Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026

    এক বুড়ো আর সমুদ্র – আর্নেস্ট হেমিংওয়ে

    February 18, 2026

    মৃত কৈটভ ২ – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মৃত কৈটভ ২ – সৌরভ চক্রবর্তী

    সৌরভ চক্রবর্তী এক পাতা গল্প131 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ব্রহ্মপদার্থ – ৪

    (৪)

    নয়ডা দেখতে দেখতে পালটে গেল। এন সি আরের মধ্যে সবচেয়ে ফাস্ট গ্রোইং এলাকা। কী সব বিল্ডিং! কী সব বিল্ডার! ফাঁকা জঙ্গলকে পুরো ঝাঁ চকচকে বানিয়ে দিল। দশ বছরে কয়েক হাজার বিল্ডিং উঠেছে। মল তৈরি হয়েছে অনেকগুলো। তারই একটা মলে মাল্টিপ্লেক্সে বসে রামানুজ শাহরুখ খানের নতুন মুভি ‘ডাংকি’ দেখছিল। ডাংকি-যাত্রা পায় অসম্ভব, অথচ কাজের খোঁজে কত মানুষকে যেতে হয়। এসব নিয়েই যখন সে মগ্ন, তখনই ফোনটা এল।

    রামানুজের ভ্রু কুঁচকে গেল। ত্রিবেদী স্যারের ফোন। সে অনিচ্ছা সত্বেও ফোনটা তুলল।

    “হ্যালো।”

    “কোথায়?”

    “ডাংকি দেখছিলাম।”

    “ঠিক আছে। শেষ করে হেড কোয়ার্টারে এসো।”

    রামানুজ একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে ফোনটা কেটে দেয়। এক দণ্ড বিশ্রাম করার উপায় নেই। আবার কোথায় যাত্রা কে জানে! আপাতত সে শাহরুখের সঙ্গে ডাংকি যাত্রাতেই মন দেয়।

    হেডকোয়ার্টারের লিফটে ওঠার সময় গার্ড জয়ের সঙ্গে দেখা হল। “রামানুজ স্যার, কতদিন পর? কোথায় ছিলেন?”

    “আর বলিস না, এতদিন ত্রিপুরায় ছিলাম। তারপর সব কাজ সেরে ফিরলাম কলকাতা। সেখানেও ডিউটি। এতদিনে দিল্লি ফিরলাম। সেই আবার ডাক এল। এবার কোথায় যাব কে জানে? আবার কবে দেখবি তারও কোনো

    ঠিক ঠিকানা নেই।

    “আপনাদের এই তো জীবন স্যার। তবে এবার যেখানে যাবেন সেখান থেকে আমার জন্য কিছু একটা নিয়ে আসবেন। আমি তো কখনও যেতে পারব না। আপনার এনে দেওয়া জিনিস দেখেই ভাবব যে আমি সেখানে গিয়েছিলাম।”

    রামানুজ একটা হাইফাই দিয়ে তার হাতটা জয়ের কাঁধে রাখে।

    “নিশ্চয়ই আনব। ভালো থাকিস।”

    রামানুজ লিফটে উঠে গেল। ত্রিবেদী স্যারের অফিস চেম্বারের সামনে গিয়ে নক করল।

    “রামানুজ এসো।”

    রামানুজ চেম্বারে ঢুকে পড়ল। ত্রিবেদী স্যার চেয়ারে হেলান দিয়ে বসে আছেন। মুখে হাসি।

    “কেমন কাটল ত্রিপুরা টুর?”

    “আবার জিজ্ঞেস করছেন। মে আই?”

    “প্লিজ সিট। কী বলেছিলাম, শহরটার প্রেমে পড়ে গেলে তো।”

    “প্রেম খুব মারাত্মক। আর একটু হলে মেরে ফেলেছিল।”

    ত্রিবেদী স্যার হো হো করে হেসে উঠলেন। তারপর বললেন, “কলকাতায় ছুটি কেমন কাটালে?”

    “স্যার ওটাকে আপনি ছুটি বলছেন? ত্রিপুরায় সমস্ত কাজ সেরে মাসখানেকের জন্য কলকাতা এলাম। তারপর সেই আপনি আবার ডিউটিতে পাঠিয়ে দিলেন। ছয় মাস সুন্দরবনে ছিলাম।”

    “নিজের রাজ্যে থাকা মানেই ছুটি কাটানো।”

    “তা তো বলবেনই। তা এবার আমাকে কোথায় পাঠাবেন ছুটিতে? আমার টুরিজম তো আপনিই ঠিক করেন।”

    দুজনেই এবার হাসিতে ফেটে পড়ল।

    “তবে এবার সিরিয়াস কেস কিন্তু। তোমার ডিপার্টমেন্টের কেস নয় মনে হচ্ছে। তবু তোমাকে যেতে হবে। সঙ্গে অন্য কেউ থাকলেও তোমাকে থাকতে হবে টিমের সঙ্গে।”

    রামানুজ এবার সিরিয়াস হল। জিজ্ঞেস করল, “কী হয়েছে স্যার?”

    ত্রিবেদী স্যার বললেন, “তোমার ফোন নম্বর তো বাছাই কয়েকজন ছাড়া কারও কাছে থাকে না। ত্রিপুরার জঙ্গলের গুরুদেবকে মনে আছে?”

    “হ্যাঁ। কেন থাকবে না?”

    “তিনি অনেক চেষ্টা করে তোমাকে না পেয়ে আমাদের ডিপার্টমেন্টে ফোন করেছিলেন। সেটা আমার কাছে ফরোয়ার্ড করা হয়। তিনি আমায় শুধু বললেন, রামানুজ কোথায়? পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে ঘোর বিপদ আসতে চলেছে।”

    আমি জিজ্ঞেস করলাম যে, “আমায় বলুন কী বিপদ। রামানুজ তো ফরেস্ট অফিসার। ওকে এই কেসে দেওয়া যাবে না।”

    কিন্তু তিনি নাছোড়বান্দা। বললেন, “রামানুজ না থাকলে এদের আটকানো যাবে না।”

    “আমি তখন মনে মনে ভাবলাম যে, এই কেসটা এমনিতেও স্পেশাল কেস। তাই এটাকে আলাদাভাবে দেখা যেতেই পারে। অ্যাপ্রুভ্যাল লাগবে কিন্তু সেটার ব্যবস্থা আমি করে দেব। আর এমনিতেও গতবার যে বীভৎস কাণ্ড ঘটেছিল তা অফ রেকর্ডে আছে। মানুষ জানলে প্যানিক অবস্থার সৃষ্টি হত। তাই এরকমই যখন অবস্থা তোমাকে অ্যালট করতে আপত্তি নেই। ওখানে গিয়ে আমায় রিপোর্ট কোরো।”

    ত্রিবেদী স্যার থামলেন। রামানুজ চিন্তিত মুখে বসে রইল।

    “কী ভাবছ?”

    “আমি ত্রিপুরা থেকে ফেরার আগে গুরুদেব বলেছিলেন ঠিকই, খুব

    গুরুতর দরকার পড়লে তোমার কথাই মনে করব। ভাবছি এই এক বছরের মধ্যে কী ঘটল। সেই বারোজন জম্বিকেও পাওয়া যায়নি। আবার কী হল কে জানে! এদিকে বলছে জগন্নাথ মন্দির। কিছুই বুঝতে পারছি না।”

    বেয়ারা কফি নিয়ে ঢুকল।

    “এসো কফি খাও। এরপর তাড়াতাড়ি একটা ফ্লাইট নাও, ত্রিপুরার জঙ্গলে যাও। সব বুঝে যাবে।”

    রামানুজ আরও কিছু জরুরি আলোচনা করে কফি খেয়ে ত্রিবেদী স্যারকে স্যালুট করে বেরিয়ে গেল।

    পরের দু-দিনের মধ্যে নয়ডার সমস্ত কাজ সেরে এয়ারপোর্ট।

    ত্রিপুরায় জানুয়ারিতে ভালো ঠান্ডা পড়ে। গতবারের অভিজ্ঞতায় রামানুজ ভালোই জানে। আগরতলা এয়ারপোর্টে নামতেই ঠান্ডা হাওয়ার ঝাপটা মারল। আর তখনই দাসবাবুর ফোনটা এল।

    “স্যার আমি বাইরেই আছি।”

    “এইমাত্র নামলাম। লাগেজ নিয়ে বেরোচ্ছি কিছুক্ষণের মধ্যে।”

    “স্যার আপনি বেরিয়ে পড়ুন। লাগেজ ওরা পাঠিয়ে দেবে গাড়িতে।”

    “ঠিক আছে।”

    এয়ারপোর্টটা এই এক বছরে আরও সাজানো হয়েছে। মন ভরে যায় এই এয়ারপোর্টে এলে।

    বাইরে আসা মাত্র রামানুজ দাসবাবুকে দেখতে পেল। ফুলের তোড়াটা এগিয়ে দিয়ে বললেন, “ওয়েলকাম এগেইন।”

    “এবারের যাত্রায় কী আছে কে জানে? চলো চলো। ভালো ঠান্ডা এদিকে। আছো কেমন?”

    “ভালো আছি স্যার। আপনি এসে গেছেন। ভেতর থেকে এনার্জি পাচ্ছি একটা।”

    “এসে গেছি। আরও এনার্জি পাওয়ার ব্যবস্থা করব। ডোন্ট ওরি।”

    গাড়িতে বসার কয়েক মিনিটের মাথাতেই লাগেজ চলে এল। গাড়ি গ্রামের উদ্দেশে রওনা দিল।

    সন্ধেবেলা। তাতে কী, ইতিমধ্যেই কুয়াশা পড়তে শুরু করেছে।

    “দেখে চালিও। এই কুয়াশায় পাহাড়ি পথে দুর্ঘটনা ঘটে বেশি।”

    “স্যার এই রাস্তা ত্রিপুরার ইতিহাসের মতোই চিনি। আপনি নিশ্চিন্ত থাকুন।”

    অমিতবাবুর গলা শুনে ভারি খুশি হল রামানুজ।

    “তুমি যে এসেছ বুঝতেই পারিনি। পেছনে বসে আছি তো, দেখিওনি ভালো করে।”

    “আপনি কথা বলছিলেন, তাই বিরক্ত করিনি।”

    “বেশ বেশ। পুরোনো টিম একত্র হচ্ছে। ভালো কথা, দাসবাবু এবারের ব্রিফটা দিন।”

    দাসবাবু মাথা চুলকে বললেন, “এবারে কোনো ব্রিফ নেই স্যার। একমাত্র গুরুদেব বলতে পারবেন কেন তিনি আপনাকে ডেকেছেন আর কীসের উদ্দেশ্যে ডেকেছেন।”

    গাড়ি ক্রমশ ঘন কুয়াশায় হারিয়ে গেল। লম্বা জার্নি। একেবারে গ্রামে গিয়ে থামবে।

    গাড়ি যখন গ্রামে ঢুকল তখন চারদিক শুনশান। কুয়াশার চাদর সম্পূর্ণ পাহাড়ি অঞ্চলটাকে ঢেকে রেখেছে। গাড়ির হেডলাইটের সাহায্যে কোনোক্রমে রাস্তা দেখা যাচ্ছে। গাড়ি সোজা ঢুকে গেল গ্রামের ভেতরে। বর্তমানে রামানুজের আর নিয়ম কড়া নয়। বেশ শিথিল। কয়েকজন গ্রামবাসী বাইরে বেরিয়েছিল পুলিশের গাড়ি দেখে। রামানুজকে দেখে ভেতরে ঢুকে পড়েছে। রামানুজ যে এখন ওদের কতটা কাছের মানুষ ওরাও জানে না।

    আশ্রমের বাইরে একটা বট গাছ আছে। তাতে একটা বেদি রয়েছে। সেখান বসে আছেন গুরুদেব। শ্বেতশুভ্র পোশাক। এই ঘন কুয়াশায় প্রায় দেখা যায়

    না তাকে।

    রামানুজ গাড়ি থেকে নামল। সে গুরুদেবকে দেখতে পেল না। সে আশ্রমের মূল দরজার দিকে হাঁটতে লাগল। আর তখনই কুয়াশা ভেদ করে গুরুগম্ভীর কণ্ঠস্বর শোনা গেল।

    “রামানুজ, এদিকে এসো।”

    রামানুজ থমকে দাঁড়াল। পেছন ফিরে সে কিছুই দেখতে পেল না।

    “বটবৃক্ষের বেদির উপর বসে আছি। এসো।”

    রামানুজ এবার এগিয়ে গেল বটগাছের দিকে।

    “প্রণাম নেবেন। কিন্তু এই ঠান্ডায় এখানে বসে আছেন কেন? অসুস্থ হয়ে পড়বেন তো!”

    গুরুদেব হাসলেন। বললেন, “ওসব হবে না। এই শরীর এসবে অভ্যস্ত। বোসো।”

    গুরুদেবের পাশে বসল রামানুজ। “তুমি এসেছ, কিছুটা নিশ্চিন্ত হলাম।”

    “কী হয়েছে গুরুদেব? এটাও জরুরি তলব?”

    “একটা গুরুতর কিছু ঘটতে চলেছে। যেখানে ঘটবে সেখানে আমার যাবার অনুমতি নেই। অন্য কারও উপর ভরসা করার মতো যোগ্যতা কেউ অর্জন করতে পারেনি। তাই তোমাকেই কষ্ট দিতে হল।”

    “ছি ছি ওভাবে বলবেন না। আমাকে বলুন আগামীতে কী বিপদ আসতে চলেছে। যথাসাধ্য চেষ্টা করব।”

    গুরুদেব হাসলেন, “আমি জানতাম তুমি এমনটাই বলবে। যাও আজ বিশ্রাম করো। কাল দুপুরে এসো। আমি তোমার জন্য অপেক্ষা করব।”

    “বেশ বেশ।”

    রামানুজ ফিরে আসার সময় একজন যুবতী এসে পাশে দাঁড়াল। “গুরুদেব আশ্রমে চলুন। আপনার আহারের সময় হয়েছে।”

    রামানুজ দুর্গাকে চিনতে পারল। দুর্গা হাত জোড় করে প্রণাম করল রামানুজকে। রামানুজও সৌজন্য দেখাল। তারপর গুরুদেবকে প্রণাম করে রামানুজ আবার গাড়িতে এসে বসল।

    সমগ্র গ্রামটাকে খুব অদ্ভুত লাগছে। আগেরবারের মতো উত্তাল নয়, বরং শান্ত। হবে নাই-বা কেন? আর কেই-বা বেঁচে আছে এই গ্রামে। দু-একটা ঘরে শুধু মানুষের বাসা। বাকি সমস্ত ঘর খালি হয়ে গেছে।

    নিঝুম গ্রামটাকে পেছনে ফেলে গাড়িটা শব্দ করে বড়ো রাস্তায় এসে পড়ল।

    “এবারেও কি কোয়ার্টার?”

    রামানুজের কথা শুনে দাসবাবুর চোখ উজ্জ্বল হল।

    “হ্যাঁ।”

    “চলো চলো। কাল থেকে কাজ শুরু, আজ একটু ভালো-মন্দ খাওয়া-দাওয়া হোক। কী অজিতবাবু?”

    ড্রাইভার অজিত নিজের নাম শুনে হাসল। জিভ কেটে বলল, “স্যার আপনি এই বাবু টাবু বলবেন না।”

    “বেশ বেশ। চলো।”

    কোয়ার্টারটা আগের মতোই আছে। বাইরে লনে আলো জ্বলছে। গাড়ি থেকে নেমে কিছুক্ষণ হেঁটে দেখল রামানুজ। তার মনে হচ্ছে সে যেন টাইম ট্রাভেল করে এক বছর পেছনে চলে এসেছে। এক বছর আগে এরকম সময়েই প্রথম এখানে আসা। আর তখনই তার হেমন্তাই-এর কথা মনে পড়ল। মনে পড়তেই মন খারাপ হয়ে গেল। খুব কষ্টের মৃত্যু হয়েছিল হেমন্তাইয়ের।

    হেমন্তাই-এর কথা ভাবতে ভাবতেই ভেতরে ঢুকল সে। ছোটো বারান্দা পেরিয়ে মূল ঘর। দাসবাবু ইতিমধ্যে কলিং বেলে চাপ দিচ্ছিলেন। দরজা খুলে গেল। আর দরজা খুলতেই চমকে গেল রামানুজ।

    “হেমন্তাই?”

    হেমন্তাই দাঁড়িয়ে আছেন দরজা খুলে।

    “আসুন স্যার।”

    রামানুজ অবাক হল। হেমন্তাই আবার বললেন, “ভুল হয়ে গেছে, রামানুজদা এসো।”

    এবার রামানুজ চিনতে পারল।

    “কাঞ্চন! আমি চিনতেই পারিনি।”

    “যেদিন থেকে দাড়ি গোঁফ বড়ো করেছি সবাই একথাই বলে। সবাই বলে বাবার মতো দেখতে লাগে।”

    কাঞ্চন হাসতে হাসতে বলল।

    “আমিও এক পলকে হেমন্তাই ভেবেছিলাম।”

    সবাই ঘরে ঢুকে পড়ল। দরজা ভেতর থেকে আটকে ফেলল কাঞ্চন।

    “রাধামাধবদা রাতের জন্য আজ দুর্দান্ত সব খাবার রান্না করেছেন।” কাঞ্চন লাগেজ ভেতরে নিয়ে যেতে গিয়ে কথাটা বলল।

    রামানুজের মুখেও ফুটে উঠল চওড়া হাসি।

    “তাহলে আজ হয়ে যাক। কিন্তু জিনিস আছে?”

    কেউ উত্তর দেবার আগেই দরজায় শব্দ হল।

    “এখন আবার কে এল?”

    কাঞ্চন বেশ অবাক হল। আই হোলে চোখ রাখতেই তার মুখ উজ্জ্বল হল। সে দরজা খুলে দিল, “স্যার আপনি এসেছেন?”

    রামানুজ-সহ বাকিরা দেখতে পেল সিনহা সাহেব দাঁড়িয়ে।

    “কী ভেবেছেন, আপনি আসবেন আর আপনার সঙ্গে দেখা করতে আসব না!”

    সিনহা সাহেব এসে রামানুজকে জড়িয়ে ধরলেন।

    “কী যে ভালো লাগছে আপনাকে দেখে। এবার গিয়ে টিম সম্পূর্ণ হল। কী বলেন দাসবাবু?”

    দাসবাবু রামানুজের কথায় ঘাড় পুরো হেলিয়ে সম্মতি দিলেন।

    “আমি কিন্তু জিনিস নিয়ে এসেছি।” সিনহা সাহেব বললেন।

    “ইয়া সাব্বাস। ওটার কথাই এইমাত্র বলছিলাম। স্কচ তো?”

    সিনহা সাহেব জোব্বার ভেতর থেকে বের করলেন বোতলটা। দেখে রামানুজ ঠোঁট উলটে বলল, “একেবারে সিঙ্গল মল্ট? কেয়াবাত!”

    “আপনি এসেছেন। আনব না। স্পেশাল ডে।”

    কিছুক্ষণের মধ্যে সেই পুরোনো ঘরটায় গিয়ে বসল ওরা। কাঞ্চন আর রাধামাধব মাংস দিয়ে গেল। সবাই পানাহারে মেতে উঠলেন।

    কয়েক পেগ পরে যখন নেশা তুঙ্গে তখন সিনহা সাহেব জিজ্ঞেস করলেন, “এবারে গুরুদেব কেন ডেকেছেন কিছু জানেন?”

    রামানুজ উঠে দাঁড়াল। গ্লাস হাতে জানালার সামনে এগিয়ে গেল। বাইরে কুয়াশা সমস্ত জগতকে গ্রাস করেছে। গ্লাসের সোনালি জল পেটে চালান করে দিয়ে রামানুজ বলল,

    “জানি না। তবে গুরুদেবের চোখ বলছে এবারে অবস্থা আরও ভয়ানক। খুব বাজে কিছু হতে চলেছে। খুব বাজে কিছু।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমৃত কৈটভ ১ – সৌরভ চক্রবর্তী
    Next Article এক বুড়ো আর সমুদ্র – আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Our Picks

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026

    এক বুড়ো আর সমুদ্র – আর্নেস্ট হেমিংওয়ে

    February 18, 2026

    মৃত কৈটভ ২ – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }