Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মিত্তির বাড়ি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প56 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মিত্তির বাড়ি – ৩

    তিন

    [বড়ভাই ঘরে ঢুকছেন, একজনকে আহ্বান করছেন, আসুন আসুন।

    দুটো হাত দু’পাশে ছড়িয়ে সসম্ভ্রমে ভিতরে চলুন, ভিতরে চলুন।]

    বড়।। আমাদের কী ভাগ্য। কতদিন পরে আপনি এলেন।

    [সৌম্যসুন্দর চেহারার এক ভদ্রলোক। পরনে ধুতি, সিল্কের পাঞ্জাবি, সোনার বোতাম। সব আঙুলে সোনার আংটি। পাঞ্জাবির বুকপকেটে দুটো সোনার কলম। পকেট ঘড়ির সোনার চেন বুকের কাছে দুলছে।]

    [ভদ্রলোক রাজকীয় ভঙ্গিতে সোফায় বসা মাত্রই বড়র চিৎকার]

    বড়।। ওরে কে কোথায় আছিস?

    [ডাক শুনেই প্রথেমে এল গান্ধারী। হাতে এক গেলাস জল, গেলাসটা বড়র দিকে বাড়িয়ে দিয়ে]

    গান্ধারী।। ফিলটারের জল। গরম—ঠান্ডা মেশানো।

    বড়।। তোর কাছে আমি জল চেয়েছি?

    গান্ধারী।। বড়দা আপনি যে বলেন মেঘ না চাইতেই জল।

    বড়।। মেঘ না চাইতেই জল আজ ওই সোফায় বসে আছেন। ডাক সবাইকে।

    [এক—একজন ঢুকছে আর বিস্ময়ের উক্তি। ওমা আপনি।]

    কুসি।। এতদিন কোথায় ছিলেন?

    রাজজ্যোতিষী।। আর বলো কেন, রাজা—মহারাজারাই আমাকে শেষ করে দিল। গেছি পশুপতিনাথে, নেপালের রাজার কানে খবরটা ঠিক চলে গেছে। একবারে হাওদা চড়ানো হাতি এসে হাজির, যেতেই হবে। নেপালে একটু ক্রাইসিস যাচ্ছে তো।

    কুসি।। হাতি কেন? রাজার তো মার্সিডিজ, রোলস রয়েস সবই আছে।

    রাজজ্যোতিষী।। এই দেখ ভুলে গেছ। আমি ধাতব গাড়িতে চড়তে পারি না, কাঠ ছাড়া সমস্ত কিছু অসহ্য। লোহা হল কন্ডাকটার, আমার ভিতরের এনার্জি, আমার পাওয়ার লোহা টেনে নিতে পারে। সেই কারণে ননকন্ডাকটার হাতি, ঘোড়া, কাঠেররথ—এছাড়া আমার চলে না। বেসরকারি বাস চলতে পারে, কাঠের সিট। আগে ট্রেন চলতে পারত, কিন্তু এখন তো সব লোহার।

    কুসি।। মহা মুশকিল। এখন কীভাবে এলেন?

    রাজজ্যো।। ওই দ্যাখো, আবার তোমার মেমারি ফেল করছে। কলকাতায় চলাফেরা করার জন্য আমি পৈত্রিক ফিটন গাড়িটাই ব্যবহার করি। অস্ট্রেলিয়ার প্রাইম মিনিস্টার আমাকে একটা ঘোড়া প্রেজেন্ট করেছেন। আগে খুব তাগড়া ছিল। এখন বলে না দিলে কেউ বিশ্বাসই করবে না ওটা অস্ট্রেলিয়ার ঘোড়া। এদেশের জলবায়ুতে পটকে গেছে।

    বড়।। আমি একটু চেঞ্জ করে আসি।

    রাজজ্যো।। হ্যাঁ, হ্যাঁ, ধড়াচুড়ো খুলে এসো। [বউদের দিকে তাকিয়ে] বাঃ তোমরা দুটিতে বেশ ফুটফুটে হয়েছে। ভালো সময় যাচ্ছে।

    [বাচ্চা দুটো একপাশে জড়াজড়ি করে দাঁড়িয়ে বড়ো বড়ো চোখে তাকিয়েছিল]

    রাজজ্যো।।  [তাদের দিকে তাকিয়ে] এদেশে বেশি দিন নয়। ছেলেটা যাবে আমেরিকায়, মেয়েটা যাবে জার্মানিতে। আমি দেখতে পাচ্ছি। ওটার তুঙ্গী রবি, আর মেয়েটার তুঙ্গী চন্দ্র।

    দুই মা।। [রেখা ও পরমা] [একসঙ্গে] ওরা বড়ো হবে তো?

    রাজজ্যো।। প্রশ্নটা ঠিক হল না। কালের নিয়মে সবাই বড়ো হবে। মহাকাল ভাসিয়ে নিয়ে যাবে। বড়ো হবে কি না জিজ্ঞাসা কোরো না। জিজ্ঞাসা করো মানুষ হবে কি না? মানুষের বড়ো অভাব।

    বড়।। [ঘরে ঢুকতে ঢুকতে] আজ্ঞে হ্যাঁ, মানুষের বড়ো অভাব।

    রাজজ্যো।। দুটো পা থাকলেই মানুষ হওয়া যায় না। বকেরও তো দুটো ঠ্যাং।

    কুসি।। মহাভারতে বককে যে ধর্ম বলা হয়েছে?

    রাজজ্যো।। এই নাও, আর একবার গুলোলে। ধার্মিকের ধর্ম, আর বকের ধর্মে অনেক তফাত। বকধার্মিক হওয়াটা মোটেই ঠিক নয়। বকধার্মিকের প্রকাণ্ড প্রত্যাশা।

    বড়।। [ তাড়াতাড়ি অনুনয়ের কণ্ঠে] ওটা আর ব্যাখ্যা করবেন না, ওটা আর ব্যাখ্যা করবেন না। মেয়েরা রয়েছে, বাচ্চারা রয়েছে।

    রাজজ্যো।। তুমি আমাকে এতটা বেআক্কেলে ভাবলে কী করে অমল? সাধন—ভজনের সময় আমার পরিবেশ জ্ঞান থাকে না ঠিকই। কিন্তু এখন তো আমি সাধন—ভজন করছি না। এখন আমি পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলেই আছি। রাত বারোটার সময় আমি দেহের দরজা খুলে অন্যলোকে চলে যাই। কাল মাঝরাতে দেখলুম ভারতের অবস্থা খুব খারাপ। খুব খারাপ। মানুষ আর পশুতে আর প্রভেদ থাকবে না। ভাই ভাইকে মারবে, বাপ ছেলেকে মারবে, ছেলে বাপকে মারবে। স্ত্রীরা সব ব্যভিচারিণী হয়ে যাবে। ঘরে ঘরে কলসি থেকে মদ গড়িয়ে খাবে। বাচ্চারা ফুটপাতে পড়ে থাকবে, কুকুরে এসে শুঁকবে, কিন্তু খাবে না।

    কুসি।। [ভয়ে ভয়ে] আমাদের কী হবে?

    রাজজ্যো।। ধর্ম ধরে থাক, বেঁচে যাবি। এই সবকটাকে ক্ষীরিকার মূল পরিয়ে দে। আর রোজ দুটো করে মরিচ চিবিয়ে খাবি। আচ্ছা এখন যে আমার একটু ইচ্ছে করছে…

    বড়।। [সসম্ভ্রমে] আজ্ঞে কী ইচ্ছে করছে?

    রাজজ্যো।। একেবারে ঝকঝকে পরিষ্কার একটু চায়ের লিকার, এক চামচে মধু। মধুটা গোলানো হবে না। সিরসির করে মধুটা মিশে যাবে। আর এই লিকারটা করবে ন’বউ। ওর একটা মনের বাসনা প্রবল হয়েছে না। হবে, হবে, মাদুলি ধারণ না করেই হবে।

    কুসি।। [রেখাকে] নতুন স্টেনলেস স্টিলের নতুন গেলাসে তুই লিকারটা নিয়ে আয়।

    রাজজ্যো।। এই দ্যাখ মেয়েটার আমার কিছু মনে থাকছে না। কী বলেছি ধাতু আমি স্পর্শ করতে পারি না। কাঠের গেলাস, পাথরের গেলাস যখন নেই তখন নতুন কাচের গেলাস।

    কুসি।। পাথরের গেলাস আছে তো।

    রাজজ্যো।। নিশ্চয়ই কালো পাথর অথবা ছিটছিটে পাঁশুটে পাথর, হবে না, মার্বেল পাথর চাই।

    [ন’বউ উঠে বেরিয়ে গেল]

    রাজজ্যো।। ইচ্ছে তো হতেই পারে। মেয়ের পর একটা ছেলে। দেখি আজ মাঝরাতে টপোস্ফিয়ার থেকে একটা বীজ জোগাড় করে শক্তিচালান করে দেব।

    বড়।। আহারাদি কী করবেন?

    রাজজ্যো।। সব ভুলে গেছ। আমার আহার তোমরা জানো। খাঁটি গাওয়া ঘিয়ে ভাজা চারখানা ফুলকো লুচি, একটু সিজিন্যাল তরকারি। কাশী হলে বলতুম একবাটি মালাই। এখানে অভাবে একবাটি ক্ষীর। সঙ্গে একটু সন্দেশ থাকলেও হয়, না থাকলেও হয়। আমার চাহিদা খুব অল্প।

    বড়।। তাহলে সেইরকম বলে দিই?

    রাজজ্যো।। না, ওই কাজের লোককে দিয়ে করালে হবে না। ওই ভোগ প্রস্তুত করতে হবে কুসিকে। গলায় একটা রুদ্রাক্ষের মালা পরে। সে মালাটি অবশ্য আমিই দেব। জানো তো সাধারণ মানুষ ভাবে আমিই আহার করছি। অজ্ঞ, তারা অজ্ঞ। আহার করি, মনে করো আহুতি দি শ্যামা মাকে। মেজভাইকে দেখছি না কেন? তিনি তো আবার ঘোর নাস্তিক।

    বড়।। এই সময়টা ও একটু বেড়াতে যায়। এখন কলেজের ছুটি চলেছে তো। তিন—চার মাইল না হাঁটলে উইক ফিল করে।

    রাজজ্যো।। নাস্তিক হোক আর আস্তিকই হোক, তিনি তাঁর কাজ ঠিক করে যান। ওই যে সুগার হতে পারে, সে যোগ আছে কোষ্ঠীতে। কবে দেখেছি আজও আমার মনে আছে। তাই তিনি টেনে নিয়ে গেছেন বেড়াতে। তাঁর খোলার কথা যখন ভাবি তখন স্তম্ভিত হয়ে যাই। ঠিকই বলেছেন। সাধকরা ঠিকই বলেছেন। আমি যন্ত্র, তুমি যন্ত্রী। যেমন চালাচ্ছ তেমনই চলছি। জীবনের টুনি লাইট পাওয়ার হাউসের সেই শক্তিতে জ্বলে আছে। যেই কানেকশন কেটে দেবেন, সঙ্গে সঙ্গে ফিউজ। [হঠাৎ খুব তীব্র গলায়] ওরে মূঢ়, মা কুরু ধনজন যৌবন গর্বং, হরোতি নিমেষাৎ কাল সর্বং।

    গান্ধারী।। [ধড়ফড় করে ঘরে ঢুকে] কী হল, কী হল?

    রাজজ্যো।। [সেইদিকে তাকিয়ে] সেই গান্ধারী না, বেশ ডাগর—ডুগুর হয়েছে, রূপ খুলেছে, আদরে আছে। পূর্বজন্মের সামান্য একটু ভুলে রাজরানি না হয়ে চাকরানি। সৎকর্ম করে যা, সৎ কর্ম। জেনে রাখিস কর্মই ধর্ম। ফলের আকাঙ্ক্ষা করিসনি। একটিমাত্র ফলই ফল, সেটি হল মোক্ষফল। আচ্ছা, একটু জল খেলে কেমন হয়?

    বড়।। এই যে বললেন চা খাব।

    রাজজ্যো।। চায়ের আগে তো একটু জল খেতে পারি। তিনি চাইছেন। এত কথা বললেন তো। গলাটা শুকিয়ে গেছে।

    কুসি।। তাহলে জল নিয়ে আসি?

    রাজজ্যো।। কীসে করে আনবে?

    কুসি।। আপনার তো ধাতু চলবে না।

    রাজজ্যো।। এই। এখন শ্রুতি স্মৃতিতে বসেছে।

    [কমলের প্রবেশ। বাড়ির সেজ ছেলে। ঘরে ঢুকেই থমকে দাঁড়াল। পরনে অফিসের ধড়াচুড়া।]

    রাজজ্যো।। কমল না? তুঙ্গী বৃহস্পতি। তোমাকে কোথায় নিয়ে যাবে তুমি নিজেই জানো না। টাকা বিছিয়ে তার ওপর শুয়ে থাকবে। আর যশ খ্যাতি। দেশে—বিদেশে ছড়িয়ে পড়বে। কীরকম হবে জানো? আজ ভারতে তো কাল আমেরিকায়, কাল আমেরিকায় তো পরশু থাইল্যান্ডে। তবে বাবা, শত্রু হতে সাবধান। [উত্তেজিত হয়ে] শত্রু কোথায়? শত্রু বাইরে, না গো, শত্রু আর মিত্র দুটোই তোমার ভিতরে বসে আছে। আত্মাই আত্মার শত্রু। আত্মাই আত্মার মিত্র। একথা আমার নয়। আমি মূর্খ। একথা ভগবানের গীতায় বলেছেন। [আবার গলা চড়িয়ে] প্রলোভনে পা দেবে না, দেবে না, দেবে না। নারী হতে সাবধান।

    কমল।। [ভয়ে ভয়ে আমার জীবনে আমার স্ত্রীই একমাত্র নারী।]

    রাজজ্যো।। মূর্খ, স্ত্রী নারী হলেও নারী নয়। সে হল তোমার শক্তি। জীবনের কতটুকু দেখেছ ছোকরা যে তর্ক করছ! তোমার জীবনে নারী প্রলোভন আসবে, ধরে থাকো।

    কমলা।। [ভয়ে ভয়ে] কাকে?

    রাজজ্যো।। শক্তিরূপিণী তোমার ওই স্ত্রীকে।

    [ছিপির প্যাঁচ ঘুরে যাওয়া সকালের সেই লোকটি কখন ঢুকে পড়েছে। ফাঁক পেয়েই বলে উঠল]

    লোক।। ডাক্তারবাবু, প্যাঁচ ঘুরে গেছে।

    বড়।। [অন্যমনস্ক] যাকগে ঘুরে, আবার সোজা হয়ে যাবে।

    লোক।। এ প্যাঁচ সে প্যাঁচ নয়, শিশির প্যাঁচ।

    বড়।। [তাকিয়ে] কী বলতে চাইছ?

    লোক।। আপনি যে ওষুধটা দিয়েছিলেন সেই ওষুধের সিল করা ছিপির প্যাঁচ ঘুরে গেছে। খুলছে না, শুধু ঘুরেই যাচ্ছে। নটার ওষুধ খাওয়া হয়নি।

    বড়।। বাড়িতে দরজা আছে?

    লোক।। হ্যাঁ আছে। পুবদিকে একটা, পশ্চিমদিকে একটা, দক্ষিণ দিকে একটা। উত্তরে তো কোনো দরজা নেই।

    বড়।। [অবাক হয়ে] তোমাকে উত্তরের দরজার কথা বলেছি। বলেছি দরজার কথা। যে—কোনো একটা দরজা ও পাল্লার মাঝখানে ছিপিটাকে চেপে ধরে ঘোরাও।

    লোক।। ঘুরিয়ে ছিলাম।

    বড়।। তা কী হল?

    লোক।। [হতভম্ব হয়ে বলল] ভেঙে গেল, সব ওষুধ মাটিতে।

    বড়।। বাঁচা গেছে।

    লোক।। অনেক টাকা দাম, আর যে কেনার পয়সা নেই, একটা ফ্রি স্যাম্পেল।

    বড়।। ঠিক আছে, পরে এসো।

    লোক।। [তবু না গিয়ে] আমার আর একটা প্রশ্ন আছে ডাক্তারবাবু। নাভিশ্বাস কাকে বলে?

    বড়।। যে শ্বাস নাভি থেকে ওঠে।

    রাজজ্যো।। এই প্রশ্নের ওই উত্তর হল। শোন বাবা, নাভিশ্বাস দু’রকমের আছে। সাধকের নাভি থেকে যে শ্বাস ওঠে তাকে বলে প্রাণায়াম, আর সাধারণ মানুষের যে শ্বাস নাভি থেকে ওঠে তাকে বলে মৃত্যু। কার উঠেছে?

    লোক।। আমার মায়ের।

    রাজজ্যো।। পূর্বদিকে মাথা, পশ্চিমদিকে পা। মাথার দিকের দেয়ালে মা কালীর ক্যালেন্ডার। ডানপাশে জানালার বাইরে একটা নারকেল গাছ। বাড়িতে ঢোকার মুখে একটা নর্দমা। মাথার বালিশের ওয়াড়টা ময়লা। বিছানায় যে তোশক পাতা তার জায়গায় জায়গায় তুলো ঢেলা পাকিয়ে আছে। যে খাটে শুয়ে আছেন তার তলায় পিচবোর্ডের বাক্সে একগাদা পুজোর বাসন। ঘরের আলোর শেডে ঝুল। ঘরে ঢোকার মুখের পাপোশ ছেঁড়া ছেঁড়া। বাথরুমের একটা কল ঠিকমতো বন্ধ হয় না। ফোঁটা ফোঁটা জল পড়েই যাচ্ছে কী মিলছে?

    লোকটি।। [ভয়ে ভয়ে] হ্যাঁ, সবই মিলছে।

    রাজজ্যো।। দ্বাদশীর শেষ রাতে তোমার মা পুষ্পক রথে চড়ে সপ্তম স্বর্গে প্রস্থান করবেন। বাবা দুঃখ কোরো না। শঙ্কর বলছেন, যাবৎ জনমং তাবৎ মরণং। জীবের ধর্মই হল আজ আছে কাল নেই।

    লোক।। আপনি কিছু করতে পারেন না? মায়ের মৃত্যুটা আমার কাছে বড়ো কথা নয়। সব মা—ই মরবেন, আমার মা—ও মরবেন। কথাটা হল মা মারা গেলেই দাদা আর বউদি আমার পিছনে লাথি মারবে।

    রাজজ্যো।। শোনো, শোনো, ভাগ্য বদলানো যায় না। কারুর বাবার ক্ষমতা নেই। জগদবিখ্যাত প্রাণবল্লভ তোমার কী করবেন, যদি রাধবল্লব তোমায় রক্ষা না করেন? ভাগ্যের সঙ্গে লড়াই করবার জন্য প্রস্তুত হও।

    লোক।। কীভাবে মহারাজ?

    রাজজ্যো।। উঁহুঃ আমি রাজাও নই, মহারাজাও নই। আমি কৃষ্ণদাস। তোমাকে একটা উপদেশ দিই। রোজ সকালে ডন—বৈঠক মারো। পঞ্চাশটা ডন, একশোটা বৈঠক। তারপর…..

    লোক।। [উদগ্রীব হয়ে] তারপর?

    রাজজ্যো।। দাদা ঘুষি মারার আগেই দাদাকে ঝেড়ে দাও এক ঘুষি। শোন বাবা, পৃথিবীর নিয়ম আর ভগবানের নিয়ম দুটো আলাদা। দুটো আলাদা শাস্ত্র। ভুল করো না ভাগ্যটাই সব নয়। পুরুষকার বলে একটা কথা আছে। মারের বদলা মার প্রেমের বদলা প্রেম। যাও, যাও, বাড়ি যাও, আমাদের এখন একটু অন্য আলোচনা হবে।

    লোকটি।। আমি একটু বসে শুনতে পারি?

    বড়।। শুনতে পারবে কিন্তু কোনো প্রশ্ন করতে পারবে না।

    লোক।। আমার একটাই প্রশ্ন, পাথর চাপা বরাত কি খোলা যায়?

    রাজজ্যো।। এই তো, নিজের প্রশ্নের উত্তর নিজেই দিয়ে দিয়েছ। পাথরটা সরাতে হবে। কেউ সরিয়ে দেবে না। তুমি নিজে সরাবে। পাথর মানে কী? ভারী একটা জিনিস। সরাতে শক্তি চাই। তাহলে একটু আগে বলেছি ডন—বৈঠক মারো। আর ভিজে ছোলা খাও।

    লোক।। কোনও ধারণ—টারণ?

    রাজজ্যো।। [একটু রাগ রাগ গলায়] হিরে পরাতে পারবে? হিরে! ষাট হাজার টাকা দাম।

    লোক।। আজ্ঞে না।

    রাজজ্যো।। তাহলে হয়ে গেল।

    লোক।। আপনি সকলকেই সব বিধান দিচ্ছেন, আমি গরিব বলে তাড়িয়ে দিচ্ছেন।

    রাজজ্যো।। শোনো, তোমার ওই ক্যাটক্যাটে কথা না ছাড়লে তোমার ভাগ্য ফিরবে না। আসলে তুমি একটা নির্বোধ।

    বড়।। তুমি যাবে?

    লোক।। না গেলে কী করবেন?

    বড়।। ওরে কুসি, এ যে ক্রমশ বাঁকছে।

    রাজজ্যো।। আমি এক মিনিটে সোজা করে দিতে পারি।

    বৃদ্ধ।। আমি সব ঠিক করে দিচ্ছি। [লোকটিকে নিয়ে বাইরে চলে গেলেন]

    বড়।। কতরকমের উৎপাত আছে?

    রাজজ্যো।। উৎপাত তো থাকবেই। শোনো, উনুনে দুধ বসালেই ওতলাবে। জান তো ক্রোধ হচ্ছে ষড়রিপুর দ্বিতীয় রিপু। সারা পৃথিবীতে এই ক্রোধের খেলা। [হঠাৎ উঁচু গলায়] শক্তি, শক্তি। জাগো মা।

    [ন’বউ চা নিয়ে ঘরে প্রবেশ করল]

    ন’বউ রেখা।। এই যে চা, তলায় এক চামচে মধু, এই দেখুন রস ছাড়ছে।

    রাজজ্যো।। [কাচের গেলাসটাকে আলোর দিকে তুলে] মনটাকে করতে হবে এইরকম স্বচ্ছ। এইরকম উষ্ণ। তবেই না সেই অমৃতস্বরূপিণী মধুক্ষরণ করবেন।

    বড়।। আমার কয়েকটা প্রশ্ন ছিল।

    রাজজ্যো।। বলো।

    বড়।। আমি এমন একটা শক্তি চাই, যাতে সমস্ত মানুষের ভিতরটা দেখা যায়। যেমন এন্ড্রোস্কোপি ছাড়াই আমি মানুষের স্টমাকটা দেখতে পাব। সিস্টোস্কোপি ছাড়াই ব্লাডারের মধ্যে ঢুকে যাব। অ্যাঞ্জিওগ্রাফি ছাড়াই হৃদয়ে প্রবেশ করব। স্ক্যানিং ছাড়াই ঢুকে যাব মানুষের খুলির তলায়।

    রাজজ্যো।। এই চাহিদাটা তো জাগতিক চাহিদা। আধ্যাত্মিক কিছু চাও।

    বড়।। [ভালোমানুষের মতো] মানুষের দেহটা আধ্যাত্মিক নয়?

    রাজজ্যো।। দূর পাগলা পঞ্চভূতের এই দেহ পঞ্চভূতেই মিশে যাবে। ক্ষিতি, অপ, তেজ, মরুৎ, [বোমা ফাটার মতো] ব্যোম।

    [ভিতরে বাসন পড়ে যাবার ভীষণ শব্দ]

    কুসি।। যাঃ, সব ভেঙে শেষ করে দিল।

    গান্ধারী।। মনে হয় সেই হুলোটা। জানো বড়দা, তোমার মুজাহিদ আজ গোটা একটা মাছ মুখে নিয়ে পাঁচিলে উঠে সাবড়েছে। তুমি যদি শিক্ষা দিতে না পারো আমিই দেব।

    রাজজ্যো।। আঃ, সাংসারিক কথাবার্তা কেন রে পাগলি? কার মাছ কে খায়। সবই ভাগ্য।

    গান্ধারী।। আজ্ঞে মুখ্যু মানুষ, এই যে একটু আগে বললেন ভাগ্য বলে কিছু নেই।

    রাজজ্যো।। সেটা ওই নির্বোধকে বলেছি। জানিস, সমস্ত মানুষই ভাগ্যের চাকায় বাঁধা। রবি, চন্দ্র, বৃহস্পতি, শুক্র, মঙ্গল, বুধ, শনি, কেতু, রাহু। সবসময় জানবে আমরা গ্রহের দাস। তাহলে উপায়? [আঙুল তুলে সেজভাইকে দেখিয়ে] বল টেক্সটাইল মাস্টার উপায়।

    [জনে জনে সকলের দিকে আঙুল তুলে বারকতক উপায় উপায় করলেন। তারপর ঠক করে কাচের গেলাসটা টেবিলে রেখে হা হা করে হাসতে লাগলেন।]

    রাজজ্যো।। উপায় আছে রে, উপায় আছে। সর্বধর্মান পরিত্যজ্য মামেকং শরণং ব্রজ। অহং ত্বাং সর্বপাপেভ্যো মোক্ষয়িষ্যামি মা শুচঃ। [আবার সকলের দিকে একে একে তাকিয়ে] মানে? [অল্প হেসে] কেউ জানো না। কেউ জানো না। একজন ডাক্তার, একজন ইঞ্জিনিয়ার, একজন আর্টিস্ট, একজন দার্শনিক। সেই দার্শনিকটি কোথায়?

    [মেজভাই ঠিক সেই মুহূর্তে প্রবেশ করলেন]

    মেজ।। এই যে আমি। অনেকদিন পরে এলেন।

    রাজজ্যো।। অধ্যাপক, গীতার শেষ শ্লোকটা বলো তো।

    মেজ।। আজ্ঞে, সেই সর্বধর্মাণ পরিত্যজ্য?

    রাজজ্যো।। হ্যাঁ, ওর মানে কী?

    মেজ।। শ্রীভগবান বলছেন, তুমি সকল প্রকার ধর্ম ও অধর্ম পরিত্যাগ করে একমাত্র আমাকেই আশ্রয় করো।

    রাজজ্যো।। ব্যস, ব্যস, ব্যস, ওই জায়গাটাতেই ধরো। আমাকেই আশ্রয় করো। এই আমিটা কে?

    মেজ।। এই আমিটা শ্রীভগবান।

    রাজজ্যো।। হুঁ হুঁ, হল না। এটা সেই চিরাচরিত ব্যাখ্যা। এই আমি হল তুমি নিজে। নিজেকে ধরো। নিজেকে ধরলেই দেখতে পাবে পাপও নেই, পুণ্যও নেই। কর্মও নেই, অকর্মও নেই। প্রেমও নেই, ঘৃণাও নেই। আছে শুধু ইন্দ্রিয়। ছটি ফোকর দিয়ে জগৎ আর জীবনকে দেখছ বাবাজীবন। ছটা জানালায় ছ’রকমের কাচ। একটা লাল, সেটা কাম, একটা ক্রোধ, সেটা হল কমলালেবুর রং, একটা লোভ, সেটা হল পিত্তি রং, একটা মোহ, সেটা হল ধোঁয়াটে রঙ। আর একটা মদ, সেটা হল মদের রঙ। আর একটা মাৎসর্য, সেটা হচ্ছে কুচকুচে কালো। যে জানলায় চোখ রাখবে ঠিক সেই রঙের পৃথিবী দেখবে। তাহলে উপায়? এ দেহটাকে তো নাশ করা যায় না। যায়? যায় না। বড়ো প্রেমের জিনিস, বড়ো প্রিয় জিনিস। তাহলে উপায়?

    মেজ।। নিরুপায়।

    রাজজ্যো।। ধুৎস। পণ্ডিত মানুষ হয়ে এই কথা, উপায় থাকবে না? সবকিছুর উপায় আছে। তাহলে শোনো শ্রীভগবান কী বলছেন—ইন্দ্রিয়াণি পরাণ্যহুরিন্দ্রিয়েভ্যঃ পরং মনঃ। মনসস্তু পরা বুদ্ধির্যোবুদ্ধেঃ পরতস্তু সঃ। মানেটা কী?

    মেজ।। সত্যি কথা বলব। গীতা আমি তেমন পড়িনি। সংস্কৃত আমার জিভে জড়িয়ে যায়।

    রাজজ্যো।। শোনো, ইন্দ্রিয় হল শ্রেষ্ঠ। কোনও সন্দেহ নেই ইন্দ্রিয় শ্রেষ্ঠ। তুমিও জানো, আমিও জানি, রামও জানে, শ্যামও জানে। সব মানুষই জানে। কারা জানে না? বল, জানে না পশুরা। তা ইন্দ্রিয় শ্রেষ্ঠ হল তো কী হয়েছে। ইন্দ্রিয়ের ওপরে তো বসে আছে মন। আরে বেটা মনই তো ইন্দ্রিয়গুলোকে চালাচ্ছে। তুমি গাড়ি চালাচ্ছ, তোমার ফ্যাক্টরিতে তুমি মানুষ চালাচ্ছ। সেইরকম ইন্দ্রিয়কে চালাচ্ছে মন। চালাক। চালাতে দাও। মনের মাথার ওপর তো বুদ্ধি বসে আছে। মনের চেয়ে বুদ্ধি শ্রেষ্ঠ। এইবার বুদ্ধি তুমি যাবে কোথায়। বুদ্ধির মাথার ওপরে বসে আছে আত্মা। শুধু আত্মা নয় বলো পরমাত্মা। যেমন তোমাদের মাথার ওপর বসে আছেন তোমাদের বড়দা। সেই পরমাত্মার সঙ্গে বন্ধুত্ব করো। তাকে সন্তুষ্ট করো। [হঠাৎ সুর ঘুরিয়ে] একটু যেন খিদে খিদে পাচ্ছে।

    কুসি।। কী খাবেন বলুন?

    রাজজ্যো।। এই দেখো বোকা মেয়ে। খিদে পেলেই খেতে হবে? এটা কি মামার বাড়ি? দেহগত আত্মা অর্থাৎ জীবাত্মা যেই হুকুম করবে এইটা আমার চাই, সঙ্গে সঙ্গে সেটা দিয়ে দিতে হবে? পাগল, পাগল কোথাকার। দেবো না। ।[চিৎকার করে] কিছুতেই দেবো না। তুমি যা চাইবে ঠিক তার উলটো পাবে। তোমাকে উপোস করিয়ে মারব। বুঝলে কিছু। এটা টেকনোলজির যুগ। এটাই টেকনিক। নিজের কাছে সরে আসা। এক থাপ্পড়ে, এক থাপ্পড়ে ।[আরও জোরে] সব ঠান্ডা।

    গান্ধারী।। আপনি মাঝে মাঝে ওরকম আচমকা চেঁচিয়ে ওঠেন কেন?

    রাজজ্যো।। এই মেয়েটা ধরেছে। চমকে দেব বলেই আচমকা চেঁচাই, তা না হলে ভিতরে যে সব ঘুমিয়ে পড়বে। ওঠো, জাগো। কাকে বললুম? নিজে কিন্তু উঠছি না। বসে আছি, বসে থাকব। তাহলে কাকে বললুম? ভেতরে যে আছে তাকে।

    পরমা।। আমার একটা প্রশ্ন ছিল।

    রাজজ্যো।। প্রশ্ন করতে হবে কেন মা? আমি তো সব জানি। এই ঘরে যারা বসে তাদের সকলের মনের কথা আমি জানি। তুমি বলতে চাইছ তোমার কর্তার শরীরটা ঠিক যাচ্ছে না। রাতে ভালো ঘুম হয় না। ভোরের দিকে একটু ঘুমোয়। তাও পাতলা ঘুম, স্বপ্নে ভরা। কেন হবে না? এ যে যুগের ধর্ম। আকাঙ্ক্ষা। আমি একটা গান গাইব।

    কুসি।। গান না, গান না, হারমোনিয়াম আনব?

    রাজজ্যো।। কোনো দরকার নেই। সব বাদ্যযন্ত্র আমার গলায়, গানটা মন দিয়ে শোনো, উত্তর পেয়ে যাবে। অকারণ মন আশা/কোর না কোর না/যতই করিবি আশা/মিটিবে না সে পিপাসা/অপার সে আশা নদী/তাও কী মন জান না/ভিখারী বাসনা করে/হইতে চায় লক্ষপতি/লক্ষপতি হলেও সে হইতে চায় কোটিপতি/ইন্দ্রত্ব লভিলেও সে শিবত্ব করে কামনা।[গান শেষ, দমকা কাশি]।

    সবাই সমস্বরে।। কী হল, কী হল?

    রাজজ্যো।। [কাশির ফাঁকে কোনোরকমে বললেন] ম—ম—মশা ঢুকে গেছে।

    বড়।। [দুঃখের গলায়] তোরা কিছু স্প্রে করিসনি? তোদের নিজে আমি আর পারব না। পারব না। শিগগির একটু জল নিয়ে আয়।

    রাজজ্যো।। [কোনোরকমে] গিলব না, গিলব না, ম্যা, ম্যা।

    বড়।। [সঙ্গে সঙ্গে] ম্যালেরিয়া হবে না, ম্যালেরিয়া হবে না। এখানে একটা মশাও ম্যালেরিয়ার নেই। সব মেল মসকুইটো। আপনি ক্যাপসুলের মতো ঢোঁক করে গিলে ফেলুন।

    রাজজ্যো।। [মুখব্যাদান করে বারতিনেক হাঃ হাঃ হাঃ করলেন।]

    মেজ।। এটা মনে হয় জীবাত্মার কাজ। পরমাত্মার গলায় মশা ঢুকতে পারে না।

    রাজজ্যো।। এই ধরেছ ঠিক। ওই যে তিনবার হাঁ করলাম, ওইটাই পরমাত্মা।

    এই যে একটু আগে বলছিল না নাভি শ্বাস। সেই নাভিরশ্বাস দিয়ে মশাটাকে অনন্তে উড়িয়ে দিলুম।

    [কোথায় ঢ্যাং করে একটা শব্দ হল]

    রাজজ্যো।। শব্দটা শুনলে? কোথায় হল?

    বড়।। আজ্ঞে কাছাকাছি কোথায়।

    রাজজ্যো।। আরে না, শব্দটা আমি করলুম। একেই বলে অনন্তের সমাপ্তি ঘণ্টা। [কুসির দিকে তাকিয়ে] ও মেয়ে, জীবাত্মা যে এবার ফুলকো লুচি খেতে চাইছে। গাওয়া ঘিয়ের সুগন্ধ, জীবাত্মাই ওটা পরমাত্মার দিকে ঠেলে দেবে।

    গান্ধারী।। [বোকার মতো] আপনার ঘোড়াটা কী খাবে?

    রাজজ্যো।। [মুচকি হেসে] ফচকে মেয়ে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহরি ঘোষের গোয়াল – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    Next Article নিয়তি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    গুহা – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    হর-পার্বতী সংবাদ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সাজাহানের জতুগৃহ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    শ্রীকৃষ্ণের শেষ কটা দিন – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মনুষ্যক্লেশ নিবারণী সমিতি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মধুর এক প্রেমকাহিনি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }