Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মৃণ্ময়ীর মন ভালো নেই – হুমায়ূন আহমেদ

    হুমায়ূন আহমেদ এক পাতা গল্প118 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৩. মৃন্ময়ীর দাদা আলিমুর রহমান

    মৃন্ময়ীর দাদা আলিমুর রহমান শাদা হাফ পেন্ট পরে খালি গায়ে নিমগাছের নিচে উবু হয়ে বসে আছেন। গায়ে নিমের বাতাস লাগানোর ব্যবস্থা। কবিরাজ এই বিধান দিয়েছে। কবিরাজের নাম বিজয়কালী ঠাকুর বেদান্ত শাস্ত্রী। আলিমুর রহমানের হযমের সমস্যা কিছুই খেতে পারেন না।

    সকালে এক ঘণ্টা নিমের বাতাস। দুপুরে চায়ের চামুচে এক চামচ নিমপাতা পিসা রস। রাতে ঘুমুতে যাবার আগে নিমগাছের ছাল ভেজানো পানি। এই চিকিৎসার নাম মহানিম চিকিৎসা। চিকিৎসা সাতদিন চলবে। সাতদিন পর অন্য বিধান। আজ চিকিৎসার চতুর্থ দিন।

    আলিমুর রহমান দূর থেকে মৃন্ময়ীকে দেখলেন। তার মেজাজ ভয়ংকর খারাপ ছিল। মেজাজ ঠিক হতে শুরু করল। তিনি আশেপাশে তাকালেন। কাউকে দেখা যাচ্ছে না। মেয়েটা এসে বসবে কোথায়? মাটিতে নিশ্চয়ই বসবে না? তার মেজাজ আবারো খানিকটা খারাপ হলো। সাভারের তার এই খামার বাড়িতে খুব কম করে হলেও পনেরোজন লোক। আশে পাশে কেউ নেই এটা কেমন কথা?

    ম্যানেজারকে এখন অবশ্যি দেখা যাচ্ছে। শীতল পাটি হাতে দৌড়ে আসছে। আলিমুর রহমানের মেজাজ ঠিক হলো। পুরোপুরি না, তবে কাজ চলাবার মতো।

    মৃন্ময়ী বলল, দাদাজান দূর থেকে তোমাকে দেখে মনে হচ্ছিল ধবধবে শাদা একটা ব্যাঙ লাফ দেওয়ার জন্যে বসে আছে। ব্যাঙটার সামনে পুকুর। সে লাফ দিয়ে পুকুরে পরবে।

    আলিমুর রহমান বললেন, পরীক্ষা শেষ নাকি?

    ফার্স্ট পেপার শেষ। তিন দিনের গ্যাপ আছে। তোমাকে দেখতে এসেছি। দাদাজান আমি রাতে কিন্তু থাকব।

    থাকতে চাইলে থাকবি। এত বলাবলির কি আছে।

    ঢাকায় লোক পাঠিয়ে আমার বইখাতা আনিয়ে দাও। বই ছাড়া চলে এসেছি। রাতে থাকব এ রকম চিন্তা করে তো আসি নি।

    হঠাৎ চিন্তাটা করলি কেন?

    তোমাকে একা একা বসে থাকতে দেখে মায়া লাগল। তখনই ঠিক করলাম রাতে থাকব। তোমার সঙ্গে গল্প করব।

    গল্প করলে পড়বি কখন?

    এক রাত না পড়লেও হবে।

    বইখাতা আনতে লোক পাঠাতে হবে না?

    না।

    মৃন্ময়ী পাটিতে বসেছে। সে দাদাজানের দিকে তাকিয়ে বলল, পাটিতে এসে বসো। আমি তোমার পিঠ ডলে দিব।

    আলিমুর রহমান পাঠিতে উঠে এলেন। এখন তার মেজাজ সর্বোচ্চ ভালো স্তরে।

    নিম চিকিৎসা চলছে দাদাজান?

    হুঁ।

    আজকে ফোর্থ ডে না?

    হ্যাঁ।

    আলিমুর রহমান খুবই অবাক হলেন মেয়েটা মনে রেখেছে। আজকালকার ছেলেমেয়েরা তো কোনো কিছুই মনে রাখে না। তিনি মৃন্ময়ীকে একবার শুধু টেলিফোনে বলেছিলেন শুক্রবার থেকে নিম চিকিৎসা।

    আলিমুর রহমান বললেন, গাধাটা আছে কেমন?

    বাবার কথা বলছ?

    গাধা তো ঐ একটাই।

    বাবা ভালো আছে।

    গাধার স্ত্রী আছে কেমন?

    মাও ভালো।

    এখনও ঘর অন্ধকার করে বসে থাকে?

    হুঁ। দাদাজান তোমার ম্যানেজারকে তেল আনতে বল। তোমার পিঠে তেল দিয়ে দেব।

    বাদ দে।

    বাদ দেব কেন? ম্যানেজারকে ডাক। আমি কফি খাব। কফির নতুন কৌটা কিনেছ, নাকি ছাতা-পড়া ঐটাই আছে।

    আলিমুর রহমান তৃপ্তির সঙ্গে বললেন, তুই যা-ই চাবি তা-ই পাবি। প্রয়োজনে কফির বাগান কিনব। তবে তোর গাধা-বাবাকে একটা শিক্ষা আমি দিব। কঠিন শিক্ষা। বাবাজী টাইপ শিক্ষা।

    সেটা কেমন?

    শিক্ষা শেষ হলে শুধু বাবাজী বাবাজী করবে। এর নাম বাবাজী শিক্ষা।

    বাবা কি নতুন কিছু করেছে?

    আমার কাছে নোট পাঠিয়েছে। ইংরেজি নোট তার নাকি কিছু টাকার প্রয়োজন।

    তুমি কি করেছ, টাকা পাঠিয়েছ?

    আমি নোটের জবাবে নোট দিয়েছি। চিঠিপত্র চালাচালি হচ্ছে। কি লিখেছি তোকে পড়ে শুনাই। ম্যানেজার গাধাটা আবার গেল কোথায়?

    দাদাজান তুমি কি সবাইকে গাধা ডাক নাকি?

    সবাইকে ডাকি না। তোর বাবাকে ডাকি আর ম্যানেজারটাকে ডাকি। দুজনই একই লেভেলের গাধা। এক্সপোর্ট কোয়ালিটি। দেশে রাখার জিনিস না। বিদেশে পাঠিয়ে দেবার জিনিস।

    মৃন্ময়ী কফি খাচ্ছে। তার মুখ হাসি হাসি। আলিমুর রহমান নাতনীকে চিঠি পড়ে শুনাচ্ছেন।

    শাহেদুর রহমান
    ১১৫ বারিধারা

    বিষয় : ১৬–৭–২০০৫ এ প্রেরিত ইংরেজিনোটের জবাবে

    গাধা পুত্র

    তোমার ইংরেজি পত্র পাইয়াছি। পত্রের জবাব এই যে তোমাকে আর কিছুই দেওয়া হইবে না। দশ টাকার ছেঁড়া স্কচ টেপ লাগানো নোটও না। তুমি যে চারতলা বাড়িতে বাস করিতেছ সেই বাড়ি আমার নামে। এক মাসের ভিতর তুমি বাড়ি খালি করিয়া দিবে। তোমার মতো অপদার্থ ষাড়ের গোবরকে টাকা নামক অক্সিজেন সাপ্লাই করিবার কোনো প্রয়োজন আমি বোধ করিতেছি না। আমি বাংলাদেশ অক্সিজেন লিমিটেড কোম্পানী না। তুমি গর্ধব কুলেরও কলঙ্ক।

    ইতি
    তোমার পিতা
    আলিমুর রহমান

    চিঠি শেষ করে আলিমুর রহমান বললেন, মুসাবিদা কেমন দেখলি?

    মৃন্ময়ী বলল, সত্যিই এই চিঠি পাঠিয়েছ?

    আলিমুর রহমান বললেন, অবশ্যই। প্রথম চিঠির পর দ্বিতীয় চিঠি গেছে, তৃতীয় চিঠি গেছে।

    দেখি দ্বিতীয় তৃতীয়তে কী লিখেছ?

    ঐ চিঠিগুলোতে শুধুই গালাগালি। মুখে গালি দিতে পারছি না বলে চিঠিতে গালি। গালাগালি পড়তে পারব না। তুই পড়ে নে।

    মৃন্ময়ীর মুখভর্তি হাসি। সে আগ্রহ নিয়ে চিঠি পড়ছে। আলিমুর রহমান নাতনীর মুখের দিকে তাকিয়ে আছেন। চিঠি পড়তে পড়তে একেকবার এই মেয়েটা খিলখিল করে হেসে উঠছে। কী সুন্দর দৃশ্য! আলিমুর রহমানের মনে হলো আরো কয়েকটা চিঠি থাকলে ভালো হতো।

    (দ্বিতীয় চিঠি)

    গাধপুত্র

    অক্সিজেনের অভাব বোধ করিতেছ? শুধু অক্সিজেন বন্ধ করিয়া তোমাকে শায়েস্তা করা যাইবে না। তোমার নাক দিয়া কার্বনডাই-অক্সাইড ঢুকাইতে হইবে। তবে যদি তুমি শায়েস্তা হও।

    ইতি
    তোমার পিতা
    শায়েস্তা খান
    (আলিমুর রহমান)

    (তৃতীয় চিঠি)

    শাহেদুর রহমান
    বারিধারা

    বিষয়: তোমার অবস্থান বিষয়ক!

    তুই গাধা। তুই গাধা? তুই গাধা। তুই গাধা। তুই গাধা। তুই গাধা। তুই গাধা! তুই গাধা। তুই গাধা? তুই গাধা। তুই গাধা। তুই গাধা।

    ইতি
    তোমার পিতা
    শায়েস্তা খান
    (তোমাকে শায়েস্তা করা হইবে)

    মৃন্ময়ী বলল, তোমার চিঠি পড়ে খুবই মজা পেয়েছি। তবে এই চিঠিতে কাজ হবে না। বাবাও চিঠি পড়ে মজা পাবে। শায়েস্তা হবে না।

    আলিমুর রহমান বলবেন, আমার মাথায় আরো প্ল্যান আছে। চিন্তা করছি। তোমার বাবা নাকি এখন ছবি আঁকা ধরেছে?

    হুঁ। তার একজন টিচার আছে। জহির নাম। সপ্তাহে তিন দিন এসে ছবি আঁকা শিখাবে।

    তোর বাবা তাহলে পিকাসো হয়ে যাচ্ছে? মহান বাংলাদেশি পিকাসো। পিকাসোর মাথায় তো চুল ছিল না। নাপিত ডেকে তোর বাবার মাথাটা কামিয়ে দে না।

    দাদাজান বাবা প্রসঙ্গ বাদ থাকুক। আমি বাবাকে নিয়ে তোমার সঙ্গে আলাপ করতে আসি নি। তোমার সঙ্গে গল্প করতে এসেছি।

    দুপুরে কী খাবি?

    তুমি যা খাওয়াবে তা-ই খাব।

    পুকুর থেকে নিজের হাতে মাছ ধরে দেই?

    দাও।

    আলিমুর রহমানের পুকুর পুরানো জমিদার বাড়ির পুকুরের মতোই বিশাল।

     

    তিন ঘাটের পুকুর। বরশি ফেলার জন্যে আলাদা মাচা করা আছে। মাথার উপর খড়ের চালা, যেন মাছ মারার সময় মাথায় রোদ না লাগে।

    বিপুল আয়োজনে আলিমুর রহমান মাছ মারতে বসেছেন। পাশেই পাটি পেতে শুয়ে আছে মৃন্ময়ী। মৃন্ময়ীর হাতে একটা বই। বইটার নাম The Chariots of Hone. সায়েন্স ফিকশান।

    মৃন্ময়ীর প্রচুর গল্পের বই, গানের সিডি, ছবির ভিসিডি, দাদাজানের খামার বাড়িতে রাখা।

    মৃন্ময়ী বলল, দাদাজান আমি যদি গান শুনতে শুনতে বই পড়ি তোমার মাছ মারায় অসুবিধা হবে?

    না। গানের যন্ত্র এনেছিস?

    নিয়ে আসব।

    ম্যানেজারকে বলে দেই, সে নিয়ে আসুক।

    উনি কোন গান আনতে হবে বুঝবেন না। দাদাজান তুমি গান পছন্দ কর না?

    না।

    বই পড়তে পছন্দ কর?

    না।

    ছবি দেখতেও পছন্দ কর না?

    না।

    পছন্দ না করলেও আজ রাতে তোমাকে নিয়ে একটা ছবি দেখব। আমার একা একা ছবি দেখতে ভালো লাগে না।

    আলিমুর রহমান বললেন, তোর কি কোনো ছেলের সঙ্গে ভাব-ভালোবাসা হয়েছে?

    না।

    যদি কাউকে মনে ধরে আমারএখানে নিয়ে আসবি। আমি পরীক্ষা করে দেখব বুদ্ধিশুদ্ধি আছে কি-না।

    বুদ্ধি দিয়ে কী হবে? হাসবেন্ড হিসেবে বোকাই ভালো।

    কখনও কোনো বোকার ধারেকাছে যাবি না।

    আচ্ছা যাব না। দাদাজান! শুনো আমি কিছুক্ষণ ঘুমাব। তোমার বরশিতে যদি বড় কোনো মাছ ধরা পড়ে আমাকে ডেকে তুলবে। আমি সূতা ছাড়ব।

    আচ্ছা ঠিক আছে। তোর কি ক্ষিধে লেগেছে? কিছু খাবি।

    ক্ষিধে লেগেছে কিন্তু আমি কিছু খাব না। আচ্ছা দাদাজান তোমার তো প্রচুর টাকা। কি করবে এত টাকা দিয়ে।

    তুই চাইলে তোকে দিয়ে দিব। তুই চাস?

    না। কখনও না।

    তুই একটা বুদ্ধি বের কর, বিলি-ব্যবস্থা কি করা যায়।

    হাসপাতাল বানাবে?

    হাসপাতাল বানাতে যাব কোন দুঃখে?

    অনাথ আশ্রম?

    ভুলে যা। দুনিয়ার অনাথ এক জায়গায় এনে তাদের ক্যাঁচক্যাচানি শোনার আমার কোনো শখ নেই।

    ইউনিভার্সিটি বানাবে। প্রকৃতির সঙ্গে মিলিয়ে ইউনিভার্সিটি।

    আমি কি রবীন্দ্রনাথ যে শান্তি নিকেতন বানাব?

    তাহলে কি করা যায়। ভালো সমস্যা হলো তো।

    চিন্তা করে বের কর। আমিও চিন্তা করে কিছু পাচ্ছি না।

    দাদাজান তোমার টাকা এবং সম্পত্তি সব একত্র করলে কত টাকা হবে?

    জানি না কত হবে।

    আনুমানিক কত হবে বল, ১৭ কোটি কি হবে?

    হবে।

    তাহলে এক কাজ কর। বাংলাদেশের সব মানুষের মধ্যে সমানভাবে এই টাকাটা ভাগ করে দাও। সবাই এক টাকা করে পাবে।

    আলিমুর রহমান হো হো করে হেসে উঠলেন।

    এত আনন্দ নিয়ে তিনি অনেকদিন হাসেন নি।

    মৃন্ময়ী বলল, তোমার হাসির শব্দে সব মাছ তো পালিয়ে যাবে।

    আলিমুর রহমান আরো শব্দ করে হেসে উঠলেন।

     

    ট্রেতে করে চা নিয়ে খামার বাড়ির ম্যানেজার এসেছে। ম্যানেজারের নাম কালাম। কালাম করিকর্মা লোক। কিন্তু বড় সাহেবের সামনে এসে দাঁড়ালে তার সবকিছু এলোমেলো হয়ে যায়। বুক ধড়ফড় করতে থাকে। বড় সাহেবের সব কথাও তখন ঠিকমতো কানে ঢুকে না। তার প্রায়ই মনে হয় এই চাকরি ছেড়ে সে অন্য কোনো চাকরিতে ঢুকবে। চব্বিশ ঘণ্টা আতঙ্কের মধ্যে বাস করার কোনো অর্থ হয় না।

    কালাম বলল, স্যার আপনার কাছে একজন আর্টিস্ট এসেছে।

    আলিমুর রহমান বললেন, আমার কাছে আর্টিস্ট আসবে কেন?

    ঢাকা থেকে ছোট সাহেব পাঠিয়েছেন। আর্টিস্ট আপনার ছবি আঁকবে।

    আলিমুর রহমান বললেন, তাকে ঘাড় ধরে বিদায় করে দাও।

    কালাম বলল, জি আচ্ছা স্যার।

    হাসিমুখে বিদায় করবে না। গলা ধাক্কা দিয়ে বিদায় করবে। এমনভাবে ধাক্কা দিবে যেন পা ঢেগায়ে উল্টে পড়ে।

    জি আচ্ছা স্যার।

    মৃন্ময়ী বলল, দাদাজান তুমি বাবার উপর রাগ করে অন্য একজনকে গলা ধাক্কা দিতে পার না। আর্টিস্টের তো কোনো দোষ নেই। বাবা তাকে পাঠিয়েছে তিনি এসেছেন। তুমি যদি ছবি আঁকাতে না চাও বলবে ছবি আঁকাব না। তাকে ভদ্রভাবে চলে যেতে বলবে।

    আলিমুর রহমান কালামের দিকে তাকিয়ে বললেন, তাকে ভদ্রভাবে চলে যেতে বল।

    কালাম ঘাড় কাত করে সঙ্গে সঙ্গে বলল, জি আচ্ছা স্যার।

    মৃন্ময়ী বলল, ভর দুপুরে একজন এত দূর এসেছে, তাকে না খাইয়ে বিদায় করে দেওয়াও ঠিক না।

    আলিমুর রহমান বললেন, কালাম তাকে ভাত খাইয়ে তারপর বিদায় কর।

    কালাম আবারও ঘাড় নেড়ে বলল, কি আচ্ছা স্যার।

    কালামের বুকে ব্যথা শুরু হয়েছে। বেশিক্ষণ এখানে থাকলে ব্যথা বাড়বে। সে দ্রুত হাঁটা ধরল।

    আলিমুর রহমানের ছিপে মাছ বেঁধেছে। সূতার টান থেকে বুঝা যাচ্ছে তিন থেকে চার কেজি হবে। এরচেয়ে বড়ও হতে পারে। ঠিকমতো সূতা ছাড়তে না পারলে মাছ রাখা যাবে না।

    আলিমুর রহমান চেঁচিয়ে বললেন, মৃন্ময়ী ছিপ ধর।

    আলিমুর রহমান হাপাচ্ছেন। আনন্দে ও উত্তেজনায় তার চোখ-মুখ ঝলমল করছে। মৃন্ময়ী বলল, তিমিমাছ নাকি দাদাজান! মাছের এত শক্তি!

    আলিমুর রহমান বললেন, খুব সাবধানে সূতা ছাড়। মাছ কিন্তু হ্যাচকা টান দিয়ে তোকে পানিতে ফেলতে পারে।

    মৃন্ময়ী বলল, দাদাজান তুমি ছিপটা ছেড়ে দিলে কি মনে করে। আমি একা পারব না কি, তুমিও ধর।

    আলিমুর রহমান বলেন, গাধা কালামটা আবার গেল কোথায়? থাপড়ায়ে এর দাঁত যদি আমি না ফেলি।

    মাছের প্রবল টানে মৃন্ময়ী ঝুপ করে পানিতে পড়ে গেল।

    আলিমুর রহমান বললেন, ছিপ ছাড়বি না। ছিপ ধরে থাক।

    মৃন্ময়ী এক হাতে ছিপ উঁচু করে রেখে সাতরাচ্ছে। কী সুন্দর দৃশ্য! আলিমুর রহমানের কাছে মনে হলো তিনি এত মধুর দৃশ্য তার জীবনে আর দেখেন নি।

    মাছ ডাঙ্গায় তোলার পর ওজন দেয়া হলো। কাতল মাছ। ওজন পাঁচ কেজি তিনশ গ্রাম। মৃন্ময়ী বলল, দাদাজান মাথাটা আমি খাব।

    আলিযুর রহমান বললেন, ভাগাভাগি করে খাই। দুজনে মিলে ধরলাম না?

     

    জহির অবাক হয়ে বলল, আপনি এখানে?

    মৃন্ময়ী বলল, এত অবাক হচ্ছেন কেন? এটা আমার দাদার খামারবাড়ি। আমি তো এখানে থাকতেই পারি। বরং আমার উচিত আপনাকে দেখে অবাক হওয়া। আমি অবশ্যি সে রকম অবাক হচ্ছি না।

    জহির বলল, আপনার বাবা আমাকে কমিশন করেছেন আমি যেন আপনার দাদার একটা পোট্রেট করে দেই।

    দাদা নো বলে দিয়েছেন। উনার নো মানে কেপিটেল এন কেপিটেল ও।

    আমাকে কালাম সাহেব বলেছেন। আমি চলে যেতে চাচ্ছিলাম, উনি খেয়ে যেতে বললেন।

    অবশ্যই খেয়ে যাবেন। কাতল মাছের একটা প্রিপারেশন আপনাকে দেয়া হবে। মাছটা আমি ধরেছি।

    জহির খুবই অবাক হচ্ছে মেয়েটার সহজ কথা বলার ভঙ্গিতে। প্রথম দিনে তার কথায় ও চেহারায় কাঠিন্য ছিল। আজ একবারেই নেই।

    মৃন্ময়ী বলল, আপনি কি ভালো পোট্রেট করেন?

    জহির বলল, যখন মন দিয়ে করি তখন ভালো করি। বেশির ভাগ সময় মন লাগে না।

    কখন মন লাগে না?

    যার ছবি আঁকছি তাকে পছন্দ না হলে দুবিতে মন লাগে না।

    একটা পোট্রেট করতে আপনি কত টাকা নেন?

    ধরাবাধা কিছু নেই। চেষ্টা থাকে যত বেশি নেয়া যায়। ক্লায়েন্ট বুঝে দাম।

    আমার কাছ থেকে আপনি কত নেবেন? আমি যদি আপনাকে কমিশন করি।

    আমি আপনার কাছ থেকে কিছুই নেব না।

    কেন নেবেন না?

    আপনি আমার বড় একটা সমস্যা সমাধান করিয়েছিলেন এই জন্যে নেব। তাছাড়া আপনার ছবি আঁকার জন্যেও আপনার বাবা আমাকে কমিশন করেছেন।

    মৃন্ময়ী বলল, আমিও আমার দাদাজানের মতো। কাউকে দিয়ে ছবি আঁকাই। তবে আমি আমার এক বান্ধবীর ছবি আঁকার জন্য আপনাকে কমিশন করব। আমার খুব প্রিয় বান্ধবী। আপনি যত্ন করে তার ছবি এঁকে দেবেন।

    অবশ্যই দেব।

    সে যতনা সুন্দর, আপনি তাকে আরও সুন্দর করে আঁকবেন।

    চেষ্টার কোনো ত্রুটি থাকবে না।

    শুধু তার নাকে একটা হীরের নাকফুল দিয়ে দেবেন। আমি নাকফুলটার ডিজাইন আপনাকে দিয়ে দেব।

    জি আচ্ছা।

    আমার দাদাজানের খামারবাড়ি কি আপনি ঘুরে দেখেছেন?

    জি না।

    ঘুরে দেখুন। খামারবাড়ির পুরো পরিকল্পনা আমার। আপনি শিল্পীমানুষ। আপনার মাথায় যদি কোনো আইডিয়া আসে আমাকে বলবেন।–জহির মুগ্ধ চোখে তাকিয়ে আছে। আজ মেয়েটিকে প্রথম দিনের চেয়ে সুন্দর লাগছে। ব্যাপারটা হাস্যকর। সৌন্দৰ্য্য সময় নির্ভর না। ভোরবেলার ফুল বিকেলেও সুন্দর। মেয়েটি আজ শাড়ি পড়েছে এটা কি একটা কারণ? প্রথম যখন দেখা সেদিন তার পোষাক কী ছিল? শাড়ি ছিল না? জহির মনে করতে পারল না। যেদিন টাকা ফেরত দিতে গেল সেদিন মৃন্ময়ীর সঙ্গে দেখা হয় নি। ম্যানেজার ফরিদের হাতে টাকা দিয়ে এসেছে। ফরিদ কি টাকা ফেরত দিয়েছে? ব্যাপারটা মৃন্ময়ীকে জিজ্ঞেস করা কি উচিত? ত্রিশ হাজার টাকা এদের কাছে তুচ্ছ ব্যাপার। টাকাপয়সা এদের কাছে তেজপাতা। কিংবা তেজপাতার চেয়েও তুচ্ছ কিছু। কাঁঠালপাতা, আমপাতা। আমপাতার কথায় মনে পড়ল মীনা তাকে আমের মুকুল নিয়ে যেতে বলেছে। আমের মুকুল দিয়ে কি এক টক রান্না না-কি টিয়া পছন্দ করে।

    জহিরের মেজাজ খারাপ হয়েছে। ঢাকা শহরে সে আমের মুকুল পাবে। কোথায়? সে তো আমবাগানে বাস করছে না। মীনাকে এই সব বলা অর্থহীন।

    ভাইয়া শোন, মুকুল যে আনবে মিষ্টি আমের মুকুল আনবে না, টক আমের মুকুল আনবে।

    জহির বলল, মিষ্টি টক বুঝব কীভাবে? মুকুল চিবিয়ে দেখব?

    ভাইয়া বোকার মতো কথা বলো না তো। তুমি যে গাছের মুকুল আনবে সেই গাছের আম টক কি না জিজ্ঞেস করবে।

    ও আচ্ছা।

    টুনটুনিকে যে সোনার কিছু দিতে বলেছিলাম তার কী করবে? শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে আমি বেইজ্জত হব তাই চাও?

    তোরা যেদিন চলে যাবি সেদিন পাবি।

    তোমার বাজেট কত বল? আমি গয়নার দোকানে গিয়ে দেখব এই বাজেটে কি পাওয়া যায়।

    বাজেট এখনও ঠিক করি নি। দেখি কি করা যায়।

    ভাইয়া তোমার এখানে আসার পর থেকে আমরা ঘরের রান্না খাচ্ছি। ঢাকায় এত বড় বড় রেস্টুরেন্ট হয়েছে–আমাদের বাইরে খাওয়াও। একদিন সীজা হাটে নিয়ে যাও।

    হবে ব্যবস্থা হবে।

    জহির দীর্ঘশ্বাস ফেলল। মীনার সঙ্গে একদিন বসতে হবে। তার অনৈতিক অবস্থান ব্যাখ্যা করতে হবে। যেদিন এই বৈঠক হবে সেদিন সে সরাসরি বলবে, মীনা তোর স্বামীর নামটা যেন কী? আমি নাম ভুলে গেছি। নাম বল। নাম দিয়ে শুরু হোক। এই ঘটনা দ্রুত ঘটিয়ে ফেলতে হবে। শুভস্য শীঘ্রম যেমন সত্যি অশুভস্য শীঘ্রম। অশুভ ঘটনাও দ্রুত ঘটিয়ে ফেলতে হয়। দেরি করা যায় না।

    জহির ঘুরে ঘুরে খামারবাড়ি দেখছে। এক জায়গায় নকল পাহাড়ের মতো করা হয়েছে। নকল ঝরনা বসেছে। ঝির ঝির করে পানি পড়ছে। ঝরনার পেছন থেকে পানির পাম্পের শব্দ কানে আসছে। হাস্যকর ব্যাপার।

    আরেক জায়গায় গোল করে লাগানো সুপাড়ি গাছের সারি পাওয়া গেল। মাঝখানে বসার ব্যবস্থা। মার্বেল পাথরে বানানো বেঞ্চ। কয়েক লক্ষ টাকা নিশ্চয়ই মার্বেল পাথরের পিছনে খরচ হয়েছে। এই জিনিসটা হয়েছে হাস্যকর। বসার জায়গায় মাথার উপরে ছায়া থাকতে হবে। সুপারি গাছে ছায়া দেয় না।

    আরেকটু আগাতেই আম বাগান পাওয়া গেল। প্রচুর আমগাছ। প্রতিটি গাছের গোড়া ক্যান্টনমেন্টের গাছের মতো শাদা রঙ করানো। সবাই যেন শাদা প্যান্ট পরে দাঁড়িয়ে আছে। ফরোয়ার্ড মার্চ বলার সঙ্গে সঙ্গেই এরা সামনের দিকে মার্চ শুরু করবে। বেশ কিছু আমগাছে মুকুল ফুটেছে। আশেপাশে কেউ নেই। দূর থেকে কেউ নিশ্চয়ই দুরবিন দিয়ে তাকে দেখছে না। পকেট ভর্তি করে আমের মুকুল নিয়ে যাওয়া যায়। টিয়াবাবু আমের মুকুলের টক খাবে। খা টক রাতে আলিমুর রহমানের শরীর খারাপ হলো। শ্বাস কষ্ট। বুকে ব্যথা। তিনি মুখ বড় করে নিঃশ্বাস নিতে লাগলেন। মৃন্ময়ী চিন্তিত গলায় বলল, চল ঢাকা চলে যাই।

    আলিমুর রহমান বললেন, দুপুরে বেশি খেয়ে ফেলেছি বলে এই অবস্থা। ঠিক হয়ে যাবে।

    এ রকম কি প্রায়ই হয়?

    যেদিন বেশি খেয়ে ফেলি সেদিন হয়।

    ঠিক হতে কতক্ষণ লাগে?

    কোনো কোনো দিন চট করে ঠিক হয়। কোনো কোনো দিন চার-পাঁচ দিন। লাগে।

    ঘরে কি অক্সিজেনের সিলিন্ডার আছে?

    না। দরজা জানালা সব খুলে দে। এতেই হবে।

    দাদাজান আমার কথা শোন। চল ঢাকায় চলে যাই। তোমাকে কোনো একটা ক্লিনিকে ভর্তি করি।

    আলিমুর রহমান হাপাতে হাপাতে বললেন, ঠিক হয়ে যাবে, ঠিক হয়ে যাবে।

    তার নিঃশ্বাস স্বাভাবিক হলো রাত একটায়। তিনি বিছানায় উঠে বসতে বসতে বললেন, বলেছিলাম না ঠিক হয়ে যাবে। আর কালাম গাধাটাকে বল এক কাপ লেবু চা আর কাগজ-কলম আনতে।

    কাগজ কলম দিয়ে কী হবে?

    আমি উইল করব।

    চা খাও। খেয়ে ঘুমাও। আমি মাথায় হাত বুলিয়ে তোমাকে ঘুম পাড়িয়ে দিচ্ছি।

    উইল করে তারপর ঘুমাব। অবস্থা তো দেখছিস। যে কোনো একদিন মরে যাব। আর তখন আমার গাধাপুত্র সব দখলকরে বসে থাকবে। দু হাতে টাকা উড়াবে। ছবি কিনবে। দুই কোটি তিন কোটি টাকা দিয়ে জমি কিনবে জমির দখল নিতে পারবে না।

    মৃন্ময়ী বলল, উইল করা হবে। এখন না, কাল ভোরে।

    আমি এখনই করব।

    মৃন্ময়ী বলল, আচ্ছা এখন আগে চা খাও। চা খেয়ে চোখ বন্ধ করে দশ মিনিট রেস্ট নাও। তারপর যদি মনে কর উইল করা দরকার উইল করবে।

    তেরি কী চাই বল?

    দাদাজান আমার কিছুই চাই না। তুমি অনেকবার আমাকে জিজ্ঞেস করেছ তোর কী চাই? আমি প্রতিবারই বলেছি আমার কিছুই চাই না। এখনও আমার একই উত্তর।

    আলিমুর রহমান হঠাৎ হাসতে শুরু করলেন। শিশুর হাসির মতো সরল আনন্দময় হাসি।

    মৃন্ময়ী বলল, হাসছ কেন দাদাজান?

    মজার একটা আইডিয়া মাথায় এসেছে এই জন্যে হাসছি। তোর বাবাকে চূড়ান্ত শিক্ষা দেয়ার আইডিয়া।

    বল শুনি।

    তোর বাবা তো শিল্পবোদ্ধা হয়েছে। ছবি কিনে ঘর বোঝাই করবে। উইল করে তোর বাবাকে একটা ছবি দিয়ে যাব। সে আর কিছুই পাবে না।

    কোন ছবি দেবে?

    আজ যে আর্টিস্ট এসেছিল তাকে দিয়ে আঁকাব। আমার ছবি। আমি কঠিন চোখে তাকিয়ে আছি এ রকম ছবি। আইডিয়া কেমন?

    আইডিয়া ভালো।

    তোর বাবার শিক্ষা সফর হয়ে যাবে না?

    হবার কথা।

    আর্টিস্টকে টেলিফোন কর সে যেন এক্ষুনি রং-তুলি নিয়ে চলে আসে।

    দাদাজান রাত বাজে দুটা। এ সময় কাউকে টেলিফোন করা যায় না। তাছাড়া আমি উনার টেলিফোন নাম্বারও জানি না। আমি ব্যবস্থা করে দেব যেন কালই উনি চলে আসেন।

    আলিমুর রহমানের মাথায় আরও একটা আইডিয়া চলে এল। তিনি মৃন্ময়ীর দিকে ঝুঁকে এসে বললেন, তোর বাবা এখন যে বাড়িটায় থাকে সেই বাড়িটার ব্যাপারে কী করা যায়? তোর বাবা ধরেই নিয়েছে যে বাড়িটা তার। উইল যখন পড়া হবে তখন তার ব্রহ্মতালু জ্বলে যাবে। বাড়িটা কাকে দিলে তার ব্রহ্মতালু জ্বলবে।

    এটা তো বুঝতে পারছি না।

    আলিমুর রহমান বললেন, ঐ বাড়ির অতি তুচ্ছ কাউকে দিতে হবে, মালী দারোয়ান, কাজের বুয়াটুয়া কাউকে। যাকে তোর বাবা দু চোখে দেখতে পারে না।

    মৃন্ময়ী বলল, বিন্তিকে দেয়া যায়।

    বিন্তিটা কে?

    আমাকে দেখাশোনা করে। নতুন এসেছে। বাবা কি কারণে যেন তাকে সহ্যই করতে পারে না।

    ঠিক আছে বিন্তি। তোর বাবা এক সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখবে বিন্তি বিশাল বাড়ির মালিক। আর শিল্পবোদ্ধা শাহেদুর রহমান আমার একটা ওয়েল পেইনটিং হাতে নিয়ে ফুটপাতে দাঁড়িয়ে আছেন। হা হা হা।

    অতিরিক্ত হাসির কারণেই আলিমুর রহমানের বুকের ব্যথা আবার শুরু হলো। ভয়াবহ শ্বাস কষ্ট। সকাল আটটায় ব্যথা কমল। তিনি ঘুমুতে গেলেন। মৃন্ময়ী চলে এল ঢাকায়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাতাল হাওয়া – হুমায়ূন আহমেদ
    Next Article মৃন্ময়ী – হুমায়ূন আহমেদ

    Related Articles

    হুমায়ূন আহমেদ

    বোতল ভূত – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    নিউইয়র্কের নীলাকাশে ঝকঝকে রোদ – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    রং পেন্সিল – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    বিবিধ / অগ্রন্থিত লেখা – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    আজ হিমুর বিয়ে – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    কৃষ্ণপক্ষ – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }