Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026

    এক বুড়ো আর সমুদ্র – আর্নেস্ট হেমিংওয়ে

    February 18, 2026

    মৃত কৈটভ ২ – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মৃত কৈটভ ২ – সৌরভ চক্রবর্তী

    সৌরভ চক্রবর্তী এক পাতা গল্প131 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ব্রহ্মপদার্থ – ১০

    (১০)

    ১৯৯৩ সাল। শীতকাল। এবারে কালো গুহামুখ এসে থামল জঙ্গলের ভেতরে। সেখান থেকে যাত্রীরা সবাই বাইরে বেরিয়ে যাওয়া মাত্র অন্তর্ধান হল গুহামুখ সময় যন্ত্র। জঙ্গল হলেও খুব একটা গভীরে নয়। আবছা গ্রাম দেখা যাচ্ছে।

    “কাকে খুঁজতে হবে এখানে?” দুর্গা জিজ্ঞেস করল।

    সকলে রামানুজের দিকে তাকাল। রামানুজ মুচকি হেসে বলল, “এবার আগে এই সময়ের গুরুদেবের সঙ্গেই দেখা করতে হবে।”

    গুরুদেব হো হো করে হেসে উঠলেন, “আমার সঙ্গেই আমার দেখা! এই সময় কেমন ছিলাম নিজেরই মনে নেই।”

    কাঞ্চন বলল, “আমি তখন একেবারেই নেই।”

    দুর্গা তাল মেলাল, “আমিও নেই ওই সময়ে।”

    “চলো আশ্রমে যাই।” রামানুজ ওদের বলল।

    গ্রামের রাস্তায় যখন হাঁটতে শুরু করল তাদের দিকে অনেকের ঘুরে ঘুরে তাকাচ্ছে। রামানুজ বস্তাটা কাঁধে করে নিয়ে চলেছে। কেউ যেন ঘুণাক্ষরেও জানতে না পারে যে এতেই আছে পৃথিবীর সর্বাপেক্ষা শক্তিশালী পদার্থ।

    নয়ের দশকের জামাকাপড়ের সঙ্গে বাকিদের জামাকাপড়ের মিল থাকলেও রামানুজের আঁটোসাঁটো পোশাক একেবারেই আলাদা। আর তাছাড়া গুরুদেবকে এবারেও অনেকে চিনতে পেরেছে বলে কেউ কিছু বলছে না।

    সোজা আশ্রমে এসে উঠল তারা। উঠোনে দাঁড়িয়ে একজন ছাত্রকে ডেকে গুরুদেব কিছু একটা বলতেই সে ছুটল ভেতরে। গুরুদেব সামনে ছিলেন না। ছাত্রটি তাঁকে ডাকতে তিনি প্রায় দৌড়ে এলেন।

    এ এক দৃশ্য বটে। এই সময়কালের গুরুদেব এগিয়ে চলেছেন ভবিষ্যতের গুরুদেবের দিকে। দুজন মুখোমুখি দাঁড়ালেন। একে অপরকে নিরীক্ষণ করে চলেছেন। একজন দেখছেন ভবিষ্যতে তিনি কেমন হবেন আর অপরজন দেখছেন অতীতে কেমন ছিলেন।

    “ভেতরে আসুন… এসো।”

    এই সময়কালের গুরুদেব ভবিষ্যতের জনকে ডাকলেন। সঙ্গে বাকিরাও এল।

    কার্যালয়ে এসে বসল সকলে। উৎসাহী আশ্রমবাসীদের জন্য দরজা বন্ধ করে বসলেন তারা।

    ভবিষ্যতের গুরুদেব সমস্ত ঘটনা যথা সম্ভব সংক্ষেপে বললেন। এই সময়কালের গুরুদেব বললেন, “আমার জীবদ্দশায় যে আবার এই যন্ত্রটা চালাবার প্রয়োজন পড়বে সেটাই তো ভাবিনি। আর কেউ না জানুক আমি তো জানি যে এই সময়যাত্রা সম্ভব। কিন্তু আবার কর্কটের সঙ্গে দেখা হবে ভেবেই অস্থির লাগছে।”

    রামানুজ বলল, “এই সব আটকানো যেতে পারে। যদি আমরা আজ কৈটভের মা আর বাবার বিয়েটাই না হতে দিই সেক্ষেত্রে কৈটভের জন্মটাই মিথ্যে হয়ে যাবে। এখান থেকে কাহিনি অন্য ধারায় বইতে থাকবে।”

    বর্তমান সময়কালের গুরুদেব বললেন, “আপনারা সবাই নিশ্চিন্ত থাকুন। এই বিয়ে হচ্ছে না। ফলে এই সময়রেখার আগে ও পরে কৈটভের অস্তিত্ব শূন্য হয়ে যাবে।

    সকলেই এটা শুনে আশ্বস্ত হলেন। ভবিষ্যতের গুরুদেব বললেন, “আসি এখন। আমাদের অনেক কাজ বাকি।”

    আশ্রমের উদ্যানে এসে দাঁড়াল সকলে। রামানুজ বলল, “এবার সরাসরি ১৯৭৫ সালে যেতে হবে। ব্রহ্মপদার্থ পরিবর্তনের আগের দিন, জগন্নাথ পুরী ধাম।

    আশ্রমের উদ্যানের ঠিক মাঝখানে দাঁড়িয়ে সবুজ তরল ছিটিয়ে দিলেন গুরুদেব। কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই কালো গুহামুখের সৃষ্টি হল। সকলে তার

    ভেতরে যেতেই গুরুদেব আর একটা টেস্ট টিউব কালো যন্ত্রের উপর ভাঙলেন।

    পরবর্তী কিছুসময়ের মধ্যে আশ্রমের সকলের চোখের সামনে থেকে উবে গেল সমস্ত গুহামুখটা। গুরুদেব হাসিমুখে সেদিকে তাকিয়ে দেখলেন তাঁরই করা আবিষ্কারের সাফল্য।

    তারপর গুরুদেব ডাকলেন তাঁর অতি বিশ্বস্ত দুই আশ্রমীকে। “ভামরি ও কুলুটভা-কে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে আয়।”

    “কেন গুরুদেব? কিছু হয়েছে?”

    “হয়নি, হবে। বিয়ে আটকালেও বাচ্চা হতে পারে। তার চেয়ে সাপের মা-বাবাকে মেরে দেওয়াই ভালো। ওসব বুঝবি না তোরা। আমাদের শাস্তি কক্ষে নিয়ে যা ওদের। আমি আসছি একটু পর।”

    ১৯৭৫ সাল একটা সাল বটে। পুরীর রাস্তার পাশে একটা খোলা মাঠে যখন নামল ওরা তখন মাঠ থেকে লাইন দেখা যাচ্ছে।

    “কীসের লাইন ওটা?” কাঞ্চন স্বভাব সুলভ প্রশ্ন করে।

    “শোলে রিলিজ করেছে। তখন মানে এখন এই ১৯৭৫-এ তো সব সিঙ্গেল স্ক্রিন ছিল। টিকিটের মারামারিটা আলাদা লেভেলের হত। আচ্ছা গুরুদেব হিসেব মতো আর কতটা টাইম আছে?”

    রামানুজের প্রশ্নে গুরুদেব বললেন, “আমাদের ২০২৪-এর হিসেবে সময় আর প্রায় নেই। তাতেই এখানের চুরি শেষ করে আবার ফিরতে হবে ২০৩৫ সালে। প্রধান কারিগর আর কিছু সেকেন্ড পরেই প্রতিস্থাপন করবেন ব্রহ্মপদার্থ।”

    ওরা আলো থাকতে থাকতেই পৌঁছে গেলেন পুরীর মন্দিরের সেই গুপ্ত প্রকোষ্ঠের কাছে।

    বেদি সরিয়ে ভেতরে ঢুকতে হলে রাতের বেলাতেই করতে হবে। সুতরাং ওরা এদিক-ওদিক হাঁটতে লাগল।

    তখন মোবাইল নামক মারণাস্ত্র হাতে না থাকায় মানুষজন একে অপরের সঙ্গে কথা বলছে, কানে একটা হেডফোন না দিয়ে হাঁটছে, বিশুদ্ধ হাওয়ায় শ্বাস নিচ্ছে, প্রকৃতিকে অনুভব করছে।

    রামানুজ চারদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা মানুষদের দেখছিল যা আজকের

    দিনে প্রায় দুর্লভ।

    রাত বাড়ল। লোক চলাচল কমে এল। একসময় যখন এদিকটা একেবারে শুনশান হয়ে গেল তখন চার মূর্তি ধীরে ধীরে বেদিটার কাছে গিয়ে বসল।

    কাঞ্চন আর দুর্গা বেদিটার দুদিকে টানতেই খুলে গেল রাস্তা। রামানুজ বলল, সবাই ঢুকে লাভ নেই। বরং আমি যাচ্ছি। যথাসম্ভব তাড়াতাড়ি ফিরব।”

    গুরুদেবও বললেন, “হ্যাঁ। এটাই ভালো হবে। সবাই গেলে দেরি হবে।”

    রামানুজ ঢুকে গেল ভেতরে। সে বেদিটাকে ভেতর থেকে লাগিয়ে দিল। বাকিরা শহরের দিকে চলে গেল। আজ রাতে একটা যা হোক আস্তানা খুঁজে নেবে তারা।

    রামানুজ দেখল এবারে এই রাস্তা অনেকটাই পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন। ২০৩৫ সালে এই একই রাস্তা অনেক বেশি ধুলোময় ছিল। সে কোনোভাবে এগোতে থাকে টর্চের সাহায্যে। পিঠের মধ্যে সে বেঁধে নিয়েছে বস্তাটা।

    ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাস। কৈটভ অস্থির হয়ে উঠেছে।

    “আর কতক্ষণ সময় বাকি? আমার মনে হয় ওরা এতক্ষণে চুরি করে ফেলেছে ব্রহ্মপদার্থ।”

    ঠাকুরদার মাথায় একজন নাতি ছাতা ধরে আছে। তিনি একটা চেয়ারে বসে আছেন। চোখ বন্ধ করে কিছু একটা ভাবছিলেন। ওই অবস্থাতেই বললেন, “আরো সাত মিনিট বাকি আছে। যা হবে সাত মিনিট পর। মিথ সংঘ নিজের কথা পালটায় না কৈটভ।”

    “কিন্তু ততক্ষণে ওরা যদি আমাদের ফাঁকি দিয়ে পালায়।” ঠাকুরদা হাসলেন।

    “আমার আর গুরুদেবের মধ্যে একটাই পার্থক্য। গুরুদেব আবিষ্কার করে থেমে যান, আর আমি আবিষ্কারকে আপডেট করি। কই হে বাক্সটা আনো।”

    একজন নাতি একটা কালো বাক্স নিয়ে এল। ঠাকুরদা সেটা হাতে নিয়ে অদ্ভুত কায়দায় খুলে ফেললেন। সিনহা সাহেবও উৎসুক হয়ে পড়লেন সেটা দেখার জন্য। কিন্তু কাছে এলেন না।

    কৈটভ বাক্সটা হাতে নিয়ে দেখল একটা গোল চাকতি।

    “এটা কী? কী হয় এটা দিয়ে?”

    ঠাকুরদা নির্লিপ্ত থেকে বললেন, “টাইম ট্র্যাকার।”

    কৈটভের চোখ চকচক করে উঠল, “তার মানে…”

    ঠাকুরদা কেড়ে নিলেন তার মুখের কথা, “তার মানে ওরা কোথায় কোথায় গেছে তা সহজেই আমরা জানতে পারব। চিন্তার কোনো কারণ নেই।”

    হাসি ফুটল কৈটভের চোখে। এ হাসি প্রশান্তির নয়, সর্বগ্রাসী হাসি।

    ২০২৫-এর নিরিখে এই ছোটো ঘটনা চলার মধ্যেই ১৯৭৫-এ একদিন কেটে গেছে। ২০৩৫ এ কেটেছে কয়েক সেকেন্ড মাত্র। এ এক আজব সময়ের ডাইমেনশন।

    রামানুজ এখন লুকিয়ে দেখছে প্রধান কারিগর মই বেয়ে উঠেছেন পুরোনো শ্রীবিগ্রহ থেকে ব্রহ্মপদার্থ বের করবেন বলে। সেটা তিনি হাতে নেওয়া মাত্র নীল আলোয় ভরে উঠল গর্ভগৃহ। এরই মধ্যে রামানুজ দেখল একটা ছোটো বাচ্চাও আছে আজ গর্ভগৃহে।

    রামানুজের মনে পড়ল বাল্মীকি মহারাজের কথা। বাচ্চাটা যে শিশু বাল্মীকি তাতে সন্দেহ নেই। এরই মাঝে বাইরে একটা শব্দ হল।

    প্রধান কারিগর কেঁপে উঠলেন। কেউ একজন তাঁকে ডাকলেন, “বাইরে এসো। অযাচিত মানুষ ঢুকে পড়েছে। ব্রহ্মপদার্থ রেখে বাইরে এসো।”

    প্রধান কারিগর কিছু বুঝে উঠতে না পেরে বাচ্চাটিকে বললেন, “বাল্মীকি তুমি দস্তানা পড়েছ?”

    “হ্যাঁ দাদা মহারাজ।”

    “চোখে কাপড় দিয়েছ?”

    “হ্যাঁ দাদা মহারাজ।”

    “তোমার হাতে আমি ব্রহ্মপদার্থ দিচ্ছি। সাবধানে ধরে রাখতে হবে? ভবিষ্যতে তোমাকেই সামলাতে হবে এই গুরু কাজ। আজ তার শুরুয়াত হচ্ছে। পারবে?”

    বাচ্চাটি দৃঢ় স্বরে বলল, “পারব দাদা মহারাজ।”

    প্রধান কারিগর শিশু বাল্মীকির হাতে ব্রহ্মপদার্থ দিয়ে কয়েক মুহূর্তের জন্য গর্ভগৃহ ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন।

    রামানুজ কালবিলম্ব না করে ক্ষিপ্রতার সঙ্গে বেরিয়ে এল প্রকোষ্ঠ থেকে। ব্রহ্মপদার্থকে এই প্রথম সে নিজের চোখে দেখল। নীল আলোর প্রখরতায় চোখে ধাঁধা লেগে যাচ্ছে। এ এক অদ্ভুত পদার্থ।

    যত তাড়াতাড়ি রামানুজ কাজটা করবে ভেবেছিল সেটা তত তাড়াতাড়ি করা গেল না। ব্রহ্মপদার্থকে নিজের চোখে দেখছে সে। এ এক আশ্চর্য হৃদপিণ্ড। ক্রমাগত তড়িৎ সৃষ্টি হচ্ছে এর চারদিকে। শক্তির বিচ্ছুরণ ঘটছে। পদার্থটা কাঁপছে শিশুর হাতে।

    রামানুজ নতজানু হল এই পদার্থের সামনে। সে শ্রীকৃষ্ণের হৃদয়কে প্রণাম করল।

    তারপর ধীরে ধীরে বস্তা থেকে বের করল ২০৩৫ সালের ব্রহ্মপদার্থ। দু-দুটো ব্রহ্মপদার্থের আলোয় দৃষ্টি ধরে রাখতে পারা যাচ্ছে না। এক হাতে ১৯৭৫-এর ব্রহ্মপদার্থ তুলে নিয়ে অন্য হাতে রেখে দিল ২০৩৫-এর অধিক শক্তিশালী ব্রহ্মপদার্থ। বস্তায় ঢুকিয়ে নিল ১৯৭৫-এর ব্রহ্মপদার্থটিকে।

    শিশু বাল্মীকি কিছু বুঝতেও পারল না। রামানুজ তখনই শব্দ পেল, প্রধান কারিগর আসছেন। সময় আর নেই।

    এক্ষুনি ঢুকেই রামানুজের সঙ্গে ধাক্কা খাবেন তিনি। রামানুজ আঁতকে উঠল। প্রধান কারিগর ততক্ষণে ঢুকে পড়েছেন।

    রামানুজ এক লাফে প্রকোষ্ঠের দিকে সরে গেল। মাইক্রোসেকেন্ডের জন্য দুজনের ধাক্কা লাগল না।

    প্রধান কারিগর শিশু বাল্মীকির হাত থেকে তুলে নিলেন ব্রহ্মপদার্থ। রামানুজ কোনো শব্দ না করে ধীরে ধীরে প্রকোষ্ঠে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দিল।

    সকলের চোখ বাঁধা থাকায় কেউ ধরতে পারল না।

    প্রকোষ্ঠের বাইরের রাস্তার দিকে পা বাড়াল রামানুজ। কিছুদূর চলার পরেই সে দেখতে পেল প্রকোষ্ঠে কয়েকজন মানুষ। সে থমকে দাঁড়িয়ে গেল।

    অন্ধকারে এমনিতেও স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে না। সে বস্তাটা পিঠের সঙ্গে বেঁধে নিল। হাতে নিল রিভলভার। একজন মানুষ এদিকেই এগিয়ে আসছে।

    পকেট থেকে টর্চটা বের করল এবার। ততক্ষণে লোকটা আরও এগিয়ে এসেছে। টর্চটা জ্বালতেই রামানুজ আশ্চর্য হয়ে গেল।

    “গুরুদেব আপনি?” গুরুদেব এগিয়ে এসেছেন ততক্ষণে।

    “কাল শহরে যাবার পথে মনে হল কয়েকজন আমাদের সন্দেহ করছে। তবে এর পেছনে কাঞ্চনের একটা মুর্খামি আছে। সে শোলে সিনেমার একটা পোস্টার নিয়েছিল দেওয়াল থেকে খুলে। তখনই ওরা পিছু নিয়েছিল। তাই আর শহরে যাইনি। ওদের রাস্তায় ঘোরাতে ঘোরাতে হঠাৎ করে আমরা এই এলাকায় চলে আসি আর বেদি সরিয়ে প্রকোষ্ঠে ঢুকে পড়ি। নিরাপদভাবে চব্বিশ ঘণ্টা কাটানো দিয়ে কথা। কাটিয়ে দিলাম।

    “তাহলে ভেতরে আসেননি কেন? আমি সারাদিন ওখানে একা ছিলাম।” গুরুদেব হেসে বললেন, “এখন আড্ডা মারার সময় নয়, তাই আসিনি। এবার চলো।”

    সকলেই গুরুদেবের কথায় হেসে ফেলল। গুরুদেব বললেন, “এবার আবার ভবিষ্যত যাত্রা। ২০৩৫-গিয়ে বাল্মীকি মহারাজের হাতে তুলে দিতে হবে ১৯৭৫-এর ব্রহ্মপদার্থ।”

    হঠাৎ রামানুজ গুরুদেবের হাত ধরে ফেলল, “আমি ব্রহ্মপদার্থ দেখেছি গুরুদেব। এটা অসম্ভব শক্তিশালী একটা বস্তু। কোনোভাবে এটা কৈটভের হাতে লাগলে অনর্থ হয়ে যাবে।”

    “সেই সমস্যা দূর করতেই তো তুমি প্যারাডক্সের আশ্রয় নিয়েছ। অল্টারনেট কাহিনি অতীতে এতক্ষণে নিশ্চয়ই শুরুও হয়ে গেছে। ২০১১-তে হেমন্তাই কৈটভকে জঙ্গলে যেতে দেয়নি। ১৯৯৩-এ কৈটভের মা-বাবার বিবাহ ঘটেনি। ইতিহাস পালটে গেছে। আমার মনে হয় আমরা ফিরে গেলেও ওরা আর কিছুও করতে পারবে না। শুধু মৃত কৈটভ আর গন্দবেরুন্দার খোলস আমাদের হাতে চলে এলে কৈটভ শক্তিহীন হয়ে পড়বে।”

    রামানুজ মাথা নাড়ল।

    “আমিও তাই চাই গুরুদেব। যা যা করার করে দিলাম। চলুন ২০৩৫ সালে।”

    ওরা যখন যাত্রার প্রস্তুতি করছে তখন ২০২৪-এ কৈটভ সময় দেখছে।

    “আর এক মিনিট বাকি।”

    “আপনাকে আমি কয়েকজনকে নিয়ে আসতে বলেছিলাম। ওরা কোথায়?”

    ঠাকুরদা বললেন, “এখনও এক মিনিট সময় বাকি।”

    “আমি কিন্তু এরপর আর অপেক্ষা করব না।”

    “আমি আর তোমাকে অপেক্ষা করতে বলবও না।”

    “আমার কৈটভ বাহিনী কোথায়?”

    ঠাকুরদা নাতিদের হাত দিয়ে ইশারা করলেন। ওরা কয়েকজন গুহামুখের পিছন দিকে চলে গেল।

    কুড়ি সেকেন্ডের মাথায় একটা বাক্স নিয়ে হাজির হল তারা। বাক্সটাকে রাখা হল গুহামুখের ঠিক সামনে।

    ঠাকুরদা পকেট থেকে নিজের লাইটারটা বের করে একটা সিগারেট ধরালেন। তারপর লাইটারের মাথাটা উলটে একটা বোতামে টিপলেন। সঙ্গে সঙ্গে বাক্সটা বড়ো হতে লাগল। পূর্ণাঙ্গ হবার পর কৈটভ-সহ সকলে দেখল একটা গরাদের সৃষ্টি হয়েছে।

    তার ভেতরে রয়েছে কৈটভ বাহিনী। প্রত্যেকেই মৃত কৈটভের কারণে অধিক শক্তিশালী এবং অধিক হিংস্র। বহুদিন পর ওরা ওদের ঈশ্বর কৈটভকে দেখতে পেয়েছে। গরাদের ভেতর থেকে হাত বাড়িয়ে ওরা শব্দ করতে লাগল।

    সিনহা ভয় পেয়ে কয়েক কদম পিছিয়ে গেল। ফোর্স নিজের হাতে অস্ত্র তুলে নিল। কিন্তু সিনহা সবাইকে অস্ত্র সংবরণ করতে বলল।

    কৈটভ ঠাকুরদার দিকে তাকাল। তিনি শুধু নিজের হাতের লাইটারটা দেখিয়ে বললেন, “এনলার্জার। আমার আবিষ্কার। ওদের প্রথম থেকে এখানে এনে প্রকৃত সাইজে রেখে দিলে কাজে বিঘ্ন ঘটত।”

    কৈটভ বাঁকা হাসি হাসল। দু-হাত দেখিয়ে তালি দিল। প্রশংসা করল ঠাকুরদার। ঠাকুরদা শব্দ করে হাসলেন।

    কৈটভ এগিয়ে গেল তার কৈটভ বাহিনীর দিকে। ওরা কৈটভকে দেখতেই দাঁত-মুখ খিঁচিয়ে এগিয়ে এল। গরাদের ভেতরে থাকায় কেউ কৈটভকে ছুঁতে পারছে না। তাদের ঈশ্বর তাদের সামনে দাঁড়িয়ে আছে। এর জন্যই তারা এখনও জীবিত।

    “আজ আবার ধ্বংসলীলা চালাতে হবে। তৈরি হও তোমরা।” কৈটভ বাহিনী হুংকার দিয়ে চিৎকার করে উঠল।

    ততক্ষণে ২০৩৫-এ পৌঁছে গেছে রামানুজ। সোজা ওরা অবতরণ করেছে সুড়ঙ্গের ভেতরে। বাল্মীকি মহারাজ অপেক্ষা করছিলেন। তাদের দেখেই বললেন, “আপনারা এত তাড়াতাড়ি এলেন কীভাবে? এই মাত্র তো গিয়েছিলেন।”

    রামানুজ দৌড়ে তাঁর হাতে ১৯৭৫ সালের ব্রহ্মপদার্থটা দিল। “আপনি আগে এটা যথাস্থানে দিয়ে আসুন। পরে সব বলছি।”

    বাল্মীকি মহারাজ আর দেরি করলেন না। দস্তানা পরে সোজা বেরোলেন প্রকোষ্ঠের বাইরে। এখনও প্রধান কারিগরের হাতে আছে কৃত্রিম পদার্থ। সন্তর্পণে সেটা সরিয়ে বসিয়ে দিলেন আসল ব্রহ্মপদার্থ। তারপর ফিরে এলেন প্রকোষ্ঠের ভেতরে। দরজা আটকে দিলেন।

    বাল্মীকি মহারাজ এগিয়ে গেলেন রামানুজের দিকে। বললেন, “ভরসার মর্যাদা রাখলেন। ভালো লাগল। আগামীতে আবার দেখা হবে যেদিন আবার পরিবর্তন করবেন এই ব্রহ্মপদার্থ।”

    রামানুজ বাল্মীকি মহারাজের হাতে হাত রাখলেন, “আমাদের অভিযানে সঙ্গ দেবার জন্য আভূমি প্রণাম। আর আপনার মনের সুপ্ত ইচ্ছেটাও শেষ পর্যন্ত পূরণ করতে পারলাম বলে ভালো লাগছে।”

    এই কথায় বাল্মীকি মহারাজের চোখ ছোটো হল। রামানুজ তাঁর কানের সামনে এসে লুকিয়ে বলল, “শেষ পর্যন্ত নিজের চোখে ব্রহ্মপদার্থ দেখতে পেলেন।”

    এরপর জোরে বলল, “আসি তাহলে। আবার দেখা হবে।” বাল্মীকি বুঝলেন যে কেন রামানুজের গ্রাউন্ড ওয়ার্কটা এত ভালো। কেন তাঁকেই সে বেছে নিয়েছিল এই অভিযানে সেটাও স্পষ্ট হল।

    গুরুদেব-সহ বাকিরা বাল্মীকি মহারাজকে বিদায় জানালেন। সবুজ তরল ছিটিয়ে দেওয়া মাত্র উপস্থিত হল কালো গুহামুখ।

    ওঁরা ২০২৪-এ ফেরার জন্য গুহামুখে প্রবেশ করলেন।

    শোলের পোস্টার থেকে শাহরুখের ডাংকির দুনিয়ায় প্রবেশ করতে চলেছে সবাই। বর্তমানে ফিরে আসছে সবাই। বড়ো রাস্তায় টাঙানো রয়েছে ডাংকির পোস্টার।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমৃত কৈটভ ১ – সৌরভ চক্রবর্তী
    Next Article এক বুড়ো আর সমুদ্র – আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Our Picks

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026

    এক বুড়ো আর সমুদ্র – আর্নেস্ট হেমিংওয়ে

    February 18, 2026

    মৃত কৈটভ ২ – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }