Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মুনলাইট সোনাটা – অমর মিত্র

    লেখক এক পাতা গল্প81 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মুনলাইট সোনাটা – ৪

    ৪

    সুনন্দা বলল, তোমার সেই সুবীরদা কোথায়?

    কী করে জানব?

    আমরা যদি অমনি হতে পারতাম! পারতে তুমি?

    আমি বললাম, যে যেমন ভাবে জীবন কাটায়, আমি মনে করি না ওই জীবন খুব আনন্দের, সুবীরদা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগই করল না, আমাদের ছেলেও তো সান-দিয়েগোতে থাকে, প্রশান্ত মহাসাগরের তীরে।

    ছেলের বিয়ের সময় অনেক কষ্টে ফোন নম্বর জোগাড় করে এক রাতে ফোন করেছিলাম সুবীর ভদ্রকে। কথা বলা যায়নি। রোগীর বাড়িতে বসে আছেন তখন। ধরেছিলেন এক মহিলা, খুব সম্ভবত দক্ষিণ ভারতীয়। ওই টানে ইংরেজিতে আমার পরিচয় জিজ্ঞেস করলে। বলতে তিনি জানালেন ডক্টরবাবু পেশেন্টের বাড়ি, ফিরলে সব বলা হবে, ইফ হি লাইকস, রিং ব্যাক করবেন আপনাকে।

    বলতে বলতে ফোন কেটে দিয়েছিলেন তিনি। তারপর অবশ্য ফোন আর আসেনি। সুবীরদা হয়ত শুনে খুশি হননি যে আমার ছেলে অভিরূপ ক্যালিফোর্নিয়া স্টেটে থাকে। মামা মাসিদের পরিবারের ভিতর সুবীর সরকার সবচেয়ে মেধাবী, সেই প্রথম বিদেশ যাত্রা করেছিল। তারপর শুনেছিলাম বড়ো মাসির নাতনি গেছে। ওদের সঙ্গে আমার তেমন যোগযোগ নেই।

    যাক এসব কথা কি আর নতুন? এ তো সব পরিবারে আছে। মেসো আক্ষেপ করতেন, সুবীর অত মেধাবী হয়েও শেষ পর্যন্ত দেশে ফিরে এল। আরও দুঃখের কথা, পড়ে থাকল কর্ণাটকের মফসসলে। আমার ছেলের বিদেশ যাওয়া যখন সেটল হল, মেসো আমাকে বলেছিলেন, যেন ফিরে না আসে। এ-দেশে থেকে কারওর কিছু হবে না। জীবনকে যদি ভোগ করতে হয় ওই আমেরিকা ইংল্যান্ডে যেতে হয়। সত্যিই তো, আমরা কী করলাম এ জীবনে? যা আনন্দ তা যেন ছেলেকে দিয়েই পূরণ করে নেব। ওকে বিদেশ পাঠাব, এ আমাদের পণ ছিল। দুজনেই ত্যাগ করেছি অনেক কিছু। আমার বউ-এর গলায় কতটা না গান ছিল, সে ছেড়েই দিল সব।

    আমেরিকা থেকে উড়িয়ে নিয়ে এসে ছেলের বিয়ে দিয়েছিলাম। খুব ধুম হয়েছিল তখন। বিনা পণে ছেলের বিয়ে দিয়েছি। বিয়েতে কোনো উপহার নিইনি। লৌকিকতার পরিবর্তে আশীর্বাদই ছিল প্রার্থনীয়। লোকে ধন্য ধন্য করেছিল। ছেলে যেমন আমার একটি, বউমাও বাপ-মার এক মেয়ে। গান জানা মেয়ে। ওদেশের বঙ্গ সম্মেলনে গায় শুনেছি। প্রশংসাও পায়। আমরা যা করেছি, সব পাবে তারা। মানুষ শুধু নিজের সুখের জন্য জীবনপাত করে না, তার ছেলে-মেয়ে, নাতি-নাতনি, সাতপুরুষ যাতে সুখে থাকে তার ব্যবস্থাও পারলে করে রাখে। সাত পুরুষের জন্য টাকা পয়সা, ভূ-সম্পত্তির ব্যবস্থা করে যায়। তবে আমরা আর কী দেব ওদের। আছে যে ঢের। এর ভিতরে যা সঞ্চয়, তা আমাদের সারাজীবনে হয়নি।

    আজকাল সুনন্দার সঙ্গে তেমন কিছু কথা হয় না। সেও বলে না, আমিও বলি না। সে টিভির সামনে বসে থাকে, আমিও। নানা রকম উত্তেজক খবর আমাদের বেঁচে থাকার অবলম্বন। ভোটের আগে, ভোটে কী হতে পারে তা নিয়ে আমরা খুব মগ্ন থাকতাম। যে যে চ্যানেলে পার্টি নিয়ে খুব কোঁদল হতো সেই সেই চ্যানেল নিয়ে পড়ে থাকতাম। বউ অবশ্য এরই ভিতর একটা গানের চ্যানেলেও শিফট করত। রবীন্দ্রসংগীত শুনত অনেক সময় ধরে। তখন আমি বিরক্ত হতাম। আমি আমাদের নিস্তব্ধ নিরুত্তাপ জীবনে টেলিভিশনের ওই সব কোঁদল, খুনজখমের বিবরণে একটু উত্তাপ আসত। আমি আমার উত্তেজনা প্রকাশ করতাম, বউ চুপ করে থাকত। কখনও কখনও ও উত্তেজিত হয়ে যে উঠত না, তা নয়। সেই যে এক বিডিওর মৃত্যু নিয়ে নানা মত, উপরওয়ালার চাপে সে আত্মহত্যা করেছিল, না তাকে হত্যা করা হয়েছে, এ নিয়ে আমাদের দুজনের ভিতরে মতানৈক্য প্রবল। তার মত হল, যাই হোক, ওই সৎ বিডিওকে হত্যা করা হয়েছে, হত্যার দায় ওর উপরওয়ালা এড়াতে পারেন না। আমার মত তার বিপরীত। আমি সেই বড়ো কর্তা প্রশাসনের পক্ষে। বিডিও ছেলেটির উচিত ছিল বড়ো কর্তার মত অনুসরণ করা। আমার জীবনে কি আমি সব কাজ ঠিকঠাক করেছি, জানি করিনি। তাতে কি আমি বেঁচে নেই?

    বিডিও তো অন্যায় না করেই মরেছে। আমার বউ সুনন্দা বলে।

    তা হলে অন্যায়টা করতেই পারত। আমি বলি, এ জীবনটা শেষ করে দেওয়ার কোনো মানে হয় না। আমার কথায় সুনন্দা রেগে যায়, বলে, সবাই তোমার সেই মজুমদার হতে পারে না, তুমি পেরেছিলে?

    এই ভাবে আমাদের দিন যায়। এমনও হয় অনেকটা সময় আমরা বসে আছি একা। কেউ কোনো কথা বলছি না। টেলিভিশনের দিকে তাকিয়ে আছি, কিছুই দেখছি না। সুনন্দা চ্যানেলের পর চ্যানেল সার্ফ করে যাচ্ছে। কোথাও স্থির হয়ে থাকছে না। আমি উঠি, ব্যালকনির অন্ধকারে যাই, ফিরে আসি। টেলিভিশনে কোনো শব্দ নেই। তখন আমাদের ঘরে বোবা মানুষে কথা বলে, গান গায় নৈঃশব্দের ভাষায়।

    সেই লোকটা আমার বাড়ির কাছে। কেমন চেনা লাগছে। হাঁটার ভঙ্গী চেনা। কে যেন, কার কথা মনে পড়ছে যেন। না সে হবে কী করে? আমি উপর থেকে সিঁড়ি দিয়ে নিচে নেমে এলাম। অনেকদিন বাদে আমাদের বাড়িতে একটা লোক এল মনে হচ্ছে। না হতেও পারে। এই সেদিন বৈশাখী নামের আবাসন থেকে একটা লোক বেরিয়ে এল, তাকে দেখে আমার মনে হয়েছিল অনুপম, আমার সহকর্মী। এগোতে গিয়েই মনে পড়ে গেল অনুপম সুর বছর খানেক আগে রোড অ্যাক্সিডেন্টে মারা গেছে। আমার চেয়ে বছর সাত-আট ছোটো ছিল ও। হৈ হৈ করে বাঁচতে ভালোবাসত। চমৎকার ছিল গানের গলা, গাইত কিশোর কুমারের গান। গাতা রাহে মেরে দিল, … কী টান না দিতে পারত অনুপম, সুনন্দা ওর সঙ্গে গলা মেলাত। রফি আর লতা। একদিন হলো গাইড সিনেমার সব গান, রফি, কিশোর, … ওহ কৌন হে তেরা মুসাফির, জায়েগা কাঁহা — শচীনদেবও গাওয়া হয়েছিল। খবরের কাগজ পড়ে বুঝেছিলাম সেই অনুপম, বারাসতে অতিরিক্ত জেলা শাসক হয়েছিল। আমি সুনন্দাকে খবরটা দিইনি। কাগজটাই সরিয়ে রেখেছিলাম। টিভির চ্যানেল বদল করে দিয়েছিলাম। কেন তা আমি জানি না।

    একদিন বিকেলে ব্যালকনিতে বসে দেখলাম লোকটি আমাদের বাড়ির সামনে এসে দাঁড়াল। হ্যাঁ, লোকটা আমাদের বাড়িই এসেছে। প্রায় বুড়ো, কিন্তু ঠাঁটে-বাটে বেশ। মাথার চুল ঘন কালো, ডাই করা বোঝায় যায়, জিনস, চেক হাওয়াই শার্ট, পায়ে দামি শ্যু। পকেট থেকে উঁকি মারছিল দামি সিগারেটের প্যাকেট। তাকে চিনলাম, তুমি মজুমদার না?

    তখন বেলা পাঁচটার মতো। গ্রীষ্মের দিন তাই রোদ বেশ। মজুমদার বলল, আমাকে যে চিনতে পারবে তা ভাবিনি। অচিনপুরে আমরা এক সঙ্গে ছিলাম।

    হ্যাঁ, মেদিনীপুরেও, এস ভিতরে এস।

    মেদিনীপুরে আপনি ডেপুটি, আমি জয়েন্ট বিডিও।

    অচিনপুরে তুমি ডি.এম.-এর কনফিডেনসিয়াল অ্যাসিস্টান্ট। আমি বললাম।

    মজুমদার হাসে, ডাক দেয়, ম্যাডাম কেমন আছেন, আপনার ছেলে তো আমেরিকায়, জানতাম এদেশে থাকার নয়, আমার জামাই থাকে ইংল্যান্ড।

    নিচে বসার ঘর। অতিথির জন্য সুন্দর করে সাজান। নরম গদিতে বসতে বসতে মজুমদার বলল, ঠিকানাটা ছিল তোমার ছেলের বিয়ের কার্ডে, বিয়েতে আসতে পারিনি, কার্ডটা যত্ন করে রেখে দিয়েছিলাম বলে আসতে পারলাম। দাদা, ম্যাডাম এখনও গান করেন?

    তুমি রিটায়ার করে গেছ?

    রি-এমপ্লয়মেন্টে আছি, যতদিন পারি করব, করব নাই বা কেন?

    তা ঠিক, আমার আর ইচ্ছে করল না।

    আমি তিন মাস বসে ছিলাম, বসে বসে হাঁপিয়ে উঠলাম। বুঝলাম পারব না। এত বছর চাকরি করলাম, এত চেনা, চিফ সেক্রেটারি পর্যন্ত, আমি তো সবাইকে সার্ভিস দিয়েছি, সবাই আমাকে লাইক করতেন, শেষে কিনা মিউনিসিপ্যালিটির এক্সিকিউটিভ অফিসার। আমি করিনি, পরে ভালো অ্যাসাইনমেন্ট পেলাম, করছি।

    ঠিক সেই রকম রয়েছে মজুমদার। তার বৃত্তান্ত বেশ লাগছে। বহুদিন বাদে সেই অফিস, উপরওয়ালা, অধঃস্তন কর্মচারী, নানা প্রসঙ্গ ভেসে আসতে লাগল। পুরোনো কথার স্বাদ আলাদা। ভালোই লাগছে। সুনন্দা একটু বসে, চা দিয়ে কিচেনে ঢুকে গেছে। বহুদিন বাদে মজুমদার এসেছে, তাকে কিছু ভালোমন্দ খাওয়াবে। আমি মজুমদারকে জিজ্ঞেস করার আগেই সে বলল, সেই শ্রেয়া ম্যাডামকে মনে আছে বাসু তোমার?

    মুখ টিপে হাসলাম, বললাম, মজুমদার, তুমি শ্রীবাস্তবকে সুযোগ করে দিলে।

    মজুমদার বলল, ম্যাম এখন দিল্লিতে, হোম মিনিস্ট্রিতে। সেইবারেই আই.এ.এস হয়েছিল, আমার সঙ্গে ভালো যোগাযোগ আছে।

    তুমি আমার কথা এড়িয়ে যাচ্ছ মজুমদার, শ্রীবাস্তব কোথায়?

    গগন সাব পটনায়, যোগাযোগ আছে। গিয়েছিলাম দেখা করতে, আমাকে পটনায় চাকরি দিচ্ছিলেন, ভালো সুযোগ ছিল। কিন্তু শেষ অবধি না করলাম। স্যার বলেছেন যখন প্রয়োজন জানাতে। কলকাতায় এলে আমিই সব হাউস, গাড়ি থেকে সব ব্যবস্থা করে দিই।

    কী ব্যবস্থা?

    উনি যা চান। মজুমদার হাসল।

    এখনো দরকার হয়? আমি জিজ্ঞেস করি।

    আর্য রক্ত না, আর হলো কি ওঁর ওয়াইফ…। থেমে যায় মজুমদার। কথাটা সম্পূর্ণ করল না, জিজ্ঞেস করলাম, মজুমদার ব্যাপারটা মল্লিক সায়েবের কানে গিয়েছিল?

    মজুমদার বলল, কী কানে যাবে বলতো?

    ওঁর ভাগ্নী আর শ্রীবাস্তব?

    মজুমদার হাসে। বলে, তুমি ভোলোনি তো।

    না, কিছু কিছু কথা মন থেকে সরে যায় না।

    তুমি কি সব শুনতে চাও? মজুমদার বলল।

    এখন শুনলে কী হবে, হাই প্রোফাইল পার্সন, ওদের কত ক্ষমতা, ওদের কাছে ওসব কিছুই না। লাইফটাকে পাওয়ার দিয়ে এনজয় করতে জানে ওরা। কিন্তু একেই কি ভোগ করা বলে?

    তাহলে কাকে ভোগ করা বলে? মজুমদার বলল।

    আমি চুপ করে থাকি।

    যে ভোগ করছে সে জানে কী ভাবে ভোগ করতে হয়। আরে এসব ওঁদের কাছে জাস্ট এনজয়মেন্ট, ফান। আর শ্রীবাস্তব সায়েবের আর্য রক্ত, তার তেজ কি কম হতে পারে? ওঁর কাছে সবটাই স্বাভাবিক, আরে আর্যরা তো রমনী লুট করত, আগের দিনের সুলতান বাদশাদের ভিতরও ওই রক্ত ছিল, হারেমের কথা শোনোনি? আর মেয়েটাও ছিল ওর যোগ্য, অমনি হয়, তারপর হয়ত ওদের দেখা হয়নি, দেখা হলেও হাই-হ্যালোতেই শেষ।

    যোগাযোগ আছে তোমার?

    হ্যাঁ, শ্রীবাস্তব সায়েবের ছেলে খুব ব্রিলিয়ান্ট। ওকে আই.এ.এস. করবেন।

    তাই তো হবে, বংশপরম্পরায় শাসনের একটা মোহ থাকে।

    সায়েবের বাবা বিহার স্টেট সার্ভিসে ছিলেন।

    তুমি শ্রীবাস্তবকে যা দিয়েছিলে, সে তোমাকে মনে রাখবেই।

    দুজনকেই দিয়েছিলাম সুযোগ করে, তবে সকলের মনে থাকে না, আর আমি তো ছিলাম পাহারাদার, ওরা দুজনেই যখন তা চাইছিলেন, আমি কী করব বাসু?

    বড়ো সায়েব তোমাকে জিজ্ঞেস করেননি?

    মজুমদার মাথা নাড়ে, বলতে থাকে, বড়ো সায়েব এতে মাথা দেননি। ম্যাডাম জিজ্ঞেস করতে, শুনেছি, দুজনেই অস্বীকার করেছিল। গগন শ্রীবাস্তব ওকে ইন্টারভিউ-এর জন্য তৈরি করেছিল। এতে সন্দেহের কী আছে? বাসু জগৎটাকে তুমি জানলে না, এসব কিছু না। আমার সামনে ওঁরা বনবাংলোয় সমস্ত দুপুর, আমি অন্য ঘরে বসে আছি। মেয়েটি আর সায়েব হাসতে হাসতে ঘরে গিয়ে ঢুকেছে, ইন ফ্যাক্ট শ্রীবাস্তব সায়েব-ই ওকে টেনে নিয়ে ঢুকেছে বাংলোর নিঃঝুমতার ভিতর। আর সেই মেয়ে যেন খাঁচা ছাড়া পাখি, পাহাড়ি ময়না।

    তোমার খারাপ লাগেনি?

    খারাপ লাগবে কেন? আমি সামান্য মানুষ, জয়েন্ট বিডিও তে ঘষে ঘষে শেষে প্রমোশনে ডেপুটি। তবে আমি ছ’মাস ব্লক করেছি, উঠে এসেছিলাম মল্লিক সায়েব, আমাদের ডি. এম-এর সুপারিশে, গগন শ্রীবাস্তব তখন প্রথম এসেছে। আমি বুঝেছিলাম নিরাপত্তা আর ক্ষমতার জন্য ক্ষমতাধারীর ছায়ায় থাকতে হয়। তুমি কি ভাবতে আমি বলতে পারব না বাসু, কিন্তু আমি জানতাম প্রাইমারি টিচারের ছেলেকে আরো আরো উপরে উঠতে হবে, আরো সিঁড়ি ভাঙতে হবে। বাবাকে এক এস. ডি. ও-র রক্ষী ঘাড় ধরে চেম্বার থেকে বের করে দিয়েছিল। বাবা বাড়ি এসে বিষ খান, তুমি কি এসব জানো বাসু, প্রশাসন নির্মম হয় ক্ষমতাকে জাহির করতে, ধরে রাখতে।

    পরিবেশ থমথমে হয়ে গেল। মজুমদার এত বছর বাদে এল কেন তা আমি ধরতে পারছি না। শুধুই দেখা করতে? পুরোনো কথা বলাবলি করতে? যে কারণেই আসুক মজুমদার, সে-ই বলবে। ও বিষয়ে আমার কোনো কৌতূহল নেই। সুনন্দা এল, বলল, আপনি কি ড্রিঙ্কস নেবেন?

    ম্যাডাম আমার বন্ধ।

    ছেলে এনেছিল, ও একা বলে খায়নি।

    আমি বসে আছি, বাসু নিক, আপনি নিন।

    সুনন্দা হাসে, আমার গা গুলোয়, পারব না।

    তাহলে থাক, আমাকে বারণ করেছে, এক ড্রপও লিভারের পক্ষে বিপজ্জনক।

    আপনি কি খেতেন?

    মজুমদার বলল, সায়েবরা বসলে আমাকে থাকতে হত, বসলে আমাকেও নিতে হত। তবে কি, আসলে যাঁরা খেলেন, তাঁদের কিছু হল না, প্রায় না খেয়েই আমার হেপাটাইটিস। দিল্লির এইমস-এ ছিলাম একমাস, ম্যাডাম শ্রেয়া চৌধুরী সব ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন। ওর জন্য বেঁচে গেছি। ভাজাভুজি খাই না, আপনি ভাববেন না, বসুন।

    না আপনারা গল্প করুন, বউমা অন-লাইন আসবে একটু পরেই, উপরে যাই। বলতে বলতে সুনন্দা উঠে গেল। মজুমদার বিড়বিড় করল, আসলে ওসব সায়েবদের জন্য তৈরি, আমাদের কি সহ্য হয় বাসু? বনবাংলোয় ওঁরা পাশের ঘরে, আমাকে হঠাৎ ডাকলেন শ্রীবাস্তব সায়েব, মজুমদার, এই মুজুমডার, হ্যোয়ার আর ইউ মুজুমডার।

    মজুমদারের তখন ঝিমুনি এসেছিল ভরা ভাদ্রের দুপুরে। নিঃঝুম বনবাংলো। লাঞ্চ প্যাকেট তার সামনের টিপয়ে। সায়েব ম্যাডাম ড্রিঙ্ক করে খাবেন। বড়ো একটি হুইস্কির বোতল সায়েবের হুকুমে এনেছে মজুমদার। তাঁরা দুজনে পাশের ঘরে। বনবাংলোর কর্মী বুড়ো সব ব্যবস্থা করে দূরে কোথাও আছে। হাঁক দিলেই সে এসে পড়বে। কোথায় কোন গাছের পাতার আড়ালে বসে একটা কুবো পাখি কুব কুব ডেকেই যাচ্ছিল কখন থেকে। মাঝে মাঝে সেই পাখি চুপ। হয়তো তার ভিতরেও ভয় ঢুকেছিল। মজুমদার ডাক শুনেই উঠে বসেছে। তার ঘর থেকে বেরিয়ে সায়েব ম্যাডামের ঘরের দরজায়, চাপা গলায় বলল, ইয়েস স্যার, কিছু বলছেন?

    হাঁ হাঁ, বলছি তো সিওর, তুমি দরজায় থাকবে মুজুমডার, কেউ যদি চলে আসে। জড়ানো গলায় বলে শ্রীবাস্তব। নেশায় টলটল করছিল ঘরের নারী পুরুষ, চাপা গলায় হাসছিল শ্রেয়া চৌধুরী, ওহ, নটি, ওয়াট আর য়্যু ডুয়িং, লেট হিম গো।

    কথাটা কানে আসতে মজুমদার সাহস পেয়ে বলেছিল, আসবে না স্যার, নো ওয়ান ইজ পারমিটেড টু কাম হিয়ার নাউ।

    আয় নো ইট মুজুমডার, লেকিন তুম রহোগে, বাহারমে খাড়া রহো।

    আমি পাশের ঘরে আছি স্যার, আপনারা ভিতর থেকে বন্ধ করে দিন।

    নো মুজুমডার, ওপেন থাকবে ডোর, তুমি গার্ড দিবে।

    নো গগন, ক্লোজ দ্য ডোর। চাপা গলায় বলল শ্রেয়া চৌধুরী, হাই সুপারম্যান, দরোয়াজা বন্ধ করো।

    নো, মায় লাভ, সুইটি, হা হা হা, ইটস মায় অর্ডার, য়্যু আর গোয়িং টু গেট দ্য পাওয়ার অব অ্যান অ্যাডমিনিস্ট্রেটর। সি, হাও দ্য পাওয়ার ক্যান বি এনজয়েড। ডার্লিং, মেরা পাওয়ার তো টু হানড্রেড হর্স পাওয়ার, গেট রেডি।

    ওহ, মেরি জান, প্লিজ ক্লোজ দ্য ডোর। মজুমদারকে সরিয়ে দাও।

    নো সুইটি, মজুমদার গার্ড দিবে, হি ইজ আ লয়াল অফিসার, সে জানে কী ভাবে অর্ডার ক্যারি আউট করতে হয়।

    মায় লাভ, প্লিইজ।

    নো সুইটি।

    তুমকো করনাই হোগা গগন, ইয়ে মেরা অর্ডার, গো অ্যান্ড ক্লোজ দ্য ডোর, আয় নিড আ প্রাইভেসি, ডু ইট ম্যান।

    হা হা করে হাসে শ্রীবাস্তব, বলে, তুমি তো মল্লিক সায়েবের রিলেটিভ হচ্ছো। পাওয়ার তোমার আঙ্কেল ভালো বোঝে। বাট, আওয়ার প্রোমোটি কালেক্টর একটা ইডিয়ট, না হলে তোমাকে ইন্টারভিউ-এর টিপস নিতে আমার কাছে পাঠায়, আমি তোমাকে খেয়ে নেব।

    কাম অন গগন, কে কাকে খায় দেখি।

    হা হা হা, হাসতে হাসতে শ্রীবাস্তব ওঠে, তার পায়ের চটির ফটফট শুনতে পায় মজুমদার। দম বন্ধ করে অপেক্ষা করে। কিন্তু শ্রীবাস্তব আসে না। টয়লেটে ফ্লাসের শব্দ শোনে। লোকটা বেরিয়েছে টয়লেট থেকে। আসছে দরজার দিকে। বিড়বিড় করছে, ওহ মুজুমডার, তবু তুমি বাইরে থাকবে, চেয়ার নিয়ে দরজার বাইরে বসো, তোমার ডিউটি তুমি করবে আমি দরওয়াজা বন্ধ করি বা না করি।

    ইয়েস স্যার!

    ক্লোজ দ্য ডোর মায় লাভ, তুমি বাহারমে ওয়েট করো মজুমদার স্যার, ডু ইট মজুমদার সাহাব। খিলখিল হাসি উড়ে এল ঘরের ভিতর থেকে, ইউ আর আ নাইস পার্সন মজুমদার আঙ্কেল। ইউ উইল গেট রিওয়ার্ড ফর দিজ সার্ভিস, আমি তোমার কালেক্টরকে বলে যাব।

    দূর থেকে ভেসে আসা কথাগুলি শুনে মজুমদার কৃতজ্ঞতায় নুয়ে গিয়েছিল। মিস চৌধুরী বলে গেলে সে আরও ক্ষমতা পাবে। সে ক্ষমতার কাঙাল। ভালোবাসে ক্ষমতার গায়ে গা ঘষতে। নিজেকে তাদের কাছে নিয়ে গিয়ে ক্ষমতার বাতাস গায়ে লাগাতে চায়, বলল, থ্যাঙ্কিউ ম্যাম, সো গ্রেটফুল টু ইউ।

    মোস্ট ওয়েলকাম আঙ্কেল, তোমার পুরো নামটা কি? শ্রেয়া জিজ্ঞেস করল ভিতর থেকে।

    জগবন্ধু মজুমদার ম্যাম।

    ওয়েল জগবন্ধু, আমি তোমাকে আরো পাওয়ার দিয়ে যাব। বলে খিল খিল করে হাসতে লাগল শ্রেয়া চৌধুরী, জ গ ব ন ন ধুউউউ, আমাদের ড্রাইভারের নাম, সে খুব ভালো ছেলে। আই লাইক ইউ জগবন্ধু, যা বলব তাই করে দেবে তো?

    আয়াম অ্যাট ইয়োর সার্ভিস ম্যাম। বিগলিত গলা মজুমদারের।

    ওহ, নাইস, নাইস! আড়াল থেকে কথা ভেসে এল, ওক্কে জগু তুমি রেস্ট নাও।

    নো রেস্ট, শুন মুজুমডার, আমি চাই অফিসার অন স্পেশাল ডিউটি মুজুমডার আমাদের গার্ড দিবে, হি ইজ দ্য মোস্ট কমপিটেন্ট পারসন টু ডু দিজ টাইপ অব জব। জড়ানো গলা গগন শ্রীবাস্তবের, আমি তো মুজুমডারকে নিয়েই ব্লক ভিজিট করি, হি ক্যান ম্যানেজ এভরিথিং।

    মজুমদারের এক মুহূর্তের জন্য মনে হল ভিতরে ঢুকে পড়ে। কিন্তু পরের মুহূর্তে নিজের স্বভাবে ফিরে আসে মজুমদার। পাথরের স্তম্ভের মতো দাঁড়িয়ে থাকল। তখন বছর তিরিশের শ্রীবাস্তব দরজায় এসে গেছে। তার অনাবৃত ফর্শা রঙের ভিতর লালচে ভাব। ছ-ফুটের উপর লম্বা সেই গগন সায়েবের দানবের মতো শরীর। কোমরে একটি ঘন নীল রঙের ফ্রেঞ্চি। তার নীচে পৌরুষ দপদপ করছিল। সায়েবকে ওই অবস্থায় দেখে কুঁকড়ে গেল মজুমদার। মনে হল গগন সায়েব যদি তাকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বাংলো থেকে বের করে দেয়! বিপরীত সম্ভাবনাই মনের ভিতরে জেগে উঠল। সায়েব যদি তাকে কান ধরে উঠবস করতে বলে পাওয়ার শো করাতে, যদি তাকে অর্ডার করে শ্রেয়া চৌধুরীর বিছানায় উঠতে, সে কি পারবে? পারবে না। ভয়ে কুঁকড়ে যাবে, মরেই যাবে। এই সায়েব তা করতেই পারে। অন্তত তাকে উঠবস করতে বলতেই পারে ফুর্তির চূড়োয় উঠতে। মানুষের ফুর্তির কত না রকম আছে। কেউ মানুষকে বিড়ম্বিত করে আনন্দ পায়। গগন শ্রীবাস্তব সেই রকম। সাধারণ মানুষ, অধীনস্ত কর্মচারী, অফিসারকে মানুষ বলে মনে করে না। মনে করে সকলেই দ্রাবিড়, সে একা আর্যপুরুষ, সে জন্মেছেই তাদের শাসন করতে। সব কিছু অধিকার করতে।

    শ্রীবাস্তব তাকে দেখল পর্দার সরিয়ে, চাপা গলায় বলল, গুড বয়, খাড়া রহো মুজুমডার, দরোয়াজা বন্ধ করে দিচ্ছি। কোথাও যাবে না, চুপচাপ খাড়া রহো।

    ইয়েস স্যার।

    গুড বয়। বলে তার চেয়ে দশ-বারো বছরের কম বয়সী গগন শ্রীবাস্তব দরজা বন্ধ করল। মজুমদার কী করবে বুঝতে পারল না। তার ঘরে গিয়ে বসবে, নাকি দরজার কাছে থাকবে? নেশা হয়ে গেলে শ্রীবাস্তব কখনও হিংস্র হয়ে ওঠে, কখনও খুব নরম। আজ কী হবে তা জানে না মজুমদার। সে ওই ঘরে, আর ধূর্ত শ্রীবাস্তব যদি দরজা খুলে পরখ করে মজুমদার আছে কি না, তখন তো না পেলে সে মনে করবে, তার আদেশ অমান্য করেছে মজুমদার। শ্রীবাস্তব ভিজিটে গিয়ে পাবলিকের কাছে খোঁজ নেয় বিডিও কেমন, ঠিক কাজ করছে কিনা। সব ব্লকে তার পেটোয়া স্টাফ আছে, তারা খবর দেয়, তাদের কথা বিশ্বাস করে বিডিওকে হেনস্থা করে শ্রীবাস্তব। তবে সকলকে নয়। যেগুলি নরম প্রকৃতির, যেগুলি সৎ, তাদের। নেশার ঘোরে তাকে হেনস্থা করতে পারে শ্রীবাস্তব। তার কারণে সে সায়েবের কৃপা থেকে বঞ্চিত হতে পারে। তা হবে নিজের পায়ে নিজে কুড়ুল মারা। সে কী করছে তা জানবে কী করে আর সবাই। দাঁড়িয়েই থাকবে।

    মজুমদার দাঁড়িয়ে থাকল। তার শীত করে এল। ভয় করছিল। কিন্তু সে নড়ছিল না। শ্রীবাস্তব খুব রাগী তরুণ। তার কথায় না বলায় এক ডি-গ্রুপ কর্মচারীর গালে চড়। পাঁচ আঙুলের ছাপ পড়ে গিয়েছিল। তা নিয়ে কালেক্টরেটে গোলমাল হয়েছিল, কিন্তু তার কোনো দোষ পায়নি প্রশাসন। ক্ষমতার পাশে ক্ষমতাই থাকে। তা না হলে ক্ষমতাবান দুর্বল হয়ে পড়ে। সেই কর্মচারী বদলি হয়ে গিয়েছিল দূরের ব্লকে। সোশ্যাল ওয়েল-ফেয়ার অফিসার তানিয়া সেন নিজেই ছোটাছুটি করে বদলি নিয়ে চলে গেছে জেলার বাইরে। শ্রীবাস্তব তার গায়ে হাত দিতে গিয়েছিল। কালেক্টরেটে গুঞ্জন উঠেও থেমে গিয়েছিল।

    মজুমদার শুনতে পাচ্ছিল শীৎকার ধ্বনি। ভিতরে তখন শঙ্খ লেগেছে সাপ আর সাপিনীতে। ঝটপট আওয়াজ বেরিয়ে আসছিল সেগুন কাঠের দরজা ভেদ করে। চাপা কন্ঠস্বর, নারীকন্ঠের প্রবল-উল্লাস-ধ্বনি। পৌরুষের রোষ। পুরুষের রোষ মানে অশ্লীল শব্দ। আর সেই শব্দে কল্লোলিত হয়ে উঠছিল যুবতি। তার সুরেলা কন্ঠেও বেজে উঠছিল পালটা রোষ। মজুমদার বিবাহিত। মজুমদার একটি কন্যার পিতা। মজুমদারের যৌবন ফুরোয়নি। স্ত্রী ব্যতীত অন্য নারীর কথা সে ভাবেওনি কোনোদিন। ভাবতে ভয় করে। তার তখনও নিয়মিত স্ত্রী সংসর্গ হয়। কিন্তু ওভাবে হয় কি? সে তো এক আভ্যাসিক ক্রিয়া। ওভাবে যে হতে পারে তা সে জানল তখনই। সে বিস্মিত হয়ে কাঁপছিল। বড়ো সায়েব, ডি. এম-এর কথা মনে পড়ছিল। পাওয়ার, পাওয়ার ছাড়া জীবনকে এনজয় করা যায় না মজুমদার, শুনছ।

    ইয়েস স্যার।

    পাওয়ারকে কখনও ফিল করেছ?

    নো স্যার।

    পাওয়ারকে চিনতে হয়, সে যে চমকে দাঁড়ায় লুকিয়ে বেড়ায়, যায় না তারে ধরা, সোনার হরিণ, সে যে তোমার কাছে ধরা দিয়েছে তা বুঝতেই তোমর জীবন কেটে যাবে।

    ইয়েস স্যার।

    পাওয়ারকে ধরে রাখতে হয় মজুমদার।

    হ্যাঁ স্যার।

    তুমি কথা বলছ না কেন মজুমদার?

    বলছি তো।

    সায়েবের নেশা হলে তাকে পাওয়ারের কথা শোনায়। মজুমদারের মনে হচ্ছিল ক্ষমতার একটা রূপ সে দেখতে পাচ্ছে। বিমূর্ত ক্ষমতার আদল সে আন্দাজ করতে পারছে। ক্ষমতার নানা চেহারা, তার একটির কাছাকাছি হয়ে সে কাঁপছিল। বড়ো সায়েবও এই পাওয়ারকে চেনেনি। ক্ষমতার পৌরুষকে কেউ কোনোদিন ছুঁতেও পারবে বলে সন্দেহ হয়। মজুমদার নিজে তো নয়ই। তার বউটি ভয়ে উন্মাদিনী হয়ে যাবে, কেন্নোর মতো গুটিয়ে যাবে। ক্ষমতাবান ব্যতীত যৌনতাকে উপভোগ করবে কে? উপভোগ করার সাহস হবে কার? রতি রহস্যকেও জানা যায় পাওয়ার দিয়ে। পাওয়ার ব্যতীত যৌনতা ভিজে ব্লটিং। যৌনতা ক্ষমতার অধীন। কামদেব ক্ষমতাশালীর অনুগত। তার কাছেই নিজেকে সমর্পণ করেন। পৃথিবীতে যৌনতাই সেরা পণ্য। যৌনতাই ভোগের শ্রেষ্ঠ উপায়, তা টের পায় মজুমদার দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে। সময় গলে গলে পড়ে। ঘড়ির কাঁটা লম্বা হতে হতে বর্শার ফলা হয়ে যায়। মজুমদার দাঁড়িয়ে থাকে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleএখন মৃত্যুর ঘ্রাণ – অমর মিত্র
    Next Article স্বাধীন বঙ্গভূমি গঠনের পরিকল্পনা : প্রয়াস ও পরিণতি – অমলেন্দু দে

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }