Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মিলুর জন্য – মহাশ্বেতা দেবী

    মহাশ্বেতা দেবী এক পাতা গল্প97 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মিলুর জন্য – ৭

    ৭

    হিমাদ্রিকে ডাক্তারবাবুরা চায়ে ডাকলেন। যেমন নিয়ম। চা—পানের পর ওঁদের কথা বলতে দিয়ে সরে গেলেন। এটাও নিয়ম। হেমকায়া ফরসা নয়, কালোও নয়। চেহারায় চোখে পড়ার মতো হল, বাঙালি মেয়ে আন্দাজে বেশ লম্বা। কোনও সাজগোজের ধার ধারে না। চোখ বড় না হলেও উজ্জ্বল, আর লম্বা চুলে মোটা একটা বিনুনি বাঁধা। বাঁ হাতে ঘড়ি। সুন্দর নয়, অসুন্দরও নয়, ব্যক্তিত্ব আছে। গলার স্বর মৃদু ও সুন্দর। হিমাদ্রিই কথা শুরু করলেন।

    —আপনি তো সবই শুনেছেন।

    —শুনেছি, এঁরা যতটা জানেন।

    —বুঝতেই পারছেন, প্রয়োজনে বিয়ের কথা ভাবতে হচ্ছে, নইলে…

    —প্রয়োজন তো আমারও। মাসিমার হার্ট ভাল নয়, ওষুধ খেতে হয়। আমার জন্যে খুব দুশ্চিন্তা করেন। বুঝতে পারছি, আমি বিয়ে করলে ওঁরা নিশ্চিন্ত হবেন।

    —স্কুলে এতদিন চাকরি করে…

    —পরের দিকে ভাল লাগছিল না। অনেক ঘোরপ্যাঁচ, অনেক কূটনীতি।

    একটু হেসে বলল, ছাড়িয়ে না দিলে নিজেই ছেড়ে দিতাম। অন্যায়ের সঙ্গে আপস করে চলতাম না। কই, আপনি কী কী জানতে চান, বলবেন না?

    —বলব? ক’দিন সময় লাগবে।

    —কোনও পণযৌতুকে আমি নেই।

    হিমাদ্রি বললেন, সেসব কথা উঠছেই না।

    —আমি বাংলায় এম. এ.; লম্বায় পাঁচ ফুট, ছ’ইঞ্চি। কথা বেশি বলি না, আজ বলতে হল।

    —এ বিয়ে তো নিজেরা, মানে দু’জন অ্যাডালট লোক বলে কয়ে বিয়ে হবে। আমার যেমন কিছু শর্ত থাকবে…

    —আমারও থাকবে। আগেই সব বলে নেওয়া ভাল।

    —ঠিকই তো। পরে যেন অসুবিধে না হয়।

    —আজ তা হ’লে…

    —হ্যাঁ, উঠি, নমস্কার।

    —নমস্কার। আপনার নামটা বেশ…

    —মা রেখেছিল। কেন রেখেছিল কে জানে। অনীতা, অলকা, আরতি, হেমকায়া।

    —ওঁরা তো এখানে থাকেন না।

    —কুচবিহার, শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি। দাদারা মধ্যমগ্রাম আর ক্যানিংয়ে। কেউ আসবে না।

    সদুঃখে হেমকায়া বলল, মাসিমার কাছে টাকা চাইত, চাহিদা বাড়ছিল। অথচ যে—যার মতো কিছু তো করে। আমিই ওটা বন্ধ করেছি। ফলে আমার ওপর রাগ।

    হিমাদ্রি বেরিয়ে এলেন।

    সকলকে বললেন, এমন মেয়েই ভাল। ব্যক্তিত্ব আছে। জানে কী চায়। বুদ্ধি, গাম্ভীর্য, সবই আছে।

    অমিয় বলল, দেখো! তোমার স্ত্রীর মতো তো…

    —কে আবার কার মতো হয়? সংসার বিষয়ে নিশ্চিন্ত হব। বাড়ি টেনে চালাবে, আমি নিশ্চিন্ত হব। শাশুড়ি আছেন বলে শালা, শালাজ, তাদের সাত গুষ্টি…আমি যেন হাঁপিয়ে উঠেছি।

    —দেখো! তোমার স্ত্রী—ভাগ্য তো ভাল।

    —সুন্দরী নয়।

    দেবাংশু বলল, দেখার চোখ পালটাও। আজকাল বুদ্ধি, ব্যক্তিত্ব, ইত্যাদি দেখা যায়। ট্রাডিশনালি সুন্দর মেয়ে আর ক’জন?

    হিমাদ্রি ভেবেছিলেন, একা তাঁর শর্ত থাকবে। হেমকায়া ওঁকে অবাক করে দিল।

    হিমাদ্রি জানিয়েছিলেন তাঁর শর্ত।

    রণজয় ও দূর্বার মা হতে হবে। ওদের মানুষ করতে হবে। এটাই সবচেয়ে বড় প্রয়োজন তাঁর। তারপর, সংসার পরিচালনার সম্পূর্ণ দায়িত্ব হেমকায়ার।

    হিমাদ্রি তা নিয়ে কোনও কথা বলবেন না। আর হিমাদ্রির ব্যক্তিগত চলাফেরা ইত্যাদি নিয়েও কোন কথা বলবেন না হেমকায়া। হিমাদ্রির মা এখনও এখানেই থাকেন। তাঁকেও দেখতে হবে।

    ডাক্তারবাবু বললেন, ম্যারেজ এগ্রিমেন্ট যখন, তখন হেমকায়ারও শর্ত আছে ও লিখে দিয়েছে।

    রণজয় ও দূর্বার ”মা” হতে পারবে না হেমকায়া। তবে দায়িত্ব নিয়ে পালন করবে। ”মানুষ” করা বিষয়ে কথা দেওয়া যাবে না, কেন না কে মানুষ, কে নয়, অত বড় কথা হেমকায়া জানে না।

    সংসার পরিচালনার দায়িত্ব সে নেবে।

    হিমাদ্রির কোন ব্যাপারে হেমকায়া কথা বলবে না যেমন, হেমকায়ার কোন ব্যাপারেও হিমাদ্রি যেন কথা না বলেন। আর একটা কথা, হিমাদ্রির বাড়ি বা সম্পত্তি, এর কোনও কিছুই হেমকায়া চায় না।

    হিমাদ্রি বললেন, আমার অবর্তমানে?

    —সে দায়িত্ব থেকে মুক্তিই দিলাম।

    হিমাদ্রি কেন হেমকায়াকে বিয়ে করছেন, সেটা বোঝা যাচ্ছিল। হেমকায়া কেন এ বিয়েতে রাজি হল, সেটা জানতেন ডাক্তারবাবু ও তার স্ত্রী।

    স্ত্রী বললেন, যদি ওরা পরে জানে?

    ডাক্তার বললেন, দোষ তো কিছু করছে না। তমলুকে একটি ছেলেকে ভালবেসেছিল। সাত বছর ধরে জেনেছিল ছেলেটি ওকেই বিয়ে করবে। ছেলেটি হঠাৎ ওকে ছেড়ে চাকরিদাতার মেয়েকে বিয়ে করল, তাতেই ওর মন থেকে বিশ্বাস চলে গেছে।

    হেমকায়া ঘরে এসে বসল।

    —আমার কথা বলছেন?

    —হ্যাঁ হেম, তোমার কথাই বলছি।

    —আমি কোনও ভুল করছি না মাসিমা। আমার জন্যে আপনাদের মনে শান্তি নেই। মাসিমার হার্টের অসুখ আমিই বাড়িয়ে দিচ্ছি। এরকম বিয়েই আমার ভাল। ভদ্রলোককে দেখে মনে হল, উনি আমার কাছে প্রেম, ভালবাসা, ইত্যাদি আশা করবেন না। ওঁর সংসারের দায়িত্ব নিলেই উনি নিশ্চিন্ত হবে।

    —তুমি ভালো থেকো মা।

    —আমি তো ভালই থাকি।

    কী বলবেন ডাক্তার দম্পতি? ছোটবেলা থেকেই ওর দায়িত্ব নিয়েছেন। কিন্তু হেম চিরকাল নিজেকে একটু তফাতে রেখেছে। উপকারক এবং উপকৃত, দুয়ের মাঝখানের লক্ষ্মণের গণ্ডী অতিক্রম করেনি।

    বিয়েটা হয় রেজেস্ট্রি করে। না, হিমাদ্রির মা—দাদার ভাষায় ”ভিখিরি বিয়ে” হয়নি। ডাক্তারবাবুরা লোকজন ডেকেছিলেন। হেমকায়াকে গয়নাগাঁটি দিয়েছিলেন। রেজেস্ট্রির পর আনুষ্ঠানিক বিয়ে হয়নি। তবে ছোটখাটো বৌভাত একটা হয়েছিল।

    নীলাদ্রির স্ত্রী বলেছিলেন, ভলট থেকে প্রথমার গয়নাগাঁটি এনে সাজিয়ে দাও।

    হেমকায়া বলেছিল, তা হয় না। ও গয়না তাঁর ছেলে ও মেয়ের। আর আমাকে সাজাতে হবে না। আমি নিজেই সেজে নেব।

    এসব নিয়ে অনেক মেয়েগজালি হয়। হেমকায়া সেসব গায়েও মাখেনি। কয়েকদিনেই হিমাদ্রির মা বুঝেছিলেন, এ প্রথমা নয়। ব্যক্তিত্ব আছে, কাজ ও কথার ওজন আছে। মেয়েগজালি পছন্দ করে না।

    বিয়ের সময়ে প্রথমার মা নাতিনাতনিকে নিয়ে গিয়েছিলেন। ফুলশয্যার পরদিনই হেমকায়া বলল—

    —ওদের নিয়ে আসুন।

    —এখনি?

    —নিশ্চয়। এখন তো আমি আছি।

    —কিন্তু…রণো তো বড় হচ্ছে…

    —ওদের দেখার জন্যে তো আমি এসেছি।

    —দূর্বার জন্যে হিমানীও আসুক?

    —কোনও দরকার হবে না।

    —শোবার ব্যবস্থা কেমন হবে?

    —এখন তো আমার কাছেই ওদের থাকা দরকার। হিমাদ্রির সঙ্গে রণজয় ঢুকেছিল। হিমানী দূর্বাকে কোলে করে এনে রেখে গেল।

    হেমকায়াকে দেখিয়ে হিমাদ্রি বললেন, রণো! তোমার নতুন মা।

    হেমকায়া বলল, না রণো। আমি তোমার হেম মা।

    একমাসেই হিমাদ্রি বুঝলেন লাখ টাকার বিয়ে করেছেন। সকালের টোস্ট, বা অফিসের পোশাক, বা রাতের স্যুপ, সব আগের নিয়মে পেয়ে যান।

    সংসার এবং বাড়িতে শ্রী ফিরল।

    সবচেয়ে অবাক কথা। রণজয়ের মন জয় করে নিল হেমকায়া। আর দূর্বাকে এত যত্ন করে মানুষ করতে লাগল, যেমনটি দেখা যায় না।

    সৎমাকে ছেলে কেমন করে গ্রহণ করে এটা দেখার কৌতূহল মানুষের থাকে। তাই মেঘাদ্রির বিধবা বউ ছোট বউকে দেখতে এলেন। বললেন, রণো সৎমা পেয়ে খুশি তো?

    হেমকায়া বললেন, আপনার চায়ে ক’চামচ চিনি দেব?

    —না, তার মতো নও বটে ছোট বউ।

    —আমার নাম হেমকায়া।

    —প্রথমার ছবিগুলো খোলনি?

    —খোলার কথা ছিল?

    —সর্বদা যদি মায়ের ছবি দেখবে…সৎমাকে তবে…

    —শুনুন। এ বাড়িতে ”সৎমা” শব্দটা উচ্চারণ করবেন না। রণো ভাল করেই জানে, ওটা ওর মায়ের ছবি। আমি ওর হেম মা।

    —বড় যে আত্যিসুয়ো দেখছি। দেখব, নিজের দুটো হলে এ সব কোথায় থাকে।

    হেমকায়া টেবিল ছেড়ে উঠেই গেল। বড় বউ গেলেন শাশুড়ির কাছে। শাশুড়ি হেমকায়াকে বললেন, এ তোমার বড় জা হয়। অন্যায় তো কিছু বলেনি।

    হেমকায়া রাতে হিমাদ্রিকে বলল, তোমার মা থাকবেন সে কথা ছিল। তোমার বউদিরা এসে রণোকে শেখাবেন আমি ”সৎমা”। এ আমি সহ্য করব না।

    —আমি যেভাবে চালাচ্ছি ছেলেমেয়েকে মানুষ করছি, সে নিয়ে কারো নাকগলানো সহ্য করব না। তোমার কাছে আমার পরিবার যেমন অসহ্য, আমার কাছেও তোমার পরিবার তেমনি অসহনীয়।

    —হেমকায়া!

    —আমি তোমার প্রথম স্ত্রী নই। শর্ত করে বিয়ে করেছ। শর্ত লঙ্ঘন কোরো না। করলে আমি চলে যাব, পিছন ফিরে তাকাব না।

    —হ্যাঁ, জানি।

    —আরেকটা কথা আলোচনা করে নেওয়া ভাল। আমি সন্তান চাই না। আমারও সন্তান হলে, আমি জানি না রণো আর দূর্বার প্রতি যথা—কর্তব্য করতে পারব কিনা। না পারাই সম্ভব।

    —তার মানে…

    —তুমিই ভেবে দেখো। সাবধান তোমাকেই হতে হবে। তুমিই ভাব।

    —হিমাদ্রি বলেন, তুমি খুব কঠিন হতে পারো।

    —হয়তো তোমার তাই মনে হবে। কিন্তু এখন তোমার তেতাল্লিশ, তোমার ছেলের পাঁচ, মেয়ের তিন মাস। এখন তোমার সন্তান হলে, তুমি রিটায়ার করলে সে নাবালকই থাকবে।

    —তোমার নিজের…

    —এই বয়সে?

    হিমাদ্রি বুঝেছিলেন, হেমকায়াকে যুক্তি দিয়ে পরাজিত করতে পারবেন না।

    হিমাদ্রির অভিযোগ করার মতো কিছু ছিল না। সংসার এমন নীরবে, এমন সুশৃঙ্খলভাবে চলেনি কখনও। ছেলেমেয়ে যেন হেমকায়ার প্রাণ। কাজকর্ম সেরে তিনি আসবেন বলে হেমকায়া বসে থাকে না। দূর্বাকে ঠেলা গাড়িতে শুইয়ে গাড়ি ঠেলে লেকে চলে যায়, সঙ্গে দৌড়য় রণো। রণোর অনেক বন্ধু ওখানে, ওরা বল খেলে। সন্ধ্যার সময় তিনজন ফিরে আসেন।

    রবিবার দেখলেন রণো নিজের স্কুলের জুতো রং করছে।

    —রণো ওর জুতো রং করছে কেন?

    —রোজই তো করে।

    —কিন্তু কেন?

    —জুতো রং করে। টেবিল গোছায়। অনেক কাজ করে।

    —কেন, তাই তো বলছি।

    —ওকে স্বাবলম্বী করে তৈরি করছি।

    —আমি জীবনেও…

    —তোমার জীবন তুমি কাটিয়ে যাচ্ছ। ও যখন বড় হবে তখন জীবন অনেক অন্যরকম হবে। তাছাড়া, নিজের কাজ নিজে করবে, এতে আত্মসম্মান বাড়ে। দেখো। আমি ওদের ভার নিয়েছি। আমি আর ওরা। এর মধ্যে ঢুকো না। তাতে ওদের ক্ষতি হবে।

    —অর্থাৎ, তুমি চলে যাবে।

    —হ্যাঁ। এ তো আগেও বলেছি।

    আর লোক পাননি হিমাদ্রি। লতুকে এসব বলেছিলেন। লতু একটু হেসে বলল, এতদিনে জব্দ আপনি। প্রথমা আপনাকে ভয় পেত, হেম পায় না। ছেলেকে স্বাবলম্বী করে মানুষ করছে, যাতে আপনার মতো পরনির্ভর না হয়।

    —আশ্চর্য, মা হতেও চায় না। এটা কি ন্যাচারেল?

    —জানি না। তবে খুব ন্যাচারেল হলে আপনার সঙ্গে টিকতে পারত? প্রথমা পেরেছিল?

    —ঝগড়াই করে যাবে লতু? যেন আমি একটা…

    —নন, কিছুই নন। একটা ভাল চাকরি করেন, পৈতৃক টাকা পয়সা আছে। বাড়ি করেছেন। কে করে না? শুনুন, মিনার থেকে নামুন। বাস্তবতার মুখোমুখি হন। হেমকায়া একটি শ্রদ্ধা করার মতো মেয়ে। আপনি অভ্যস্ত কিসে? না সবাই আপনাকে ভয় পাবে, যারা আপনার আশ্রিত। আপনার যেটা লাগছে, তা হল হেমকায়া আপনাকে ভয় পায় না। এটা তো বোঝেন, ডক্টর বসুর দরজা ওর জন্য খোলাই আছে। আর এটা আশা করি বোঝেন, ও নিজের পেট চালাতে সক্ষম।

    —সত্যি লতু। প্রথমা থাকতে…।

    —কাঁদবেন না। সেটা বাড়াবাড়ি হয়ে যাবে। তাছাড়া, প্রথমার বেলাও বোঝেননি কি পেয়েছিলেন। এর বেলাও বুঝছেন না। বুঝতে চেষ্টা করুন।

    —তুমি খুব হৃদয়হীন।

    —আপনি কী চাইছেন বলুন তো? একদা, ছোট ছিলাম, মাখোমাখো হতে চাইতেন। এখনও তাই চাইছেন?

    —না লতু, তা মনে হলে…ক্ষমা কোরো।

    হেমকায়াকে লতুই বলেছিল। সন্তান তুমি চাও না হেম?

    —যদি বাপের মতো হয়?

    —রণো?

    —যাতে না হয় সেই চেষ্টাই করছি। যেটা খুব আপত্তিকর তা হল, ওদের বাবা কখনও ছেলের সঙ্গে আধ ঘণ্টা সময়ও কাটায় না। কখনও নয়।

    —কারো জন্যই সময় খরচ করেনি। ঐ রকমই তো। প্রথমার বেলাও যা দেখেছি…

    —যার এত চাই চাই, সে কী করে ভাবতে পারে…

    —আমার মনে হয় কলকাতায় সবচেয়ে পশ্চাৎপদ ফিউডাল দুটো বাড়ি প্রথমাদের আর এদের। হিমাদ্রিবাবু তার মধ্যেও…নীলাদ্রিবাবু অন্তত…

    —রণোর দরকার ভালবাসা। ওর বাবার ভালবাসা। যা ও বুঝতে পারবে। পায় না বলেই আমাকে…

    —তুমি কিন্তু ওদের সত্যিই ভালবাসো।

    —সেটাই স্বাভাবিক, না?

    —কী জানি। আমি তো মাতৃত্বের আকাঙ্ক্ষী নই।

    —আমি রণোর মা নই, হেম মা। ছেলেটা চাপা, সেনসিটিভ, নিজের মাকে ঘুমের মধ্যে এখনও খোঁজে।

    —হয়তো প্রথমার মতো হয়েছে তবে।

    —ছবি দেখে মনে হয় খুব নরম মানুষ ছিলেন।

    —তা ছিল। ওর কথা থাক হেম। ওই যে বললাম, ওই দুটো পরিবার। বিশেষ প্রথমার পরিবারের মতো এমন ভয়ানক পরিবার আমি দেখিনি।

    —অথচ তোমাদের আত্মীয়।

    —কিসের আত্মীয়। প্রথমার ছোটমাসির ভাগ্যক্রমে বিয়ে হয় একটি খাঁটি মানুষের সঙ্গে। সত্যিকারের খাঁটি মানুষ। জাতীয়তাবাদী ছিলেন, রাজনীতিতে নামেননি। স্ত্রীকে লেখাপড়া শেখান, তখনকার দিনে আপার মিডল পাশ করান। দু’জনে বাঁকুড়ার কাছাকাছি মেয়েদের স্কুল আর হস্টেল তৈরি করেন, চালান। নারী শিক্ষা বিস্তারে খুব উৎসাহী ছিলেন।

    —তোমার কে। ওঁরা?

    —ওদের ছেলে আমার দিদির গান শুনে প্রেমে পড়ে, বিয়েও করে। আমার বাবা বর্ধমানে ডাক্তার ছিলেন। ভাইরা কেউ ডাক্তারি পড়েনি। আমি পড়লাম। প্রথমা আর আমি এক বয়সীই হব। কলকাতায় পড়তাম। ফলে দিদির মাসশাশুড়ির বাড়ি আসতাম মাঝে মাঝে। তখন এরকমই নিয়ম ছিল। লতায়পাতায় আত্মীয়রাও আপনজন। সেই থেকেই যাওয়া আসা।

    —সেই মেসো আর মাসি আছেন?

    —সপাটে বেঁচে আছেন। ওই স্কুল নিয়ে নয়। বাঁকুড়াতেই কোন গ্রামে কী এক সর্বোদয় কেন্দ্রে থাকেন। প্রথমাদের বাড়ি এখনও উনিশ শতকে, আর ওঁরা দুজন এক সময়ে যথেষ্ট প্রগতিশীল বলে বিবেচিত হতেন। আজকের লোকরা হয়তো ওঁদের সেকেলে বলবে।

    —সেই জন্যেই যাও আসো?

    —ডাক্তার হয়েছি তো। চেনাশোনা একজন ডাক্তার থাকার সুবিধে ওঁরাও বোঝেন। আমি প্রথমাকে ভালবাসতাম। হয়তো ওর বিয়েটা দেখেই বিয়ের ব্যাপারে মন বিদ্বেষী হয়ে যায়, অবশ্য কথাটা যথেষ্ট যুক্তিপূর্ণ হল না।

    —আজ উঠি লতুদি।

    —আবার ”দিদি” কেন? আমার ভাইপো—ভাইঝি—বোনঝি, এরা তো আমাকে লতুই বলে।

    —রণোও লতু বলে।

    —হ্যাঁ। কিন্তু হেম, তুমি নিজে কিছু করবে না?

    —নিশ্চয় চেষ্টা করব। ওরা বড় হোক। দূর্বার ওজন ঠিক আছে তো?

    —স—ব ঠিক আছে।

    —আসি তাহলে?

    —এসো। তোমার সঙ্গে বিয়ে হয়েছে বলে আমি খুব খুশি। একটু স্বার্থপরের মতো খুশি। রণো আর দূর্বার ব্যাপারে প্রথমাও তো হিমাদ্রিবাবুর শাসন মেনে নিতে বাধ্য হত। এখন তা হবে না। তোমার জন্য নিশ্চয়ই খারাপ লাগে। ভাবি কী পাবে এখানে।

    হেমকায়া ঈষৎ হাসল। বলল, আমি তো জেনেশুনেই বিয়ে করেছি। আর ডাক্তার মেসোরা খুব নিশ্চিন্ত হয়েছেন। আমার ব্যাপারে একটা নৈতিক দায়িত্ব ছিল তো ওঁদের মনে। দুজনেই খুব ভাল।

    —ডক্টর বোস তো আমাদের পড়াতেন।

    —আসি লতু!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রস্থানপর্ব – মহাশ্বেতা দেবী
    Next Article হাজার চুরাশির মা – মহাশ্বেতা দেবী

    Related Articles

    মহাশ্বেতা দেবী

    হাজার চুরাশির মা – মহাশ্বেতা দেবী

    November 27, 2025
    মহাশ্বেতা দেবী

    প্রস্থানপর্ব – মহাশ্বেতা দেবী

    November 27, 2025
    মহাশ্বেতা দেবী

    আই. পি. সি. ৩৭৫ – মহাশ্বেতা দেবী

    November 27, 2025
    মহাশ্বেতা দেবী

    প্রতি চুয়ান্ন মিনিটে – মহাশ্বেতা দেবী

    November 27, 2025
    মহাশ্বেতা দেবী

    পারিবারিক – মহাশ্বেতা দেবী

    November 27, 2025
    মহাশ্বেতা দেবী

    মুখ – মহাশ্বেতা দেবী

    November 27, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }