Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মিত্তির বাড়ি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প56 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মিত্তির বাড়ি – ৪

    চার

    দাবার ছক, এপাশে ঝুঁকে আছে বড়, ওপাশে ঝুঁকে আছে মেজ।

    মেজ।। বড়দা, কিছু একটা কেরামতি করেছ মনে হচ্ছে? তোমার এই বোড়েটা তো এখানে ছিল না। এটা কোথা থেকে এল?

    বড়।। কোথা থেকে আসবে? ওটা ওখানেই ছিল।

    মেজ।। না, না, হতেই পারে না। আমি অনেকক্ষণ ধরে তাক করে আছি। ওই রুট দিয়ে ঢুকে তোমার রানীকে কব্জা করব। এটা তোমার জোচ্চুরি। তুমি কোন ফাঁকে ওটাকে তুলে এনে বসিয়েছ।

    বড়।। মিথ্যে কথা বলবি না মেজ। জীবন আর খেলা—দুটোতেই সত্যকে ধরে থাকবি।

    মেজ।। শোন বড়দা, এই দাবার ব্যাপারে তোমার একটা ব্যাড রেপুটেশন আছে। তোমার সঙ্গে যে খেলতে বসে সেই হারে। তুমি যদি দাবায় এতবড় চ্যাম্পিয়ান হবে তাহলে কারপভকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছ না কেন? তোমার যত কেরামতি বাড়িতে। আর সে কেরামতিটা হল জোচ্চুরি। কুসি আমায় আগেই সাবধান করেছিল—’মেজদা চোখ বুজিয়ে থেকো না, চোখ খোলা রেখো।’ আমি ওই উপদেশটাকেই একটু অ্যাডজাস্ট করে নিয়েছিলাম। চোখ বুজিয়ে মিট মিট করে দেখছিলাম তুমি কী করো। তুমি এদিক—ওদিক তাকিয়ে টুক করে ওটা ঠেলে দিলে।

    বড়।। তুমি স্বপ্ন দেখেছিলে মানিক। ওই ঘুঁটিটা প্রথম থেকেই ওখানে আছে।

    মেজ।। না, ওটা ছিল না।

    বড়।। দাদাকে জোচ্চোর বলতে লজ্জা করছে না? তোর অন্তরে লাগছে না?

    মেজ।। জোচ্চোরকে, জোচ্চোর বলব, অন্তরে লাগবে কেন?

    বড়।। তার মানে আমি একটা চিট!

    মেজ।। আমি ইংরেজি বলিনি জোচ্চোর আর চিট আলাদা ব্যাপার। আকাশ—পাতাল তফাত। চিট অনেক বড়ো ব্যাপার। সে তোমার দ্বারা হওয়া সম্ভব হবে না। তুমি ছিঁচকে চোর হতে পারবে, ডাকাত কোনোদিনই নয়।

    বড়।। ছিঁচকে চোর কথাটা ভালো হল? ছিঁচকে চোর, সিঁধেল চোর, ঘৃণ্য জীব। বরং ডাকাত অনেক রেসপেকটেবল।

    মেজ।। ঘুঁটিটা ওখান থেকে সরাও।

    বড়।। কেন সরাব?

    মেজ।। ওটা ওখানে ছিল না।

    বড়।। ওটা ওখানেই ছিল।

    মেজ।। না ছিল না।

    বড়।। হ্যাঁ ছিল।

    মেজ।। না, ছিল না।

    বড়।। কুসি, কুসি,

    [খুন্তি হাতে কুসির প্রবেশ]

    কুসি।। তোমাদের জ্বালায় বাড়ি ছেড়ে পালাতে হবে। তোমরা বিয়ে করো বাপু, বেঁচে যাই।

    বড়।। সে পরে দেখা যাবে। আগে তুই বল আমাকে তুই চোর বলেছিস। ছিঁচকে চোর। আমি নাকি ফ্রিজ খুলে চুরি করে মিষ্টি খাই। ছেলেবেলায় আমার জন্য মা আচারের বয়াম সিন্দুকে চাবি দিয়ে রাখত? শেষ জীবনে আমি ডাকাতি করব? আমি ব্যাগ দেখলেই খুলে টাকা সরাই, সেজবউয়ের কানের দুল বিক্রি করে আমি বাদাম ভাজা খেয়েছি।

    মেজ।। দাঁড়াও, দাঁড়াও, তুমি এসব কী বলছ?

    বড়।। আরে দাঁড়া, দাঁড়া। কুসির নাম করে তুই যা বলেছিস, তারপর এইগুলোই আসে। একটা রোগের পিছনে পিছনে দশটা রোগ জোটে।

    কুসি।। কী হয়েছে বলবে তো?

    মেজ।। আরে সেই ওল্ড কেস। খেলতে খেলতে অন্যমনস্ক হয়েছি অমনি ঘুঁটি সরিয়েছে।

    কুসি।। বড়দা, এই রোগটা তোমার আছে। তুমি যখনই আমার সঙ্গে লুডো খেলতে বসেছ তখনই আমি গোহারান হেরেছি। তুমি পাঁচ ফেলে ছয়ের চাল দাও। আঙুলের কায়দায় ছক্কা ফেলো। এ তোমার অনেক দিনের ব্যামো। তোমার ভেতর স্পোর্টসম্যান স্পিরিট নেই। তুমি হারতে ভয় পাও, খালি হারাতে চাও।

    বড়।। তার মানে আমি ক্যারেকটারলেস। আমি একটা বদ লোক। তাহলে কাল থেকে তোরা আমাকে দাদা বলিস না।

    মেজ।। তুমি আচ্ছা ক্রুকেড লোক তো!

    বড়।। ক্রুকেড মানে?

    মেজ।। বাঁকা লোক।

    বড়।। আর তুমি ভারি সোজা লোক।

    [কুসি খেপে গিয়ে দাবার ছকটক সব উলটে দিল]

    কুসি।। তোমরা যদি আর কোনোদিন দাবা খেলতে বসেছ তাহলে এই খুন্তি গরম করে ছ্যাঁকা দেব।

    বড়।। তা তুমি দিতে পারো। বড়ভাইকে যখন চোর বলতে পারো, তখন ছ্যাঁকাও দিতে পারো।

    কুসি।। তোমার এখন এক কাপ চা খাওয়া দরকার।

    বড়।। থাক, থাক, অত খাতিরে প্রয়োজন নেই। পয়সা ফেলব, মোড়ের দোকান থেকে খাব।

    কুসি।। তোমার অনেক পয়সা আছে। সে আমরা জানি। তবে আমার হাতের চায়ের মতো চা কোথাও পাবে না।

    বড়।। কোন হাত? যে হাত খুন্তি ছ্যাঁকা দেয়। আমি জানি যেদিন আমার মা মারা গেছেন সেদিন থেকে আমার আদরও চলে গেছে। আর এই মেজ জ্ঞানের অহংকারে একবারে ফেটে পড়ছে। অধ্যাপক, অধ্যাপক।

    মেজ।। বড়দা, তুমি তিলকে তাল করছ।

    বড়।। আজ্ঞে না। আমি তালকে তিল করছি। তোমরা যা বলেছ, অন্য কেউ হলে গৃহত্যাগ করত।

    মেজ।। শোনো বড়দা, এই গৃহত্যাগের কথা যখন বললে তখন আমার স্ট্যাটিসটিক্সের কথা শোনো। আমি জনে জনে জিজ্ঞাসা করে দেখেছি গৃহত্যাগ করে কে কতদূর যেতে পেরেছে। ওই গেট পর্যন্ত, কিংবা গেটের বাইরে রাস্তা পর্যন্ত। একজনই একটু বেশিদূর পর্যন্ত গিয়েছিল, ওই মোড়ের মাথার ল্যাম্পপোস্ট পর্যন্ত। রাত এগারোটার সময় পান—বিড়ির দোকান বন্ধ করতে করতে দোকানদার বলল, আমি তো চললাম, আপনি কী করবেন? সে তখন কাঁদো কাঁদো হয়ে বললে, ভাই বাড়িতে একটু বলে পাঠাও না আমি এখানে দাঁড়িয়ে আছি, একবার ডাকলেই যেতে পারি। অতএব গৃহত্যাগ করার আগে ভেবে নাও কোথায় যাবে, কার কাছে।

    বড়।। আমার যাবার অনেক জায়গা আছে।

    কুসি।। ঠিক আছে জায়গাগুলো বলো।

    বড়।। যেমন ধর, যেমন ধর, যেমন ধর, [হতাশ হয়ে] যাবার কোথাও জায়গা নেই রে। এক কাপ চা—ই খাওয়া।

    মেজ।। পথে এসো। শোনো বড়দা, আমরা যে গোয়ালে আছি সেই গোয়ালেই মিলেমিশে থাকতে হবে। তুমি হলে বড়ো ষাঁড়, আমি হলুম মেজ ষাঁড়, ভাইগুলো সব ষণ্ড, আর…

    কুসি।। আর এগিয়ো না মেজদা।

    [দরজার কাছে গলা] আসতে পারি?

    কুসি।। আরে প্রমোদ জ্যাঠা!

    প্রমোদবাবু।। [ঢুকতে ঢুকতে] অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা নিয়ে আমি তোমাদের কাছে এলাম। দ্যাখো এ পাড়ায় আমার নাম মি. অ্যাংজাইটি। কিন্তু তোমরাই বলো, দুশ্চিন্তা না করে থাকা যায়? এটা কী একটা দিনকাল! কোনো ভদ্রলোক এভাবে বাঁচতে পারে! [সুর করে] বসতে পারি?

    বড়।। হ্যাঁ, হ্যাঁ, বসুন, বসুন। আপনার জন্ডিস হয়েছিল, কেমন আছেন?

    প্রমোদ।। অ্যাই, ভালো কথা জিজ্ঞাসা করেছ। জন্ডিসে কী হয় তুমি জানো?

    কুসি।। আপনি চা খাবেন?

    প্রমোদ।। অবশ্যই।

    বড়।। তার মানে লিভার ভালো যাচ্ছে।

    প্রমোদ।। ডাক্তার হয়ে এ কথাটা কী করে বললে? চায়ের সঙ্গে লিভারের কী সম্পর্ক? [কুসি এই ফাঁকে বেরিয়ে গেছে] চায়ের সঙ্গে লিভারের কী সম্পর্ক? গলায় চা ঢালবে সড়াক করে স্টমাকে পৌঁছে যাবে? সেখান থেকে জলীয় পদার্থ তার পথ বেয়ে বেরিয়ে যাবে। আর চায়ের কষটা লেগে যাবে পাকস্থলীর ভিতরের দেওয়ালে। তাহলে কী হল? চায়ের সঙ্গে আলসারের সম্পর্ক। লিভারের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই। তবে হ্যাঁ, জন্ডিসের সঙ্গে লিভারের সম্পর্ক আছে।

    বড়।। জল ফুটিয়ে খাচ্ছেন?

    প্রমোদ।। জল ফুটিয়ে! আমার জন্য এত তদারকি কে করবে? তোমাদের জীবনের দাম আছে। আমার জীবনের কী দাম?

    মেজ।। আপনি একসময় কত ভালো বেহালা বাজাতেন?

    প্রমোদ।। একালে বেহালা বাজালে লোকে মারতে আসবে। বেহালা নাকি শুধু কাঁদতে জানে। কথাটা খুব মিথ্যে নয়। যাত্রা, থিয়েটার, সিনেমায় কান্নার সিন হলেই বেহালা বেজে ওঠে।

    মেজ।। বেহালায় আপনি ক্লাসিক্যাল সুর—টুর বাজাতে পারেন। সময়টা ভালো কাটবে। বিদেশি কনসার্টে একসঙ্গে পঞ্চাশটা বেহালা বাজে।

    প্রমোদ।। বিদেশের সঙ্গে কেন তুলনা করছ? তোমরা শুনেছ?

    বড়।। কী হল আবার?

    প্রমোদ।। কিডন্যাপিং। এপাড়ায় ঢুকে পড়েছে। সকাল থেকে সুজনের মেয়েটাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। বউমাদের ডাকো।

    [ডাকাডাকি। পরমা ও রেখা দুজনেই ঘরে ঢুকল]

    দুজনে একসঙ্গে।। জ্যাঠামশাই!

    প্রমোদ।। তোমাদের সাবধান করতে এলুম। বাচ্চা দুটোকে সাবধানে রেখো, চোখে চোখে। সুজনের বাচ্চা মেয়েটাকে কিডন্যাপ করে নিয়ে গেছে। এইবার চিঠি আসবে দশ লাখ টাকা ছাড়ো।

    রেখা।। থানায় ডায়েরি করেছে?

    প্রমোদ।। আর ডায়েরি। পুলিশ কী করবে? সে কি আর এদেশে আছে?

    পরমা।। কত পুলিশ, এক একটা থানায় গিজগিজ করছে পুলিশ, পুলিশ নেই?

    প্রমোদ।। আমি পুলিশের কথা বলিনি। আমি মেয়েটার কথা বলছি। সে এতক্ষণে পাঞ্জাব কী হরিয়ানায় পাচার হয়ে গেছে। দুবাইতেও চলে যেতে পারে।

    রেখা।। এইটুকু সময়ের মধ্যে দুবাই চলে যাবে?

    প্রমোদ।। মডার্ন টেকনোলজির যুগে মানুষের স্পিড কী বেড়েছে। হু হু শব্দে সব ছুটছে। ও হ্যাঁ, স্পিডের কথায় মনে পড়ল। ডাক্তার, তুমি কি রোজ ওই স্পিডে গাড়ি চালাও?

    বড়।। কোন স্পিডে?

    প্রমোদ।। ওই যে আজ হুস করে চলে গেলে আমার পাশ দিয়ে। তুমি জানো কীরকম দুর্ঘটনা হচ্ছে। কালকে আমার চোখের সামনে একটা গাড়ি একটা অটোকে মারল। অটোটা ছিটকে রাস্তার ধারে গিয়ে পড়ল চায়ের দোকানে বসে তিনজন খবরের কাগজ পড়ছিল তাদের ঘাড়ে। ব্যস ছ’টা খতম।

    বড়।। ছজন কোথা থেকে এল?

    প্রমোদ।। আরে তিনজন তো অটোয় ছিল।

    মেজ।। ছজনেই মারা গেল?

    প্রমোদ।। সঙ্গে সঙ্গে কী গেল। যখন মেরেছে তখন ছটাই যাবে। জীবনের কোনো দাম নেই, কোনো দাম নেই। চারপাশে ফুটকড়াই—এর মতো লোক। পিলপিল করছে গাড়ি। যাবে কোথায়? এইভাবেই পপুলেশন কন্ট্রোল হচ্ছে।

    [গান্ধারী চা নিয়ে ঢুকল]

    গান্ধারী।। এই নিন, গরম গরম দার্জিলিং চা।

    প্রমোদ।। এই শোনো, তুমি আজ সেফটিপিন দিয়ে দাঁত খুঁটছিলে?

    গান্ধারী।। কখন?

    প্রমোদ।। যদি না খুঁটে থাকো ভালো। আর যদি ওই অভ্যাস থাকে তাহলে ছাড়ো। আজ আমাদের পাশের বাড়ির কার্তিকের মা হাসপাতালে গেল। দাঁতের গোড়ায় সেফটিপিন দিয়ে খোঁচা মেরেছিল। সেপটিক।

    গান্ধারী।। তাই বলুন, আমি তো ভয় পেয়ে গেছি।

    প্রমোদ।। [মেজকে] শোনো শোনো, চা সবসময় ঠান্ডা করে খাবে। অত গরম চা খেলে পেটের লাইনিং নষ্ট হয়ে যায়।

    বড়।। তা আপনার শরীর এখন কেমন আছে?

    প্রমোদ।। আর শরীর! ক্যানসার কেমন হচ্ছে দেখেছ ডাক্তার। ঘরে ঘরে ক্যানসার। জানো, আমার খুব অম্বল হয়। আজকাল শুনছি ডাক্তাররা অম্বলের কারণ খুঁজে পায় না। খালি অ্যান্টাসিড খাওয়ায়। একবারও ভাবে না ওটা ক্যানসার হতে পারে। এই যে আমার থেকে থেকে কাশি হয়, এই কাশিটা কি সেই কাশি?

    মেজ।। কোন কাশি? বারাণসী?

    প্রমোদ।। খুব অফেনডেড হলুম। আমি একজন বয়স্ক লোক। তোমাদের কাছে আসি পাঁচটা কথা বলতে। তুমি ঠাট্টা করছ?

    বড়।। না, না, আমিও তো বুঝতে পারলাম না, কাশি তো কাশিই হবে।

    প্রমোদ।। শোনো, আমার অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, সব কাশি কাশি নয়। কিছু কাশি হল লাঙ ক্যানসার। তোমরা কী বলতে পারো তোমাদের কারুর ক্যানসার হয়নি বা হবে না?

    বড়।। তা কী করে বলব? হতেই পারে।

    প্রমোদ।। তাহলে ক্যানসার নিয়ে ঠাট্টা করছ কেন?

    বড়।। কই ঠাট্টা করিনি তো।

    প্রমোদ।। ঠাট্টা না করলেই ভালো, ও হ্যাঁ, ভুলে যাবার আগে জিজ্ঞাসা করেইনি, আমার চোখের দৃষ্টি ক্রমশই কমছে। একটা ব্রেন স্ক্যান করানো দরকার।

    বড়।। স্ক্যান, স্ক্যান করতে যাবেন কেন?

    প্রমোদ।। আরে শোন, আমার জ্যাঠতুতো ভাইয়ের বউয়ের এইরকম পাওয়ার ঘন ঘন চেঞ্জ হচ্ছে। শেষে ধরা পড়ল ব্রেন টিউমার। টিউমারটি তখন বিশাল হয়ে গেছে। এখন ডাক্তাররা বলছেন কিস্যু করার নেই।

    বড়।। আপনার দৃষ্টিশক্তি কমছে বয়সের জন্য। একে বলে চালসে।

    প্রমোদ।। কী কথাই বললে, আমাদের ফ্যামিলিতে কারুর কখনোই চালসে হয়নি। আমার বাবা আশি বছর বয়সে খালি চোখে পাখি ছুঁচে সুতো পরাতেন।

    বড়।। তাহলে স্ক্যান করান। খরচটা কত জানেন তো?

    প্রমোদ।। সে করাতেই হবে। আমার বাবা একটা কথা বলতেন, এ স্টিচ ইন টাইম সেভস নাইন। বাঃ চা—টা বেশ ভালো হয়েছে তো। কত টাকার।

    বড়।। কে জানে, কুসি আনায়।

    প্রমোদ।। [একটু বাঁকা হেসে] তোমরা সংসারের কিছু দ্যাখো না, ওই মেয়েটার ঘাড়ে ফেলে রেখেছ। আছে অনেক তাই বুঝতে পারছ না। যে জন দিবসে মনের হরষে জ্বালায় মোমের বাতি। পরের লাইন?

    মেজ।। ও কুসি জানে।

    প্রমোদ।। সবই তোমাদের কুসি। মেয়েটার বিয়ে দিচ্ছ না কেন?

    মেজ।। ও বিয়ে করবে না।

    প্রমোদ।। আমার মাসিমাও বিয়ে করেননি। শেষকালটায় মাথার গোলমাল হয়ে গেল। প্রকৃতির বিরুদ্ধে গেলেই সপাটে ঝাপটা মারবে। মারবেই মারবে। [সুর করে]  এই যে এত ইউটেরাসে ক্যানসার হচ্ছে, কেন হচ্ছে? একটা রিপোর্টে পড়েছিলুম…

    বড়।। অসুখের কথা থাক না জ্যাঠামশাই। ওতে মন দুর্বল হয়ে যায়।

    প্রমোদ।। বাজে কথা, পুরানো কথা, জেনে রাখো প্রিভেনশান ইজ বেটার দ্যান কিয়োর। আচ্ছা, তোমরা কী জুতো পর?

    বড়।। জুতোয় চলে গেলেন?

    প্রমোদ।। কেন গেলুম জানো। মুখ খোলা জুতো হলে ভয় নেই। শু হলেই বিপদ।

    মেজ।। বিপদ কেন? কড়া পড়বে পায়ে?

    প্রমোদ।। কড়াতে মানুষ মরে না। কাঁকড়াবিছের কামড়ে মানুষ মরে যেতেও পারে।

    বড়।। জুতোর সঙ্গে কাঁকড়াবিছের কী সম্পর্ক?

    প্রমোদ।। আছে, আছে। কিছুই জানো না, জন্মে বসে আছ। ওই মুখবন্ধ জুতোর মধ্যে কাঁকড়াবিছে ঘাপটি মেরে থাকে। সেদিন সন্তোষকে অ্যায়সা মেরেছে। তিনদিন যমে মানুষে টানাটানি। বাচ্চাদের কেডস, তোমাদের শু সবসময় ঠুকে পরবে।

    মেজ।। কাঁকড়াবিছে কোথা থেকে আসবে?

    প্রমোদ।। যখন আসবে তখন বুঝবে কোথা থেকে আসে।

    বড়।। কিছু আশার কথা বলুন না।

    প্রমোদ।। আশার কথা থাকলে কী বলতাম না। এটা হচ্ছে নিরাশার যুগ। এই যে তোমাদের বাড়ির ইলেকট্রিক্যাল ওয়্যারিং কত বছর আগে চেক করিয়েছ?

    বড়।। তা পাঁচ বছর হবে।

    প্রমোদ।। অদ্ভুত। তোমরা এক একটি ভূত। নাকে সর্ষের তেল দিয়ে ঘুমোচ্ছ। প্রত্যেক ছয় মাস অন্তর চেক করানো উচিত। আমাদের ওয়েদার তো ভালো নয়। ধরো তোমরা সবাই ঘুমোচ্ছ, মাঝরাতে শর্ট সার্কিট হয়ে আগুন ধরে গেল। ভোরবেলা সব ছাই।

    মেজ।। তা কেন হবে?

    প্রমোদ।। শিক্ষিত লোকের মুখে কী অশিক্ষিত কথা। সামান্য শর্ট সার্কিটে কতবড়ো থিয়েটারটা পুড়ে গেল। বাঙালির সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য।

    বড়।। কোন থিয়েটার?

    প্রমোদ।। আরে স্টার। স্টার—এর কথা বলছি।

    বড়।। জ্যাঠামশাই, রাত হল দিনকাল ভালো নয়, এইবার আপনি বাড়ি যান।

    প্রমোদ।। বাড়ি! এত তাড়াতাড়ি আমি বাড়ি ফিরি না। যাক, তোমাদের এখানে এককাপ চা খেলুম। এইবার একবার পঞ্চাননের কাছে যাই। খবর পেলুম ওদের বাড়িতে আজ মালপো হয়েছে।

    মেজ।। আপনি এখানে খেয়ে যান না।

    প্রমোদ।। পাগল হয়েছ? আমি কী ভিখিরি যে চেয়ে চেয়ে খাব! তোমরা যদি আগে বলতে, তাহলে ভেবে দেখা যেত। আচ্ছা আসি বাবা। তোমরা ভালো থেকো, সাবধানে থেকো, আর ছোটোদের নাগালের মধ্যে দেশলাই রেখো না। ও যে কী মারাত্মক জিনিস! বাথরুমে গিজার আছে নাকি?

    বড়।। [অপরাধীর গলায়] আজ্ঞে আছে।

    প্রমোদ।। হয়ে গেল। ও একদিন মারবেই। একমাত্র উপায় বাথরুমে একটা কাঠের পিঁড়ি রেখো। ওই কাঠের পিঁড়ের ওপর দাঁড়িয়ে যা করার কোরো।

    [প্রমোদবাবু বেরিয়ে গেলেন। বড় মেজকে জিজ্ঞাসা করলেন ]

    বড়।। কী বুঝলি?

    মেজ।। সব কথাই শোনার মতো। মানুষকে মারার মেশিন ফিট হয়েই আছে। বেঁচে থাকাটাই আশ্চর্যের।

    [গান্ধারী ঝাঁ ঝাঁ করে ঢুকল।]

    গান্ধারী।। তোমার মুজাহিদ, আদরের মুজাহিদ।

    বড়।। কী করেছে?

    গান্ধারী।। তোমার পাখির খাঁচার মাথার ওপর উঠে বসে আছে।

    বড়।। সেকী রে। নামা নামা।

    গান্ধারী।। সে আমি নামিয়ে দিয়েছি। এই নিয়ে তিনবার হল। পাখিগুলো ভয়ে চিৎকার করছে। একই বাড়িতে বেড়াল, কুকুর, পাখি, খরগোশ এমন দেখিনি বাপু। প্রত্যেকটাই প্রত্যেকের শত্রু।

    বড়।। কেন জঙ্গলে? একই জঙ্গলে বাঘ, ভাল্লুক, সিংহ, হরিণ থাকে না?

    গান্ধারী।। মরেও তেমনি।

    বড়।। তা মরুক।

    গান্ধারী।। বেশ তাহলে মরুক। কিন্তু মরার পর মেজাজ খারাপ কোরো না। সেদিন একটা পাখি মরেছিল, আমরাও মরতে বাকি ছিলাম।

    বড়।। সব ব্যাপারটাই নির্ভর করে ট্রেনিং—এর ওপর। তোর বড়ো মুখ হয়েছে গান্ধারী।

    গান্ধারী।। সত্যি কথা বললেই মুখ হয়ে গেল!

    [গান্ধারী বেরিয়ে গেল]

    মেজ।। আর একদান বসবে নাকি?

    বড়।। জোচ্চোর বলবি না?

    মেজ।। জোচ্চুরি না করলে, বলব না।

    বড়।। তাহলে লাগা।

    [দাবার ছক পড়ল এমন সময় টেলিফোন। বড় উঠে গিয়ে ফোনে]

    বড়।। হ্যালো।

    বড়।। ড. মিত্র বলছি।

    বড়।। হ্যাঁ, কী হয়েছে?

    বড়।। কে?

    বড়।। আপনার স্ত্রী?

    বড়।। ভেরি স্যাড।

    বড়।। এ তো ভাই আমি কিছু করতে পারব না। সোজা হাসপাতালে নিয়ে যান। এ তো পুলিশ কেস হবে।

    বড়।। মানবিকতা।

    বড়।। না মশাই, ও কথায় আর ভুলছি না। এখন দিনকাল বড়ো খারাপ, সোজা হাসপাতালে কিংবা নার্সিংহোমে নিয়ে যান।

    [বড় ফোন নামালেন]

    মেজ।। কী হল?

    বড়।। আগুন।

    মেজ।। কোথায়?

    বড়।। ওই যে প্রোমোটার হয়েছে। বিষ্ণুবাবু। ওর বউ। বলছে রান্না করতে গিয়ে… কেউ কি তা বিশ্বাস করবে? একালে মেয়েদের কিছু হলে রক্ষে নেই। হাজতবাস। তার আগে গণধোলাই, বাড়ি ভাঙচুর। আমরা বিয়ে না করে বেশ আছি বল। শুধু তোর সঙ্গে আমার যদি একটু মনের মিল হত?

    মেজ।। এটা সিরিয়াসলি বললে?

    বড়।। ধ্যুর। আমাদের ভালোবাসা, অবিচ্ছিন্ন বন্ধন। একটা কথা তোকে বলি, তখন আমি ঘুঁটিটা সরিয়েছিলুম রে।

    মেজ।। এই স্বীকারোক্তিতে তোমার পাপ কেটে গেল। না বলিয়া পরের দ্রব্য গ্রহণকে বলে চুরি। বলিয়া গ্রহণ করাকে বলে ছিনতাই।

    বড়।। ছিনতাই বললি কেন?

    মেজ।। [একগাল হেসে] দুষ্টুমি।

    বড়।। [একটু চিন্তিতভাবে] একবার যাই কী বল?

    মেজ।। কোথায়?

    বড়।। বিষ্ণুবাবুদের বাড়িতে। ওর বউটা আমাকে খুব ভালোবাসত রে, দাদা দাদা করত, ভারি সুন্দর মেয়ে।

    মেজ।। আমিও যাই চলো। তোমাকে একা ছাড়তে ভয় করছে। ওদের বাড়ির সামনে এতক্ষণে শ’দুই জমে গেছে।

    বড়।। থানার ওসিকে একবার ফোন করব?

    মেজ।। এতক্ষণে ওরাই ফোন করেছে।

    বড়।। দাঁড়া, জুতোটা গলাই।

    মেজ।। আমার তো চটি।

    [বড় জুতো পরে উঠে দাঁড়িয়েছে, দাঁড়িয়েই চিৎকার]

    বড়।। ওরে ডান পাটির ভেতর কী একটা খড়খড় করছে। কাঁকড়াবিছে বাঁচাও বাঁচাও এ প্রমোদবাবু ছেড়ে দিয়ে গেছেন।

    [বড় ভয়ে কাঠ হয়ে দাঁড়িয়ে আছেন]

    মেজ।। আরে তুমি জুতোটা খুলে ফেল না।

    বড়।। [দাঁতে দাঁত চেপে] দেখছিস না কাঠ হয়ে দাঁড়িয়ে আছি, নড়লেই কামড়ে দেবে।

    মেজ।। কুসি, কুসি।

    [মেজর চিৎকারে সবাই ঘরে। বাচ্চা দুটোও এসেছে]

    কুসি।। এবারে কী?

    মেজ।। দাদার জুতোয় কাঁকড়াবিছে।

    কুসি।। তুমি সোফায় বোস, দেখি কেমন কাঁকড়াবিছে।

    [সবাই হাঁ করে যেন সিনেমা দেখছে। কুসি টান মেরে জুতো দু’পাটি খুলে ফেলল।

    জুতো ঠুকতেই ডান পাটি থেকে বেরিয়ে এল মেয়েদের চুলের একটা কাঁটা ]

    কুসি।। [ওটাকে তুলে ধরে] এটা কোন বউয়ের মাথা থেকে খসেছে? সেজকি তোর, না নকার!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহরি ঘোষের গোয়াল – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    Next Article নিয়তি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    গুহা – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    হর-পার্বতী সংবাদ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সাজাহানের জতুগৃহ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    শ্রীকৃষ্ণের শেষ কটা দিন – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মনুষ্যক্লেশ নিবারণী সমিতি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মধুর এক প্রেমকাহিনি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }