Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মিসির আলি UNSOLVED – হুমায়ূন আহমেদ

    হুমায়ূন আহমেদ এক পাতা গল্প103 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ছবি

    তখন আমি উত্তরায় আস্ত একটা দোতলা বাড়ি ভাড়া করে একা থাকি। ব্যক্তিগত কারণে স্বেচ্ছানির্বাসন বলা যেতে পারে। রান্নাবান্না করার জন্য একজন বাবুর্চি রেখেছিলাম। তৃতীয় দিনে সে বাজার করার টাকাপয়সা নিয়ে বের হল, আর ফিরল না। চাল-ডাল-তেল অনেক কিছু কিনতে হবে বলে সে পনেরশ টাকা নিয়েছিল। পরে দেখা গেল সে এই টাকা ছাড়াও আমার হাতঘড়ি, চশমার খাপ এবং টেবিলে রাখা রাজশেখর বসুর চলন্তিকা ডিকশনারিটাও নিয়ে গেছে। ডিকশনারি নেবার কারণ কিছুতেই স্পষ্ট হচ্ছে না। যে বাজারের ফর্দে কাঁচামরিচের বানান লেখে ‘কাছা মরিচ’, চলন্তিকা ডিকশনারির তার প্রয়োজন থাকলেও কাজে আসার কথা না। আমি ঠিক করে রাখলাম, মিসির আলি সাহেবের সঙ্গে দেখা হলে প্রসঙ্গটা তুলব। চলন্তিকা ডিকশনারি সে কেন নিয়েছে এই ব্যাখ্যা নিশ্চয়ই দিতে পারবেন। এরপর দু’বার তাঁর সঙ্গে আমার দেখা হয়েছে। দু’বারই ভুলে গিয়েছি। তৃতীয়বার যেন এই ভুল না হয় তাঁর জন্য লেখার টেবিলে রাখা নোটবইতে লাল বলপয়েন্টে লিখে রেখেছি—

    মিসির আলি
    চলন্তিকা চুরি রহস্য

    বর্ষার এক সন্ধ্যায় মিসির আলি উপস্থিত। তাঁর সঙ্গে মাঝারি সাইজের টকটকে লাল রঙের একটা ফ্লাস্ক। তিনি বললেন, চা এনেছি। চা খাবার জন্য তৈরি হন। বলেই তিনি পাঞ্জাবির পকেট থেকে দু’টা ছোট ছোট গ্লাস বের করলেন। আমি বললাম, বাসায় কাপ ছিল, পকেটে করে গ্লাস আনার দরকার ছিল না।

    মিসির আলি বললেন, যে চা এনেছি তা দামি চায়ের কাপে খেলে চলবে না। রাস্তার পাশে যেসব টেম্পরারি চায়ের দোকান আছে তাদের কাপে করে খেতে হবে। এবং দাঁড়িয়ে খেতে হবে।

    আমি বললাম, দাঁড়িয়ে খেতে হবে কেন?

    মিসির আলি বললেন, ঐসব দোকানে একটা মাত্র বেঞ্চ থাকে। সেই বেঞ্চে কখনো জায়গা পাওয়া যায় না। দাঁড়িয়ে চা খাওয়া ছাড়া গতি কী? আরাম করে যে চা-টা শেষ করবেন সেই উপায়ও নেই। ব্যস্ততার মধ্যে চা-পান শেষ করতে হবে। কারণ গ্লাসের সংখ্যা সীমিত। অন্য কাস্টমাররা অপেক্ষা করছে।

    ‘শিশুর পিতা শিশুর অন্তরে লুকিয়ে থাকে’—কথাটা যেমন সত্যি তেমনি সব বড় মানুষের মধ্যে একজন শিশু লুকিয়ে থাকে তাও সত্যি। মিসির আলির মধ্যে লুকিয়ে থাকা শিশুটির কারণে আমাকে ফ্লাস্কের চা দাঁড়িয়ে ব্যস্ত ভঙ্গিতে খেয়ে শেষ করতে হল। মিসির আলি বললেন, প্রতিটি খাদ্যদ্রব্যের জন্য পরিবেশ আলাদা করা। ভাপা পিঠা খেতে হয় উঠানে, চুলার পাশে বসে। চিনাবাদাম খেতে হয় খোলা মাঠে, পা ছড়িয়ে অলস ভঙ্গিতে। মদ খেতে হয় কবিতার বই হাতে নিয়ে।

    তাই নাকি?

    মিসির আলি বললেন, আপনাদের কবি ওমর খৈয়াম সেই রকম বলেছেন।

    সঙ্গে রবে সুরার পাত্র
    অল্প কিছু আহার মাত্র
    আরেকখানি ছন্দমধুর কাব্য হাতে নিয়ে।

    মিসির আলিকে নিয়ে বারান্দায় বসলাম। ভালো বর্ষণ শুরু হয়েছে। বারান্দা থেকে উত্তরা লেকের খানিকটা চোখে পড়ছে। হলুদ সোডিয়াম ল্যাম্পের কারণে লেকের পানির সঙ্গে বৃষ্টির ফোঁটার মিলনদৃশ্য দেখা যাচ্ছে। মিসির আলি বললেন, আপনাকে গল্প শোনাতে এসেছি।

    আমি বললাম, নিজেই গল্প শুনাতে চলে এসেছেন, ব্যাপারটা বুঝলাম না। আপনার গল্প শোনার জন্য তো অনেক ঝোলাঝুলি করতে হয়।

    মিসির আলি বললেন, আপনি হঠাৎ একা হয়ে পড়েছেন। সারা জীবন আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব আপনাকে ঘিরে ছিল। এখন কেউ নেই। আমি নিজে নিঃসঙ্গ মানুষ। নিঃসঙ্গতা আমার ভালোই লাগে। আপনার লাগার কথা না। গল্প বলে আপনাকে খানিকটা আনন্দ দেব। কোনো এক সময় গল্পটা আপনি লিখেও ফেলতে পারেন।

    আমি বললাম, Unsolved মিসির আলি?

    হ্যাঁ। যে গল্পটা বলব তার ব্যাখ্যা বের করতে পারি নি।

    আমি বললাম, শুরু করুন।

    মিসির আলি বললেন, এখানে গল্প বলব না। ঘরের ভেতরে চলুন। আপনার দৃষ্টি বৃষ্টির দিকে। একজন কথক শ্রোতার কাছে পূর্ণ Attention দাবি করে। আমি গল্প বলব আর আপনি বৃষ্টি দেখবেন তা হবে না।

    গল্পের সঙ্গে আর কিছু লাগবে?

    মিসির আলি বললেন, চা এবং সিগারেট লাগবে। ফ্লাস্কে চা আছে। সিগারেট আছে আমার পকেটে। ভালো কথা আমি আপনার জন্য একটা বই নিয়ে এসেছি। স্যার্জ ব্রেসলি’র লেখা লিওনার্দো দা ভিঞ্চি।

    বিশেষ করে এই বইটি আনার কোনো কারণ আছে কি?

    মিসির আলি বললেন, আছে। কিছু বই আছে নিঃসঙ্গ অবস্থায় পড়তে অসাধারণ লাগে। এটা সেরকম একটা বই।

    আমরা দু’জন শোবার ঘরে ঢুকলাম। মিসির আলি বিছানায় পা তুলে আয়োজন করে গল্প শুরু করলেন। এত আয়োজন করে তাঁকে কখনো গল্প বলতে শুনি নি।

    .

    আমি যে খুব চা-প্রেমিক লোক তা না। তবে রাস্তার পাশে অস্থায়ী চায়ের দোকানে চা খেতে ভালো লাগে। কেন ভালো লাগে তা বলতে পারছি না। এটা নিয়ে কখনো ভাবি নি।

    শীতকালের দুপুর। বাসায় ফিরছি। পথে চায়ের দোকান দেখে রিকশা দাঁড় করিয়ে চা খেতে গেলাম। অনেক দিন এত ভালো চা খাই নি। চমৎকার গন্ধ। মিষ্টি পরিমাণমতো। ঘন লিকার। চা শেষ করে দাম দিতে গেছি, দোকানি হাই তুলতে তুলতে বলল, দাম দিতে হবে না।

    আমি বললাম, দাম দিতে হবে না কেন?

    আপনে আজ ফ্রি।

    ফ্রি মানে?

    দোকানি বিরক্ত মুখে বলল, প্রত্যেক দিন পাঁচজন ফ্রি চা খায়। আইজ আপনে পাঁচজনের মধ্যে পড়ছেন। আর প্যাচাল পাড়তে পারব না। বিদায় হন।

    ফ্রি চা খেয়ে বিদায় হয়ে যাবার প্রশ্নই আসে না। জিজ্ঞাসাবাদ করে জানলাম জনৈক ‘প্রবেচার স্যার’ দোকানিকে প্রতি মাসে শুরুতে ৪৫০ টাকা দেন। যাতে প্রতিদিন পাঁচজন কাস্টমারকে সে ফ্রি চা খাওয়াতে পারে। তিন টাকা করে কাপ দিনে পনের টাকা। ত্রিশ দিনে ৪৫০ টাকা।

    আমি বললাম, প্রফেসর সাহেবের নাম কী?

    নাম জানি না। কুদ্দুস জানে, কুদ্দুসরে জিগান।

    কুদ্দুস কে?

    রুটি বেচে। সামনের গলির ভিতর ঢুকেন। চার-পাঁচটা বাড়ির পরে কুদ্দুসের ছাপরা পাইবেন।

    কুদ্দুসও কি পাঁচজনকে ফ্রি রুটি খাওয়ায়?

    জে। হে লাভ করে মেলা। ডেইলি সত্তুর টেকা পায়। এক দুইজনারে ফ্রি খাওয়ায়। বাকি টেকা মাইরা দেয়। প্রবেচার স্যাররে ঘটনা বলেছি। উনি কোনো ব্যবস্থা নেন নাই।

    উনি থাকেন কোথায়?

    জানি না। কুদ্দুস জানতে পারে। তারে জিগান গিয়া।

    আমি কুদ্দুসের সন্ধানে বের হলাম। সে রাস্তার পাশে ছাপরা ঘর তুলে রুটি, ডাল এবং সবজি বিক্রি করে। শুকনা মরিচের ভর্তা ফ্রি। দেখা গেল সে প্রফেসর স্যারের নাম ছাড়া অন্য কিছুই জানে না। প্রফেসর স্যারের নাম জামাল। কুদ্দুসকে জামাল স্যারের ওপর অত্যন্ত বিরক্ত মনে হল। সে বলল, এমন ঝামেলার মধ্যে আছি। দুনিয়ার না খাওয়া মানুষ ভিড় কইরা থাকে ফ্রি খানার জন্য। পাঁচজনের বেশি খাওয়াইতে পারি না। এরা বুঝে না।

    আমি বললাম, জামাল সাহেব কোথায় থাকেন জানো?

    জানি না।

    এই এলাকাতেই কি থাকেন?

    বললাম তো জানি না।

    উনার বয়স কত? চেহারা কেমন?

    রোগা-পাতলা। মাথায় চুল কম। গায়ের রঙ ময়লা। চশমা আছে। বয়স কত বলতে পারব না। এখন যান। ত্যক্ত কইরেন না। ঝামেলায় আছি।

    আমার জন্য জামাল সাহেবকে খুঁজে বের করা কোনো সমস্যা না। বাসার ঠিকানা বের করে এক ছুটির দিনে সকাল এগারটার দিকে উপস্থিত হলাম। একতলা বাড়ি। সামনে বাগান। বাগানে দেশী ফুলের গাছ। কামিনী, হাসনাহেনা এইসব। বিশাল একটা কেয়া গাছের ঝোপ দেখলাম। বাড়ির সামনে কেউ সাপের ভয়ে কেয়া গাছ লাগায় না। উনি লাগিয়েছেন। বাঁশের একটা গেটের মতো আছে। গেটে বিখ্যাত নীলমণি লতা। বিখ্যাত কারণ নীলমণি লতা নাম রবীন্দ্রনাথের দেয়া। বড় গাছের মধ্যে একটা কদম গাছ এবং একটা বকুল গাছ। অচেনা একটা বিশাল গাছ দেখলাম।

    কলিংবেল চাপ দিতেই দশ-এগার বছরের এক কিশোরী দরজা খুলে দিল। আমি অবাক হয়ে কিশোরীর মুখের দিকে তাকিয়ে আছি। অবাক হবার কারণ–এমন মিষ্টি চেহারা! আমার প্রথমেই জিজ্ঞেস করা উচিত, এটা কি জামাল সাহেবের বাড়ি? তা না করে আমি বললাম, কেমন আছ মা?

    মেয়েটি হাসতে হাসতে বলল, চাচা, আমি ভালো আছি।

    এই গাছটার নাম কী?

    ছাতিম গাছ। অনেকে বলে ছাতিয়ান।

    জামাল সাহেব তোমার কে হন?

    বাবা।

    উনি বাড়িতে আছেন?

    বাজার করতে গেছেন। চাচা, ভেতরে এসে বসুন। বাবা চলে আসবেন।

    মা, তোমার নাম কী?

    আমার নাম ইথেন। বাবা কেমিস্ট্রির টিচার তো, এইজন্য আমার নাম রেখেছেন ইথেন। চাচা, ভেতরে আসুন তো।

    আমি ভেতরে ঢুকলাম। বসার ঘরে শীতলপাটি বিছানো। শীতলপাটির ওপর বেতের চেয়ার। দেয়ালে একটাই ছবি। জলরঙে আঁকা ঢাকা শহরে বৃষ্টি। এই একটা ছবিই ঘরটাকে বদলে ফেলেছে। ঘরটায় মিষ্টি স্বপ্ন তৈরি হয়েছে। মনে হচ্ছে আমি নিজেও এই ঘরের স্বপ্নের অংশ হয়ে গেছি।

    ইথেন আমাকে লেবুর শরবত বানিয়ে খাওয়াল এবং মাথা দুলিয়ে দুলিয়ে গল্প করতে লাগল—

    আমাদের কাজের মেয়েটার নাম শুনলে আপনি চমকে উঠবেন। নাম বলব চাচা?

    বল।

    ওর নাম সুধারানী।

    সুধারানী নাম শুনে চমকাব কেন?

    কারণ নামটা হিন্দু, কিন্তু সে মুসলমান। সপ্তাহে সে একদিন ছুটি পায়। আজ তার ছুটি। সে ঘরেই আছে, কিন্তু কোনো কাজ করবে না। এক কাপ চা পর্যন্ত নিজে বানিয়ে খাবে না। আমাকে বলবে, ইথু, এক কাপ চা দাও। আমাকে সে ডাকে ইথু

    ছুটির দিনে রান্না কে করে? তোমার বাবা?

    হুঁ। আমি বাবাকে সাহায্য করি। বাবা লবণের আন্দাজ করতে পারে না। আমি লবণ চেখে দেই। আজ আমি একটা আইটেম রান্না করব।

    কোন আইটেম?

    আগে বলব না। আপনি খেয়ে তারপর বলবেন কোনটা আমি রেঁধেছি।

    আমি বললাম, মা, তুমি আমাকে চেনো না। আজ প্রথম দেখলে। আমি কী জন্য এসেছি তাও জানো না। আমাকে দুপুরের খাবার দাওয়াত দিয়ে বসে আছ?

    হ্যাঁ। কারণটা বলব?

    বল।

    আমার মা তখন খুবই অসুস্থ। বাবা মা’কে হাসপাতাল থেকে বাসায় নিয়ে এসেছেন। যেন মা’র মৃত্যুর সময় আমি এবং বাবা মা’র দুই পাশে থাকতে পারি। কাঁদতে ইচ্ছা হলে আমি যেন চিৎকার করে কাঁদতে পারি। হাসপাতালে তো চিৎকার করে কাঁদতে পারব না। অন্য রোগীরা বিরক্ত হবে। তাই না চাচা?

    হ্যাঁ।

    এক রাতে মা’র অবস্থা খুব খারাপ হল। আমি ঘুমাচ্ছিলাম, বাবা আমাকে ঘুম থেকে তুলে মা’র কাছে নিয়ে গেলেন। মা বললেন, আমার ময়না সোনা চাঁদের কণা ইথেন বাবু কেমন আছ?

    আমি বললাম, ভালো আছি মা।

    মা বলল, মাগো! আমি তো চলে যাব, মন খারাপ কোরো না।

    আমি বললাম, আচ্ছা।

    মা বলল, আমি থাকব না। তুমি তোমার বাবার সঙ্গে থাকবে, বড় হবে। অনেকের সঙ্গে তোমার পরিচয়ও হবে। যেসব পুরুষমানুষ তোমাকে প্রথমেই মা ডেকে কথা শুরু করবে ধরে নিবে এরা ভালো মানুষ। কারণ তুমি খুব রূপবতী হবে। অতি অল্প পুরুষমানুষই অতি রূপবতীদের মা ডাকতে পারে। এই বিষয়টা আমি জানি, কারণ আমিও অতি রূপবতীদের দলের

    আমি বললাম, এই গল্পটা থাকুক মা। তুমি কাঁদতে শুরু করেছ। আমি কান্না সহ্য করতে পারি না।

    ইথেন চোখ মুছতে মুছতে বলল, গল্পটা তো শেষ হয়ে গেছে। আর নাই। আপনি আমাকে মা ডেকে কথা শুরু করেছেন তো, এইজন্য আমি জানি আপনি আমার আপনজন। চাচা ম্যাজিক দেখবেন?

    তুমি ম্যাজিক জানো নাকি?

    অনেক ম্যাজিক জানি। দড়ি কেটে জোড়া দেবার ম্যাজিক। কয়েন অদৃশ্য করার ম্যাজিক, অঙ্কের ম্যাজিক।

    কার কাছে শিখেছ?

    বই পড়ে শিখেছি। আমার জন্মদিনে বাবা আমাকে একটা বই দিয়েছেন। বইয়ের নাম—ছোটদের ম্যাজিক শিক্ষা। সেখান থেকে শিখেছি। আমি ঠিক করেছি বড় হয়ে আমি জুয়েল আইচ আঙ্কেলের কাছে ম্যাজিক শিখব। আচ্ছা চাচা উনি কি আমাকে শেখাবেন?

    শিখানোর তো কথা। আমি যতদূর জানি উনি খুব ভালো মানুষ

    ইথেন আয়োজন করে ম্যাজিক দেখাল। দড়ি কাটার ম্যাজিকে প্রথমবার কী যেন একটা ভুল করল। কাটা দড়ি জোড়া লাগল না। দ্বিতীয়বারে লাগল। আমি বললাম, এত সুন্দর ম্যাজিক আমি আমার জীবনে কম দেখেছি মা।

    সত্যি বলছেন চাচা?

    আমি বললাম, অবশ্যই সত্যি বলছি। ম্যাজিক দেখানোর সময় ম্যাজিশিয়ানের মুখ হাসি হাসি থাকলেও তাদের চোখে কুটিলতা থাকে। দর্শকদের তারা প্রতারিত করছে এই কারণে কুটিলতা। ম্যাজিকের বিস্ময়টাও তাদের কাছে থাকে না। কারণ কৌশলটা তারা জানে। তোমার চোখে কুটিলতা ছিল না। ছিল আনন্দ এবং বিস্ময়বোধ।

    .

    জামাল সাহেব বাজার নিয়ে ফিরলেন। আমাকে তাঁর মেয়ের সঙ্গে ঘরোয়া ভঙ্গিতে গল্প করতে দেখে মোটেই অবাক হলেন না। যেন আমি তাঁর দীর্ঘদিনের পরিচিত কেউ। ভদ্রলোক স্বল্পভাষী এবং মৃদুভাষী। সারাক্ষণই তাঁর ঠোঁটের কোনায় হাসি লেগে থাকতে দেখলাম। যেন সারাক্ষণই তাঁর চোখের সামনে আনন্দময় কিছু ঘটছে এবং তিনি আনন্দ পাচ্ছেন।

    পাঁচজনকে রুটি খাওয়ানো এবং চা খাওয়ানো প্রসঙ্গে বললেন, খেয়াল আর কিছু না। খেয়ালের বশে মানুষ কত কী করে।

    আমি বললাম, পাঁচ সংখ্যাটি কি বিশেষ কিছু?

    তিনি বললেন, না রে ভাই। আমি পিথাগোরাস না যে সংখ্যা নিয়ে মাথা ঘামাব। আমি সামান্য কেমিস্ট।

    বিদায় নিতে গেলাম, তিনি খপ করে আমার হাত ধরে বললেন, পাগল হয়েছেন! দুপুরে খাওয়াদাওয়া করে তবে যাবেন। আমার মেয়ের আপনি অতিথি।

    আমি বললাম, ঐ ছড়াটা জানেন? ‘আমি আসছি আঁকা। আমারে বলে ভাত খা।’

    ভদ্রলোক হাসতে হাসতে ভেঙে পড়লেন, যেন এমন মজার ছড়া তিনি তাঁর জীবনে শোনেন নি। তিনি মেয়েকে ডেকে বললেন, ইথেন, তোর চাচু কী বলে শুনে যা। তোর চাচু বলছে—আমি আসছি আঁকা। আমারে বলে ভাত খা। হা হা হা।

    আমি পুরোপুরি ঘরের মানুষ হয়ে দুপুরে তাদের সঙ্গে খাবার খেলাম। খাবারের আগে আমাকে টাওয়েল-লুঙ্গি দেয়া হল। নতুন সাবানের মোড়ক খুলে দেয়া হল। আমাকে গোসল করতে হল। আমি দীর্ঘ জীবন পার করেছি। এই দীর্ঘ জীবনে বেশ কয়েকবার নিতান্তই অপরিচিতজনদের ভালবাসায় সিক্ত হয়েছি। ঐ যে গানটা আছে না—‘আমাকে তুমি অশেষ করেছ, এ কি এ লীলা তব’।

    খাবার টেবিলে ইথেন বলতে লাগল, বাবা, তুমি চাচুকে মা’র গল্পটা বল। কীভাবে তোমাদের বিয়ে হয়েছে সেটা বল।

    জামাল সাহেব বললেন, আরেক দিন বলি মা?

    ইথেন বলল, আজই বলতে হবে কারণ চাচু আর আসবে না।

    কী করে জানো উনি আর আসবেন না?

    ইথেন বলল, আমার মন বলছে। আমার মন যা বলে তাই হয়

    জামাল সাহেব গল্প শুরু করলেন। অস্বস্তি নিয়েই শুরু করলেন। জামাল সাহেবের জবানিতে গল্পটা এই—

    .

    আমি তখন ক্লাস এইটে পড়ি। বৃত্তি পরীক্ষা দেব। মন দিয়ে পড়ছি। বৃত্তি পেলে বাবা আমাকে একটা সাইকেল কিনে দেবেন বলেছেন। নতুন সাইকেলের লোভে পড়াশোনা। বৃত্তি পাওয়ার লোভে না।

    একদিন অঙ্ক করছি, হঠাৎ অঙ্ক বইয়ের ভেতর থেকে একটা মেয়ের পাসপোর্ট সাইজ ছবি বের হয়ে এল। ছয়-সাত বছর বয়সী মেয়ের ছবি। ছবির পেছনে লেখা জেসমিন। একজন সেই ছবি সত্যায়িত করেছেন। যিনি সত্যায়িত করেছেন তাঁর নাম এস রহমান। জেলা জজ। আমি কিছুতেই ভেবে পেলাম না এই ছবি কোত্থেকে এল। আমার অঙ্ক বই কে ঘাঁটাঘাঁটি করবে? বাবাকে ছবিটা দেখালাম। বাবা বললেন, কে এই মেয়ে? আশ্চর্য তো! আচ্ছা যা খুঁজে বের করছি। এটা কোনো ব্যাপারই না। জেলা জজ রহমান সাহেবের পাত্তা লাগালেই হবে। ছবিটা রেখে দে, চাইলে দিবি।

    আমি আমার সুটকেসে ছবিটা রেখে দিলাম। বাবা কখনো ছবি চাইলেন না। বাবার স্বভাবই এরকম, যে কোনো ঘটনা শুরুতে খুব গুরুত্বের সঙ্গে নেবেন। ঘণ্টা তিনেকের মধ্যে ঘটনা সব গুরুত্ব হারাবে।

    তার প্রায় আড়াই বছর পরের কথা। ঢাকা কলেজে ভর্তি হতে গিয়েছি। ফর্ম, এটেস্টেড ছবি হেড ক্লার্ক সাহেবকে দিলাম। তিনি সবকিছু খুঁটিয়ে দেখে বললেন— দুই কপি ছবি দিতে হবে। তিন কপি কেন? এটা তো তোমার ছবিও না।

    তিনি যে ছবি ফেরত দিলেন, সেটা ঐ জেসমিন মেয়েটার ছবি। তবে আগের ছবিটা না। অন্য ছবি। এতই সুন্দর ছবি যে একবার তাকালে চোখ ফেরানো অসম্ভব ব্যাপার।

    আমি জেসমিনের তৃতীয় ছবিটা পেলাম তার দুই বছর পর। রিকশা থেকে নামার পর রিকশাওয়ালাকে মানিব্যাগ বের করে ভাড়া দিচ্ছি। রিকশাওয়ালা বলল, স্যার মানিব্যাগ থাইকা কী যেন নিচে পড়ছে।

    তাকিয়ে দেখি একটা ছবি। জেসমিন নামের মেয়েটির ছবি। মেয়েটা এখন তরুণী। সৌন্দর্যে-লাবণ্যে ঝলমল করছে।

    ছবিগুলো কোথেকে আমার কাছে আসছে তার কোনো হদিস বের করতে পারলাম না। একধরনের ভয় এবং দুশ্চিন্তায় অস্থির হয়ে গেলাম। সবচেয়ে ভয় পেলেন আমার মা। তিনি পীর সাহেবের কাছ থেকে তাবিজ এনে গলায় এবং কোমরে পরালেন।

    জামাল সাহেব দম নেবার জন্য থামলেন।

    আমি বললাম, ছবিগুলো যে একই মেয়ের সেই বিষয়ে আপনি নিশ্চিত?

    জি। জেসমিনের ঠোঁটের নিচে বাঁ দিকে একটা লাল তিল ছিল। একই রকম তিল আমার মেয়ে ইথেনের ঠোটের নিচেও আছে। জেনেটিক ব্যাপার। যাই হোক, সব মিলিয়ে আমি পাঁচবার মেয়েটির ছবি পাই। আমি যে পাঁচজনকে চা এবং রুটি খাওয়াই তার পেছনে হয়তো অবচেতনভাবে পাঁচ সংখ্যাটি কাজ করেছে।

    তিনবার ছবি পাওয়ার ঘটনা শুনলাম। বাকি দু’বার কীভাবে পেলেন বলুন।

    জামাল সাহেব বললেন, শেষবারেরটা শুধু বলি—শেষবার যখন ছবি পাই, তখন আমি আমেরিকায়। মোরহেড স্টেট ইউনিভার্সিটিতে এলকালয়েডের ওপর পিএইচডি ডিগ্রির জন্য কাজ করছি। জায়গাটা নর্থ ডাকোটায়, কানাডার কাছাকাছি। শীতের সময় প্রচণ্ড ঠাণ্ডা পড়ে। টেম্পারেচার শূন্যের অনেক নিচ পর্যন্ত নামে। আমি গরম একটা ওভারকোট কিনেছি। তাতেও শীত আটকায় না। একদিন লাইব্রেরিতে গিয়েছি। লাইব্রেরিয়ানের হাতে ওভারকোটের পকেটে রাখা লাইব্রেরি কার্ড দিলাম। লাইব্রেরিয়ান কার্ড হাতে নিয়ে বলল, Your wife? Very pretty. আমি অবাক হয়ে দেখলাম লাইব্রেরি কার্ডের পকেটে জেসমিনের ছবি। এই ছবি কোনো একটা পুরোনো বাড়ির ছাদে তোলা। ছাদের রেলিং দেখা যাচ্ছে। রেলিংয়ে কিছু কাপড় শুকাতে দেয়া হয়েছে। জেসমিন বসা আছে একটা বেতের মোড়ায়। তার হাতে একটা পিরিচ। মনে হয় পিরিচে আচার। কারণ জেসমিনের চারদিকে অনেকগুলো আচারের শিশি। রোদে শুকাতে দেয়া হয়েছে।

    .

    ছবির মেয়েটির সঙ্গে কোনোদিন দেখা হবে ভাবি নি। দেখা হয়ে গেল। দেশে ফিরেছি। বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর হিসেবে জয়েন করেছি। একদিন নিউমার্কেটে গিয়েছি স্টেশনারি কিছু জিনিসপত্র কিনতে। হঠাৎ একটা বইয়ের দোকানের সামনে মেয়েটিকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখলাম। আমার নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে গেল। মনে হল এক্ষুনি অজ্ঞান হয়ে পড়ে যাব। কীভাবে নিজেকে সামলালাম জানি না। আমি লাজুক প্রকৃতির মানুষ। সব লাজলজ্জা বিসর্জন দিয়ে ছুটে গেলাম। মেয়েটির পাশে দাঁড়ালাম। সে চমকে তাকাল। আমি বললাম, আপনার নাম কি জেসমিন?

    মেয়েটি হ্যাঁ-সূচক মাথা নাড়ল।

    আপনি কি কোনো কারণে আমাকে চেনেন?

    সে না-সূচক মাথা নাড়ল। আমি বললাম, আপনার কিছু ছবি আমার কাছে আছে।

    আমার ছবি?

    হ্যাঁ বিভিন্ন বয়সের আপনার পাঁচটা ছবি।

    বলেই দেরি করলাম না। পকেট থেকে মানিব্যাগ বের করলাম। তখন আমি পাঁচটা ছবিই সব সময় সঙ্গে রাখতাম। আমি বললাম, এইগুলো কি আপনার ছবি?

    জেসমিন হ্যাঁ-সূচক মাথা নাড়ল। আমার কাছে মনে হল, তাঁর ঠোঁটের কোণে হালকা হাসির রেখা। আমি বললাম, এই ছবিগুলো আমার কাছে কীভাবে এসেছে আমি জানি না। আপনার কি কোনো ধারণা আছে?

    জেসমিন জবাব দিল না।

    আমি কি আপনার সঙ্গে কোথাও বসে এক কাপ চা খেতে পারি?

    আমি চা খাই না।

    তা আসুন আইসক্রিম খাই। এখানে ইগলু আইসক্রিমের একটা দোকান আছে।

    আইসক্রিম খেতে ইচ্ছা করছে না।

    আমি বললাম, আপনাকে আইসক্রিম খেতে হবে না। আপনি আইসক্রিম সামনে নিয়ে চুপচাপ বসে থাককেন। প্লিজ, প্লিজ প্লিজ।

    জেসমিন বলল, চলুন

    সাত দিনের মাথায় জেসমিনকে বিয়ে করলাম। বাসররাতে সে বলল, ছবিগুলো কীভাবে তোমার কাছে গিয়েছে আমি জানি। কিন্তু তোমাকে বলব না। তুমি জানতে চেও না।

    আমি জানতে চাই নি। এই গ্রহের সর্বশ্রেষ্ঠ মেয়েটিকে স্ত্রী হিসেবে পেয়েছি, আর কিছুর আমার প্রয়োজন নেই। তা ছাড়া কম জানার ব্যাপারটায় সুখ আছে। Ignorence is bliss. আপনি কি জেসমিনের পাঁচটা ছবি দেখতে চান?

    চাই।

    ছবি দেখে আপনি চমকাবেন।

    আমি ছবি দেখলাম এবং চমকালাম। অবিকল ইথেন। দু’জনকে আলাদা করা অসম্ভব বলেই মনে হল। জামাল সাহেব বললেন, আমি পড়াই বিজ্ঞান। যে বিজ্ঞান রহস্য পছন্দ করে না। কিন্তু আমার জীবন কাটছে রহস্যের মধ্যে। অদ্ভুত না?

    অদ্ভুত তো বটেই। আচ্ছা ছাদে জেমসিনের যে ছবিটা তোলা হয়েছে। চারদিকে আচারের বোতল। সেই বাড়িটা কি দেখেছেন?

    জামাল সাহেব বললেন, সে রকম কোনো বাড়িতে জেসমিনরা কখনো ছিল না। ছবি বিষয়ে এইটুকুই শুধু জেসমিন বলেছে।

    আমি বিদায় নিয়ে ফিরছি। জামাল সাহেব আমাকে গেট পর্যন্ত এগিয়ে দিলেন। শেষ মুহূর্তে বললেন, আমার মেয়ে ইথেন কিছুদিন আগে হঠাৎ করে বলল, তার মা’র ছবি কীভাবে আমার কাছে এসেছে তা সে জানে। তবে আমাকে কখনো বলবে না। আমি বলেছি, ঠিক আছে মা, বলতে হবে না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপুফি – হুমায়ূন আহমেদ
    Next Article মিসির আলি! আপনি কোথায়? – হুমায়ূন আহমেদ

    Related Articles

    হুমায়ূন আহমেদ

    বোতল ভূত – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    নিউইয়র্কের নীলাকাশে ঝকঝকে রোদ – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    রং পেন্সিল – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    বিবিধ / অগ্রন্থিত লেখা – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    আজ হিমুর বিয়ে – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    কৃষ্ণপক্ষ – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }