Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মূলধারা ’৭১ – মঈদুল হাসান

    মঈদুল হাসান এক পাতা গল্প317 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অধ্যায় ১৪: সেপ্টেম্বর – অক্টোবর

    অধ্যায় ১৪: সেপ্টেম্বর – অক্টোবর

    সেপ্টেম্বরের শেষ নাগাদ মুক্তিসংগ্রামের রণনৈতিক নীতির আন্তর্জাতিক দিক অত্যন্ত আশাব্যঞ্জকভাবে সংগঠিত হয়ে উঠলেও এই নীতির জাতীয় দিক, তথা, মুক্তিযোদ্ধা এবং নিয়মিত বাহিনীর নিরবচ্ছিন্ন তৎপরতার মাধ্যমে দখলদার সৈন্যদের দুর্বল ও পরিশ্রান্ত করার লক্ষ্য তখনও অনায়ত্ত। সীমান্তে বাংলাদেশ নিয়মিত বাহিনী তখনও বিশেষ সক্রিয় নয়। আর জুলাইয়ের শেষ থেকে দেশের ভিতরে মুক্তিযোদ্ধাদের তৎপরতার যে অধোগতি শুরু হয়, তা রোধ করার মত রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক ব্যবস্থাদি গৃহীত হয়নি। দেশের ভিতরে রাজনৈতিক অবকাঠামো নির্মাণ, গেরিলা যুদ্ধের বিশদ পরিকল্পনা প্রণয়ন, সুনির্দিষ্ট কর্মসূচী গ্রহণ, কেন্দ্রীয় এবং স্থানীয় পর্যায়ের কমান্ডকাঠামো গঠন এবং নিয়মিত সরবরাহ ও যোগাযোগ সুনিশ্চিতকরণ ব্যতীত পরিস্থিতির উন্নতিসাধন যে অত্যন্ত দুরূহ, আগস্ট থেকেই তা সবিশেষ স্পষ্ট। অথচ মুক্তিবাহিনীর তৎপরতা ক্রমাগত বৃদ্ধির মাধ্যমে দখলদার সেনাদের ক্ষতিগ্রস্ত ও যুদ্ধ-পরিশ্রান্ত করে তোলা না গেলে কেবলমাত্র ভারতীয় বাহিনীর নিয়োগ বাংলাদেশের দ্রুত ও চূড়ান্ত বিজয়ের জন্য যথেষ্ট হত না।

    দখলদার সৈন্যদের পরাভূত করার ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধাদের ভূমিকা কতখানি গুরুত্বের ছিল তা ভারতের সামরিক পরিকল্পনার বিবর্তন থেকেও অনুধাবন করা সম্ভব। যে কোন কল্পিত বা সম্ভাব্য বহির্বিপদ মোকাবিলার জন্য পরিকল্পনা প্রণয়ন করা সব দেশের সামরিক বাহিনীর অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। পরিবর্তনমান আন্তর্জাতিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির আলোকে কল্পিত বিপদের হ্রাস বৃদ্ধি সঠিকভাবে পরিমাপ করা এবং তা মোকাবিলার জন্য প্রয়োজনীয় সকল সম্পদ সদ্ব্যবহারের চিন্তাই সামরিক পরিকল্পনার মুখ্য বিষয়। পরিস্থিতির পরিবর্তনের সাথে সাথে পরিকল্পনারও সময়োচিত পরিবর্তন করতে হয় বলে সামরিক পরিকল্পনা প্রণয়ন একটি নিরবচ্ছিন্ন প্রক্রিয়া। মার্চের শেষে আক্রান্ত মানুষের জন্য সীমান্ত উন্মুক্ত করার পর বিপুল সংখ্যক শরণার্থী ভারতে প্রবেশ শুরু করলে এর অন্তর্নিহিত সামরিক ঝুঁকি বিবেচনা করে মে মাস থেকেই ভারতের সামরিক কর্তৃপক্ষ পরিকল্পনা শুরু করেন। এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে ইন্দিরা গান্ধী তাজউদ্দিন আহমদকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে সহায়তার প্রতিশ্রুতি জ্ঞাপনের পর সঙ্গতভাবেই অনুমান করা যায় যে এই লক্ষ্য অর্জনও নির্মীয়মাণ ভারতীয় পরিকল্পনার অন্তর্ভুক্ত হয়।

    ‘পূর্ব পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা ক্ষমতা পশ্চিম পাকিস্তানে অবস্থিত’-এ রকম একটা সামরিক যুক্তি পাকিস্তানী শাসকেরা বরাবর প্রায়ই প্রচার করতেন। সম্ভবত এই কারণে ১৯৬৯ সালের আগে পূর্বাঞ্চলে মোতয়েন তাদের সৈন্য সংখ্যা ছিল অনুর্ধ এক ডিভিশন। এমনকি ১৯৬৫ সালে ভারতের সঙ্গে যুদ্ধ চলাকালেও এর ব্যতিক্রম ঘটেনি। ১৯৬৮-৬৯ সালে আইয়ুববিরোধী গণআন্দোলনের তীব্রতা দুষ্টে আভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার প্রশ্ন যখন হঠাৎ বড় হয়ে ওঠে, একমাত্র তখনই ঢাকার স্বতন্ত্র ‘কোর কমান্ড’ গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। অবশ্য কার্যক্ষেত্রে নবগঠিত ইস্টার্ন কমান্ডের জন্য ১৯৭১ সালের জানুয়ারী অবধি চার ব্রিগেডের মত সৈন্য (Division plus) মোতায়েন রাখা হয়। পূর্ব পাকিস্তান থেকে কোন আক্রমণের আশঙ্কা না থাকায় ভারতও বরাবরই এই এলাকায় প্রায় সমসংখ্যক সৈন্য মোতায়েন রাখত। এর কিছু মোতায়েন থাকত কোলকাতার নিরাপত্তার জন্য এবং ১৯৬২ সালের পর থেকে, বেশীরভাগই থাকত ঠাকুরগাঁও ও সিকিম-পশ্চিম ভুটানের মাঝখানের সঙ্কীর্ণ ভূখণ্ড প্রতিরক্ষার জন্য। ‘Siliguri Corridor’ নামে পরিচিত এই ভূখণ্ডের কাছে চীন খুব তাড়াতাড়ি সৈন্য সমাবেশ ঘটাতে সক্ষম। মাত্র ৩০ কিলোমিটার প্রশস্ত এই সঙ্কীর্ণ এলাকা পতনের ফলে আসামসহ পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে ভারতের প্রধান ভূখণ্ডের যোগাযোগ ছিন্ন হওয়ার আশঙ্কা বিদ্যমান থাকায় এর সামরিক গুরুত্ব বরাবরই বেশী। অবশ্য ১৯৭১ সালের মার্চে নক্সালপন্থী আন্দোলন দমন এবং সাধারণ নির্বাচনকালীন আভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার কাজে পশ্চিমবঙ্গে তিন ডিভিশন সৈন্য সর্বত্র ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশে বিস্তৃত করে রাখা হয়েছিল।

    আরও দেখুন
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বইয়ের
    ই-বই ডাউনলোড
    বাংলা লাইব্রেরী
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    অনলাইন বই
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    PDF

    পাকিস্তানের সামরিক আক্রমণের মুখে কেবল এপ্রিল ও মে এই দু’মাসেই যখন ৪৩ লক্ষ লোক ভারতে প্রবেশ করে, তখন মে-জুন মাসে দিল্লীর সামরিক সদর দফতরে Director of Military Operations লে. জেনারেল কে. কে. সিং-এর তত্ত্বাবধানে সামরিক পরিকল্পনা তৈরী শুরু হয়। এই পরিকল্পনা অনুযায়ী উপদ্রুত অঞ্চলে পাকিস্তানের তিন/চার ডিভিশন সৈন্যের বিরুদ্ধে ভারতের অন্যূন ছয়/সাত ডিভিশন সৈন্যের প্রয়োজন স্বীকৃত হয়, যদিও প্রচলিত হিসাব অনুযায়ী প্রতিরক্ষায় নিয়োজিত একজন সৈন্যের বিরুদ্ধে আক্রমণকারী সৈন্য সংখ্যা তিন হওয়া উচিত। স্পষ্টতই বাংলাদেশের বিদ্রোহজনিত পরিস্থিতি এবং বিদ্রোহী বাহিনীর সমর্থন বাবদ কিছু সুবিধা ভারতের অনুকূলে হিসাব করা হয়েছিল। কিন্তু ভারতের পক্ষে বাংলাদেশ সীমান্তে এই ছয়/সাত ডিভিশন সৈন্য জড়ো করার জন্য ভারতের পশ্চিম সীমান্ত থেকে কোন সৈন্য সরিয়ে আনার কোন উপায় ছিল না। সম্ভাব্য যুদ্ধে পাকিস্তান পশ্চিমাঞ্চলকেই যে প্রধান রণাঙ্গনে পরিণত করবে ভারতের এমন আশঙ্কা যুক্তিসঙ্গত ছিল। উত্তর সীমান্তে চীনের বিরুদ্ধে মোতায়েন ভারতের আটনিয় ডিভিশন সৈন্য থেকে বাংলাদেশের জন্য বাড়তি সৈন্যের প্রয়োজন মেটানো সম্ভব ছিল একমাত্র শীতকালে, যখন তুষারপাতে উত্তরের অধিকাংশ গিরিপথ বন্ধ হয়ে যায়। কাজেই পরবর্তী শীতকালের আগে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের জন্য প্রয়োজনীয় সৈন্য সংগ্রহ সম্ভব নয়, এই অনুমানের ভিত্তিতেই ভারতের সামরিক পরিকল্পনা গড়ে ওঠে। জুলাইয়ের প্রথমদিকে অর্থাৎ সোভিয়েট ইউনিয়নের সঙ্গে মৈত্রীচুক্তি স্বাক্ষরিত হবার প্রায় এক মাস আগে এই পরিকল্পনা প্রণয়ন সম্পন্ন হয় বলে জানা যায়।

    আরও দেখুন
    অনলাইন বুক
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা ই-বই
    বাংলা বই
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বিনামূল্যে বই
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা কবিতা
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা উপন্যাস অনলাইন

    সংক্ষেপে এই ভারতীয় রণপরিকল্পনার মূল কাঠামো ছিল: (ক) দক্ষিণে দুই প্রধান সমুদ্রবন্দরের প্রবেশ পথে নৌঅবরোধ সৃষ্টি করে পাকিস্তানের সমস্ত সরবরাহ বন্ধ করা এবং পাকিস্তানী সৈন্যদের পশ্চাদপসারণের পথ বন্ধ করে তাদের মধ্যে পশ্চিম পাকিস্তান থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার আতঙ্ক সৃষ্টি করা; (খ) বিমানবন্দর, বড় বড় সেতু, ফেরী সংযোগ পথ ইত্যাদি দখল/বিনষ্ট করে বিভিন্ন অঞ্চলে অবস্থানরত পাকিস্তানী সৈন্যদের একে অপর থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলা; (গ) বিভিন্ন যোগাযোগ কেন্দ্র দখল করে পাকিস্তানী সেনাবাহিনীকে সম্পূর্ণ যোগাযোগবিহীন করে আরও টুকরো টুকরো এবং নিষ্ক্রিয় করে ফেলা; এবং (ঘ) এই পন্থায় পাকিস্তানের অধিকাংশ সৈন্য পরাভূত করার পর ঢাকার উদ্দেশে দ্রুত অভিযান শুরু করা। ঢাকার দিকে দ্রুত অভিযান শুরুই ভারতীয় বাহিনীর মূল লক্ষ্য বলে বর্ণনা করা হলেও এই পরিকল্পনায় পরিষ্কারভাবে স্বীকার করা হয় যে, বরাদ্দকৃত তিন সপ্তাহের মধ্যে (অর্থাৎ বহিঃশক্তির হস্তক্ষেপের আশঙ্কা কার্যকর হওয়ার পূর্বেই) ঢাকাকে মুক্ত করা ভারতীয় ছয়/সাত ডিভিশন সৈন্যের পক্ষে সম্ভব নয়। কে, কে, সিং-এর অভিমত ছিল, যেহেতু এই সৈন্যবল ও সময়-সীমার মাঝে ঢাকা দখল ভারতীয় বাহিনীর সাধ্যের বাইরে, সেহেতু গোটা বাংলাদেশের পরিবর্তে এর বড় কিছু অংশ মুক্ত করার লক্ষ্যেই বরং তাদের সামরিক শক্তি পরিচালিত হওয়া উচিত।

    আরও দেখুন
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    গ্রন্থাগার
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বুক শেল্ফ
    সাহিত্য পত্রিকা
    অনলাইন বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স

    কে. কে. সিং-এর এই অভিমত অনুযায়ী ভারতের সৈন্য সমাবেশ ক্ষমতা এবং বাংলাদেশের বিজয় সুনিশ্চিত করার মধ্যে যে ব্যবধান (gap) ছিল, তা পূরণ করা সম্ভব হয় একমাত্র মুক্তিবাহিনীর সাহায্যেই। দেশের ভিতরে ও সীমান্তে মুক্তিবাহিনীর তৎপরতা ক্রমাগতভাবে বাড়িয়ে যদি দখলদার বাহিনীকে নানা উপায়ে বিঘ্নিত, ক্ষতিগ্রস্ত, এবং অবশেষে যুদ্ধপরিশ্রান্ত করে তোলা যায়, তবেই একমাত্র ভারতীয় বাহিনীর পক্ষে দ্রুত ও সর্বাত্মক বিজয়ের সম্ভাবনা উজ্জ্বল হতে পারে বলে অনুমান করা হয়। পাকিস্তানী অবস্থানকে দুর্বল করার লক্ষ্যে মুক্তিবাহিনীর তৎপরতা বৃদ্ধিই ছিল তাই মুক্তিযুদ্ধের রণনৈতিক আয়োজনের জাতীয় দিক। বাংলাদেশের বিজয় নিশ্চিত করার জন্য সমগ্র রণনৈতিক আয়োজনের আন্তর্জাতিক ও জাতীয় উভয় উপাদানই ছিল প্রায় সমান গুরুত্বপূর্ণ এবং একে অপরের পরিপূরক।

    সেপ্টেম্বর থেকে অস্ত্রশস্ত্র সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়া এবং প্রশিক্ষণ ব্যাপকতর হওয়ার ফলে মুক্তিযুদ্ধকে দ্রুত সম্প্রসারিত করার এক অসামান্য সুযোগ ঘটে। কিন্তু পূর্বে বর্ণিত উপদলীয় বিরোধ ও সংঘাতের ফলে সমগ্র রাজনৈতিক পরিস্থিতি এমন বিশৃঙ্খল হয়ে পড়ে যে, দেশের ভিতরে মুক্তিসংগ্রামের রাজনৈতিক অবকাঠামো নির্মাণ এবং মুক্তিযোদ্ধাদের পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য কমান্ডকাঠামো গঠনে সামান্য অগ্রগতিই সম্ভব হয়। মুক্তিযোদ্ধা রিক্রুটের ব্যাপারে রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা ও পেশাদারী মাপকাঠি গ্রহণের আবশ্যকতা উত্তরোত্তর স্বীকৃতি লাভ করলেও বাস্তবক্ষেত্রে অবস্থা প্রায় অপরিবর্তিত থাকে। কাজেই কোন কমান্ডব্যবস্থা ছাড়াই ভাল-মন্দ, সৎ-অসৎ, সক্ষম-অক্ষম সব মিলিয়েই তরুণ মুক্তিযোদ্ধাদের আয়তন দ্রুত স্ফীত হতে শুরু করে। এর ফলে এদের মধ্যে সামাজিক পুনর্গঠন এবং সামাজিক অরাজকতা উভয় ধরনের শক্তিরই পাশাপাশি বিকাশ ঘটতে থাকে। মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়োগের (induction) ব্যাপারে নিয়মিত বাহিনীর সেক্টর অধিনায়কদের দায়িত্ব ছিল মূলত আনুষ্ঠানিক। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেশে প্রবেশের পর মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে সেক্টর সংগঠনের যোগাযোগ হত ছিন্ন। অনেক ক্ষেত্রে অসংগঠিত ও প্রতিকূল অবস্থার মুখে অস্ত্রশস্ত্র ফেলে দিয়ে মুক্তিযোদ্ধারা তাদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বাড়ানোর চেষ্টা করত।

    আরও দেখুন
    Books
    বাংলা বই
    বুক শেল্ফ
    অনলাইন বুক
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বাংলা ই-বুক রিডার
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বাংলা ই-বই
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য

    জুন-জুলাই-আগস্টে অর্জিত অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশের পক্ষে এই উপলব্ধিতে আসা সম্ভব হয় যে, রাজনৈতিক অবকাঠামো, কমান্ডব্যবস্থা এবং তৎপরতার সুপরিকল্পিত কর্মসূচী ছাড়া মুক্তিযোদ্ধাদের সামান্য অংশকে, বড় জোর এক পঞ্চমাংশকে, আকাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে সদ্ব্যবহার করা যেতে পারে। সশস্ত্র তৎপরতার পক্ষে অনুপযোগী এই চার-পঞ্চমাংশের ক্ষতিকর প্রভাব যথাসম্ভব হ্রাস করার জন্য স্ক্রীনিং ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা প্রবর্তন করার পক্ষে অভিমত জোরদার হতে থাকে। কিন্তু সম্ভবত নিয়মিত বাহিনীর সম্প্রসারণ প্রভৃতি বিষয়ে ব্যস্ততার দরুন, বাংলাদেশের উর্ধতন সামরিক নেতৃত্বকে এই সব সমস্যার সমাধানে বিশেষ উদ্যোগী হতে দেখা যায়নি। বাংলাদেশের রাজনৈতিক নেতৃত্বের মধ্যে একমাত্র প্রধানমন্ত্রী যে চিন্তাভাবনা ও উদ্যোগ ছিল, তাও আওয়ামী লীগের আভ্যন্তরীণ বিরোধের ফলে সামান্যই কার্যকর হয়। ফলে সেপ্টেম্বর থেকে প্রতি মাসে কুড়ি হাজার করে নতুন মুক্তিযোদ্ধা ট্রেনিংয়ের বিষয়ে বাংলাদেশ নেতৃত্ব উৎসাহ প্রকাশ করলেও কার্যক্ষেত্রে এদেরকে সদ্ব্যবহার করার আয়োজন অসংগঠিত থাকে।

    অথচ অন্যদিকে ভারত যখন উত্তরোত্তর এই সিদ্ধান্তে পৌঁছায় যে সামরিক ব্যবস্থা গ্রহণ ভিন্ন শরণার্থী সমস্যার কোন সত্যিকারের সমাধান নেই, তখন ভারতের পরিবর্তনমান সমর পরিকল্পনার প্রয়োজন অনুসারে মুক্তিযোদ্ধাদের সামরিক গুরুত্ব বৃদ্ধি পায়। তদনুসারে অস্ত্র সরবরাহের ক্ষেত্রে তাদের পূর্বেকার দ্বিধা-দ্বন্দ্ব দূর হয়, প্রশিক্ষণ ও অস্ত্র সরবরাহ দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং বাংলাদেশ সেক্টর কমান্ডারদের মাধ্যমে নতুন মুক্তিযোদ্ধাদের দেশে পাঠানো শুরু হয়। দেশের ভিতরে মুক্তিযুদ্ধের উপযোগী কোন রাজনৈতিক সংগঠন থাকুক অথবা না-ই থাকুক, মুক্তিযোদ্ধাদের পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত করার মত কোন কমান্ডব্যবস্থা তৈরী হোক বা না-ই হোক, সে সবের প্রতি দৃকপাত না করে কেবল মুক্তিযোদ্ধাদের সংখ্যাবৃদ্ধির উপরেই জোর দেওয়া হয়। এর ফলাফল সর্বত্র শুভ হয়নি।

    আরও দেখুন
    গ্রন্থাগার
    নতুন বই
    নতুন উপন্যাস
    বই
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা বই
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ

    শক্তিক্ষয় ও দখলদার সৈন্যদের যুদ্ধ-পরিশ্রান্ত করার জন্য মুক্তিযোদ্ধাদের সংখ্যাবৃদ্ধির প্রয়োজন নিশ্চয়ই ছিল। কিন্তু যথোপযুক্ত রিক্রুটমেন্ট, ট্রেনিং, পরিকল্পনা ও কমান্ডব্যবস্থার অধীনে অল্প

    সংখ্যক মুক্তিযোদ্ধার দ্বারা যে কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব ছিল, বাস্তব ক্ষেত্রে একই ফল সঞ্চারের জন্য তার চাইতে অনেক বেশী মুক্তিযোদ্ধা নিয়োগ করতে হয়; কেননা রিক্রুটমেন্ট থেকে কমান্ড গঠন পর্যন্ত সর্ববিষয়েই অসন্তোষজনক অবস্থা বিরাজ করতে থাকে। মুক্তিযোদ্ধাদের সংখ্যাবৃদ্ধির মাধ্যমে পাক সৈন্যদের দুর্বল ও পরিশ্রান্ত করে চূড়ান্ত বিজয়ের পথ প্রশস্ত করা হয় বটে, কিন্তু এর ফলে প্রত্যাশিত স্বাধীনতার পর সামাজিক অস্থিরতার শক্তিও প্রবল হয়ে ওঠে। অতিশয় সীমিত সময়ের মধ্যে ফলোৎপাদনে বাধ্য কোন পেশাদার সামরিক নেতৃত্বের পক্ষে সামাজিক ভারসাম্যের এইসব সূক্ষ্ম যুক্তির প্রতি সংবেদনশীল হওয়ার মত কোন অবকাশ ছিল না।

    একই সময়ে শত্রুকে শ্রান্ত করার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ নিয়মিত বাহিনীকেও সীমান্তসংঘর্ষে সক্রিয় করে তোলার প্রচেষ্টা চলতে থাকে। জুন-জুলাইয়ের অভিজ্ঞতা অনুযায়ী, দেশের ভিতরে সশস্ত্র তৎপরতার পাশাপাশি সীমান্ত সংঘর্ষ শুরু করার প্রচেষ্টা চলে, যাতে (১) ভিতরে মুক্তিযোদ্ধাদের সুবিধা হয়; এবং (২) পাকিস্তানী বাহিনী দীর্ঘ সীমান্ত বরাবর বিস্তৃত হয়ে পড়ার ফলে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশে বিভক্ত ও দুর্বল হয়ে পড়ে। আসন্ন শীতকালে বৃহত্তর অভিযানের চিন্তা সম্মুখে রেখে, পাকিস্তানকে এমনি খণ্ড খণ্ডভাবে সীমান্ত বরাবর বিস্তৃত করার জন্য সীমান্ত সংঘর্ষকে ক্রমান্বয়ে বাড়িয়ে তোলার প্রয়োজন দেখা দেয়। কিন্তু পূর্ব আলোচিত কারণে বাংলাদেশে সেক্টর অধিনায়কদের তৎপরতার মান প্রধান সেনাপতি ওসমানীরও গভীর নৈরাশ্যের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

    আরও দেখুন
    ই-বই ডাউনলোড
    বাংলা ভাষা
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বুক শেল্ফ
    বাংলা কবিতা
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার

    সেক্টর অধিনায়কদের মধ্যে যারা সীমান্তে পাকিস্তানী অবস্থানের বিরুদ্ধে তৎপরতা চালানোর পক্ষে উদ্যোগী ছিলেন, তারাও এমন কিছু মৌলিক সমস্যার সম্মুখীন হন যেগুলির কোন সমাধান তাদের জানা ছিল না। যেমন, নিয়মিত বাহিনীকে প্রায় শেষ অবধি ভারতের ভূখণ্ড থেকেই তৎপরতা চালাতে হয়; তা ছাড়া, নিয়মিত বাহিনীর নিজস্ব কোন সরবরাহ ও পরিবহন ব্যবস্থা (Logistics) না থাকায় এবং আক্রমণের ক্ষেত্রে অনেক সময় গোলন্দাজ সহায়তা অত্যাবশ্যক বিবেচিত হওয়ায়, সীমান্ত তৎপরতার জন্য অনেক সময়েই তাদেরকে ভারতের সহযোগিতার উপর নির্ভর করতে হত। এ ব্যাপারে ভারতের সহযোগিতার যে অভাব ঘটত তা নয়, কিন্তু তা পাওয়া যেত ভারতীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক তাদের নিজস্ব ভূখণ্ডের নিরাপত্তা, তাদের জনপদ ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানের উপর পাকিস্তানী গোলন্দাজ প্রতি-আক্রমণের ঝুঁকি বিবেচনা করার পর। এতেও হয়ত অসুবিধা হত না, যদি কোন নির্দিষ্ট স্থানে তৎপরতা চালাবার প্রয়োজন এবং প্রতি-আক্রমণের ঝুঁকি সম্পর্কে বাংলাদেশ সেক্টর ইউনিট ও ভারতীয় ফরমেশনের পর্যায়ে মিলিত আলাপ-আলোচনার ভিত্তিতে সিদ্ধান্তে আসার কোন নিয়মিত ব্যবস্থা থাকত।

    বস্তুত আগস্ট অবধি বিডিএফ (Bangladesh Forces) সদর দফতর সীমান্ত তৎপরতার বিষয়ে সেক্টর বাহিনীকে সাধারণত কোন নির্দিষ্ট নির্দেশ দিতেন না। সীমান্ত তৎপরতা কার্যত সেক্টর অধিনায়কদের পরিকল্পনা ও উদ্যোগের উপরেই ছেড়ে দেওয়া হয়। ঐ সময় অবধি সেক্টর তৎপরতা ক্রমাগত হ্রাস পেয়ে প্রায় শূন্যের কোঠায় দাঁড়ায়। জুলাইয়ের শেষ দিকে ভারতের ‘ইস্টার্ন কমান্ড’-এর ডিরেক্টর’অপারেশনস-এর দায়িত্ব নেওয়ার পর মেজর জেনারেল বি. এন. সরকার বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধকে সাহায্য করার জন্য বিশেষভাবে নিযুক্ত হন। মুক্তিযুদ্ধের অপারেশন পরিকল্পনায় বিরাজমান শূন্যতা দুষ্টে তিনি আগস্টের শেষ দিক থেকে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনাক্রমে প্রত্যেক মাসের জন্য তৎপরতা-টার্গেটের তালিকা তৈরী করতেন এবং প্রস্তাবাকারে তার এক কপি পাঠাতেন ওসমানীর মাধ্যমে সেক্টর অধিনায়কদের কাছে এবং অন্য কপি ভারতের সংশ্লিষ্ট ফরমেশন কমান্ডারদের কাছে। উদ্দেশ্য ছিল এগুলি বাস্তবায়নের জন্য বিভিন্ন সেক্টরকে আগ্রহী করে তোলা এবং এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদানের জন্য ভারতীয় ফরমেশন কমান্ডারদের অবহিত রাখা। আগস্ট থেকে শুরু করে পরবর্তী প্রতি মাসের টার্গেট পরিকল্পনার কাজ অক্টোবর পর্যন্ত অব্যাহত থাকে। প্রস্তাবিত এই সব তৎপরতার টার্গেটকে যথাযথ আক্রমণ পরিকল্পনায় পরিণত করার দায়িত্ব ছিল বাংলাদেশ সেক্টর নেতৃত্বের এবং অনুমান করা হত এ ব্যাপারে ভারতীয় ফরমেশন নেতৃত্বের সহযোগিতা পাওয়া সম্ভব। কিন্তু কার্যক্ষেত্রে, বিশেষত সেপ্টেম্বরে, ভারতীয় সহযোগিতার ভিত্তিতে বিস্তারিত পরিকল্পনা প্রণয়নের পক্ষে সেক্টর অধিনায়কদের প্রতি না-ছিল বাংলাদেশ হেডকোয়ার্টারের কোন সুস্পষ্ট নির্দেশ, না-ছিল অনুকূল আবহাওয়া।

    আরও দেখুন
    বাংলা সাহিত্য
    Library
    সাহিত্য পত্রিকা
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা কবিতা
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ

    প্রায় আগস্ট পর্যন্ত অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ ও সরবরাহের ক্ষেত্রে ভারতের কৃচ্ছতা এবং এর পাশাপাশি বাংলাদেশকে স্বীকৃতিদানে গড়িমসির ফলে ভারতের প্রকৃত মনোভাব সম্পর্কে বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীর অনেকের মধ্যে সন্দেহ ও অবিশ্বাস ভালভাবেই দানা বেঁধেছে। তা ছাড়া দীর্ঘদিন পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর অধীনস্থ থাকার কালে ভারত সম্পর্কে যে মতবাদ বদ্ধমূল হয়ে তোলা হয়েছিল (indoctrination), অনেকের মধ্যে তাও পুনরুজ্জীবিত হয়ে ওঠে। পক্ষান্তরে, ভারতীয় ফরমেশনের অপেক্ষাকৃত পদস্থ অফিসারদের মধ্যে কারো কারো পদমর্যাদা-সচেতন পেশাদারী আচরণ, বিদ্রোহী তরুণ অফিসারদের আবেগপূর্ণ মানসিকতা উপলব্ধিতে অক্ষমতা, উর্দু ভাষার উপর বীতশ্রদ্ধ বাংলাদেশ সৈন্যদের সঙ্গে যথেচ্ছ হিন্দী ভাষা ব্যবহার ইত্যাকার আচরণ এবং অক্ষমতায় সম্পর্কের আবহাওয়াকে আরও খারাপ করে তোলে। এইরূপ আবহাওয়ার মাঝে এবং বিডিএফ সদর দফতরের সুস্পষ্ট নির্দেশের অনুপস্থিতিতে সেক্টর-নেতৃত্ব ভারতীয় ফরমেশনের সঙ্গে যথোপযুক্ত আলোচনা না করেই কিছু কিছু আক্রমণ পরিচালনা করতে থাকে। ফলে সেপ্টেম্বরে বিশেষত পূর্বাঞ্চল ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে নিয়মিত বাহিনী যেখানে সক্রিয় ছিল, সেখান থেকে তাদের তৎপরতা সম্পর্কে সাফল্য অপেক্ষা ক্ষয়ক্ষতি বিপর্যয়ের সংবাদই বেশী আসতে থাকে।

    আরও দেখুন
    বাংলা উপন্যাস অনলাইন
    বিনামূল্যে বই
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    গ্রন্থাগার
    ই-বই ডাউনলোড
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা ই-বই
    বাংলা কবিতা
    বাংলা সাহিত্য কোর্স

    ৮ থেকে ১৮ই সেপ্টেম্বরে এই সব অঞ্চল সফর করার পর বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য সচিব ড. টি. হোসেন এ সম্পর্কে যে সংক্ষিপ্ত অথচ বাস্তবধর্মী রিপোর্ট মন্ত্রিসভার কাছে পেশ করেন এ প্রসঙ্গে তা উদ্ধৃতির যোগ্য:

    “I have witnessed two operations, one at Baranpunji and one at Balat. The complains are the same. Our boys were not given adequate artillery cover. Indian artillery is inferior (if the range of Pak artillery is 5 miles, Indian artillery goes upto 3 miles). I do not know how far this is true but the complains were uniform everywhere. The Indian sides were found unprepared both at Baranpunji, where Pak army actually entered Indian territory and encircled our boys 3 miles inside, and at balas. Indian response was late by 24 hours.

    “At Melaghar our casualty is enormous and mostly due to inadequate supply of ammunition.

    আরও দেখুন
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বাংলা উপন্যাস
    Books
    সেবা প্রকাশনীর বই
    গ্রন্থাগার
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বই
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য

    “The borders are effectively sealed by Pak army. A few miles of liberated areas are being recaptured particularly along Balas to Bassara borders.

    “I ventured to enquire from the Indian side. They said our boys entered without planning and information to their counterpart, so they were not ready for the offensive.

    “Any way these problems are to be sorted out at local levels to make them consistent with higher level agreement before any optimism is indulged in our reliance on our host.”

    সেপ্টেম্বর-অক্টোবর দেশরক্ষা মন্ত্রী তাজউদ্দিন মুক্তিযোদ্ধাদের তৎপরতার রাজনৈতিক দিক নিয়ে মেজর জেনারেল সরকারের সঙ্গে মতবিনিময়ের উদ্দেশ্যে মাঝে মাঝে আমাকে নিযুক্ত করতেন। এই সুবাদে সেই সময় নিয়মিত বাহিনীর ক্ষয়ক্ষতি ও বিপর্যয়ের সংবাদ আসার পর এগুলির পুনরাবৃত্তি রোধ করার উপায় উদ্ভাবনের যে চিন্তাভাবনা ও আলোচনা চলতে থাকে, সে সম্পর্কে মোটামুটিভাবে অবহিত থাকতাম। সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে এবং অক্টোবরের প্রথম দিকে এই চিন্তাভাবনা ও পরিস্থিতি পর্যালোচনা থেকে দুটো উপলব্ধি মুখ্য হয়ে ওঠে। প্রথমত, নিয়মিত বাহিনী যদিও বাংলাদেশ কমান্ডের অধীন, তবু যে সব অঞ্চল থেকে সশস্ত্র তৎপরতা চালানো হত সেই সব অঞ্চল ভারতীয় ভূখণ্ড বিধায় পাকিস্তানী পাল্টা আক্রমণের ঝুঁকি ছিল মুখ্যত ভারতেরই। তা ছাড়া এই সব তৎপরতার সফল পরিচালনার জন্য ভারতের অন্যবিধ সহযোগিতারও প্রয়োজন ছিল। কাজেই তৎপরতার স্থান নির্বাচন ছাড়াও এর সাফল্যের জন্য উভয় পক্ষের স্থানীয় ইউনিটের মিলিত পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি গ্রহণ করা একান্ত আবশ্যক ছিল। কিন্তু অক্টোবরে এই যুগ্ম-পরিকল্পনার ক্ষেত্রে অবস্থার কিছু উন্নতি ঘটার পরেও যখন কয়েকটি তৎপরতা ব্যর্থ হয়, তখন এই ব্যর্থতার জন্য পরস্পরের প্রতি দোষারোপের চেষ্টা ক্রমান্বয়ে তিক্ত আকার ধারণ করে। এর ফলে দ্বিতীয় উপলব্ধিও ক্রমশ অত্যন্ত জোরাল হয়ে ওঠে: কোন তৎপরতায় যেখানে একাধিক স্বতন্ত্র বাহিনীকে একযোগে কাজ করতে হয়, সেখানে দ্বৈত কমান্ডের উপস্থিতি ব্যর্থতার পথকেই কেবল প্রশস্ত করে। সামরিক অভিযানের ক্ষেত্রে দায়িত্ব সুনির্দিষ্ট ও অবিভাজ্য। এই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই প্রথম মহাযুদ্ধকালে মিত্র দেশগুলির মধ্যে সম্মিলিত কমান্ডব্যবস্থার উদ্ভব ঘটেছিল। খুব সীমিত পরিসরে হলেও সীমান্ত তৎপরতা পরিচালনার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সেক্টর ও ভারতীয় ফরমেশনের যুগ্ম-কমান্ড গঠনের আবশ্যকতা অত্যন্ত জরুরী হয়ে ওঠে।

    আরও দেখুন
    বাংলা ভাষা
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা কমিকস
    অনলাইন বুক
    অনলাইন বই
    বাংলা কবিতা
    সেবা প্রকাশনীর বই
    গ্রন্থাগার সেবা
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ

    কিন্তু এই প্রশ্নে ওসমানীকে সম্মত করাতে তাজউদ্দিনকে অত্যন্ত বেগ পেতে হয়। ওসমানীর তীব্র বিরোধিতাকে অতিক্রম করে অক্টোবরের শেষ দিকে সীমান্ত যুদ্ধের জন্য অবশেষে যখন যুগ্ম-কমান্ড গঠিত হয়, তখন রণক্ষেত্রের বাস্তব পরিস্থিতি ভিন্ন রূপ ধারণ করে এবং ফলে যুগ্ম কমান্ড গঠনের মূল উদ্দেশ্যও অনেকাংশে অর্থহীন হয়ে পড়ে। প্রথমত, জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বাধীন প্রথম ব্রিগেড কার্যকরভাবে ব্যবহৃত না হওয়ায় এবং নিকট ভবিষ্যতে কার্যকরভাবে ব্যবহৃত হওয়ার সম্ভাবনা না-থাকায় প্রধান সেনাপতি ওসমানী তাঁর নতুন ‘Ops plan’ অনুযায়ী সিলেটের চা বাগানে এই ব্রিগেডকে কোম্পানী/ পেটুন গ্রুপে ভাগ করে গেরিলা তৎপরতা চালাবার জন্য নিয়োগ করেন। ফলে তিনটি পুরাতন ব্যাটালিয়ানের বড় অংশই সীমান্ত যুদ্ধ থেকে বাদ পড়ে। দ্বিতীয়ত, সেপ্টেম্বরের শেষে ইন্দিরা গান্ধীর সাফল্যজনক মস্কো সফরের পর ভারতীয় ইস্টার্ন কমান্ড’কে যখন জানান হয় যে অতঃপর ভারতীয় বাহিনীকে কেবলমাত্র অবস্থান-অঞ্চল’ গঠনের লক্ষ্যে আবদ্ধ রাখার প্রয়োজন নেই, তখন বৃহত্তর ভূমিকার প্রস্তুতি হিসাবে অক্টোবরের মাঝামাঝি থেকে ভারতীয় বাহিনী নিজেরাই পাকিস্তানী অবস্থানের বিরুদ্ধে সীমান্ত সংঘর্ষে মুখ্য ভূমিকা গ্রহণ করতে শুরু করে প্রথমে ব্যাটালিয়ান পর্যায়ে, পরে ব্রিগেড পর্যায়ে। ফলে তাদের কাছে বাংলাদেশের সেক্টর ইউনিটের গুরুত্ব দ্রুত হ্রাস পেতে শুরু করে।

    আরও দেখুন
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    সেবা প্রকাশনীর বই
    গ্রন্থাগার সেবা
    Books
    বাংলা গল্প
    সাহিত্য পত্রিকা
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ

    পাশাপাশি, পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে ভারতের অংশগ্রহণের সম্ভাবনা বেড়ে ওঠায়, মুক্তিযোদ্ধাদের তৎপরতা দ্রুত বৃদ্ধি করে পাকিস্তানী বাহিনীকে যুদ্ধ-পরিশ্রান্ত করে তোলার জন্য ভারতীয় পক্ষের আগ্রহ অক্টোবর নাগাদ গভীরতর হয়। ওসমানী তাঁর পরিবর্তিত ‘Ops plan’ অনুযায়ী নিয়মিত বাহিনীর একাংশকে ‘গেরিলা যুদ্ধে’ দেশের অভ্যন্তরে প্রেরণ করার ফলে মুক্তিযোদ্ধাদের তৎপরতা বৃদ্ধির ব্যাপারে ভারতীয় আগ্রহ সাহায্যপ্রাপ্ত হয়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপিতা ও পুত্র – ভেরা পানোভা
    Next Article প্রতিনায়ক : সিরাজুল আলম খান – মহিউদ্দিন আহমদ
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }