Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মিতিনমাসি সমগ্র ১ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    সুচিত্রা ভট্টাচার্য এক পাতা গল্প667 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৯. মাঝরাতে ঘুম ভেঙে গেল

    মাঝরাতে ঘুম ভেঙে গেল টুপুরের। ভুটভুট শব্দ হচ্ছে একটানা। কয়েক সেকেন্ড উৎকর্ণ হয়ে টুপুর শুনল আওয়াজটা। কীসের আওয়াজ? সেই মোটরসাইকেলটা এল নাকি?

    সহেলি আর অবনী অকাতরে ঘুমিয়ে। কৌতূহল দমন করতে পারছে না টুপুর, মশারি সরিয়ে সন্তৰ্পণে নামল চৌকি থেকে। রাতের দিকে ভালই ঠাণ্ডা পড়ছে থলকোবাদে, গায়ে একখানা চাদর জড়িয়ে নিল টুপুর। দরজা খুলতে গিয়েও থামল একটু। ঘরে হ্যারিকেন জ্বলছে। কমানো আছে পলতেটা। হ্যারিকেনটা নিতে গিয়েও নিল না, দরজা খুলে বেরিয়ে এসেছে বারান্দায়।

    বেরিয়েই অবাক! অদূরে ইনস্পেকশন বাংলোয় আলো জ্বলছে! ইলেকট্রিক লাইট। তার মানে শব্দটা মোটরসাইকেলের নয়, জেনারেটরের। এত রাতে কোন ভি আই পি এল ওই বাংলোয়?

    .

    চাঁদ এখনও ডোবেনি। পরশু পূর্ণিমা পড়ছে, শুক্লপক্ষের মায়াবী জ্যোৎস্নায় ড়ুবে আছে চারদিক। রেস্টহাউসের লাগোয়া কাঁঠালগাছের গায়ে চিকচিক করছে চাঁদের আলো।

    অন্ধকার গাঢ় নয় বলেই বুঝি একটু সাহস পেল টুপুর। পায়ে পায়ে বারান্দার ধারে এল। ডিঙি মেরে দেখছে বাংলোর দিকটা।

    আচমকা ফিসফিস স্বর, অ্যাই, তুই বেরিয়েছিস কেন?

    ভীষণ চমকে উঠল টুপুর। পাঁচ-সাত হাত দূরে, মহুয়াগাছের নীচে একটা ছায়ামূর্তি!

    ছায়া গাছের তলা থেকে সরে আসতেই টুপুরের ধড়ে যেন প্ৰাণ এল। প্রায় চেঁচিয়ে উঠেছে, মিতিনমাসি, তুমি?

    মিতিন ঠোঁটে আঙুল রাখল, চুপ, চুপ।

    টুপুর চাপা স্বরে বলল, কারা এসেছে গো?

    মিতিনের গলা আরও নীচে, বুঝতে পারছি না। খানিকক্ষণ আগে একটা জিপ এল। ডেকে নিয়ে গেল সারগিয়াকে। তারপর থেকেই তো লাইট জ্বলছে…

    কে সারগিয়াকে ডেকে নিয়ে গেল?

    দেখতে পাইনি মুখটা। সারগিয়া তো ডাইনিং হলে ঘুমোয়, ওকে রান্নাঘরের দিক দিয়ে এসে ডাকছিল। যখন গেট দিয়ে বেরোচ্ছে, তখন শুধু পেছনটা দেখলাম।

    জঙ্গলের কোনও অফিসার?

    তা হলে পেছনে গিয়ে ডাকবে কেন? সোজাসুজিই তো হাঁক পাড়তে পারে।

    হয়তো ডেকেছে। হয়তো সারগিয়ার ঘুম ভাঙেনি।

    উহুঁ। জিপটা যখন ঢুকছিল, তখনই আমি জেগে গেছি। ডাকলে শুনতে পেতাম।

    তা হলে সারগিয়াকেই জিজ্ঞেস করে দ্যাখো না।

    সারগিয়া নেই। সেও এখন ওই বাংলোতেই। ফেরেনি।

    তাই?

    হুঁ। ভাবছি একবার গিয়ে দেখলে হয়।

    যাবে?

    দাঁড়া, গায়ের একটা শাল নিয়ে আসি।

    শুধু শাল নয়, মিতিন একখানা টর্চও এনেছে ঘর থেকে। তবে টর্চ জ্বালানোর দরকার হল না, চাঁদের আলোয় ছোট ছোট নুড়িপাথরও স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে।

    টুপুর চলেছে মিতিনের গা ঘেঁষে। মিতিন নিচু গলায় বলল, পায়ে রবারের চটি আছে তো?

    হুঁ।

    টোয়ে ভর রেখে হাঁট। শব্দ না হয়।

    হুঁ।

    পাশে পাশে থাক। ভয় পাস না।

    হুঁ।

    তিরিশ-পয়ত্রিশ গজ নুড়ি বিছানো পথ তুরতুরিয়ে পেরিয়ে গেল দুজনে। আস্তে করে গেট ঠেলে ঢুকল বাংলোর হাতায়। সামান্য ক্যাঁচ শব্দ হয়েছিল, ওইটুকু আওয়াজকেই যে কী প্রকট মনে হল! একটুক্ষণ স্থির দাঁড়িয়ে থেকে আবার নিঃশব্দ অভিযান।

    একটামাত্র ঘরে আলো জ্বলছে। দরজা বন্ধ। জানলার একটা পাট খোলা। পরদা টানা আছে জানলায়। ভেতরে দু-তিনজনের কণ্ঠস্বর।

    আশ্চর্য, লোকগুলো পরিষ্কার বাংলায় কথা বলছে।

    জানলার কোণে এসে দাঁড়িয়েছে মাসি বোনঝি। পরস্পর মুখ চাওয়াচাওয়ি করে নিল একবার।

    চাপা স্বরে কথাবার্তা চলছিল অন্দরে। হঠাৎ একটা চড়া গলা শোনা গেল, আমাকে দোষ দিচ্ছ কেন? ওড়িশা থেকে কি আমি হাতিদের ট্রেল করে এনেছি? দুশো-আড়াইশো কিলোমিটার রাস্তা এল হাতিগুলো, তোমরা কেউ ছুঁতেও পারলে না, এখন দায় আমার ঘাড়ে চাপাচ্ছ?

    চেল্লাচ্ছ কেন? গণ্ডগোল তো তুমিই পাকালে। নিজেই বড় মুখ করে বললে, এটা নাকি তোমার বাঁয়ে হাত কা খেল!

    সব নিশানা কি সবসময়ে ঠিকঠাক হয়?

    তা হলে দুম করে ফায়ার করলে কেন? নয় আরও এক দুদিন ওয়েট করতাম।

    অপেক্ষা করার সময় কোথায়? ওদিকে সিংহমশাইও অস্থির হয়ে উঠেছেন।

    তুমি একটি অপদার্থ। তোমার জন্যই টাকাটা হাতছাড়া হবে। এমন একটা ঢ্যাঁড়সকে লাথি মেরে গ্রুপ থেকে বের করে দেওয়া উচিত।

    মুখ সামলে, মুখ সামলে। আমি যদি ঢ্যাঁড়স হই, তুই কী? চিচিঙ্গের চামচে চামচিকে।

    চোপ। এবার তৃতীয় কণ্ঠ মুখর হল। স্বরটা রীতিমত জলদগম্ভীর, তোরা নিজেদের মধ্যে ঝগড়া করবি? না চুপচাপ শুনবি প্ল্যানটা?

    ও কেন এইভাবে কথা বলছে?

    বেশ করব বলব। হাজারবার বলব।

    ফের ঝগড়া? এবার কিন্তু তোদের দুজনকেই…

    ভারী গলা থেমে গেল। বাকি দুজনও চুপ।

    জানলার পাল্লা আর দরজার ফাঁকটুকু দিয়ে মিতিন দেখল সারগিয়া ঢুকেছে ঘরে। দুহাতে দুটো পকোড়া ভর্তি কাচের প্লেট। টেবিলে মদ আর সোডার বোতল, সেগুলোকে সরিয়ে পকোড়ার প্লেট রাখল টেবিলে। ওপাশের দরজা দিয়ে বেরিয়ে গেল। প্রায় সঙ্গে-সঙ্গে ফিরেছে। হাতে জলের জগ আর তিনখানা গ্লাস। জগ গ্লাস টেবিলে রেখে দাঁড়িয়ে রইল একটুক্ষণ।

    ভারী গলার লোকটা বলল, কেয়া মাংতা? ভাগ হিঁয়াসে।

    সারগিয়া বিনীতভাবে বলল, অউর কুছ চাহিয়ে সাব?

    নেহি। তু যাকে সো যা। হামলোগ অউর আধা ঘণ্টা ঠহেরেঙ্গে। হামলোগ যানে কে বাদ জেনারেটার অফ কর দেনা। ঠিক হ্যায়?

    সারগিয়া তবু দাঁড়িয়ে আছে।

    ভারী গলার লোকটা পার্স থেকে টাকা বার করে বাড়িয়ে দিল, লে। পাঁচশো রুপিয়া হ্যায়, চলেগা?

    জি সাব! হাঁ সাব।

    সারগিয়া বেরিয়ে যাচ্ছে, ভারী গলা পিছু ডাকল, সুন?

    জি সাব?

    উয়ো বাত ইয়াদ নেহি রাখনা। ভুল যা। হামলোগ বুরা আদমি নেহি হ্যায় রে। জরা মস্তি করেঙ্গে, ব্যস।

    এবার আর জি হাঁ কিছু বলল না সারগিয়া। চুপচাপ বেরিয়ে গেল ঘর ছেড়ে।

    মিতিন একজনেরও মুখ দেখতে পাচ্ছিল না। তিনজনে তিনটে বেতের চেয়ারে বসেছে, জানলার দিকে পিছন করে। দুজনের গায়ে চামড়ার জ্যাকেট, একজন ফুলস্লিভ সোয়েটার। সোয়েটার পরাটাই দলপতি, সে বসেছে মাঝখানে। বাকিরা দুপাশে।

    ডানদিকের লোকটা বোতল খুলে গ্লাসে গ্লাসে মদ ঢালছে। ওপেনার দিয়ে ফটাস ফটাস সোডা খুলল। মেশাচ্ছে মদে।

    দলপতি হাতে গ্লাস তুলে নিতেই অন্য দুজনও পানীয় নিয়েছে হাতে। গ্লাসে গ্লাস ঠেকিয়ে চিয়ার্স বলে উঠল।

    টুপুর মিতিনের কানে কানে বলল, এইমাত্র ঝগড়া হচ্ছিল না?

    মিতিন টুপুরের ঠোঁটে হাত চাপা দিল, চুপ।

    দলপতির ভারী গলা গমগম করল আবার, ভাল করে প্ল্যানটা শুনে নাও। এটাই লাস্ট চান্স। আর যেন কোনও ভুলচুক না হয়। আমাদের হাতে আর দুদিন মাত্র সময় আছে। পরশু রাতের মধ্যে কাজ হাসিল করতেই হবে।

    ডানদিকের লোকটা বলল, পারব। ও যদি না গুবলেট করে।

    কেউ কাউকে দোষ দেবে না। টাকা সমান পাচ্ছ, টিম হয়ে কাজ করো। লিগিরদা গিয়ে তিনজনকে তিনটে পজিশান নিতে হবে। নুন ঢেলে দিয়ে তুমি চলে যাবে টিলার মাথায়। আঙুল তুলে ডানদিকের লোকটাকে নির্দেশ দিল দলপতি। বাঁদিকের লোকটার পিছে একটা হাত রেখে বলল, তুমি থাকবে জঙ্গলের সাইডে।

    আর আপনি?

    আমি টাওয়ারে। তোমরা মিস করলে ফাইনাল শট তো আমাকেই মারতে হবে।

    দাঁত দুটো কীভাবে নিয়ে যাওয়া হবে?

    সে ভাবনা তোমাদের নয়। ওটা আমার আর সিংহমশায়ের ওপর ছেড়ে দাও।

    আমি জানি। ডানদিকের লোকটা ফস করে বলল, রাউরকেলা থেকে কনসাইনমেন্ট বুক করা আছে।

    তুমি একটু বেশিই জেনে ফেলেছ হালদার। ভারী স্বর চাবুকের মতো শোনাল, তুমি জানো, প্রয়োজনের অতিরিক্ত জানা আমি পছন্দ করি না?

    ভুল হয়ে গেছে স্যার। মাফ করে দিন।

    তোর তো সবসময়ে ভুল হয়। আড়াইশো কিলোমিটার ছুটেও একটা হাতির লেজ ছুঁতে পারি না।

    আবার ঝগড়া? দলপতি ধমকে উঠল। বাঁদিকের লোকটাকে বলল, শোনো গোলদার, আজকে হাতি মরল তো ভাল। তুমি বেঁচে গেলে। নইলে কাল আমি তোমার ওপরেই টিপ প্র্যাকটিস করব।

    যদি হাতি আজ আদৌ না আসে?

    তা হলে তুমি কাল সারাদিন টিপ প্র্যাকটিস করবে।

    আর কোনও কথা হচ্ছে না। নীরবে পানীয় শেষ করছে তিনজন। গলাগপ পকোড়া খাচ্ছে।

    মিতিন নিথর দাঁড়িয়ে থাকা জিপটাকে দেখতে গেল। নড়তে বারণ করল টুপুরকে।

    জিপের দরজা খোলা। মিতিন ড্যাশবোর্ড হাতড়াচ্ছে। কিছু কাগজ বার করে টর্চের আলোয় পড়ছে। দুটো কাগজ শালের আড়ালে চালান করে বাকিগুলো রেখে দিল ড্যাশবোর্ডে। ফের ফিরেছে জানলায়।

    পানীয় শেষ। সোডা খতম। পকোড়া সাবাড়। তিন মক্কেল উঠে দাঁড়িয়েছে। অনুচর দুজন আড়মোড়া ভাঙল।

    টুপুরকে টেনে নিয়ে মিতিন দ্রুত সরে এল বাংলোর পাশে। একেবারে দেওয়াল ঘেঁষে, অন্ধকার ছায়ায়। গাছের ছায়ার চেয়েও এখানে অন্ধকার অনেক বেশি গাঢ়।

    একে একে বেরিয়ে এসেছে তিন মূর্তি। চাঁদের আলোয় টুপুর স্পষ্ট দেখতে পেল দলপতির মুখখানা। সেই ঝিনিকপানির মোটরসাইকেল আরোহীটা, যে মুরগি দুটোর ঘাড় মুচড়ে দিয়েছিল। তাই কি ভারী গলাটা চেনা চেনা লাগছিল? দোকানে এসে সিগারেট নিচ্ছিল, মুহুর্তের জন্য হলেও গলাটা কানে এসেছিল টুপুরের।

    পিছনের আরোহীটাও আছে। ওই গোলদার। এর স্বর অবশ্য টুপুর অনেক আগেই চিনে ফেলেছে। মেঘাতুবুরুতে শোনা উদ্ধত বাচনভঙ্গি কি সহজে ভোলা যায়।

    তবে হালদারকে সে আগে দেখেনি। ওই লোকটা ওড়িশা থেকে হাতিটাকে ধাওয়া করে এসেছে?

    এই তিন শয়তাই হাতিটাকে মারার ষড়যন্ত্রী? ইস, লোক তিনটেকে যদি এক্ষুনি ধরে গারদে পুরে ফেলা যেত!

    হালদার আর গোলদার টলছে অল্প অল্প। দুজনের হাতেই দুটো করে খালি বোল।

    গোলদার একটা বোতল ছুড়ে দিল সামনের খাদে।

    অমনই হালদারও একটা বোতল ছুড়েছে। উল্লসিত হয়ে বলল, আমারটা তোর চেয়ে দূরে গেছে।

    কী করে বুঝলি?

    বোঝাবুঝির কী আছে! আমার কবজির জোর তোর চেয়ে ঢের বেশি। বলেই গোলদার দ্বিতীয় বোতলটাও ছুড়ে দিল, দ্যাখ। আবার দ্যাখ।

    দলপতি জিপে উঠে পড়েছে। স্টিয়ারিং-এ বসে হুঙ্কার চুড়ল, কী ছেলেমানুষি হচ্ছে? দুটোকেই আমি এবার…

    সুড়সুড় করে গাড়িতে চলে গেল দুই শাগরেদ। যে গেট দিয়ে মিতিন টুপুর ঢুকেছিল, সেটা ছাড়াও আর একটা গেট আছে বাংলোর। ওই গেট পেরিয়েই আজ লিগিরদা গিয়েছিল তারা। তিন শয়তানের জিপও ওই রাস্তাই ধরল, প্রচণ্ড স্পিড তুলে মিশে গেল জঙ্গলে।

    দরজা হাট করে খোলা। হরিণপায়ে ঘরটায় ঢুকল মিতিন। এদিক-ওদিক তাকিয়ে হঠাৎ চোখ গেছে বটল-ওপেনারটার দিকে। হাতির খুঁড়ের শেপ। টেবিলে পড়ে আছে।

    জিনিসটা হাতে তুলে নিতেই ঝুপ করে আলো নিভে গেল।

    টুপুর হাত খামচে ধরল মিতিনের, কী হবে এখন?

    মিতিন টর্চ জ্বেলে শান্ত গলায় বলল, ঘাবড়াচ্ছিস কেন? সারগিয়া জেগে আছে। জিপ বেরিয়ে যেতেই জেনারেটার বন্ধ করেছে। চল, সারগিয়ার কাছে যাই।

    রেস্টহাউস অবধি যেতে হল না, সারগিয়ার সঙ্গে দেখা হয়ে গেল বাংলোর হাতাতেই। রান্নাঘরের পাশে রাখা জেনারেটার বন্ধ করেই হনহনিয়ে রেস্টহাউস থেকে আসছিল সারগিয়া। বোধহয় বাংলোর দরজায় তালা মারতে।

    মিতিন টুপুরের মুখোমুখি পড়ে ভূত দেখার মতো চমকেছে সারগিয়া। তোতলাচ্ছে, আআআপনারা? ইইইধার?

    উত্তর দিল না মিতিন। কড়া গলায় পালটা প্রশ্ন করল, টাকার লোভে তুমি যাকে-তাকে সরকারি বাংলো খুলে দিলে? জানো, কমপ্লেন করলে তোমার চাকরি চলে যাবে?

    সারগিয়া মাথা নামাল। কাঁদোকাঁদো গলায় বলল, টাকার লোভে আমি করিনি দিদি। সচ্‌।

    বিলকুল ঝুট। আমি তোমায় টাকা নিতে দেখেছি।

    বিশ্বাস করুন দিদি, ওরা আমায় তুলে এনেছিল। রিভলভার দেখিয়ে। পকোড়া ভেজে দেওয়ার জন্য জোর করল। সারগিয়া ঝপ করে বসে পড়ল মিতিনের পায়ের কাছে, অত রুপিয়া আমি চাইনি দিদি, ওরা আমায় দিল। আমি গরিব আদমি, আমারও লোভ লেগে গেল, না বলতে পারলাম না।

    ঠিক আছে, ঠিক আছে। ওঠো। মিতিন খানিকটা নরম হয়েছে। বলল, ওদের চেনো?

    জিন্দেগি মে এই পহেলা বার দেখা।

    সত্যি বলছ?

    ঝুট বললে আমার জবান খসে যাবে।

    ওরা কী জন্য এসেছিল তুমি জানো?

    নেহি দিদি। ওরা আমার সামনে কুছু বলছিল না।

    হুম। মিতিন কী যেন একটু ভাবল। তারপর বলল, কাল আমি একটা জরুরি চিঠি দেব তোমার হাতে। সোজা গিয়ে রেঞ্জ অফিসে দিয়ে আসবে।

    জি।

    কেউ যেন চিঠির কথা জানতে না পারে। বিট অফিসার দীননাথ সহায়ও না।

    জি।

    জানলে কিন্তু তোমারই ক্ষতি হয়ে যাবে, মনে রেখো।

    আমার নামে কমপ্লেন করবেন না তো দিদি?

    না। তুমি যাও।

    সারগিয়া চোখ মুছতে মুছতে বাংলোর দিকে চলে গেল।

    মিতিন একটুক্ষণ দেখল সারগিয়ার চলে যাওয়া। তারপর টুপুরকে বলল, কী বুঝলি?

    টুপুরের মায়া হচ্ছিল সারগিয়ার ওপর। বলল, সারগিয়াকে কিন্তু ইনোসেন্টই মনে হল মিতিনমাসি। জোর করে রিভলভার দেখিয়ে তুলে আনলে ও বেচারা কী করে?

    যদি অবশ্য সারগিয়ার ভার্সন সত্যি হয়।

    তুমি সারগিয়ার কথা কি বিশ্বাস করছ না?

    করছি বটে। করছি নাও বটে। জঙ্গলে এত বড় একটা অপারেশন হচ্ছে, অথচ কোনও বনকর্মী জানে না, এমনটা হওয়া কি সম্ভব? একাধিক কর্মীও যুক্ত থাকতে পারে।

    টুপুর ভেবেচিন্তে বলল, আমার মনে হয় দীননাথ সহায় এর মধ্যে থাকলেও থাকতে পারেন। দেখতে একটু বেশিই ভালমানুষ।

    আর কেউ?

    আর কে হতে পারে?

    দেখা যাক। ভাবছি। মিতিন হাঁটতে শুরু করল রেস্টহাউসের দিকে। থামছে। হাঁটছে। থামছে। হঠাৎ বলল, আমাদের একটা ডিসিশান কিন্তু খুব ভাল হয়েছে। লোকগুলো আজ রাত্তিরে কোনওভাবেই হাতিটাকে কবজা করতে পারবে না।

    টুপুর হিহি হেসে উঠল, ইস, নুনের বস্তা দেখতে না পেয়ে নিৰ্ঘাৎ চুল ছিড়বে। লিডারটা রাগের চোটে হালদার গোলদারকে না মেরেই দেয়।

    উহুঁ, কিচ্ছু করবে না। যতক্ষণ না কাজ শেষ হচ্ছে ততক্ষণ হালদার গোলদারের টিকিটিও ছোঁবে না।

    লোক দুটো কিন্তু বেশ বোকা-বোকা আছে। চাইন্ডিশ আচরণ করছিল।

    ওই ধরনের হাফ-উইট অনুচরই শয়তানদের বেশি পছন্দ। ওই সদারটি অতি ধুরন্ধর। রাবণ। জানে নির্বোধ লোকদের দিয়ে বেশি নিষ্ঠুর কাজ করানো যায়।

    বহুক্ষণ পর হাওয়া উঠেছে একটা। জঙ্গলের দিক থেকে শব্দ করতে করতে রেস্টহাউসের কম্পাউন্ডে ঢুকে পড়ল বাতাস। নেড়ে দিচ্ছে ইউক্যালিপটাসের ঝুঁটি।

    উঁচু গাছটাকে দেখতে দেখতে মিতিন বলল, রাবণ প্ল্যানটা একা ছকেনি। সঙ্গে একজন মেঘনাদও আছে। তাকে সামনে দেখা যায় না, প্রত্যেক অপারেশনেও সে নেই, কিন্তু হাতির দাঁত সেই লোকটার মাধ্যমেই চালান যাবে।

    টুপুর চোখ পিটপিট করল, কে সে?

    শুনিসনি, রাবণ এক সিংহমশায়ের কথা বলছিল?

    হ্যাঁ। হ্যাঁ। টুপুর উত্তেজিত মুখে বলল, কিন্তু সিংহটা কে বলো তো? জামদার সিংহ?

    মিতিন ক্ষণকাল নীরব। ধীর পায়ে রেস্টহাউসের চালে উঠল। চাতালে একটা কুকুর শুয়ে। পায়ের শব্দ পেয়ে ঘাড় তুলল কুকুরটা, তারপর আবার মুখ জেছে পায়ের ফাঁকে। কুকুরটাকে টপকে বারান্দায় উঠল মিতিন। বলল, পুরুষোত্তম সিংহ লোকটা খুব স্ট্রাইকিং। জঙ্গলের হাড়হদ্দ চেনেন, একসময়ে ক্র্যাকশট ছিলেন, ফরেস্ট ডিপার্টমেন্টের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক আছে। শিকারি, অথচ অ্যানিম্যাল সাভার।

    তুমি কি পুরুষোত্তমবাবুকে সন্দেহ করছ?

    সন্দেহের তালিকায় তাঁকে রাখার কারণ আছে কি না ভাবছি।

    বিকাশ সিংহকে ধরছ না কেন? লোকটা জঙ্গল থেকে ফিরল, পরদিন আবার নাকি মনোহরপুর যাবে। হাতিগুলোও তো মনোহরপুরের দিক দিয়েই ঢুকেছে।

    মন্দ বলিসনি। এ পয়েন্টটাও খতিয়ে দেখা দরকার।

    টুপুর উৎসাহিত মুখে বলল, হয়তো হাতির পাল এসেছে শুনেই বিকাশবাবু হাতির দাঁত চুরির প্ল্যানটা ছকেছেন।

    কেন?

    টাকার লোভ। যাদের যত বেশি আছে, তারা তো তত বেশি চায়।

    মিতিন কিছু বলল না। মুঠো খুলে টর্চ জ্বালিয়ে বট-ওপেনারটা দেখছে। ঘুরে টুপুরকে বলল, যা, এবার গিয়ে শুয়ে পড়।

    ধুস, আর ঘুম আসবে না।

    উহুঁ, ঘুমটা খুব জরুরি। কাল অনেক ছোটাছুটি আছে। মিতিন কেমন দূরমনস্ক, কাল কুমডি ক্যানসেল। সকালেই একবার মেঘাতুবুরু যেতে হবে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমিতিনমাসি সমগ্র ২ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    Next Article বিষ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    Related Articles

    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    গল্প সমগ্র – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    অন্য বসন্ত – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    কাছের মানুষ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    হেমন্তের পাখি – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    অলীক সুখ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    আলোছায়া – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }