Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মিত্ৰপ্ৰাপ্তি

    Ek Pata Golpo এক পাতা গল্প41 Mins Read0
    পঞ্চতন্ত্র মিত্রভেদ
    ⤶

    ষাঁড় ও শেয়াল

    এক অরণ্যে ছিল এক ষাঁড়। নাম তার তীক্ষ্ণবিষাণ। বিষাণ (শিং) দুটো ভীষণ ছুঁচালো তো। তাই এই নাম। যৌবনের অসীম শক্তি গায়ে। কুছ পরোয়া নেহি ভাব। তাই ছুটতে ছুটতে একদিন দলছুট হয়ে পড়ল। শিংজোড়া দিয়ে নদীর পাড় খুঁড়ে বেড়াত, আর কচি-কচি ঘাস খেত। তাই চেহারাখানা হয়েছে শিবঠাকুরের নন্দীর মতো।

    সেই বনে থাকত এক শেয়াল। নাম তার প্রলোভক। যেমন হ্যাংলা, তেমন পেটুক। তাইতো নামটাও হয়েছে যুতসই।

    একদিন প্রলোভক স্ত্রীকে নিয়ে নদীর ধারে বসে আছে। কত গল্প দুজনে। হাসি-ঠাট্টা I রসের কথা। বেশ কাটছিল সময়। এমন সময় তীক্ষ্ণবিষাণ এল জল খেতে। উবু হয়ে যখন জল খাচ্ছিল, তখন পেছন থেকে তার অণ্ডযুগল কেমন লম্বা হয়ে ঝুলছিল। মনে হচ্ছিল এই বুঝি খসে পড়বে। তা দেখে শেয়ালনীর আর ধৈর্য ধরছিল না। সে স্বামীকে বলল: ওগো, দেখনা, কেমন সুন্দর পিণ্ডদুটি ঝুলছে! এক্ষুণি খসে পড়বে! নিয়ে এস না! মজা করে খাব!

    স্ত্রীর কথা শুনে প্রলোভক একটু ভরকে গেল। যে তীক্ষ্ণ শিং! এক গুঁতো মারলে সোজা স্বর্গবাস! কিন্তু এ দুর্বলতার কথা স্ত্রীর কাছে বলা যায় কি করে? পৌরুষত্বের ব্যাপার তাই ঘুরিয়ে বলল: প্রিয়ে, ও-দুটো খসবে কি-না কে জানে। তাই অনিশ্চিতের পেছনে ছুটে কি হবে? তার চেয়ে নদীতে জল খেতে আসা দু-চারটে ইঁদুর ধরে দুজনে বসে খাই। সে-ই তো ভালো। শাস্ত্রে আছে না—

    নিশ্চিতকে ছেড়ে যে অনিশ্চিতকে চায়।
    নিশ্চিত অনিশ্চিত সে উভয়ই হারায়।।

    তাছাড়া, তোমাকে ফেলে আমি যদি ওর পেছনে ছুটি, তাহলে খালি জায়গায় অন্য কেউ এসে বসে পড়বে। তখন দুই-ই যাবে।

    শেয়ালনী মুখ বাঁকিয়ে তিরস্কারের সুরে বলল: তুমি আসলে একটা কাপুরুষ! ইঁদুর—বিড়াল যা পাও তাতেই খুশি হও। ঠিক যেমন পণ্ডিতেরা বলেছেন

    ছোট নদী যথা ভরে অল্প জলে।
    কাপুরুষ তথা খুশি স্বল্প পেলে।।

    তাইতো মরদ যে, সে সর্বদা উৎসাহে টগবগ করে। সবাই তাকে ভয় পায়। ঠাণ্ডা জলে যে-কেউ হাত দিতে পারে। কিন্তু ফুটন্ত জলে? আসলে উদ্যম, আলস্যদমন, নীতি আর পরাক্রম—এসবের যেখানে সম্মেলন ঘটে, চঞ্চলা লক্ষ্মী সেখানেই স্থায়ী হয়। দেখ

    অদৃষ্টের কথা ভেবে বসে থাকলে কি হয়?
    তিল থেকে তেল কি চেষ্টা ছাড়া পাওয়া যায়??

    তাছাড়া ইঁদুর খেতে-খেতে আমার অরুচি ধরে গেছে। ও-দুটো খেলে একটু রুচিরও পরিবর্তন হতো। তাই যাও না, নিয়ে এস পিণ্ডদুটো।

    শেয়াল আর কি করে? স্ত্রীর আবদার। তাই বাধ্য হয়ে ষাঁড়ের পেছনে ছুটল। সঙ্গে শেয়ালনীও। কিন্তু পিণ্ডদুটি আর পড়ে না। একে একে এক যুগ চলে গেল। অবশেষে একদিন শেয়াল বলল: নিশ্চিত ইঁদুরও গেল, অনিশ্চিত পিণ্ডও পেলাম না। লাভের বেলা শূন্য!

    শেয়ালনী সান্ত্বনার সুরে বলল: তা-ও ভালো। চেষ্টা করে না পেলেও কুড়েমির অপবাদ ঘোচে। চল আমরা আগের জায়গায় ফিরে যাই।

    শেয়াল: তা-ই চল।

    কিছুক্ষণ বিরাম নিয়ে সোমিলক বলল: ষণ্ডাণ্ড না পেলেও স্ত্রীর কাছে প্রলোভকের পুরুষত্ব রক্ষা পেয়েছে। তাই আমিও চাই, ভোগ না করতে পারলেও অর্থ আমার ঘরে থাকুক। তাতে মর্যাদা বাড়বে।

    সোমিলকের কথায় যুক্তি আছে। অগ্রাহ্য করার মতো নয়। তাই পুরুষ বলল: ঠিক আছে। তুমি তাহলে আবার বর্ধমানে যাও। সেখানে দুই বণিক থাকে গুপ্তধন আর ভুক্তধন। প্রথমজন শুধু টাকা জমায়। আর দ্বিতীয়জন দিয়ে-থুয়ে ভোগ করে। তারা কে কেমন তা জান। জেনে তুমি যার মতো হতে চাইবে, তোমায় আমি তার মতো করে দেব। এই বলে সে অদৃশ্য হয়ে গেল।

    সোমিলক কিছুক্ষণ চিন্তা করে বর্ধমানে ফিরে গেল। সূর্য তখন ডোবে-ডোবে। ক্লান্তিতে পা যেন আর চলে না। জনে-জনে শুধিয়ে গুপ্তধনের বাড়ি গিয়ে উঠল। তখন রাত।

    ঢোকামাত্র গুপ্তধন তো রেগে লাল! এ আবার কোন উৎপাত! অসময়ে এসেছে! নিশ্চয়ই থাকার ফন্দি! কি যে করি! এতসব ভেবে তাড়ানোর চেষ্টা করল। কিন্তু সোমিলক জোর করেই বসে পড়ল। আর কি করা। একবেলা বাড়তি খরচ! এরূপ ভেবে গুপ্তধন নিতান্ত মনের বিরুদ্ধে সোমিলককে খাওয়ালো। সারাদিনের ক্লান্তির পরে মুহূর্তেই সে ঘুমিয়ে পড়ল। এক সময় সে ভীষণাকৃতির সেই পুরুষদ্বয়কে দেখতে পেল। একজন বলল: কর্তা, গুপ্তধনকে দিয়ে এই বাড়তি খরচ কেন করালেন?

    অন্যজন: দেখ কর্ম, সোমিলকের কপালে ছিল এখানে একবেলা খাওয়া। আমি কি করব? পরিণাম অবশ্য তোমার হাতে।

    পরদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে সোমিলক দেখল, গুপ্তধনের পেটে-অসুখ হয়েছে। তাই সে উপোস দিচ্ছে। এভাবে তার একবেলা বাড়তি খরচ পুষে গেল। এসব দেখে সোমিলক তক্ষুণি এ বাড়ি থেকে বেড়িয়ে গেল। ঘুরতে-ঘুরতে এক সময় উপস্থিত হলো ভুক্তধনের বাড়ি। এখানের চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। দেখামাত্র ভুক্তধন সাদর সম্ভাষণে তাকে গ্রহণ করল। অতি আদরে খাওয়ালো-দাওয়ালো। নতুন পোশাক দিল। সজ্জিত বিছানা দিল। এবং অল্প সময়েই সোমিলক সুখনিদ্রায় আচ্ছন্ন হলো।

    মধ্যরাতে স্বপ্নে দেখল ভীষণ সেই দুই পুরুষ। পরস্পর কথা বলছে। প্রথমজন বলছে: কর্তা, সোমিলকের সেবা করতে গিয়ে ভুক্তধনের তো অনেক খরচ হয়ে গেল। বেচারি সবই তো এনেছে প্রায় ধার করে। তা ওকে দিয়ে এত খরচ করালেন কেন?

    দ্বিতীয়জন: ওহে কর্ম, ওর যে স্বভাব এ-ই। সেবাই ওর ধর্ম। তাই আমি বাধ্য হয়েছি করতে। এখন তোমার কাজ তুমি কর।

    সকাল বেলা দেখা গেল এক রাজকর্মচারী এসে বলছে: ওহে ভুক্তধন, তুমি ভাগ্যবান! রাজা প্রসন্ন হয়ে এই টাকা তোমায় দিলেন। এই বলে একশটি সোনার মোহর তার হাতে দিল।

    এসব দেখে সোমিলক ভাবল: এ-ই তো ভালো। না-ই বা থাকল জমানো টাকা। ঐ হাড়-কঞ্জুষ গুপ্তধনের চেয়ে এই ভুক্তধনই তো শ্রেষ্ঠ। রাজা স্বয়ং তাকে কত সম্মান করেন! পণ্ডিতরা তো ঠিকই বলেছেন—বেদের ফল ধর্মার্জন, বিদ্যার ফল চরিত্র, পত্নীর ফল প্রেম ও সন্তান আর টাকার ফল ভোগ ও দান। তাই আমার খাওয়া-পরার অতিরিক্ত গুপ্তধনের প্রয়োজন নেই। বিধাতা আমাকে দত্তভুক্তধন করুন। আমি যেন সবাইকে দিয়ে-থুয়ে খেতে পারি।

    সেদিন থেকে সোমিলক দত্তভুক্তধন হয়ে গেল।

    কিছুক্ষণ নীরব থেকে মন্থরক হিরণ্যকের উদ্দেশে বলল: ভাই হিরণ্যক, তাই বলছিলুম—ঐ হারানো টাকার জন্য তুমি মন খারাপ করো না। আর দেখ, মাটির নিচে সঞ্চিত টকায় কেউ ধনী হয় না। সৎকাজে ব্যয় করাই হচ্ছে উপার্জিত অর্থের সার্থকতা। জলাশয়ে এক মুখে জল ঢুকবে, অন্য মুখে বেরিয়ে যাবে। তবেই জল ভাল থাকবে। বদ্ধজল এমনিতেই নষ্ট হয়ে যায়। টাকা ভোগ না করে যে কেবল সঞ্চয় করে, তার দান, টাকা মৌচাকের মধুর মতো অন্যেই খায়। টাকার পরিণতি হচ্ছে তিন রকম ভোগ আর নাশ। যে দানও করে না, ভোগও করে না, তার টাকা নষ্টই হয়। তাই বিবেকবান ব্যক্তি কেবল সঞ্চয়ের জন্যই টাকা আয় করে না। তাতে পরিণামে দুঃখ পেতে হয়।

    তাছাড়া, বুনো হাতি লতা-পাতা খায়, অথচ তার গায়ে কি বল! মুনি-ঋষিরা ফল-মূল খেয়ে জীবান কাটান। অথচ তাঁদের কি তেজস্বিতা! আসলে সন্তোষই শান্তির মূল কারণ। ধনের পেছনে যারা ছোটে, তাদের শান্তি কোথায়? সূর্যকে মেঘে ঢাকলে তার রোদ্দুরও যেমন ঢাকা পড়ে, তেমনি কামনা-বাসনা মানুষের চিত্তকে রুদ্ধ করলে তার ইন্দ্রিয়সমূহও রুদ্ধ হয়ে যায়। ফলে তার সুখানুভূতি থাকে না। তৃষ্ণার্ত ব্যক্তি আগুন পোহালে কি তার তৃষ্ণা মেটে? তাতে তৃষ্ণা আরো বেড়ে যায়। শোননি—

    লোভের তুল্য শত্রু নেই, দানের তুল্য ধন।
    চরিত্রতুল্য অলঙ্কার নেই—বলেন গুণিজন।।

    আর অধিক কি বলব? দেখ—জগতে আসল দরিদ্র সে, যার আত্মসম্মান বোধ নেই। তার প্রমাণ শিব ঠাকুর। সম্বল মাত্র একটি বৃদ্ধ ষাঁড়। রাজ্য নেই। সিংহাসন নেই। আর কিছুই নেই। অথচ তিনিই দেবাদিদেব। সুতরাং, লোভ করো না। সন্তোষ করো। মন্থরক হিরণ্যককে এত উপদেশ দিল। অনেক রূঢ় কথাও বলল। এতে সে মনে কষ্ট পেতে পারে। এই ভেবে লঘুপতনক সান্ত্বনার সুরে বলল: ভাই হিরণ্যক, মন্থরকের কথায় কিছু মনে করো না। তার কথাগুলো সর্বদা মনে রেখ। প্রকৃত বন্ধু বন্ধুর মঙ্গলের জন্য এমন উপদেশই দেয়। দেখ, মুখে মিষ্টি কথা বলে এমন লোক পাওয়া শক্ত নয়। কিন্তু শুনতে খারাপ লাগে, অথচ পরিণামে মঙ্গলজনক— এমন কথা-বলা লোক দুর্লভ। আবার এমন কথা শোনার লোকও দুর্লভ। কিন্তু প্রকৃত বন্ধু প্রিয় অহিতকর কথার চেয়ে অপ্রিয় হিতকর কথাই বলে থাকে। মন্থরককেও তুমি তা-ই মনে করবা।

    এরা তিনজন যখন এরূপ আলাপ করছিল, তখন চিত্রাঙ্গ নামে এক হরিণ ব্যাধের ভয়ে সেই জলাশয়ে এসে লুকাল। তাকে হন্তদন্ত হয়ে ছুটে আসতে দেখে লঘুপতনক গাছে উঠে গেল। হিরণ্যক শরবনে গিয়ে লুকাল। আর মন্থরক গেল জলাশয়ে। তারপর লঘুপতনক ভালো করে নিরীক্ষণ করে মন্থরককে বলল: বন্ধু, হরিণটা তেষ্টা পেয়ে জল খেতে এসেছে। ভয় নেই। চলে এস।

    মন্থরক: কিন্তু ওকে যেরকম দেখছি রীতিমতো হাঁপাচ্ছে, ভয়ার্ত দৃষ্টিতে বারবার পেছন ফিরে তাকাচ্ছে—তাতে মনে হচ্ছে, ও ভয় পেয়েছে। নিশ্চয়ই ব্যাধ ওকে তাড়া করেছে। দেখো তো ওর পেছন-পেছন ব্যাধগুলো ছুটে আসছে কি-না। কারণ—

    ভয়াতজন ঘন-ঘন জোরে নেয় শ্বাস।
    স্বস্তি পায় না কিছুতে, করে হাস-পাস॥

    মন্থরকের কথা শুনে চিত্রাঙ্গ বলল: মহায়শয় ঠিকই ধরেছেন। ব্যাধ আমাকে তাড়া করেছে। ওদের তীর এড়িয়ে কোনরকমে আমি পালিয়ে এসেছি। দলের অন্যরা হয়তো এতক্ষণে ওদের কাঁধে ঝুলছে। আমি শরণাগত। আমায় বাঁচান।

    মন্থরক: ওহে চিত্রাঙ্গ, তুমি কি নীতিশাস্ত্র শোনো নি—

    শত্রু এলে মুক্তি পাবার দুটি উপায় মোটে।
    হাত কেমন চলে, আর পা কেমন ছোটে।।

    তাই শিগগির পালাও। ঐ কাছেই গভীর বন আছে। সেখানে ঢুকে পড়।

    এমন সময় লঘুপতনক এসে বলল: ওহে চিত্রাঙ্গ, ব্যাধগুলো তাল-তাল মাংস নিয়ে ফিরে গেছে। আর বিপদ নেই। তুমি জল থেকে উঠে এস।

    অশ্বাস পেয়ে চিত্রাঙ্গ জল থেকে উঠে এল। মন্থরকও এল। লঘুপতনক নিচে নেমে ‘কা কা’ রবে ডাকলে হিরণ্যকও চলে এল। তারপর সেই গাছের নিচে তারা একত্র হলো। নতুন বন্ধু চিত্রাঙ্গকে পেয়ে সবাই খুশি। মাহসুখে তাদের দিন কাটতে লাগল।

    একদিন আড্ডার সময় হঠাৎ চিত্রাঙ্গ অনুপস্থিত। কি ব্যাপার! সবারই মুখ কালো হয়ে গেল। মন্থরক উদ্বেগের সঙ্গে বলল: ভাই লঘুপতনক, আমরা দুজনেই ধীরে চলি। তোমার গতি দ্রুত। একটু খোঁজ করে দেখ না, বন্ধুর কোন বিপদ হলো না-কি! প্রিয়জন দূরে থাকলে যেকোন অসঙ্গতি মনে শঙ্কা জাগায়।

    লঘুপতনক তক্ষুণি উড়াল দিল। উড়তে-উড়তে দেখে, এক বনের ধারে ব্যাধের জালে আটকা পড়ে আছে চিত্রাঙ্গ। কাছে যেতেই হাউ-মাউ করে উঠল। বন্ধুকে দেখে তার শোক উথলে উঠল। বিপদে প্রিয়জনকে দেখলে এমনই হয়। চিত্রাঙ্গ কাঁদতে-কাঁদতে বলল: বন্ধু, মরণকালে তোমায় কাছে পেয়ে মনের সাধ মিটল। আমি চললুম। কোনো অপরাধ করে থাকলে মাফ করে দিও। মন্থরক আর হিরণ্যককে বলো আমার কথা আমায় যেন ক্ষমা করে।

    লঘুপতনক তাকে সান্ত্বনা দিয়ে বলল: তুমি এত ভেঙ্গে পড়ছ কেন? আমরা আছি না। তাছাড়া শাস্ত্রে আছে—

    সুদিনে দুর্দিনে যে নির্বিকার রয়।
    তার জন্মদাত্রীরা কদাচিৎ হয়।।

    তুমি ধৈর্য ধর। আমি এক্ষুণি গিয়ে হিরণ্যককে নিয়ে আসছি। সে মুহূর্তে তোমাকে মুক্ত করবে।

    এই বলে লঘুপতনক উড়ে গিয়ে হিরণ্যককে পিঠে করে নিয়ে এল। তাকে দেখে চিত্রাঙ্গ আশ্বস্ত হয়ে বলল—

    কে পারে রে তরতে বিপদ, এই দুনিয়ায় বন্ধু ছাড়া।
    তাই তো উচিত বুদ্ধিমানের, ভালো দেখে বন্ধু করা।

    হিরণ্যক হাসতে হাসতে বলল: হয়েছে। এবার চুপ করে বসো তো একটু। আমি বাঁধনটা খুলে দেই।

    এমন সময় মন্থরকও এসে হাজির। তাকে দেখে তিনজনই ভয়ে আঁতকে উঠল । লঘুপতনক বলল: বন্ধু, এ তুমি কি করলে? ব্যাধটা যদি এসে পড়ে তাহলে কি হবে? আমরা না হয় পালাতে পারব। কিন্তু তুমি?

    মন্থরক কিছুটা ইতস্তত করে বলল: কি করব, ভাই! ঐখানে বসে বসে বন্ধুর বিপদের অগ্নিজ্বালা আর সইতে পারছিলাম না। তোমরা তিনজনেই চলে এলে। তোমাদের কিছু হলে আমার একার জীবন দিয়ে আর কি হবে? তাই চলে এলুম। দেখ—প্রিয়বিরহ কিংবা অর্থনাশ—এ-ও সওয়া যায়, যদি ভালো বন্ধু থাকে। প্রাণ গেলে হয়তো জন্মান্তরে প্রাণ ফিরে পাব। কিন্তু তোমাদের মতো বন্ধু পাব—তার নিশ্চয়তা কোথায়? লঘুপতনক: আচ্ছা, ঠিক আছে। ঐ যমদূতটা আসার আগেই তুমি ফিরে যাও। আমরাও আসছি।

    এমন সময় দূর থেকে দেখা গেল কালবৈশাখীর মেঘের মতো ব্যাধটা ছুটতে ছুটতে আসছে। তা দেখেই হিরণ্যক তাড়াতাড়ি চিত্রাঙ্গের বাঁধন কেটে দিল। সে দ্রুত বনের মধ্যে ঢুকে গেল। লঘুপতনক উড়ে গেল গাছে। হিরণ্যক নিকটেই এক গর্তে ঢুকে পড়ল। আর মন্থরক গুটিগুটি পায়ে চলতে লাগল।

    এদিকে ব্যাধ এসে দেখল, হরিণটা পালিয়ে গেছে। ক্ষোভে-কষ্টে তার বুক যেন ফেটে যায়। কি আর করা? হঠাৎ দেখল মন্থরককে। তাকেই জালে আটকে চলল বাড়ির দিকে।

    মন্থরককে নিয়ে যেতে দেখে হিরণ্যকের বুকটা যেন ফেটে যাচ্ছে। সে বিধাতার উদ্দেশে বলল: আমার অর্থ নিয়েছ, তা সয়েছি। চাকর-বাকর ছেড়ে গেছে। তা-ও সয়েছি। দীর্ঘদিনের দুর্গ। তা-ও এক বাক্যে ছেড়ে এসেছি। এত কিছু হারিয়ে এমন একজন বন্ধুকে আকড়ে ধরলাম, যে কোনো দিন কারো ক্ষতি করে নি। তাকেও আজ হারাতে হবে? তবে এ জীবন দিয়ে আর কি হবে? হে বিধাতা, তুমি কেন আমার প্রতি এত নিষ্ঠুর হলে? আসলে ঘায়ের ওপরই ঘা পড়ে। একবার বিপদগ্রস্ত হলে, হাজার বিপদ তাকে ঘিরে ধরে।

    হিরণ্যক যখন এভাবে বিলাপ করছে, তখন চিত্রাঙ্গ আর লঘুপতনকও কাঁদতে-কাঁদতে সেখানে এল। তিনজনের শোক একত্র হয়ে সমুদ্রে ঢেউ তুলল। তারপর এক সময় হিরণ্যক বলল: কেঁদে কোনো লাভ নেই। বন্ধুকে নিয়ে আড়ালে যাওয়ার আগেই উদ্ধারের উপায় ভাবতে হবে। কথায় বলে—হাতের ধন রক্ষা করা, অপ্রাপ্তকে পাওয়ার চেষ্টা করা আর বিপন্নকে মুক্ত করা এ তিনটি হচ্ছে সেরা মন্ত্রণা। তাই উপায় ভাব। হিরণ্যকের কথায় সায় দিয়ে লঘুপতনক বলল: উপায় একটা আছে। শোনো। ব্যাধের যাওয়ার পথে একটা ডোবা পড়বে। চিত্রাঙ্গ তার পাড়ে গিয়ে মরার মতো পড়ে থাকবে। আমি ঠোঁট দিয়ে তোমার কান খুটতে থাকব। ব্যাধ ভাববে—হরিণটা জাল থেকে ছুটে এসে এখানে মরে আছে। সে নিশ্চয়ই মন্থরককে ফেলে চিত্রাঙ্গকে ধরতে যাবে। সেই মুহূর্তে হিরণ্যক গিয়ে মন্থরকের বাঁধন কেটে দেবে। সে দ্রুত ডোবায় ডুববে। আর আমি ডাক দিতেই চিত্রাঙ্গ দেবে দৌড়। সব ঠিক মতো হলে সবাই বাঁচব।

    প্লানমতো সবই হলো। ব্যাধ কচ্ছপ ফেলে হরিণ ধরতে গিয়ে উভয়ই হারাল। তারপর বিধাতা আর ভাগ্যকে দোষারোপ করতে করতে খালি হাতে বাড়ি ফিরল।

    এদিকে ব্যাধ চলে গেলে লঘুপতনক, মন্থরক, হিরণ্যক ও চিত্রাঙ্গ একত্র মিলিত হলো। তারা আবার সেই জলাশয়ের পাড়ে গিয়ে মহাসুখে দিন কাটাতে লাগল। তাই শাস্ত্ৰ বলছে—

    বন্ধুর মতো বন্ধু পেলে, আর কি লাগে জীবনে।
    সহায় থাকে এমন বন্ধু, জীবনে ও মরণে।।

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপঞ্চতন্ত্র মিত্রভেদ
    Next Article দেবদাস

    Related Articles

    Ek Pata Golpo

    সাহিত্যিকদের ছদ্মনাম

    October 28, 2025
    Ek Pata Golpo মহালয়া

    মহালয়া: মহিষাসুরমর্দিনী (Mahalaya: Mahishasuramardini)

    September 10, 2025
    Ek Pata Golpo

    গাছের পাতা নীল – আশাপূর্ণা দেবী

    July 7, 2025
    Ek Pata Golpo

    প্রবন্ধ সংগ্রহ – অম্লান দত্ত

    June 19, 2025
    Ek Pata Golpo

    লিঙ্গপুরাণ – অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    June 3, 2025
    Ek Pata Golpo

    ৪. পড়ন্ত বিকেল

    April 5, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }