Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026

    এক বুড়ো আর সমুদ্র – আর্নেস্ট হেমিংওয়ে

    February 18, 2026

    মৃত কৈটভ ২ – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মৃত কৈটভ ১ – সৌরভ চক্রবর্তী

    কোয়েল তালুকদার এক পাতা গল্প202 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মৃত কৈটভ ১.১১

    (১১)

    রামানুজ পরীক্ষাগারের সামনে দাঁড়িয়ে আছে। চারদিকে দৌড়াদৌড়ি করতে গিয়ে যারা চোট পেয়েছে তাদের শুশ্রূষা চলছে। তাই অতিরিক্ত আধ ঘণ্টা সময়ের বিশ্রাম ধার্য করা হয়েছে। কিন্তু রামানুজের মন চঞ্চল হয়ে উঠেছে। ওদিকে গ্রামে কী হচ্ছে তা জানার কোনো উপায় নেই। বারকয়েক মোবাইল ফোনে চেষ্টা করেছে সে। কাঞ্চনকে ফোনে ধরার চেষ্টা সে করেছিল। কিন্তু জঙ্গলের এই অঞ্চলে কোনো মোবাইলেরই নেটওয়ার্ক কাজ করছে না।

    সিনহা এখন অনেকটাই শান্ত। আবার বাহিনীর সঙ্গে কথা বলার মতো মানসিক দৃঢ়তা ফিরে পেয়েছেন। ওদের সঙ্গে গিয়ে কথা বলছেন। মাঝে একবার রামানুজের সঙ্গেও কথা বলে গেছেন। দাসবাবুও কিছু চোট পেয়েছেন মাটির পাতিল টানাটানি করার সময়। পরীক্ষাগারে থাকা বিভিন্ন রকমের মেডিকেল সাপোর্টগুলো গুরুদেবই পাঠিয়েছিলেন। সেগুলো দিয়েই কারো পট্টি হচ্ছে, কাউকে পেইন কিলার দেওয়া হচ্ছে কেউ বা মলম লাগাচ্ছে।

    রামানুজ সমস্ত কিছু দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে শূন্য দৃষ্টি নিয়ে দেখছে। কখন গুরুদেব এগিয়ে এসেছিলেন তার সামনে সে বুঝতে পারেনি, “চলুন। ফেরা যাক।”

    রামানুজের সম্বিত ফিরে এল এই কথায়। সে মৃদু হেসে জিজ্ঞেস করল, “ফিরে তো আবার যুদ্ধ।”

    গুরুদেব হাসলেন। এ হাসি ক্লান্তির। বললেন, “কে জানে গ্রামে এখন কী হচ্ছে! জঙ্গলের এতটা ভিতরে আছি আমরা যে তা জানার কোনো সুযোগ নেই। আর যুদ্ধের কথা বলছো, তা ফিরে হবে, নাকি ফেরার পথে হবে নাকি আদৌ হবে না তাও জানি না। তবে ফিরতে হবে এখন। এটা জানি।”

    রামানুজ চারদিকে একবার তাকাল। প্রায় সকলেই তৈরি। ওরা রওনা দিল গ্রামের পথে। বেলা অনেকটাই গড়িয়ে গেছে। প্রায় চার ঘণ্টার পথ। ফিরতে ফিরতে সন্ধে হয়ে যাবে। প্রায় পঞ্চাশ জনের দলটা এবার একত্রে থাকার মনস্থ করেছে। যা-ই মোকাবিলা করতে হবে একত্রে করবে ওরা।

    প্রায় ঘণ্টা দেড়েক হাঁটার পর ঘটনাটা ঘটল। দলের মধ্যে গুরুদেবই কিছুটা আগে ছিলেন। এই বয়সেও তাঁর স্ফূর্তি দেখার মতো। তিনি হঠাৎ থমকে দাঁড়ালেন। তাঁর দেখাদেখি তাঁর আশেপাশের উপজাতি সৈন্যরাও থমকে গেল। রামানুজ এগিয়ে গেল তাঁর কাছে।

    “কী হয়েছে? থামলেন কেন?”

    গুরুদেব মুখে আঙুল চাপা দিয়ে চুপ থাকার ইঙ্গিত দিলেন। রামানুজ পিছনে বাকিদের নির্দেশ দিলেন। সকলে থমকে দাঁড়িয়ে পড়ল যে যেখানে ছিল। দ্বিতীয় ইশারা এল। সকলে এবার টার্গেট সেট করল চারপাশে।

    খুব সূক্ষ্ম একটা শব্দ ভেসে আসছে। গুরুদেব জঙ্গলের মাটিতে পড়ে থাকা শুকনো পাতার দিকে তাকালেন। তারপর হাঁটু গেড়ে বসে কান পাতলেন মাটিতে। পাতাগুলো কাঁপছে। দূরে কোথাও একই কম্পাঙ্কে কাঁপছে অন্য জায়গার পাতা। একটা অদ্ভুত ঘসটানি শব্দ এগিয়ে আসছে এদিকে। ধীরে ধীরে শব্দের বেগ বাড়ছে। স্পষ্ট হচ্ছে শব্দটা। গুরুদেব উঠে দাঁড়ালেন। চোখ বন্ধ করলেন তিনি। আরও এক রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের সময় উপস্থিত হয়েছে। চোখ খুলে সকলের উদ্দেশে বললেন, “তৈরি থাকুন সকলে। এক দল শয়তান এগিয়ে আসছে এদিকেই।”

    সকলে উদ্বিগ্ন হয়ে উঠল গুরুদেবের কথা শুনে। রামানুজ জিজ্ঞেস করল, “কতজন আসছে?”

    গুরুদেব তাঁর দিকে এক করুণ দৃষ্টি নিয়ে তাকালেন। রামানুজ এর অর্থ বুঝতে পারল। সে বলল, “পুরো গ্রাম!”

    গুরুদেব বললেন, “জানি না। তবে সংখ্যায় নিঃসন্দেহে আমাদের কয়েকগুণ বেশি।”

    রামানুজ আর সময় নষ্ট না করে চিৎকার করে উঠল, “গুলি মজুদ রাখুন সকলে। এক ঝাঁক শয়তান এগিয়ে আসছে আমাদের দিকে।”

    গুরুদেব কাঁপা কাঁপা গলায় বললেন, “মাথায়, শয়তানের মৃত্যু শুধুমাত্র মস্তক ছেদনে অথবা মস্তকে গুলি করলেই সম্ভব।”

    সিনহা কথাটা শুনলেন এবং ছড়িয়ে দিলেন, “ওদের মারতে হলে ঠিক মাথায় গুলি করবে সকলে। শরীরে গুলি করলেও ওদের কিছু হবে না।”

    দাসবাবু বললেন, “ওদের কামড়, আঁচড় থেকে দূরে থাকবে সকলে। ওদের রক্ত যেন আমাদের দেহের রক্তের সঙ্গে না মেশে।”

    গুরুদেবের হাতে একটা তরোয়াল তুলে দিল রামানুজ। নিজের পিস্তল উদ্যত করে তৈরি হল সে। সকলে একে একে তাগ করলেন নিজের অস্ত্র। কেউ অটোম্যাটিক অ্যাসল্ট রাইফেল, কারো হাতে কোল্ট পিস্তল, কারো হাতে তীর-ধনুক, বর্ষা, তরোয়াল এমনকি কারো হাতে কুঠার। আদিম ও বর্তমান সভ্যতার সমস্ত অস্ত্র মিলে রুখে দাঁড়াতে চাইছে মানবসভ্যতার উপরে ধেয়ে আসা বিপদের মোকাবিলা করার জন্য।

    মিনিট পাঁচেক পর ওদের দেখা গেল। একদম শুরুতে দেখা গেল সাদা বস্ত্র পরিহিত এগারোজনকে। চোখ সঙ্কুচিত হল গুরুদেবের। দলের একজন নেই। সে-ই নিশ্চয়ই এই দলের মাথা। ধীরে ধীরে ওই এগারোজনের পিছনে ফুটে উঠতে থাকল আরও অনেক শরীর। মানব চক্ষু ১৮০ ডিগ্রি অবধি সামনের দৃশ্য দেখতে পারে। ওদের সকলের দৃশ্যপটের সম্পূর্ণ অংশজুড়ে দেখা গেল গ্রামের লোকেরা ধেয়ে আসছে এদিকে। ওদের গতি স্লথ, শরীরে মোচড় স্পষ্ট। ওরা যত এগিয়ে আসতে থাকল তত ওদের অবয়ব স্পষ্ট হতে লাগল। প্রত্যেকেই নিজের স্বাভাবিক আকারের চেয়ে বড় আকৃতি লাভ করেছে। শরীর হচ্ছে পেশীবহুল।

    রামানুজ গুরুদেবকে জিজ্ঞেস করল, “জীবাণু দেহে প্রবেশ করলেও তো এক বছর সময় নেয়। এত তাড়াতাড়ি কীভাবে হচ্ছে এসব?”

    গুরুদেব ঢোক গিললেন। বললেন, “মহৌষধি প্রস্তুত হয়ে গেছে। হে

    ভগবান! তুমিই রক্ষা করবে এখন।”

    ততক্ষণে ওরা আরও এগিয়ে এসেছে। বাহিনীর একজন বলল, “স্যর ওরা টার্গেট জোনে ঢুকে পড়েছে। আপনি অর্ডার দিন।”

    রামানুজ গুরুদেবকে জিজ্ঞেস করলেন, “আপনি নিশ্চিত তো যে ওরা আর মানুষ নয়। সম্পূর্ণ শয়তান!”

    গুরুদেব এবার তাঁর বজ্রনির্ঘোষ কণ্ঠে বললেন, “পুরোপুরি শয়তান হলে আমরা কোথায় আছি তা খুঁজে বের করার মতো বুদ্ধি বা চেতনা ওদের থাকত না। তবে এটা ঠিক যে ওরা আর স্বাভাবিক মানুষ নন। আমি জানি ওখানে আমাদের বহু প্রিয় মানুষ বা পরিচিত মানুষ আছেন। কিন্তু আমি নিশ্চিত ওরা আর কোনোদিন স্বাভাবিক জীবনে ফিরবেন না।”

    রামানুজ এই কথাটার জন্যেই অপেক্ষা করছিল। সে সিনহাকে ইশারায় নিজের নির্দেশ স্পষ্ট করল। সিনহা চিৎকার করে উঠলেন, “ফায়ার।”

    কথাটা বলার সঙ্গে সঙ্গে গর্জে উঠল সমস্ত অটোম্যাটিক অ্যাসল্ট রাইফেল। টানা গুলিবর্ষণে কেঁপে উঠল জঙ্গল। সামনে এগিয়ে আসা শয়ে শয়ে শয়তানদের শরীরে বিদ্ধ হতে থাকল গুলি। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় শরীর ঝাঁঝরা হয়ে গেলেও ওরা এগোতে থাকল। সকলে আশ্চর্য হয়ে গেল। “স্টপ ফায়ারিং। বন্ধ করো।”

    দু-রাউন্ড গুলিবর্ষণের পর সিনহা বন্ধ করলেন গুলি চালনা। রিলোড করা হল রাইফেলগুলো। রামানুজ ভালোভাবে লক্ষ্য করল এত গুলি বর্ষণের পর শুধুমাত্র যাদের মাথায় গুলি লেগেছিল তারাই আর কোনো নড়াচড়া না করে মাটিতে পড়ে আছে। বাকিদের শরীর দিয়ে রক্তধারা বইলেও ওরা একইভাবে স্লথ গতিতে তাদের ভয়ংকর চেহারা নিয়ে এগিয়ে আসছে।

    “সিনহা শুধু মাথায় টার্গেট করতে বলো। গুলি নষ্ট হচ্ছে আমাদের।”

    সিনহা সেই মতো জওয়ানদের নির্দেশ দিল, “মাথায় মাথায়।”

    “স্যর, এখনও হেডশট নেবার মতো রেঞ্জে আসেনি ওরা। তাই আমরা

    শুধুমাত্র গুলিবর্ষণ করছিলাম। যেগুলো র্যান্ডমলি মাথায় লেগেছে সেগুলোতেই তাই শুধু কাজ হয়েছে।”

    “বেশ তৃতীয় রাউন্ড শুরু করো। হেডশট নেওয়ার মতো পজিশনে আসতে আসতে অনেক দেরি হয়ে যাবে। ফায়ার।”

    এবার যথাসম্ভব শরীরের উপরের দিকে তাগ করে গুলি ছোড়া হল। এবার এতে কিছুটা কাজ হল। আগেরবারের চেয়ে অধিক শয়তান ভূ-পতিত হল। স্তব্ধ হল ওদের নড়াচড়া। দু-রাউন্ড শেষে সিনহার নির্দেশে আবার বন্ধ হল গুলিবর্ষণ।

    এবার একটা আশ্চর্য ঘটনা ঘটল।

    প্রত্যেক শয়তান তার কোঁচড় থেকে বের করল একটা ছোট শিশি। দূরত্ব এখন অনেকটাই কম। গুরুদেব, রামানুজসহ সকলে দেখলেন যে ওই শিশির ভিতর আছে সবুজাভ হলুদ বর্ণের তরল। সেই তরল ওরা সকলে একসঙ্গে গলায় চালান করল। তারপরের কিছু সময় ওদের শরীরে ঘটল অদ্ভুত পরিবর্তন। এমনকি এক সময় ওরা মাটিতে বসে পড়ল। আর্তনাদ করে উঠল সকলে। অদ্ভুত প্রাণীগুলোর চিৎকারে কেঁপে উঠল জঙ্গল। জঙ্গলের প্রাণীরা যে যেখানে পারল দৌড়ে পালাবার চেষ্টা করল। বানরগুলো গাছের মাথায় জুড়ে দিল চিৎকার। জঙ্গলের শেয়ালগুলো গর্তে ঢুকে পড়ল। একটা অস্বস্তিকর ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হল।

    কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই ওদের আর্তনাদ বন্ধ হল। তাদের শিরা বরাবর দেখা গেল অদ্ভুত সবুজাভ আলোর ছটা বিদ্যুতের মতো পরিবাহিত হচ্ছে। পরমুহূর্তেই ওরা সবাই সংঘবদ্ধভাবে উঠে দাঁড়াল। ওরা আবার এগোতে শুরু করল। একই তাল একই ছন্দ, ভাঙা হাড়গোড় নিয়েও ওদের হাঁটতে কোনো অসুবিধে হচ্ছে না। এবার ওদের স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে, দূরত্ব খুব বেশি হলে চল্লিশ ফুট। গুরুদেব দেখতে পেলেন যে ওদের চোখ দুটো সম্পূর্ণ সাদা নয়। প্রত্যেকের একটায় মণি বর্তমান অন্যটা সাদা।

    সিনহা এবার গর্জন করলেন, “হেডশট।”

    এবার হেডশট করা শুরু করল জওয়ানরা। পরপর শয়তানগুলো মাটিতে পড়তে শুরু করল। এরই মাঝে একজন সাদা বস্ত্র-পরা শয়তান, যে বারোজনের দলের অংশ ছিল সে দৌড়ে এসে এক সিপাহীর উপর লাফ দিয়ে পড়ল। এত দ্রুত ঘটল ঘটনাটা যে কেউ কিছু করতে পারল না। সিপাহী নিজেকে রক্ষা করার চেষ্টা করলেও শয়তানের শক্তির কাছে হার মানল। তার গলায় শয়তান বসিয়ে দিল তার দাঁতের সারির আলপনা। গল গল করে রক্ত বেরোতে আরম্ভ করল। ব্যথায় কোঁকড়ে উঠল সেই সিপাহী। ঘটনার আকস্মিকতায় আশেপাশের অনেকেই বিহ্বল হয়ে গিয়েছিল। তার মধ্যে রামানুজও ছিল। সম্বিত ফিরে পেতেই নিজের কোল্ট পিস্তল চালিয়ে দিল সে। শয়তানের মাথায় লাগল বুলেট। সে মাটিতে পড়ে গেল। কিন্তু পরক্ষণেই ঘটল অন্য বিস্ময়কর ঘটনা। যে সিপাহীটিকে আক্রমণ করা হয়েছিল তার দৈহিক পরিবর্তন শুরু হয়ে গেল। তার দেহের মোচড়, চোখের মণি সাদা হয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটল তড়িদগতিতে। রামানুজ

    একবার গুরুদেবের দিকে তাকাল। তারপর ওই সিপাহীর মাথা লক্ষ্য করে গুলি করে দিল।

    এবার আর সময় নেই। সিপাহীর ভয়াবহ পরিণতির পর বাকিরাও ভয় পেয়ে গেছে। একদম কাছে চলে এসেছে ওরা। পরপর গুলি করেও মারা যাচ্ছে না আর সবাইকে। ওরা এবার ধরে ফেলবেই। উপজাতি সিপাহীরা তীর ছুড়ছে, তরোয়াল দিয়ে ভয় দেখাচ্ছে, বর্ষা ছুড়ছে এক আধজনের মাথা লক্ষ্য করে। কিন্তু প্রয়োজনের তুলনায় তা অপ্রতুল।

    এবার রামানুজ নির্দেশ দিল, “ধীরে ধীরে পিছু হটতে থাকো সকলে, গুলি চালানো যেন বন্ধ না হয়।”

    এবার ধীরে ধীরে গোটা দল এক পা এক পা করে পিছনে হাঁটতে শুরু করেছে। গুলিবর্ষণ বন্ধ হয়নি, তাতে অনেক শয়তান মারাও যাচ্ছে। কিন্তু এই বৃহৎ শয়তানের দলের সামনে পঞ্চাশজনের দল কিছুই না। তার মধ্যে সকলের হাতে বন্দুক নেই। এভাবে গুলি চালাতে থাকলে আর মিনিট দশেকই গুলি ফুরিয়ে যাবে।

    এক আধটা শয়তান গতিবেগ বাড়িয়ে সামনে চলে আসছে। কখনো গুরুদেব, কখনো অন্য কেউ তরবারির আঘারে ছিন্ন করছে তার মস্তক। কিন্তু এভাবে আর বেশি সময় আটকে রাখা যাবে না ওদের। আরও মিনিট কয়েক কাটল।

    এক জওয়ান বলল, “স্যর গুলি শেষ হয়ে আসছে। এখানে দাঁড়িয়ে থাকলে নিশ্চিত মৃত্যু হবে আমাদের।”

    অন্য আরেকজন বলল, “অর্ডার দিন স্যর।”

    রামানুজের শার্ট ঘেমে ভিজে উঠেছে। জুলপি বরাবর দরদর করে ঘাম নামছে মাথা দিয়ে। কী সিদ্ধান্ত নেবে বুঝতে পারছে না সে। নিশ্চিত পরাজয়ের মুখে দাঁড়িয়ে আছে সে। বাকিদেরও অবস্থা একইরকম। রামানুজ অসহায়ের মতো দৃষ্টি নিয়ে গুরুদেবের দিকে তাকাল।

    গুরুদেব চুপ করে দাঁড়িয়ে পড়েছেন এক জায়গায়। তিনি কি হার স্বীকার করে ফেলেছেন। না, তিনি আবার একটা শব্দ শুনতে পেয়েছেন। ধীরে ধীরে তাঁর মুখ উজ্জ্বল হয়ে উঠছে। রামানুজ বুঝতে পারল না এর অর্থ। চিৎকার করে জিজ্ঞেস করল, “গুরুদেব, কী করবো এখন?”

    গুরুদেব মাথার উপর আঙুল দিয়ে নির্দেশ দিলেন, “রক্ষা কবচ আসছে। রক্ষা কবচ আসছে। আর চিন্তা নেই।”

    রামানুজ তাঁর আঙুল অনুসরণ করে উপরের দিকে তাকালো। জঙ্গলের গাছেদের জন্যে আকাশ প্রায় দেখাই যায় না। শুধু মাঝের অংশে গোলাকৃতি আকাশ অল্প দেখা যাচ্ছে। আর সেখানেই দেখা যাচ্ছে এক ঝাঁক কালো বিন্দু।

    ওদের দেখাদেখি বাকিরাও তাকালো উপরে। কিছু একটা তীব্রগতিতে এগিয়ে আসছে এদিকে। কয়েক মুহূর্তের মধ্যে বোঝা গেল ব্যপারটা। এক ঝাঁক ঈগল উড়ে আসছে নীচে। রুদ্ধশ্বাস গতিবেগ ওদের ডানায়।

    তীক্ষ্ণ ফলার মতো ঠোঁট আর প্রকাণ্ড ডানা নিয়ে আহত সহস্র ঈগলের দল ছুটে আসছে নীচে।

    গুরুদেব চিৎকার করলেন, “পিছিয়ে যাও সকলে। পিছিয়ে যাও। ওরাই শেষ করে দেবে ওদের।”

    গুরুদেবের নির্দেশের পরে যে যেখানে ছিল সেখান থেকে দৌড় শুরু করল। পিছনে শয়তানের দল ধাওয়া করার চেষ্টা করলেও পারল না। শত সহস্র ঈগল পাখি নেমে এসে বাঁধা দিল তাদের। সে কী সুতীব্র সুতীক্ষ্ণ ডাক।

    বুকের ভিতরে কাঁপন ধরছে সেই ডাক শুনে। এই ডাক শুনেই একদিন ভয় পেয়েছিল চোরা পথে বাংলাদেশে যেতে চাওয়া দলের ছেলেরা। আজ এই ডাক এত কাছ থেকে শুনে ভয়ে মুখ শুকিয়ে যাচ্ছে সবার। ঝাঁকে ঝাঁকে ওরা নেমে আসছে।

    কী বীভৎস সেই ক্রুদ্ধ ঈগলদের প্রতিকৃতি। ওরাই এই জঙ্গলের প্রকৃত পাহারাদার। অসৎ উদ্দেশ্য নিয়ে যারা এই জঙ্গলে প্রবেশ করবে তাদের সেই মূল্য দিতেই হবে। প্রাণ বিসর্জন করে দিতে হবে সেই মূল্য।

    দীর্ঘদেহী ঈগলের ডানার ঝাপটায় প্রায় প্রত্যেকটা শয়তান মাটিতে পড়ে গেল। আবার উঠার চেষ্টা করল তারা। ততক্ষণে ঈগলগুলো তাদের বুকে

    উঠে বসেছে। শয়তানগুলোও জাপটে ধরার চেষ্টা করছে পাখিগুলোকে কিন্তু ঈগল ধরা কি এতই সহজ।

    ইত্যবসরে রামানুজ সবাইকে নিয়ে অনেকটাই সুরক্ষিত দূরত্বে পৌঁছে গেছে। সেখানে দাঁড়িয়ে সমস্তটা অভিজ্ঞ চোখে একবার জরিপ করল রামানুজ। তারপর ভাবল, এটাই শেষ সুযোগ। ঈগলেরা যতক্ষণ ওদের লড়াইয়ে জড়িয়ে রাখবে সেই ফাঁকে ওদের মাথায় গুলি করে ওদের শেষ করে দেওয়াই যায়।

    সে আর সময় নষ্ট না করে জওয়ানদের উদ্দেশে বলল, “ঈগলেরা ওদের ঘিরে রয়েছে। এরই মাঝে আমরা ওদের মাথা লক্ষ করে গুলি করতে থাকব। খেয়াল রেখো কোনো ঈগলের গায়ে যেন গুলি না লাগে। ওরা আমাদের সাহায্য করতে নেমে এসেছে।”

    ব্যস জওয়ানেরা ভয় পেলেও ময়দান ছাড়তে নারাজ ছিল। ভারতীয় জওয়ানরা জয় ছাড়া কিছু বোঝে না। তারা তৎক্ষণাৎ পজিশন নিয়ে নিল।

    আগামী আধ ঘণ্টায় উপজাতি সিপাহীরা এক অভূতপূর্ব দৃশ্য দেখল। ঈগলদের বাঁচিয়ে রেখে ভারতীয় বাহিনী সুনিপুণ হাতে একের পর এক শয়তানদের মাথায় গুলি করতে লাগল। আধ ঘণ্টার বিপুল কর্মযজ্ঞ শেষে ওখানে আর একটা শয়তানও বেঁচে রইল না।

    রামানুজসহ সকল জওয়ান দাঁড়িয়ে পড়ল। উলটোদিকে এক পাল ঈগল মৃতদেহের উপরে বসে রইল। ঈগলগুলোর ঠোঁটে রক্তের দাগ। এই দৃশ্য অভাবনীয়, দুইদিকে দুইরকম জীব। পাখি ও মানুষ। ওরা মিলিতভাবে সদ্য একটা যুদ্ধ জিতেছে।

    গুরুদেব ঈগলেদের উদ্দেশ্যে প্রণাম করে বললেন, “জয় গন্দবেরুন্দার জয়।”

    উপস্থিত সকলে মিলে বললেন, “জয়… জয় গন্দবেরুন্দা।” রামানুজ নিজের পিস্তলটা আকাশের দিকে তুলল। অন্যান্য জাওয়ানরাও তাই করল।

    তারপর সকলে মিলে আকাশের দিকে একবার গুলি চালাল। ঈগলদের অভিবাদন জানাতেই এই উদ্যোগ।

    ঈগলেরাও এরপর উড়ে গেল আকাশে। যেভাবে হঠাৎ ঝাঁকে ঝাঁকে

    নেমে এসেছিল ঠিক সেভাবেই ওরা আবার উড়ে চলল দিকশূন্যপুরের দিকে। নীল আকাশে কালো কালো বিন্দুর মতো দেখা গেল ওদের।

    একসময় ওরা আকাশেই কোথাও মিলিয়ে গেল। হয়ত উড়ে চলে গেল পাহাড়ের দিকে। আর দেখা গেল না ওদের।

    অল্প সময়ের ঘটনা। তবু সকলের মনটা খারাপ হয়ে এল। আত্মীয় বিয়োগের মতো তিরতিরে একটা দুঃখ ছড়িয়ে পড়ল মনের মধ্যে।

    কিন্তু এখানেই তো কাজ শেষ হয়নি। গ্রামে পৌঁছাতে হবে।

    গুরুদেব বললেন, “দেখে তো মনে হচ্ছে গ্রামে আর কেউ বেঁচে নেই। চলুন গ্রামে চলুন।”

    রামানুজ একবার অস্ফুটে বলল, “এখানে তো হেমন্তাই নেই। তিনি কোথায় কে জানে?”

    সকলে গ্রামের দিকে রওনা দিলেন। ফেরার পথে পায়ের মধ্যে যাতে মৃত শয়তানদের রক্ত না লাগে তাই ওরা ঘুরে অন্যদিক দিয়ে হাঁটতে শুরু করল। গ্রামে পৌঁছাতে অন্তত তিন ঘণ্টা হাঁটতে হবে ওদের।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমায়াজাতক – অমৃতা কোনার
    Next Article মৃত কৈটভ ২ – সৌরভ চক্রবর্তী

    Related Articles

    কোয়েল তালুকদার

    দাঁড়াও সময় (কাব্যগ্রন্থ) – কোয়েল তালুকদার

    January 6, 2026
    কোয়েল তালুকদার

    মাধবীরা কেউ নেই – কোয়েল তালুকদার

    January 5, 2026
    কোয়েল তালুকদার

    শুক্লপক্ষের তারা – কোয়েল তালুকদার

    August 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Our Picks

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026

    এক বুড়ো আর সমুদ্র – আর্নেস্ট হেমিংওয়ে

    February 18, 2026

    মৃত কৈটভ ২ – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }