Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026

    এক বুড়ো আর সমুদ্র – আর্নেস্ট হেমিংওয়ে

    February 18, 2026

    মৃত কৈটভ ২ – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মৃত কৈটভ ২ – সৌরভ চক্রবর্তী

    সৌরভ চক্রবর্তী এক পাতা গল্প131 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ব্রহ্মপদার্থ – ৫

    (৫)

    পরদিন মধ্যাহ্নভোজের পরে রামানুজ কোয়ার্টার থেকে বেরোয়। একা একাই হাঁটতে থাকে কোয়ার্টারের দিকে। গ্রামে পৌঁছে সোজা আশ্রমের দিকে রওনা দেয়।

    আশ্রম আজকাল প্রায় ফাঁকা। দুর্গা বাচ্চাদের বাঁচিয়েছিল। দুর্গাই এখন বড়ো উদ্যানটিতে বাচ্চাদের শারীরচর্চা করাচ্ছে। এছাড়া কিছু শিষ্য রয়েছে। তারা ছড়িয়ে ছিটিয়ে কাজ করছে। রামানুজ অফিস ঘরের দিকে এগোয়।

    রামানুজ অফিস ঘরে ঢোকামাত্র গুরুদেব কেঁপে উঠলেন, “কে…কে?”

    “আমি রামানুজ গুরুদেব।”

    “ওহ তুমি এসেছ? তোমার জন্যই অপেক্ষা করছিলাম।”

    “আপনাকে অত্যন্ত উদ্বিগ্ন দেখাচ্ছে।”

    “চলো, বসে আর কাজ নেই। বাইরে হাঁটতে হাঁটতে বলি। এমনিতেই শীতের দিনে একটু রোদের আঁচ গায়ে লাগলে ভালো লাগবে।”

    রামানুজ বুঝল গুরুদেব নিজের মতো করেই তাকে বলবে। আগ বাড়িয়ে কিছু জিজ্ঞেস করা নিরর্থক। গুরুদেব অফিস ঘর থেকে বেরিয়ে পড়লেন। পেছনে রামানুজও তার অনুসরণ করল।

    হাঁটতে হাঁটতে গুরুদেব আশ্রমের বাইরে চলে এলেন। তারপর আপন মনেই বলতে শুরু করলেন,

    “বিজ্ঞানের প্রতি একটা উৎসাহ খুব ছোটো বেলা থেকেই ছিল। এই গ্রামের অংশ হওয়ায় গন্দবেরুন্দার নির্যাস নিয়ে কাজ অনেক ছোটোবেলা থেকেই আমি শুরু করে দিয়েছিলাম। আমার আগে যারা এই আশ্রম সামলেছেন তারা আরও তেজস্বী মানুষ ছিলেন। তাদের তত্বাবধানেই আমি বড়ো হতে থাকি। ওই সময় আমার সহপাঠী ছিল কর্কট। সে অসম্ভব প্রতিভাধর ছিল। আমাকে আর কর্কটকে নিয়ে আশ্রমের তৎকালীন গুরুদেব খুব আশাবাদী ছিলেন। আমরা নির্যাস নিয়ে নানাবিধ পরীক্ষানিরীক্ষা করতাম। গুরুদেব নিরীক্ষণ করতেন। গত বছর যে তোমাদের জঙ্গল অভিযানের সময় প্রকৃতির বিরুদ্ধাচারণ করে বৃষ্টি নামানো হয়েছিল, সেই আবিষ্কার আমি আর কর্কট মিলেই করেছিলাম। প্রায় আশি-নব্বই বছর আগেকার কথা তো হবেই।

    রামানুজ চমকে উঠে বলল, “কী? নব্বই বছর? আপনার বয়স কত গুরুদেব?”

    গুরুদেব ভাবলেশহীনভাবেই বললেন, “বয়স মনে নেই। কর্কটই প্রথম বয়স নিয়ন্ত্রক একটি মিশ্রণ তৈরি করেছিল। সেটাই আমরা এখনও ব্যবহার করি। আমাকে আরও বেশ কিছুটা সময় এটা ব্যবহার করতে হবে। সবচেয়ে কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে আমাদের গ্রাম। আমিও যদি না-থাকি…”

    গুরুদেব আপন মনেই কিছুক্ষণ বিড় বিড় করলেন। তারপর বললেন, “যাই হোক। আসল কথা হল এই কর্কট অতীব বুদ্ধিমান একজন বিজ্ঞানী। ওর একটাই দোষ ছিল। সে ছিল স্বার্থপর এবং বিধ্বংসী। সে একবার গন্দবেরুন্দার নির্যাস দিয়ে সমাজের পক্ষে ক্ষতিকর কিছু বানাবার চেষ্টা করে। গুরুদেবের চোখে পড়ামাত্র তিনি তাকে অপমান করে গ্রাম থেকে বের করে দেন। তারপর থেকে আজ অবধি কেউ তাকে দেখিনি। কিন্তু আমি সেই সময় তার সঙ্গে এমন এক আবিষ্কার করেছিলাম যা প্রায় কেউই জানে না। অথচ সেটাই ছিল এই শতাব্দীর অন্যতম সেরা আবিষ্কার।”

    গুরুদেব থামলেন। রামানুজের এই থেমে থেমে বলাটা পছন্দ হচ্ছিল না। কিন্তু এসব ক্ষেত্রে অন্য কিছু করারও থাকে না। ধৈর্য ধরতেই হয়। গুরুদেব আরও কয়েক কদম চলার পর বললেন, “আমরা সময়ের গতির উপর নিয়ন্ত্রণ আনতে পেরেছিলাম।”

    রামানুজ থমকে গেল। তার ভ্রু যুগল কুঁচকে গেল। সময়ের গতির উপর

    নিয়ন্ত্রণ? গুরুদেব কী বলছেন এসব? মুখ থেকে অস্ফুট প্রশ্নবাণ বেরোল, “মানে?”

    গুরুদেব নিরুত্তাপ। তিনি হেঁটেই চলেছেন।

    “মানে তোমাদের ইংরেজি ভাষায় যাকে টাইম ট্রাভেল বলে, সেই টাইম ট্রাভেল করার উপায় বের করেছিলাম আমরা।”

    “এ তো অসম্ভব? যতটুকু জানি আদতে টাইম ট্রাভেল সম্ভব নয়।”

    গুরুদেব এই প্রথমবার যেন ক্ষুব্ধ হলেন, “কে বলেছে অসম্ভব? সায়েন্টিফিকভাবে টাইম ট্রাভেল সম্ভব। শুধু তোমরা বহির্বিশ্বের কেউ সেটা করে দেখাতে পারোনি। আমরা পেরেছিলাম।”

    রামানুজ বুঝল এখন শুধু শোনার সময়, প্রশ্ন করার নয়। গুরুদেবের মানসিক স্থিতি এই মুহূর্তে ভালো নয়। সে হাত তুলে বলল, “বেশ বেশ। আমরা করতে পারিনি। কর্কট আর আপনি পেরেছিলেন। কিন্তু কীভাবে আপনারা এই অসম্ভবকে সম্ভব করেছিলেন?”

    গুরুদেব ধাতস্থ হয়ে গেছেন ইতিমধ্যে। আবার হাঁটতে থাকলেন। রামানুজ দেখল গুরুদেবের দেহটা বেশ কুঁজো হয়ে গেছে। এরকম তিনি আগে ছিলেন না। খুব মানসিক চাপ যাচ্ছে নিশ্চয়ই।

    গুরুদেব বললেন, “মোটামুটি দু-তিনভাবে টাইম ডাইলেশন সম্ভব যার মাধ্যমে টাইম ট্রাভেল করার পরিস্থিতি উৎপন্ন হতে পারে। প্রথমত আলোর গতিবেগের সমান গতিবেগ বা বেশি গতিবেগে যদি আমরা ছুটতে পারি অথবা সেরকম গতিসম্পন্ন কোনো যানে আমরা চড়ে বসি তবে আমরা ভবিষ্যতের পৃথিবীতে পৌঁছাতে পারব। উদাহরণ হিসেবে আমরা একটি ঘড়িকে যদি মাটিতে রাখি এবং একটি ঘড়িকে উচ্চগতিসম্পন্ন বিমানে বসিয়ে দিই তাহলে আকাশে কিছুদিন ভ্রমণ করার পর যখন বিমান মাটিতে নামবে তখন দুটো ঘড়ির মধ্যে কিছু ন্যানো সেকেন্ডের পার্থক্য থাকবে। ওটাই টাইম ট্রাভেল। আমরা এখনও এত দ্রুত গতিসম্পন্ন জেট বিমান বানাতে পারিনি যা আলোর গতিবেগ অর্থাৎ সেকেন্ডে তিন লক্ষ কিলোমিটারের সমান বা বেশি গতিসম্পন্ন হবে।”

    “দ্বিতীয় উপায়?” রামানুজ জিজ্ঞেস করল।

    “আইনস্টাইন বলেছিলেন যে টাইম গ্র্যাভিটি বা মাধ্যাকর্ষণ বলের উপর নির্ভর করে। এই যে আমি তুমি মাটির সঙ্গে আটকে আছি বা লাফ দিলে নীচেই নেমে আসি এসবই মাধ্যাকর্ষণের প্রভাব। এগুলো বাচ্চারাও জানে। বিস্তারিত বলছি না।”

    “হ্যাঁ গুরুদেব এগুলো জানি। আপনি আসল ঘটনাটাই বলুন।”

    “আইনস্টাইন টাইমকে একটা জালের মতো কল্পনা করতে বলেছেন। স্পেস টাইম ফেব্রিক বলা হয় এই জালকে। এবার এই জালের উপর যদি পৃথিবী আর বৃহস্পতি দুটো গ্রহকে রাখা হয় তাহলে পৃথিবীর চেয়ে বৃহস্পতি জালের অধিক গভীরে চলে যাবে। কারণ পৃথিবীর চেয়ে বৃহস্পতি অনেক বড়ো গ্রহ। তার ভর ও ভার দুটোই পৃথিবীর চেয়ে বেশি। এই একই কারণে পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ বলের চেয়ে বৃহস্পতি গ্রহের মাধ্যাকর্ষণ বল অনেক বেশি কারণ সে জালিকার অনেক গভীরে চলে যাচ্ছে। এবার এই গভীরে যাবার ফলে গ্রহের চারদিকে একটা কার্ভ বা বক্ররেখার সৃষ্টি হয়। এই কার্ভ বা বক্ররেখা গ্রহ নক্ষত্র প্রত্যেকের ক্ষেত্রে আলাদা। কারও বেশি কারও ক্ষেত্রে কম। এবার আইনস্টাইন বলেছিলেন যার বক্ররেখা যত বেশি অর্থাৎ যার মাধ্যাকর্ষণ বল যত বেশি তার তত কাছে এলে সময়ের গতি তত ধীর হয়ে যায়। অর্থাৎ পৃথিবীতে যে মানুষ সময় কাটাচ্ছে সেই মানুষ যদি বৃহস্পতিতে গিয়ে সময় কাটায় এবং কিছু বছর পরে পৃথিবীতে ফিরে আসে তবে দেখবে পৃথিবীতে কিছু বছর নয়, কয়েকশো বছর কেটে গেছে। এভাবেও ভবিষ্যতে টাইম ট্রাভেল করা সম্ভব।”

    “গুরুদেব আরেকটু সহজ ভাষায় বলুন।”

    রামানুজ আরেকটু ভালোভাবে বোঝার চেষ্টা করে। গুরুদেব বুঝিয়ে বললেন,

    “গোদা বাংলা ভাষায় যদি আমরা কোনো স্থানের গ্র্যাভিটি কমাতে বা বাড়াতে পারি তাহলে টাইম ট্রাভেল সম্ভব। তবে এর মাধ্যমে শুধুমাত্র

    ভবিষ্যতে যাওয়া যায়। পেছনে যাওয়া যায় না।”

    “ইন্টারেস্টিং। আর পেছনে কীভাবে সম্ভব?”

    “পেছনে যাওয়টাই সবচেয়ে কঠিন। এই পেছনে যাবার কঠিন কাজটাই করেছিল কর্কট। তাই আমি তাকে আমার চেয়ে বেশি বুদ্ধিমান ভাবি। কারণ আমি শুধুমাত্র ভবিষ্যতে যাবার প্রক্রিয়া বের করেছিলাম।”

    “তার মানে পেছনে যাওয়াও সম্ভব!”

    রামানুজ অবাক হওয়ার শেষ পর্যায়ে পৌঁছে যাচ্ছে।

    “হ্যাঁ সম্ভব। মেমোরিগুলোকেও দেখা সম্ভব। তবে প্রথম উপায়ে তা শুধুমাত্র একটা আলোর ঝলক মাত্র ও কিছু দৃশ্যমাত্র। শোনো, আমরা জানি আকাশে যে তারা আমরা দেখি তাতে দূরত্ব মাপা হয় আলোকবর্ষের মাধ্যমে। অর্থাৎ কোনো নক্ষত্র থেকে আলো আমাদের চোখে আসতে কত আলোকবর্ষ সময় নিল তাই হচ্ছে সেই নক্ষত্রের সঙ্গে দূরত্ব। তাহলে যদি ধরি আলো পৌঁছোতে পঞ্চাশ আলোকবর্ষ সময় নিয়েছে, তবে সেই আলো আজ থেকে পঞ্চাশ আলোকবর্ষ আগের আলো। অর্থাৎ আমরা যে ছবি দেখছি তা এত বছর পুরোনো। এখন সময় পালটে গেছে। সেই আলো আবার পঞ্চাশ আলোকবর্ষ পরে আসবে। অর্থাৎ আকাশে যেসব আলো আমরা দেখতে পাই সেই সময় ওই গ্রহ ও নক্ষত্রগুলো ইতিমধ্যে কাটিয়ে ফেলেছে। বর্তমানের আলো বা ছবি আমাদের কাছে কোনোদিনই পৌঁছায় না। কিন্তু এই আলো বা ছবি একটা ঝলক মাত্র। আমরা চাই অতীতে পৌঁছে সেখানে সময় কাটাতে। সেটা কী করে সম্ভব?”

    গুরুদেবের প্রশ্নে রামানুজও বলে, “হ্যাঁ, সেটাই তো। সেটা কী করে সম্ভব?”

    “সম্ভব। একটু আগে যে সময় জালিকার কথা তোমাকে বললাম, যদি কোনো প্রক্রিয়ায় সেই সময় জালিকার মধ্যে ওই গ্রহের মাধ্যমে এত প্রেসার উৎপন্ন করা যায় যে সেই সময় জালিকা ছিঁড়ে যাবে এবং গ্রহ এপার থেকে

    ওপারে চলে যাবে তবেই অতীতে যাওয়া সম্ভব। সেক্ষেত্রে ছিঁড়ে যাওয়া অংশে ওয়ার্ম হোল সৃষ্টি হবে। এর মাধ্যমে সময়ের গতিপথের এদিক থেকে ওইদিকে যাওয়া সম্ভব।”

    “মাই গুডনেস!”

    গুরুদেবের ব্যাখ্যা শুনে রামানুজ প্রায় মাথায় হাত দিয়ে ফেলল।

    “কিন্তু সব ভালো কিছুরই একটা শেষ থাকে। আমার আর কর্কটের বন্ধুত্বেরও একটা শেষ ছিল। তার লোভ তাকে আমাদের সকলের থেকে আলাদা করে দিয়েছিল। এরকমই একদিন জানতে পারি যে, সে পালিয়েছে। যাবার সময় সে তার আবিষ্কারটি নিয়েও পালায়।”

    গুরুদেব এবার হাঁটা থামিয়ে থমকে দাঁড়িয়ে পড়লেন। রামানুজের দিকে তাকালেন।

    রামানুজ বলল, “তাহলে সেই অমূল্য আবিষ্কার আর নেই? চুরি হয়ে গিয়েছে?”

    গুরুদেব মাথা ঝাঁকালেন, “অর্ধেক আছে। ভবিষ্যতে যাবার যন্ত্র আমার কাছে ছিল। সেটা রয়ে গেছে। কর্কট অতীতে যাবার যন্ত্র নিয়ে পালিয়েছিল।”

    রামানুজ যেন কিছুটা স্বস্তি পেল। জিজ্ঞেস করল, “কর্কট কোথায় আমাকে বলুন। জীবিত থাকলে আপনার সামনে উপস্থিত করছি।”

    গুরুদেব এবার হাসলেন, “মিথ সংঘ। কর্কট বলে আর কেউ ওকে চেনে না। ভীষণ শক্তিশালী এক সংঘ তৈরি করেছে সে। তার পরীক্ষাগারে এহেন যন্ত্রপাতি কিছু বাদ নেই যা এখানে আছে। সব ধীরে ধীরে আবার নিজস্ব প্রক্রিয়াও তৈরি করেছে। বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডের দিকেই তার ঝোঁক ছিল বেশি। সেসব নিয়েই কাজ করেছে আজীবন। কোনোদিন আমাদের গ্রামের দিকে তাকায়নি। আমরাও কোনোদিন ওর দিকে তাকাইনি। আমরা গন্দবেরুন্দাকে নিয়ে খুশি ছিলাম। আমাদের চক্র সামলাচ্ছিলাম আর মানবসভ্যতার রক্ষা করছিলাম। গোল বাঁধলো গন্দবেরুন্দাদেব চুরি হবার পর থেকে।”

    “হ্যাঁ সেটা তো আমি থাকাকালীনই হয়েছিল।”

    “হুম। আমাদের এত বছরের আরাধ্য দেবতা চুরি হয়ে গেল। হেমন্তাই-কে গলা কেটে হত্যা করা হল। আমরা মানসিকভাবে ভেঙে পড়লাম।”

    “আচ্ছা আপনারা দেবতাকে আর খুঁজলেন না কেন? সেই ইচ্ছেটাও কিন্তু আমি দেখিনি। আগেরবার যতদিন ত্রিপুরায় ছিলাম দেখলাম আপনারা একদম চুপচাপ।”

    রামানুজ প্রশ্নটা না করে পারল না।

    “কী বলছ এসব? আমাদের কি আমাদের আরাধ্যের চিন্তা নেই? কেন খোঁজার ইচ্ছে থাকবে না। কিন্তু তুমি ভুলে যাচ্ছ আমাদের লোকবল একেবারে শেষ। একটা গ্রাম ধ্বংস হয়ে গেছে। শুধু টিকে আছে আমার আশ্রম, কিছু স্বেচ্ছাসেবক আর কিছু বাচ্চা। এটা লড়াইয়ের সময় ছিল না, ছিল সামলে উঠার কাল। আমি সেই চেষ্টাই করেছিলাম। এখনও তাই করে চলেছি।”

    রামানুজ বুঝিতে পারল এটা খুবই স্পর্শকাতর একটা বিষয়। এটাকে খুঁচিয়ে লাভ নেই। সে বলল, “আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত। কিন্তু আমি বুঝতে পারছি না বর্তমানে আমরা কোন সমস্যায় পড়েছি যে আমাকে আপনি দিল্লি থেকে ডেকে পাঠিয়েছেন।”

    রামানুজের কনুই স্পর্শ করে গুরুদেব বললেন, “চলো বেদিটায় বসি। বসে বলছি সমস্ত ঘটনা।”

    ওরা বসল। গুরুদেব হাত নেড়ে বললেন, “এত বছরে প্রথমবার কর্কট আমার সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করল। আজ থেকে দু-সপ্তাহ আগের কথা। আমি তখন ধ্যানে মগ্ন। আচমকাই একটা শব্দ হল। দেখলাম আমার সামনে যে ঘরের ফাঁকা অংশটি আছে তা আলোয় ভরে উঠছে। শূন্যের মধ্যে রচিত হচ্ছে একটা আলোকিত দরজা। ধীরে ধীরে সেই দরজা স্পষ্ট হল। আর দেখলাম সেই আলোক বলয়ে বেষ্টিত দরজার ঠিক মাঝখানে এসে দাঁড়িয়েছে কর্কট। সাদা ধুতি, সাদা পাঞ্জাবি, চোখে কালো চশমা। একেবারেই পালটে গেছে। কিন্তু আমি তো এক দেখাতেই চিনতে পেরেছি। আর দেখেই বুঝতে

    পেরছিলাম ওর আগমন কোনো ভালো বার্তা বয়ে আনবে না। সে হাসিমুখে এসে দাঁড়াল আমার সামনে। শ্বেতবস্ত্রে আমি বসেছিলাম, সামনে সাদা আলোর ছটা, তার ভেতরে সাদা পরিধেয়তে কর্কট। ঘরটা আলোয় আলোয় ভরে উঠল। আমি শুধু তাকিয়ে থাকলাম। কোনো কথা বললাম না। কর্কটই প্রথম জিজ্ঞেস করেছিল, “কেমন আছো?”

    বলেছিলাম, “কেন এসেছ?”

    সে বিচ্ছিরি হেসেছিল। তারপর বলল, “এত বছর পর বন্ধু ফিরে এসেছে তোমার তো খুশি হবার কথা। তা না হয়ে…”

    আমি তাচ্ছিল্যের হাসি হেসে কেটে কেটে উচ্চারণ করলাম, “ব-ন্ধু!”

    সে গম্ভীর হয়ে গেল। তাচ্ছিল্য তার কোনোকালেই পছন্দ নয়। সে সরাসরি কাজের কথায় চলে এল। বরাবর তার এরকমই অভ্যেস।

    সে বলল, “তোমাদের বারো বছরের চক্র যে নষ্ট করেছে তার নাম কৈটভ। জানো বোধহয়। সে-ই তোমাদের দেবতাকে চুরি করেছিল। মারাত্মক বুদ্ধিমান যুবক। খুব উচ্চাকাঙ্খী, ঠিক আমারই মতো। মনে মায়া দয়া নেই। সে মৃতকৈটভ বলে এক সঞ্জীবনী আবিষ্কার করেছে। ভাবতে পারো, নিজের নামেই নাম রেখেছে- কতটা ঔদ্ধত্য। সে এবার আরও বড়ো ছক কষেছে। আর কী বলো তো, তার পাশে এবার আমি আছি। যে মানবসভ্যতা বাঁচাতে সারাটা জীবন দিয়ে দিলে এবার সেটাই ধ্বংস করব আমরা।”

    আমি কর্কটের কথা শুনে একাধারে স্তম্ভিত এবং অস্থির হয়ে উঠেছিলাম। বলেছিলাম, “তোমরা কী করতে চলেছ?”

    সে সজোরে হেসে বলেছিল, “সেটা এখন বলব এটা ভাবলে কী করে? তবে আজ কিন্তু আমি শান্তি প্রস্তাব নিয়ে এসেছি। অন্য কেউ হলে আমার নাতিদের পাঠাতাম, তোমার জন্য আমি নিজেই এসেছি। শত হোক বন্ধু বলে

    কথা!”

    বলে আবার বিচ্ছিরি হাসল।

    “সময় যন্ত্রটা ব্যবহার করব ভাবছি। চাইলে একাও করতে পারি। কিন্তু তাতে মজা নেই। দুজনে মিলে করি চলো। পৃথিবী এক অন্য মজা পাবে।”

    আমি ক্ষিপ্র হয়ে উঠে দাঁড়িয়েছিলাম, “অসম্ভব। তুমি চুরি করেছিলে আশ্রমের জিনিস। সেটা ফেরত দাও।”

    “আচ্ছা। তাই নাকি! আমার নিজের আবিষ্কার আশ্রমের হয়ে গেল? চোর আমি না তোমার আশ্রম!”

    আমার হাতের কাছে ছিল ভস্ম করে দেওয়ার নির্যাস। আমি কালবিলম্ব না করে সেই নির্যাস ছুড়ে দিয়েছিলাম সেই আলোক বলয়ের দিকে। সাধারণত এই নির্যাস যা কিছুর গায়ে লাগে তাকে মুহূর্তের ভগ্নাংশে ছাইয়ে পরিণত করে। কিন্তু আশ্চর্য হয়ে গেলাম যে এতে কর্কটের কিছুই হল না। বরং মেঝের যেখানে পড়ল সে অংশ ছাই ভস্মে পরিণত হল।”

    কর্কট বিকট শব্দে হেসে উঠল।

    “ইলিউশন বোঝো গুরুদেব, আমি আসলে তোমার সামনে নেই। দাঁড়িয়ে আছি আমার পরীক্ষাগারে।”

    আমি দমে গেলাম। কর্কট বলতে লাগল, “তোমার উত্তর তো মোটামুটি পেয়েই গেছি। তবে আর কী? এত বছর পর একটা যুদ্ধ হয়েই যাক। না না, যুদ্ধে আমারও ইচ্ছে নেই। বরং একটা খেলা খেলি চলো। ব্রহ্মপদার্থের নাম শুনেছ?”

    আমি আঁতকে উঠলাম। মাথা নেড়ে জানালাম যে আমি জানি ব্রহ্মপদার্থ কী বস্তু।

    সে বলল, “সেটা চুরি হতে চলেছে। আর আমি বর্তমান সময়ে এটা চুরি করব না। এবারকার খেলাটা তোমার বুদ্ধির জোরের উপর নির্ভর করবে। আজ আসি। আবার আসব। ততক্ষণে যদি মত পালটাও জানিও। তাহলে তোমার পক্ষেও মঙ্গল, আর তোমার এই যতটুকু বেঁচে আছে

    ওইটুকুনি গ্রামের পক্ষেও মঙ্গল।”

    আমি মরিয়া চেষ্টা করলাম, “কী করবে তোমরা ব্রহ্মপদার্থ দিয়ে? তোমাদের কী পরিকল্পনা?”

    কর্কট হেসে বলল, “আমি করলে তো ভয়টা কম ছিল, করবে কৈটভ। তার কোনো ভরসা নেই।”

    আমার মুখ শুকিয়ে গেল। যে পিশাচ নিজের গ্রাম ধ্বংস করে নিজের ঘোষণা দিতে পারে তার হাতে ব্রহ্মপদার্থ পড়লে কী হবে তা আমি ভাবতেও পারছিলাম না। চিৎকার করে উঠলাম, “কর্কট, এটা তুমি হতে দিতে পারো না। এতদিন আমরা যেভাবে একে অপরের পথে আসিনি সেভাবেই থাকবে তুমি।”

    কর্কট এবার তাচ্ছিল্যের হাসিটা আমায় ফিরিয়ে দিল, “কর্কট মরে গেছে বহুকাল আগে। আজকাল আমাকে সবাই ঠাকুরদা ডাকে। চলি গুরুদেব। আবার আসব।”

    গুরুদেব সমস্তটা বলে থামলেন। বিধ্বস্ত লাগছিল তাঁকে। রামানুজ চুপচাপ বসে রইল তার সামনে।

    গুরুদেব একটু ধাতস্থ হলে সে জিজ্ঞেস করল, “ব্রহ্মপদার্থটা কী?”

    গুরুদেব উত্তর দেবার আগেই একটা শব্দ হল। রামানুজ তড়িৎবেগে গুরুদেবকে ধরে বেদি থেকে মাটিতে ঝাঁপ দিল। শব্দটা আবার হল। দুজনেই ধুলোমাখা শরীরে মাথা তুলে দেখলেন যেখানে তাঁরা বসে ছিলেন ঠিক দুজনের মাথার ইঞ্চি ছয়েক উপরে দুটো তির বট গাছটায় বিঁধে আছে। তিরের গা বেয়ে টপ টপ করে পড়ছে কোনো পদার্থ। গুরুদেব বললেন, “বিষ।”

    রামানুজ আরও অল্প কিছু সময় অপেক্ষা করে উঠে দাঁড়াল। কুয়াশা এখন প্রায় নেই। তবুও কাউকে দেখা গেল না। রাস্তার দিক থেকেই সম্ভবত এসেছে এই তির। কিন্তু রাস্তার ওধারেও জঙ্গল। তাই কেউ মেরে এতক্ষণে নিশ্চয়ই

    পালিয়ে গিয়েছে। রামানুজ তিরটাকে অনেকক্ষণ ধরে জরিপ করে বলল, “আমাদের মারতে নয়, বরং একটু ভয় দেখাতেই এই পরিকল্পনা। তিরে বিষ লাগানো হয় বহুদিন আগে। এই দুটো তিরে বিষ লাগানো হয়েছে সদ্য।”

    গুরুদেবকে মাটিতে পড়ে থাকতে দেখে দুর্গা এসে পড়েছিল। রামানুজ দেখল তার জন্য খাবার নিয়ে আসছে কাঞ্চনও।

    “গুরুদেব আপনি ঠিক আছেন তো? কী হয়েছিল?”

    গুরুদেব উঠে দাঁড়িয়েছেন।

    “ঠিক আছি। ওই দেখো।”

    দুর্গাকে তির দেখালেন তিনি।

    “রামানুজদা, অনেকটা সময় হয়ে গেল। তাই তোমার খাবারটা ভাবলাম দিয়ে যাই।”

    কাঞ্চন এসে দাঁড়িয়েছে রামানুজের পাশে। রামানুজ তাকে জিজ্ঞেস করল, “রাস্তায় কাউকে দেখলি? এই তিরগুলো মেরে পালিয়েছে।”

    কাঞ্চন মাথা নেড়ে বলল, “না কাউকে দেখিনি তো।”

    “হুম। আচ্ছা গুরুদেব চলুন, আরও কিছু কথা আছে। কাঞ্চন, এখন খাব না। ফিরে খাচ্ছি। তুই যা।”

    রামানুজ গুরুদেবকে নিয়ে আশ্রমের দিকে এগিয়ে গেল।

    কাঞ্চন একবার দেখল দুর্গা দাঁড়িয়ে আছে। গুরুদেবের সঙ্গে ফিরে যায়নি। রামানুজ আর গুরুদেব ওদের ফেলে ইতিমধ্যেই অনেকটা এগিয়ে গেছে। দুর্গা তার দিকে বারকয়েক তাকাচ্ছে। কাঞ্চন আর সময় নষ্ট করল না। রাস্তার দিকে হাঁটতে লাগল।

    দুর্গা কাঞ্চনের দিকে এক দৃষ্টে তাকিয়ে রইল। একবার ভাবল কাঞ্চনকে ডাকবে। মনে মনে বারকয়েক ডেকেও নিল। কিন্তু কাঞ্চনের সঙ্গে সে যা করেছে আজীবন, তাতে সে কাঞ্চনকে ডাকার সাহসটাই পেল না। কাঞ্চন ধীরে ধীরে বড়ো রাস্তায় উঠে হারিয়ে গেল। দুর্গা দাঁড়িয়ে রইল গ্রামের মাঝখানে। হঠাৎ করেই দুর্গার নিজেকে খুব একা মনে হতে লাগল। গুরুদেবও এই সংকটের মুহূর্তে রামানুজের সাহায্যের কথা ভাবছেন। যে বীরাঙ্গনা হওয়ার ইচ্ছে নিয়ে সে তার ছোটোবেলার বন্ধুকে ছেড়েছিল, যৌবনের সুখ ছেড়েছিল, আজ ক্রমশ সেই বীরাঙ্গনা হবার ইচ্ছেটাই তাকে ছেড়ে চলে যাচ্ছে।

    গ্রামের মাঝে একা দাঁড়িয়ে রইল দুর্গা।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমৃত কৈটভ ১ – সৌরভ চক্রবর্তী
    Next Article এক বুড়ো আর সমুদ্র – আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Our Picks

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026

    এক বুড়ো আর সমুদ্র – আর্নেস্ট হেমিংওয়ে

    February 18, 2026

    মৃত কৈটভ ২ – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }