Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মুদ্রারাক্ষস – বিশাখদত্ত

    বিশাখদত্ত এক পাতা গল্প183 Mins Read0
    ⤶

    সপ্তম অঙ্ক

    (চণ্ডালের প্রবেশ)

    চণ্ডাল—ও মশাইরা, সরুন, সরুন। লোকেরা সব ভাগো ভাগো। যদি নিজের প্রাণ, সম্পত্তি, ভার্যা ও কুল রক্ষা করতে চাও, তবে রাজ-অনিষ্ট করার বিষয় চেষ্টা থেকে শত হাত দূরে থাক ॥১॥

    আরো দেখ—অপথ্য সেবন করলে লোকের ব্যাধি হয়, মৃত্যুও হয়। কিন্তু রাজ-অপথ্য (রাজার অনিষ্ট) আচরণ করলে সবংশে মরতে হয় ॥২॥

    তবু যদি না বিশ্বাস হয়, তবে দেখ রাজার অনিষ্টকারী শ্রেষ্ঠী চন্দনদাসকে স্ত্রীপুত্রসহ বধ্যস্থানে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। (আকাশের দিকে চেয়ে শোনার অভিনয় করে) মশাইরা কী বলছেন?—‘এঁর কোনো মুক্তির উপায় হয় কি?’ হয়, মশাইরা, হয়, যদি ইনি অমাত্য রাক্ষসের পরিজনদের সমর্পণ করেন। (পুনরায় আকাশে) কী বলছেন? ‘ইনি শরণাগতের প্রতি স্নেহশীল, তাই কেবল নিজের জীবনরক্ষার জন্য এমন গর্হিত কাজ করবেন না।’ মশাইরা তবে জেনে রাখুন—এঁর সঙ্গতি হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে প্রতিকারের বিষয় চিন্তা করে তবে আপনাদের কী লাভ?

    (তারপর কাঁধে শূল নিয়ে বধ্যবেশে চন্দনদাসের প্রবেশ, সঙ্গে স্ত্রী ও পুত্র, পেছনে দ্বিতীয় চণ্ডাল।)

    চন্দনদাস—(সাশ্রুনেত্রে) হা ধিক্! হা ধিক্! চরিত্রস্খলনের ভয়ে ভীত আমাদের মতো লোকদেরও চোরের মতো মরতে হচ্ছে। হে মৃত্যুরাজ যম, তোমাকে নমস্কার! অথবা যারা স্বভাবত নৃশংস, তাদের কাছে দোষী-নির্দোষের কোনো ভেদ নেই। যেমন—প্রাণী-হত্যা হবে—ওই আশঙ্কায় যে হরিণ আমিষ ছেড়ে তৃণ খেয়ে প্রাণ ধারণ করে, সেই সরল হরিণকে মারবার জন্য ব্যাধের কী আগ্রহ ॥৩॥

    (চারদিকে দেখে) ওই যে, প্রিয় বয়স্য বিষ্ণুদাস, আমার কথার একটা উত্তরও কেন দিবে না? অথবা, তেমন মানুষ দুর্লভ যারা এমন দুঃসময়ে চোখের সামনে থাকে। (সাশ্রুনেত্রে) ওই তো আমার প্রিয় বন্ধুরা অতিকষ্টে নিজেদের ফিরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। মুখে তাদের পরিবর্ধমান শোকের মলিন ছায়া, চোখে তাদের প্রতিকারের একমাত্র উপায় অশ্রুর প্রবল ধারা। এমনি অশ্রুভারাক্রান্ত আকুল দৃষ্টি দিয়ে বন্ধুরা অনুগমন করছে। (পরিক্রমা)

    চণ্ডাল—আর্য চন্দনদাস, বধ্যস্থানে এসে গেছেন, পরিজনদের এবার বিদায় দিন।

     

     

    চন্দনদাস—গৃহিণী, এবারে স-পুত্র ফিরে যাও। এরপর আর অনুগমন করা সঙ্গত নয়।

    কুটুম্বিনী—(সজলচোখে) আর্য যে লোকান্তরে যাচ্ছেন, দেশান্তরে নয়।

    চন্দনদাস—আর্যে, মিত্রের স্বার্থে আমার এই মৃত্যু, ব্যক্তিগত কোনো দোষে নয়। অতএব, বিষাদে কাজ কী?

    কুটুম্বিনী—আর্য, যদি তাই হয়, তবে কুলস্ত্রীর পক্ষে এটা তো ফিরে যাবার সময় নয়।

    চন্দনদাস—গৃহিণীর তবে সঙ্কল্প কী?

    কুটুম্বিনী—স্বামীর পদাঙ্ক অনুসরণ করে নিজেকে কৃতার্থ করতে চাই।

    চন্দনদাস—আর্যে, এটা অনুচিত প্রয়াস। বেচারী পুত্র লোক-ব্যবহারে অনভিজ্ঞ বালক মাত্র। তোমার কাজ হবে তার সহায় হওয়া।

     

     

    কুটুম্বিনী—দেবতারা প্রসন্ন হয়ে এর সহায় হোন। পুত্র, বাছা আমার, পিতার দুচরণে শেষবারের মতো প্রণিপাত কর!

    পুত্র—(পায়ে পড়ে) বাবা, আপনি ছেড়ে চলে গেলে এরপর আমি কী করব?

    চন্দনদাস—বৎস, যে দেশে চাণক্য নেই, সেখানে গিয়ে বাস করবে।

    চণ্ডাল—আর্য চন্দনদাস, শূল স্থাপনা হয়েছে, প্রস্তুত হোন।

    কুটুম্বিনী—আর্যরা, বাঁচান, বাঁচান।

    চন্দনদাস—আর্যে, তুমি আবার এখানে আর্তনাদ করছ কেন? স্বর্গত ব্যক্তিদের শোকার্ত পরিজনদের প্রতি দেবতারা অনুকম্পা করেন। (তাছাড়া, বন্ধুর স্বার্থে আমার এ মৃত্যু, অনুচিত কোনো কাজের দরুন নয়। তবে কেন আনন্দের স্থলে তুমি রোদন করছ)?

    প্রথম চণ্ডাল—ওরে বিল্বপত্র, চন্দনদাসকে ধর, পরিজনেরা আপনা থেকেই চলে যাবে।

     

     

    দ্বিতীয় চণ্ডাল—ওরে বজ্রলোমা, এই ধরছি।

    চন্দনদাস—ভদ্র, এক মুহূর্ত দাঁড়াও, পুত্রকে আলিঙ্গন করি। (পুত্রকে আলিঙ্গন করে, মস্তক আঘ্রাণ করে) বৎস, মৃত্যু তো অবশ্যম্ভাবী, অতএব মিত্রের কাজ করেই মৃত্যুবরণ কর।

    পুত্র—বাবা, এ কি আর বলে দিতে হয়? এ যে আমাদের বংশের ধর্ম।

    (পায়ে পড়ল।)

    চণ্ডাল—ওরে, এঁকে ধর্। (চণ্ডাল দুজন চন্দনদাসকে ধরল।)

    কুটুম্বিনী—(বুক চাপড়ে) আর্যগণ! বাঁচান, বাঁচান।

    (পর্দা সরিয়ে রাক্ষসের প্রবেশ।)

     

     

    রাক্ষস—সুচরিতে, আপনি ভয় পাবেন না। ওহে শূলওয়ালারা, চন্দনদাসকে আর মারতে হবে না।

    যে পূর্বে শত্রুর বংশের মতো প্রভুবংশ ধ্বংস হতে দেখেছে, মিত্রদের বিপদে যে মহোৎসবের স্বাচ্ছন্দ্যে ছিল, অপমানে জর্জর হয়েও তোমাদের বধের কল্পনায় যার প্রাণ এখনও প্রিয়, সেই আমার গলায় মৃত্যুলোকে যাবার ছাড়পত্র স্বরূপ এই বধের মালা জড়িয়ে দাও ॥৪॥

    চন্দনদাস—(সাশ্রুনেত্রে দেখে) অমাত্য, এ কী?

    রাক্ষস—এ তোমারই সুচরিতের একাংশের অনুকরণ মাত্র।

    চন্দনদাস—অমাত্য, আমাদের সকল প্রয়াস ব্যর্থ করে দিয়ে এ আপনি কী করলেন? রাক্ষস—সখা, নিজের কাজই করলাম। তিরস্কারে কাজ নেই। ভদ্রমুখ, দুরাত্মা চাণক্যকে গিয়ে বল।

    বজ্ৰলোমা—কী বলব?

     

     

    রাক্ষস—যে ঘোর কলিকালে শিষ্টজনরুচি বিরল, সেই দুঃসময়েও যে যশস্বী পুরুষ নিজের প্রাণের বিনিময়ে পরের প্রাণ রক্ষা করে শিবি রাজার যশকেও ম্লান করে দিয়েছেন, যে বিশুদ্ধচিত্ত পুরুষ নিজের সংস্কৃতিতে বৌদ্ধদের উদার চেষ্টাকেও তুচ্ছ করে দিয়েছেন, পূজার্হ হয়েও যার জন্য সেই পুরুষ তোমার কাছে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয়, সেই আমি এসে গেছি ॥৫॥

    প্রথম চণ্ডাল—ওরে বিল্বপত্র, তুই তাহলে চন্দনদাসকে ধরে এই শ্মশানতরুর ছায়ায় খানিক থাক, আমি ততক্ষণে আর্য-চাণক্যের কাছে নিবেদন করে আসি যে, অমাত্য রাক্ষস ধরা পড়েছেন।

    দ্বিতীয় চণ্ডাল—হ্যাঁ রে বজ্রলোমা, তাই হোক। (স্ত্রী-পুত্রসহ চন্দনদাসকে নিয়ে নিষ্ক্রান্ত।)

    প্রথম চণ্ডাল—আসুন অমাত্য। (রাক্ষসের সঙ্গে পরিক্রমা করে) এখানে কেউ আছে কি? তবে নন্দবংশরূপ পর্বতের পক্ষে বজ্রস্বরূপ এবং মৌর্য রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা আর্য চাণক্যকে নিবেদন কর যে—

    রাক্ষস—(স্বগত) এও শুনতে হচ্ছে।–আর্যের নীতির প্রভাবে যাঁর বুদ্ধি বিভ্রান্ত এবং পুরুষকার প্রতিহত, সেই অমাত্য রাক্ষস ধরা পড়েছেন।

     

     

    (তারপর পর্দার গা ঢেকে মুখটি মাত্র দেখিয়ে চাণক্যের প্রবেশ)

    চাণক্য—ভদ্র, বল, বল—

    উচ্চ-শিখা-পুঞ্জে কপিলবর্ণ জ্বলন্ত বহ্নিকে বস্ত্রাঞ্চলে কে বদ্ধ করল? সদাসঞ্চারী বায়ুকে পাশবদ্ধ করে কে নিশ্চল করল? গজ-মদগন্ধে আমোদিত যার কেশর, সেই সিংহকে কে পঞ্জরে অবরুদ্ধ করল? বহুকুম্ভীর- হাঙ্গর-সঙ্কুল ভীষণ সমুদ্র দুই বাহুর সাহায্যে কে অতিক্রম করল! ॥৬॥

    চণ্ডাল—রাজনীতিতে প্রাজ্ঞ আর্যই।

    চাণক্য—না, না, এরূপ বল না। বল যে, নন্দবংশ বিদ্বেষী দৈবই এসব করল।

    রাক্ষস― (স্বগত) এই সেই দুরাত্মা অথবা মহাত্মা কৌটিল্য। সাগর যেমন রত্নরাশির আকর, ইনি তেমনি সর্বশাস্ত্রের আকর। বিদ্বেষ-বশে এঁর এত গুণেও কিন্তু আমরা তুষ্ট নই ॥৭॥

     

     

    চাণক্য—(দেখে, সহসে, স্বগত) ও হো! এই সেই অমাত্য রাক্ষস, যে মহাত্মা—আমার বুদ্ধি এবং বৃষলের সেনাকে বিবিধ জরুরি কার্যক্রমের পরিকল্পনা ও রূপায়ণের উদ্বেগে বহু রাত্রি জাগিয়ে রেখে সুদীর্ঘকাল কত কষ্ট দিয়েছে ॥৮॥ (পর্দা সরিয়ে ফেলে, কাছে এগিয়ে আসে)

    এই যে অমাত্য রাক্ষস, আমি বিষ্ণুগুপ্ত, আপনাকে অভিবাদন করছি।

    রাক্ষস—(স্বগত) ‘অমাত্য’ কথাটা এখন আমার পক্ষে লজ্জাকর বিশেষণ। (প্রকাশ্যে) বিষ্ণুগুপ্ত, চণ্ডালের স্পর্শে অপবিত্র আমাকে স্পর্শ করা তোমার উচিত নয়।

    চাণক্য—অমাত্য রাক্ষস, এরা দুজন চণ্ডাল নয়। একে তো আগে আপনি দেখেছেন, এ সিদ্ধার্থক নামে রাজপুরুষ। আর ওই দ্বিতীয় জন, সেই রাজপুরুষ, নাম সমিদ্ধার্থক। বেচারী শকটদাসকে কিছু না জানিয়ে তাকে দিয়েই ওইভাবে সেই কপটপত্র লিখিয়ে নিয়েছি।

    রাক্ষস—(স্বগত) সৌভাগ্য বটে যে শকটদাসের প্রতি আমার সন্দেহ দূরীভূত হল।

     

     

    চাণক্য—বেশি বলে কাজ নেই। সংক্ষেপে এই বলা যাক্ : ভদ্রভট প্রভৃতি সেই ভৃত্য, সেই পত্র, সেই সিদ্ধার্থক, সেই তিনখানি অলঙ্কার, আপনার তথাকথিত সুহৃদ্ সেই ভিক্ষু, জীর্ণ উদ্যানের সেই আর্ত পুরুষ এবং শ্রেষ্ঠী চন্দনদাসের এই ক্লেশ—এ সবই আমার (অর্ধেক বলে লজ্জার অভিনয়) কূটনীতি। আমি যে চাই বৃষলের সঙ্গে হে বীর, আপনার সংযোগ ঘটুক ॥৯॥

    তা এই যে বৃষল আপনাকে দেখতে চায়। চলুন, দেখা করি।

    রাক্ষস—(স্বগত) ক্ষতি কী? যাই, দেখাই করি।

    (তারপর যথাযোগ্য পরিজনবর্গসহ রাজার প্রবেশ)

    রাজা—(স্বগত) যুদ্ধ বিনাই যে আর্য দুর্জয় শত্রুসৈন্য জয় করেছেন, এতে আমি লজ্জিত বটে। আর্যের নীতির গুণে আমার সিদ্ধি সুলভ বলে, ধনুকের তীরগুলো তাদের তৃণীরের মধ্যেই চিরটা কাল অলস হয়ে পড়ে থাকবার ব্রত পালন করছে; নিজেদের (কর্মহীন করুণ দশার জন্য) শোকেই যেন তারা অধোমুখ, মুখে ফলা লাগানো সত্ত্বেও তাদের কোনো কাজে না লাগানোয় তারা যেন লজ্জায় মরে আছে ॥১॥ অথবা—আমার মতো ঘুমিয়ে থাকলেও যার রাজত্বে গুরু স্বয়ং রাজকার্যে জেগে বসে থাকেন, ধনুর গুণ খুলে রাখলেও জগতে যা কিছু জয় করবার সে তা অবশ্যই জয় করতে পারে ॥১১

     

     

    (চাণক্যের কাছে এগিয়ে গিয়ে)

    আর্য, চন্দ্রগুপ্ত প্রণাম করছে।

    চাণক্য—বৃষল, তোমার যা কিছু ভালো চেয়েছিলাম সবই হয়েছে। দেখ, অমাত্য রাক্ষসকে আমরা পেয়ে গেছি। অতএব, মহামান্য মুখ্য অমাত্যকে অভিবাদন কর।

    রাক্ষস—(স্বগত) ইনি দেখছি সম্পর্কও পাতিয়েছেন!

    রাজা—(রাক্ষসের কাছে গিয়ে) আর্য, চন্দ্রগুপ্ত অভিবাদন করেছেন।

    রাক্ষস—(দেখে স্বগত) হ্যাঁ, এ সেই চন্দ্রগুপ্ত, বাল্যদশাতেই যে জগতে তার ভাবী সমুন্নতির স্বাক্ষর রেখেছিল। হাতি যেমন কালে যূথপতি হয়, তেমনি ইনি ক্রমে রাজ-ঐশ্বর্য অধিকার করেছেন ॥ ১২॥

    (প্রকাশ্যে) মহারাজ, আপনি জয়যুক্ত হোন।

     

     

    রাজা- আর্য, ষাড়গুণ্য-চিন্তায় আমার পূজ্যপাদ আচার্য এবং আর্য স্বয়ং যখন জাগরূক, তখন ভেবে দেখুন তো জগতে কী আর আমার অবিজিত রইল ॥ ১৩॥

    রাক্ষস—(স্বগত) কৌটিল্যের শিষ্য আমাকে ভৃত্যরূপে দেখছে না তো? অথবা, এটা বাস্তবিক চন্দ্রগুপ্তের বিনয়, বিদ্বেষ আমাকে বিপরীত বোঝাচ্ছে। কারণ—বিনয়াদি আত্মগুণসম্পন্ন যোগ্য জিগীষুকে আশ্রয় করে মন্দবুদ্ধি মন্ত্রী ও যশস্বীরা চির প্রতিষ্ঠা লাভ করে। কিন্তু অপদার্থ পাত্রকে আশ্রয় করলে নীতি যতই অভ্রান্ত হোক না কেন, সে মন্ত্রী তীরতরুর মতো আশ্রয় ধস হওয়ায় ধরাশায়ী হয়[৬] ॥১৪।।

    চাণক্য—অমাত্য রাক্ষস, আপনি চান কি চন্দনদাস বেঁচে থাক্?

    রাক্ষস—ওহে বিষ্ণুগুপ্ত, সন্দেহ কিসে?

    চাণক্য—অমাত্য রাক্ষস, আপনি বৃষলকে অনুগ্রহ করেছেন বটে, (মুখ্যামাত্যের পদ মর্যাদার অভিজ্ঞান স্বরূপ) শস্ত্র তো গ্রহণ করেননি। এ জন্যই সন্দেহ। তাই, যথার্থই যদি চন্দনদাসের জীবন-রক্ষা কাম্য হয়, তবে গ্রহণ করুন এই শস্ত্র।

     

     

    রাক্ষস—ওহে বিষ্ণুগুপ্ত, না না, এ কথা বল না। আমি এর যোগ্য নই, বিশেষ করে, তুমি যখন এ শস্ত্র ধারণ করেছ।

    চাণক্য—অমাত্য রাক্ষস, কিসে বুঝলেন যে আমি যোগ্য, আপনি অযোগ্য? দেখুন—হে মহামতি, আপনি দৃপ্ত শত্রুর দর্প নাশ করেন। আপনার পৌরুষের এতই প্রতাপ যে, চেয়ে দেখুন এই ঘোড়াগুলোর মুখে লাগাম সর্বদা লাগানোই রয়েছে, এদের পিঠের আসনগুলো কখনও শূন্য হয়নি, ঘোড়াগুলো এভাবে কৃশকায় হয়ে গেছে। এদের সঙ্গে দাঁড়িয়ে থাকা হাতিগুলোর অবস্থা দেখুন। স্নান, আহার, বিহার, পান এবং শয়ন কোনো ব্যাপারেই এরা স্বেচ্ছামতো সুখসম্ভোগ করতে পারে না। পিঠের গদি সওয়ারি ছাড়া থাকছে না কখনই, তাই ঘষায় ঘষায় এদের পিঠের হাড় ফুলে উঠেছে ॥১৫॥

    অথবা, বেশি কথায় কাজ কী? আপনি শস্ত্র গ্রহণ না করলে চন্দনদাসের প্রাণরক্ষা হবে না।

    রাক্ষস- (স্বগত) নন্দস্নেহগুণে হৃদয় আমার অভিভূত; অথচ তাঁদেরই শত্রু যারা, আমি হলাম তাদের ভৃত্য। সে বৃক্ষগুলোকে নিজেই জলসিঞ্চন করে বর্ধিত করেছিলাম, তাদেরই আমি স্বহস্তে ছেদন করলাম। সুহৃদের দেহ রক্ষার জন্য শস্ত্র আমাকে গ্রহণ করতে হচ্ছে। কর্মের এমনি গতি যে তা চিরকাল বিধাতারও আজ্ঞাবহ হয় না? ॥১৬

    (প্রকাশ্যে) বিষ্ণুগুপ্ত, মিত্রস্নেহকে নমস্কার, এ মানুষকে দিয়ে যে কোনো কাজ করাতে পারে। উপায় কী আর, এই আনুগত্য স্বীকার করছি।

    চাণক্য–(সহর্ষে, শস্ত্র অর্পণ করে) বৃষল, বৃষল, অমাত্য রাক্ষস এক্ষণে তোমায় অনুগ্রহ করলেন। তোমার এই সৌভাগ্যে আমি অভিনন্দন জানাচ্ছি।

    রাজা—আর্যের অনুগ্রহেই চন্দ্রগুপ্তের এই সৌভাগ্য সুখ।

    পুরুষ—(প্রবেশ করে) আর্যের জয় হোক্। ভদ্রভট, ভাগুরায়ণ প্রমুখ এইমাত্র হাত-পা বাঁধা অবস্থায় মলয়কেতুকে নিয়ে এসে দোরগোড়ায় হাজির করছে। আর্য শুনলেন। এরপর আর্যের যা অভিরুচি।

    চাণক্য—ভদ্র, অমাত্য রাক্ষসকে বল। তিনিই এখন এসব দেখবেন।

    রাক্ষস—(স্বগত) এ কী! ভৃত্যে পরিণত করার পর কৌটিল্য আমাকে এখন আদেশ দিতে প্ররোচিত করছে। উপায় কী? (প্রকাশ্যে) মহারাজ চন্দ্রগুপ্ত, আপনার জানাই আছে আমি কিছুকাল মলয়কেতুর আশ্রয়ে বাস করেছিলাম, অতএব এর প্রাণ রক্ষা করুন।

    রাজা–(চাণক্যের মুখের দিকে তাকালেন।)

    চাণক্য—বৃষল, অমাত্য রাক্ষসের প্রথম অনুরোধের সম্মান রক্ষা করা উচিত। (পুরুষের প্রতি) ভদ্র, আমার নির্দেশমতো ভদ্রভট প্রভৃতিকে বল, ‘অমাত্য রাক্ষসের অনুরোধে দেব চন্দ্রগুপ্ত মলয়কেতুকে তার পৈতৃক বিষয়সম্পত্তি দিয়ে দিলেন। অতএব, তোমরা এর সঙ্গে যাও। এ রাজ্যে প্রতিষ্ঠিত হলে পর তোমরা ফিরে আসবে।’

    পুরুষ—আর্যের যা আদেশ। (পরিক্রমা)

    চাণক্য—ভদ্র, দাঁড়াও, দাঁড়াও। আরো কথা আছে। দুর্গরক্ষক বিজয়পালকেও বল, ‘অমাত্য রাক্ষসকে পেয়ে পরম প্রীত চন্দ্রগুপ্ত আদেশ করলেন যে, শ্রেষ্ঠী চন্দনদাসকে পৃথিবীর সকল নগরের শ্রেষ্ঠীপদে প্রতিষ্ঠিত করা হোক্। পুনশ্চ, হস্তী-অশ্ব ব্যতিরেকে সকলের বন্ধন মোচন করা হোক্।’ অথবা অমাত্য রাক্ষস যেখানে নেতৃত্বে, সেখানে হস্তী-অশ্বের কী প্রয়োজন? তাই, এখন—হস্তী-অশ্ব ব্যতিরেকে সকলের বন্ধন মোচন কর। প্রতিজ্ঞা আমার পূর্ণ, তাই আমি এখন কেবল শিখা বন্ধন করি ॥১৭।।

    পুরুষ—আর্যের আজ্ঞা! ( নিষ্ক্রান্ত। )

    চাণক্য—হে রাজন্ চন্দ্রগুপ্ত, হে অমাত্য রাক্ষস, বলুন আপনাদের আর কোন প্ৰিয় কাজ করব।

    রাজা–এর পরেও কি প্রিয় আছে? নন্দরা সকলে উন্মুলিত হয়েছে, আমি রাজ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছি, রাক্ষসের সঙ্গে মৈত্রী স্থাপিত হয়েছে। এর চাইতে প্ৰিয় কোন্ কাজ করা করণীয় আছে।[৮]

    রাক্ষস—তথাপি এই হোক্ ভরতবাক্য—পুরাকালে পৃথিবী প্রলয়পয়োধি নিমগ্ন হলে তার উদ্ধারের জন্য স্বয়ম্ভু বিষ্ণু শূকর রূপ ধারণ করেছিলেন। তাঁর ধরণী-ধারণ-সমর্থ দন্তাগ্রের আশ্রয় নিয়ে পৃথিবী সে যাত্রা রক্ষা পেয়েছিল। সম্প্রতি পৃথিবী আবার ম্লেচ্ছদের উপদ্রবে বিপন্ন হয়েছিল। ভগবান্ স্বয়ম্ভূ এবারে রাজমূর্তি ধারণ করে অবতীর্ণ হলে পৃথিবী তাঁর দুই বাহুর আশ্রয়ে এসে নিরুপদ্রব হল। ভগবান্ বিষ্ণুর রাজমূর্তি এই পার্থিব চন্দ্রগুপ্ত চিরকাল পৃথিবীকে পালন করুন, তাঁর আত্মীয়, বন্ধু, এবং ভৃত্যবর্গের শ্রীবৃদ্ধি হোক্ ॥১৯॥

    (সকলে নিষ্ক্রান্ত)

    ॥ সপ্তম অঙ্ক সমাপ্ত ॥

    ॥ বিশাখদত্ত বিরচিত মুদ্রারাক্ষস নাটক সমাপ্ত ॥

    ***

    প্রসঙ্গকথা – সপ্তম অঙ্ক

    ১ . তুলনীয় :

    “তং ষস্তু দ্বেষ্টি সম্মোহাৎ স বিনশ্যত্যসংশয়ম্‌
    তস্য হ্যাণ্ড বিনাশায় রাজা প্রকৃরূতে মনঃ।”
    –যে মূঢ়তাবশে রাজার প্রতি দ্বেষ-পরায়ণ হয়, সে নিশ্চিত বিনষ্ট হয়। কারণ, তার আশু বিনাশের জন্য রাজা সচেষ্ট হয়! (মনুসংহিতা ৭/১২)

    ২. শ্লোকটির মাধ্যমে চন্দনদাসের চরিত্রের কোমল-মধুর আর একটি দিক কত সুন্দর এবং সহজভাবে ফুটে উঠেছে! নিজের বক্তব্যকে সুপ্রতিষ্ঠিত করার জন্যই শ্লোকটি উচ্চারিত হয়েছে। মর্মার্থ এই যে, নিষ্ঠুর দুরাত্মার কাছে নিরপরাধ বা নিরীহ, এমনকি অহিংস তপস্বীরও রেহাই নেই।

    ৩. ঔশীনরীয় যশঃ= উশীনরপুত্র শিবির যশ (উশীনরস্য অপতৎপুমান্ ঔশীনরঃ, তস্যেদম্)! কাশীরাজ উশীনরপুত্র শিবির কাহিনী বহু গ্রন্থে উল্লিখিত রয়েছে। তাঁর ত্যাগের কাহিনী পূর্বে আমরা বিবৃত করেছি।

    বৌদ্ধ সন্ন্যাসীদের ত্যাগব্রতের এই সপ্রশংস উল্লেখ থেকে এটা প্রতীত হয় যে ব্রাহ্মণ্য ধর্মের পাশে বৌদ্ধধর্মের উদার আদর্শ ও ত্যাগব্রতের জনপ্রিয়তা তখনও ক্ষুণ্ণ হয়নি! বৌদ্ধদের গুণকীর্তি নাটকটির প্রাচীনত্বের সপক্ষে বড়ো সাক্ষ্যও বটে।

    ৪. অনেকপ= হস্তী [অনেকাভ্যাং (দ্বাভ্যং) পিবতি ইতি অনেক—পা+ক>অনেকপ]।

    ৫. চণ্ডালের (চণ্ডালবেশী রাজপুরুষের) মুখে তাঁর উচ্ছ্বসিত প্রশংসা শুনে মুহূর্তের মধ্যেই চাণক্য তার নিষেধ-উক্তির মাধ্যমে রাক্ষসের মনের উপর সান্ত্বনার প্রলেপ দিতে চাইলেন এবং বললেন যে, যা কিছু অসাধ্য সাধিত হয়েছে, তার প্রযোজক কর্তা স্বয়ং নন্দকুলবিদ্বেষী দৈব। চাণক্য-চরিত্রে দৈববিশ্বাসের কোনো স্থান নেই, অথচ এখানে চাণক্য সেই দৈবেরই দোহাই দিলেন। এতে রাক্ষসের মতন একজন বরণীয় বীরের কাছে চাণক্য আত্মশ্লাঘার লজ্জা থেকে নিষ্কৃতি পেলেন; রাক্ষসের পুরুষকার এবং একনিষ্ঠ প্রযত্নের প্রতি সম্মানও দেখানো হল (“ন চ দৈবাৎ পরং বলম্”)। এ ভৃত্যজনের কাছে চাণক্যের সৌজন্যও প্রকট হল। উপরন্তু, রাক্ষসের যে দৈবে কতখানি বিশ্বাস, সেটা চাণক্য নিশ্চয়ই জানতেন; তাই ওই মুহূর্তে ওইরূপ মন্তব্যে তাঁর মনস্তাত্ত্বিক-বিশ্লেষণপটুতার পরিচয়ও পাওয়া গেল।

    ৬. ‘দ্রব্য’ এবং ‘অদ্রব্য’ কথা দুটি এখানে বাংলায় বহুপ্রচলিত ‘পদার্থ’ এবং ‘অপদার্থ’ শব্দ দুটির মতোই শোনায়। অর্থও তাই অবশ্য—অর্থশাস্ত্রের দৃষ্টিতে ‘দ্রব্য’ বলতে আত্মগুণসম্পন্ন রাজাকেই বোঝা উচিত। ‘অদ্রব্য’র অর্থ হবে তার বিপরীত।

    ৭. তুলনীয়—“বিষবৃক্ষোঽপি সংবধ্য স্বয়ং ছেতুমসাম্প্রতম্।” (কুমারসম্ভব )

    ৮. এই মুহূর্তে এরকম একটি শ্লোকের ‘ঔচিত্য’ সম্পর্কে প্রশ্ন জাগে। যে রাক্ষসকে মহামাত্যরূপে পাবার জন্য এত কিছু, আজ তাঁকে পেয়ে তাঁরই সম্মুখে তাঁর সর্বাপেক্ষা অপ্রিয় প্রসঙ্গ নন্দবংশধ্বংসের কথা এভাবে না তুললেই কি নয়? নাটকের শোভন- সুন্দর সমাপ্তির মুখে তাই এ শ্লোকটি কেমন বেমানান। অবশ্য—অনেক পাণ্ডুলিপিতে এ শ্লোকটি অনুপস্থিত।

    ৯. তুলনীয় :

    “উদ্ধৃতাসি বরাহেণ কৃষ্ণেন শতবাহুনা তৈত্তিরীয় আরণ্যক!

    তৈত্তিরীয় আরণ্যক অনুসারে প্রজাপতি (পরবর্তীকালে ব্রহ্মা বলে খ্যাত) সীমাহীন সলিলরাশি থেকে পৃথিবীকে উদ্ধার করেছিলেন। হরিবংশে কিন্তু অন্য রকম বলা হয়েছে : পর্বতভারে পৃথিবী অনন্ত অগাধ জলরাশিতে মগ্ন হলে ভগবান্ বিষ্ণু বরাহরূপ ধরে তাকে জল থেকে উদ্ধার করেন। ‘আত্মযোনি’ শব্দটি (যার পর্যায়শব্দ আত্মভু) এখানে ‘বিষ্ণু’ অর্থেই প্রযুক্ত হয়েছে। রাজমূর্তি—রাজা যে বিষ্ণু অবতার অর্থাৎ বিষ্ণুই যে রাজার মূর্তিতে জগতে জগৎশাসনের জন্য নেমে আসেন, এ মতই এখানে ব্যক্ত হয়েছে। তুলনীয় —“State is the march of God on earth”—Hegel. চন্দ্রগুপ্ত—‘পাঠান্তর’ ভূমিকায় কাল-নির্ণয় প্রসঙ্গে আলোচিত হয়েছে! ‘চন্দ্ৰগুপ্ত’—পাঠটিই শ্রেয়ঃ, তাতে রাক্ষসের পক্ষে নবীন রাজা মৌর্য চন্দ্রগুপ্তের প্রশস্তি ও শুভাশংসা যেমন সঙ্গতিপূর্ণ হয় (নাটকের দিক থেকে), তেমনি নাট্যকার বিশাখদত্তের পৃষ্ঠপোষক সম্রাট দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের প্রশস্তি ও আশীর্বচনও সুসঙ্গত হয়। “চন্দ্রগুপ্ত’ পদটির এই শ্লিষ্ট প্রয়োগে দুটি উদ্দেশ্যই সুন্দরভাবে সুসংশ্লিষ্ট হয়। অতএব এই পাঠটিই বরণীয়।

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবনফুলের গল্পসমগ্র
    Next Article ট্যুইলাইট – স্টেফানি মাইয়ার
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }