Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মৃত্যুমেডেল – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দেবারতি মুখোপাধ্যায় এক পাতা গল্প122 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সুরূপা গুহ হত্যা মামলা ১৯৭৬

    প্রথমেই বলি, আজকের পর্বে যে সত্যকাহিনীটি গল্পাকারে লিপিবদ্ধ করতে বসেছি, তা কালের বিচারে প্রায় অর্ধশতাব্দী পূরণ করলেও আজও এতটাই স্পর্শকাতর এবং সংবেদনশীল, যে, প্রতিটি শব্দচয়ন আমায় করতে হয়েছে সতর্ক হয়ে।

    আজও এই মামলাটি এমনই রহস্যাবৃত, এমনই মেঘের চাদরে ঢাকা, যে আলটপকা লেখনীতে যাতে কোনো অংশই প্রভাবিত না হয়, সেই কারণেই আমি শরণাপন্ন হয়েছি আইনি আর্টিকেলের। মূলত কলকাতা হাইকোর্টে দায়ের হওয়া মামলা, পিটিশন, রায় এবং ৩১শে অক্টোবর, ১৯৮১ সালে প্রকাশিত ইন্ডিয়া টুডে’র একটি বিস্তারিত প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে লেখা আমার এই সত্যঘটনাশ্রয়ী নাট্যকাহিনী।

    যে মর্মন্তুদ ঘটনায় দিনের পর দিন ভরে থাকত আনন্দবাজার কিংবা যুগান্তর পত্রিকা, চায়ের কাপে যে আলোচনায় তুফান উঠত ক্লাবে ক্লাবে কিংবা অলস পাড়ার রকে, সেই ঘটনা এখনকার তরুণ প্রজন্ম হয়তো জানেন না, কিন্তু যারা চল্লিশ কি পঞ্চাশের কোঠায়, বা আরও বেশি, তাঁদের মনে আজও রয়ে গিয়েছে এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের রেশ।

    আমি হলফ করে বলতে পারি, তাঁরা আজও শুনলেই চমকে উঠবেন, ‘ওহ! সেই সুরূপা গুহ’র কেসটা!’

    কে এই সুরূপা গুহ? কী হয়েছিল তাঁর সঙ্গে?

    প্রথমেই সংক্ষেপে উত্তর দিয়ে চলে যাব রুদ্ধশ্বাস ঘটনাক্রমে, যা কোনো অংশে নাটকের চেয়ে কম নয়। যা সহজেই হার মানাবে কোনো গোয়েন্দাকাহিনীকে।

    সুরূপা ছিলেন স্বচ্ছল ব্যবসায়ী রমেন্দ্রমোহন মুখোপাধ্যায়ের কন্যা। শিক্ষিতা ও সুন্দরী। ১৯৬৬ সালে তাঁর বিবাহ হয় ইন্দ্রনাথের গুহর সঙ্গে।

    কলকাতার অন্যতম বিখ্যাত ও অভিজাত স্কুল সাউথ পয়েন্টের প্রতিষ্ঠাতা শ্রী সতীকান্ত গুহর একমাত্র পুত্র ইন্দ্রনাথ গুহ। শ্রী সতীকান্ত গুহ শুধুই সাউথ পয়েন্ট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা নন, তিনি প্রখ্যাত লেখক, নিজের ‘নাট্যকার’ নাটকের জন্য পেয়েছেন রবীন্দ্র পুরস্কারও। এছাড়াও শিশুসাহিত্যিক হিসেবে তাঁর অবদানও কম নয়। ১৯৫৪ সালে দক্ষিণ কলকাতার বালিগঞ্জ এলাকায় তিনি সাউথ পয়েন্ট স্কুলটি প্রতিষ্ঠা করেন।

    যে সময়ের কথা বলছি, সেইসময় এই গুহ পরিবার কলকাতার অন্যমতো বর্ধিষ্ণুও মান্যগণ্য পরিবারগুলোর মধ্যে একটি। হিন্দুস্থান পার্কের মতো অভিজাত এলাকায় প্রাসাদোপম অট্টালিকা। সতীকান্ত গুহ এবং তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা গুহ সাউথ পয়েন্ট স্কুলের মালিক। পুত্র ইন্দ্রনাথ ওই স্কুলেরই প্রিন্সিপাল।

    ইংরেজির শিক্ষক ইন্দ্রনাথ প্রেসিডেন্সি ও অক্সফোর্ডের প্রাক্তনী। ছাত্রমহলে অসম্ভব জনপ্রিয়, শুধু তাঁর পড়ানোর জন্যই নয়, তাঁর বন্ধুসুলভ স্বভাবের জন্যও। প্রিন্সিপাল হলেও তিনি গোটা স্কুলে ভীষণ প্রিয়। ছাত্রছাত্রীরা মুগ্ধ হয়ে শোনে উদাত্ত কণ্ঠে তাঁর শেক্সপীয়র আবৃত্তি, কিংবা কিটসের কবিতার প্রাঞ্জল ব্যাখ্যা।

    কিন্তু, দুর্ভাগ্যবশত এমন একটি পরিবারে বিয়ে হয়েও সুরূপার জীবনে শান্তি ছিল না। বিবাহের পর থেকেই শ্বশুর, শাশুড়ি ও স্বামীর মানসিক অত্যাচারের শিকার হতে হত তাকে। তার কারণ মূলত তার অনমনীয় মনোভাব।

    সুরূপার বিয়ে হয় মাত্র আঠেরো বছর বয়সে। শিক্ষামণ্ডলের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত থাকলেও গুহ পরিবার বাড়ির বউ হিসেবে চেয়েছিল কম লেখাপড়া জানা মেয়েকে। নিজেরা প্রথম সারির ক্লাব, বিনোদনে মজে থাকলেও পুত্রবধূকে হতে হবে আক্ষরিক অর্থেই ‘ঘরোয়া’, কম শিক্ষিতা। তার পেছনে কি কাজ করেছিল ‘উচ্চশিক্ষিতা হলে পোষ মানবেনা’ জাতীয় ধ্যানধ্যারণা?

    কে জানে!

    ভবিতব্যে থাকলে হিসেব কষে চলা রাস্তাও এলোমেলো হয়ে যায়। চেনা অঙ্কও ছক বদলে হাঁটতে থাকে নতুন পথে। গুহ পরিবারের ক্ষেত্রেও তাই হল। সবদিক বিবেচনা করে মাত্র আঠেরো বছরের মেয়েকে বউ করে আনলেও অল্প কয়েকদিনেই তাঁরা বুঝতে পারলেন না, অষ্টাদশী হলেও সুরূপা মোটেও বাধ্য নয়, সে দৃঢ়চেতা, স্বাধীন মনোভাবসম্পন্না।

    শ্বশুরবাড়ির তীব্র আপত্তি সত্ত্বেও সে বিয়ের পর প্রচণ্ড প্রতিকূল পরিবেশেও দাঁতে দাঁত চেপে লেখাপড়া চালিয়ে যেতে লাগল। সে মেধাবিনী, কেমিস্ট্রি তার প্রিয় বিষয়। কবে থেকে তার স্বপ্ন, কেমিস্ট্রি নিয়ে গবেষণা করার। এত সহজে সব মিথ্যা হতে দেওয়া যায় নাকি!

    উচ্চবিত্ত গুহ পরিবারে প্রচুর দাসদাসী, ড্রাইভার, রান্নার লোক থেকে শুরু করে সবকিছুরই পরিচারক রয়েছে। তা সত্ত্বেও বাড়ির বউয়ের প্রত্যেকদিন কলেজ যাওয়া নিয়ে চূড়ান্ত অশান্তি শুরু হল। স্বামী ইন্দ্রনাথ বটেই, শাশুড়ি প্রীতিলতা, শ্বশুর সতীকান্ত, কারুরই এতে তেমন মত নেই।

    সমস্যা যে শুধু সুরূপার লেখাপড়া নিয়ে, তা নয়। সুরূপা এমনিতে খুব শক্তমনের মেয়ে হলেও কোনো এক দুর্বল মুহূর্তে বাপের বাড়ি গিয়ে সে ছলোছলো চোখে বাবাকে বলে ফেলেছে, ‘ইন্দ্রনাথ রাতের বেলা পুরো অন্য মানুষ হয়ে যায় বাবা! পেটে অ্যালকোহল পরলে কে বলবে, ও অত ভালো একজন শিক্ষক! আমার ভালো লাগেনা বাবা, প্রতিরাতের অত্যাচার! প্রায়দিন ও আমার গায়ে হাত তোলে।’

    বাবা রমেন্দ্রমোহন দু-দু’বার এই নিয়ে জামাইয়ের সঙ্গে কথা বলতে গিয়েছেন। ইন্দ্রনাথ হেসে উড়িয়ে দিয়েছেন।

    ‘কী যে বলেন বাবা! দোলা বাচ্চা মেয়ে, ওর কথা অত ধরতে আছে? কোন স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হয়না বলুন তো?’

    দোলা সুরূপার ডাক নাম।

    রমেন্দ্রমোহন আর কিছু বলার সাহস পাননি। অসম এই কুটুম্বিতার সম্পর্কে তিনি অনেক নীচে। খোদ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যে পরিবারের ঘনিষ্ঠ, তাঁদের সঙ্গে অনেক বুঝে কথা বলতে হয়।

    আর তা ছাড়া ইন্দ্রনাথ এমন শিক্ষিত সপ্রতিভ যুবক, ওঁর ব্যক্তিত্বে সবাই মুগ্ধ, তাঁর সম্পর্কে এমন অভিযোগ বিশ্বাস করাও একটু কষ্টকর বইকি!

    অতএব রমেন্দ্রনাথ মেয়ে দোলাকে সেই তিনটি অমোঘ শব্দ বলে প্রবোধ দেন। সেই তিনটি শব্দ, যা যুগে যুগে নিজের বাবা-মায়ের থেকে শুনে আসতে হয়েছে বিবাহিতা মেয়েদের।

    ‘মানিয়ে নে, মা!’

    সুরূপা মানিয়ে নিচ্ছিল ঠিকই, কিন্তু নিজেকে ছোট না করে যতটা মানিয়ে নেওয়া যায়। স্বামীর সঙ্গে ক্রমশই তার দাম্পত্য তলানিতে এসে ঠেকছিল। স্বামী যত জড়িয়ে পড়ছিল বাইরে, সেও আঁকড়ে ধরছিল তার পড়াশুনোকে। উঠতে বসতে শ্বশুর-শাশুড়ির বক্রোক্তি, কটু কথা গা-সওয়া হয়ে উঠছিল তার কাছে।

    যখন অত্যাচার অসহনীয় হয়ে উঠত, তখন সে দাঁতে দাঁত চেপে শাসাত, ‘একদিন আমি দুনিয়ার সবাইকে বলে দেব, কলকাতার সো কলড সবচেয়ে শিক্ষিত পরিবারের চার দেওয়ালের মধ্যে কী চলে! সব্বাইকে জানাব, ফিল্মের ওই হিরোইনের সঙ্গে তোমার কী চলছে! সেদিন তোমরা টের পাবে! শিক্ষাবিদ? মাই ফুট!’

    চাকরবাকর থেকে ড্রাইভার সবাই জানে বাড়ির পুত্রবধূটির এই কষ্টের কথা। সবাই দেখেও না দেখার ভান করে, শুনেও না শোনার অভিনয় করে চলে যায় নিজের কাজে।

    এইভাবেই কাটল ১৯৬৬ থেকে ১৯৭৬, দশ-দশটা বছর। এই দশবছরে সেদিনের অষ্টাদশী তরুণী সুরূপা পরিণত হয়েছে বছর আঠাশের এক ইস্পাতকঠিন যুবতীতে। হাজার লাঞ্ছনাতেও সে শ্বশুরবাড়ি ছেড়ে যায়নি। চালিয়ে যাচ্ছে লেখাপড়া। বাবার গলগ্রহ হয়ে বাপের বাড়িতে ফিরতে চায় না সে।

    একদিন সে ঠিক নিজের পায়ে দাঁড়াবে, সেদিন এই বাড়ির সবাইকে বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠ দেখিয়ে চলে যাবে। মুক্তি পাবে এই নিত্য অত্যাচার থেকে।

    সে এখন রাজাবাজার সায়েন্স কলেজে কেমিস্ট্রি নিয়ে উচ্চশিক্ষায় ব্যস্ত। আর মাত্র এক-দু’বছর, তারপরই জুটে যাবে কোনো না কোনো চাকরি। সোনার খাঁচার সেই পাখির মতো নিজের ঘরে বসে নীরবে স্বপ্ন বুনে চলে সুরূপা।

    তারিখটা ছিল ৪ঠা মে, ১৯৭৬ সাল। সেদিন সুরূপা ল্যাবে নিজের রিসার্চের কাজ করতে করতে এমন তন্ময় হয়ে গিয়েছিল, যখন খেয়াল হল অনেক রাত হয়ে গিয়েছে। তড়িঘড়ি ল্যাব থেকে বেরোল সে।

    রাজাবাজার সায়েন্স কলেজ থেকে বালিগঞ্জের হিন্দুস্থান পার্ক। বৈশাখের গরম, ঘেমেনেয়ে সে যখন বাড়িতে পৌঁছল, তখন ঘড়িতে রাত দশটা।

    ইদানীং বাড়ির কারুর সঙ্গেই বাক্যালাপ হয়না ওর। সবাই যেন ওকে অস্পৃশ্য হিসেবে গণ্য করে। ক্লান্ত ঘর্মাক্ত সুরূপা ফ্রেশ হয়ে এসে সবে নিজের বিছানায় বসেছে, দরজায় উঁকি মারল ঝন্টুচরণ, ওদের বাড়ির চাকর।

    ‘কী ঝন্টু, কিছু বলবে?’

    ঝন্টুচরণ পায়ে পায়ে এগিয়ে আসে।

    ‘হ্যাঁ বউদিদি, এই যে লস্যি আর শশা এনেছিলাম। খেয়ে নিন।’ লস্যিভরতি কাঁচের গ্লাস ও প্লেটভরতি শশা বিছানার পাশের টেবিলে রাখে ঝন্টু।

    এর চেয়ে ভূত এসে দর্শন দিলেও এত অবাক হত না সুরূপা। আজ দশবছর হতে চলল বিয়ে হয়েছে, কোনোদিনও কলেজ বা ইউনিভার্সিটি থেকে ফিরে এক গ্লাস জলও পায়নি ও। চাকরবাকররা হয়তো দিত, কিন্তু ওদের নিশ্চয়ই কড়া বারণ করা আছে।

    আর সেখানে আজ একেবারে কাজুবাদাম দেওয়া পুরু মালাইয়ের লস্যি?

    সুরূপা আর বেশি ভাবতে পারল না। সেই কখন দুপুরে চাট্টি ভাত খেয়েছে, তারপর থেকে পেটে একটা দানাপানিও পড়েনি। একটু করে শশার কুচি মুখে দিতে দিতে গোটা লস্যিটা খেয়ে ফেলল ও।

    আহ, কি ঠান্ডা! শরীর জুড়িয়ে গেল যেন!

    ঠিক কুড়ি মিনিট। তারপরই ভয়ানক গা পাক দিতে শুরু করল সুরূপার। হড়হড় করে বমি হতে লাগল, তার সঙ্গে থেকে থেকে অচৈতন্য হয়ে যাওয়া। অসহ্য পেটে যন্ত্রণায় প্রায় বেঁকে যেতে লাগল ও।

    ‘ও মাগো! আমার পুরো গলাটা জ্বলছে! আহ! কী প্রচণ্ড কষ্ট হচ্ছে আমার! ও মাগো!’

    চাকরবাকর মারফত খবর গেল সুরূপার শ্বশুর-শাশুড়ি ও স্বামীর কাছে। দশমিনিটের মধ্যে এসে পড়লেন গুহ পরিবারের পারিবারিক চিকিৎসক। ততক্ষণে সুরূপা নিস্তেজ হয়ে পড়েছে, মুখ দিয়ে সাদা ফেনা উঠছে। গোটা শরীরটা দুমড়ে মুচড়ে পড়ে রয়েছে বিছানায়।

    ডাক্তারবাবু এসে বেশি দেরি করলেন না। কয়েক সেকেন্ড পরীক্ষা করেই বললেন, ‘একদম ভালো বুঝছি না। পালস রেট প্রায় নেই। হসপিটালাইজড করতে হবে। এখুনি!’

    এস এস কে এম, অর্থাৎ পিজি হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে সুরূপাকে যখন এমারজেন্সিতে ঢোকানো হল, তখন রাত প্রায় সাড়ে এগারোটা।

    এমারজেন্সির ডাক্তাররা স্টমাক ওয়াশ করানোর প্রস্তুতি নিতে লাগলেন। একজন ডাক্তার ঝুঁকে পড়ে সুরূপাকে বললেন, ‘কী খেয়েছিলেন আপনি? আপনি কি কোনো পয়জন খেয়েছিলেন?’

    সুরূপার দৃষ্টিশক্তি তখন ঝাপসা হয়ে আসছে, জিভ জড়িয়ে যাচ্ছে ক্রমাগত। তবু তার মধ্যেই অসীম মনের জোরে ও ডান হাত নাড়ল, ‘ন-না ডাক্তারবাবু! বিষ কেন খেতে যাব। আমি তো … আমি তো কলেজ থেকে ফিরে একটু লস্যি আর শসা …!’

    আসল গল্প শুরু এখান থেকেই।

    রাত একটার সময় মুখার্জি বাড়ি অর্থাৎ সুরূপার বাপের বাড়ির টেলিফোনটা যখন নিস্তব্ধতা ভেঙে ঝনঝন করে বেজে উঠল, রমেন্দ্রমোহন ঘুমচোখে গিয়ে রিসিভার কানে দিলেন, ‘হ্যালো!’

    ‘হ্যালো, আমি ইন্দ্রনাথ বলছি। আপনি … আপনি শীগগিরই একবার পিজি হাসপাতালে আসুন বাবা!’

    ‘অ্যাঁ! পিজিতে? কেন? কী হয়েছে? দোলা … দোলা ঠিক আছে তো?’

    উত্তর শোনার আগেই পিঁ পিঁ শব্দে কেটে গেল ফোন। বিপর্যস্ত আতঙ্কিত রমেন্দ্রমোহন আরো দু-বার চেষ্টা করলেন, কিন্তু লাইন পেলেন না। উত্তেজনায় থরথর করে কাঁপতে কাঁপতে ওই মধ্যরাতে তিনি একাই রওনা দিলেন পিজি হাসপাতালের দিকে। স্ত্রীকে নিলেন না, পাছে কোনো দুঃসংবাদ শুনতে হয়!

    রমেন্দ্রমোহন যখন গিয়ে পৌঁছলেন, ততক্ষণে সব শেষ হয়ে গিয়েছে। তাঁদের একমাত্র আদরের কন্যা সুরূপার মৃত্যু হয়েছে। থমথমে মুখে করিডরে দাঁড়িয়ে রয়েছেন সুরূপার শাশুড়ি প্রীতিলতা ও শ্বশুর সতীনাথ।

    রমেন্দ্রমোহনের এমনিতে হার্টের অবস্থা ভালো ছিল না। সাদা চাদরে ঢাকা নিথর কন্যার দেহ দেখে তিনি আর নিজেকে সামলাতে পারলেনা, লুটিয়ে পড়লেন হসপিটালের করিডরেই।

    মূর্ছা যাওয়ার ঠিক আগের মুহূর্তে শুনলেন, ইন্দ্রনাথ এসে উপস্থিত হয়েছে। বলছেন, ‘বালিগঞ্জ থানায় এফ আই আর করে এলাম। স্ত্রী বিষ খেয়েছেন শুনে ওঁরা এখুনি আসছেন। আমি সিস্টারকে বলছি, সুরূপার জামাকাপড়গুলো দিয়ে দিতে।’

    পরেরদিন সকালে সারারাত জেগে থাকা বিধ্বস্ত রমেন্দ্রনাথ বালিগঞ্জ থানায় এফ আই আর করলেন। অত্যন্ত গুরুতর তাঁর অভিযোগ।

    ‘আমার কন্যা সুরূপাকে বিয়ের পর থেকেই নানাভাবে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হত। মৃত্যুর সামান্য আগে তাকে লস্যি আর শসা খাওয়ানো হয়েছিল। আমার স্থির বিশ্বাস, তার শ্বশুরবাড়ির লোকেরা তাকে বিষ খাইয়ে হত্যা করেছে।’

    সাংঘাতিক ব্যাপার! কলকাতার অন্যতম প্রভাবশালী পরিবারের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ? আর্থিক প্রতিপত্তি থেকে রাজনৈতিক নেতা, সবই যে তাঁদের হাতের মুঠোয়!

    ইতিমধ্যে পিজি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ডেথ সার্টিফিকেট দিয়েছেন। তাতে স্পষ্ট লেখা রয়েছে, ‘‘Cardio respiratory failure due to unknown poisoning.’’

    ময়নাতদন্তে সুরূপার পাকস্থলীতে মারকিউরিক ক্লোরাইড নামক ভয়ংকর বিষ পাওয়া গেল।

    কোথা থেকে এল এই বিষ?

    স্থানীয় থানার পুলিশ প্রাথমিক তদন্তে গিয়ে জানতে পারল, সেদিন রাতে সুরূপার মৃত্যুর পর পরই ইন্দ্রনাথ তার বমি লেগে থাকা জামাকাপড়, বিছানার চাদর বাড়ি নিয়ে চলে গিয়েছেন। শুধু তাই নয়, ইন্দ্রনাথ বালিগঞ্জ সায়েন্স কলেজে সুরূপার ল্যাবেও হানা দিয়েছেন, এবং তিনি নাকি নিঃসন্দেহ তাঁর স্ত্রী ল্যাবেই ভুলবশত কোনো বিষাক্ত রাসায়নিক খেয়ে ফেলেছেন। কিংবা হয়তো স্বেচ্ছায় খেয়েছেন, আত্মহত্যা করার জন্য।

    পুলিশ কী করবে বুঝে উঠতে পারল না।

    ততদিনে সংবাদমাধ্যমে ঝড় উঠে গিয়েছে। প্রতিদিন গোটা পশ্চিমবঙ্গের সব কাগজের প্রথম পাতা জুড়ে থাকছে সুরূপা গুহর রহস্যজনক মৃত্যুর কাহিনী। ইন্দ্রনাথ গুহর ব্যক্তিগত জীবনের নানা রসালো আলোচনা থেকে বাড়ির কাজের লোকদের অসংগতিপূর্ণ বয়ান, সব আতশ কাচের তলায় রেখে কাটাছেঁড়া করছেন সাংবাদিকরা।

    সমাজেও উঠেছে আলোড়ন। এমন উচ্চবিত্ত শিক্ষিত পরিবারের বধূর যদি এমন পরিণতি হয়, তবে নারীর সমাজে অবস্থান যে এখনো কতটা ভঙ্গুর, মেয়েদের যে কত অত্যাচারের সম্মুখীন হতে হয়, তাই নিয়ে আলোচনা চলছে সর্বত্র।

    চাপ বাড়ছে পুলিশের ওপর। জনগণের ক্রমবর্ধমান চাপের মুখে তড়িঘড়ি রমেন লাহিড়ী নামক একজনকে অপরাধী সাজিয়ে সেশান কোর্টে চার্জশীট পেশ করা হল। ভারতীয় দণ্ডবিধির 120-B, 328, 302 and 201 নম্বর ধারায়।

    কে এই রমেন লাহিড়ী? সে গুহ পরিবারের মাসমাইনে করা ড্রাইভার।

    সে বাড়ির বউকে মারবে কেন?

    ‘অসম্ভব!’ সেশান জাজ এ পি ভট্টাচার্য বলে ওঠেন, ‘এই চার্জশীট একেবারেই ভ্রান্ত। বাড়ির ড্রাইভারের মোটিভ কী? সে কেন মার্ডার করবে মিসেস গুহকে? আর তাছাড়া হাসপাতালের চাদরে মিসেস গুহর বমির স্যাম্পল পাওয়া গেছে। ওঁর খাবারে বিষ পাওয়া গিয়েছে। বাইরে থেকে এসে ড্রাইভার কী করে খাবার বিষ মেশাবে?’

    পুলিশ কোনো সদুত্তর দিতে পারেনা। যতই তারা যুক্তি দিক, শেষপর্যন্ত বিচারপতি কিছুতেই পুলিশের তত্ত্ব মানলেন না। তিনি চার্জশিট খারিজ করে দিয়ে সি আই ডি তদন্তের নির্দেশ দিলেন।

    অতএব মামলার তদন্তের ভার নিল সি আই ডি। তারা প্রথমে ঝন্টুচরণ নামক সেই চাকরকে গ্রেফতার করল। শুরু হল ঝন্টুচরণের ম্যারাথন জেরা।

    ততদিনে গোটা বাংলায় তোলপাড়। বাংলা থেকে ইংরেজি প্রতিটি সংবাদপত্রে ফলাও করে প্রকাশিত হচ্ছে সুরূপা গুহ হত্যা মামলা। স্বয়ং রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধার্থশঙ্কর রায় বললেন, ‘সঠিক পথেই তদন্ত হবে। কোনোরকম প্রভাব বরদাস্ত করা হবেনা।’

    অবশেষে সি আই ডি-র চাপে ঝন্টুচরণ মুখ খোলা শুরু করে। ধীরে ধীরে খুলতে থাকে রহস্যের জট। একে একে ডেকে পাঠানো হতে থাকে বাড়ির ঝাড়ুদার কালু নায়েক থেকে শুরু করে অন্যান্য পরিচারক পরিচারিকাদের।

    সকলেরই এক কথা, ‘বউদিমণিকে বড় অকথা কুকথা বলতেন বড়মা! দাদাবাবুও বলতেন।’

    আসামী পক্ষের আইনজীবী বললেন, ‘খুন নয়, সুরূপা আত্মহত্যা করেছেন।’

    ‘না।’ বিচারপতি খারিজ করে দিলেন সেই তত্ত্বও, ‘সুরূপাকে বাথরুমের দরজা ভেঙে যখন উদ্ধার করা হয়, তখন তিনি অসহায়ভাবে কাঁদছিলেন। তাছাড়া, মৃত্যুর আগে পিজি হাসপাতালের ডাক্তারদের কাছে সুরূপা নিজে বলে গিয়েছেন, তিনি বিষ খাননি।’

    সুরূপার দাদু রবীন্দ্রমোহন মুখার্জি অশক্ত দেহে এলেন সাক্ষ্য দিতে। বললেন, ‘ধর্মাবতার! আমার দিদিভাইয়ের ওপর অত্যাচার তো চলতই। খুনের দশ-বারোদিন আগে থেকে সেই অত্যাচার চরমে উঠেছিল। ফোনে আমাকে বলতে বলতে দিদিভাই কেঁদে ফেলেছিল। শুধু বলেছিল, আমাকে সব জিজ্ঞেস কোরোনা দাদু, তোমার হার্ট অ্যাটাক হয়ে যাবে!’

    সুরূপার মা অমিয়া মুখার্জি কান্নায় ভেঙে পড়ে বললেন, ‘ইন্দ্রনাথ প্রায়দিন রাতে ফিরে মেয়ের ওপর মদ্যপ অবস্থায় অত্যাচার চালাত! ওর শাশুড়িও নির্যাতন করত।’

    সাউথ পয়েন্ট স্কুলের বিজ্ঞান বিভাগের ল্যাবরেটরি স্টাফ ছিল সুকুমার নায়েক এবং সুবোধ দাস। তাদেরকে ডেকে পাঠানো হল।

    তারা সাফ জানাল, ‘প্রিন্সিপাল স্যার তো বটেই, আমাদের সব স্যার ম্যাডামেরই ল্যাবে ঢোকার পারমিশন রয়েছে।’

    ‘স্কুলের ল্যাবে কি মারকিউরিক ক্লোরাইড রয়েছে?’

    ‘হ্যাঁ স্যার। রয়েছে।’ মাথা হেলিয়ে উত্তর দিল সুকুমার ও সুবোধ।

    দীর্ঘ পাঁচবছর চলল Sati Kanta Guha And Anr. V State Of West Bengal on 25 July, 1977 মামলার শুনানি। উঠে এল নানা দিক, নানারকম সাক্ষ্যদান। গুহ পরিবারের পরিচিতরা থেকে টলিউডের প্রথম সারির অভিনেত্রী, নিষ্কৃতি পেলেন না কেউই।

    অবশেষে বিচারপতি রণবীর মহাপাত্র সুরূপা গুহ হত্যার জন্য ইন্দ্রনাথ গুহকে দোষী সাব্যস্ত করেন। মৃত্যুর সময়ের পোশাক বাড়ি নিয়ে গিয়ে প্রমাণ লোপাটের অভিযোগও ছিল তাঁর বিরুদ্ধে।

    সেই ঘটনার পর কেটে গিয়েছে প্রায় পঞ্চাশ বছর। ১৯৯১ সালে প্রয়াত হয়েছেন সতীকান্ত গুহ। প্রীতিলতা মারা গিয়েছেন ২০০৫-এ। সাউথ পয়েন্ট স্কুল চলে গিয়েছে বিড়লা গ্রুপের হাতে, ইন্দ্রনাথ গুহ এখন শহরের আরেক অভিজাত স্কুল গার্ডেন হাই-এর প্রতিষ্ঠাতা। বিচারপতি রণবীর মহাপাত্র প্রয়াত হয়েছেন ২০১৮ সালে।

    সময় এগিয়েছে, দেশ এগিয়েছে। আগাথা ক্রিস্টির রহস্যগল্পের চেয়েও টানটান সুরূপা গুহ হত্যা মামলা চলে গিয়েছে স্মৃতির অন্তরালে। ছিয়াত্তর সালের সেই মে মাসের রাতে কী হয়েছিল, তা আজও রহস্যাবৃত।

    তবু আজও অকালে ঝরে যেতে হয় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃতি ছাত্রী মিতা দাসকে, কিংবা ধুবুলিয়ার পায়েলকে। মেয়েরা জীবনে যত সাফল্যই অর্জন করুক, যতবারই গর্বিত করুক বাবা-মা’কে, আজও অধিকাংশক্ষেত্রে তাদের দেখা হয় দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিক হিসেবেই।

    আজও বিবাহিতা মেয়ের ছলছলে মুখ দেখলে বাবা-মা বলে ওঠেন, ‘মানিয়ে নে, মা!’

    [ কলকাতা হাইকোর্টে দায়ের হওয়া মামলা, পিটিশন, রায় এবং ৩১শে অক্টোবর, ১৯৮১ সালে প্রকাশিত ইন্ডিয়া টুডে’র একটি বিস্তারিত প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে এই সত্যঘটনাশ্রয়ী নাট্যকাহিনী। ]

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleগ্লানির্ভবতি ভারত – দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    Next Article বাবু ও বারবনিতা – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    Related Articles

    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    নির্বাচিত ৪২ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দাশগুপ্ত ট্রাভেলস – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দিওতিমা – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    ৭ শিহরণ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    অঘোরে ঘুমিয়ে শিব – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    ঈশ্বর যখন বন্দি – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }