Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মিতিনমাসি সমগ্র ১ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    সুচিত্রা ভট্টাচার্য এক পাতা গল্প667 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৮. কালিঝরনা যাওয়ার রাস্তাটা

    কালিঝরনা যাওয়ার রাস্তাটা কিন্তু ফার্স্ট ক্লাস ছিল, তাই না?

    রাস্তাটাই যা এনজয়েবল। ঝরনাটি অতি থার্ড ক্লাস। পাহাড়ের গা বেয়ে ছ্যার ছ্যার করে জল পড়ছে কি পড়ছে না, তলায় একটা কুচ্ছিৎ কালো মিনি ডোবা, ওটাকে কেউ ঝরনা বলে?

    আহা রে, চৈত্রমাসের ঝরনায় আর কত জল থাকবে? হত এটা বর্ষাকাল, দেখতেন ওই ঝরনা দেখেই চোখ ফেরাতে পারছেন না।

    অবনী তবু তর্ক করে যাচ্ছেন, তা হলে তোমার কালিঝরনা দেখতে বর্ষাকালেই এলে হত। কষ্ট করে আজ ভোরবেলা বিছানা থেকে টেনে তোলার কী দরকার ছিল?

    মিতিন হাসতে হাসতে বলল, ভোরের জঙ্গলটাও তো দেখতে পেলেন। এটাও তো লাভ। তার ওপর ধরুন, সুমায়া দুটো বুনো শুয়োর দেখিয়ে দিয়েছে, পাঁচখানা চিতল হরিণ। ওগুলোও তো নিশ্চয়ই আপনার লাভের খাতাতেই যাবে। মনে করুন না, ঝরনাটা ফাউ।

    পাৰ্থ ফুট কাটল, ইচ্ছে থাকলেও বর্ষাকালে আপনি আসবেন কী করে অবনীদা? জঙ্গল তো বর্ষাকালে বন্ধ থাকে। জুন থেকে অক্টোবর।

    কেন? সহেলি প্রশ্ন জুড়লেন, বৰ্ষায় কি জীবজন্তুদের ভেকেশান চলে? তোমাদের অবনীদার কলেজের মতো?

    অনেকটা তাই। পাহাড়ের সরু সরু নদীগুলোতে তখন বন্যা হয়। জঙ্গল ভেসে যায়, গাছটাছ পড়ে রাস্তা বন্ধ, বাঘ ভালুক তখন মানুষদের শো দেবে কী করে? পার্থ ভুরু নাচাল, সাপ আর জোঁকদেরও তখন মহা আহ্লাদ। তারা মনের সুখে বনে খেলা করে।

    নজরুল আর চুপ থাকতে পারলেন না। গাড়ি চালাতে চালাতে বলে উঠলেন, আমি একবার বর্ষাকালে সারান্ডা এসেছিলাম। দিল্লির এক বড় অফিসার চাইবাসা থেকে স্পেশাল পারমিশান করিয়েছিলেন, তাঁকে নিয়ে জঙ্গলে ঢুকে সে কী দুর্ভোগ। আগের দিন যে রাস্তা দিয়ে গেছি, পরের দিন দেখি সে রাস্তা আর নেই। রাস্তার চেসিস একেবারে ভেঙে চুরমার। রাত্তিরে মাত্র দুতিন ঘণ্টা বৃষ্টি, ব্যস অমনই নদী স্টিয়ারিং ঘুরিয়ে চাকা উঠিয়ে দিয়েছে রাস্তায়। ওই মরা ঝরনাও সেবার দেখেছিলাম। একদম টপ গিয়ারে চলছিল।

    শুনলেন তো অবনীদা?

    আমি শুনে কী করব? আমি তো কোনও সিজনেই জঙ্গলে আসতে চাই না ভাই। সে কী বা গ্ৰীষ্ম, কী বা শীত, কী বা বর্ষা। জঙ্গল দেখার জন্য কষ্ট করে জঙ্গলে আসার দরকার কী তাই তো বুঝি না। বই পড়েই তো সব জেনে ফেলা যায়। এই তো, আমাজনের বইটা পড়ে আমি আমাজনের জঙ্গল সম্বন্ধে সব জেনে গেলাম।

    পার্থ জোরে হেসে উঠল, এটা বেড়ে বলেছেন। বই পড়ে জঙ্গলভ্রমণ! বিছানায় শুয়ে শুয়ে মানস ভ্রমণ!

    হালকা গল্প, গম্ভীর মতামত, আর লঘু বাদানুবাদ করতে করতে চলেছে সকলে। ভোরবেলা কালিঝরনা দর্শন শেষ, এখন বিকেলে। লিগিরদার পালা।

    থলকোবাদ থেকে লিগিরদা মাত্র আট কিলোমিটার। কিন্তু পথ বেজায় দুর্গম। গাড়িই চলছে আট কিলোমিটার স্পিডে। চড়াই উতরাই তেমন নেই বটে, কিন্তু জঙ্গল ভয়ঙ্কর ঘন। কোথাও রাস্তা বেজায় সরু। প্রায় শুড়িপথের মতো। গাছের নুয়ে পড়া ডালে আর লতাপাতায় ঘষা খেতে খেতে এগোচ্ছে জিপ।

    টুপুর কথা বলছিল না। কথা শুনছিল না। সে যেন খানিকটা আনমনা। ভাবছে পাগলা হাতিটার কথা। সত্যি সত্যিই কি হাতিটা আসছে এদিক পানে? এক্ষুনি যদি জঙ্গল ভেঙে সামনে আবির্ভূত হয়, কী ঘটতে পারে? জিপটাকে উলটে দেবে? পিষে মেরে ফেলবে টুপুরদের? সুমায়া অবশ্য বলছিল হাতিটা নাকি ভাল করে হাঁটতে পারছে না। আহা রে, বেচারা গুলি খেয়ে না জানি কত যন্ত্রণা পেয়েছে! ব্যথায় একেবারে পাগলই হয়ে গেল?

    মিতিনমাসিরও সাহসের বলিহারি যাই। হাতিটাকে কেয়ারই করছে না। নেহাত কাল মা প্রবল আপত্তি করল বলে নৈশ সফরে বেরনো হল না, কিন্তু সকাল থেকে মিতিনমাসিকে রোখে কে! নিজে তো বেরোলই, সবাইকে টেনে টেনে বার করেছে। জঙ্গল দেখতে এসে একটা হাতির ভয়ে দরজায় খিল এঁটে বসে থাকব? আমরা তো হাতিটার কোন ক্ষতি করিনি, হাতি কেন আমাদের ক্ষতি করবে?

    হাতিটাও কি মিতিনমাসির মতো করে ভাববে? না কি ও এখন বিশ্বসংসারের ওপরই খেপে আছে? যারা গুলি করেছে, তাদের কি খুঁজে খুঁজে বের করে শিক্ষা দিতে পারে না হাতিটা?

    সুমায়া বসেছে একদম পিছনের সিটটায়। এতক্ষণ সে জঙ্গলই দেখছিল। হঠাৎ বলে উঠল, কাল আপনারা কোথায় যাচ্ছেন?

    সহেলি কালবিলম্ব না করে বলে উঠলেন, কালকের প্রোগ্রাম তো ঠিক করাই আছে। দুপুরে খেয়ে উঠেই করমপদার মধুবাব।

    আর সকালে?

    সকালে দুপুরের জন্য তৈরি হব।

    মিতিন বলল, তোমরা যদি না যাও, না যাবে। আমি কিন্তু কাল সকালে সুমায়ার সঙ্গে কুমডি ঘুরে আসব।

    তোর বেশি বাড়াবাড়ি। কী আছে কুমডিতে?

    একখানা বাংলো আছে।

    বাংলোতে তো তুই এখনও আছিস, মিছিমিছি বিশ-পঁচিশ মাইল ঠেঙিয়ে আর একটা বাংলোয় যাওয়ার দরকার কী?

    আহা, ওই পথের জঙ্গলটা দেখব না?

    অনেক তো জঙ্গল দেখা হল, আর কেন?

    বা রে, জঙ্গলের বিউটি এক এক জায়গায় এক একরকম না? দেখতে হবে না ঘুরে ঘুরে?

    বুঝেছি। তুই বেঘোরে মরবি।

    সহেলির কথা শেষ হতে না হতেই ঘচাং ব্রেক। গোটা গাড়ি থরথর কেঁপে উঠল, পরক্ষণে নিশ্চল।

    পাৰ্থ সামনের সিটে বসেছিল। চেঁচিয়ে উঠল, সৰ্বনাশ, এ কী বিপত্তি?

    বিপদ একটা ঘটেছে বটে। তবে পাগলা হাতি নয়, জিপের রাস্তা রোধ করে শুয়ে আছে এক ইয়া মোটা গাছের গুঁড়ি!

    নজরুলের মাথায় হাত, কী হবে এখন?

    সহেলি বললেন, চলুন, গাড়ি ঘুরিয়ে ফিরে যাই।

    নজরুল বললেন, সম্ভব নেই দিদি। এখানে রাস্তার যা হাল, গাড়ি ব্যাক করা যাবে না।

    তা হলে উপায়?

    সুমায়া লাফিয়ে নেমে পড়েছে গাড়ি থেকে। কোমরে হাত রেখে গুঁড়িটাকে জরিপ করল একটুক্ষণ। তারপর সুড়ৎ করে ঢুকে গেছে। বনে। মিনিট দু-তিনের মধ্যেই ফিরে এসে বলল, তরিকা একটা আছে। গুঁড়ির ওপরে বেশ কয়েকটা কাঠ ফেলে দিতে পারি।

    নজরুল বুঝে ফেলেছেন প্রস্তাবটা। বললেন, হ্যাঁ, গোল গুঁড়ির ওপরটা যদি কাঠ ফেলে স্ল্যান্ট করে ফেলা যায়, তা হলে গাড়ি টপকে যেতে পারে।

    কিন্তু ছোট কাঠ পাব কোথায়?

    আছে। ওদিকে আছে। আমি দেখে এসেছি।

    সুমায়াকে সাহায্য করতে পাৰ্থ, মিতিন নেমে পড়ল জিপ থেকে। টুপুরও। অনিচ্ছা সত্ত্বেও অবনীও। সবাই মিলে ধরাধরি করে বেশ কয়েকখানা শুকনো কাঠের টুকরো এনে রাখল গুঁড়ির ওপর। নজরুল সুমায়াকে নিয়ে সুন্দর ভাবে সাজিয়ে ফেললেন কাঠগুলো। দিব্যি একটা ঢেউখেলানো পথ তৈরি হয়ে গেল। ব্রিজের মতো।

    ফের গিয়ে স্টিয়ারিং-এ বসেছেন নজরুল। একবারের চেষ্টায় পেরোতে পারলেন না গুঁড়ি, গাড়ির চাকা উঠেও নেমে এল। দ্বিতীয়বারেও ফেল। তৃতীয় চেষ্টায় ঝপাং করে গুঁড়ি পার।

    বুমবুম দারুণ মজা পেয়েছে। হাততালি দিচ্ছে আনন্দে। সবাই মিলে আবার গাড়িতে উঠল। স্টার্ট দিয়েছে জিপ।

    নজরুল স্টিয়ারিং ঘোরাতে ঘোরাতে বললেন, অত বড় গুড়িটা রাস্তায় কী করে এল বলুন তো?

    পার্থ বলল, যেভাবে আসে। শেকড় উপড়ে পড়ে গেছে।

    কোথায় শেকড়? ডালপাতাও তো নেই! ওটা তো স্রেফ গাছের কাণ্ড!

    সুমায়া বলল, আমি পরশু লিগিরদা এসেছিলাম, তখন তো ওটা ছিল না!

    তার পর হয়তো কাটা হয়েছে। কন্ট্রাক্টর হয়তো ফেলে রেখে গেছে।

    মনে সামান্য সংশয় জাগলেও এ নিয়ে আর আলোচনা হল না বিশেষ। মিনিট পাঁচেকের মধ্যে এসে গেছে লিগিরদা।

    জায়গাটা রীতিমতো রোমাঞ্চকর। একদিকে ভয়াল জঙ্গল, অন্যদিকে গভীর খাদ। মাঝে খানিকটা অঞ্চল কেমন ফাঁকা ফাঁকা। সেখানে একখানা ভগ্নপ্রায় ওয়াচ টাওয়ার বিরাজমান। কোনওকালে বোধহয় টাওয়ারে উঠে জীবজন্তু দেখা হত। লোহার সিঁড়ি এখন মরচে ধরে ক্ষয়ে গেছে, পা রাখতে ভয় হয়।

    ওই সিঁড়ি বেয়েই বেড়ালপায়ে তরতরিয়ে উঠে গেল সুমায়া। ওপর থেকে ডাকছে, চলে আসুন। এখান থেকে বহু দূর তক দেখতে পাবেন।

    অবনী জিজ্ঞেস করলেন, স্পেশ্যাল কী আছে?

    সামটা নালা।

    অ্যাঃ! নালা? পাহাড়ে এসে নালানর্দমা দেখব?

    বড়িয়া নালা বাবু। ঝোরা কা মাফিক। জানোয়াররা পানি পিনে আসে। এই টাইমেই।

    মুখে যতই গাঁইগুঁই করুন, অবনীর দেখার শখ ষোলো আনা। দেখে সমালোচনা করবেন, এটাই তাঁর স্বভাব। দোনামোনা করে বললেন, পারব উঠতে? খাড়া সিঁড়ি, মাথা ঘুরে যাবে না?

    নীচে বিলকুল তাকাবেন না। আঁখ বন্ধ করে উঠুন।

    সহেলি আর বুমবুম ছাড়া একে একে সিঁড়ি চড়ল সবাই। সিঁড়িগুলো অনেকটা ফাঁক ফাঁক, বুমবুম পা পাবে না। তাকে পাহারা দেওয়ার নাম করে সহেলিও রয়ে গেলেন।

    ওয়াচ-টাওয়ারের মাথাটা খোলা। চাতাল মতন। সেখানে দাঁড়িয়ে সত্যিই একটা বিশাল রেঞ্জ দেখা যায় জঙ্গলের। মাথার ওপর আকাশ ঝকঝকে নীল। শেষ সূর্যের আলোয় বনের সবুজ রং ঝলমল করছে। তবে খাদের দিকে ধোঁয়া ধোঁয়া ভাব, ঝরনা বা নালাটা দেখা যাচ্ছে না স্পষ্ট।

    পার্থ ক্যামেরার শাটার টিপে যাচ্ছিল। বলল, আলো আরও না কমলে নালা ঝরনা কিছুই বোঝা যাবে না।

    অবনী বললেন, তখন বাঘ ভালুকের দর্শন মিললেও মিলতে পারে। ওরা তো শেষ বিকেলেই জল খেতে আসে।

    তো আর একটু দাড়ানো যাক।

    অপেক্ষা অবশ্য করা গেল না। সহেলি হঠাৎ নীচ থেকে আর্তনাদ করে উঠেছেন, অ্যাই মিতিন, অ্যাই পাৰ্থ, বুমবুম কোথায় পালিয়ে গেল!

    শুনেই তড়িৎ গতিতে নীচে নেমে গেল সুমায়া। পিছনে হুড়মুড়িয়ে বাকিরাও সবাই মিলে এদিক ওদিক ছোটাছুটি করছে। খুঁজছে। গলা ছেড়ে ডাকছে বুমবুমকে।

    প্রত্যুত্তর নেই। নিঝুম জঙ্গলে প্ৰতিধ্বনি হয়ে ফিরে আসছে ডাকগুলো। মিতিনের মুখ শুকনো ক্রমশ, সহেলি টুপুর কাঁদো কাঁদো।

    বেশ খানিকক্ষণ খোঁজাখুঁজির পর অবশেষে পাওয়া গেল বুমবুমকে। সুমায়াই দেখতে পেল। ওয়াচ-টাওয়ারের গজ পঞ্চাশেক দূরে একটা ছোট্ট পাথুরে টিলা, তার ভেতরে সার সার গুহা, বুমবুম একটা গুহায় ঘাপটি মেরে বসে আছে। পার্থ উত্তেজিত স্বরে বলল, তুই এখানে কী করছিস? এই অন্ধকারে?

    লুকিয়ে আছি। বুমবুমের রাগি জবাব, তোমরা আমায় ওপরে নিয়ে গেলে না কেন? আমি কেভ্‌ম্যান হয়ে যাব।

    সুমায়া বলল, তুমি আমার পিঠে চড়ো, আমি তোমায় আভি নিয়ে যাচ্ছি।

    মিতিন গোমড়া মুখে বলল, এক সেকেন্ড। এখানে এমন গুহা আছে আগে বলোনি তো?

    কী বলব দিদি? ইসমে তো কুছু নেই। ঠাণ্ডার সময়ে কভি কভি জানোয়াররা এসে এখানে থাকে।

    মিতিনের তবু ভুরুতে ভাঁজ। ঘুরে ঘুরে দেখছে গুহাগুলোকে। খুব বড় নয়, বেঁটে বেঁটে খুপরি। বেশিরভাগ খুপরি মাকড়সার জাল আর ধুলোময়লায় ভরা। তুলনায় বুমবুমের খুপরিটাই যা একটু পরিষ্কার।

    মিতিনের ভুরুর ভাঁজ গাঢ় হল, এই গুহাটায় লোকজন ছিল মনে হচ্ছে?

    টুপুর বলল, কী করে বুঝলে?

    দেখছিস না, একটা গুহাই শুধু পরিষ্কার! এটা কেউ ঝাঁটটাট দিয়ে সাফ করে নিয়েছে।

    হ্যাঁ, তাই তো! কে করল?

    সহেলি বললেন, এখানে আর দাঁড়াতে হবে না বাবা। গাড়িতে ওঠো। কোত্থেকে কোন ডাকাত এসে পড়বে…

    মিতিন যেন শুনেও শুনল না। খপ করে মাটি থেকে একটা আধপোড়া সিগারেটের টুকরো তুলেছে, ঠিকই ধরেছি। এখানে কেউ ছিল।

    পার্থ সিগারেটের টুকরোটা হাতে নিয়ে দেখল, এটা তো দেখছি ফাইভ ফিটি ফাইভ।

    অর্থাৎ বিদেশি সিগারেট। অবনী বললেন, মানে বেশ মালদার লোকই ছিল। ওয়াইল্ড অ্যানিম্যাল দেখার জন্য অনেকে জান লড়িয়ে দেয়। হয়তো সেরকমই কেউ..

    তাই কি? মিতিন নিচু হয়ে মাটিটা দেখছে ভাল করে। একটা মোমবাতির টুকরোও পেয়েছে। মাথা না তুলেই বলল, একজন নয় অবনীদা, দু-তিনজন ছিল। এবং রাত্তিরবেলা। অন্তত তিনরকম। জুতার ছাপ রয়েছে ধুলোয়।

    সহেলি ফের বললেন, ওরে, চলে আয়। এখানে আর থাকিস না।

    মিতিনের ভ্রূক্ষেপ নেই! এগিয়ে গেছে খানিকটা। ছোট্ট একটা গুহার সামনে দাঁড়াল। পাথর রেখে বন্ধ করা আছে গুহার মুখ।

    মিতিন সুমায়াকে বলল, একটু হাত লাগাও তো। সরাও পাথরটা।

    সুমায়ার সঙ্গে হাত লাগিয়েছে পার্থ। নজরুল আর অবনী সাহায্য করছেন তাদের। পাথর যথেষ্ট ভারী, সরাতে পরিশ্রম হল বেশ।

    পাথর সরে যেতেই ভক করে একটা গন্ধ ঝাপটা মেরেছে তাকে। ঝাঁঝালো গন্ধ। বিদেশি অ্যালকোহলের।

    মিতিন হাত বাড়িয়ে একটা ফাঁকা মদের বোতল বার করল ভেতর থেকে। একখানা বড় পলিথিনের বস্তাও দেখা যাচ্ছে। মাল ভর্তি।

    সুমায়া গুঁড়ি মেরে ঢুকে গেল গুহায়। বস্তায় হাত ছুঁইয়ে জিভে ঠেকাল হাত। অবাক স্বরে বলল, আরে দিদি, এ তো নিমককা বোরা!

    নুন! পাৰ্থর গলা দিয়ে বিস্ময় ঠিকরে এল, পাহাড়ি গুহায়। নুনের বস্তা?

    সহেলি বললেন, ডাকাতরা নুনের বস্তা নিয়ে ঘোরে, এ তো আমি জন্মে শুনিনি!

    আমি কিন্তু ব্যাপারটা আন্দাজ করতে পারছি। মিতিন মাথা নাড়ল, সুমায়া, ওয়াচ টাওয়ারের ওপাশে একটা সল্টলিক আছে। না?

    হাঁ। কিন্তু ওটা তো…

    দেখেছি। সল্টলিকটা এখন আর চালু নেই।

    টুপুর জিজ্ঞেস করল, সল্টলিক কী?

    অবনী বললেন, নুন চাটার গর্ত। মানুষের মতো জন্তু-জানোয়ারের শরীরেও নুনের প্রয়োজন আছে। আমরা রান্নায় নুন পাই, কিন্তু জন্তু-জানোয়ার খায় কাঁচা খাবার, নুন ছাড়া। আর তাই একটু নুনের জন্য তারা ছটফট করে বেড়ায়। সব জায়গাতেই বনদফতর জঙ্গলে গর্ত খুঁড়ে খুঁড়ে নুন ঢেলে আসে, যাতে হাতি বাঘ ভালুক হরিণরা নুনটা পেয়ে যায়। সত্যি বলতে কী, জঙ্গলে জন্তু-জানোয়ার দেখানোরও এটাই সবচেয়ে চালু পদ্ধতি।

    কিন্তু যেসব জঙ্গলে সল্টলিক বানানো যায় না?

    জন্তু-জানোয়ার সেখানে নুনের অন্য সোর্স খোঁজে। হয় মাটি চাটে, কিংবা কোনও পাহাড়ে যদি সামান্যতম নুনের সন্ধান পায় তো সেই পাথর চাটে।

    মিতিন বলল, কিন্তু এখানে ব্যাপারটা কোন দিকে এগোচ্ছে বুঝতে পারছেন অবনীদা? একদল লোক সুপরিকল্পিতভাবে একটা দাঁতাল হাতিকে মারার চেষ্টা করছে। একবার তাদের টিপ ফসকেছে, তারা আর টারগেট মিস করতে রাজি নয়। এবং সেইজন্যই এই নুনের বস্তার আয়োজন। শয়তানগুলো এও জানে, পাগলা হাতি এদিকেই আসছে, তাই পাথর চাপা দিয়ে রেখে গেছে বস্তাটা। আজকালের মধ্যেই বস্তার নুন সল্টলিকে ফেলে দেবে। হাতি গন্ধে গন্ধে সল্টলিকে আসবেই। তখন…

    সর্বনাশ! পার্থ উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ল, এক্ষুনি তো তা হলে ফরেস্ট ডিপার্টমেন্টে খবর পাঠাতে হয়!

    সন্ধে হতে আর বেশি দেরি নেই। আমরা থলকোবাদ পৌঁছে খবর পাঠাব, তারপর ওরা কখন আসবে…। মিতিন জোরে জোরে মাথা ঝাঁকাল, তার আগেই হাতি খুন হয়ে যেতে পারে।

    তা হলে উপায়?

    আপাতত আমরা নুনের বস্তাটা খাদে ফেলে দিতে পারি। ওরাও তা হলে আর হাতিটাকে প্রলুব্ধ করে এখানে আনতে পারবে না।

    কিন্তু হাতিটা তো ঘুরতে ঘুরতে এমনিই চলে আসতে পারে? তখনও তো খুন হতে পারে?

    পাগলা হাতিকে মারা অত সহজ নয়। আচ্ছা আচ্ছা শিকারিদেরও কাঁপ ছটকে যায়। তারা বলে, জখমি শেরের চেয়েও জখমি হাতি অনেক বেশি ভয়ানক। এমনিতেই হাতি অসম্ভব অ্যালার্ট প্রাণী। আর রোগ বনে গেলে সে আরও সতর্ক হয়ে যায়। এই হাতিটা গুলি খেয়েছিল চার-পাঁচদিন আগে। অর্থাৎ তার জখম এখন অনেকটা ভরে এসেছে। নুনের লোভ দেখিয়ে অন্যমনস্ক না করতে পারলে ওই হাতিকে নিখুঁত নিশানায় গুলি করা খুব কঠিন। কী সুমায়া, ঠিক বলেছি?

    সুমায়া ভ্যাবাচাকা খেয়ে গেছে। ঢক করে ঘাড় নেড়ে দিল, হাঁ দিদি।

    মিতিন বলল, অবশ্য সুমায়ার হিসেব যদি ঠিক হয়, তা হলে এখনই হাতি লিগিরদা পৌঁছচ্ছে না। তবু আমাদের চান্স নেওয়ার দরকার নেই। নুনের বস্তাটা বিদেয় করাই ভাল।

    কিন্তু শয়তানগুলো বস্তাটা গুহায় রেখে গেছে কেন? টুপুর বলল, নুনটা তো সল্টলিকেই ফেলে দিয়ে যেতে পারত?

    ওদেরও হিসেব আছে। বেশি আগে ঢাললে যদি অন্য জানোয়ার নুনটা চেটেপুটে সাফ করে দিয়ে যায়!

    টেনেটুনে বের করা হল বস্তাটা। কম নয়, কুড়ি কেজি নুন। স্বাস্থ্যবান নজরুল বস্তার একদিক ধরেছে, অন্যদিক সুমায়া। পাহাড়ের প্রান্তে নিয়ে গিয়ে ছুড়ে দিল খাদে।

    জিপে ওঠার আগে মিতিন বলল, আপনি ঠিকই ধরেছিলেন নজরুলভাই। গাছের গুঁড়িখানা ওই শয়তানগুলোই রাস্তায় ফেলে রেখেছে। যাতে লিগিরদা ওয়াচ টাওয়ারে হুটহাট লোকজন চলে আসতে না পারে। এখন ফেরার সময়ে আমাদের সেট করা কাঠের টুকরোগুলো আমরা সরিয়ে দিয়ে যাব।

    নজরুল বললেন, কিন্তু ওরা তো নুনের বস্তা নেই দেখেই বুঝে ফেলবে কেউ না কেউ এসেছিল?

    তা বুঝুক। একটু ধাঁধাতেও থাক। আমরাই শুধু ওদের কথা ভেবে মরব কেন, ওরাও একটু ভাবুক। বলেই মিতিন সুমায়ার দিকে ফিরেছে, শোনো, থলকোবাদে গিয়ে কিন্তু কাউকে গল্প করবে না। অন্তত আজকের রাতটা। নইলে হাতিটাকে বাঁচানো যাবে না।

    আবার ঢক করে মাথা নাড়ল সুমায়া, কেউ জানবে না দিদি। ঘরকা লোগ ভি না।

    সিটে হেলান দিয়ে বসল মিতিন। চোখ বুজে ফেলল।

    পার্থ গাড়ির দরজা বন্ধ করতে করতে টেরচা চোখে মিতিনকে বলল, যাক, এখানে এসেও তোমার একটা কেস তবে জুটে গেল?

    মিতিন মৃদু হাসল, দেখছি তো তাই। ভেবেছিলাম কদিন জঙ্গলে একটু নির্ঝঞ্ঝাটে কাটাব। কপালে যদি না সয় ঘি, ঠকঠকালে হবে কী?

    নজরুল ঘুরে ঘুরে দেখছেন মিতিনকে। আমতা আমতা স্বরে প্রশ্ন করে বসলেন, দিদি, আপনি কি..?

    চিনতে পারেননি এখনও? পাৰ্থ নজরুলের মুখের কথা কেড়ে নিল, উনি একটি মেয়ে-টিকটিকি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমিতিনমাসি সমগ্র ২ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    Next Article বিষ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    Related Articles

    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    গল্প সমগ্র – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    অন্য বসন্ত – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    কাছের মানুষ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    হেমন্তের পাখি – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    অলীক সুখ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    আলোছায়া – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }