Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মৃত্যু উপত্যকা – কাজী মায়মুর হোসেন

    কাজী মায়মুর হোসেন এক পাতা গল্প184 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মৃত্যু উপত্যকা – ১৪

    চোদ্দ

    শেষ বিকেলে বাকবোর্ডে করে লিণ্ডাকে নিয়ে শহরে পৌঁছল জিম। শর্টি জিমের ঘোড়াটা নিয়ে সঙ্গে এসেছে। ডাক্তার বেনসনের বাড়িতে লিণ্ডাকে দিয়ে রাস্তায় বেরিয়ে এল ওরা। জিমের বামকাঁধ এখনও নীল রঙের রুমাল দিয়ে বাঁধা, কিন্তু সুস্থ বোধ করছে ও এখন।

    শর্টি ঢুকেছে সেলুনে। বস্কেটের দোকানের দিকে পা বাড়াল জিম, ওর নজর কিছুই এড়াচ্ছে না। শহরে প্রচুর নতুন লোকের আমদানী হয়েছে। পাহাড়ী লোক। কেলটন পাঠিয়েছে এদের। কিছু একটা মতলব এঁটেছে লোকটা। সতর্ক হয়ে উঠল জিম। যেকোন সময় বিপদের খাঁড়া নেমে আসতে পারে ওর ওপর।

    একটা দোকানের বাইরে বেঞ্চে বসে আছে কয়েকজন পাহাড়ী লোক। প্রত্যেকে সশস্ত্র। অলস দৃষ্টি চোখে। যেন অপেক্ষারত শকুনের দল, শহরটা মরে যাবে সে আশা নিয়ে বসে আছে।

    বস্কেটের দোকানের বাইরে দাঁড়িয়ে কথা বলছে এক লালচুলো অল্পবয়সী দানব আর কুঁজো মত এক লোক। ইঁদুরের মত সরু তার চেহারা।

    জিম লক্ষ করল ওর দিকে একবার তাকিয়েই চোখ সরিয়ে নিল তারা। জিম দরজার দিকে পা বাড়ানোর পরও জায়গা থেকে নড়ল না। থামল জিম, বুঝতে পারছে এটা একটা ফাঁদ হতে পারে।

    এতক্ষণে ইঁদুরমুখোকে চিনতে পারল। শর্টি আর ওকে পাহাড়ে যারা ধাওয়া করেছিল তাদের মধ্যে এও ছিল। লোকটা নিশ্চিত ভাবেই ওকে চিনেছে। এই লোকের গুলিতেই আহত হয়েছিল জিম।

    জিমের সহজাত বুদ্ধি বলছে এটা একটা ফাঁদ। ফাঁদটা এড়ানোর চেষ্টা করা উচিত। কিন্তু চোখের সামনে লোকটাকে দেখে রাগ ওর স্বাভাবিক বুদ্ধি ঘোলা করে দিল। অন্তরে অনুভব করল, ওর পক্ষে পিছানো সম্ভব নয়। সামনে থেকে লোকটাকে সরিয়ে দোকানে ঢুকবেই ও, তাতে যদি পরিকল্পনা উচ্ছন্নে যায় তবু।

    ‘আমি দোকানে ঢুকব, স্লিম,’ নিচু গলায় বলল জিম। ‘তোমার কোন আপত্তি আছে?’

    চোখ সরু করে জিমকে দেখল লম্বা লোকটা। ‘আপত্তির কী আছে! ঢুকলে ঢোকো।’

    ‘তা হলে সরে দাঁড়াও। পথ জুড়ে আছো তুমি।’

    ‘এটা তো অন্য কথা হয়ে গেল, বন্ধু। সাইডওয়াকটা জনগণের। যেখানে খুশি সেখানেই দাঁড়াব আমি। ঘুরে যাও।’

    ‘সরবে না তুমি?’ রাগে কেঁপে গেল জিমের গলা।

    ‘না। আমাকে সরানোর ইচ্ছে জাগছে নাকি তোমার?’

    ‘জাগছে। সরো!’

    কুঁজো লোকটা মদ খেয়ে মাতাল হয়ে আছে। যেকোন সময় গোলাগুলি শুরু হয়ে যাবে। কিন্তু পিছাতে জিম অভ্যস্ত নয়।

    গায়ে পড়ে ঝগড়া বাধানোও ঠিক নয়। নিজেকে অনেক কষ্টে সামলে নিয়ে লোকটাকে পাশ কাটাল জিম। চোখের কোণে দেখল মাতালটার ঠোঁটে বাঁকা হাসি ফুটে উঠেছে। ঝটকা দিয়ে সিক্সগান বের করল ও, ঠেসে ধরল চিকন লোকটার পাঁজরে।

    ‘স্লিম, তোমাকে আমি সরে দাঁড়াতে বলেছিলাম,’ নিচু স্বরে বলল। ‘তুমি কি চাও গুলি করে পথ করে নিই আমি?’

    লালচুলো দানব দোকানের দরজার পাশে ঠেস দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। এবার সিধে হয়ে দাঁড়াল সে, সঙ্গীর বাহু ধরে সরিয়ে নিয়ে গেল। হাসছে দানব।

    ‘ওকে ঢুকতে দাও, স্লিম।’

    দরজাটা খুলে দোকানের ভেতর ঢুকল জিম, দেখল শুকনো খাবারের কাউন্টারের পেছনে দাঁড়িয়ে আছে বস্কেট। জিমকে দেখে কাঁধ থেকে রাইফেলটা নামাল সে।

    ‘ব্যাপার কী?’ জিজ্ঞেস করল জিম।

    ‘আস্ত পাগল নাকি তুমি?’ জবাবে ভ্রূ কুঁচকাল বস্কেট। ‘শহরে ওরা অন্তত পনেরোজন আছে। খুন হবার শখ চেপেছে নাকি তোমার! ভুলেও এখানে ওদের সঙ্গে লাগতে যেয়ো না।’

    ‘লাগতে যাব না? এটাই তো আমাদের সমস্যা। শান্তি বজায় রাখার চেষ্টা আমরা বড় বেশি দিন ধরে করে আসছি। আমরা যত দু’পায়ের ফাঁকে লেজ গুটাব ওরা তত বাড় বাড়ার সাহস পাবে। আর এরকম চলতে দেয়া যায় না। এখন এখানে কেন এসেছি জানো? জ্যাকফর্ক থেকে কেলটনের নামগন্ধ মুছে দেব আমি। দরকার হলে একা লড়ব। ইচ্ছে থাকলে তোমরাও যোগ দিতে পারো।’ পকেট থেকে একটা কাগজ বের করে দিল ও। ‘এই যে, যাদের সঙ্গে পেলে উপকার হবে তাদের একটা লিস্ট। যারা ঝুঁকি নিতে রাজি তারা যেন কাল দুপুরে পাইনটপে আমার সঙ্গে দেখা করে। খবরটা চেপে রেখো।’

    বস্কেট একটু ভেবে দেখল। কস্টিগ্যানের মৃত্যুর পর সে-ই শহরের শেরিফের দায়িত্ব পালন করছে। তাই বলে লড়াইতে নেতৃত্ব দেয়ার কোন ইচ্ছে তার নেই। জিম কার্সন দায়িত্বটা নিচ্ছে বলে স্বস্তি বোধ করল সে। ভয় পায়নি বস্কেট, কিন্তু মনেপ্রাণে ব্যবসায়ী সে, লড়াইতে তেমন উৎসাহ পায় না।

    ‘ঠিক আছে,’ একটু পর বলল সে। ‘কাজটা আমাদের করতেই হবে। যত আগে সারা যায় ততই ভাল।’

    ‘আমি তা হলে ম্যালোনকে বলতে যাচ্ছি। তাজা বাতাস ওর পছন্দ। যেতে চাইতে পারে ও।’

    ‘ওর সেলুনে ঢুকো না,’ সতর্ক করল বস্কেট। ‘ওখানে পাহাড়ী দস্যুরা গিজগিজ করছে। একটু পরপর ওদের ঢুকতে বেরতে দেখছি।’

    ‘ম্যালোনকে পেলে ভাল হয়,’ জবাবে বলল জিম। ‘তাছাড়া এখন আমার মনের যে অবস্থা তাতে ঝামেলা এড়াব না আমি।’

    বস্কেটের দোকানের জানালার সামনে দাঁড়াল ওরা। দেখতে পেল লালচুলো দানব তার কাঠির মত সঙ্গীকে নিয়ে ম্যালোনের সেলুনের ব্যাট উইং দরজা ঠেলে ভেতরে ঢুকে গেল।

    ‘দেখলে?’ বলল বস্কেট। ‘শহরটা প্রায় দখল করে রেখেছে ওরা। গোলমাল করার সুযোগ খুঁজছে। বিশেষ করে তোমাকে ফাঁসাতে পারলে ওরা খুশি হবে। কেলটন সম্ভবত তোমার মৃত্যু পরোয়ানা জারি করে ওদের পাঠিয়েছে।’

    ‘প্রথমে আমারও তাই মনে হয়েছিল,’ বলল জিম। ‘তারপর একটা অদ্ভুত ঘটনা ঘটল। সহজেই আমাকে গোলাগুলিতে নামাতে পারত, অথচ ওই লালচুলো লোকটা তার সঙ্গীকে তর্কের মাঝখান থেকে সরিয়ে নিয়ে গেল।’

    ‘চিকন লোকটা মাতাল। লাল চুলের লোকটা হয়তো ভেবেছে দু’জন মিলে তোমাকে শেষ করতে পারবে না। তোমার একটা নাম আছে কঠোর লোক হিসেবে। একটা হাত অকেজো থাকলেও হেলা করা উচিত হবে না বলে ভেবেছে। পাহাড়ে এমন লোক খুব বেশি নেই যে তোমার অস্ত্রের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে চাইবে।’

    ‘আমার তা মনে হয় না,’ বলল জিম। ‘আমার ধারণা কেলটন জানে একটা পরিণতি ঘনিয়ে আসছে। সেজন্যেই লোক পাঠিয়েছে সে নজর রাখতে। আমরা সংগঠিত হলে যাতে সে-খবর ওর কাছে পৌঁছে যায়। মনে হয় না শহরে লড়াই করার ইচ্ছে আছে তার। ও এমন জায়গায় আমাদের চাইবে যাতে সহজেই জিততে পারে। গোটা এলাকায় একটা দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চায় সে, কেউ যাতে আর তার বিরুদ্ধে মাথা তুলে দাঁড়ানোর সাহস না করে। আমার মত মাত্র একজন লোককে মারলে তার ফলাফল ব্যাপক হবে না।’

    ‘তা হলে লোক যোগাড়ের সময় তোমাকে সাবধান থাকতে হবে। আমাদের মধ্যে কোন পচা আপেল থাকতে পারে।’

    অধৈর্য ভাবে বাতাসে হাত ঝটকা মারল জিম। ‘পচা আপেল থাকুক আর না থাকুক, আমি কেলটনের বিরুদ্ধে নামছি। …পরে তোমার সঙ্গে দেখা হবে।’

    ‘বোকার মত কাজ কোরো না। ম্যালোনের সেলুন থেকে দূরে থাকো!’

    ‘ম্যালোনের ওখানে যাচ্ছি,’ বলে দোকান থেকে বেরিয়ে এল জিম, বোর্ডওয়াকে নেমে সেলুনের দিকে পা বাড়াল।

    সামনে তিনজন পাহাড়ী লোক দেখল ও, ওর দিকেই তাকিয়ে আছে। স্যাডল শপের সামনের বেঞ্চে বসে আছে দু’জন, অপরজন একটা খুঁটিতে ঠেস দিয়ে দাঁড়ানো। আলাপ চলছে তাদের মাঝে। হয় তিনজনের মাঝ দিয়ে জিমকে পার হতে হবে, নয়তো ঘুরে বোর্ডওয়াক থেকে নেমে পাশ কাটিয়ে যেতে হবে।

    মাঝখান দিয়ে এগোল জিম। তিনজনের সঙ্গেই চোখাচোখি হলো। বাঁকা হাসি লোকগুলোর ঠোঁটে। লোকগুলোকে পাশ কাটানোর পর পিঠের কাছটা শিরশির করে উঠল ওর, কিন্তু পিছন ফিরে তাকাল না।

    আরও কয়েক পা এগিয়ে রাস্তা পার হয়ে ম্যালোনের সেলুনে ঢুকল ও। ব্যাট উইঙের কাছে থেমে দাঁড়াল, ভেতরের আবছায়ায় চোখ সইয়ে নিচ্ছে।

    ঘরের ভেতর চোখ বুলাল ও। টানটান উত্তেজনা সেলুনের ভেতরে।

    ওর বামদিকে বারের শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে শর্টি। ডানদিকে পাঁচজন লোক, শর্টির দিকে তাকিয়ে। দেয়ালের দিকে পিঠ রেখে শর্টিও লোকগুলোকে দেখছে। হাতে বীয়ারের গ্লাস। ওর সামনে দেয়া তিনটে বীয়ারের দ্বিতীয়টায় চুমুক দিল শর্টি।

    পেছনের, বারে হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে প্যাট ম্যালোন। তেল দিয়ে চুল আঁচড়েছে সে। ঠোঁটে ঝুলছে মোটা একটা সিগার। কোমরে ঝুলছে সাদা একটা অ্যাপ্রন। হাত দুটো বুকের কাছে ভাঁজ করা। শোল্ডার হোলস্টারের খুব কাছে।

    থমথম করছে পরিবেশটা। পাহাড়ী লোকরা তাদের ড্রিঙ্কিং নিয়ে ব্যস্ত। হাসি হাসি মুখে চোখে ফাঁকা দৃষ্টি নিয়ে বীয়ারের দিকে তাকিয়ে আছে শর্টি।

    শর্টির দিকে এগোল জিম, দেখল ওর মুখে ফুটে উঠেছে স্বস্তির হাসি।

    ‘একটা বীয়ার নাও, জিম। বেশ উত্তপ্ত একটা পরিবেশ, কি বলো?’

    সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে একটা বীয়ার টেবিলে জিমের সামনে রাখল ম্যালোন। টের পেল ওকে কাভার করছে জিম। বীয়ারটা রেখে পিছু হটে আবার বারে হেলান দিল সে।

    চারপাশে নজর বুলাল জিম, একজনও ওর চোখ এড়াল না। লালচুলো দানব ওর দিকে তাকিয়ে হাসল। সহজ সাদাসিধে হাসি। ভেতরে কোন প্যাচ আছে বলে মনে হলো না। চিকন লম্বা লোকটা জিমের দিকে বিষদৃষ্টিতে তাকাল।

    ‘শহরে অনেক অতিথি এসেছে দেখছি,’ স্বাভাবিক স্বরে ম্যালোনের উদ্দেশে বলল জিম। ‘আতিথেয়তা দেখানো উচিত। দেখো তো ওরা কী মদ খাচ্ছে?’

    কী যেন বলতে গিয়েও চুপ করে থাকল ম্যালোন। একটু ইতস্তত করে তারপর বারের কোনা ঘুরে পাহাড়ী লোকদের উদ্দেশে উঁচু গলায় বলল, ‘এই ভদ্রলোক সবাইকে ড্রিঙ্ক অফার করছে। কে কী নেবে?’

    কুড়ালমুখো চিকন লোকটা নিচু স্বরে গালি দিয়ে জানাল সে যার তার পয়সায় মদ খায় না। কিন্তু হাসল লালচুলো। দরাজ গলায় বলল, ‘ধন্যবাদ। আমাকে ডাবল রাই।’

    একে একে প্রত্যেকের সামনে মদ দিল ম্যালোন, তারপর ফিরে গিয়ে লোকগুলোর মুখোমুখি হয়ে বারে ঠেস দিয়ে দাঁড়াল আবার।

    গ্লাসটা ঘুরিয়ে ভেতরের তরলটার রং দেখল লালচুলের যুবক। প্রশংসা করে বলল, ‘দামি জিনিস।’ তাকাল জিমের দিকে। ‘ধন্যবাদ তোমাকে। আনন্দে ভরে উঠুক তোমার জীবন। তোমার স্বাস্থ্য কামনা করছি।’ চুমুক দিল গ্লাসে।

    জবাবে মুখের কাছে গ্লাস নিয়ে বীয়ারে ঠোঁট ভিজাল জিম।

    ঠিক সেই মুহূর্তে বারে সজোরে চাপড় দিল চিকন লোকটা। খেঁকিয়ে উঠল, ‘ব্যাপারটা কী! আমাকে কার্সন বোকা বানাতে পারবে না।’

    চালু হাত লোকটার। ঝট করে পিস্তল তুলে আনছে। তাক করতে শুরু করেছে জিমের বুক লক্ষ্য করে। জিমের ডানহাত বীয়ারের গ্লাস ধরে আছে। বাম হাত ঢাকা নীল একটা ব্যাণ্ডানা দিয়ে। ওটার তলা থেকে বিস্ফোরিত হলো জিমের সিক্সগান।

    কাঁধে গুলি খেয়ে পিছিয়ে গেল লোকটা, একটা টেবিলে বাড়ি খেয়ে মেঝেতে পড়ল। চট করে তার বুকের ওপর বুট সুদ্ধ পা তুলে দিল লালচুলো, যাতে সে উঠতে না পারে।

    এখনও ডানহাতে বীয়ারের গ্লাস নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে জিম। বামহাতে ধরা অস্ত্রের নল থেকে পাক খেয়ে খেয়ে ধোঁয়া উঠছে।

    দেয়ালে পিঠ দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে শর্টি। বারে দাঁড়ানো চারজন পাহাড়ী লোকের ওপর তাক করে রেখেছে দু’হাতের সিক্সগান দুটো।

    ম্যালোনের হাতেও শোভা পাচ্ছে পিস্তল। লালচুলোর দিকে অস্ত্র তাক করে রেখেছে। লাথি দিয়ে সঙ্গীর হাত থেকে পিস্তল ফেলে জিমের দিকে ফিরে তাকাল লালচুলের যুবক।

    ফাঁকা চোখে জিমের নীল ব্যাণ্ডানা বাঁধা হাতটা দেখছে শর্টি। ম্যালোনের চেহারা থেকে নিস্পৃহ ভাবটা দূর হয়ে গেছে। জিম তাকিয়ে আছে লালচুলোর দিকে। হাসছে লালচুলো। হাসিটা ছোঁয়াচে, তবে চোখে তার খেলা করছে বদমায়েশী। চিকন লোকটা টলমল পায়ে উঠে দাঁড়িয়েছে।

    ‘স্লিম আর কিছু করবে না,’ জানাল লালচুলো। ‘আমি নিজে নিশ্চয়তা দিচ্ছি। মাতাল হয়ে গেছে ও।’

    জবাব দিল না জিম বা ম্যালোন। শর্টির অস্ত্র এখনও পাহাড়ী লোকদের ওপর। মুখ খুলল ও।

    ‘খারাপ লোকের সঙ্গে মিশছ তুমি, বাছা। এদের সঙ্গে ঘুরে ভাল কিছু হবে না তোমার।’

    ‘ওদের সঙ্গে এসেছি আমি,’ বলল লালচুলো। ‘ওদের সঙ্গেই থাকব।’

    ‘এধরনের আনুগত্যের কোন মূল্য নেই।’

    ‘তবু।’

    ‘দুঃখের কথা। সৎ পথে থাকলে অনেক মেয়ে তোমাকে চাইত। ভাল ব্যবহার আর সম্মান পেতে মানুষের কাছ থেকে। পাহাড়ে তা কখনও পাবে না তুমি।’

    ‘হয়তো তোমার কথাই সত্যি। তবে চোখ বন্ধ করলে একটা মেয়ে যা হাজার মেয়েও তা-ই। আমার সঙ্গিনী বিষয়ে তোমাকে বেশ দুশ্চিন্তাগ্রস্ত মনে হচ্ছে?’

    ‘হঠাৎ মনে পড়ে গেল যে কিছুদিন আগে আমি সনোরায় ছিলাম। সুন্দরী মেয়ের অভাব নেই ওখানে। লাল চুলের যুবক স্বামী পাবার জন্যে রীতিমত লড়াই করবে ওরা।’

    ‘কথাটা মনে থাকবে আমার। এদিকের কাজ শেষ হওয়ার পর হয়তো যাব সনোরায়।’

    ‘হাতে বেশি সময় নেই। অনেক কিছুই ঘটতে পারে এখানে। গেলে তোমার দেরি করা উচিত হবে না। সে যাই হোক, আমি আসলে মেক্সিকান মেয়েদের ভাল চিন্তা করেই কথা বলছিলাম।’

    ‘ধন্যবাদ, আমাকে জানানোর জন্যে।’ চিকন লোকটা একটা চেয়ারে বসেছে, সেদিকে তাকাল লালচুলো। ‘স্লিম, রওনা হচ্ছি আমরা। সাবধান থাকবে। আমি না বলতে যদি আবারও কোন বিপদে জড়াও তা হলে মনে রেখো আমি নিজে তোমাকে টাইট দেব। বেরোও, স্লিম। ছেলেরা, চলে এসো, আরও দুটো সেলুনে মদ খাওয়া বাকি।

    ঘুরে জিমের দিকে তাকাল সে, চোখে মিটিমিটি হাসি। ‘আবার দেখা হবে, বন্ধু। ড্রিঙ্কের জন্যে ধন্যবাদ।’

    চুপ করে থাকল জিম। দেখল সবাইকে নিয়ে বেরিয়ে গেল লাল চুলের যুবক। ওদের পেছনে দরজাটা বন্ধ হয়ে যাবার পর শিস দিল শর্টি।

    ‘ঝামেলাবাজ লোক দেখলে সাধারণত খুশি হই না আমি,’ জিমের দিকে তাকাল সে। ‘তবে তোমাকে ঢুকতে দেখে স্বস্তি পেয়েছি সেটা অস্বীকার করব না। তা, কবে থেকে তুমি লুকানো অস্ত্র রাখতে শুরু করলে?’

    ‘আজ থেকে। বস্কেটের বুদ্ধি। ঘটনা যা ঘটল তাতে একথা বলা যাবে না যে স্লিমকে আমি সমান সুযোগ দিইনি।’

    ‘তা বলা যাবে না,’ সায় দিল ম্যালোন। ‘বীয়ারের গ্লাস গানহ্যাণ্ডে ধরে ছিলে এমন সময় ড্র করেছে স্লিম। আমিও তৈরি ছিলাম। ওরা ঢোকার পর থেকেই ভয় পাচ্ছিলাম যেকোন সময় গোলাগুলি শুরু হতে পারে। বুঝলাম না আজকে এত ভদ্র আচরণ করল কেন। ওদের বেশিরভাগকেই দেখলাম চুপচাপ ড্রিঙ্ক করছে। মাতাল শুধু হয়েছে ওই স্লিম লোকটা।’

    ‘শর্টি, তুমি না বলেছিলে কেলটনের একজন লোকের চুল লাল? এ-ই কি সে?’

    ‘হ্যাঁ। ঝামেলা করল না কেন বুঝলাম না। কেলটনের যেকোন নির্দেশ মানবে লোকটা। ওর আচরণের কারণ আমার মাথায় ঢুকল না।’

    ‘একটাই মাত্র কারণ আছে,’ বলল জিম। ‘কয়েক মিনিট আগে সুযোগ পেয়েও আমাকে গুলি করেনি ওরা। মনে হচ্ছে কেলটন বলেছে শহরে থাকতে, কিন্তু লড়াই শুরু করার কথা বলেনি।’

    ‘সেক্ষেত্রে ওর মাথায় অন্য কোন ফন্দি আছে,’ বলল শর্টি। ‘কী হতে পারে সেটা?’

    ম্যালোনকে নিজের পরিকল্পনা খুলে বলল জিম। জানাল আগামী কাল দুপুরে পাহাড়ী দস্যুদের নিজেদের এলাকায় ঢুকবে ও।

    সঙ্গে যেতে চাইল ম্যালোন, বলল, ‘খুশি মনে যাব আমি। ছেলেদের চাঙা করার জন্যে সামান্য ভাল মদও নেব। দোকান করতে করতে ধসে গেছি একেবারে। মাঝে মাঝে তাজা বাতাস দরকার।’

    ‘গোলাগুলি মানুষকে চাঙা করে তোলে,’ হাসল শর্টি।

    ‘কিন্তু করছে কী লোকগুলো শহরে ঘুরঘুর করে?’ চিন্তিত দেখাল ম্যালোনকে। ‘ব্যাপারটা পছন্দ হচ্ছে না আমার। ভদ্র আচরণ করলে ওদের মতলব বোঝা মুশকিল।’

    ‘সময় আসুক, তখন ওদের, নিয়ে চিন্তা করব,’ বলল জিম। ‘ম্যালোন, শর্টিকে আর বীয়ার দিয়ো না। সেলুনের সব বীয়ার সেঁটে দিতে পারবে ও। আরেকটা কথা, ওর কোন কথা ভুলেও বিশ্বাস কোরো না, ঠকবে।’

    ‘শোনা কথা আমি মোটেও বিশ্বাস করি না,’ বলল ম্যালোন। ‘যা দেখি তার অর্ধেক বিশ্বাস করি। এই যেমন পাহাড়ের লোকগুলো ভদ্র আচরণ করছে, কিন্তু আচরণ বদলে যাবে না সেটা আমি বিশ্বাস করি না। কী যে মতলব আঁটছে…’

    দরজার দিকে পা বাড়াল জিম, সেলুনমালিকের মত একই কথা চিন্তা করছে। মাথা থেকে জোর করে চিন্তা দূর করে দিল। হাতে অনেক কাজ বাকি। বিকেলের পরবর্তী সময়টা কাটাল ও শহরের এখানে ওখানে ঘুরে লোকজনের সঙ্গে আলাপ করে। অলস ওর ভাবভঙ্গি, দেখে মনে হলো না কোন তাড়া আছে। ছয়টার সময় সবাইকে জানানো শেষে বস্কেটের দোকানে ফিরল ও।

    শহরের অস্বাভাবিক শান্ত পরিবেশটা ওর পছন্দ হচ্ছে না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleখুনে ক্যানিয়ন – কাজী মায়মুর হোসেন
    Next Article ধাওয়া – কাজী মায়মুর হোসেন

    Related Articles

    কাজী মায়মুর হোসেন

    অদৃশ্য ঘাতক – কাজী মায়মুর হোসেন

    July 25, 2025
    কাজী মায়মুর হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৬৮ – স্বর্ণলিপ্সা

    July 25, 2025
    কাজী মায়মুর হোসেন

    ধাওয়া – কাজী মায়মুর হোসেন

    July 25, 2025
    কাজী মায়মুর হোসেন

    খুনে ক্যানিয়ন – কাজী মায়মুর হোসেন

    July 25, 2025
    কাজী মায়মুর হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৪৮ – মৃত্যুঘণ্টা

    July 25, 2025
    কাজী মায়মুর হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৮ – মহাপ্লাবন

    July 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }