Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026

    এক বুড়ো আর সমুদ্র – আর্নেস্ট হেমিংওয়ে

    February 18, 2026

    মৃত কৈটভ ২ – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মৃত কৈটভ ১ – সৌরভ চক্রবর্তী

    কোয়েল তালুকদার এক পাতা গল্প202 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মৃত কৈটভ ১.৮

    (৮)

    রাত ক-টা বাজে সেদিকে আর খেয়াল নেই। গত বারো বছরের একটানা ধকল এবার শেষ হবার পথে।

    শুধু বারো বছর বললে ভুল বলা হয়। জন্মাবধি শুধু এই লক্ষ্যেই কাজ করে গেছে সে। নিরলস পড়াশোনা, শারীরবিদ্যা, অস্ত্রশিক্ষা। আবাসনের ছাত্রদের মধ্যে অন্যতম শ্রেষ্ঠ হবার দৌড়ে সবসময় এগিয়ে থাকার জেদ। স্বপ্ন পূরণের জন্য শুধু অধ্যবসায় থাকলে হয় না। প্রয়োজন জেদ আর আত্মবলিদানের। যখন তার বয়সীরা খেলাধূলায় মেতে উঠেছিল কিংবা প্রথম যৌবনে নারীর স্বাদ পেতে মরিয়া হয়ে উঠেছিল, তখনও সে তার স্বপ্ন পূরণের পথ থেকে সরে আসেনি। ধীরে ধীরে সমস্ত ছাত্রদের মধ্যে শ্রেষ্ঠত্বের শিরোপা তার মাথাতেই উঠল। শুধু তাই নয়, ভাগ্যও তার সঙ্গে ছিল।

    কে কোন বছর দেবতার সংস্পর্শে আসবে তা ঠিক করেন গুরুদেব।

    গুরুদেব কোনো কারণে তাকে একদম শেষ বছরে দেবতার সংস্পর্শে আসার জন্য চয়ন করলেন।

    ফলে আরও কিছু বছর জীবনের স্বাদ, গন্ধ নেওয়ার সুযোগটা পেয়েছিল সে।

    আজ পরীক্ষাগারের বাইরে একটি চেয়ারে বসে সে সম্পূর্ণ জীবনটা নিয়ে ভাবছে। তার সামনে বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে বনভূমি। অল্প দূরে কারাগার থেকে ভেসে আসছে তার এগারো সঙ্গীর গোঙানির শব্দ। কিছু সময় আগে তাদের কাঁচা মুরগী দিয়ে এসেছিল। এতক্ষণে নিশ্চয়ই শেষ করে ফেলেছে তারা। আবার হয়ট ক্ষিদে পেয়েছে তাদের। আজ রাতের শেষ খাবারটা দিয়ে আসতে হবে।

    মাঝে মাঝে তারও শরীরটা কীরকম যেন করছে। অনেক কষ্টে নিজেকে এখনও সামলে রাখা যাচ্ছে। তবে আর বেশিদিন নয়। সে বুঝতে পারছে যে সময় তো হয়ে এল।

    গোঙানিটা বেড়েই চলেছে। চিন্তাসূত্র বারবার ছিন্ন করে দেয় এই রুক্ষ জান্তব গোঙানি। কত ছোটবেলায় মায়ের সঙ্গে পুকুরঘাটে যাবার কথা মনে পড়ছে তার। মনে পড়ছে বিকেলের দিকে সড়কের ওপাশের জঙ্গলে পাখি দেখতে যাবার কথা। ওদিকটায় নানারকম পাখি এসে বসত বিকেলে। ঝাঁকে ঝাঁকে রঙিন নাম না জানা পাখি। বাবা বেশিদিন বাঁচেনি। বাবা মারা যাবার পর পাখিরাও কোনো কারণে আসা বন্ধ করে দিল। বিকেলের একান্ত আপন অবকাশটুকুর প্রয়োজনও ফুরিয়ে গেল। আর কিছুদিন পর সাঁপের কামড়ে মা-টাও মরে গেল। গ্রামের লোক ঘরদোর জবরদখল করে নিল অল্প দিনের মধ্যেই। ততদিনে অবশ্য ঘরের প্রয়োজনও তার ফুরিয়েছে। আবাসনে পাকাপাকিভাবে জায়গা করে নিয়েছে সে।

    মাঝে মাঝে যখন শরীরটা খিঁচুনি দিয়ে জানান দেয় যে হাতে আর বেশি সময় নেই, কেন জানি এখন শুধু মা আর বাবার মুখটার কথা মনে পড়ে তার।

    মাঝে মাঝে ভাবে সবই তো হল, দেবতাকে প্রায় বারো বছর ধরে সামনে থেকে দেখা, বিগত এক বছর ধরে দেবতার সেবা করা, তাঁর নির্যাস সংগ্রহ করা, তাঁর সঙ্গে তাঁর মন্দিরে বসবাস করা সবই হল- শুধু আরেকবার যদি মা-বাবার সঙ্গে দেখা করা যেত! যদি বাবার হাত ধরে পাখি দেখতে যাওয়া যেত। পাখিরা কি আর আসে ওদিকের জঙ্গলটায়!

    একটা জন্তু ভীষণভাবে গুঙিয়ে উঠে। নাহ, আর বসে থাকা যায় না। চেয়ার ছেড়ে উঠে বসে সে।

    কারাগারের দিকে এগিয়ে যায় সে। নিশুতি রাতে কনকনে ঠান্ডা হাওয়া বইছে। এই অংশটায় ভাঙা চাঁদের আলো আজ অল্প পৌঁছাচ্ছে। কুয়াশায় ঢেকে আছে আকাশ। তবুও আলোর কোনোনকমতি নেই এখানে। গন্দবেরুন্দার দেহ নিঃসৃত পদার্থের আলোক ছটায় চারদিক উজ্জ্বল। কয়েক হাজার পাওয়ারের বালব জ্বালানো হয়েছে যেন। এই পদার্থের হাজার হাজার গুণ। শুধু একটাই দোষ। মানুষকে মানুষ থেকে সত্যিকারের শয়তানে পরিণত করে।

    কারাগারের সামনে একটা বালতিতে ডাঁই করে রাখা আছে কাঁচা মুরগীর মাংস। বালতিটা তুলে এগিয়ে গেল সে। পরপর এগারোটা কারাগার।

    দু-ফুট পুরু দেওয়াল দিয়ে দিয়ে একটা কারাগারকে অপরটা থেকে আলাদা করা হয়েছে। এই জানোয়ারের গায়ে অনেক জোর। পাঁচ ইঞ্চির দেওয়ালকে গায়ের জোরেরি ধসিয়ে দিতে পারে এরা। লোহার শিখগুলো একেকটা অসম্ভব রকমের মোটা। নিদেনপক্ষে পঞ্চাশ এম এম ব্যসের তো হবেই। তার পিছনের একেকটা জানোয়ারের বাসা। খাবারের গন্ধ পেয়ে দাঁড়িয়ে গেছে সকলে। গোঙানি হয়েছে তীব্র। প্রথম প্রথম তার একটু ভয় ভয় করত। কিন্তু এত বছরের সেই ভয় মরে গেছে। সে জানে আর কয়েকদিনে সেও পরিণত হবে এরকম জানোয়ারে, যার বোধ বিবেচনা, বুদ্ধি, মানবিকতা কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না। শুধুমাত্র বন্য জিঘাংসা কাজ করবে মাথায়।

    বিশেষ পদ্ধতিতে তৈরি ছিদ্রের মাধ্যমে প্রত্যেকটা কারাগারের ভিতর দু-টো করে আস্ত মুরগী ফেলতে থাকে সে।

    সকলকে দেওয়া হয়ে গেলে বাইরে এসে দাঁড়ায়। বাইরে থেকে সবগুলো কারাগারের ভিতরে দৃশ্য দেখা যাচ্ছে।

    মানুষের মতো দেখতে একেকটা হিংস্র প্রাণী কাঁচা মুরগীগুলোকে খুবলে খাচ্ছে। কেউ বা খাচ্ছে সরাসরি চিবিয়ে। হাত গড়িয়ে রক্ত পড়ছে। কালো কালো দাঁটের মাড়িগুলো রক্তে ভরে উঠছে। কাঁচা মাংস চিবোচ্ছে তারা। চোখ বলে আলাদা করে কিছু নেই। সমস্তটাই ডিমের সাদা অংশের মতো হয়ে গেছে। শরীরের একটা হাড়ও আর আস্ত নেই। তবুও কারাগার খুলে দিলে এরা এগিয়ে হেলতে দুলতে এগিয়ে আসবে। যাকে পাবে তাকেই ছিড়ে খাবে এরা। এদের শুধু মাংস চাই। খাদ্য চাই এদের। অসীম ক্ষুধা ছাড়া আর কোনো অনুভূতি এদের শরীরে অবশিষ্ট নেই।

    সে দেখতে দেখতে ভাবতে থাকে যে আর কিছুদিনের মধ্যে সেও পরিণত হবে এরকম বোধবুদ্ধিহীন ক্লীবে। ক্ষুধা ছাড়া আর কোনো অনুভূতি কাজ করবে না। সারা জীবনের পরীক্ষা নিরীক্ষা, গবেষণা, শারীরবিদ্যা, অস্তিশিক্ষা সমস্ত কিছুর পরিসমাপ্তি এরকম নিষ্ঠুর হবে ভেবে একবার কেঁপে উঠল সে।

    তারপর মনে পড়ল তার তো এসব একদিনের বেশি সহ্য করতেও হবে না। শেষ মুহূর্তে যখন শরীর জবাব দিয়ে দেবে, সমস্ত সত্তায় চেপে বসবে এক অজ্ঞাত দানব তখন প্রথমেই সকলকে খুলে দিতে হবে কারাগার থেকে। ধীরে ধীরে ততক্ষণে সেও জানোয়ার হয়ে মিশে যাবে এই ভিড়ে। গ্রামে তখন চলছে যজ্ঞ। ক্রিয়ার প্রভাবে সেই অভিমুখেই হাঁটবে ওরা সবাই। আর সেখানে পৌঁছানো মাত্র একটাতীরের ফলা এসে বিধবে মাথায় কিংবা তলোয়ারের ধারালো কোপ এসে বসবে গলায়। ব্যস, খেলা শেষ।

    হঠাৎ করেই তার মনে হতে লাগল এই পরিণতির জন্যই কি তিল তিল করে গড়ে তুলেছিল নিজেকে!

    নিজের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের পর, গ্রামের জন্য-মানবসভ্যতার জন্য সমস্ত বলিদানের পর শুধুমাত্র একটা তীরের ফলা প্রাপ্তি হবে তার!

    নিজেকে প্রশ্ন করল সে- “একদিন এটাই তো তোর স্বপ্ন ছিল।”

    নিজের ভিতর থেকেই উত্তর এল, “না না, এটা স্বপ্ন ছিল না। স্বপ্ন ছিল শ্রমিক শ্রেষ্ঠ হবার। গ্রামের জন্য, মানবসভ্যতার জন্য কাজ করার। যদি মরেই গেলাম, উহু ভুল “যদি হত্যাই করা হল আমাকে, তবে আমি কীসের শ্রেষ্ঠ!

    দেবতা গন্দবেরুন্দা নিজের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করতেই এই অবতার নিয়েছিলেন। তবে আমি কেন আমার শ্রেষ্ঠত্ব বিসর্জন দিয়ে মৃত্যু বরণ করবো।

    গ্রামের জন্য এত কিছু করার পর যদি ওরা আমাকে একটা তীরের ফলাই উপহার দেয়, তবে আজ থেকে সেই কাজ, সেই মনোভাব পরিবর্তন করলাম।”

    কথাগুলো নিজের মনে ভাবতে ভাবতে হাতে ধরে রাখা লোহার বালতিটাকে মুচড়ে ফেলে সে। তার শরীরে কিছু পরিবর্তন হচ্ছে। সে দাঁড়িয়ে থাকতে পারে না। দুই হাঁটু গেড়ে বসে পড়ে। ধাতব বালতি হাত থেকে খসে পড়ে শুনশান জঙ্গলে। অদ্ভুত ধাতব শব্দে কেঁপে উঠে জঙ্গল। মাটিতে বসে সে মাটি খামচে ধরেছে। তার শরীরে রক্তসঞ্চালন বেড়ে যাচ্ছে। পেশি ফুলে উঠছে। সে বুঝতে পারছে তার দেহ আর তার বশে

    থাকতে চাইছে না। সে একবার উঠে দাঁড়াবার চেষ্টা করে। কিন্তু পারে না, শরীরের হাড়গুলো যেন ভিতরে নড়াচড়া শুরু করে দিয়েছে। কিন্তু আজ যদি তার দেহে সম্পূর্ণ পরিবর্তন ঘটে যায়, তাহলে অনর্থ হয়ে যাবে। হাতে তো আরও কয়েকটা দিন বাকি ছিল।

    সে নিজেকে যথাসম্ভব নিজের আয়ত্তে রাখার চেষ্টা করে। মাটিতে ঝিম ধরে বসে থাকার ব্যর্থ চেষ্টা চালায়।

    তার মাথা ঘুরছে, জিভ শুকিয়ে এসেছে, চোখে ঝাপসা দেখছে সে। মণির পরিবর্তন হয়েছে কি হয়নি বোঝা যাচ্ছে না।

    অবিরত সে আঙুল দিয়ে মাটি খুড়ে চলেছে সে। প্রথমাবস্থায় প্রায় তড়িদগতিতে নখরের বৃদ্ধি ঘটে। সেটা আটকায়াতেই সে মাটি খুড়ে চলেছে প্রাণপণে। মাটির সঙ্গে ঘষায় নখ বাড়লেও সঙ্গে সঙ্গে ক্ষয় প্রাপ্ত হচ্ছে।

    দাঁতের মাড়িতে অদ্ভুত একটা কিড়মিড় শুরু হয়েছে। গলার শিরা ফুলে ঢোল।

    সে এবার প্রাণপণে চিৎকার করে উঠল, যেন নিজের সত্ত্বার সর্বশেষ সঞ্চিত শক্তিটাও খরচ করে ফেলল সে। তারপর ঝিমিয়ে পড়ল মাটিতে। বড় বড় শ্বাস ফেলতে লাগল সে। তার চিৎকার শুনে কারাগারের জানোয়ারগুলো অব্দি খাওয়া বন্ধ করে তার দিকে তাকিয়ে আছে। গোঙানি বন্ধ করেছে তারা।

    আর তখনই দেখা গেল প্রাণীটাকে। কারাগারে বন্দিরাই প্রথমে ঘ্রাণ পেল সেই প্রাণীর। ওরা ঘ্রাণের মাধ্যমে প্রাণীটার দিক নির্দেশনের চেষ্টা করল। কারাগারের চারদিকে শুঁকতে লাগল ওরা। তারপর সকলেই বুঝতে পারলো বিপদ আসছে ডানদিক ধরে।

    যেখানে মাটিতে ঝিমিয়ে পড়ে আছে এক উপজাতি যুবক, তার থেকে দশ হাত দূরে জঙ্গলের উত্তর পশ্চিম কোন থেকে ধীর পায়ে এগিয়ে আসছে প্রাণীটা।

    এবার যুবকের কানেও শব্দটা এল। প্রাণীটা মুখে অদ্ভুত গর গর শব্দ করছে।

    সে মাথা তোলার চেষ্টা করে কিন্তু মাথাটাকে খুব ভারী মনে হচ্ছে তার। সে কোনো মতে মাথাটা তুলে। তারপরেই আবার মাথাটা নেমে আসে নীচে। সে মাথা তুলে ধরে রাখতে পারে না।

    মুহূর্তের মধ্যে তার মাথা নীচে নেমে এসেছে ঠিকই। কিন্তু এরই মধ্যে সে যা দেখার দেখে নিয়েছে।

    তার দিকে খুব ধীর পায়ে এগিয়ে আসছে একটা হিংস্র শৃগাল। দাঁতগুলো বের করে রেখেছে সে।

    ঠান্ডায় শেয়ালের মুখ দিয়ে ধোঁয়া বেরুচ্ছে। গরর গরর শব্দ করতে করতে এগিয়ে আসছে প্রাণীটা।

    আজকে রাতের জন্য নিশ্চিত শিকার পাওয়া গেছে। আর যেহেতু শেয়াল তাই সে কখনো একা আসবে না।

    আপাতত সে এদিকে একা আছে। কিন্তু অচিরেই যে একটা আস্ত শেয়ালের দল এখানে চলে আসবে তা বলাই বাহুল্য।

    এই একটা শিকারে আজকে দলের অর্ধেকের পেট আশাকরি ভরে যাবে। আপাতত একটাই এগিয়ে আসছে তার দিকে।

    মাটিতে ঝিমিয়ে বসে রইল সে। উঠার শক্তিটুকু নেই, সেখানে পালাবার প্রশ্ন আসে না।

    এভাবে শেয়ালের খাদ্যে পরিণত হতে সে আগ্রহী নয়। মাথা ধীরে ধীরে কাজ করা শুরু করে দিয়েছে তার।

    পূর্বের দুর্বলতা ধীরে ধীরে কাটছে ঠিকই, কিন্তু সম্পূর্ণ সুস্থ বোধ ফিরে আসেনি।

    হাতের কাছে কোনো অস্ত্র নেই যা দিয়ে প্রাণীটাকে ভয় দেখানো যায়। সে বসে বসেই ভাবতে লাগল।

    মোক্ষম সময়ে বুদ্ধির চেয়ে বড় অস্ত্র আর কিছু নেই। শেয়ালটা আর পাঁচ কদম দূরে আছে। এক্ষুনি ঝাঁপিয়ে পড়বে।

    পিছনে একটা গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। আরও কিছু গরর গরর শব্দধ্বনি ভেসে আসছে এখন।

    হয়ত অন্য শেয়ালেরা ইতিমধ্যে এসে পৌঁছে গেছে এখানে। আর দুয়েকটা সেকেন্ডের মধ্যেই যুবকের টুটি চেপে ধরবে শেয়ালটা।

    ঠিক তখনই মাথা তুলে তাকাল যুবক। সে এক মায়াময় দৃষ্টি স্থাপন করল শেয়ালটার উপর।

    এভাবে শিকার মাথা তুলে তাকানোতে শেয়ালটা ঝাঁপানোর আগে দাঁড়িয়ে পড়ল। অদ্ভুতভাবে দুই অসম বান্ধব প্রাণী একে অপরকে দেখছে।

    তারপর যা হল তা একেবারেই অনভিপ্রেত ছিল। দু-হাত বাড়িয়ে সে শেয়ালটাকে কাছে ডাকল।

    মুখ দিয়ে চুক চুক করে শব্দ করতে লাগল সে, যেন কত বছরের পোষ্য এই প্রাণী।

    অদ্ভুত এক সম্মোহনী দৃষ্টি নিয়ে সে তাকিয়ে ছিল প্রাণীটার দিকে। প্রাণীটার চোখের মণির রঙটা ঈষৎ পালটে গেল কি! অন্ধকারে স্পষ্ট বোঝা গেল না। তবে যেটা হল সেটা ছিল আরও অদ্ভুত ও অনাকাঙ্ক্ষিত।

    শেয়ালটার মুখের হিংস্র ভাব কমে গেল, সে মুখ দিয়ে চাপা গর্জন করা বন্ধ করল।

    তারপর ধীরে ধীরে এগিয়ে গেল যুবকের দিকে। এ এক অদ্ভুত দৃশ্য! যুবক কাছে ডেকে মাথায় হাত দিল শেয়ালটার।

    পরম আদরে কাছে টেনে বসাল প্রাণীটিকে। প্রাণীটাও জিভ বের করে আনুগত্য প্রকাশ করল।

    দূর থেকে অন্য শেয়ালগুলো ধীরে ধীরে এক অজানা সুরে শব্দ করতে শুরু করল। খুব চঞ্চল হয়ে উঠেছে শেয়ালের দল।

    কিন্তু সামনের দৃশ্যে সমস্ত কিছু শান্ত। এক মানব সন্তান এক জন্তুকে পোষ মানাচ্ছে।

    নীরবতা ভঙ্গ করে যুবক বলল, “কেন এলি এদিকে? এখানে তো বন্য প্রাণীদের আসা যাওয়া বারণ। খামোখা এলি। যা চলে যা।”

    মাথায় বিলি কেটে কথাগুলো বলল যুবক। শেয়ালটাও নির্বিবাদে সেই স্নেহমাখা সম্ভাষণের পরিবর্তে লেজ নেড়ে আনুগত্য প্রকাশ করল।

    “আমি এবার উঠব। অনেক কাজ বাকি। আমার হাতে আর বেশি সময় নেই রে। যাহ যাহ, চলে যা।”

    যুবক উঠে দাঁড়াতে চেষ্টা করে। শরীরের দুর্বলতা তার প্রায় কেটে গেছে। কিন্তু উঠতে গিয়ে বাঁধা পায় সে।

    শেয়ালটা তার গায়ের কাছে এসে ঘেঁষে বসেছে। নতুন মনিবকে ছেড়ে থাকার ইচ্ছে নেই তার।

    ওদিকে শেয়ালের দল কোনো কারণে কান্না জুড়েছে। জঙ্গলের উপরে এক ফালি চাঁদ প্রমাদ কুয়াশার পাতলা চাদরে নিজের লজ্জা নিবারণে ব্যস্ত।

    “কী হল, উঠতে দিবি না আমাকে!”

    শেয়াল এবার এর উত্তরে একবার শুধু তীক্ষ্ণ দাঁতের রেখা দেখিয়ে অল্প গর্জন করার চেষ্টা করল।

    হ্যাঁ চেষ্টাই করল, তার কারণ পরমুখাপেক্ষী সেই যুবক শেয়ালের দুটো চোয়াল হাতের মধ্যে ধরে চিড়ে ফেলল শেয়ালটাকে।

    চোখের পলক পড়ার আগেই ঘটে গেল এই ঘটনা। যুবক মুহূর্তের ভগ্নাংশে শেয়ালের দুটো চোয়াল ধরে উঠে দাঁড়াল আর চিরে ফেলল তাকে।

    দু-ভাগ হয়ে গেল প্রাণীটা। যুবকের সাদা কাপড় রক্তে লাল হয়ে গেল।

    বর্তমানে তার এক চোখে মণি বর্তমান, অপর চোখ সম্পূর্ণ সাদা। গর্জন করছে সেই যুবক।

    সেই গর্জনে শেয়ালের দল ভয় পেয়ে পিছিয়ে পড়ছে। সঙ্গীর এই পরিণতি তাদের মনেও ভয়ের সৃষ্টি করেছে।

    গায়ে ছিটকে পড়া শেয়ালের কাঁচা রক্ত জিভ দিয়ে চেটে খেল সে।

    শেয়ালের দল আর এক মুহূর্ত দেরি না করে সেই স্থান সদলবলে ত্যাগ করল। জঙ্গলে শুধু ঝিঁঝিঁর ডাক শোনা যাচ্ছে।

    কারাগারের বন্দিরাও হঠাৎ স্তব্ধ হয়ে গেল।

    কিছু মুহূর্তের ব্যাপার। তারপরেই যুবক মাথা ঘুরিয়ে পড়ে গেল মাটিতে। জ্ঞান হারিয়েছে সে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমায়াজাতক – অমৃতা কোনার
    Next Article মৃত কৈটভ ২ – সৌরভ চক্রবর্তী

    Related Articles

    কোয়েল তালুকদার

    দাঁড়াও সময় (কাব্যগ্রন্থ) – কোয়েল তালুকদার

    January 6, 2026
    কোয়েল তালুকদার

    মাধবীরা কেউ নেই – কোয়েল তালুকদার

    January 5, 2026
    কোয়েল তালুকদার

    শুক্লপক্ষের তারা – কোয়েল তালুকদার

    August 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Our Picks

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026

    এক বুড়ো আর সমুদ্র – আর্নেস্ট হেমিংওয়ে

    February 18, 2026

    মৃত কৈটভ ২ – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }