Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মিশরের ইতিহাস – আইজাক আসিমভ

    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন এক পাতা গল্প265 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৭. বিদেশি আধিপত্য

    ৭. বিদেশি আধিপত্য

    লিবীয়গণ

    ১১৫৮ খ্রিস্টপূর্বাব্দে তৃতীয় রামেসেস মৃত্যুবরণ করেন। তার উত্তরাধিকারী (শিথিল রাজকীয় বংশধারার) চতুর্থ থেকে একাদশ রামেসেসের সবাই ছিল দুর্বল, গুরুত্বহীন। রামেসেস উত্তরাধিকারীদের আশি বছরের (১১৫৮-১০৭৫ খ্রিস্টপূর্বাব্দে) শাসনামলে একটি ব্যতিত থিবিসের প্রায় সবগুলি কবর লুষ্ঠিত হয়ে যায় এমনকি দ্বিতীয় রামেসেসের সমাধির মূল্যবান সম্পদগুলিও চুরি হয়ে যায়। ১১৩৮ খ্রিস্টপূর্বাব্দে ষষ্ঠ রামেসেসকে কবরস্থ করার সময় উৎক্ষিপ্ত আবর্জনার নিচে কাকতালীয়ভাবে দুই শতাব্দী পূর্বে টুতেনখামেনের সমাধিটি ঢাকা পড়ে যায় এবং আধুনিককাল পর্যন্ত অবিকৃতভাবে টিকে থাকে।

    ফারাওদের ক্ষমতার অবনতি ঘটার সাথে সাথে পুরোহিতদের ক্ষমতা বৃদ্ধি হচ্ছিল। ইখনাতনের উপর পুরোহিতদের কর্তৃত্বলাভ মিশরীয় রাজমুকুটকে ছায়াচ্ছন্ন করে ফেলে। এমনকি দ্বিতীয় রামেসেসকেও সতর্কভাবে পুরোহিতদের অধিকারকে সম্মান দেখাতে হয়েছিল। নবম এবং দশম রাজবংশের শাসনকালে অধিকহারে কৃষিভূমি, কৃষক এবং সম্পদ ফারাওদের আয়ত্তে এসেছিল। পুরোহিত সম্প্রদায়ের ক্ষমতা বৃদ্ধির ফলে ধর্ম অধিকতর অনমনীয় ও রক্ষণশীল হয়ে পড়ে। এটা জাতির জন্যে মোটেই হিতকর ছিলনা।

    রামেসেস বংশের শাসকরা পুরোহিতদের হাতের পুতুল ছিল। তাদের হয়তো স্মরণ ছিল হিক্সসদের আধিপত্যের সময় আমেনের পুরোহিতরা উজান মিশরের থিবিস শাসন করত। শেষ পর্যন্ত ১০৭৫ খ্রিস্টপূর্বাব্দে যখন একাদশ রামেসেসের মৃত্যু হয় তখন সিংহাসনে আরোহণের জন্য তার কোনো প্রত্যক্ষ উত্তোরাধিকরী ছিল না। তৎপরিবর্তে আমেনের প্রধান পুরোহিত যিনি সেনাবাহিনীর প্রধান ছিলেন, তিনি নিজেকে মিশরের শাসনকর্তা হিসেবে ঘোষণা করেন। অবশ্য তিনি অখণ্ড মিশরের শাসক হতে পারেননি।

    ব-দ্বীপ অঞ্চলে দ্বিতীয় একপ্রস্ত শাসকের উত্থান ঘটে যাদের রাজধানী ছিল দ্বিতীয় রামেসেসের নিজ শহর তানিসে। মানেথো তাদের তানিও বংশ বলে উল্লেখ করেন এবং তাদেরকে একবিংশ রাজবংশের মর্যাদা দেন। এ সময় মিশর পূর্বের যে কোনো সময়ের চাইতে অধিকতর দুর্বল হয়ে পড়ে কারণ মিশর ছিল বিভক্ত। আর এক হাজার বছর পূর্বে মেনেসের প্রচেষ্টা বিফলে পরিণত হয়।

    একবিংশ রাজবংশের শাসনামলে সিরিয়ার সাথে রশি টানাটানি শেষ হয়। ইসরাইলিরা জুডীয় যোদ্ধা ডেভিডের মধ্যে তাদের নেতাকে খুঁজে পায় আর তার নেতৃত্বে ফিলিস্তিনিরা সম্পূর্ণ পরাজিত হয় এবং আশেপাশের ছোট ছোট জাতি গোষ্ঠীগুলি তাদের পদানত হয়। এটা ইতিহাসের এমন এক মুহূর্ত যখন নীল ও ইউফ্রেটিস-তাইগ্রিস উভয় এলাকায় দুর্বল সময় অতিক্রম করছিল। কাজেই ডেভিড এই সুযোগ গ্রহণ করলেন এবং তিনি এক ইসরাইলি সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠা করেন যা সিনাই উপদ্বীপ থেকে ইউফ্রেটিস নদী পর্যন্ত সমগ্র ভূমধ্যসাগরীয় উপকূল সাম্রাজ্যের অধিভুক্ত ছিল। এমনকি উপকূলবর্তী কেনানিও নগরসমূহ, যদিও তাদের স্বাধীনতা উপভোগ করছিল তারা সতর্কভাবে ডেভিড এবং তদীয়পুত্ৰ সলোমনের অধীনতামূলক মিত্ৰতায় আবদ্ধ হয়েছিল।

    ডেভিড ও সলোমনের রাজত্বকালে একবিংশ সম্রাটদের শাসনে খণ্ডিত মিশর অপেক্ষা ইসরায়েল অধিকতর শক্তিশালী ছিল। মিশর ইসরায়েলের সাথে মিত্রতা করতে পেরে খুশি হয়েছিল এবং ফারাও তার এক কন্যাকে সলোমনের হারেমে পাঠিয়ে দেন। এই ফারাওটির নাম বাইবেলে উল্লেখ নাই, তবে যেহেতু ৯৭৩-৯৩৩ খ্রিস্টপূর্বাব্দ সলোমনের রাজত্বকাল সেহেতু অনুমান করা যায় ফারাওটি ছিলেন দ্বিতীয় সুসেনিস, যিনি এই রাজবংশের সর্বশেষ রাজা।

    দ্বিতীয় সুসেনিসের অনেক সমস্যা ছিল। বংশ পরম্পরায় মিশরীয় সৈন্যদের দুর্বলতা অত্যধিক ভাড়াটিয়া নির্ভরতা সৃষ্টি হয় বিশেষ করে লিবীয় দলপতিদের অধীনে। এটি একটি অবশ্যম্ভাবী ব্যাপার যে ভাড়াটিয়া সৈন্যদের আধিক্য তাদের দলপতিদের উপর নির্ভরতা বাড়িয়ে দেয় এবং মাঝে মাঝে এই ভাড়াটিয়া সেনাধ্যক্ষরা সরকারের উপর প্রভাব খাটায় এবং অন্তর্ঘাত সৃষ্টি করে।

    দ্বিতীয় সুসেনিসের আমলে লিবীয় সেনাধ্যক্ষ ছিলেন শশশংক। তার সমর্থন সুসেনিসের জন্য অত্যাবশ্যক ছিল। শেশংক রাজ-পরিবারকে বাধ্য করেন তার সাথে বৈবাহিক সম্পর্ক স্থাপনে। শেশংকের পুত্রের সাথে ফারাও-এর কন্যার বিবাহ হয়। এটা ছিল এক আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত। এতে করে পরিষ্কার হয়ে যায় যে, সেনাধ্যক্ষটির সিংহাসন অধিকারের একটি মতলব ছিল। সম্ভবত সুসেনিস তার আরও এক কন্যাকে সলোমনের হাতে দিয়েছিলেন এই আশায় যে, ইসরাইলিদের সমর্থনে জেনারেলের বাড়াবাড়ি রোধ করা যাবে। এক্ষেত্রে তিনি হতাশ হয়েছিলেন। ৯৪০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে যখন দ্বিতীয় সুসেনিসের মৃত্যু হয় তখন শেশংক অবাধে সিংহাসন দখল করে নিল। কে তাকে বাধা দেয়?

    নতুন ফারাও প্রথম শেশংক হিসাবে সিংহাসনে আরোহণ করেন এবং তাকে দ্বাবিংশ রাজবংশের প্রথম সম্রাট বলে গণ্য করা হয়। মাঝে মাঝে এই রাজবংশকে লিবীয় রাজবংশ বলে আখ্যায়িত করা হয়। তবে এতে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়। সত্যিকারভাবে লিবীয়রা কখনোই মিশর জয় করতে পারেনি। আর যে সব লিবীয় সৈন্য মিশর অধিকার করেছিল তারা প্রকৃতপক্ষে মিশরীয় হয়ে গিয়েছিল। শেশংক তার রাজধানী স্থাপন করেন তানিসের পঁয়ত্রিশ মাইল উজানে বুবাস্তিস নামক স্থানে। তিনি পুনর্বার থিবিস দখল করে সাম্রাজ্যের অখণ্ডতা ফিরিয়ে আনেন। একশ পঁচিশ বছর পরে মিশর আবার অখণ্ড শক্তিতে পরিণত হল। শেশংক থিবিসকে নীল উপত্যকার সাথে যুক্ত করার জন্য তার নিজ পুত্রকে আমেনের পুরোহিত নিযুক্ত করেন।

    এরপর তিনি ইসরাইলের দিকে দৃষ্টি দেন। সম্ভবত ইসরাইলের সাথে তার পূর্বসূরির মিত্ৰতা তিনি ভালো দৃষ্টিতে দেখেননি। প্রথমেই তিনি আক্রমণ না করে ষড়যন্ত্রের আশ্রয় নেন। উত্তর ইসরাইলিরা জুডিও বংশের শাসন পছন্দ করত না এবং তারা বিদ্রোহের চেষ্টা করে। এই বিদ্রোহ দমন করা হয়। তবে এর নেতা জেরোবোয়াম শেশংকের আশ্রয় প্রার্থনা করেন। ৯৩৩ খ্রিস্টাপূর্বাব্দে সলোমনের মৃত্যুর পর শেশংক জেরোবোয়ামকে ইসরাইলে ফেরত পাঠান এবং নতুন করে একটি বিদ্রোহ সাফল্য লাভ করে।

    ডেভিড ও সলোমনের স্বল্পস্থায়ী সাম্রাজ্য চিরতরে ভেঙ্গে পড়ে। বৃহত্তর এবং সমৃদ্ধতর উত্তর অংশ ইসরায়েল নামটি ধরে রাখে। তবে যিনি এর রাজা হন তিনি ডেভিডের বংশধর ছিলেন না। যেরুজালেমকে কেন্দ্র করে দক্ষিণের ক্ষুদ্রতর রাজ্যটি ছিল জুড়া। যেখানে ডেভিডের বংশধর পরবর্তী তিন শতাব্দী যাবৎ ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত ছিল।

    শেশংক তার সামনে দেখতে পেলেন সংকুচিত এক জুডা বিদ্রোহের কবলে বিপর্যস্ত। আর তিনি এক অভিযানের প্রস্তুতি নিলেন। তৃতীয় থুতমস এবং দ্বিতীয় রামেসেসের মতো তিনি সিনাই থেকে অভিযান শুরু করলেন। তবে এবার শক্তিশালী মিত্তানী বা হিট্টাইটের মতো শক্তিশালী শত্রুর মুখোমুখি হতে হয়নি। ইতিহাসের এই পর্যায়ে মিশরের তেমন সাহস ছিল না। জুড়ার মতো একটি ক্ষুদ্র রাজ্যকেই তিনি সামাল দিতে পেরেছিলেন। ৯২৯ খ্রিস্টপূর্বাব্দে শেশংক জুডা আক্রমণ করলেন যার ফলাফল বাইবেলে লিপিবদ্ধ আছে (শেশংককে এখানে শিশাক নামে অভিহিত করা হয়)। তিনি যেরুজালেম অধিকার করেন, সেখানকার মন্দির লুটপাট করেন এবং কিছুকালের জন্য জুডাকে করদ রাজ্যে পরিণত করেন।

    তিনি নিজেকে বিজয়ী বলে অনুভব করে থিবিসে একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করেন। যেখানে তার বিজয়ের বিস্তৃত বিবরণ লিপিবদ্ধ করা হয়। তিনি কার্মাকের মন্দিরও সম্প্রসারিত করেন এবং সেখানে তার সাম্রাজ্যের সাফল্যের কথা খোদাই করান।

    শেশংক শুধু তার বংশের প্রথম রাজাই ছিলেন না একমাত্র তিনিই প্রকৃত সাহস দেখাতে পেরেছিলেন। তার উত্তরাধিকারী প্রথম অর্সকন ৯১৯ খ্রিস্টপূর্বাব্দে সিংহাসনে আরোহণ করেন এবং তিনি মিশরকে যথেষ্ট সম্পদশালী ও সমৃদ্ধ দেখতে পান। তবে তিনি নিজেকে ছাড়া আর কিছুই ধরে রাখতে পারেননি। ৮৮৩ খ্রিস্টপূর্বাব্দে তার মৃত্যুর পর অবসম্ভাবী অধঃপতনের শুরু হয়।

    সেনাবাহিনী বিশৃঙ্খল হয়ে পড়ে আর এর সেনাধ্যক্ষরা হাতের কাছে যা পায় লুট করে নেয়। ৭৬১ খ্রিস্টপূর্বাব্দে থিবিস বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং মানেথ এখানকার রাজাকে এয়োবিংশ রাজবংশ বলে উল্লেখ করেন। এই ছিল তকালে মিশরের দুরবস্থা।

    .

    নুবীয়গণ

    নতুন সাম্রাজ্যের অধীনে নুবিয়া প্রকৃতপক্ষে ছিল মিশরের একটি দক্ষিণ সম্প্রসারণ। সে যুগের সকল পুরাতাত্ত্বিক আবিষ্কার থেকে বোঝা যায় তা ছিল সম্পূর্ণরূপে মিশরীয় চরিত্রের। এর কয়েক শতাব্দী পর মিশরের অবক্ষয়ের সময় নুবিয়া সম্পূর্ণরূপে দৃশ্যপট থেকে অদৃশ্য হয়ে যায়। নিঃসন্দেহে বহুধাবিভক্ত মিশর এবং বিবদমান থিবিস প্রথম প্রপাতের ওপারে মিশরকে ধরে রাখতে পারেনি। এতে করে নুবিয়া জাতীয়তাবাদী শক্তির অধিকারে চলে যায়।

    দৃশ্যত তারা চতুর্থ প্রপাতের সামান্য নিচে নাপ্টাকে তাদের ক্ষমতার কেন্দ্ররূপে প্রতিষ্ঠা করে। এই শহরটি প্রকৃতপক্ষে মিশরীয় শক্তির সীমা নির্দেশ করে (তৃতীয় থুতমস সেখানে একটি শিলালিপিযুক্ত স্তম্ভ স্থাপন করেছিলেন)। মিশরীয় প্রভাবের নমনীয়তা সত্ত্বেও এত দূরের অঞ্চলকে ধরে রাখা সম্ভব হয়নি।

    তবে নুবিয়াতে মিশরীয় সংস্কৃতি টিকে ছিল। যখন শেশংক থিবিস অধিকার করেছিলেন তখন আমেনের একদল পুরোহিত নাপ্টায় আশ্রয় নিয়েছিল এবং সেখানে তাদের স্বাগত জানানো হয়েছিল। সন্দেহ নাই তারা সেখানে নির্বাসিত সরকারের মতো কাজ করেছিল এবং নুবীয় রাজাদের মিশর আক্রমণে তাগিদ দিত, যাতে তাদের রাজকীয় পৌরহিত্যের অধিকার বজায় থাকে।

    প্রকৃতপক্ষে পুরোহিতদের প্রভাবেই ধর্মীয় দিক দিয়ে নুবিয়া মিশরের চাইতে অধিক মিশরীয় হয়ে দাঁড়ায়, আমেন পূজায় অধিকতর রক্ষণশীল হয়ে পড়েছিল। বিজয়ের মধ্যদিয়ে গৌরব অর্জন স্থানীয় রাজাদের একটি স্বাভাবিক ইচ্ছা এবং সে গৌরব অর্জনের মাধ্যমে ধর্মকেও সুরক্ষিত করা যাবে। ৭৫০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ নাগাদ নুবীয়রা উত্তরদিকে অভিযান শুরু করে।

    বিজয় অর্জন তেমন কঠিন ছিল না। কারণ বহুধাবিভক্ত মিশর সহজ শিকারে পরিণত হয়েছিল। নুবীয় শাসক কাশতা অনায়াসেই খিবিস দখল করে নেন এবং নির্বাসিত পুরোহিত বংশধরদের সেখানে পুনর্বাসিত করা হয়। কাশতার উত্তরাধিকারী পিয়াংখি ৭৩০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে আরও উত্তরদিকে অগ্রসর হন, একেবারে ব-দ্বীপের অভ্যন্তরে। তাকে নতুন রাজবংশের প্রথম রাজা হিসাবে গণ্য করা হয় (তার নিজের দেশ ইথিওপিয়ার নাম অনুসারে ইথিওপীয় বংশ)। কিছুদিনের জন্য জনদুয়েক মিশরীয় শাসক ব-দ্বীপের একাংশে তার বিরুদ্ধে মাথা তুলে দাঁড়াবার চেষ্টা করে। মানেধ্যে এই মিশরীয়দের চতুর্বিংশ এবং নুবীয় বিজয়ীদের পঞ্চবিংশ রাজবংশরূপে গণ্য করেন।

    পিয়াংখির ভাই শাখা ৭১০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে উত্তরাধিকার লাভ করেন এবং নাপ্টা থেকে অধিকতর গৌরবময় খিবিস নগরে তার রাজধাণী স্থানান্তর করেন।

    ইথিওপীয় রাজবংশকে বহিরাগত মনে করা ঠিক হবে না। নিশ্চিত করে বলা যায় এ বংশের রাজারা মিশরের মূল ভূখণ্ডের বাহিরের তবে লিবীয় রাজবংশের মতোই সাংস্কৃতিক দিক দিয়ে পুরোপুরি মিশরীয়।

    ইতিমধ্যে পশ্চিম এশিয়ায় একটি নতুন সাম্রাজ্যের অভ্যুদ্বয় ঘটছিল যা প্রাচীন মিত্তানী ও হিটাইটদের পিছনে ফেলে এগিয়ে গিয়েছিল এবং নিষ্ঠুরতার দিক দিয়ে নজির স্থাপন করেছিল।

    .

    এসিরীয়গণ

    সাম্রাজ্যটি ছিল এসিরীয়া। মিশরের প্রাচীন সাম্রাজ্যের সময়ই তাইগ্রিস নদীর উজান এলাকায় এসিরীয় শক্তির উত্থান ঘটে। এটি ইউফ্রেটিস-তাইগ্রিস এলাকার নগর রাষ্ট্রের সংস্কৃতি ধার করে একটি নতুন সমৃদ্ধ বাণিজ্যিক জাতির জন্ম দেয়।

    কয়েক শতাব্দী ধরে তারা সামরিক দিক দিয়ে অগ্রসর প্রতিবেশী জাতির অধীনে ছিল। উদাহরণস্বরূপ এটি ছিল মিত্তানী অধীনস্থ রাজ্য এবং তৃতীয় পুতমসের আক্রমণে বিপর্যস্ত মিত্তানীর অংশীদার ছিল। এক শতাব্দী পরে এটি হিট্টাইটদের অধীনে চলে যায়। ১২০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে হিট্রাইটদের পতনের পর একটি নৈরাজ্যকর পরিস্থিতির সুযোগে সমুদ্রচারী কিছু জাতির আগমনে একটি অন্ধকার যুগের সূচনা হয় যা সমগ্র পশ্চিম এশিয়াকে প্রভাবিত করে।

    তবে অদ্ভুত এক বিস্ময়কর ঘটনা ঘটে। এসিরীয়রা হিব্রাইটদের কাছ থেকে লোহা গলানোর পদ্ধতি শিখে নেয়। যেমনটা সে সময়ের অনেক জাতি শিখেছিল। তবে তারাই সর্বপ্রথম এই ধাতুটির ব্যবহারিক পদ্ধতি আবিষ্কার করতে পেরেছিল।

    তারা তাদের সৈন্যবাহিনীকে লোহার অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত করতে পেরেছিল। যেমনটা করেছিল গ্রীস আক্রমণের সময় ডরিয়ানরা। এসিরীয়রা ধীরে ধীরে পরিপূর্ণ লৌহাস্ত্র-সজ্জিত সেনাবাহিনী গঠন করে। এটি ছিল এক গোপন অস্ত্র। এক হাজার বছর পূর্বে যেমনটি ছিল অশ্ব ও রথ।

    এসিরীয়গণ প্রাথমিক যুদ্ধজয়ের আস্বাদ পেয়েছিল যখন তাদের রাজা প্রথম তিগলাথ-পিলেসার ১১০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে পশ্চিম ভূমধ্যসাগরের দিকে অভিযান চালিয়েছিল যখন রামেসেস বংশধরেরা মিশরে ক্ষমতাসীন। তবে এসিরীয়গণ পিছু হটে আসে যখন নতুন যাযাবররা পশ্চিম এশিয়ার উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। এবার এই যাযাবর জাতিটি ছিল আর্মেনীয় যারা ইসরায়েল ও জুডার উত্তরে একটি রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেছিল। ইসরাইলিদের কাছে এবং তাদের নিজেদের কাছেও রাজ্যটির নাম ছিল আরাম। তবে বাইবেলে কিং জেস-এর ভাষ্যমতে গ্রিক ভাষায় দেশটির নাম ছিল সিরিয়া।

    যে সময় লিবীয় বংশ মিশর শাসন করছিল এসিরীয়ার তখন পুণরুত্থান ঘটে। এর সৈন্যবাহিনী অভুতপূর্ব যুদ্ধাস্ত্রে সজ্জিত ছিল, যেমন ভারী দেওয়াল ভাঙ্গার উপকরণ, যা দিয়ে সুরক্ষিত নগরকার ভেঙ্গে ফেলা যায়। ৮৫৪ খ্রিস্টপূর্বাব্দের দিকে এসিরীয় বাহিনী সিরিয়া আক্রমণ করেছিল এবং কিছু সময়ের জন্য সিরীয় ইসরাইলি যৌথ বাহিনী তাদের ঠেকিয়ে রাখতে পেরেছিল। তবে ডেভিড ও সলোমনের প্রতিষ্ঠিত সাম্রাজ্যের দুর্বলতা স্পষ্ট দেখা গিয়েছিল আর শীঘ্রই ভূমধ্যসাগরীয় উপকূলের এই ছোট্ট রাজ্যটির পতন হয়েছিল।

    ৭৩২ খ্রিস্টপূর্বাব্দে যখন নুবীয়রা মিশর অধিকারে ব্যস্ত তখন এসিরীয় রাজা তৃতীয় তিগলাথ- পিলেসার সিরিয়া রাজ্য ধ্বংস করে এর রাজধানী দামাস্কাস দখল করে নেয়। দশ বছর পরে তার একজন উত্তরাধিকারী দ্বিতীয় সাৰ্গন ইসরায়েল ধ্বংস করে এর রাজধানী সামারিয়া দখল করে নেন। ৭০১ খ্রিস্টপূর্বাব্দ নাগাদ সাগনের পুত্র ও উত্তরাধিকারী সেনাকেরিব যেরুজালেম অবরোধ করেন।

    ব-দ্বীপ অঞ্চলে সদ্য প্রতিষ্ঠিত নুবীয় ফারাওগণ এসিরীয় ভীতি দূর করার জন্য মরিয়া হয়ে চেষ্টা করে। হিক্সসদের পর থেকে এমন ঘটনা আর কখনো ঘটেনি মিত্তানী-হিটাইট বাহিনী ইউফ্রেটিস নদীর তীরে অবস্থান করছিল। তবে এসিরীয়রা সরাসরি মিশর সীমান্তে চলে এল। তার চেয়েও বড় কথা, তারা ইচ্ছাকৃত এক নিষ্ঠুর যুদ্ধের অবতারণা করেছিল যার ফলে মিশরীয়দের মনোবল সম্পূর্ণ ধসে পড়ে।

    মিশরীয়রা বুঝতে পেরেছিল যে ভয়ংকর লৌহ বর্মে সজ্জিত এসিরীয় বাহিনীর মোকাবেলা করা সম্ভব নয়। তাই নুবীয় ফারাও চেষ্টা করেছিলেন সিরিয়, ইসরাইলি, জুডীয় এবং ফিনিসীয়গণকে এগিয়ে আনতে। তার গুপ্তচরগণ অর্থ এবং মিষ্টবাক্য ছড়িয়েছিল যেখানে যেমন প্রয়োজন এবং এসিরীয় আক্রমণের বিপদ সম্বন্ধে তাদের সচেতন করতে চেয়েছিল। মিশর সতর্কতার সাথে তার শক্তি সংহত করেছিল এই আশায় যে যেভাবেই হোক এসিরীয় বিপর্যয় থেকে বাঁচা যাবে।

    অবশেষে এসিরীয় বাহিনী যখন যেরুজালেম অবরোধ করে তখন সবার চৈতন্যোদয় হলো যে এবার যুদ্ধে নামতে হবে এবং তার ভ্রাতুস্পুত্র তাহাকার অধীনে মিশরীয় বাহিনীকে প্রেরণ করেন সেনাকেরিবের মোকাবেলা করতে। মিশরীয়রা পরাজিত হয়েছিল তবে সে ছিল এক কঠিন সগ্রাম এবং সেনাকেরিবকে আপাতদৃষ্টিতে একটি দুর্বল বাহিনীর মোকাবেলা করতে হয়েছিল। তবে তার নিজ সাম্রাজ্যে বিদ্রোহের সংবাদ শুনে সাময়িকভাবে তাকে ফিরে যেতে হয়েছিল। মিশর রক্ষা পেয়েছিল এবং যেরুজালেমেও আনন্দ উল্লাস চলছিল যেহেতু তারা আরও এক শতাব্দীর জীবন ফিরে পায়।

    এসিরীয় সাম্রাজ্যে সকল প্রকার বিশৃঙ্খলা দূর করে যখন সাম্রাজ্যকে ভীতিমুক্ত সন্ত্রাসমুক্ত করতে সক্ষম হলেন ঠিক সেই মুহূর্তে ৬৮১ খ্রিস্টপূর্বাব্দে সেনাকেরিবকে হত্যা করা হয় এবং এসিরীয় সাম্রাজ্যে চরম বিশৃঙ্খলা ও নৈরাজ্যের শুরু হয়।

    তার পুত্র এসাহাৰ্ডন আবার বাইরে দৃষ্টি দিতে সক্ষম হলেন। মিশর সম্বন্ধে তিনি নতুন করে ভাবতে শুরু করলেন। মিশর যখন এসিরীয় ষড়যন্ত্রে ব্যস্ত তখন এসিরীয়া নিজ দেশে একের পর এক বিদ্রোহ দমনে নিয়োজিত। ইতিমধ্যে তাহার্কা ফারাও হিসাবে মিশরের সিংহাসনে আসীন এবং এসহার্ডন মিশরের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে প্রস্তুত।

    তাহার্কা এবং তার মিশরীয় বাহিনী মরিয়া হয়ে সাহসিকতার সাথে যুদ্ধ শুরু করে। ৬৭৫ খ্রিস্টপূর্বাব্দে তারা একটি যুদ্ধে এসিরীয় বাহিনীকে পরাস্ত করতে সক্ষম হয়। তবে এতে চূড়ান্ত পতন শুধু কিছুদিনের জন্য বিলম্বিত হয়েছিল। ৬৭১ খ্রিস্টপূর্বাব্দে এসাহাৰ্ডন অতিমাত্রায় আত্মবিশ্বাস পরিত্যাগ করে সুপরিকল্পিতভাবে যুদ্ধে ফিরে আসেন। তিনি মেসি এবং ব-দ্বীপ অধিকার করেন এবং তাহাকাকে দক্ষিণে হটে যেতে বাধ্য করেন।

    তবে তাহার্কা হাল ছেড়ে দেননি, তিনি একটি প্রতিআক্রমণের প্রস্তুতি গ্রহণ করলেন এবং ভাটির দিকের আক্রমণে সাফল্য লাভ করলেন। ৬৬৮ খ্রিস্টপূর্বাব্দে আর একটি আক্রমণের আয়োজন করার পূর্বেই এসহার্ডন মৃত্যুবরণ করেন। তবে তার পুত্র আসুরবানিপাল পিতার অসমাপ্ত কাজ সম্পূর্ণ করেছিলেন। তিনি যে শুধু মেসি পুনর্দখল করেছিলেন তাই নয়, তিনি এমন একটা কিছু করেছিলেন যা ইতিপূর্বে হিক্সসরাও করতে পারেনি। তিনি থিবিসে আশ্রয় নেয়া তাহাকার পশ্চাদ্ধাবন করেন।

    ৬৬১ খ্রিস্টপূর্বাব্দে তিনি থিবিস দখল করে ধ্বংস করে দেন এবং নুবীয় ফারাও বংশের সমাপ্তি টানেন। নুবিয়াতে তারা আরও এক হাজার বছর রাজত্ব করেছিল তবে তাদের সভ্যতার অধঃপতন ঘটে এবং এক শতাব্দীর স্বল্পস্থায়ী গৌরবের চির অবসান ঘটে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবরিশালের যোগেন মণ্ডল – দেবেশ রায়
    Next Article শুনছ, কোথাও আছো কি কেউ?
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }