আবার সেই নৈঃশব্দ। শাল-সেগুনের তলা যথারীতি সাদা হয়ে আছে ফুলে। মৃদু সুরভি ছড়িয়ে বনময়। তবে ওই গন্ধকেও যেন ছাপিয়ে যায় অরণ্যের ঘ্রাণ।

    একপাশে জঙ্গল উঁচু হয়ে গেছে ক্ৰমশ। প্রতি মুহূর্তে মনে হয় এই বুঝি কোনও হিংস্ৰ জন্তু ঝাপিয়ে পড়ল গায়ে।

    টুপুরের গা শিরশির করছিল। জঙ্গল ধরে খানিক হেঁটে ফিরল তারা। ডাইনে ঘুরে অন্য একটা পথ বেয়ে উঠছে ওপরে।

    বন দফতরের কম্পাউন্ডের মধ্যেই দু-তিনটে ভাঙাচোরা বাড়ি। পরিত্যক্ত।

    মিতিন সুমায়াকে জিজ্ঞেস করল, এ বাড়িগুলো কীসের গো?

    সুমায়া বলল, বহুত দিন পহেলে এগুলোই ছিল ফরেস্ট বাংলো। তখন আপনাদের ওই রেস্টহাউস ছিল না।

    আর পাশে কাটাতার ঘেরা সুন্দর মতো বাড়িটা?

    ওটা অফিসারদের ইনিসপেকশান বাংলো দিদি। ভি আই পি-রা এসে ওখানে থাকে।

    মিতিনদের রেস্টহাউস থেকেই দেখা যাচ্ছিল বাড়িটা। তফাত খুব বেশি নয়, বড়জোর তিরিশ-চল্লিশ গজ। সামনে একটা কাঠের গেট, মিতিন গেট ঠেলে ঢুকল ভেতরে। সামনে গিয়ে ভাল করে দেখল বাড়িটাকে। খাঁটি ব্রিটিশ প্যাটার্নের বাংলো। উঁচু সিলিং, চওড়া বারান্দা, সার সার ঘর। সবকটা ঘরই তালাবন্ধ।

    পার্থ টুপুররাও গেছে পিছন পিছন। পার্থ একটা দরজা ফাঁক করে দেখল ভেতরটা। বলল, ওয়াও! কী দারুণ অ্যারেঞ্জমেন্ট। ডানলো পিলোর বেড, সোফা, ড্রেসিংটেবিল, ফায়ার প্লেস, মাথার ওপর ফ্যান…

    টুপুর বলল, ফ্যান এল কোত্থেকে? এখানে তো কারেন্ট নেই?

    সুমায়া বলল, জেনারেটার আছে। সাবলোগ এলে চালানো হয়।

    কোন ভি আই পি আসে এখানে?

    ডি-এফ-ও আসেন, ডিএম আসেন, মিনিস্টারলোগ ভি আসেন।

    বাংলোর সামনে সুন্দর লন। মিতিন লনে চলে গিয়েছিল, চেঁচিয়ে ডাকছে, এই, শিগগিরই আয়।

    মিতিনের পাশে গিয়ে পাৰ্থ, টুপুর, বুমবুম তিনজনই হতচকিত। লন যেখানে শেষ, সেখান থেকে খাড়া নেমে গেছে জঙ্গল। সামনেই কী অপূর্ব দৃশ্য। অরণ্য যে এত সুন্দর হতে পারে, টুপুরের কল্পনাতেও ছিল না। নিবিড় অরণ্যে সবুজের কতরকম বাহার। গাঢ় সবুজ, ফিকে সবুজ, কালচে সবুজ…. তার মধ্যেই কোথাও লাল রং ছড়িয়ে আছে, কোথাও কমলা। দেখে মনে হয়, বনে যেন আগুন লেগেছে।

    বিস্ময়ে সকলে বাকরুদ্ধ।

    পার্থ অস্ফুটে বলল, ক্যামেরা লোড করা আছে, নিয়ে আসব?

    মিতিন বলল, দরকার নেই। এমন ছবি চোখের ফিলমেই ধরা থাক।

    মিনিটখানেক পর হঠাৎই সুমায়ার উত্তেজিত স্বর, শুনছেন দিদি? শুনতে পাচ্ছেন?

    মিতিন চমকে তাকাল, কী?

    ভাল করে শুনুন, হাতিটা ডাকছে।

    কই? কোথায়?

    হুউউই যে। জঙ্গলের উত্তর-পশ্চিম কোনায় আঙুল দেখাল সুমায়া, পাগলা হাতি আরও নজদিক চলে এসেছে দিদি। তিরিলপোসিসে ভি ইধার। কোরাঙ্গার আশপাশ।… ও কি থলকোবাদের দিকেই আসছে?

    বুমবুম খামচে ধরল মিতিনকে, মা, চলো বাড়ি যাই।

    টুপুর কানখাড়া করে হাতির ডাক শোনার চেষ্টা করছিল। কই, বৃংহণ তো শোনা যায় না!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমিতিনমাসি সমগ্র ২ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    Next Article বিষ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    Related Articles

    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    গল্প সমগ্র – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    অন্য বসন্ত – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    কাছের মানুষ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    হেমন্তের পাখি – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    অলীক সুখ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    আলোছায়া – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }