Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026

    এক বুড়ো আর সমুদ্র – আর্নেস্ট হেমিংওয়ে

    February 18, 2026

    মৃত কৈটভ ২ – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মৃত কৈটভ ২ – সৌরভ চক্রবর্তী

    সৌরভ চক্রবর্তী এক পাতা গল্প131 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ব্রহ্মপদার্থ – ১১

    (১১)

    সিনহা দাঁড়িয়ে আছে জঙ্গলে একটি গাছের গায়ে হেলান দিয়ে। ফোর্সও তার সঙ্গে দাঁড়িয়ে। ঠাকুরদা ছাড়া ওই পক্ষে আর কেউ নেই।

    ঠাকুরদা চেয়ারে বসে আছেন।

    রামানুজকে দেখে সিনহা দৌড়ে এলেন।

    “স্যার!”

    রামানুজ গুহামুখ থেকে বেরিয়ে এল। পেছনে বাকিরা। রামানুজ সিনহাকে জিজ্ঞেস করল, “বাকিরা কোথায়?”

    “স্যার সর্বনাশ হয়ে গেছে।”

    “কী হয়েছে বলো।”

    “স্যার আপনাদের আসতে মোট পাঁচ মিনিট দেরি হয়েছে। ওরা এইমাত্র সময়-যাত্রার জন্য বেরিয়ে গেল। আড়াই ঘণ্টা কেটে যাবার পর ওরা আর এক মুহূর্ত অপেক্ষা করতে রাজি হয়নি। ওরা ধরেই নিয়েছিল আপনি তাদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করছেন। আমি ওদের অনেক অনুরোধ করেছিলাম অপেক্ষা করার জন্য। কিন্তু ওরা শোনেনি।”

    “কারা গেছে ভেতরে?”

    সিনহা একে একে যা বলে তাতে রামানুজের কান গরম হয়ে গেল। মাথা ঝিম ঝিম করতে লাগল, “কৈটভ, মিথ সংঘের সদস্যরা। আর কৈটভের মৃত কৈটভ সঞ্জাত কৈটভ বাহিনী।

    গুরুদেব কথাটা শুনে বসে পড়লেন মাটিতে। দাসবাবু এগিয়ে এসে রামানুজকে বলল, “আপনি একবার ঠাকুরদার সঙ্গে কথা বলুন না।”

    রামানুজ জানে যে সে ঠাকুরদার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। এই অবস্থায় কারও সঙ্গে চোখে চোখ রেখে কথা বলা মুশকিল।

    তবু সে আমতা আমতা করে এগিয়ে গেল। ঠাকুরদা এখনও মিটি মিটি হাসছেন।

    “রামানুজ এসেছ? ব্রহ্মপদার্থ কই?”

    ঠাকুরদা বেশ ঠেস দিয়েই কথাটা জিজ্ঞেস করলেন। রামানুজ শুধু তাকিয়ে রইল।

    “গুরুদেব, ও গুরুদেব। কর্কট না হয় কালো, গুরুদেব তো শুভ্রতার প্রতীক। কোথায় গেল সেই শুভ্রতা? কথার দাম রাখতে পারলে না। বলেই হাসলেন ঠাকুরদা।

    “ব্রহ্মপদার্থ কৈটভের হাতে দিলে সে সব কিছু ধ্বংস করে দেবে।” রামানুজ দাঁত খিঁচিয়ে বলল। ঠাকুরদা তার কথা পাত্তাও দিলেন না।

    উলটে বললেন, “আমি জানতাম তোমরা ব্রহ্মপদার্থ লুকিয়ে ফেলবে। তবুও তোমাদের জন্য আড়াই ঘণ্টা অপেক্ষা করলাম। নিজেকেও আয়নায় মুখ দেখাতে হয়। আমি এতটুকু অন্তত বলতে পারব তোমাদের সুযোগ দিয়েছিলাম আর সততার সঙ্গে দিয়েছিলাম। কৈটভকেও ততক্ষণ আটকে রেখেছিলাম। এবার আর আমার হাতে কিছুই করার নেই। বোতলের জিন বেরিয়ে গেছে। এবার জিনের সঙ্গে গিয়ে বুঝে নাও।”

    রামানুজ শেষ চেষ্টা করল, “ব্রহ্মপদার্থ কৈটভ কোনোদিন খুঁজেও পাবে না।”

    ঠাকুরদা হাত তুলে তাকে থামালেন।

    “আমি টাইম ট্র্যাকার বানিয়েছি। তোমরা কোথায় কোথায় গেছো সব আমার যন্ত্র ট্র্যাক করে নেবে। নিশ্চিন্ত থাক। কৈটভ সব পেয়ে যাবে।”

    এত কিছু করার পর এভাবে হারতে হচ্ছে জানলে একটা তীব্র শোক নেমে আসে। সেরকমই এক শোকে মুহ্যমান হয়ে পড়লেন গুরুদেব। বসে পড়লেন মাটিতে। ইতিমধ্যে তিনি অনেক কিছু হারিয়েছেন, সাধের গ্রামটাও আর নেই। এখন আরও ভয়ানক এক পৃথিবীর দিকে এগোতে হচ্ছে জেনে ভেঙে পড়লেন। দুর্গা তাকে সামলাবার চেষ্টা করল।

    রামানুজ হতোদ্যম হয়ে জিজ্ঞেস করল, “কৈটভ ব্রহ্মপদার্থ দিয়ে কী করবে?”

    ঠাকুরদা বললেন, “আমি ভেবেছিলাম তুমি এতক্ষণে বুঝে গেছো। আচ্ছা শোনো বলি। কৈটভ গন্দবেরুন্দা দেবতাকে জাগাবে। ব্রহ্মপদার্থ শক্তি উৎপন্ন করতে পারে। পৃথিবীতে শক্তির উৎপত্তি বা ধ্বংস কোনোটাই সম্ভব নয়। অথচ বিজ্ঞানের উলটো রাস্তার হদিশ দেয় এই ব্রহ্মপদার্থ। নিজেই শক্তি উৎপন্ন করতে পারে আবার প্রয়োজনে ধ্বংসও করতে পারে। সেই শক্তিকে কাজে লাগিয়ে কৈটভ গন্দবেরুন্দা দেবতাকে জাগিয়ে তুলবে। তারপর তার বিশ্বজয় শুরু হবে।”

    রামানুজ-সহ সকলে ভয় পেয়ে গেল এই কথা শুনে। রামানুজের কথা বলতে কষ্ট হচ্ছে, “তাহলে সে অপেক্ষা করল না কেন দেবতার জেগে উঠার জন্য।”

    ঠাকুরদা স্পষ্ট বললেন, “এত ধৈর্য তার মধ্যে আর নেই। আর তাছাড়া সে শুধু দেবতার জাগরণ চাইছে না। সে চাইছে দেবতার উপর আধিপত্য। আরাধ্যের উপর আধিপত্য। তারপর সে আরাধ্যকেই বানাতে চাইছে শয়তান। জয় করতে চাইছে ব্রহ্মাণ্ড। বুঝলে খোকা? তুমি আর এসবে বাধা দিতে পারবে না হে। যাও যাও, ফিরে যাও। এই গুহামুখ থেকে যে বেরিয়ে আসবে তাকে কিছু করার মতো শক্তি তোমার হাতে নেই।”

    রামানুজের কান মাথা ঝাঁ ঝাঁ করতে লাগল। ঠাকুরদা যা বলছে তা যদি সত্যি হয় তবে এই পৃথিবীতে অনর্থ ঘটে যাবে। সমস্ত জীবকুলের অস্তিত্বই সংকটে চলে আসবে। বিপুল এই শক্তিকে কৈটভ নিশ্চয়ই জনহিতকর কোনো কাজে লাগাবে না। আর গন্দবেরুন্দার খোলসকে যদি শয়তানের আকার দেওয়া হয় তবে তাকে রুখবেই-বা কোন শক্তি?

    রামানুজের মাথা ঘুরতে লাগল। আর ঠিক তখনই শব্দটা হল। ঠাকুরদা চিৎকার করে উঠলেন।

    “কেউ ফিরছে? অতীত থেকে বর্তমানে কেউ ফিরে আসছে।”

    সবাই অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করতে থাকে যে কে ফিরে আসছে এত তাড়াতাড়ি।

    “নিশ্চয়ই কৈটভ ফিরছে। সোজা চলে গেছে যেখানে লুকিয়ে রেখে এসেছ ব্রহ্মপদার্থ সেখানে। তারপর সেখান থেকে ব্রহ্মপদার্থ নিয়ে সোজা বর্তমানে। সময় নষ্ট করেনি সে।”

    ঠাকুরদা উত্তেজনায় উঠে দাঁড়িয়েছেন।

    যে ফিরে এল তাকে দেখে সবাই অবাক হয়ে গেল। সবাইকে অবাক করে দিয়ে ফিরে এল ঠাকুরদার এক নাতি। তার অবস্থা তথৈবচ। তাকে মাটিতে আছড়ে ফেলে দিয়ে অন্তর্ধান হল যন্ত্র।

    ঠাকুরদা দৌড়ে গেলেন তার কাছে। সে মাটিতে পড়ে আছে। তার দেহের কাপড় শতচ্ছিন্ন। গায়ে আঁচড়ের দাগ। রক্তাক্ত অবস্থায় সে মাটিতে পড়ে আছে।

    “ছোঁবেন না আমায়। দূরে থাকুন।”

    ঠাকুরদার দলের লোকটা চিৎকার করে উঠল।

    “কৈটভ আমাদের সবাইকে বোকা বানিয়েছে।”

    ঠাকুরদা জিজ্ঞেস করলেন, “কী হয়েছে খুলে বলো।”

    নাতি বলল, “কৈটভ আমাদের সবাইকে বিভ্রান্ত করেছে। সে আদৌ ব্রহ্মপদার্থ নিতে যায়নি। সে এখান থেকে সোজা চলে গেছে আমাদের মিথ সংঘের পরীক্ষাগারে।”

    “কী?” ঠাকুরদা চশমা খুলে ফেললেন।

    “কী বলছ তুমি এসব?”

    লোকটার কথা বলতে অসুবিধে হচ্ছিল। সে কোনোক্রমে বলে, “শুধু তাই নয়, সে মাত্র তিন ঘণ্টা পেছনে অতীতে গেছে। ওই সময় সে জানত আমরা সবাই এখানে। মিথ সংঘের পাহারা তুলনায় দুর্বল। সে আমাদের পরীক্ষাগারের যাবতীয় কিছু দখল নিতে গেছে। তার পরিকল্পনা অনেক বড়ো ঠাকুরদা। সে সঙ্গে নিয়ে গেছে তার কৈটভ বাহিনী। আমরা যখন বুঝতে পারি কৈটভের মূল অভিসন্ধি কী, ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গেছে। সে আমাদের আক্রমণ করতে থাকে। আপনি আমাকে সুরক্ষার খাতিরে নীল তরল আলাদা করে না দিয়ে রাখলে আমি এখানে পৌঁছে আপনাকে জানাতেও পারতাম না। মিথ সংঘের সঙ্গে সমস্ত যোগাযোগ সে

    ছিন্ন করেছে। আপনি ফোন করে দেখুন, কোনো লাভ নেই। আপনি তাড়াতাড়ি সেখানে যান ঠাকুরদা। নাহলে আমাদের সমস্ত ফর্মুলা, সমস্ত কিছু কৈটভ হাতিয়ে নেবে। সব ধ্বংস হয়ে যাবে।”

    ঠাকুরদা ক্রোধে পাগল হয়ে গেলেন। আর ঠিক তখনই গুরুদেব বললেন, “দেখলি কর্কট, সাপ কারও বন্ধু হয় না। সুযোগ পেলে কৈটভের মতো সাপেরা সবাইকে ছোবল দেবেই। এবার চল, তোর পরীক্ষাগারে। আমরা তোর সঙ্গে আছি। প্রয়োজনে কৈটভকে রুখতে তোর হয়েও লড়ব।”

    কর্কট ওরফে ঠাকুরদা গুরুদেবের এই কথায় অবাক হলেন। তার নিজের সিদ্ধান্তের উপর বিশ্বাসটা নড়ে গেল।

    আর তখনই রামানুজ বলল, “কর্কট চলুন। দেরি করে লাভ নেই। কীভাবে সবচেয়ে সহজ উপায়ে সেখানে যাওয়া যাবে?”

    ঠাকুরদার গলা শুকিয়ে গেছে। এক মুহূর্তের মধ্যে তাঁর বন্ধু আর শত্রুর সংজ্ঞাটাই পালটে গেছে।

    কোনোক্রমে তিনি বললেন, “কৈটভ আছে তিন ঘণ্টা অতীতে। বর্তমানে ওখানে পৌঁছে আমরা ধ্বংসাবশেষ ছাড়া কিছুই হয়তো দেখব না। তার চেয়ে আমরা আবার না হয় অতীতেই যাই।”

    গুরুদেব বললেন, “শোকে তোর মাথা কাজ করছে না। তাহলে তো এটা একটা লুপে পরিণত হবে। আমরা এখন বর্তমানেই যাই। গিয়ে দেখি প্যারাডক্সের কারণে ওখানে এখন কী অবস্থা। আমরা সাধারণভাবে অতীতে গেলে কৈটভ আবার অতীতে যাবে, আমরা আবার যাব এটা একটা চক্রাকারে চলতেই থাকবে। তার চেয়ে বরং বর্তমানে গিয়ে দেখি ওখানে সব কী অবস্থায় আছে।”

    “বেশ। তাই হোক। এখান থেকে সরাসরি আমরা যেতে পারব। সবাই এক জায়গায় এসো। সবাই আমাকে ছুঁয়ে থাকো বা আমাকে ছুঁয়ে আছে এরকম কাউকে ছুঁয়ে থাকো।”

    দুর্গা এতক্ষণে কথা বলল, “তার আগে একটা কাজ করে যেতে হবে।”

    ঠাকুরদা বললেন, “কী কাজ।”

    দুর্গা তাকাল ঠাকুরদার রক্তাক্ত নাতির দিকে। সবাই বুঝল কী কাজ করতে হবে।

    কিছুক্ষণ পর ঠাকুরদা তার বেল্টে লাগানো ট্রাভেলরের মাধ্যমে সকলকে নিয়ে সেখান থেকে অদৃশ্য হলেন।

    মাটিতে শুধু আলাদা হয়ে একদিকে পড়ে থাকল নাতির কাটা মাথা, অন্যদিকে পড়ে রইল কাটা ধড়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমৃত কৈটভ ১ – সৌরভ চক্রবর্তী
    Next Article এক বুড়ো আর সমুদ্র – আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Our Picks

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026

    এক বুড়ো আর সমুদ্র – আর্নেস্ট হেমিংওয়ে

    February 18, 2026

    মৃত কৈটভ ২ – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }