Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    সৌরভ চক্রবর্তী এক পাতা গল্প127 Mins Read0
    ⤷

    হলাহল বিষভাণ্ড – ১

    ।। ১।।

    বাইরে অবিরাম বর্ষণ চলছে। দু-দিন ধরে চলছে এই বজ্র-বিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টিপাত। শহরের মানুষ বন্যায় ভেসে যাচ্ছে। চারদিকে শুরু হয়েছে ত্রাণ কার্য। বিগত একশো বছরেও এরকম বন্যা দেখেনি শহরবাসী। অথচ এরকম বন্যার কোনো আভাস ছিল না। এরকম বিপর্যয়ের কোনো আভাস কেন আবহাওয়া-দপ্তর আগে থাকতে দিতে পারেনি তার ব্যাখ্যায় সকলেই অবাক। আসলে এরকম বন্যা হবার কোনো কথাই ছিল না। কিন্তু হঠাৎই দুর্যোগ নেমে এল।

    আসলে এ-দুর্যোগ যে কৈটভের অপ্রাকৃতিক সৃষ্টি কেউ তা জানতেও পারল না। এক পরিত্যক্ত খাদানে বসে আছে কৈটভ। চারদিকে বৃষ্টির জল পড়ছে। এখানে জল দাঁড়াচ্ছে না। কিন্তু ক্রমাগত বর্ষণে চারদিক জলে স্যাঁতসেঁতে হয়ে আছে। কৈটভ থেকে দূরত্ব বজায় রেখে জায়গাটা পাহারা দিচ্ছে কৈটভ-বাহিনী। ইতস্তত ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে কৈটভ-বাহিনী। তাদের হাতে অস্ত্র রয়েছে। কৈটভের ডানদিকে পড়ে রয়েছে কয়েকটা খালি টেস্টটিউব। কর্কটের পরীক্ষাগার থেকে চুরি করা রেইনোজ-এর মাধ্যমে এই বৃষ্টি ঘটিয়েছে কৈটভ। বন্যায় ভেসেছে শহর।

    কৈটভের মন বড়োই অশান্ত। এতটাই তার আক্রোশ যে সে পুরো পৃথিবীকে জ্বালিয়ে পুড়িয়ে শেষ করে দিতে চাইছে। কিন্তু সেটা যখন সম্ভব হচ্ছে না তখন বন্যায় ভাসিয়ে দিচ্ছে সকলকে। ঠিক যেন মৃত্যুর দেবতা কৈটভ। কৈটভের চোখ দিয়ে অবিশ্রান্ত ধারায় গড়িয়ে পড়ছে জল। এই বৃষ্টিতে যদিও কৈটভের চোখের জল বোঝা যাচ্ছে না। তার সামনে সাদা কাপড়ে জড়িয়ে শোয়ানো আছে তিনটে লাশ।

    ১৯৯৩ সালে কৈটভের মাতা-পিতাকে হত্যা করা হয়েছিল। তখন তাদের বিবাহ অবধি হয়নি। তার আগেই কৈটভ-সমস্যা সমূলে বিনাশ করার লক্ষ্যে এই অনিষ্ট করেছে রামানুজ। তারপর ২০১১ সালের কিশোর কৈটভের মৃতদেহও পড়ে আছে সামনে। সাদা কাপড় বৃষ্টিতে ভিজে মৃতদেহগুলোর গায়ের সঙ্গে সেঁটে আছে। বিকট শব্দে বাজ পড়লে হঠাৎ যখন দৃষ্টি যাচ্ছে সাদা কাপড়ের দিকে তখন বুকের রক্ত হিম হয়ে যাচ্ছে।

    মা-বাবার হত্যায় যে-কোনো সন্তানই বিচলিত হয়ে উঠবে। কিন্তু নিজের মৃত্যুর শোক যেন ভুলতে পারছে না কৈটভ। সে এই ভেবে আরও বেশি রেগে যাচ্ছে যে আর কোনো নতুন কৈটভ হয়তো তৈরি হবে না, কিন্তু এই একটা কৈটভ যে বেঁচে থাকল তাকে সামলানোর কথা আদৌ ভেবেছিল হত্যাকারীরা? এরকম হীনকার্যের পর তার হাত থেকে আদৌ বাঁচতে পারবে কেউ?

    ভাবনার মাঝেই সশব্দে বজ্রপাত হল। চারদিক আলোকিত হয়ে উঠল। দেখা গেল কৈটভ নিজের কোলে নিজের কাটা মাথাটা নিয়ে বসে আছে। এ এক বীভৎস দৃশ্য! নিজের মৃত্যুতে নিজেই শোক পালন করছে সে। নিজের কাটা মাথায় হাত বুলিয়ে নিজেকে প্রবোধ দিচ্ছে সে।

    এভাবে আরও একটা দিন কেটে গেল। শহর ভেসে গেল বন্যায়। কৈটভের তখনও হুঁশ নেই। সে শোকাতুর হয়ে বসে আছে। তার জীবনের লক্ষ্যগুলো যেন এক লহমায় নড়ে গেছে। নষ্ট হয়েছে সমস্ত পরিকল্পনা। কোলে নিজের অতীতের কাটা মাথাটা নিয়ে রোজ সে শোকের উৎসব করছে। আর সেই উৎসবে সর্বশান্ত হচ্ছে শহর।

    ঠিক এরকম এক সময়ে সেই বৃষ্টি-ভেজা খাদানে একজনের উপস্থিতি টের পাওয়া গেল। সে অনেকক্ষণ ধরেই দেখছিল সমস্ত কিছু। কিন্তু নিজেকে ধরা দেয়নি। এবার সশরীরে প্রকট হল সে। তার মনে হল এটাই তার উপস্থিতি জানাবার সর্বশ্রেষ্ঠ সময়। সে এগিয়ে গেল। একটা আলোর বলয় তাকে পূর্ণাঙ্গভাবে ঘিরে রয়েছে। যেন একটা আলোর গোলক। তাকে সামনে পেতেই কৈটভ-বাহিনীর দু-একজন সিপাহি আক্রমণে উদ্যত হল। কিন্তু সেই আলোর গোলকে হাত দিতেই তৎক্ষণাৎ ভস্মীভূত হল কৈটভ-বাহিনীর দুই সেপাই।

    কৈটভ এসব দেখেও যেন দেখল না। এসব জাগতিক বিবাদে তার কোনো তাপ-উত্তাপ নেই। জন্ম আটকাতে যার মাতা-পিতাকে বিষ খাইয়ে হত্যা করা হয়, যার নিজের অতীত বলে কিছুই থাকে না তার তো যুদ্ধ করা মানায় না। নিজের কাটা মাথায় পরম মমতায় হাত বোলাতে লাগল সে। সেই আলোকিত গোলকে পরিবৃত হয়ে মানুষটা এবার সরাসরি কৈটভের সামনে এসে উপস্থিত হল। কৈটভ-বাহিনী এখনও ঘিরে রয়েছে তাকে। কিন্তু আগের দুজনের পরিণতি দেখে কেউই আর আলোকিত গোলকের একেবারে কাছে ঘেঁষছে না। দূরত্ব বজায় রেখেই পাহারা দিচ্ছে।

    “কৈটভ। কৈটভ?”

    লোকটা ডাকল কৈটভকে। কিন্তু কৈটভ এতটাই ভাবাবেগে পূর্ণ হয়ে রয়েছে যে সে এই ডাক শুনতেও পেল না। আবার ডাক এল। এবার রীতিমতো চিৎকার করতে হল,

    “কৈটভ… শুনতে পাচ্ছো আমাকে। এই কৈটভ! কৈটভ!”

    কৈটভের কানের গভীরে যেন সূচীসূক্ষ্ম একটা ডাক পৌঁছাচ্ছে। ভাবের গভীর সাগরে ডুব দিয়ে সে শুধু নিজেকে দোষ দিয়ে চলেছে। রামানুজ যেন আসামি নয়। আসামি সে নিজেই। তার জন্যেই ঘটেছে এই বিপদ।

    “কৈটভ… কৈটভ… কৈটভ।”

    বারংবার ডাকার পর সে যেন কিছুটা সংবিৎ ফিরে পেল এবার। একটা বড়ো দীর্ঘশ্বাস ফেলল কৈটভ। যেন গভীর সমুদ্রতল থেকে তাকে কেউ টেনে তুলল ওপরে।

    “জাগো কৈটভ, জাগো।”

    কৈটভ মাথা তুলল। খাদানে বজ্রপাত হল। দেখা গেল মুণ্ডিত মস্তক এক ক্ষুধিত রাক্ষস বসে আছে। রক্তবর্ণ চোখ নিয়ে যেন এক প্রতিহিংসাপরায়ণ মহারথী ভগ্ন হৃদয়ে বসে আছে।

    “কে তুই?”

    কৈটভ কেটে কেটে উচ্চারণ করল। তার স্বর বসে আছে। গলা ভাঙা।

    “আমি তোমার বন্ধু। যদিও তুমি বন্ধুত্ব কী জিনিস জানো না, বিশ্বাসঘাতক হওয়াই তোমার ভবিতব্য। তবু আমি তোমার বন্ধু।” লোকটা উত্তর দিল।

    “আমি তো কারও বন্ধুত্ব প্রার্থনা করিনি। আমাকে একা ছাড়ো।” কৈটভের হেঁয়ালি ভালো লাগছিল না।

    উত্তর শুনে লোকটা বলল, “সব তো আমাদের হাতে থাকে না। তাই আমার বন্ধুত্ব তোমাকে গ্রহণ করতে হবে। আর করলে অবশ্যই যে তোমার লাভ হবে তা বলাই বাহুল্য। কৈটভ এখনও নিজের লাভ দেখতে জানে আশা করি।”

    কৈটভের মাথায় আগুন ধরে যাচ্ছিল এসব শুনে। সে বলল, “আমার জন্য আমিই যথেষ্ট। আমি চাইলে তোমাকে এক্ষুনি মেরে ফেলতে পারি। আমার সামনে ঠিক এতটাই দুর্বল তুমি। তুমি আমাকে কী সাহায্য করবে? কী আছে তোমার!”

    লোকটা এবার শব্দ করে হাসল। খাদানের এবড়ো-খেবড়ো দেওয়ালে সেই হাসির অনুরণন হতে থাকল।

    “তোমার কৈটভ-বাহিনীর দুজন ইতিমধ্যে ভস্মীভূত। তুমিও চেষ্টা করবে নাকি!”

    কৈটভ ভ্রু কোঁচকাল। কে তাকে এভাবে সরাসরি আহ্বান করছে? কার এত বড়ো সাহস? সাধারণ কারও তো এত দুর্মতি হবার কথা নয়! আর তাছাড়া এই পরিত্যক্ত খাদানের হদিশ আজকের দিনে কারও কাছেই নেই। কৈটভ কথা বলল না। সে শুধু তার ডান হাতে লাগানো একটি যন্ত্রে কিছু সংখ্যা লিখল— পাসওয়ার্ড। তৎক্ষণাৎ তার সামনে শূন্যে উপস্থিত হল একটা টেস্টটিউব। নীল রঙের তরল রয়েছে তাতে।

    “মেল্টারো ব্যবহার করবে তাই তো? বেশ করো।”

    লোকটা মেল্টারো সম্পর্কে জানে! লোকটা যে কে কৈটভ ধরতেই পারছে না। মেল্টারো সম্পর্কে জানার তো কোনো কথাই নয়। সে মেল্টারো ব্যবহার না-করে এবার সসম্ভ্রমে জিজ্ঞেস করল, “আপনি কে?”

    লোকটা সুন্দর করে হাসল।

    “জয়গুরু! তুই থেকে তুমি হয়ে আপনিতে এলে। লাইনে আসছ তা হলে। ভালো কথা। তবে আমি কে সেটা মেল্টারো আমার ওপর নিক্ষেপ করার পরেই বলব।”

    কৈটভ আর এক মুহূর্ত সময় নষ্ট করতে চাইল না। মেল্টারো সোজা ছুঁড়ে মারল লোকটাকে আগলে রাখা আলোক বলয়ের দিকে। মেল্টারো গিয়ে পড়ল সেই গোলকের ওপর। ধীরে ধীরে তরল ছড়িয়ে পড়ল সম্পূর্ণ গোলকের ওপর। দু-এক ফোঁটা পড়ল খাদানের মাটিতে। জায়গাগুলো পুড়ে গেল। পৃথিবীর যত কঠিন পদার্থই হোক-না-কেন তা মেল্টারোর প্রভাবে গলে যাবার কথা। হিসেব মতো মেল্টারো গোলক সহকারে লোকটাকেই গলিয়ে ফেলবে প্লাস্টিকের মতো। চারদিক ধোঁয়া ধোঁয়া হয়ে গেল মেল্টারোর প্রভাবে। কৈটভ শান্ত দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল। ধোঁয়ায় কিছুই দেখা যাচ্ছে না।

    কৈটভ তার কোল থেকে কাটা মাথাটিকে নামিয়ে পাশে রাখল সযত্নে। তারপর উঠে দাঁড়াল। মাটিতে পড়ে থাকা লাশগুলোর পাশ দিয়ে হেঁটে এগিয়ে গেল সেইদিকে যেদিকে লোকটা এতক্ষণ দাঁড়িয়ে ছিল। চারদিকে ধোঁয়ায় কিছুই স্পষ্ট নয়। কৈটভ সেখানে গিয়ে উপস্থিত হল যেখানে লোকটা দাঁড়িয়ে ছিল। কৈটভ সত্যি অবাক হয়ে গেল। লোকটা যেখানে ছিল ঠিক সেখানেই আছে। তার গোলকের ওপর মেল্টারোর কোনো প্রভাবই হয়নি। সে গোলকের ভেতরে বসে বসে হাসছে।

    “মেল্টারো গলাতে পারে না এরকম কোনো বস্তু নেই। এটা কীভাবে সম্ভব হল?”

    কৈটভ সপ্রশ্ন তাকাল। লোকটা এবার গোলকের ভেতরে উঠে দাঁড়াল।

    “ঠিক বলেছ কৈটভ। মেল্টারো গলাতে পারে না এরকম কোনো কিছু এই পৃথিবীতে নেই। কিন্তু যে টেস্টটিউবে সে আছে তা কেন গলে যায় না ভেবে দেখেছ?”

    কৈটভ বুঝতে পারল। সে বলল, “তার মানে সেই টেস্টটিউব যা দিয়ে তৈরি এই গোলকও সেই পদার্থে তৈরি।”

    লোকটা মাথা নেড়ে বলল, “একদম ঠিক ধরেছ। আর শুধু তাই নয়। যে লোকটা মেল্টারো বানিয়েছে তাকেই যদি তুমি মেল্টারো দিয়ে গলিয়ে দিলে তবে আবিষ্কর্তা হয়ে কী করলাম বলো তো?”

    এবার কৈটভ ধন্দে পড়ে।

    “আপনি মেল্টারো বানিয়েছেন? কীসব বলছেন? এটা তো কর্কটের সৃষ্টি।”

    এতক্ষণে লোকটার হাসিমুখে যেন মেঘ নামল। চিবিয়ে চিবিয়ে উচ্চারণ করলেন, “ঠাকুরদা, দ্য গ্রেট সায়েনটিস্ট! একটা আস্ত শয়তান।”

    কৈটভ এবার মজা পেল। সে বলল, “ব্যথা আছে নাকি ঠাকুরদাকে নিয়ে?”

    লোকটা সেই একইরকমভাবে চিবিয়ে চিবিয়ে বলল, “আমি যদি বলি মৃতকৈটভ তুমি একা নও, আরও পাঁচজন মিলে বানিয়েছে তুমি মেনে নেবে?”

    “একদম মানব না। বরং তাকে শেষ করে দেব।”

    “এবার যদি কোনো বাধ্যবাধকতায় তোমাকে মেনে নিতে হয় তাহলে তোমার মনের অবস্থা কী হবে?”

    “যে এসব রটাচ্ছে সুযোগ পেলেই তার সর্বনাশ করা।”

    “তাহলে ধরে নাও যে আমিও তাই করছি।”

    কৈটভ এবার সরাসরি জিজ্ঞেস করে, “আপনি কে, আপনি কী, আপনি কী চান, আমি কী করতে পারি আপনার জন্য এটা এবার একলাইনে বলুন। মেল্টারো দিয়ে আপনাকে গলাতে পারিনি ঠিকই কিন্তু আর একবার আপনি হেঁয়ালি করলে আমি এই গোলককে নিজে হাতে দুমড়ে মুচড়ে ভেঙে ফেলে আপনাকে মেরে ফেলব। আমি সোজা কথার লোক। আপনাকে যতটা সম্ভব শ্রদ্ধা-ভক্তি দেখিয়েই কথাগুলো বললাম। কিছু মনে করবেন না। উদাহরণস্বরূপ এই দেখে নিন।” নিজের হাতে কিছুটা মৃতকৈটভ ঢেলে নিলো কৈটভ। তারপর একটা তীব্র ঘুসি মারল গোলকের দেওয়ালে। গোলক ভাঙলে না ঠিকই। কিন্তু জায়গাটা দুমড়ে ভেতরে ঢুকে গেল।

    এই প্রথম লোকটা বুঝতে পারল কৈটভ কী জিনিস। সে আর মশকরা করার সাহস পেল না। শুধু বলল, “অবাক কাণ্ড। তুমি ভস্মীভূত অবধি হলে না।”

    কৈটভ বলল, “মৃতকৈটভ প্রতিনিয়ত শক্তিশালী হচ্ছে। এর প্রভাব আমার ওপর খাটবে না। কারণ আমিই মৃতকৈটভের সৃষ্টিকর্তা। এর দ্বারা কী সম্ভব, এই ব্রহ্মাণ্ড তা জানে না। আরও সময় লাগবে। কিন্তু আমি মৃতকৈটভকে এই পৃথিবীর সর্বাধিক শক্তিশালী পদার্থে পরিণত করব।”

    লোকটা এবার একটা স্প্রে ছিটিয়ে দিল দুমড়ে যাওয়া অংশে। গোলক পুনরায় আগের আকৃতি ফিরে পেল।

    “বন্ধুত্ব যখন করতেই এসেছি তখন বর্মে থেকে করব না। আমি আমার কবচ থেকে বেরিয়ে আসছি। তুমি একটু পিছিয়ে যাও।”

    কৈটভ কথা মতো পিছিয়ে এল। লোকটা একটা ছুরি বের করে নিজের হাতের আঙুলে চালিয়ে দিল। কয়েক ফোঁটা রক্ত একটি নির্দিষ্ট জায়গায় ফেলল। সঙ্গে সঙ্গে গোলকটি পদ্মফুলের পাপড়ির মতো চারদিকে ছড়িয়ে পড়ল। লোকটা বেরিয়ে এল কবচের ভেতর থেকে। রক্তমাখা আঙুল একটি নির্দিষ্ট জায়গায় ছোঁয়ানোর পর অন্তর্ধান হল কবচ। কৈটভ দেখল এই লোকটাও ঠাকুরদার নাতিদের মতোই দেখতে। শুধু সাদা ধুতি পাঞ্জাবির বদলে বর্তমানে সে পরে আছে কালো ধুতি পাঞ্জাবি।

    “এবার আপনার পরিচয় পাওয়া যাবে আশা করি।”

    লোকটা ইতিমধ্যে বৃষ্টিতে ভিজতে শুরু করেছে। সেই অবস্থাতেই লোকটা বলল, “আমি বৃশ্চিক। ঠাকুরদার পরীক্ষাগারের এক নম্বর বিজ্ঞানী। আমার সাহায্যেই ঠাকুরদা একে একে সমস্ত আবিষ্কার করেছেন। কিন্তু কোথাও আলাদাভাবে আমার নাম নেয়নি। সবাই জানত ঠাকুরদা মস্ত বড়ো লিডার। ঠাকুরদার সমস্ত নাতিরা সকলে মিলে পরীক্ষাগারে সমস্ত কিছু আবিষ্কার ইত্যাদি করে। পৃথিবীর কেউ ঘুণাক্ষরেও আলাদাভাবে আমার নাম নেয়নি। আমি ওইটুকু প্রাপ্তির জন্য বছরের পর বছর চেষ্টা করে গেছি। কিন্তু কখনও কেউ আলাদাভাবে আমার প্রশংসা করেনি। অথচ সমস্ত বড়ো বড়ো আবিষ্কারের ফর্মুলা আমার হাতে তৈরি। ঠাকুরদা নিজে যত বড়ো বিজ্ঞানী তার চেয়ে কোনো অংশে আমি কম কিছু ছিলাম না।”

    কৈটভ ব্যাপারটা আন্দাজ করে নিয়েছে। সে বলল, “বুঝে গেছি তোমার আর কর্কটের সমীকরণ। তা এখানে কেন? আমি তো গোটা পরীক্ষাগার নষ্ট করে দিয়েছি। সমস্ত ফর্মুলা আমার কাছে। ফেরত চাইতে এসেছ?”

    লোকটা সকৌতুকে উত্তর দিল, “তোমার এতক্ষণে তাই মনে হল?”

    কৈটভ মুখে উপজাতিসুলভ মৌনতা বজায় রাখে। উত্তর দেয় না।

    “না, বলো আমাকে।”

    লোকটা আবার জিজ্ঞেস করলে কৈটভ উত্তরে বলে, “দেখুন। আমি নিজের সমস্যায় জর্জরিত। রামানুজসহ গুরুদেব, প্রত্যেককে হত্যার ছক কষব আমি। আমার মাথায় প্রতিশোধের আগুন জ্বলছে। এ ক-দিন শোকে মুহ্যমান ছিলাম। আপনার ডাকে সংবিৎ ফিরল। যুদ্ধে আহ্বান করে আমাকে জাগ্রত করলেন আপনি। কিন্তু তবু মনের এই অবস্থায় এখন আমি নতুন বন্ধু কাউকে চাইছি না।

    কৈটভের মুখের কথা কেড়ে লোকটা বলল, “দশ মিনিটে যদি আমি তোমায় জাগাতে পারি, যুদ্ধে অগ্রণী করতে পারি তাহলে ভাবো যে আমি তোমার কতটা কাজে আসতে পারি।”

    কৈটভ তবু সায় দেয় না।

    লোকটা আবার বলে, “আর আমি যদি তোমাকে প্রতিশোধ নিতে সাহায্য করি?”

    কৈটভ উড়িয়ে দিল এই প্রস্তাব।

    “আমার দরকার নেই সাহায্যের। আমি একক, আমি একা, আমি একমেবাদ্বিতীয়ম্। ওদের আমি ইঁদুরের মতো টিপে মেরে ফেলব।”

    লোকটা কৈটভের সামনে এসে দাঁড়ায়। তাকে বোঝাবার চেষ্টা করে, “এতটাও সোজা হবে কি কাজটা? তার সঙ্গে গুরুদেব আর কর্কট দু-জনেই আছে।”

    কৈটভ তাচ্ছিল্যের হাসি হাসল, “তারা থেকেও কী হয়েছে? মেরে দিয়ে এলাম-তো পুলিশ অফিসার সিনহাকে। প্রায় সব্বাইকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে এসেছি। সিনহাকে যেভাবে মেরেছি রামানুজকে তার থেকে অধিক কষ্ট দিয়ে মারব।”

    কৈটভের চোখে-মুখে প্রতিশোধের আগুন স্পষ্ট। বৃশ্চিক তবুও চেষ্টা করল, “তুমি এবার অতর্কিতে যে আঘাত হেনেছ তার জন্য ওরা প্রস্তুত ছিল না। কিন্তু এবার তারা প্রস্তুত থাকবে। তোমার কাছে যেসব অস্ত্র আছে সবগুলোর ব্যাপারে কর্কট সমস্ত কিছু জানে। সে সেইসব অস্ত্রের প্রতিকার করতে কয়েক মুহূর্ত সময় ব্যয় করবে মাত্র। ঠিক যেভাবে আমি মেল্টারোকে নিষ্ক্রিয় করে দিলাম।”

    কৈটভ যুক্তি সাজায়, “আর মৃতকৈটভের প্রতিকার?”

    বৃশ্চিক বোঝায়, “মৃতকৈটভ-কে তুমি এখনও তৈরি করছ। আপগ্রেড করছ আরও ভয়ংকরভাবে। কিন্তু সেটা এখনও সম্পূর্ণভাবে প্রস্তুত নয়। কৈটভ বাহিনীর মস্তক ছেদন করলে তারা বিনষ্ট হতে পারে। তার মানে তুমি এখনও সর্বশক্তিমান নও। মৃতকৈটভ-কে উন্নত করতে সময় লাগবে। অন্তত সেই সময়টা আমি তোমাকে অন্য সবকিছু থেকে সুরক্ষিত ও লোকচক্ষুর আড়ালে থাকতে সাহায্য করতে পারব।”

    কৈটভ এখনও বুঝতে চাইছে না। সে বলে, “ব্রহ্মপদার্থ হাতে পেলেই জেগে উঠবে গন্দবেরুন্দা। টাইম-ট্রেকার ব্যবহার করে আমি সঠিক ব্রহ্মপদার্থের সন্ধান করবই।”

    বৃশ্চিক বলল, “তাতে গন্দবেরুন্দা জেগে উঠবে। আর তুমি গন্দবেরুন্দার ওপরে নির্ভরশীল হবে। গন্দবেরুন্দাকে জাগাও। তাতে আপত্তি নেই। সেটাও তোমার শক্তি। কিন্তু তুমি নিজেও আগে স্বয়ংসম্পূর্ণ হও। আমি বলছি তোমার সর্বশক্তিমান হবার কথা। যখন তোমার আশেপাশে কেউ থাকবে না, তখনও তুমি সর্বশক্তিমান হয়ে থাকবে। মৃতকৈটভকেও তখন হয়তো এক লহমাতেই পরিণত করতে পারবে সবচেয়ে ভয়ংকর অস্ত্রে। মৃতকৈটভকে আপগ্রেড করতে খুব বেশি সময় তোমার লাগবে না।”

    বৃশ্চিক এক নাগাড়ে কথাগুলো বলে থামল। কৈটভ তার দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। বৃশ্চিক এই চাহনির অর্থ বুঝতে পারল না। সে জিজ্ঞেস করল, “কিছু ভুল বললাম?”

    কৈটভ মাথা নাড়ল।

    “না, ভুল বলেননি। কিন্তু আমি একা সর্বশক্তিমান হব কীভাবে?” বৃশ্চিক এবার পরিতৃপ্তির হাসি হাসল। সাত কাণ্ড রামায়ণ পড়ানোর পর কৈটভ আসল প্রশ্নটাই করেছে। বৃশ্চিক দুই হাত ওপরে তুলে কলসের আকৃতি বানিয়ে বলল, “হলাহল বিষভাণ্ড খুঁজতে হবে।”

    কৈটভের কপালে ভাঁজ পড়ল, “হলাহল বিষভাণ্ড?”

    বৃশ্চিক জোরে হাসল, “কলিপুরুষের সৃষ্টি হবার আগে কৈটভকেই কলিপুরুষে রূপান্তরিত হতে হবে। এই সৃষ্টির চালিকাশক্তি তুমি নিজে হবে। কারও ওপরে আর নির্ভর করতে হবে না।”

    বৃশ্চিক কথাটা বলার সময় অদ্ভুত মুখভঙ্গি করে। কৈটভ শুধু বারকয়েক উচ্চারণ করল—

    “কলিপুরুষ… কলিপুরুষ? আমি কলিপুরুষ!”

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleরক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    Related Articles

    সৌরভ চক্রবর্তী

    মৃত কৈটভ ২ – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }