Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মুখ – মহাশ্বেতা দেবী

    মহাশ্বেতা দেবী এক পাতা গল্প101 Mins Read0
    ⤶

    মুখ – ৮

    ৮

    সবাই স্তব্ধ, স্তব্ধ।

    —এবার আমাকে লেখা চিঠিটা শোন।

    রূপা পড়তে তাকে। সুজয় এখন মাথা রাখে নিজের হাতে। বস খুব নিশ্চল।

    চিনু চার্মস ধরায়।

    রূপার চিঠিটা পড়া শেষ হয়।

    সুপ্তি বোস কাঁদছেন, মার জন্যে কষ্ট হয়, মার জন্যে করুণা হয়। গোপা, গোপা, গোপা!

    রূপা চিঠি ও ছবি ব্যাগে ভরে।

    —এবার?

    সুজয় মুখ তোলে।

    —এবার কি? ফাইন! গোপা একা থাকছে, গোপা স্বাধীন হচ্ছে, চমৎকার উপসংহার।

    ঋষি গলা সাফ করে।

    —উপসংহারটা ওভাবে হয়নি সুজয়।

    —বলুক, পুলিশ রিপোর্টার বলুক।

    —বলছি। গোপা কোথায় গেছে তুমিও জানতে না।

    সম্ভবত গোয়েন্দা এজেন্সির সাহায্যে ওর ওপর নজর রাখছিলে। বস কি মনে করেন?

    বস রক্তাক্ত ঘোলাটে চোখ থেকে হাত সরান। সুজয়ের দিকে তাকান।

    —রাখছিল। আমায় বলেছে।

    —একশো বার রাখব। আমার বউ আমার মুখ হাসিয়ে একটা তিন পয়সার কেরানীর সঙ্গে ঘুরবে? আমি ডিভোর্স করব বলে খবর নিচ্ছিলাম।

    ঋষি একটু থেমে থেমে কথা বলে।

    —ডিভোর্স করতে ওকে?

    —অবশ্যই।

    —মনে হয় না। তুমি এবং বস, তোমাদের যা সম্পর্ক, বসের মেয়েকে ডিভোর্স তুমি করতে না।

    —তার আগেই তো ”ডিভোর্সের চিঠি পাবে” লিখে গোপা চলে গেল না?

    —শুনেছি খাতার ছেঁড়া পাতার আধখানায় ওকথা লেখা ছিল। হয়তো ওরকম লেখা খাতায় লিখতই। যদ্দিন সাহস পায় নি।

    —কি বলতে চাও?

    ঋষি ক্লান্ত গলায় কথা বলে।

    —গোপার চিঠি দেখার পর ব্যাপারটা এরকম ঘটেছে বলে মনে হচ্ছে। গোপা চলে যাওয়াতে তোমার অহংকারে ভীষণ লাগে। ক্ষ্যাপা কুকুরের মতো তুমি ওকে খুঁজছ। কেননা ডিভোর্স তোমার ইচ্ছে নয়। তার চেয়ে ও মরে গেলে তুমি বাঁচো। তুমি বসকে ছাড়তে পার না, বসও তোমাকে ছাড়তে পারেন না। যদিও, তুমি কোন স্তরে নামতে পার তা বসও বোঝেন নি বলেই আমার মনে হয়। উনি ঠিক তুমি নন।

    —না, উনি আলবার্ট সোয়াইৎজার, উনি বাবা সাহেব আমতে, আমি একা চার্লস শোভরাজ!

    —সুজয়, মাত্রা ছাড়িও না।

    —একশোবার ছাড়াব।

    —বাস্টার্ড! বাস্টার্ড!

    বস ভাঙা গলায় বলেন। ওঁর সাম্রাজ্য ভেঙে যাচ্ছে, চলে যাচ্ছে, গলা তো ভাঙবেই।

    —আমি বলেছিলাম তুমি আমার মেয়ের পেছনে হকিং হান্ট লাগাও?

    —বস! আপনার কাছে এ রকম ভুল অপ্রত্যাশিত। কথাটা হান্টিং হক, শিকারী বাজ!

    —ওই হল।

    ঋষি বলে, গোপা তোমাকে ছেড়ে যাওয়াতেই তুমি রাগে গোমরাচ্ছ। মেয়ে চলে গেলে বস ক’দিন খুশি থাকবে তা তুমি জানো না। তোমার ভয়। বাপ মেয়েতে যদি মিলমিশ খেয়ে যায়, তুমি আরো বিপন্ন হবে।

    —চমৎকার! বলে যাও।

    —আসলে তুমি কত বিপন্ন তা তুমি বুঝলে যখন রিমকি তোমায় চেপে ধরল। গোপা ওর সঙ্গে দেখা করেছে, তোমার স্বরূপ কি, তা বলে গেছে, তা জেনেছ যখন তখনি কিন্তু গোপার মৃত্যু পরোয়ানা লিখেছ তুমি। কেননা, আমার ধারণা, রিমকি তোমাকে সন্দেহ করতে থাকে, অ্যাটর্নিকে ডেকে সব বলে। এবং তোমাকে চাপ দিতে থাকে। বাড়িটা তো ওর!

    —রিমকি! একটা ভদ্রলোকের বিধবা হয়ে দেওরের সঙ্গে সম্পর্ক করে… বেশ্যা একটা। আমায় বিয়ে করো। সুজয় ওকে বিয়ে করবে?

    রূপা মন্ত্রমুগ্ধ। সুজয়ের মতো লোক হয়, তা ও পড়েছে বইয়ে, চোখে দেখেনি।

    ঋষি বলে, তোমার মতো লোকের পক্ষে এ ভাবে ভাবাই স্বাভাবিক। রিমকিকে তুমি ব্যবহার করেছ। ওর গর্ভে তোমার মেয়ে হয়েছে, ওর বাড়িতে গেড়ে বসে আছ। সেই রিমকি বিগড়ে যাচ্ছে গোপার কথায়। তুমি আর কত সইতে পারো। গোপাকে খুন করাই সমাধান।

    —ঠিক বলেছ ঋষি।

    সুপ্তি বোস ও ভাস্বর একসঙ্গে কথা বলেন।

    —বাড়ি তোমার নয়?

    —বাবা! তুমি কি দেখেছিলে?

    —মাসতুত বউদি! ছি, ছি, ছি!

    —অমার্জনীয়। জঘন্য।

    সুজয় বলে, কোন মহাপুরুষ তোমার বোনকে বিয়ে করত হে ভাস্বর বোস? বেশি বোক না।

    ঋষি বলে, আমি শেষ করিনি।

    —ও, তোমার রূপকথা।

    ঋষি ঈষৎ হাসে।

    —বেশ তো রূপকথাই হোক। গোপাকে খুন করবে বলে তুমি মনে মনে অন্ধ, অথচ ঠিকানা জানো না। তারপর রিমকি যখন চিঠি চার্জ করে, তখন তুমি ঠিকানা জানলে, এবং সেদিনই ট্যুর থেকে ফিরেছ। রিমকি যদি বোকা না হয়, সে চিঠির জেরকস তোমাকে দেয়, বিকেলেই তুমি সবুজ গাড়ি নিয়ে কাঁটাজুড়ি ছোটো।

    —বাঃ, তারপর?

    তারপর….. এমন অন্ধ তখন তুমি… রাতে ওখানে পৌঁছও। গোপা তো নতুন গোপাকে আবিষ্কার করে নির্ভীক, সাহসী তখন, ও দরজা খুলে দেয়।

    —মিথ্যে কথা!

    —ট্যুর থেকে তোমার সঙ্গে যে রাতুলও ফেরে। রাতুল তোমার সেক্রেটারি, আমার স্ত্রীর কি রকম ভাই, তুমি তা জানো না।

    —কি? রাতুল…. তোমাকে…..

    —স্বভাবতই বলেছে। এটা একটু কাকতালীয় হয়েছে। রাতুল আমার সঙ্গে বেশ ঘনিষ্ঠ।। আজ সকালে ও রুদ্রকে, প্রমিস করা ”সুপারম্যান” খেলনা পৌঁছতে এসেছিল। খেলনাটা কেনার সময়ে বম্বেতে তুমি তো গাড়িতে বসেছিলে।

    —কোনো প্রমাণ নেই।

    —কেন থাকবে না? ঝাড়গ্রামে তোমাকে সিগারেট কিনতে, ওদিকে যেতে দেখেছে চিনু।

    সুজয় এখন এদিক ওদিক ঘাড় ঘোরায়। বুনো শুওরকে কারা যেন বেড়াজালে ঘিরছে বর্শা তুলে। বন্যবরাহের মত ও কোণঠাসা মরিয়া।

    —না, দেখে নি।

    —দেখেছি। পরনে স্টোনওয়াশ, সবজে জ্যাকেট, সন্ধ্যাবেলাতেও চোখে সানগ্লাস। নিতাইয়ের দোকানে সিগারেট কিনলেন, চেঞ্জ নিলেন না। শনিবার, জাস্ট গত শনিবার। আরো বলছি, কাঁটাজুড়ির সঠিক পথটা নিতাইয়ের কাছেই জেনে নেন।

    —না!

    বস, সুপ্তি, ভাস্বর, এ—ওর গায়ে ঠেসে বসেন। ওঁরা বিপন্ন, অসহায়। সুজয়কে ভয় পেতে হচ্ছে যে জন্যে ওঁরা অত্যন্ত বিপন্ন। বস সুপ্তির দিকে তাকান। সুপ্তি! সুজয় যে এত খারাপ তা আমি জানতাম না। ওঁর চোখ বলে।

    সুপ্তি ওঁর দিকে তাকান না। ঝুঁকে বসেন, কথা শোনেন।

    —সুজয়! যে ভাড়া গাড়িতে আমরা গেলাম, তার ড্রাইভার মণ্ডল আমাকে রূপাদের বাড়িতে পৌঁছবার সময়েই জিগ্যেস করেছিল তোমার সবুজ অ্যামবাসাডর আছে কি না, তুমি ঝাড়গ্রামে যাও কি না। মণ্ডল হরদম ঝাড়গ্রামে যায়, তোমাকে দেখে থাকবে।

    —তাতে কি প্রমাণ হয়?

    ”কি” শব্দের ওপর যথেষ্ট জোর।

    ঋষির গলা নৈর্ব্যক্তিক হতে থাকে।

    —তুমি খুঁজতে শুরু করলে প্রমাণ বেরোবে বইকি। যথেষ্ট প্রমাণ বেরোবে। শুধু… সুজয়… সঙ্গে মেয়েটিকে নিয়ে গেছল কেন? কেন?

    সুজয় চেঁচিয়ে ওঠে, মিথ্যে কথা! কোনো মেয়ে সঙ্গে ছিল না। আমি একলা… আমি..

    সুজয় চারদিকে তাকায়।

    ভাস্বর, ”ওলড স্পাইস” সুরভিত ভাস্বর, গোপার ছবি দেখেই যে বমি করছিল। সেই ভাস্বর লাফিয়ে ওঠে, তুমি স্বীকার করছ, তুমি একলা গিয়েছিলে?

    সুজয় বলে, ঋষি! তুমি ফাঁদে ফেলে আমাকে দিয়ে বলিয়ে নিলে?

    হঠাৎ ও ক্ষিপ্ত বাঘের মতো বোধহয় ঋষিকে আক্রমণ করতে যাচ্ছিল। চিনু ওর দু—হাত টিপে ঝাঁকি মেরে বসিয়ে দেয়।

    সুজয় ”আঃ” বলে চেঁচিয়ে ওঠে ও বলে আমার হাতে ভেঙে দিয়েছে!

    —ভাঙিনি চাঁদ। কিছুক্ষণ ঝনঝনাবে।

    ঋষি বলে, এটা কি প্যাঁচ, চিনু?

    —সম্পূর্ণ স্বদেশী। রকের ট্র্যাডিশনাল প্যাঁচ। তোমাকেও শিখিয়ে দেব।

    —আর না সুজয়, এবার বলো। একলা গিয়েছিলে, তারপর? তারপর কখন পৌঁছলে?

    সুজয় বলে, জল খাব।

    রূপা উঠে গিয়ে জল এনে দেয়। জলের জাগ। গেলাস কয়েকটি। রূপাকে এ বাড়িতে সামান্য কাজ করতে দেখলেও অবাক লাগে ঋষির।

    নীরবে ও মা, দাদা, বাবা, বিক্রম, চিনু, ঋষিকে জল দিতে থাকে।

    সুজয় বলে, জল দান বড় পুণ্যের কাজ।

    —আর নয়। বলো।

    সুজয়ের চোখ স্বপ্নিল। স্বপ্নিল। ও কি করেছে তা বলে অপার আনন্দ পাচ্ছে। এমনভাবে ও বলে, যেন এভারেস্টে ওঠা বা বিশ্ব কাপে খেলার মতো বাহাদুরির কথা বলছে।

    হিংস্র আনন্দে ও দাঁত বের করে।

    —ঋষি ইজ রাইট!

    —সুজয়, সুজয়।

    —বস, আপনি গাধা! ঋষি ঠিক বলছে।

    —তুমি… গোপাকে…

    —নিশ্চয়। আমাকে ছেড়ে যাবে, আস্পর্ধা। রিমকিকে বিষিয়ে দেবে। লম্পট একটা মেয়ে, বিয়ে করে ধন্য করে দিয়েছি, পাপোশের মত পড়ে থাক। থাকত, তাই থাকত। যদি রূপা, ওই কুত্তীটা না যেত।

    আবার জল খায় সুজয়।

    —হঠাৎ দেখি, ওকে আর ধরাছোঁয়া যাচ্ছে না। নিজের চারদিকে খোলস গজিয়ে ও বদলে যাচ্ছে, প্রজাপতি হচ্ছে। কুত্তী।

    —বিশেষণ বাদ দিয়ে সুজয়।

    ক্ষ্যাপা কুকুরের মতো ঘাড় বাঁকায় সুজয়।

    —রিমকিকে চিটি লেখার আগেই ওকে খুঁজছি, মেরে ফেলব। বিক্রমের সঙ্গে যায়নি, কোথায় গেছে? তারপর রিমকি এই চিঠি নিয়ে আমাকে চার্জ করল।

    —তারপর?

    —তারপর….

    সুজয় এখন থামতে পারে না। হড়বড়িয়ে বলতে থাকে, কথা উপছে পড়ে মুখ থেকে।

    না, তারপরে আর দেরি করিনি আমি। তখন আমার অবস্থা কোণঠাসা জন্তুর মতো। আমি তখন ক্ষ্যাপা কুকুর। বিবাহিত স্ত্রীর মর‍্যাদা দিয়েছি। দিয়েছি অঢেল টাকা। তারপরে আর কি চাইতে পার তুমি?

    স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক তুমিই তৈরি করতে দাওনি। গোটা দুই বাচ্চা বিয়ালে তুমি ঠাণ্ডা হয়ে যেতে। আমার কোনো আপত্তি ছিল না। আপত্তি ছিল তোমার।

    যাতে ধরা না পড়ি সে চিন্তা আগে ছিল, পরে সব গোলমাল হয়ে যায়। মাথা কাজ করছিল না। গাড়ি চালাবার সময়ে বারবার মনে হচ্ছিল পাশে কেউ বসে আছে।

    বিশ্বাস করবে কেউ? কিচ্ছু খাইনি সারাদিন। মেচেদা পৌঁছে প্রথম জল খেলাম। মদ খাইনি। মদ খেলে মাত্রা থাকবে না ভয় ছিল।

    ঝাড়গ্রামে মণ্ডল আমাকে দেখেছিল? সবই সম্ভব। বেরোবার সময়ে পথের দুইদিকেই মড়া দেখলাম। খুব কুলক্ষণ। তা ছাড়া মেচেদাতে একটা বিকট দর্শন পাগলী হঠাৎ আমাকে গালাগালি করল। খুব কুলক্ষণ। এ রকম সব কুলক্ষণ দেখতে দেখতে গেলাম।

    আশ্চর্য কি, ঝাড়গ্রামে আমাকে চিনু দেখবে, দেখবে মণ্ডলও। কুলক্ষণগুলো যে দেখলাম। তার অভিশাপ তো ফলতে হবে কোনো না কোনো সময়ে। এক হারামজাদার দোকানে সিগারেট কিনলাম। মনে আছে।

    ঝাড়গ্রাম থেকে কাঁটাজুড়ি পৌঁছতে সময় লেগেছিল, পথ চেনা নেই বলে। পথে লোকও পাই না যে জিগ্যেস করব।

    কাঁটাজুড়ি ছাড়িয়ে ওই বাড়িটাতে পৌঁছবার আগেই অস্বস্তি হচ্ছিল। বাড়ির সামনে গাড়ি রাখলাম। সঙ্গে সঙ্গে এক রাশ তারা। গাছে গাছে বাতাস, বুনো ফুলের গন্ধ। আর অপার নৈঃশব্দ্য আমাকে আক্রমণ করল। আমি এতে অভ্যস্ত নই। আমি চাই শব্দ, বাজনা, আলো, ক্লাব, অনুগত মেয়েমানুষ রিমকি। বাথরুমে গেলেও আমি ক্যাসেট বাজাই।

    এত তারা। এমন বাতাস, এমন নীরবতা, এমন অজানা ফুলের গন্ধে আমার ভয় করল।

    ঋষি একটা ভুল করেছে। দরজায় টোকা মেরে আমি দাঁড়িয়েছিলাম। হাতে ছিল ভারি হাতুড়ি। হাতুড়ি খুব ভালো হাতিয়ার। মারতে জানলে হাতুড়ি খুব ভালো।

    আমি তো বিশ্বাস করিনি গোপা একা আছে। চিঠিতে যাই লিখুক, আমার হিসেব বলছে যে বিক্রমকে ওখানে থাকতেই হবে। থাকুক। অতর্কিতে হাতুড়ি মারলে দুজনেই মরবে।

    গোপা বলেছিল, কে?

    বলেই বোকার মতো ও দরজা খুলল। দরজা খুলতেই লাথি মেরে কপাটে ধাক্কা মেরে আমি ভেতরে ঢুকলাম।

    —তুমি? এখানে?

    নোট করো, নোট করো ঋষি, গোপা শুধু বলতে সময় পেয়েছিল, ”তুমি? এখানে?”

    তারপরেই তো আমি ওর মুখে প্রচণ্ড জোরে হাতুড়ি মারি। তারপরেই তো ও পড়ে যায়। হাতুড়ির পর হাতুড়ি মেরে মেরে, মেরে মেরে… তাতেও নিশ্চিন্ত না হয়ে সর্বশক্তি দিয়ে ওর ঘাড় শুদ্ধ মাথা ঘুরিয়ে দিই।

    তারপর গাড়ি থেকে পলিথিন এনে ওকে জড়িয়ে তুলি গাড়িতে। আবার ফিরলাম। ঘরের কলসি লাথ মেরে ভেঙে রক্তের দাগের ওপর জল গড়িয়ে দিলাম। এখানে আমার আঙুলের ছাপ নিতে আসবে কে?

    হাতুড়িটা নিয়ে গাড়িতে উঠলাম। গাড়ির বুকে গোপা, বুট লক করেছি। তারপর গাড়ি চালিয়ে এসে পথে গাড়ি থামালাম। কাঁটাজুড়ির পথে। পাকা রাস্তায় উঠিনি।

    বসে বসে দেখলাম তারা ঘুরে যাচ্ছে, আকাশ ফিকে হচ্ছে। ব্যস, পাকা রাস্তায় উঠে গাড়ি দাঁড় করিয়ে গোপাকে খানিক বয়ে খানিক ছেঁচড়ে লাইন অবধি নিলাম।

    সে সময়ে কোনো লরি বা ট্রাক গেলে ধরা পড়তাম। ধরা পড়িনি।

    ঝোপের পাশে ওকে আছড়ে ফেলতে মাথাটা সম্পূর্ণ বেঁকে গেল। পলিথিনটা নিয়ে বললাম, সো লং গোপা।

    সে সময়ে একটা আশ্চর্য আনন্দ। এত সহজে সব হয়ে গেল? বেশি বিগড়ালে রিমকিকেও আমি কোথাও অন্য কোনো ভাবে…

    তারপরে ঘরে ফেরা, ঘরে ফেরা। কলকাতা ফিরে গাড়ির বুট পরিষ্কার। পলিথিন কেটে কেটে খাটের নিচে ঢোকানো, হাতুড়িটা পথেই ফেলে দিই…. তারপর স্নান করে টলতে টলতে ফ্রিজ খুলে কি সব খেলাম।

    তারপর ঘুমোচ্ছিলাম।

    পরদিন আপনি ফোন করলেন। সে সময়ে আমার বাড়িতে রিমকি।

    গোপা আর নেই। তবুও রিমকি বলল ও কানপুরে যাচ্ছে। আর বৈষয়িক ব্যাপারে ভবেন দত্ত কথা বলবে।

    দেখুন কপাল। রিমকি নেই, আমি নিঃস্ব নিঃস্ব, তবু গোপার বডি দেখতে যেতে হল আমাকে।

    আপনি বলুন। বঞ্চিত স্বামীর ভূমিকায় কি চমৎকার অভিনয় করে গেলাম?

    রিমকি যায় যাক। গোপার ব্যাপারটা যদি চাপা পড়ত। তাহলেও বাঁচতাম।

    না, রূপা সব উলটে দিল।

    আমার শেষ জিজ্ঞাসা বসকে।

    আমি ”গোপা নয়” বলব, কেন বলব তা জানতাম। আপনি কেন বললেন?

    মুখ বাঁচাবার জন্যে তো?

    সামনে ”নো”—এর উদ্বোধন, ফার্মের বিশাল বিস্তৃতি, এ সবের মধ্যে গোপার ব্যাপারটা জানাজানি হলে চলবে না।

    আমার আপনার মুখ বাঁচানো দরকার! তা এদেরকে দয়া করে বলুন। কাদা ঘাঁটলে গোপা ফিরবে না। আপনার কনিষ্ঠাকে বোঝান।

    পুলিশে আমার কিছু চেনাজানা আছে, ঝাড়গ্রামের ব্যাপারে তা বুঝেছেন। এখন যাতে আমাদের মুখ বাঁচে কাজের কাজ হয়…

    এতক্ষণে বিক্রম কথা বলে।

    —সত্যি। কি করলে ঠিক হয়, বলুন তো? আপনার কথা তো শুনলাম।

    —ভুলে যান সব। আমাদের কাজ করতে দিন। ঘরে যেয়ে একটা ভালো মেয়েকে বিয়ে করুন। মনেও রাখবেন না কিছু।

    —”নো” বেরোবে?

    —নিশ্চয়। নৌকো বোঝাই শুধুই পাপী, সে নৌকো কি ডোবে?

    —গোপার ব্যাপারটা?

    —ওর খোঁজ চলুক না। খোঁজ চলতে বাধা নেই। অবশ্য এ ক্ষেত্রে….

    বিক্রম হঠাৎ লাফিয়ে দাঁড়ায়। তারপর ঝাঁপিয়ে পড়ে সুজয়ের ওপর।

    সুজয় নিজেকে ছাড়ায়। টেবিল উলটে দেয়। ঝনঝন গেলাস ভাঙে, জাগ।

    সুজয় লাফিয়ে বেরিয়ে যায়। দৌড়য়, দৌড়য়, গাড়ির শব্দ।

    ঋষি বিক্রমকে ধরে।

    —যেও না। ও কোথায় যাবে এরপর?

    —কিসের পর?

    —সব কিছুর পর?

    —পুলিশ কখনো ওদের ধরে?

    রূপা বলে। সব যদি ছেপে বেরোয়, আমার রিপোর্ট হিসেবেও, তাহলেও…..

    হঠাৎ সবাই চুপ করে যায়।

    সুপ্তি বোস বলেন, সুজয় চলে যাচ্ছে। গাড়ির শব্দ। ঋষি। ভাস্বর।

    তারপর একই তীব্র তীক্ষ্ন অস্বাভাবিক গলায় বসকে বলেন, সুজয় খুনী, সে সেজন্যে ”গোপা নয়” বলেছে। তুমি বাপ হয়ে কি জন্যে বললে? কি জন্যে? মুখ রাখবার জন্যে? তুমি তোমার মুখ বাঁচাতে চেয়েছিলে? বলো, বলো। আমাকে বলো। মেয়ের মরামুখ দেখে বাপ হয়ে…..

    গলাটা ওপরে উঠতে উঠতে চিরে যায়। রূপা ওঁকে ধরে। আর ঋষি হঠাৎ লাফিয়ে ওঠে।

    —বস।

    বস ঢলে পড়ছেন, ঢলে পড়ছেন। শরীর কাঁপছে, মুখের একপাশ যেন বেঁকে যাচ্ছে।

    —ভাস্বর। ডাক্তারকে ডাকো।

    সুপ্তি অজ্ঞান প্রায়, ধসে পড়েছেন।

    বস অবশ, অক্ষম।

    ভাস্কর ডাক্তারকে ফোন করে।

    বিক্রম উঠে আসে।

    —ওঁর বোধহয় স্ট্রোক হয়েছে। শুইয়ে দিন! মাথাটা উঁচু রাখুন। চামচ দিন, মুখ ফাঁক না রাখলে জিভে কামড় বসে যেতে পারে।

    চিনু কোথা থেকে ঠাণ্ডা জল এনে বলে, রূপা। তোর মার মুখে চোখে জল দে।

    দেয়াল থেকে দেগার ঘোড়ার ছবির ঘোড়াগুলো গভীর আগ্রহে মুখ নামায়। তিব্বতী মুখোশের সবুজ চোখেও গভীর বিস্ময়। যামিনী রায়ের পট থেকে যশোদার কোল থেকে মাথা উলটে গোপাল দেখে গভীর কৌতূহলে। এ ঘরে এমন বিশৃঙ্খলা তো কাচের কেসে সাজানো ড্রেসডেনের পুতুলরাও আশা করেনি।

    এবং ডাক্তার এসে পড়েন।

    —হ্যাঁ। সামান্য হলেও স্ট্রোক। কয়েকদিন খুব টেনশনে ছিলেন কি? নার্সিংহোম। বেলভিউ।

    এ সবের মধ্যে সুজয় ছিল না! ছিল না।

    গাড়ি ঘুরিয়ে লোয়ার সার্কুলার। বেরিয়ে যেতে হবে সল্টলেক। আশ্চর্য। মণ্ডল আর চিনু ওকে এখনো দেখছে। দেখে নাও, দেখে নাও।

    পথের প্রহরী হঠাৎ লাল আলো জ্বালে।

    লালবাতি দাঁড় করায়।

    হলুদ বাতি—গাড়িতে স্টার্ট।

    সবুজ বাতি—চালাও গাড়ি।

    —গাড়ি থামিও না।

    গোপা বলে!

    —গোপা! তুমি।

    —নিশ্চয়।

    —না, গোপা নয়।

    সুজয় গাড়ির স্পীড বাড়ায়। গাড়ি ও বাসের জঙ্গল থেকে বেরোতে হবে, বেরোতে হবে। হর্ন চীৎকার ভীষণ গণ্ডগোল। রিকশা ছিটকে পড়ে। মিনিবাসের হেলপার আর্তনাদ করে, সবুজ অ্যামবাসাডর দৌড়তে গিয়ে আকাশ চেরা আর্তনাদে একটি লরির সঙ্গে চেপটে যায়! পিষে যায়। হুইল ক্ষেপে গিয়ে সুজয়ের বুক গুঁড়িয়ে ওকে চেপে ধরে।

    সুজয় জ্ঞান হারাতে হারাতে সভয়ে দেখে লরি থেকে লোহার রড কাচ ভেঙে ওর মাথা…. ওর কপাল…

    ওর চেতনায় প্রচণ্ড বিস্ফোরণ। তারপর সব ঢেকে যায় অন্ধকারে।

    দু’মাস কেটে যায়।

    পথ দুর্ঘটনায় সুজয়ের মৃত্যু এবং ব্রজেন বোসের পক্ষাঘাত জনিত অসুস্থতা যার প্রেসার ছিল না, তার প্রেসারও চড়তে পারে।

    বালিগঞ্জ সার্কুলারের বাড়িতে এখন অপার নৈঃশব্দ্য একমাত্র সুপ্তি বোসই নতুন হয়ে ফিরে এসেছেন।

    কেননা বস এখন তাঁর ওপরেই নির্ভরশীল।

    ভাস্বর বোস, কেজিয়া ও দরানি এনটারপ্রাইজের ”নো” বেরোচ্ছে, বেরাচ্ছে।

    ভাস্বর বোস তাঁর অংশ বিক্রি করে দিচ্ছেন ভাটিয়া ও জো পরাশরকে। বাঙালীদের চেয়ে ওরা ব্যবসা ভাল বোঝে।

    ভাস্বরের শালা ”নো” আপিসে বসছে।

    রূপা বিজয়ার চেষ্টায় ও বাড়িতেই ঘরটিও পেয়ে গেছে ফলে ও এখন বেজায় খুশি।

    ঋষি থমকে ছিল, বোবা হয়ে ছিল।

    বিক্রম বলে, ভালোই হয়েছে ঋষিদা। কেস করলে দাঁড় করানো যেত না।

    —কে জানে।

    —শুধু মাঝখান থেকে বহু অপচয় ঘটে গেল।

    চিনু বলে, কাব্যিক বিচার। পোয়েটিক জাস্টিস। এক নম্বর আসামী নিহত। দু’নম্বর মঞ্চ থেকে আউট।

    —ভাস্বর চলে এসেছে শূন্য স্থানে।

    —ভাস্বর বস হতে পারবে না। ”নো” দেখেছ? দুধু ভাতু পত্রিকা। উঠে যাবে।

    বিক্রম বলে, ঋষিদার কাজটা গেল।

    ঋষি বলে, সে তো গেলই। তবে সেদিন মারদাঙ্গা করে সুজয় আমার চশমাটা ভাঙল। বড় শখের চশমা ছিল।

    চিনু বলে, ভ্যান ভ্যান কোর না। বন্ধুর দোকান থেকে চশমা তোমায় করিয়ে দিয়েছি। তা ছাড়া বিক্রম দেখছে বলে রুদ্র অঙ্কে ভালো নম্বর পাচ্ছে। তা ছাড়া সেনদা পিঠাডিহি থেকে যে সব লতাপাতার ওষুধ পাঠাচ্ছে, তা খেয়ে তোমার মা অনেক ভালো আছেন।

    ঋষি হাসে।

    মনে মনে বলে, গোপা। তুমি চলে গেলে, কিন্তু আমার সংসারটা কত বড় করে দিয়ে গেলে। বিক্রম, চিনু, রূপা। তুমি শুধু দেখে গেলে না।

    এরই মধ্যে রুদ্রর জন্মদিন এসে পড়ে। দশ বছর পেরিয়ে যাব বাবা, এবার শুধু জন্মদিন করো। বড় হয়ে গেলে আর কেউ জন্মদিন করে না।

    জন্মদিনে স্ক্র্যাবল বোর্ড কিনতে বেরোল ঋষি। আবার পুরনো কাগজে ফিরে যেতে হচ্ছে, পুরনো কাজে, ভালো লাগে না ভাবতে।

    স্ক্র্যাবল বোর্ড কিনে ফিরে ঋষি কি অবাক, কি অবাক, তা বলা যায় না।

    সিঁড়ির মুখে রূপা। শাড়ি পরেছে বলে খুব অন্যরকম দেখাচ্ছে।

    —জন্মদিনের অভিনন্দন ঋষিদা।

    —জানলে কি করে? রুদ্র আর আমার এক তারিখেই জন্ম, এ কথা তো কেউ জানে না।

    রূপা বলল, মাসিমা?

    কমল, বিক্রম, চিনু, বিজয়া, রূপা, অনেক লোক, অনেক লোক। একতলার মাসিমা, মেসোমশাই, কুশল।

    ভোঁদাকেও দেখা গেল।

    —তুই কি করছিস?

    —সার্ভিস দিচ্ছি। দাদা কেটারিং খুলেছে, বউনি তোমার ওপর দিয়ে হচ্ছে।

    —ব্যবস্থা করল কে?

    রূপা বলল, আমি, কমল….

    বড় আনন্দ সন্ধ্যা। রুদ্রর এমন জন্মদিন কোনোদিনই হয়নি। নলিনী আর রানী বলল, বাড়ি এমন গমগম করলে তবে না ভালো লাগে।

    খেতে খেতে রূপা একটা খাম এগিয়ে দিল ঋষিকে, খুলে দেখ।

    —কি?

    —তোমার অ্যাপয়েন্টমেন্ট লেটার। ব্রেসনে এখানে আর ইউনিট রাখবে না। আমরাও বম্বে যাব না। আমরা নিজেরা ইউনিট করেই ডকুমেন্টারি তুলব, অনেক কাজ করব, তুমিও থাকবে আমাদের প্রজেকট অফিসার হয়ে। বিক্রম অবশ্য অবৈতনিক পরামর্শদাতা, কিন্তু শাড়ি পরা ভীষণ গোলমাল বাপু সামলানো দায়। —যাক! খুশি হয়েছ তো?

    এতদিন বাদে রূপা যখন এই প্রথম খুশি হতে পারে, ঘাড় কাত করে হাসতে পারে, ঋষি বা খুশি হবে না কেন, বিশেষ, ছাপা শাড়ি পরে রূপাকে যখন কেমন যেন গোপার মত দেখাচ্ছে?

    ঋষি খুশি হয়েছে। ঋষি হাসে। কিন্তু কথা বলতে গিয়ে গলা যেন আটকে যায়।

    রূপা বলে, আমাদের মধ্যেই দিদিও আছে। যারা ওকে ভালবাসে তাদের মধ্যে।

    ঋষি মাথা হেলায়। হ্যাঁ রূপা, সত্যি বলেছ। ভালবাসাই তো শেষ অবধি সত্যি আর ভালোবাসা একশো রকম। সময় থাকতে সবাই যদি বুঝত।

    রূপা বলে, আনন্দের দিনে নো বরুডং।

    —নো পুডিং বাবা।

    রুদ্র চেঁচিয়ে বলে। ও সবটা শোনে নি।

    সবাই হেসে ফেলে, ঋষিও।

    __

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকেয়ারটেকার – মহাশ্বেতা দেবী
    Next Article পারিবারিক – মহাশ্বেতা দেবী

    Related Articles

    মহাশ্বেতা দেবী

    হাজার চুরাশির মা – মহাশ্বেতা দেবী

    November 27, 2025
    মহাশ্বেতা দেবী

    মিলুর জন্য – মহাশ্বেতা দেবী

    November 27, 2025
    মহাশ্বেতা দেবী

    প্রস্থানপর্ব – মহাশ্বেতা দেবী

    November 27, 2025
    মহাশ্বেতা দেবী

    আই. পি. সি. ৩৭৫ – মহাশ্বেতা দেবী

    November 27, 2025
    মহাশ্বেতা দেবী

    প্রতি চুয়ান্ন মিনিটে – মহাশ্বেতা দেবী

    November 27, 2025
    মহাশ্বেতা দেবী

    পারিবারিক – মহাশ্বেতা দেবী

    November 27, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }