Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026

    এক বুড়ো আর সমুদ্র – আর্নেস্ট হেমিংওয়ে

    February 18, 2026

    মৃত কৈটভ ২ – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মৃত কৈটভ ২ – সৌরভ চক্রবর্তী

    সৌরভ চক্রবর্তী এক পাতা গল্প131 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ব্রহ্মপদার্থ – ৬

    (৬)

    পরীক্ষাগার থেকে ধোঁয়া বেরোচ্ছে। ভেতরে কেউ মন দিয়ে কাজ করছে। বাইরে ঠাকুরদা আর তার এক নাতি কথা বলছে।

    “কিছু মনে করবেন না ঠাকুরদা, আপনার মনে হয় কৈটভ আমাদের সঙ্গ দেবে? ওকে যারা সব কিছু দিল সে তাদের সঙ্গেই বেইমানি করে এসেছে। হেমন্তাইকে খুন করেছে। ওকে বিশ্বাস করা যায়?”

    ঠাকুরদা হাতে আপেল নিয়ে কেটে খাচ্ছিলেন। কথাটা শুনে স্বভাবসুলভ হাসলেন। তারপর এক টুকরো আপেল নিজে খেলেন, আরেক টুকরো নাতিকে দিলেন।

    “তোকে কে বলল যে কৈটভকে আমি বিশ্বাস করছি? কাউকে বিশ্বাস করলে আমি তাকে রাতদিন পরীক্ষাগারে বসিয়ে রাখি না।”

    বলে হাতের ইশারায় নিজের কানে লাগানো যন্ত্রটা দেখালেন আর চোখের ইশারায় আবার হাসলেন।

    নাতিও এর ইঙ্গিত বুঝে হাসল আর গপাৎ করে কাটা আপেলের টুকরোটা মুখে চালান করল।

    ঠাকুরদা সামনে যে পরীক্ষাগার থেকে ধোঁয়া বেরোচ্ছে সেদিকে এগোলেন।

    ভেতরে ঢুকে দেখলেন কৈটভ একমনে কাজ করছে।

    “কৈটভ?”

    ঠাকুরদার গমগমে কণ্ঠে কৈটভ ফিরে তাকাল। কৈটভের মুখ দেখে তার মনের অবস্থা কখনও বোঝা যায় না। একদম সপাট নিরেট মুখাবয়ব। কোনো ভাব প্রকাশ পায় না, ভাবলেশহীন মোঙ্গলীয় গড়ন।

    “বলুন।”

    “কেমন চলছে পরীক্ষানিরীক্ষা?”

    “ঠিক পথেই এগোচ্ছে।”

    “তোমার এই হিংস্র সেনানীর একটা নাম ভেবেছি।”

    “কী নাম?”

    “কৈটভ বাহিনী।”

    ঠাকুরদার এই নামকরণের কৈটভের চোখ মুহূর্তের ভগ্নাংশের জন্য চকচক করে উঠল। ফলে এটা ঠাকুরদার চোখ এড়াল না। তিনি আবার বললেন, “একটা মারাত্মক কৈটভ বাহিনী গড়ে তোলো যা পরবর্তীকালে আমাদের কাজে সাহায্য করবে। নাও আপেল খাও।”

    কৈটভ হাত তুলে জানাল সে খাবে না। ঠাকুরদা এটাও লক্ষ করল। কৈটভ বলল, “আমার মানুষ চাই। যাদের উপর মৃত কৈটভ প্রয়োগ করে কৈটভ বাহিনী গড়ে তুলব।”

    “সব পেয়ে যাবে। তুমি মৃত কৈটভ তৈরির প্রক্রিয়া শেষ করো। ততক্ষণে আমি মানুষের ব্যবস্থা করে ফেলব।

    কৈটভ মাথা নেড়ে আবার মৃত কৈটভ তৈরিতে মন দিল। ঠাকুরদা পরীক্ষাগার ছেড়ে বেরোবার পথে বলে এল, “আজ সন্ধেবেলা একটু আমার অফিস ঘরে এসো। একটা শো দেখাব।”

    কৈটভ টেস্ট টিউব নিয়ে কাজ করতে করতেই জিজ্ঞেস করল, “আমার প্রথম কৈটভ বাহিনী জঙ্গলের মধ্যে সময়ে সময়ে মৃত কৈটভের ডোজ আর খাবার পাচ্ছে তো?”

    ঠাকুরদা আপেলের শেষ টুকরো মুখে ফেলে বললেন, “সব পাচ্ছে। তুমি নিশ্চিন্ত থাকতে পারো।”

    ঠাকুরদা বেরিয়ে গেলেন।

    ওদিকে রামানুজ ত্রিবেদী স্যারকে ফোন করে ব্রহ্মপদার্থ সম্পর্কিত সমস্ত

    তথ্য দিয়েছে। ফোনে ত্রিবেদী স্যার খুব উত্তেজিত, “আমি তো পুরীতে জগন্নাথদেব মন্দিরে ঘুরে এসেছি। জানি না তোমার গুরুদেবের কাহিনিতে কতটা দম আছে, কিন্তু আমাদের তবে সেখানকার সিকউরিটি বাড়াতে হবে। অভিনব যোশীকে ভেবেছিলাম ত্রিপুরায় পাঠাব। ব্রিলিয়ান্ট অফিসার।”

    “কিন্তু স্যার, ত্রিপুরায় পাঠিয়ে লাভ নেই। এখানে সেরকম কিছু হবার চান্স কম। আর গুরুদেবকে অবিশ্বাস করার কোনো কারণ আপাতত আমার কাছে নেই।”

    “কবে কোনো ঘটনা ঘটতে পারে বলে তোমার মনে হয়।”

    “সত্যি বলব! আমার মনে হয় না বর্তমানে কিছুই ঘটবে।”

    “মানে ওই টাইম ট্রাভেল থিয়োরি?”

    “জানি না। আমিও ধোঁয়াশায়। তবে এক কাজ করুন অভিনবকে পুরীতে পাঠিয়ে দিন। প্যানিক ক্রিয়েট না করে জাস্ট ওখানের সিকিউরিটি বাড়িয়ে দিতে বলুন।”

    “আমিও তাই ভাবছি তবে রামানুজ, এই জীবনে তোমার ত্রিপুরার এই কেসের মতো কেস দেখিনি।”

    রামানুজ বলল, “আর দেখবেন বলেও মনে হয় না। আমিও গ্রামে ঢুকছি। দেখি গুরুদেব আর কী কী বলেন। জয় হিন্দ স্যার।”

    “জয় হিন্দ।”

    রামানুজ ফোন কেটে গ্রামে ঢুকল। আজকাল গ্রামটাকে অদ্ভুত মরা-মরা লাগে। জঙ্গলের ফাঁকে এই বিকেলেই কুয়াশা নেমে যায়। শুরুর কিছু গাছপালা দেখা যাচ্ছে। পাতাগুলো ভিজে আছে। সূর্যের আলো সেই দুপুর বারোটায় একবার দেখা গিয়েছিল। তারপর সেই যে তিনি মেঘের ভেতরে লুকিয়ে পড়েছেন তার আর দেখা পাওয়া যায়নি।

    আশ্রমে পৌঁছে দুর্গার সঙ্গে রামানুজের দেখা হল। দুর্গা নিজে থেকেই কথা বলল আজ, “গুরুদেব বাচ্চাদের সঙ্গে কথা বলছেন। আপনাকে কার্যালয়ে বসতে বলেছেন।”

    “বেশ।”

    রামানুজ চলে যাচ্ছিল কার্যালয়ের দিকে। দুর্গা তাকে আবার ডাকল, “কাঞ্চন গতকাল আপনাকে দাদা বলে ডাকল।”

    রামানুজ থমকে দাঁড়াল। এই প্রথম সে দুর্গার মুখ থেকে সম্পূর্ণ একটা বাক্য শুনল। অদ্ভুত সুন্দর কণ্ঠ মেয়েটার। একটা আদিবাসী ঝংকার আছে তাতে।

    “কাঞ্চন আমার ছোটো ভাইয়ের মতো।”

    “হুম। পারলে ওকে একবার আমার সঙ্গে কথা বলতে বলবেন। আমি গতকাল চেষ্টা করেছিলাম, পারিনি।”

    “কেন?”

    “ওকে ওর নাম ধরে ডাকতেই পারিনি। কীভাবে কথা হবে?”

    “হুম। বলব।”

    কথা বলতে বলতেই গুরুদেব চলে এলেন।

    “রামানুজ এসেছ। চলো কার্যালয়ে।”

    “আসি।”

    রামানুজ দুর্গাকে বিদায় জানিয়ে কার্যালয়ের দিকে চলে এল। কার্যালয়ের ভেতরে গিয়ে রামানুজকে কাঠের চেয়ারটিতে বসতে বলে নিজে টেবিলের ওপারে চেয়ারে বসলেন।

    “গতকাল ব্রহ্মপদার্থ সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পেয়েছ তো?”

    রামানুজ মাথা নেড়ে বলে, “হ্যাঁ, ব্রহ্মপদার্থ সম্পর্কে ধারণা একদম পরিষ্কার। এ জিনিস কৈটভের হাতে পড়লে ঠিক কী হতে পারে আমি ভাবতেই পারি না। ইতিমধ্যে আমরা জগন্নাথ পুরীর সিকিউরিটি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। দিল্লি থেকে স্পেশাল অফিসার নিয়োগ করা হচ্ছে।”

    “খুব ভালো কথা রামানুজ। কিন্তু আমার ধারণা তাতে কিছু হবে না। কর্কট আমার কাছে সময় যাত্রার বাকি অংশটা চেয়েছিল। এটা নিশ্চয়ই এই কাজে লাগাবার কথা ভেবেই চেয়েছে। সেক্ষেত্রে বর্তমান হাজার লক্ষ পুলিশ বাহিনী নামিয়ে দিলেও কোনো সুরাহা হবে না।”

    “এই টাইম ট্রাভেলের অংশটাই আমার কাছে এখনও পরিষ্কার হচ্ছে না। আমি কাল রাতেও একটু পড়াশোনা করলাম। কিন্তু…”

    “বেশ জিজ্ঞেস করো তোমার প্রশ্ন। আমি চেষ্টা করছি।”

    “টাইম ট্রাভেলের থিয়োরিটা বুঝে গেছি। কিন্তু আপনি এই যে স্পেস আর টাইমের জালিকার কথা বলছেন তার মাধ্যমে যদি টাইম ট্রাভেল করতে হয় তবে প্রচুর গ্র্যাভিটির প্রয়োজন। তাই তো?”

    “ঠিক তাই। গ্র্যাভিটি বাড়াতে হবে।”

    “তাহলে এক্সট্রা গ্র্যাভিটি আপনি আর কর্কট পেলেন কোথায়?”

    “মাধ্যাকর্ষণ আর চুম্বক শক্তির কাজ কাছাকাছি। দুটোই কনজারভেটিভ ফোর্স বা শক্তি। আমরা যে জায়গাটা বাছাই করেছিলাম সেটাকে আমরা পৃথিবীর মধ্যে হলেও পৃথিবী অপেক্ষা আলাদা বস্তু হিসেবেই দেখেছি। আর আমরা থেকেছি পৃথিবীতে। আমরা যে যন্ত্রটি আবিষ্কার করেছিলাম তা শুধুমাত্র ওই স্থানের মাধ্যাকর্ষণ বহু গুণে বাড়িয়ে দেয়। উদাহরণ হিসেবে ব্ল্যাক হোলের কথা ধরতে পারো। কোনো গ্রহ বা নক্ষত্রের খুব কাছে একটি ব্ল্যাক হোল থাকলে সেই গ্রহ বা নক্ষত্রে সেই গ্রহ বা নক্ষত্রের মাধ্যাকর্ষণের বাইরেও ব্ল্যাক হোলের মাধ্যাকর্ষণ কাজ করে। ফলে মোট মাধ্যাকর্ষণ বহু গুণে বেড়ে যায়। এক্ষেত্রেও তাই হয়েছে। আমাদের যন্ত্রটিকে যদি উদাহরণ হিসেবে ব্ল্যাক-হোল ধরে নাও আর আমাদের বাছাই করা জায়গাকে ধরো সেই গ্রহ, তবে সেখানে আমাদের পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণও কাজ করছে আবার আমাদের ব্ল্যাক-হোলস্বরূপ যন্ত্রটিরও। ফলে সময়ের গতি সেখানে ধীর। আর সেই স্থানটিতে বায়বীয় মাধ্যমও আমাদের এখানকার মতো নয়। যেহেতু আমাদের প্রায় সমস্ত আবিষ্কারেই গন্দবেরুন্দার নির্যাসের ভূমিকা বিশাল এক্ষেত্রেও তার অন্যথা হয়নি। সেই জায়গায় বায়বীয় মাধ্যম জেলির মতো থকথকে। বাইরে

    থেকে মানুষটির চলাফেরা কিছুই বোঝা যাবে না। অথচ ভেতরে লোকটি দেখবে ঠিক অন্য দৃশ্য। বাইরের সবকিছুর গতি যেন বেড়ে গেছে। সে যদি সঠিক সময় নির্ণয় করে বেড়িয়েও আসে দেখবে সে পৌঁছে গেছে ভবিষ্যতে। এবার বুঝলেন পুলিশ কর্তা?”

    রামানুজ মুগ্ধ হয়ে শুনছিল শুধু এবং অবাক হচ্ছিল। ঘোর কাটতেই সে মাথা নেড়ে বোঝায় যে সে বুঝেছে।

    “আর কোনো প্রশ্ন?”

    আমতা আমতা করে বলে, “হুম আছে একটা। ভবিষ্যতে যাওয়াটা তো বুঝতে পারলাম। কিন্তু অতীতে তো হিসেব বলছে যাওয়া সম্ভবই নয়।”

    হাত তুলে রামানুজকে থামালেন গুরুদেব।

    “সম্ভব সম্ভব। সব সম্ভব।”

    “কিন্তু গুরুদেব ওয়ার্মহোল একটা থিয়োরি। আমি যতটুকু জানতে পেরেছি এর তো কোনো অস্তিত্ব এখনও অবধি পাওয়া যায়নি।”

    “খুব পাওয়া গেছে। মহাকাশে আমরা খুঁজে পাইনি। কিন্তু ২০১৫ সালে একটা ল্যাবেই ওয়ার্মহোল সৃষ্টি করা হয়েছে। তবে সেটা গ্র্যাভিটি বা মাধ্যাকর্ষণ দিয়ে নয়। চৌম্বক শক্তির মাধ্যমে। আর তারও বহুকাল আগে সেরকমই এক ওয়ার্ম হোল সৃষ্টি করেছিল কর্কট।”

    “কিন্তু কীভাবে? ওয়ার্ম হোলের দু-দিকে দুই প্রকার শক্তি প্রয়োজন। এক মুখে সে সব গিলে নেবে অন্য মুখে ছুড়ে ফেলে দেবে। বিজ্ঞানের হাজারটা সমীকরণ প্রয়োজন যেমন এন্ট্রপি, শক্তির রক্ষণাবেক্ষণ ইত্যাদি। ওয়ার্ম হোল এলেই চলে আসে ব্ল্যাক আর হোয়াইট হোলের কনসেপ্ট। একদিকে ব্ল্যাক হোল আর অন্যদিকে সমতুল্য হোয়াইট হোল না থাকলে এই যে সময় জালিকা ছিঁড়ে এদিকে-ওদিকে এক হয়ে যাওয়া বা একটা টানেলে সৃষ্টি তা কখনোই সম্ভব নয়। হয়তো মানুষ এটা সৃষ্টি করে ফেলতে পারবে বা এর ভেতরে ঢুকেও পড়ল কিন্তু আজীবন এই ট্র্যাপে ঘুরতে থাকবে। বেরোতেই

    পারবে না। আর কী ভীষণরকম ফোর বা ফাইভ ডাইমেনশনাল বিষয়। ২০১৫ সালে কেউ যদি কৃত্রিমভাবে তৈরি করেও থাকে, আপনারা সেটা করেছেন আপনার কথা মতো অন্তত এক-দেড়শো বছর আগে। কীভাবে বিশ্বাস করি বলুন তো?”

    রামানুজ উত্তেজনায় বসা থেকে দাঁড়িয়ে পড়েছে। গুরুদেব ওর কথা শেষ হলে ওর দিকে জলের গ্লাসটা এগিয়ে ধরে।

    সে ঢকঢক করে জল খায়।

    “শান্ত হও। এটা বোঝো যে এতটা অসম্ভব বলেইতো কর্কটের এই আবিষ্কার আমাদের সকলকে সেই সময় অবাক করে দিয়েছিল। আর এটা এক-দেড়শো বছর আগের কথা নয়, নব্বই বছর আগের কথা। আমি আগেরবার তোমাকে বলেছিলাম আইনস্টাইনের আবিষ্কারের কথা। তখন আমাদের প্রশিক্ষণ দিতে বৌদ্ধ লামারা আসতেন। তাদের থেকেই আমরা থিয়োরি অব রিলেটিভিটি জানতে পারি। পৃথিবীর বাকি বিজ্ঞানীদের হাতে গন্দবেরুন্দা ভগবানের দেহ নিঃসৃত দৈব পদার্থ ছিল না। এটা মনে রাখতে হবে। তাই আমাদের কাছে একটা অন্তত সুবিধে আগে থেকেই ছিল। আর বাকি প্রশ্নের উত্তর তোমাকে সময়-যন্ত্র দেখিয়ে বোঝাব। তুমি যে পড়াশোনা করে এসে এত প্রশ্ন করবে জানলে আমি তোমাকে সরাসরি যন্ত্রটা দেখিয়ে দিতাম। এত কথা বাড়াতাম-ই না।”

    গুরুদেব এত রসিয়ে কথাটা বললেন যে উপস্থিত দুজনেই কথা শেষে হেসে উঠল।

    রামানুজ হাসতে হাসতেই বলল, “ঠাকুরদা আর এসেছিলেন নাকি আলোর বলয়ে বেষ্টিত হয়ে?”

    মজাচ্ছলেই প্রশ্নটা করেছিল রামানুজ। কিন্তু তাতেও গুরুদেবের মুখের রং পালটে গেল।

    বললেন, “এসেছিল হে এসেছিল। ওই একই কথা। আমি যেন রাজি হয়ে যাই।”

    “আচ্ছা গুরুদেব, এই ঠাকুরদা বা কর্কট মানুষটা আপনার সাহায্য চাইছে কেন?”

    গুরুদেব এবার স্মিত হাসলেন, “এখনও ধরতে পারলে না পুলিশ প্রধান?”

    রামানুজ চোখ ছোটো করল। তারপর হঠাৎই বলে উঠল, “তার মানে দুটো যন্ত্র চালানোর সুবিধে না থাকলে এই সময় যাত্রা ব্যর্থ।”

    গুরুদেব দ্রুত মাথা নাড়লেন, “একদম তাই। যে ভবিষ্যতে যাবে সে ওখানেই আটকে থাকবে আর যে অতীতে যাবে সে ওখানেই আটকে যাবে। বর্তমানে ফিরতে হলে দরকার দুটো যন্ত্র ওই একই জায়গায় বসানো। তবেই নির্ভয়ে সঠিক সময় যাত্রা সম্ভব।”

    “তার মানে ওরা কখনোই আমাদের সাহায্য ছাড়া চুরি করতে পারবে না। মিটে গেল। ঝামেলাই নেই।”

    “রামানুজ তুমি এত আত্মবিশ্বাসী এই কারণেই হচ্ছ যে মিথ সংঘ সম্পর্কে তোমার ধারণা শূন্য। ঠিক যেমন শুরুতে এই গ্রাম ও গন্দবেরুন্দা নিয়ে তুমি জানতে না। সমীহ করতে শেখো।”

    রামানুজ গুরুদেবের কথায় হাসল, “গুরুদেব আমি সমীহ করছি বলেই এখানে বসে আছি। কিন্তু আমার আত্মবিশ্বাটাই আমার শক্তি। ওটাকে সন্দেহ করতে আমি রাজি নই।”

    রামানুজ কথাটা শেষও করতে পারল না আর ঠিক তখনই শব্দটা হল। ভয়ানক শব্দ শুনে দুজনেই চমকে উঠলেন। রামানুজ কালবিলম্ব না করে বাইরে ছুটল। পেছন পেছন গুরুদেব। আশ্রমের সদর দরজার কাছে এসে বিহ্বল হয়ে দাঁড়িয়ে পড়ল রামানুজ।

    সে দেখল আশ্রমের সদর দরজা ভাঙা। একটি স্করপিও গাড়ি সোজা দরজা ভেঙে ঢুকেছে আশ্রমে। সেখানে দুর্গা সম্ভবত তাদের বাধা দিতে গিয়েছিল। দুর্গাকে গান পয়েন্টে রেখেছে লোকটা। মাঝবয়সি লোক, পরনে সাদা ধুতি-পাঞ্জাবি। এই সন্ধেতেও চোখে কালো চশমা। গাড়ির আশেপাশে যারা দাঁড়িয়ে আছে তারা সবাই একই পোশাক পরে আছে।

    রামানুজ পিছন থেকে গুরুদেবের দীর্ঘশ্বাস শুনতে পেল। দাঁত কিড়মিড় করে তিনি বললেন, “ক-র্ক-ট।”

    “রামানুজ সাহেব একদম চালাকি না। বন্দুকটা বের করে মাটিতে রাখুন।”

    যে লোকটা দুর্গার মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে রেখেছে সে-ই রামানুজের উদ্দেশে কথাগুলো বলল।

    রামানুজ চারদিকের অবস্থা বুঝে ধীরে ধীরে কোমর থেকে বন্দুকটা বের করে মাটিতে রাখল। তারপর বলল, “দুর্গাকে ছেড়ে দাও।”

    “মশাই ওকে তুলে নিয়ে যেতেই তো এসেছি।”

    এসব যখন ঘটছে তখন মিথ সংঘে নিজের অফিসে কৈটভকে নিয়ে বসে আপেলের রস খেতে খেতে ঠাকুরদা এই দৃশ্য উপভোগ করছিলেন।

    আশ্রমের এক প্রান্তে আলোক বলয়টি ততক্ষণে ফুটে উঠেছে। গুরুদেব সেটি দেখে ফেলেছেন। তাঁর চোয়াল শক্ত হয়ে উঠেছে।

    রামানুজ এখনও দাঁত খিঁচিয়ে তর্ক করে যাচ্ছে ঠাকুরদা বাহিনীর সঙ্গে, “একে নিয়ে যাবেন মানে? নিয়ে কোথায় যাবেন? পুরো শহরটাকে ফোর্স দিয়ে ঘিরে ফেলতে পারি জানিস।”

    লোকটা এই কথায় যেন আমোদ পেল। বলল, “হ্যাঁ, কত্তামশাই ঘিরে ফেলুন। আমরা আসি। রাস্তায় দেখা হবে। এই কে আছিস, দেবীজিকে গাড়িতে তোল। দেখিস কোনো কষ্ট যেন না হয়, ম্যাডাম আপনি গাড়িতে গিয়ে বসুন।”

    দুর্গা রামানুজের দিকে তাকাল। রামানুজ ঘাড় নাড়িয়ে সম্মতি দিল। দুর্গা মিথ সংঘের সদস্যদের দিকে ঘৃণা ভরা দৃষ্টি তাচ্ছিল্য করে ধীরে ধীরে গাড়িতে গিয়ে উঠল।

    দুজন তার মাথার কাছে বন্দুক উঁচিয়ে থাকল।

    লোকটা এবার ধীরে ধীরে রামানুজের দিকে এগিয়ে এল। “কাইন্ডলি একটু সরুন। গুরুদেবের সঙ্গে কথা ছিল।”

    রামানুজ সরে গেল।

    “এই তোরা এর দিকে একটু বন্দুক তাক করে রাখ। ইনি খুব ডেঞ্জারাস লোক।”

    বলে খ্যাকখ্যাক করে হেসে রামানুজকে কাটিয়ে গুরুদেবের সামনে এসে দাঁড়াল।

    “ওই দেখুন ঠাকুরদাও দেখছেন।”

    বলে আলোক বলয়টা দেখাল। মাথার পেছন দিকে ছিল বলে রামানুজ এই প্রথম দেখতে পেল। তার চোখ বড়ো বড়ো হয়ে গেল। অপার্থিব জিনিসপত্তর সব!”

    “কী চাও তোমরা?”

    “আমরা চাই আপনি যাতে ঠাকুরদার কথায় রাজি হয়ে যান। তাড়াতাড়ি হয়ে গেলে দেবীজিকে তাড়াতাড়ি পেয়ে যাবেন। চিন্তার কিছু নেই। রাজি না হলেই চিন্তার ব্যাপার। আদেশ করুন। আসি আমরা।”

    লোকটা এই কথা বলে গুরুদেবের আদেশের তোয়াক্কা না করে গাড়ির দিকে হাঁটতে থাকল। গাড়িতে উঠে আলোক বলয়ের উদ্দেশে,

    “মিথ সংঘ জিন্দাবাদ।”

    চিৎকার করে উঠল। বাকি সাগরেদরাও সেই ধ্বনি তুলল,

    “মিথ সংঘ জিন্দাবাদ। মিথ সংঘ জিন্দাবাদ।”

    বলতে বলতে বেরিয়ে গেল। যাবার সময় লোকটা গাড়ির কাচ নামিয়ে রামানুজকে বলে গেল, “সদর দরজার এই অবস্থার জন্য দুঃখিত। আশা করি আপনারা ঠিক করে নেবেন। আসি।”

    গাড়ি শব্দ করে বেরিয়ে গেল। গুরুদেব ক্রোধান্বিত হয়ে আলোক বলয়ের সামনে গেলেন। পিছন পিছন রামানুজ।

    গুরুদেব বললেন, “কী চাস তুই কর্কট? এবার নিজের সর্বনাশ নিজে ডেকে আনছিস।”

    কর্কট ওরফে ঠাকুরদা কথাটাকে অগ্রাহ্য করার ভঙ্গিতে হাত নাড়ল। তারপর আলোক বলয়টা অদৃশ্য হয়ে গেল।

    নিজের অফিসরুমে বসে অট্টহাস্যে ফেটে পড়লেন ঠাকুরদা।

    হা হা হা। কৈটভ কেমন দিলাম? আশ্রমের সকলের সামনে জাস্ট পাত্তা দিলাম না আশ্রম প্রধানকে। তুলে নিয়ে এসেছি ওর অন্যতম প্রধান অস্ত্রকে।

    কিছু করতে পারল না।

    কৈটভ ঠাকুরদাকে দেখছে শুধু। নিজেকে সে পিশাচ শ্রেষ্ঠ ভাবত। কিন্তু এই লোকটাও কোনো অংশে কম নয়।

    ওদিকে আশ্রমে গুরুদেব হাঁটু গেড়ে বসে পড়েছেন। রামানুজ গিয়ে তাঁকে ধরল।

    “আপনি উঠুন। চলুন আমার সঙ্গে।”

    গুরুদেবের চোখে জল। তিনি বললেন, “কেন এরকম হচ্ছে রামানুজ। আমার শান্ত গ্রামটা কার প্রকোপে ছারখার হয়ে যাচ্ছে?”

    রামানুজের চোখও লাল হয়ে আছে। সে কোনো কথা না বলে গুরুদেবকে কোনোক্রমে তুলে কার্যালয়ে নিয়ে বসালেন।

    সকলে এসে কার্যালয়ের বাইরে ভিড় করল।

    রামানুজ ইতিমধ্যে সিনহাকে সমস্ত কিছু জানিয়ে দিয়েছে। সিনহা আশ্বস্ত করেছেন,

    “স্যার ওদের পাতাল থেকেও খুঁজে বের করব। সব রাস্তায় চেক পয়েন্ট বসাচ্ছি।”

    রামানুজ হাতে ফোন নিয়ে সকলকে ফোন করে যাচ্ছে। এদিকে গুরুদেব চুপচাপ বসে আছেন।

    অল্প সময়ের মধ্যে দাসবাবু আর কাঞ্চন এসে উপস্থিত হল।

    “শুনলাম দুর্গা-কে নিয়ে চলে গেছে?”

    কাঞ্চন জিজ্ঞেস করল। রামানুজ মাথা নাড়ল। গুরুদেব তাকাল তার দিকে। এই ছেলেটাই একসময় দুর্গাকে নিয়ে পাগল ছিল। দুর্গাকে ভালোবাসত। অথচ আজকে দুর্গার অপহরণের পরে শুধুমাত্র খবরটা যাচাই করে চুপচাপ দাঁড়িয়ে আছে।

    এরকম সময় ফোনটা এল। রামানুজ তুলে নিল, “সিনহা সাহেব বলুন। হোয়াট? এটা সম্ভব নাকি?”

    “ঠিক আছে দেখুন।”

    রামানুজ ফোনটা কেটে দিল।

    “কী খবর এল?” গুরুদেব জিজ্ঞেস করলেন।

    “গাড়িটার কোনো ট্র্যাক নেই। জাস্ট হাওয়া হয়ে গেছে। কোনো দিকে বেরোয়নি।”

    রামানুজ নিজেই অবাক হয়ে আছে। গুরুদেব বললেন, “এ গাড়ি তোমরা পাবে না। আমি একটু সাধনা কক্ষে যাচ্ছি, তোমরা থাকো এখানে।”

    গুরুদেব সোজা কার্যালয় থেকে বেরিয়ে গেলেন। সকলে কার্যালয়ে অপেক্ষা করতে লাগল।

    রাত বাড়তে লাগল। কিন্তু গুরুদেব সাধনা কক্ষ থেকে বেরিয়ে এলেন না।

    একসময় রামানুজ স্বেচ্ছাসেবকদের বললেন, “বাচ্চাদের জাগিয়ে রেখে কষ্ট দিয়ে লাভ নেই। আপনারা ওদের খাবারের ব্যবস্থা করুন। আপনারা ওদের নিয়ে চলে যান। গুরুদেব এলে নিশ্চয়ই আপনাদের ডেকে নেওয়া হবে।”

    ওরা চলে গেল। কার্যালয়ে বসে রইলেন শুধু দাসবাবু আর কাঞ্চন। রামানুজ একটা সিগারেট ধরাল।

    “কাঞ্চন, তুই মেয়েটার উপর রাগটা ঝেড়ে ফেল। আজ দুর্গা আমাকে তোর কথা জিজ্ঞেস করছিল।”

    কাঞ্চন রামানুজের কথা অবিশ্বাসের সঙ্গে উড়িয়ে দেয়, “দুর্গা কথা বলেছে? তাও আমাকে নিয়ে? ধ্যাৎ…”

    রামানুজ কপটভাবে মারতে আসে কাঞ্চনকে, “মেয়েটাকে তুলে নিয়ে চলে গেছে। কোথায় গেছে কিছুই জানি না। এখন নিশ্চয়ই আমি তোর সঙ্গে ইয়ার্কি করব না। আর গতকালও দেখলাম মেয়েটার দিকে তাকাসনি তুই। নাহলে গতকাল-ই মেয়েটা তোর সঙ্গে কথা বলত। সেই আমাকে জানিয়েছে এসব।”

    কাঞ্চন অবাধ্যের মতো বলে, “বেশ করেছি। ওর জন্যেই তো আমি গ্রামছাড়া। বাবার সঙ্গে শেষ ক-টা দিনও সেভাবে কাটাতে পারিনি। কেন

    ক্ষমা করব?”

    রামানুজ এবার ওর কাঁধে হাত রেখে বুঝিয়ে বলে, “ক্ষমা না করলে তুই নিজেই ভেতরে ভেতরে নিজেকে সাজা দিবি। ক্ষমা করতে শেখ। আমি নই, শ্রীকৃষ্ণ গীতাতে বলে গেছেন। যাকে খুঁজতে এসেছি তার বাণীগুলো আমরা মেনে চলব নিশ্চয়-ই। আর তাছাড়া এখন না আছে এই গ্রামের প্রথা, না আছেন হেমন্তাই, না আছে কোনো বাধা। সে যদি এসবের জন্যে করেও থাকে আজ তো তার উদ্দেশ্যটাই হারিয়ে গেছে। বরং তোরা এই গ্রামটাকে এগিয়ে নিয়ে যাবার জন্য হলেও একসঙ্গে থাক। ভালোবাসাবাসি তো ছিলই। ওর মধ্যেও নিশ্চয়-ই আছে, নইলে আজ আমায় ডাকবে কেন, গতকাল তোর সঙ্গে কথা বলতে চাইবে কেন? ভেবে দেখ।”

    রামানুজ কথা শেষ করে ধোঁয়ার রিং বানাতে ব্যস্ত হয়ে পড়ল। “কিন্তু…”

    কাঞ্চন আরও কিছু বলতে গিয়েও থেমে গেল। সিনহা সাহেব ফোর্স নিয়ে এসেছেন। কার্যালয়ে এসে ঢুকলেন।

    “স্যার।”

    তিনি এসেই রামানুজকে অভিবাদন করলেন।

    “কোনো খবর?”

    সিনহা মাথা থেকে টুপি খুলে বললেন,

    “আশ্চর্য ব্যাপার স্যার। কোনো এক্সিট পয়েন্ট দিয়ে এই গাড়ি বেরোয়নি। তার চেয়েও বড়ো আশ্চর্যের ব্যাপার কোনো পয়েন্ট দিয়ে এই গাড়ি ঢোকেওনি।”

    “পাতালপুরীতে আশ্রয় নিয়েছে কিনা বুঝতে পারছি না।”

    “এই কেসে সবই আজব ঘটনা ঘটে, গতবার আমরা এটাই শিক্ষা পেয়েছিলাম। এবার শুধু এটাই দেখার শেষটাও কি গতবারের মতো ট্রাজিক হবে, নাকি আমাদের ভাগ্যও আমাদের প্রতি কিছুটা সদয় হবে।”

    “এবারেও কি সেই জম্বি বাহিনী?”

    “উঁহু, এবারে আরও ভয়ংকর। এবার কৈটভ মানে ওই যে যুবকটা বিদ্রোহ করেছিল এবং জম্বিদের সর্দার বনে বসে আছে, সেই ছেলেটার সঙ্গে যোগ দিয়েছে মিথ সংঘ।”

    “মিথ সংঘ? এরা কারা?”

    সিনহা আকাশ থেকে পড়লেন।

    “আন্ডারগ্রাউন্ড একটা টিম। বিজ্ঞান নিয়ে ধ্বংসাত্মক কাজ করে। কোনো ট্রেস পাবেন না এদের। এদের লিডারের নাম কর্কট ওরফে ঠাকুরদা।”

    “কী?”

    বেশ মজা পেল সবাই।

    “হ্যাঁ, এই ঠাকুরদা আর তার পৌত্ররা বা সাগরেদও বলতে পারো, এরা কৈটভকে শেলটার দিচ্ছে। এবার ওরা প্ল্যান করেছে…”

    প্ল্যান বলার আগেই কার্যালয়ে গুরুদেব এসে উপস্থিত হলেন। এসেই বললেন,

    “রামানুজ আমি কর্কটের সঙ্গে কথা বলেছি। আপাতত দুর্গার জন্য আমি ওদের শর্তে রাজি হয়েছি। আমি টাইম ট্রাভেলের জন্য ওদের শর্তে রাজি হয়েছি।”

    রামানুজ এগিয়ে এল, “গুরুদেব আপনি ভেবে বলছেন তো?”

    বাকিদের মধ্যে গুঞ্জন শুরু হয়েছে।

    “টাইম ট্রাভেল?”

    একে অপরের দিকে তাকাচ্ছে দাসবাবু, কাঞ্চন আর সিনহা। ফোর্স বাইরে অপেক্ষা করছে।

    “হ্যাঁ রামানুজ। এই মুহূর্তে আর কোনো উপায় নেই। আমাদের হাতে সময় কম। তাই আমাদের যা কিছু পরিকল্পনা করতে হবে আর সেটা আজ রাতেই করতে হবে।”

    রামানুজ বুঝতে পারল গুরুদেব এই প্ল্যানিংটা শুধু তার সঙ্গেই করতে চাইছেন।

    বাকিদের উদ্দেশে সে বলল, “সবাই তাহলে বাইরে থাকুন। আমি ডেকে নেব।”

    সবাই বেরিয়ে গেল। রামানুজ দরজা আটকে দিল।

    “এবার বলুন গুরুদেব।”

    “জগন্নাথ মন্দিরে কথা বলতে হবে। ওরা বর্তমানের ব্রহ্মপদার্থ চুরি করতে চাইছে। কারণ তাদের মতে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ব্রহ্মপদার্থের শক্তি বাড়তে থাকে। তাই তারা বর্তমানের-টাই চাইছে।”

    “কিন্তু ওরা কী করবে এই ব্রহ্মপদার্থ দিয়ে?”

    “জিজ্ঞেস করেছিলাম। উত্তর দেয়নি। আর তাছাড়া নেগোসিয়েশনে আমরা দুর্বল পক্ষ। আমি দুর্গাকে হারাতে পারব না।”

    “হুম। বলুন তারপর।”

    “ওরা প্রথমে চেয়েছিল আমরা যেন জগন্নাথ মন্দির থেকে ব্রহ্মপদার্থ চুরি করে ওদের দিয়ে দিই। আমি ওদের বললাম ২০২৩ সালে শ্রীবিগ্রহ পালটানো হয়েছে। বর্তমানে কোনোভাবেই শ্রীবিগ্রহে হাত দেওয়া যাবে না। পরিষ্কার জানিয়ে দিলাম যে বর্তমানের ব্রহ্মপদার্থ চুরি করা যাবে না। পরবর্তী শ্রীবিগ্রহ পরিবর্তন ২০৩৫ সালে অর্থাৎ এগারো বছর পর। এতকাল তো আর এরা অপেক্ষা করবে না। বুদ্ধি করে আমার মুখ দিয়েই ভবিষ্যতে যাবার কথাটা বের করল কর্কট। ওরা তো ভবিষ্যতে যেতে পারবে না। তো আমরা ভবিষ্যতে গিয়ে চুরি করব এবং অতীতে ফিরে অর্থাৎ যা আমাদের বর্তমান ওদের হ্যান্ডওভার করব। তারপর বর্তমানে ফিরে আসব। এই হচ্ছে ওদের পরিকল্পনা। এখন তুমি বলো আমাদের কীভাবে কী করা উচিত।”

    “বেশ বেশ। আমাকে আজ রাতটা ভাবতে দিন। এরই মধ্যে আমি একটা বুদ্ধি বের করছি। আচ্ছা কবে এই সময় যাত্রা হবে।”

    “আগামী পরশু দিন।”

    “হুম, ততদিন দুর্গাকে নিয়ে চিন্তা করার কিছু আছে কি?”

    “না, কর্কট ওকে পরশুদিন ভালোভাবে ফিরিয়ে দিলেই এই কাজ শুরু হবে।”

    “বাহ, খুব ভালো। আগামীকাল পরিকল্পনা জানাচ্ছি। এখন আপনি বিশ্রাম করুন।”

    রামানুজ আলোচনা শেষে ঘর থেকে বেরিয়ে এল। বাইরে কতকগুলো উৎসুক আর কৌতূহলী মুখ।

    সিনহাকে ডেকে রামানুজ বলল, “আজ ফোর্সকে ফিরে যেতে বলো। যা হবে পরশু হবে।”

    সবাই ফিরে গেল। কিছুক্ষণ পর আশ্রমে গুরুদেবের কক্ষের আলো নিভে গেল। সিনহা গাড়ি দিয়ে রামানুজকে নামিয়ে দিয়ে গেলেন।

    “আবার দেখা হবে স্যার।”

    রামানুজ কোয়ার্টারের ভেতরে ঢুকে গেল। শেষ হল একটা ক্লান্তিকর অসহ্য দিন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমৃত কৈটভ ১ – সৌরভ চক্রবর্তী
    Next Article এক বুড়ো আর সমুদ্র – আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Our Picks

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026

    এক বুড়ো আর সমুদ্র – আর্নেস্ট হেমিংওয়ে

    February 18, 2026

    মৃত কৈটভ ২ – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }