Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মুদ্রারাক্ষস – বিশাখদত্ত

    বিশাখদত্ত এক পাতা গল্প183 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ষষ্ঠ অঙ্ক

    (তারপর অলঙ্কার শোভিত উৎফুল্ল সিদ্ধার্থকের প্রবেশ।)

    সিদ্ধার্থক ঘনশ্যাম ‘কেশী’ হন্তা কেশবের জয়! লোকলোচন চন্দ্রমা চন্দ্রগুপ্তের জয়!! যার মহিমায় সকল জয়ের কার্য সিদ্ধ এবং প্রতিপক্ষ পর্যুদস্ত, আর্য চাণক্যের সেই নীতির জয়!!! ॥১॥

    আজ বহুদিন পর প্রিয় বয়স্য সমিদ্ধার্থককে গিয়ে দেখি। (পরিক্রমা করে ও দেখে) এই যে আমার প্রিয় বয়স্য সমিদ্ধার্থক এদিকেই আসছে। যাই তবে এগিয়ে ওর কাছে।

    (তারপর সমিদ্ধার্থকের প্রবেশ)

    সমিদ্ধার্থক—সন্তাপে যার উপস্থিতি চন্দ্রের মতো প্রীতিপ্রদ, গৃহে কোনো উৎসব হলে যে সবার সঙ্গে আনন্দ করে, সেই বন্ধুর কথা সারাক্ষণ হৃদয়জুড়ে থাকে। এমন বন্ধুর বিরহে প্রাচুর্য দুঃখ দেয় ॥২॥

    আমি শুনেছি, প্রিয় রহস্য সিদ্ধার্থক মলয়কেতুর শিবির থেকে ফিরে এসেছে। তবে যাই, খুঁজি একে। (পরিক্রমা করল। দেখে) এই যে সিদ্ধার্থক।

    সিদ্ধার্থক–(কাছে গিয়ে) আরে, সমিদ্ধার্থক যে! প্রিয়বয়স্যের সব খবর সুখের তো?

    (পরস্পর আলিঙ্গন করল। )

    সমিদ্ধার্থক—বয়স্য, সুখ আমার কেমন করে হবে? দীর্ঘ প্রবাসের পর ফিরে এসে তুমি আজ অবধি আমার বাড়ি গেলে না!

    সিদ্ধার্থক–মাফ কর, ভাই। দেখামাত্র আর্য চাণক্য আদেশ করলেন, ‘সিদ্ধার্থক যাও, এই সুখের সংবাদটা মহারাজ চন্দ্রশ্রীকে জানিয়ে এস।’ তাই সংবাদটা তাঁকে দিয়ে রাজ-অনুগ্রহ লাভ করে প্রিয়বয়স্যকে দেখব বলে তোমার বাড়িতেই চলেছি।

    সমিদ্ধার্থক—বয়স্য, যদি আমার শোনার মতো হয়, তবে বল দেখি কী সেই প্রিয় সংবাদ যা তুমি প্রিয়দর্শন চন্দ্রশ্রীর কাছে নিবেদন করে এলে।

     

     

    সিদ্ধার্থক—বয়স্য, তোমাকে না শোনানোর কীই-বা আছ? শোন তবে। ব্যাপারটা হল : চাণক্যের নীতিতে বিভ্রান্ত হয়ে হতভাগা মলয়কেতু রাক্ষসকে তাড়িয়ে দিল এবং চিত্রবর্মা প্রমুখ প্রধান প্রধান পাঁচজন রাজাকে মেরে ফেলল। তখন মিত্র রাজেরা ভাবল, এ দুরাচার অগ্র-পশ্চাৎ বিবেচনা না করেই কাজ করে। নিরাপত্তার জন্য তারা মলয়কেতুর শিবির ত্যাগ করে ভয়ে ভয়ে নিজ নিজ রাজ্যে প্রস্থান করল। সামন্তরাজদের সকলের মনোবল গেল ভেঙে। অবশিষ্ট সৈনিক পরিবারগুলো ভয়ে কাঁপতে লাগল। এই পরিস্থিতিতে ভদ্রভট, পুরুষদত্ত, ডিঙ্গরাত, বলগুপ্ত, রাজসেন, ভাগুরায়ণ, রোহিতাক্ষ, বিজয়বর্মা প্রমুখ পুরুষেরা মলয়কেতুকে বন্দি করে ফেলল। সমিদ্ধার্থক—বয়স্য, লোকে বলে ভদ্রভট প্রভৃতি মহারাজ চন্দ্রগুপ্তের প্রতি বিরক্ত হয়ে মলয়কেতুকে গিয়ে আশ্রয় করেছে। তবে কেন কুকবির করা নাটকের মতো—শুরুতে এক, শেষে অন্য?

    সিদ্ধার্থক—বয়স্য, দৈবের গতির ন্যায় চাণক্য-নীতির গতি আগে থেকে বোঝা যায় না। এ নীতিকে নমস্কার।

    সমিদ্ধার্থক—তারপর, তারপর?

     

     

    সিদ্ধার্থক—তারপর আর্য চাণক্য বহু বাছা বাছা সৈন্য নিয়ে নগর থেকে বেরিয়ে গিয়ে রাজাদের পরিত্যক্ত সমস্ত ম্লেচ্ছ সেনাকে ছত্রভঙ্গ করে দিলেন।

    সমিদ্ধার্থক—বয়স্য, সেটা কোথায়?

    সিদ্ধার্থক—ওই যেখানে হস্তীগুলো অতি প্রবল মদগর্বে সজল মেঘের অনুকরণে গর্জন করছে এবং কশাঘাতের ভয়ে কম্পমান অশ্বগুলো লাফিয়ে লাফিয়ে দ্রুত জয়শব্দের উত্তেজনায় ধাবিত হচ্ছে ॥৩॥

    সমিদ্ধার্থক–বয়স্য, সে যা হোক্। ওইভাবে সমস্ত লোকের সামনে কাজ ছেড়ে দিয়ে আর্য চাণক্য এতদিন বসে থেকে আবার গিয়ে সেই মন্ত্রীপদেই বসলেন কেন?

    সিদ্ধার্থক—এখন দেখছি তুমি অতি ছেলেমানুষ, কারণ যে আর্য-চাণক্য-চরিত্র অমাত্য রাক্ষসও আগে থেকে বুঝতে পারেন না, তাই তুমি বুঝতে চাইছ।

     

     

    সমিদ্ধার্থক—বয়স্য, অমাত্য রাক্ষস এখন কোথায়?

    সিদ্ধার্থক—ওদিকে ভয়ভ্রান্তি বেড়ে গেলে মলয়কেতুর শিবির থেকে বেরিয়ে এই পাটলিপুত্রে এসেছেন। উদুম্বর নামে চর তাঁর অনুসরণ করছিল। সে-ই আর্য চাণক্যকে একথা জানিয়েছে।

    সমিদ্ধার্থক—বয়স্য, অমাত্য রাক্ষস নন্দরাজ্য ফিরিয়ে আনবার জন্য কৃতসংকল্প হয়ে নগর ছেড়ে গিয়েছিলেন, সম্প্রতি অকৃতকার্য হয়ে সেই পাটলিপুত্রেই আবার ফিরে এলেন?

    সিদ্ধার্থক—বয়স্য, আন্দাজ করি, চন্দনদাসের প্রতি স্নেহের টানে এসেছেন।

    সমিদ্ধার্থক—বয়স্য, মনে হচ্ছে যেন চন্দনদাসের মুক্তি হবে।

    সিদ্ধার্থক—সে হতভাগার মুক্তি কিসে? আর্য চাণক্যের আজ্ঞায় তাকে তো এক্ষুনি আমাদের বধ্যভূমিতে নিয়ে গিয়ে মেরে ফেলতে হবে।

     

     

    সমিদ্ধার্থক—(সক্রোধে) আর্য চাণক্যের কি আর কোনো ঘাতক ছিল না যে এরকম সব অতি নৃশংস কাজে আমাদের দুজনকে নিযুক্ত করলেন?

    সিদ্ধার্থক—বয়স্য, এ সংসারে প্রাণে বেঁচে থাকতে ইচ্ছুক কার সাধ্য আর্য চাণক্যের আজ্ঞার বিরুদ্ধে যায়? এসো তবে, চণ্ডাল-বেশধারী হয়ে আমরা দুজনে চন্দনদাসকে বধ্যস্থানে নিয়ে যাই। (উভয়ে নিষ্ক্রান্ত)

    (প্রবেশক সমাপ্ত।)

    (তারপর রজ্জুহাতে পুরুষের প্রবেশ)

    পুরুষ—আর্য চাণক্যের নীতি যেন একগাছা দড়ি। ছয়গুণের সংযোগে সে নীতি যেমন দৃঢ়, ছয়টা পাক দেওয়ায় এ দড়িও তেমন শক্ত। শত্রুকে শায়েস্তা করতে সেই নীতির মতো এই দড়িও সদা-প্রস্তুত। একে একে উপায়ের প্রয়োগে নীতির প্রধান পদ্ধতি যেমন রচনা করা হয়েছে, চারটি কৌশল ক্রমে খাটিয়ে দড়ির মুখের ফাঁসটিও তেমনি তৈরি করা হয়েছে। এ হেন চাণক্য নীতি-রজ্জুর জয় হোক্ ॥৪॥

     

     

    (পরিক্রমা করে, দেখে) এ সেই জায়গা যেখানকার কথা উদুম্বর আর্য চাণক্যকে বলেছিল, চাণক্যের আদেশে এখানে এসে আমার অমাত্য রাক্ষসকে খোঁজার কথা। (দেখে) ওই তো অমাত্য রাক্ষস মাথায় কাপড় ঢাকা দিয়ে এদিকেই আসছেন। ঠিক আছে, ভাঙা বাগানবাড়ির এই গাছগুলোর আড়ালে লুকিয়ে থেকে দেখি কোথায় ইনি বসেন! (পরিক্রমা করে, দাঁড়াল)

    (তারপর যথানির্দিষ্ট সশস্ত্র রাক্ষসের প্রবেশ)

    রাক্ষস—(সাশ্রুনেত্রে) কী কষ্ট! ওঃ কী কষ্ট!! আশ্রয় নষ্ট হওয়ায় কুলটা স্ত্রীর মতো কাতর লক্ষ্মী ভিন্ন লোকের আয়ত্তে চলে গেল। প্রভু-ভক্তি ভুলে গিয়ে প্রজারা গড্ডলিকা প্রবাহের ন্যায় তাকেই অনুসরণ করল। অতি বিশ্বাসী লোকেরা চেষ্টা করেও তাদের পুরুষকারের ফল পেল না, কাজের ভার দিল তাই ছেড়ে। অথবা কি-ই বা তারা করবে? মাথা-না-থাকা দেহের অঙ্গের মতো তারা নিশ্চেষ্ট হয়ে রয়েছে ॥৫॥

    আবার—পরম কুলীন, দেবচরিত্র, পৃথিবী-পতি প্রভুকে লক্ষ্মী কোন এক ছুতোয় ছেড়ে দুর্বিনীতা বৃষলীর (শূদ্রার) মতো মিলল গিয়ে বৃষলের সঙ্গে। তারপর সে তার কাছেই টিকে রইল। এ ব্যাপারে আমরা কীই-বা করব? শত্রুতা করে দৈব আমাদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টাকেও ব্যর্থ করে দিচ্ছে ॥৬॥

     

     

    প্রভু নন্দের পক্ষে নিতান্ত বে-মানান ছিল সেই মৃত্যু। যা হোক্, সেভাবেই তিনি যখন স্বর্গে গেলেন, পর্বতেশ্বরকে অবলম্বন করে আমি তখন রাজ্যোদ্ধারের চেষ্টা করলাম। পর্বতেশ্বরও নিহত হলেন। তখন তাঁর পুত্রকে আশ্রয় করে চেষ্টা চালালাম। তবুও কোনো ফল হল না। বস্তুত দৈবই হচ্ছে নন্দকুলের শত্রু, ওই ব্রাহ্মণ নয় ॥৭॥

    ওঃ, সেই ম্লেচ্ছ কী বিবেকহীন! প্রভু সমূলে উন্মুলিত হলেও যে এখনও তাঁর সেবা করে চলেছে, সেই রাক্ষস অক্ষতদেহে কি তাঁর শত্রুদের সঙ্গে সন্ধি করবে? ম্লেচ্ছটার মনে বিবেকবুদ্ধি বলে কিছু নেই, তাই এ ব্যাপারটা সে একবার ভেবেও দেখল না। অথবা এ তার দোষ নয়; দৈব প্রতিকূল হলে মানুষের বুদ্ধি সব ওলটপালট হয়ে যায় ॥৮॥

    সে যা হোক্, এখনও রাক্ষস শত্রুর হাতে প্রাণ দিতে প্রস্তুত, কিন্তু চন্দ্রগুপ্তের সঙ্গে সন্ধি সে করবে না। অথবা প্রতিশ্রুতিমতো কাজ করিনি—এই অযশই বরং হোক, কিন্তু শত্রুর ছলনার শিকার হয়েছি, এ অপবাদ ভালো নয়। (চারদিকে দেখে সাশ্রুনেত্রে) কুসুমপুরের উপকণ্ঠে এই সকল স্থানগুলো প্রভুর অভ্যস্ত পদসঞ্চারে পবিত্র হয়ে আছে। কারণ, এখানে—এই যে এইখানটায় প্রভু, নন্দ অশ্বারোহণে মৃগয়া করতে এসে ধনুকের ছিলায় টান দিলে ঘোড়ার লাগামের[২] রজ্জু আল্গা হয়ে গেল, ঘোড়া ছুটতে লাগল আশ্চর্য বেগে, ততক্ষণে শিকারের জন্তুও ধেয়ে চলেছে তেমনি দ্রুত পদক্ষেপে। ঠিক এই মুহূর্তে অপূর্ব দক্ষতায় তিনি চঞ্চল লক্ষ্যকে বাণবিদ্ধ করলেন। এই বাগানগুলোতে তিনি থাকতেন, এই জায়গাটায় সামন্ত নৃপদের সঙ্গে কথা বলতেন। এখন তাঁরা কেউ আর নেই। এ অবস্থায় কুসুমপুরের এই জায়গাগুলো দেখে আমার অতি দারুণ কষ্ট হচ্ছে ॥৯॥

     

     

    মন্দভাগ্য আমি তবে কোথায় যাই? (দেখে) ওই তো জীর্ণ উদ্যান দেখা যাচ্ছে। ওইখানে প্রবেশ করে কারো কাছ থেকে চন্দনদাসের সংবাদ সংগ্রহ করব। সত্যি, মানুষের জীবনে ভালো-মন্দ অবস্থা পরিবর্তন আগে থেকে বোঝা যায় না। কেননা—আগে যখন আমি নগরের বাইরে যেতাম, রাজার মতো যেতাম; সহস্র নৃপতি থাকত আমায় ঘিরে; পুরবাসীরা আমাকে প্রতিপদের চাঁদের মতো আঙুল দিয়ে কতজনকে দেখিয়ে দিত, আর আমিও চলতাম তখন ধীরে ধীরে। সমস্ত শ্রম ব্যর্থ হয়ে যাবার পর আজ সেই আমি আবার সেই নগরেরই এক ভাঙা বাগানে চোরের মতো ভয়ে ভয়ে ঢুকে পড়ছি ॥১০॥

    আর, আশ্চর্যের কী আছে? যাঁদের অনুগ্রহে আমার এত জাঁক ছিল, তাঁরাই তো নেই। (ঢোকার অভিনয় করে এবং দেখে) হায়! এই জীর্ণ উদ্যানের কী করুণ দশা! এই যে এখানে—মহৎ কৃতিত্বে সমৃদ্ধ বংশের মতো স্থাপত্যের মহৎ নিদর্শন স্বরূপ নির্মিত এই সৌধখানি ভগ্নদশা প্রাপ্ত হয়েছে, মিত্র-বিনাশে সুজনের হৃদয়ের মতো সরোবরটি শুকিয়ে গেছে; প্ৰতিকূল নিয়তির মুখে নীতির মতনই গাছগুলো ফলহীন। মূর্খের মন যেমন কুবুদ্ধিতে ছেয়ে যায়, জমিও তেমনি ঘাসে ঘাসে ঢেকে গেছে ॥১১॥ আবার- শাণিত-কঠোর-কুঠারাঘাতে তরুশাখাগুলো ক্ষতবিক্ষত; শাখাস্থিত কপোতদের অবিরত কূজনে যেন তাদেরই ব্যথার প্রকাশ। চিরপরিচিত শাখার ব্যথায় সহানুভূতিশীল সর্পেরা যেন দীর্ঘশ্বাস ফেলতে ফেলতে তাদের নিজ খোলস দিয়ে ক্ষতস্থানগুলো বেঁধে দিচ্ছে! ॥১২।। আবার এদিকে এই দুর্ভাগা গাছগুলো—যাদের ভেতরটা স্পষ্ট শুকিয়ে গেছে, অতি বড় শোকের চিহ্নস্বরূপ সারা গায়ে যাদের কীটের ক্ষত, পত্রাভাবে ছায়ালোপ পাওয়ায় চেহারা যাদের মলিন, তারা যেন বিপদ্‌গ্ৰস্ত হয়ে শ্মশানযাত্রার জন্য তৈরি হচ্ছে ॥১৩॥

     

     

    এ বাড়ির যা চরম দশা তাতে যেখানে-সেখানে ভাঙা পাথরের পাটা এখন সহজেই পাওয়া যায়। যাই, এই ভাঙা পাটাটার উপরে খানিক বসি। (বসে এবং শুনে) এ কী? হঠাৎ এ সময়ে জোর ঢাকের বাজনা, শঙ্খের ধ্বনি মিলে এক বিরাট উৎসবের কলকল শোনা যাচ্ছে। এ শব্দ এত তুমুল যে শ্রোতাদের অসহায় কর্ণেন্দ্রিয়ের কষ্ট হচ্ছে, এত বিপুল এ শব্দ প্রাসাদগুলোর মধ্যে প্রবেশ করে স্থান সঙ্কুলান না হওয়ায় সহসা নিষ্ক্রান্ত হচ্ছে! প্রাসাদগুলো যেন পূর্বে পান করা অপ্রমেয় ওই শব্দকে আত্মসাৎ করতে না পেরে পরে বমি করে ফেলেছে। ওই আনন্দনাদ প্রবল পটহ ও শঙ্খধ্বনির সঙ্গে মিশে গিয়ে যেন কৌতূহলবশে দিমণ্ডলের দৈর্ঘ্য পরিমাপ করবার জন্যই চতুর্দিকে পরিব্যাপ্ত হচ্ছে ॥১৪॥

    (চিন্তা করে) ওঃ বুঝেছি। মলয়কেতুর অন্তরীণ উপলক্ষেই এ শব্দ। এতে বোঝা যাচ্ছে রাজপ্রাসাদে (অর্ধেক বলে, ঈর্ষার প্রকাশসহ) মৌর্যের রাজপ্রাসাদে আজ মহাআনন্দ। (সাশ্রুনেত্রে) কষ্ট! উঃ কী কষ্ট! বিধাতা শত্রুর সম্পদের কথা আমাকে শুনিয়েছেন এবং ওখানে এনে দেখিয়েছেন। মনে হয়, বিধাতা এখন আমাকে তা অনুভব করাতে সচেষ্ট হয়েছেন ॥১৫॥

    পুরুষ—ইনি বসে পড়েছেন। এবারে আর্য চাণক্যের আদেশ পালন করি।

     

     

    (রাক্ষসকে যেন দেখে নাই এমনভাবে তার সামনে দড়ির ফাঁস গলায় জড়াতে লাগল)

    রাক্ষস—(দেখে) এ কী! এ কেন এভাবে নিজেকে ফাঁসিতে ঝোলাচ্ছে? বেচারী আমার মতো দুঃখী। যাক্ গে, একে জিগ্যেস করি। (কাছে গিয়ে) ভদ্র, এ কী করছ?

    পুরুষ—(সজল চোখে) প্রিয় সখার বিনাশের দুঃখে আমাদের মতো মন্দভাগ্যরা যা করে থাকে, তাই।

    রাক্ষস–(স্বগত) আগেই আমি বুঝেছি এ বেচারী নিশ্চিত আমার মতোই দুঃখী। (প্রকাশ্যে) তোমারও দেখছি ভাই আমার মতনই বিপদ! তা যদি ব্যাপারটা গোপনীয় না হয় বা বলতে তোমার খুব কষ্ট না হয়, তবে শুনতে চাই।

    পুরুষ–আর্য, গোপনীয়ও নয়, অতি কষ্টকরও নয়। কিন্তু প্রিয় সখার বিনাশের আশঙ্কায় আমার হৃদয় উৎকণ্ঠিত। মৃত্যুর মুহূর্তমাত্র বিলম্বও আমি সইতে পারছি না।

    রাক্ষস– (নিশ্বাস ফেলে, আত্মগত) হায়! বন্ধুর বিপদে আমি অচেনা লোকের মতো উদাসীন। এ ব্যক্তি আমাকে লজ্জা দিচ্ছে। (প্রকাশ্যে) ভদ্র, যদি গোপনীয় বা অতি ক্লেশকর না-ই হয়, তবে শুনতে চাই!

     

     

    পুরুষ—সত্যি, আর্যের এত আগ্রহ। কী করি? বলেই ফেলি। এই নগরে বিষ্ণুদাস নামে এক মণিকার শ্রেষ্ঠী আছেন।

    রাক্ষস—(স্বগত) বিষ্ণুদাস তো চন্দনদাসের পরম সুহৃদ্। (প্রকাশ্যে) তার কী?

    পুরুষ—তিনি আমার প্রিয় সখা—

    রাক্ষস― (সহর্ষে, আত্মগত) অ্যা এ যে, ‘প্রিয় সখা’ বলছে! সম্পর্ক অতি নিবিড়। হ্যাঁ, চন্দনদাসের খবর এ জানবে।

    পুরুষ—এই কিছুক্ষণ পূর্বে তিনি দরিদ্রদের মধ্যে তাঁর অলঙ্কার ও অন্যান্য সম্পত্তি বিলিয়ে দিয়ে অগ্নিপ্রবেশের ইচ্ছায় নগর থেকে নিষ্ক্রান্ত হয়েছেন। আমিও তাঁর সম্বন্ধে শোনার অযোগ্য সংবাদ যাতে না শুনে ফেলি, তাই তক্ষুনি উদ্বন্ধনে আত্মহত্যার উদ্দেশ্যে এই জীর্ণ উদ্যানে ছুটে এসেছি।

    রাক্ষস—ভদ্র, তোমার সখার অগ্নিপ্রবেশের কারণ কী? ঔষধের সাধ্যাতীত কোনো মারাত্মক ব্যাধিতে কি তিনি আক্রান্ত?

     

     

    পুরুষ—না, না।

    রাক্ষস—তবে কি অগ্নি ও বিষতুল্য রাজরোষের প্রকোপে তিনি পড়েছেন?

    পুরুষ—আর্য, অমন বিশ্রী কথা বলবেন না। চন্দ্রগুপ্তের রাজ্যে নিষ্ঠুর আচরণ নেই।

    রাক্ষস—তবে কি ইনি অলভ্য কোনো পরস্ত্রীতে আসক্ত হয়েছেন?

    পুরুষ—(কানচাপা দিয়ে) ছিঃ, এ কথা বলবেন না। অবিনয়ের পাত্র ইনি নন।

    রাক্ষস—তোমার মতো তাঁরও কি বন্ধুর বিনাশ অবশ্যম্ভাবী?

    পুরুষ—আর্য, নয়তো কী?

    রাক্ষস–(আবেগ-ভরে, আত্মগত) ইনি চন্দনদাসের প্রিয় সুহৃদ্, প্রিয় সুহৃদের আসন্ন বিনাশেই এঁর অগ্নিপ্রবেশের কারণ—এ কথা শুনে আমার হৃদয়, সত্যি, যোগ্য স্নেহের প্রতি পক্ষপাতে বিচলিত। (প্রকাশ্যে) সেই সুহৃদের বিনাশের ব্যাপার এবং প্রিয় সুহৃদের প্রতি বাৎসল্যবশে মরতে উদ্যত সেই বিষ্ণুদাসের সুচরিত বৃত্তান্ত সবিস্তারে শুনতে চাই।

    পুরুষ—আর্য, এরপর মন্দভাগ্য আমি আমার মৃত্যুর নতুন বাধা সৃষ্টি করতে অপারগ।

    রাক্ষস—ভদ্র, শোনাও। এ কথা যথার্থ শুনবার জিনিশ।

    পুরুষ—অগত্যা কী করি? এই যে বলছি, আৰ্য শুনুন।

    রাক্ষস—ভদ্র, মন দিলাম।

    পুরুষ—এই নগরে চন্দনদাস নামে এক মণিকার শ্রেষ্ঠী আছেন।

    রাক্ষস—এই যে অদৃষ্ট আমার শোকের দীক্ষাগৃহের দ্বার উন্মোচন করল। হৃদয় স্থির হও, আরও কষ্টকর কিছু তোমাকে শুনতে হবেঃ।

    পুরুষ—তিনি এই বিষ্ণুদাসের প্রিয় মিত্র।

    রাক্ষস—(স্বগত) হৃদয়ের ওপর সেই শোকের বজ্র পড়ল বলে!

    পুরুষ—তারপর বিষ্ণুদাস আজ গিয়ে চন্দ্রগুপ্তকে মিত্রস্নেহের যোগ্য কথাই বললেন। রাক্ষস—বল তো কী বলল।

    পুরুষ—‘মহারাজ, আমার গৃহে যা অর্থ আছে তা রাজপরিবারের ভরণপোষণের পক্ষেও যথেষ্ট। তার বিনিময়ে প্রিয় বয়স্য চন্দনদাসকে আপনি মুক্তি দিন।’

    রাক্ষস—(স্বগত) শাবাশ, বিষ্ণুদাস শাবাশ! মিত্রস্নেহ তুমি যথার্থ দেখালে। কারণ, যার জন্য পুত্র পিতাকে, পিতা পুত্রকে শত্রুর ন্যায় হিংসা করে, যার জন্য বন্ধুও বন্ধুর প্রতি স্নেহ ভুলে যায়, সকলের প্রিয় সেই অর্থকে বণিকজাতির একজন হয়েও[৫] তুমি সহসা অনর্থের মতো ত্যাগ করতে উদ্যত হয়েছ। হে বণিক, তোমার অর্থ এবার সার্থক হল ॥১৭।

    (প্রকাশ্যে) ভদ্র, এ কথা শুনে মৌর্য কী বলল?

    পুরুষ—আর্য, চন্দ্রগুপ্তকে এ কথা বললে শ্রেষ্ঠী বিষ্ণুদাসকে তিনি তদুত্তরে বললেন, ‘অর্থের জন্য চন্দনদাসকে আমি কারারুদ্ধ করিনি, কিন্তু সে যে অমাত্য রাক্ষসের বাড়ির লোকদের লুকিয়ে রেখেছে এবং বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও তাদের সমর্পণ করেনি—যেটাই তার কারাবাসের কারণ। অতএব যদি তাদের এনে দেয়, তবে তার মুক্তি হবে, নচেৎ প্রাণদণ্ড দেওয়া হবে।’ এই বলে চন্দনদাসকে বধ্যস্থলে পাঠিয়ে দিলেন। তারপর ‘বয়স্য চন্দনদাস সম্বন্ধে যা শোনার নয়, তা যাতে শুনতে না হয়, সেজন্য ততক্ষণে গিয়ে আগুনে প্রবেশ করি’—এই সঙ্কল্পে শ্রেষ্ঠী বিষ্ণুদাস নগর থেকে বেরিয়ে গেলেন! আমিও বিষ্ণুদাসের সম্বন্ধে শোনার অযোগ্য কথা শুনবার আগেই যাতে উদ্বন্ধনে আত্মহত্যা করতে পারি, সেজন্য এই জীর্ণ উদ্যানে এসে প্রবেশ করেছি।

    রাক্ষস—ভদ্র, চন্দনদাসকে মেরে ফেলেনি তো?

    পুরুষ—আজই তো মারবে। অমাত্য রাক্ষসের পরিজনদের হাজির করবার জন্য তাঁকে বারবার বলা হচ্ছে। মিত্রবাৎসল্যে তিনি কিন্তু তাঁদের সমর্পণ করছেন না। অতএব, এ কারণে আমি আত্মহননের বিলম্ব করব না।

    রাক্ষস—(সহর্ষ, স্বগত) উত্তম, সখা চন্দনদাস, উত্তম! শিবি রাজা শরণাগতকে রক্ষা করে যশ অর্জন করেছিলেন; হে সাধু চন্দনদাস, তোমার সুহৃদ্ তোমার শরণাগত হওয়া তো দূরের কথা, কাছেও আসেনি, অথচ তাকে রক্ষা করে তুমি যশ অর্জন করলে ॥১৮॥

    (প্রকাশ্যে) ভদ্র, এক্ষুনি যাও, শীঘ্র গিয়ে বিষ্ণুদাসকে অগ্নিপ্রবেশ থেকে নিরস্ত কর। আমিও গিয়ে চন্দনদাসকে মরণের হাত থেকে রক্ষা করি।

    পুরুষ—আচ্ছা, আপনি আবার কী উপায়ে চন্দনদাসকে মরণের হাত থেকে রক্ষা করবেন?

    রাক্ষস—(অসি কোষমুক্ত করে) কেন, এই যে আমার পুরুষকারের নিত্যসঙ্গী এই অসি রয়েছে, এরই সাহায্যে। কেননা দেখ—মিত্রস্নেহে মন আমার কাণ্ডজ্ঞান হারিয়ে ফেলেছে, এই অসি এখন আমাকে দুঃসাহসের প্রেরণা যোগাচ্ছে—এই অসি যা জলগর্ভ মেঘের মতো নীল এবং আকাশের মতো নির্মল, যুদ্ধের প্রতি গভীর অনুরাগে যা পুলকিত হয়েই যেন আমার দক্ষিণ হস্তের সঙ্গে সখ্য স্থাপন করেছে এবং সামর্থ্যের প্রকাশে যা বারবার যুদ্ধের কষ্টিপাথরে শত্রুদের কাছে গুণবত্তার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে ॥১৯

    পুরুষ—আর্য যে এভাবে শ্রেষ্ঠী চন্দনদাসের জীবন রক্ষার জন্য তৎপর হচ্ছেন, এতেই আন্দাজ হচ্ছে। তবুও প্রতিকূল-দৈবদশা-বিপাকে পড়েছেন বলে ঠিক বুঝতে পারছি না। আপনি কি সুগৃহীতনামা অমাত্য রাক্ষস, ভাগ্যবলে যে শ্রদ্ধাস্পদকে আমি আজ চোখের সামনে দেখছি? যাই হোক, সন্দেহ নিরসন করে আপনি আমাকে অনুগৃহীত করুন। (পায়ে পড়ল)

    রাক্ষস—আমি সেই যথার্থ রাক্ষস, যে প্রভুর বংশের বিনাশ প্রত্যক্ষ করেছে, বন্ধুদের বিপদের যে কারণ, যে অনার্যের নাম নিলে অমঙ্গল হয়।

    পুরুষ—(সহর্ষে, পুনরায় পায়ে পড়ে) আশ্চর্য, ভাগ্যবলে আপনাকে দেখলাম!

    রাক্ষস—ভদ্র, ওঠ, ওঠ। সময় নষ্ট করে কাজ নেই। বিষ্ণুদাসকে গিয়ে বল, রাক্ষস এক্ষুনি চন্দনদাসের প্রাণরক্ষা করছে। (এই বলে ‘মিত্রস্নেহে মন’ ইত্যাদি আবৃত্তি করতে করতে মুক্ত অসিহস্তে পরিক্রমা)

    পুরুষ—(পায়ে পড়ে) ভক্তিভাজন অমাত্য আমাকে ক্ষমা করবেন। জানেন তো, প্রথমে হতভাগা চন্দ্রগুপ্ত আর্য শকটদাসকে বধ্যস্থানে উপনীত করার আদেশ দিয়েছিল। কে একজন তাকে সেখান থেকে ছিনিয়ে নিয়ে দেশান্তরে চলে গেল। তাইতো ‘কেন এই প্রমাদ ঘটল?’—এই অভিযোগে দুরাত্মা চন্দ্রগুপ্ত ঘাতকদের মেরে ফেলল। শকটদাসকে কেন্দ্র করে যে ক্রোধাগ্নি প্রজ্বলিত হয়েছিল, ঘাতকহত্যায় তা প্রশমিত হল। তখন থেকে ঘাতকেরা সামনে বা পেছনে শস্ত্রধারী অপরিচিত পুরুষ দেখলেই আত্মরক্ষার স্বার্থে হুঁশিয়ার হয়ে বধ্যস্থানে উপনীত বধ্যকে তৎক্ষণাৎ হত্যা করে। তাই এভাবে শস্ত্রহাতে অমাত্য যদি যেতে থাকেন, তবে শ্রেষ্ঠী চন্দনদাসের মৃত্যু ত্বরান্বিত হবে। (নিষ্ক্রান্ত )

    রাক্ষস—(স্বগত) ও হো! ধূর্ত চাণক্যের নীতির গতি বোঝা কঠিন। কারণ, আমি ধারণা করেছি, শকটদাসকে শত্রুর অভিরুচি অনুসারেই আমার কাছে হাজির করা হয়েছে। তাই যদি হয়, তবে শত্রু আবার ক্রোধবশে ঘাতকদের নিহত করল কেন? আর, যদি সেটা সাজানো ব্যাপার না হয়, তবে শকটদাস এমন অনিষ্টকর কাজের কথা মনে করল কী করে? এইভাবে নানা তর্ক করে করে মন কোনো সিদ্ধান্তে আসতে পারছে না।।২০

    (চিন্তা করে) আগে যখন এরকম ব্যাপারে ঘাতকদের মেরে ফেলা হয়েছে, তখন আর এটা শাস্ত্রের সময় নয়। নীতি ফল দেয় দেরিতে, তাই নীতি দিয়ে এখানে কী করব? আমারই জন্য প্রিয়বন্ধুর এই চরম সঙ্কট, ঔদাসীন্য আমার সাজে না। বুঝেছি, তাঁর দেহের মূল্যস্বরূপ আমার এই দেহকেই মুক্তিপণ দেব ॥২১॥

    [সকলে নিষ্ক্রান্ত]

    ॥ষষ্ঠ অঙ্ক সমাপ্ত॥

    ***

    প্রসঙ্গকথা – ষষ্ঠ অঙ্ক

    ১. মুখসন্ধি, নির্বাহন সন্ধির কথা পূর্বে বলা হয়েছে। যে কোনো ভালো নাটকে মুখ ও নির্বহন সন্ধির মধ্যে অর্থাৎ প্রারম্ভ ও পরিণতির মধ্যে পূর্ণ সামঞ্জস্য থাকে! নাটকীয় বস্তু নানা গতিশীল ঘটনা ও ঘটনাদ্বয়ের মাধ্যমে পাঁচটি সন্ধিতে আরোহণ ও অবরোহণের মধ্য দিয়ে পরিণতি লাভ করে। ‘মুখ’ শব্দের অর্থ ‘আরম্ভ’! অতএব মুখ সন্ধিতে যার আরম্ভ, নির্বাহনে তা সিদ্ধি। এ দুয়ের মধ্যে যদি অমিল বা গরমিল দেখা যায় তবে সে নাটক ‘কুকবি’কৃত নাটক বলেই গৃহীত হবে। বিশাখদত্তের বিবক্ষা এটাই যে তাঁর এ নাটক এ ধরনের ত্রুটি থেকে মুক্ত।

    ২. কবিকা= লাগাম

    ৩. সব্রহ্মচারী—[স(সহ বা সয) ব্রহ্মচারী]= সতীর্থ! ব্যসন= বিপদ্ বা দুঃখ। অতএব, ‘ব্যসনব্রহ্মাচারী’ শব্দের অর্থ বিপন্নতা বা দুঃখানুভূতির দিক থেকে সতীর্থ।

    ৪. ‘অপাবৃতং… শোকদীক্ষাদ্বারম্’—মঞ্জুভাষণ লা Euphemism-এর একটি সুন্দর দৃষ্টান্ত,—কঠিন শোকের প্রকাশে কেমন কোমল গম্ভীর ভঙ্গীর আশ্রয়। তুলনীয়—‘হৃদয়, মা উত্তাম্য শকুন্তলা—১ম অঙ্ক!

    ৫. অর্থলাভ বণিকের সহজাত দোষ। তুমিও তো বণিক্, অর্থগৃধু তাদেরই একজন। তথাপি সদুদ্দেশ্যে অকাতরে (বণিকের কাছে প্রাণাপেক্ষা প্রিয়) অর্থকে অনর্থবৎ বিসর্জন করেছ, এতে তোমার সেই অর্থই কৃতার্থ হয়েছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবনফুলের গল্পসমগ্র
    Next Article ট্যুইলাইট – স্টেফানি মাইয়ার
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }