Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মিত্তির বাড়ি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প56 Mins Read0
    ⤷

    মিত্তির বাড়ি – ১

    এক

    মিত্তির বাড়ির ন’বউয়ের আজ জন্মদিন। একটা গ্রুপ ফোটো তো হচ্ছে। মহা গুলতানি। বড় আর মেজ ভাইয়ের মহা সমস্যা। কী উপহার দেওয়া যায় যা ন’বউয়ের নেই। শেষে ঠিক হল একটা নতুন বাথরুম দেওয়া হবে, মডার্ন স্টাইলের। আপাতত সিদ্ধান্তটাই উপহার। রাতের উৎসব জমে গেল বাচ্চাদের নাটিকা পরিবেশনে। সেই জমাট মুহূর্তে এসে হাজির হলেন পূর্বপরিচিত নিরাশ্রয় এক বৃদ্ধ। ব্যস্ত ফোটোগ্রাফারের কেরামতিতে কেউ তিষ্ঠতে পারছে না। আপাতত ছবি, তারপর ধীরে ধীরে একে একে।

    ফোটোগ্রাফার।। একটু সরে, বড়দা একটু ডানদিকে। উঁহু বাঁদিকে যাচ্ছেন কেন?

    বড়দা।। কার ডানদিক? আমার, না তোমার? শোনো নির্দেশ যখন দেবে পরিষ্কার নির্দেশ। তোমার মাথায় এক বলছ আর এক। তোমার বলা উচিত ছিল, আপনার ডানদিক।

    মেজদা।। শুরু হয়ে গেল। ওরে! মুখের কাছে একটা মাইক্রোফোন ধরে দে। আরও আধঘণ্টা উচিত, অনুচিতের লেকচার হোক।

    বোন কুসি।। আধঘণ্টা হয়ে গেল, ঝড়ের এঁটো পাতার মতো, একবার ডান থেকে বাঁ, বাঁ থেকে ডান।

    বড়দা।। আমার মনে হচ্ছে পাশাপাশি স্ট্রেট লাইনে দাঁড়ালে ভালো হত।

    মেজদা।। তোমার মুণ্ডু হত। এতবড় একটা গ্রুপ। অর্ধচন্দ্রাকারে, ঘোড়ার ক্ষুরের নালের আকারে কাস্তের আকারে…

    বড়দা।। তোর মতো একটা ইডিয়েটের আকারে…

    মেজদা।। তোমার মতো একটা পণ্ডিত মূর্খের নির্দেশে…

    [Flash]

    কুসি।। যাঃ, মেরে দিলে।

    ফোটোগ্রাফার (কুন্তল)।। ঠিক এই জিনিসটাই চাইছিলুম। মিত্তির বাড়ির সব ব্যাপারটাই চনমনে। মাল্টিভিটামিন কমপ্লেক্স।

    [(group photo)-বড় থেকে ন’ সব ভাই। সেজবউ, বড়বউ তাদের একটি ছেলে একটি মেয়ে। বোন কুসি।]

    [গ্রুপ ভেঙে ছড়িয়ে গেল।]

    মেজ।। বড়দা তুমি এখনও মিচকি হাসি হাসছ কেন?

    বড়।। অফ করতে ভুলে গেছি। ছবি তোলার সময় অন করেছিলুম। দেখবি, আলো আর হাসি, যে অন করে খুব হিসেবি না হলে অফ করতে ভুলে যায়। কুন্তল, হঠাৎ তুমি ছবি তুললে কেন?

    কুন্তল।। লাস্ট ফিলম। একসপোজ করে দিলুম। এইবার রিলটা খুলে ওয়াশ করব।

    মেজ।। একেই বলে, উড়ো খই গোবিন্দায় নমঃ।

    বড়।। এই কথাটা অপমানসূচক।

    মেজ।। কুন্তল আমার ছাত্র ছিল। ওকে একসময় আমি বাঁদর, উল্লুক, গাঁধা থ্রি ইন ওয়ান বলেছি। আমার সে অধিকার আছে।

    বড়।। কুন্তল আমার পেশেন্ট। আত্মিক আঘাত থেকে তাকে রক্ষা করার দায়িত্ব আমার। নার্ভাস টেনশানে ভুগছে। ঘুমের ওষুধ ছাড়া ঘুম আসে না।

    মেজ।। কেন আসে না?

    কুন্তল।। ভয়ে।

    মেজ।। ভয়ের ওষুধ ঘুমের বড়ি নয়, একটি রবীন্দ্রসংগীত—

    আমি ভয় করব না ভয় করব না।

    দু’বেলা মরার আগে মরব না ভাই মরব না।

    বড়।। রবীন্দ্রসংগীতের অডেশানে তোর পাশ সার্টিফিকেট আছে?

    মেজ।। নো।

    বড়।। তাহলে আর কেরামতি নাইবা করলে। ওটা বড় পবিত্র মন্দির।

    কুন্তল।। স্যার! ও ভয় আর এ ভয়ে অনেক তফাত। অন্যের ঘুম ভেঙে যাওয়ার ভয়ে আমি ঘুমোতে পারি না।

    মেজ।। সে আবার কী।

    কুন্তল।। আজ্ঞে, আগে আমি ঘুমোতুম। আমার স্ত্রী সারারাত জেগে থাকত। চোখ গর্তে ঢুকে গেল। রোগা হয়ে গেল। হজমের গোলমাল। সবাই বললে, ফিমেল ডিজিজ। অনেক চিকিৎসা করালুম। শেষে জানা গেল, ওটা মেল ডিজিজ।

    মেজ।। ফিমেলে মেল ডিজিজ কী ব্যাপার। ফিমেল বলেই না ফিমেল ডিজিজ।

    কুন্তল।। স্যার! লজ্জার কথা বলব কী!

    মেজ।। আরে, লজ্জার কী আছে, ডিজিজ বলছ কেন? ফিমেলে ফিমেল আসতে পারে মেলও আসতে পারে। মানুষের হাতে কিছু নেই। আর ছেলেপুলেদের ডিজিজ বলাটা ঠিক নয় কুন্তল। সব মানুষেই মহামানবের সম্ভাবনা।

    ওই মহামানব আসে

    দিকে দিকে রোমাঞ্চ লাগে

    কুন্তল।। স্যার মহামানব নয় মহা নাক। শোয়া মাত্রই আমার নাকের পাঞ্চজন্য শঙ্খ বেজে ওঠে। হরেক জানোয়ারের মিলিত ডাক। শোবার ঘরে আফ্রিকার অরণ্য। প্রতিবেশীদের কমপ্লেন। আপনার বউমা ভয়ে জানালা খোলে না।

    মেজ।। গাধা কোথাকার। ঘুমের ওষুধ বউকে খাওয়া, নিজে সুখে নিদ্রা যা।

    কুন্তল।। সেইটাই তো করেছি। প্রেসক্রিপশান আমার নামে, ওষুধ খাচ্ছে মিসেস।

    বড়দা।। বাঃ, এই না হলে রুগি। এদের জন্যই ডাক্তাররা পেটাই খায়।

    মেজ।। এক কাজ করো না দাদা, নাকটা খুলে ক্লিন করে আবার সেট করে দাও।

    বড়।। নাক নাকের জন্য ডাকে না, প্রবলেমটা গলায়।

    মেজ।। তাহলে গলাটা কেটে দাও।

    বড়।। তারপর জেলে যাও, তারপর ফাঁসিতে লটকাও। আধহাত জিভ বের করে লাট খাও। আহারে! আমার ভ্রাতা লক্ষ্মণ রে।

    মেজ।। এরা সব দাঁড়িয়ে?

    বড়।। আমাদের শ্রুতিনাটক শোনার জন্যে।

    মেজ।। কর্তব্য কর্মে অবহেলা। আামাদের তো এখন টি—টাইম (হাঁক) গান্ধারী!

    গান্ধারী।। ইয়েস মেজদা।

    মেজ।। কী করছিস?

    গান্ধারী।। চাটুতে ঝাঁটা দিয়ে তেল মাখাচ্ছি।

    মেজ।। এই ধরনের বদমাইশি তোকে কে করতে বলেছে।

    গান্ধারী।। ন’বউদি।

    মেজ।। বাপের বাড়ি পাঠিয়ে দাও।

    কুসি।। কারণ?

    মেজ।। চাটুতে আর ঝাঁটাতে কেউ এক করে?

    কুসি।। করে। ধোসা তৈরির সময়।

    বড়।। কেয়া বাত! মশলা ধোসা। আমি উদবোধন করব।

    মেজ।। আমরা দুজনে করব। দুয়ে মিলে করি কাজ/ভুগে মরি নাহি লাজ।

    কুসি।। আজ রেখার জন্মদিন। খেয়াল আছে?

    মেজ।। বড়দা, তোমার আছে?

    বড়।। তোর আছে?

    [কুসি চলে গেল, বড় আর মেজ মুখোমুখি]

    মেজ।। আমাদের মাথার অবস্থা দেখেছ? সব ভুলে যাই।

    বড়।। আমি মনে রাখতে রাখতেও লাস্ট মোমেন্টে ভুলে গেলুম।

    মেজ।। একটা কিছু দিতে হয়!

    বড়।। অবশ্যই।

    মেজ।। একসঙ্গে, না আলাদা আলাদা।

    বড়।। আলাদা আলাদা এ তোমার বন্ধুবান্ধবের জন্মদিন নয়, যে চাঁদা তুলে একটা গামলা কিনে নিয়ে আসবে!

    মেজ।। কী দেওয়া যায়? শাড়ি?

    বড়।। হাজারখানেক আছে।

    মেজ।। ভালো বই?

    বড়।। কেউ পড়ে না। আজকাল চিঠির নীচে অলিখিত থাকে—বই না দিলে বাধিত হব। [বড় পায়চারি করতে করতে] এমন একটা কিছু, এমন একটা কিছু।

    মেজ।। [উঠে দাঁড়িয়ে] এমন একটা কিছু এমন একটা কিছু

    দুজনে।। [সমস্বরে] যা কাজে লাগে।

    দুজনে।। [সমস্বরে] গান্ধারী!

    গান্ধারী।। যাতা হুঁ ম্যায়।

    মেজ।। তোর ন বউদির কী নেই! চিৎকার করবি না, ফিসফিস করে বল।

    গান্ধারী।। [ফিসফিস] ছেলে নেই। ছেলের খুব শখ।

    বড়।। ছেলে? এত রাতে ছেলে কোথায় পাব?

    মেজ।। আরে, কী যে বল? এ ছেলে সে ছেলে নয়। ভেতরের ছেলে।

    বড়।। [বুঝতে পেরে] ও হোঃ সেই ছেলে। সন্তান! সন্তান। এইটুকু থেকে তোর মতো এতবড় একটা দামড়া। সে তো মানুষের হাতে নেই।

    গান্ধারী।। আছে। আছে। মাদুলি। সেই মাদুলি দেশ থেকে আসার সময় তিনটে এনেছি। সেই গুণীন শ্মশানে থাকে। ভূত চতুর্দশীর রাতে তিন পহরে শেয়ালের ডাক শুনে কাজ আরম্ভ করে।

    মেজ।। কী কাজ?

    গান্ধারী।। সে আমরা কী জানি। এক একটা মাদুলির খরচ পড়ে যায় পাঁচশো। এর পর বাইরের সাজ। তামার মাদুলি, রুপোর মাদুলি, সোনার মাদুলি। যে যাতে ভরবে। মেয়ের মাদুলির খরচ কম, মাত্র একশো টাকা। প্রত্যেকটা মাদুলির সঙ্গে সঙ্গে আধ হাত লাল সুতো ফিরি।

    মেজ।। কী বড়দা দেবে নাকী! তুমি একটা, আমি একটা।

    বড়।। তাহলে তো যমজ হয়ে যাবে! সে কী সামলাতে পারবে? বরং আমি ভেতরটা দি, তুই বাইরেটা দে। একটা সোনার মাদুলি আর কত নেবে হাজার বারোশো!

    মেজ।। না, আমি ভেতর তুমি বাইরে।

    বড়।। না, তুই বাইরে আমি ভেতরে।

    মেজ।। মেজ আমি ভেতরে তুমি বাইরে।

    বড়।। বাইরে।

    মেজ।। ভেতরে।

    (বাইরে। ভেতরে। ভেতরে। বাইরে।)

    গান্ধারী।। উঁরে ব্বাসরে। এ কী করতে লেগেছে। যাই, কুসি দিদিমণিকে ডেকে আনি।

    মেজ।। আমি ভেতরে থাকায় অবিচল।

    বড়।। আমি বাইরে যাব না, যাব না, যাব না।

    কুসি।। তোমরা দুটোতেই বাইরে যাও। বেরোও। গেট আউট। দুটো দামড়া হুলো। মুখোমুখি হল তো ফ্যাঁসফোঁস। যাও, যাও। রাত দশটার আগে দুজনের মুখ যেন না দেখি।

    বড়।। কুসি, তুই এসেছিস। এ বাইরে সে বাইরে নয় রে। এ হল মাদুলির বাইরে।

    কুসি।। কীসের মাদুলি?

    বড়।। সোনার মাদুলি।

    মেজ।। না, আমি ভেতরে পাঁচশো। ও বাইরে বারোশো।

    বড়।। না, আমি ভেতরে পাঁচশো ও বাইরে বারোশো।

    মেজ।। কান্ট বি।

    বড়।। উইল বি।

    কুসি।। কীসের মাদুলি। কই দেখি মাদুলিটা।

    মেজ।। সে তো স্যাকরার দোকানে। আমাকে কিনতে বলছে।

    কুসি।। কিনতে বলছে কেন?

    মেজ।। ওর মধ্যে মন্ত্রপূত গান্ধারী ঢুকবে।

    কুসি।। সে আবার কে?

    বড়।। ব্যাপারটা আমি ক্লিয়ার করি। ও উত্তেজিত। মাদুলির মধ্যে থাকবে গান্ধারীর শ্মশান।

    কুসি।। গান্ধারীর শ্মশান! শ্মশান থাকবে মাদুলিতে! গান্ধারীটা কে?

    মেজ।। আমাদের গান্ধারী। মহাভারতের গান্ধারী নয়।

    কুসি।। [গলা জড়িয়ে] গান্ধারী।

    গান্ধারী।। হাঁ দিদি।

    কুসি।। কী ব্যাপার!

    গান্ধারী।। যতদূর বুঝেছি, এরা ন’বউদিকে মাদুলি পরাবে।

    কুসি।। কেন? এত লোককে টুপি পরিয়ে শান্তি হচ্ছে না। মাদুলি পরাবে কেন?

    [গান্ধারী কানে কানে]

    কুসি।। [ভাইদের দিকে তাকিয়ে] আরে ছিছি। তোমারে লজ্জাশরম সব গেছে। সময়ে বিয়ে না করলে মানুষের এই অবস্থাই হয়। ছোঁকছোঁক স্বভাব হয়। অসভ্য, ইতর।

    দু’ভাই।। [একসঙ্গে] লে হালুয়া। আমরা কী জানি। গান্ধারী তো বললে।

    গান্ধারী।। বাঃ, আমি বললুম না আপনারাই আমাকে বললেন, বল তো গান্ধারী ন’বউয়ের কী নেই? আমি বললুম, ছেলে নেই। যা নেই, তা নেই, সত্যিই তো নেই। আমি কি মিথ্যে বলব! সে মেয়ে আমি নই। আমার গুরু পঞ্চানন।

    ন’বউ।। [চায়ের ট্রে হাতে] দিদি পুরটা হয়ে গেছে।

    কুসি।। কাপ ধরে দিয়ে তুই এখুনি এখান থেকে কেটে পড়া। এ দুটো অ্যান্টি—সোস্যাল হয়ে গেছে।

    [ন’বউ ভয়ে চলে গেল]

    বড়।। দেখলি তো মেজ, কী যুগ পড়েছে। ভালো করতে চাইলে মন্দ হয়। কলির শেষ। এই ব্যাটা গান্ধারীই বললে, আমার কাছে শ্মশানের বীজ আছে, সোনার মাদুলিতে ভরে ডান হাতে বেঁধে দেন। বীজের দাম পাঁচশো, মাদুলি বারোশো। বছর না ঘুরতেই দোল দোল দুলনি/ রাঙা মাথায় চিরুনি।

    গান্ধারী।। ও বাবা, কী মিথ্যে কথা বলে গা!

    বড়।। মেজ! তুই সাক্ষী।

    মেজ।। গোছগাছ করে একটা বলেনি।

    বড়।। এখন দলত্যাগ করিসনি পাঁঠা ফ্রন্টের ঐক্য বজায় রাখ।

    মেজ।। যুক্তফ্রন্ট জিন্দাবাদ।

    কুসি।। [গান্ধারীকে] যা, তুই সাম্বারটা বসা। এ দুটো পাগল। তোমাদের আমি বিয়ে দেবো। তবে যদি টিট হও।

    বড়।। আমার একজন প্রেমিকা ছিল রে কুসি।

    মেজ।। জানি। মণি পাগলি। তোমাকে দেখলেই গান ধরত, ও দয়াল বিচার করো। আমায় গুণ করেছে, আমায় খুন করেছে।

    বড়।। না রে না, আমার প্রেমিকার নাম কবিতা। দুজনেই প্রতিজ্ঞা করেছিলুম, বিয়ে করে প্রেমের মতো একটা সুন্দর জিনিসকে নষ্ট করব না। প্রেমকে মুরগি করে, জবাই করে পালক ছাড়িয়ে চিলি চিকেন বানাব না। বিরহী যক্ষ, বিবাগী কোকিল আমাদের আদর্শ। আমাদের আদর্শ রবি কবি। আমাদের প্রাণের মানুষ প্রাণে থাকে।

    মেজ।। আমার আদর্শ তুলসীদাস। বেহা বেহা সবকোই কহে, মেরা মনমে এহি ভায়/চড় খাটোলি ধোঁ ধোঁ লগড়া জেহেল পর লে যায়। ওই দেখ বর যাচ্ছে চৌদালায় চড়ে। বাদ্য—বাজনা। ভোঁপ্পোড়ো পোঁ। যাচ্ছে কোথা, না জেলখানায়।

    বড়।। তোর মধ্যে কোনো প্রেম নেই।

    মেজ।। আমার ফ্রেমে প্রেম নেই। আছে কর্ম। কর্মযোগী আমি। স্বামীজি আমার আদর্শ। জীবে প্রেম করে যেই জন…

    বড়।। কারেকসান, জীবন নয় জিভ, জিভে প্রেম….

    মেজ।। ফ্রন্টের ঐক্য বজায় রাখ। বলো বলো বলো সবে, আমাদের যৌথ প্রচেষ্টায় ভারত আবার জগৎসভায় শ্রেষ্ঠ আসন লবে।

    বড়।। কুসি তুই বিয়ে করলি না কেন?

    কুসি।। তোমাদের ছেড়ে থাকা যায় না বলে। এই দুটো কচি পাঁঠাকে কোথায় রেখে যাব। কার কাছে রেখে যাব, গা মাখা ঝোল করে খেয়ে ফেলবে।

    বড়।। এই দেখ মেজ, একই রকমের ত্যাগ। মনে আছে অনেক কাল আগে, বাবা যখন হঠাৎ মারা গেলেন, শ্মশানে চিতার সামনে দাঁড়িয়ে আমরা প্রতিজ্ঞা করেছিলাম, ভাই দুটো নাবালক, বোনটার বিয়ে দিতে হবে, আমরা বিয়ে করব না। কী জানি বাবা, কেমন বউ আসবে, কৈকেয়ী আর মন্থরা আমাদের সুখের সংসার ফ্র্যাকচার করে দেবে।

    মেজ।। কুসির শাসনে আমরা কেমন সুখে আছি বলো?

    বড়।। মাঝে মাঝে মনে হয় স্বর্গে আছি। উঃ পাগল করা গন্ধ আসছে রান্নাঘর থেকে একটু টেস্ট করা না। টক, ঝাল, নুন।

    মেজ।। কুসি। ন’বউকে জন্মদিন কী দেওয়া যায় বল তো। মাদুলি তো ক্যানসেল।

    কুসি।। একটা বাথরুম দাও।

    বড়।। এই রাতে বাথরুম কোথা থেকে কিনব। বাথরুম কী জিনিস।

    কুসি।। আরে বাথরুম জানো না! যেখানে মানুষ চান করে।

    বড়।। সে তো আমাদের আছে।

    কুসি।। ওর নিউ স্টাইলের একটা বাথরুমের খুব শখ। সিরামিক টাইলস, টেলিফোন শাওয়ার, বাথটাব, টাওয়ার ট্যাপ।

    মেজ।। ওই ইংরেজি সিনেমার মতো।

    বড়।। বাথটাব? আমি শুয়ে থাকবো সাবানের ফেনায়। সেলুলার ফোনে কথা বলব ভগবানের সঙ্গে।

    [এক যুবকের হন্তদন্ত প্রবেশ]

    যুবক।। ডাক্তারবাবু, আবার হেঁচকি উঠছে। ননস্টপ। হিক, হিক। কোনো কাজ হল না ওষুধে।

    বড়।। কার হেঁচকি? কীসের হেঁচকি?

    যুবক।। আমার স্ত্রীর।

    বড়।। কী খাইয়েছিল?

    যুবক।। এক খিলি জর্দা পান?

    বড়।। জর্দার অভ্যাস ছিল?

    যুবক।। না। জীবনের এই ফার্স্ট জর্দা।

    বড়।। দরজা বন্ধ করে শুয়ে পড়। ঠিক হয়ে যাবে।

    যুবক।। মরে যাবে না তো! জাস্ট পনেরো দিন বিয়ে হয়েছে।

    বড়।। মানুষ হেঁচকি তুলেই মরে। সেই হেঁচকি তোলার বয়েস এখনও হয়নি। এটা ছেঁচকি।

    যুবক।। বিশ্বাস করুন ডাক্তারবাবু, আমি জোর করে জর্দা খাওয়াইনি। নিজের ইচ্ছেয় চেয়ে চেয়ে খেয়েছে। এ যা দিনকাল যদি মরে যায় সঙ্গে সঙ্গে আমার গণধোলাই, আমার মায়ের, আমার বোনের হাজতবাস। সতীর চিতায় পতির সহমরণ।

    বড়।। সেরকম কোনো সম্ভাবনা আছে?

    যুবক।। নেই কেমন করে বলি। হলেই হল। একালে সবই সম্ভব। আমার আর একটা মেয়ের সঙ্গে প্রেম ছিল।

    বড়।। দয়া করে তাকে বিয়ে করলেই হত।

    যুবক।। একটু সমস্যা ছিল। সেই মেয়েটা আর একটা ছেলেকে ভালোবাসত, সেই ছেলেটা আবার আর একটা মেয়েকে ভালোবাসত, সেই মেয়েটা আবার আর একটা….

    বড়।। হয়েছে, সবশেষে একটা ফাঁকা মাঠ, মাঠে একটা গোরু। ইলু, ইলু, ইলু, ইলু।

    যুবক।। আপনার কাছে এসেছিলুম, প্রয়োজন হলে বলবেন তো।

    বড়।। কাকে বলব?

    যুবক।। পুলিশকে, আদালতকে। ডেথ সার্টিফিকেটে লিখে দেবেন, হেভি ডোজে জর্দা খেয়ে মৃত্যু।

    বড়।। (মেজকে) কীসব আবোলতাবোল বকছে বল তো!

    মেজ।। দাঁড়াও কুসিকে কল করি। (গলা চড়িয়ে) কুসি কুসি।

    কুসি।। আজ বাড়িতে একটা উৎসব। বারে বারে ডাকলে হয়?

    বড়।। কী করব বল। এ কোথা থেকে এসে কীসব বকছে।

    কুসি।। কোথা থেকে আসবে কেন, নিমন্ত্রণ করা হয়েছে তাই এসেছে। পল্লবকে চিনতে পারলে না। যাত্রার পালা লিখে বিখ্যাত।

    বড়, মেজ।। [সমস্বরে] আমাদের দেশের গৌরব পল্লব গাঙ্গুলি। মাই গড।

    বড়।। যাত্রা আমার ভালোই লাগে। ছেলেবেলায় খুব দেখেছি। এখন আর সময় পাই না।

    মেজ।। যাত্রার চেয়ে যাত্রার নাম আমার ভীষণ ভালো লাগে, সতীর কোলে পতির মাথা।

    পল্লব।। ওটা আমার হিট পালা।

    মেজ।। জুতোর তলায় কাঁটা পেরেক।

    পল্লব।। এটা আমার নয়। আমার আর একটা হিট পালা হল পানাপুকুরে কচিসুন্দরী। আমি এখন যে পালাটা লিখছি, সেটার নাম জর্দাপান কেন খেলে কুলবধূ। ক্রাইম পালা। সেখানে এইরকম একটা প্লট আছে। একের পর এক বধূর করুণ মৃত্যু। শেষে সাহসী এক বধূ আসামিকে ধরবে। তাকে ল্যাম্প পোস্টে ঝোলাবে। তারপর সে ইলেকশানে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী হবে। আইন করবে, ক্যারেকটার সার্টিফিকেট না দেখালে কোনো মেয়ে কোনো ছেলেকে বিয়ে করবে না। আমার পরের পালা ঘরে ঘরে সিঁদুরের আগুন।

    [এক বৃদ্ধের প্রবেশ]

    বৃদ্ধ।। চিনতে পারছ মিত্তির?

    বড়।। আমাকে বলছেন?

    বৃদ্ধ।। তোমাদের দুজনকেই।

    মেজ।। চেনা চেনা মনে হচ্ছে।

    বৃদ্ধ।। কালীপুজোর রাতে আমার খড়ের গোলা তোমাদের বাজির আগুনে পুড়ে গিয়েছিল।

    বড়।। হ্যাঁ হ্যাঁ, সে তো অনেক বছর আগে। আমরা তখন ছাত্র।

    বৃদ্ধ।। সেই আগুন আজও আমার বুকে ধিকি ধিকি জ্বলছে।

    বড়।। এখনও জ্বলছে! নেভাতে পারছেন না।

    বৃদ্ধ।। তোমাদের জন্যে আমি ধনে প্রাণে মারা গেছি। ত্রিভুবনে আমার আর কেউ নেই। একজনের আশ্রয়ে ছিলুম। সে এইমাত্র আমাকে তাড়িয়ে দিলে।

    মেজ।। তাড়ালে কেন?

    বৃদ্ধ।। আগুনে আমার খুব ভয়। সেই থেকে। লোকটা সংসারে আগুন ধরাচ্ছে। প্রতিবাদ করেছিলুম, বললে নিকাল যাও। বেরিয়ে এলুম। এইবার কোথায় যাই। জানো মিত্তির, মানুষের কোনো যাবার জায়গা নেই। যার ঘর আছে তার আছে। যার নেই? হ্যাঁগো, তোমরা কি আমাকে তাড়িয়ে দেবে? তা দেবে নাই বা কেন। এই বাজারে কে কাকে দেখে!

    [কথা শেষ হতে না হতেই সবাই ঘরে ঢুকল। ভায়ের বউরা, কাজের লোকেরা, বাচ্চা দুটো।

    কুসির হাতে ‘বার্থ ডে কেক’]

    বৃদ্ধ।। আজ কিছু আছে বুঝি! তাহলে আসি ভাই। রাতটা শ্মশানেই কাটাই।

    [বৃদ্ধ উঠছেন]

    বড়।। দাঁড়ান। দাঁড়ান যাচ্ছেন কোথায়? আমরা কি যেতে বলেছি কুসি, চিনতে পারছিস এঁকে। না পারারই কথা, তুই তখন অনেক ছোটো। ইনি আমাদের সরকার মশাই। একসময় খুব ভালো টপ্পা গাইতেন।

    কুসি।। হাত জোড়া, নমস্কার করতে পারছি না।

    বড়।। আজ থেকে আমাদের বাড়িতে থাকলে কোনো আপত্তি আছে তোমাদের?

    বাচ্চা দুটো।। [আনন্দে] আমাদের দাদু, আমাদের দাদু।

    [জিন্স—শার্ট পরা এক যুবক। আধুনিক বাউল।

    ন’ভাইয়ের বন্ধু। গান গাইতে গাইতে ঢুকছে]

    চেতন বাউল।। আমার প্রাণের মানুষ আছে প্রাণে/তাই হেরি তায় সকল খানে। ঠিক সময়ে এসে পড়েছি।

    গান্ধারী।। আজ কিন্তু সব নিরামিষ।

    চেতন।। আমি কেবল খেতে আসি? আমি গান শোনাতে আসি।

    গান্ধারী।। তুমি বাপু বড্ড খাও।

    চেতন।। খিদে পায় তাই খাই। দোষটা তো কুসিদিদির। অত ভালো রাঁধে কেন?

    [ইতিমধ্যে কেক সাজানো হয়েছে। আলো জ্বলছে। বাতি জ্বলছে।]

    কুসি।। সবাই রেডি।

    মেজ।। [গালে হাত বুলিয়ে] যাঃ আজ দাড়ি কামানো হয়নি।

    বড়।। আজ রেখার জন্মদিন, তোর নয়। আজ রবিবার, মানুষ যেমন কাজে বেরোয় না, দাড়িও সেইরকম বেরোয় না।

    মেজ।। ঠিক বলেছ। গালটা সত্যিই তেমন খড় খড় করছে না!

    কুসি।। আমাদের দীপু আর পূজা ছোট্ট একটা নাটক পরিবেশন করবে। তোমরা সবাই বোসো। মেজদা কেক কাটার জন্যে ছুরিটা এনেছি। হাত কাটার জন্যে নয়।

    মেজ।। সরি।

    কুসি।। স্টার্ট।

    পূজা।। হ্যাঁরে হ্যাঁরে তুই নাকি কাল/সাদাকে বলছিলি লাল? আর সেদিন নাকি রাত্রি জুড়ে/ নাক ডেকেছিস বিশ্রী সুরে? আর তোদের পোষা বেড়ালগুলো/শুনছি নাকি বেজায় হুলো। আর এই যে শুনি তোদের বাড়ি/কেউ নাকি রাখে না দাড়ি?

    দীপু।। ক্যানে রে ব্যাটা ইসটুপিড।/ঠেঙিয়ে তোরে করব টিট।

    পূজা।। চোপরাও তুম স্পিকটি নট,/মারব রাগে পটাপট—ফের যদি ট্যারাবি চোখ/কিংবা আবার করবি রোখ, কিংবা যদি অমন করে/মিথ্যেমিথ্যে চ্যাঁচাস জোরে। আই ডোন্ট কেয়ার কানাকড়ি/ জানিস আমি স্যান্ডো করি? ফের লাফাচ্ছিস? অলরাইট কামেন ফাইট! কামেন ফাইট।

    দীপু।। ঘুঘু দেখেছ, ফাঁদ দেখনি/টেরটা পাবে আজ এখনি। আজকে যদি থাকত মামা/পিটিয়ে তোমায় করত ঝামা। আরে! আরে! মারবি নাকি?/দাঁড়া একটা পুলিশ ডাকি। হাঁ হাঁ হাঁ হাঁ। রাগ করো না/করতে চাও কি তাই বল না?

    পূজা।। হ্যাঁ হ্যাঁ তাতো সত্যি বটেই/আমি তো চটিনি মোটেই। মিথ্যে কেন লড়তে যাবি?/ভেরি ভেরি সরি, মশলা খাবি?

    দীপু।। শেক হ্যান্ড আর দাদা বল/সব শোধ বোধ ঘরে চল। ডোন্ট পরোয়া অলরাইট হাউ ডুয়ুডু

    ।। গুড নাইট।।

    বড়।। বাঃ বাঃ, আর ধৈর্য রাখা যাচ্ছে না। এইবারে কেকে মারো ছুরি।

    সমস্বরে : হ্যাপি বার্থডে টু ইউ।

    ⤷
    1 2 3 4 5
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহরি ঘোষের গোয়াল – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    Next Article নিয়তি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    গুহা – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    হর-পার্বতী সংবাদ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সাজাহানের জতুগৃহ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    শ্রীকৃষ্ণের শেষ কটা দিন – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মনুষ্যক্লেশ নিবারণী সমিতি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মধুর এক প্রেমকাহিনি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }