Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    সৌরভ চক্রবর্তী এক পাতা গল্প127 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    হলাহল বিষভাণ্ড – ৪

    ।। ৪ ।।

    ঘটনাটা ঘটল একদিন পরেই। অফিশিয়াল কাজে আগরতলা শহরে গিয়েছিল রামানুজ। অফিস-লেন স্থিত কোর্টে কিছু কাজ ছিল। সেই কাজ করতে বেলা দেড়টা বাজল। দাসবাবুকে ডেকে রামানুজ বলল, “দাসবাবু, খিদে পেয়ে গেছে।”

    দাসবাবু এক্সপার্ট মানুষ। বললেন, “কী খাবেন?”

    রামানুজ মাথা চুলকে বলল, “বাঙালি খাওয়া-দাওয়া হলে মন্দ হয় না।”

    দাসবাবু উৎফুল্ল হয়ে বললেন, “চলুন তবে শংকর হোটেল।”

    রামানুজ জিজ্ঞেস করল, “এটাও এখানকার বিখ্যাত নাকি?”

    দাসবাবু গাড়িতে উঠতে উঠতে বললেন, “বিখ্যাত বলে বিখ্যাত। ইলিশটা খেয়েই বলুন-না।”

    রামানুজ বলল, “নালে ঝোলে গড়িয়ে পড়ার আগে চলুন আপনার শংকর হোটেলে।”

    কোর্ট থেকে বেরিয়ে অফিস-লেন ধরে প্যারাডাইজ চৌমুহনী, তারপর পোস্ট অফিস চৌমুহনী। তারপর ডানদিকে নেতাজি চৌমুহনী। সেখানেই পরপর শংকর হোটেল, আদি শঙ্কর হোটেল ইত্যাদি। দাসবাবু আদি শংকরে উঠতে উঠতে বললেন, “সবগুলোর মধ্যে ভালো মাছ আর রেসিপি আছে এই আদি শংকরের কাছে। আজকের দিনেও বয়স্ক মালিক নিজে গিয়ে দেখেশুনে ইলিশ কিনে আনে।”

    রামানুজ তারিফ করল, “বাব্বা! সব খবর আছে আপনার কাছে।” দাসবাবু দাঁত বের করে হাসেন। বাসমতি চালের সরু ভাতের সঙ্গে ইলিশ ভাপা। ইয়া মোটা সাইজের গাবদা এক পিস ইলিশ। ডিমওয়ালা ইলিশ রামানুজের পছন্দ। দাসবাবু নিলেন ডিম ছাড়া। খেতে খেতে বললেন, “ইলিশে ডিম থাকলে স্বাদ হয় না।”

    রামানুজ বলল, “এজন্যে হিন্দিতে একটা কথা আছে। বাঁদর নাকি আদার স্বাদ জানে না।”

    দাসবাবু হেসে ফেললেন, “স্যার আপনিও-না!”

    দারুণ খাওয়া-দাওয়া হল। রীতিমতো হাত থেকে ইলিশের ভুরভুরে গন্ধ ছাড়ছিল। খাওয়া-দাওয়ার পর বিল মিটিয়ে ওরা ফেরার পথ ধরল। গ্রামের কাছে এসে কী মনে হলে রামানুজ বলল, “চলুন গ্রামে যাই। অজিতদা, আশ্রমের দিকে চলুন।”

    ড্রাইভার অজিত গাড়ি গ্রামে ঢুকিয়ে দিলেন। সোজা আশ্রমের কাছে গিয়ে থামল গাড়ি।

    “আপনারা অপেক্ষা করুন। আমি ভেতরে যাচ্ছি। ঘণ্টাখানেক লাগবে।”

    “আপনি আসুন স্যার। আমরা আছি।”, দাসবাবু বললেন।

    রামানুজ ভেতরে ঢুকে গেল। আশ্রমের ভেতরে দুপুরের এই সময়টায় এক অদ্ভুত প্রশান্তি বিরাজ করে। সকালের শিক্ষাপর্ব শেষ করে এই সময়টায় সকলে বিশ্রাম নেন। গুরুদেব এই সময় থাকেন দক্ষিণের দিকের ধ্যানকক্ষে। তিনি সেখানেই বিশ্রাম নেন। রামানুজকে সকলেই চেনেন। কেউ তাকে আটকায় না। সে সোজা দক্ষিণের ধ্যানকক্ষের দিকে হাঁটতে থাকে। যাবার পথে হঠাৎ দেখা হল কর্কটের সঙ্গে। তিনি হন্তদন্ত হয়ে কোথায় যেন যাচ্ছেন। রামানুজকে দেখতে পেয়েই জিজ্ঞেস করলেন, “গুরুদেব কোথায়?”

    রামানুজ বলল, “আমি এইমাত্র এলাম। ধ্যানকক্ষে থাকা উচিত। ওইদিকেই যাচ্ছিলাম।”

    কর্কট বললেন, “তাড়াতাড়ি আমাকে নিয়ে চলো। এখানকার সব কক্ষ আমি চিনি না। আমার আবিষ্কার ট্র্যাভেলর আর অবশিষ্ট নেই। নাহলে সেটা দিয়েই আমি উক্ত স্থানে পৌঁছে যেতাম।”

    “বেশ চলুন। কিন্তু কী হয়েছে? আপনাকে চঞ্চল লাগছে!”

    “ভারি সংকট আসতে চলেছে।”

    হাত নেড়ে পাগলের মতো বলতে থাকেন কর্কট। রামানুজ আবার জিজ্ঞেস করে, “কীরকম সংকট?”

    “সেটা বুঝতে পারছি না। কিন্তু আবার একটা অনর্থ ঘটতে চলেছে।” রামানুজ আর দেরি না-করে দৌড় লাগাল। পেছন পেছন কর্কট। তাঁদের দৌড়াতে দেখে আশেপাশের বেশ কয়েকজন যাদের মধ্যে বিবস্বানও ছিল একই দিকে ছুটল। সবাই বুঝতে পারছিল যে কিছু একটা ঘটতে চলেছে। ধ্যানকক্ষের সামনে পৌঁছে রামানুজ প্রথমেই দরজা খোলার চেষ্টা করল। কিন্তু দরজা ভেতর থেকে আটকানো রয়েছে। রামানুজ চিৎকার করল,

    “গুরুদেব! গুরুদেব!”

    বাকিরাও ততক্ষণে পৌঁছে গেছে। সমস্বরে সকলে চিৎকার করতে থাকল। ধ্যানকক্ষের ভেতর থেকে গুরুদেবের কোনো সাড়াশব্দ পাওয়া গেল না। আশ্রমবাসীরা নিজেদের মধ্যে বলাবলি করতে লাগল, “অন্যদিন তো গুরুদেব দরজা বন্ধ করে ধ্যান বা বিশ্রাম করেন না।”

    রামানুজ সবাইকে বলল, “কক্ষের দরজা ভেঙে ফেলা ছাড়া আর কোনো রাস্তা নেই।

    কর্কট অধৈর্য হয়ে বললেন, “ভাঙন। এক্ষুনি ভাঙন।”

    পুরোনো দিনের কাঠের দরজা। ভাঙুন বললেই হিন্দি বা দক্ষিণের টিভি সিরিয়ালের মতো লাথি দিয়ে ভেঙে ফেলা যায় না। রীতিমতো পাঁচজন লোক মিলে যার মধ্যে রামানুজ আর বিবস্বানও ছিল ধাক্কাধাক্কি করে ভাঙলেন এই দরজা। আর দরজা খুলতেই এক আলোক জ্যোতিতে চোখমুখ ধাঁধিয়ে গেল। চোখ সয়ে এলে সকলে দেখলেন এক ভয়াবহ দৃশ্য। গুরুদেবকে আষ্টেপৃষ্টে দড়ির মতো জড়িয়ে আছে একটা সাপ। সেই সাপের বাঁধন নিয়ন্ত্রণ করছে কালো ধুতি, কালো জামা পরা একটা লোক।

    কর্কট আর বিবস্বানের মুখ থেকে বেরিয়ে এল, “বৃশ্চিক?”

    কর্কট চিৎকার করে বললেন, “তোর হাতে সাপই ভালো মানাচ্ছে। তুই নিজেও সাপের থেকে কম কিছু নোস। এবার বুঝতে পারছি কৈটভ কীভাবে আমার গবেষণাগার লুঠ করতে পেরেছিল।”

    বৃশ্চিক কিছু বলার আগেই শব্দ হল। বৃশ্চিকের পেছনে সময়চক্রযানের গুহামুখ। সেখান থেকেই কৈটভ বেরিয়ে আসছে। স্বচ্ছ পদার্থের মতো তার শরীর। এপাশ- ওপাশ দেখা যায়। আজকেও সে ট্রান্সপেরোমিটার ব্যবহার করেছে।

    “কৈটভের নাম নিলে সে সবাইকে দর্শন দেয়।”

    সকলে দেখল যেখানে যেখানে কৈটভ পা ফেলছে সেখানেই একটা সিঁড়ি তৈরি হয়ে যাচ্ছে। খুব সহজেই সে গুরুদেব অবধি পৌঁছে গেল। রামানুজ বন্দুক বের করেছিল কিন্তু সেটার ব্যবহার করল না। ততক্ষণে বৃশ্চিকও ট্রান্সপেরোমিটারের আচ্ছাদন নিয়ে নিয়েছে।

    রামানুজ চিৎকার করল, “গুরুদেবকে কিছু করবি না কৈটভ। গুরুদেব…”

    কথাটা শেষ করার আগেই একটা তরল ছিটিয়ে দিল কৈটভ। মুহূর্তের মধ্যে সকলে স্থির হয়ে গেল। শুধু সকলের চোখ আর কান কাজ করছিল। কৈটভ বলল, “একটা জরুরি কাজ আছে। তাই গুরুদেবকে সঙ্গে করে নিয়ে যাচ্ছি। ঠিক সময়ে ফিরিয়ে দেব। আশা করছি জীবিতই ফেরাতে পারব যদি তিনি আমার সমস্ত কথার যথাযথ পালন করেন।”

    সকলেই কৈটভের কথা শুনছিল। কিন্তু কিছু করার ছিল না। সকলেই পাথর হয়ে গেছে। গুরুদেব নাগপাশে এতই বাজেভাবে জড়িয়ে রয়েছেন যে তাঁর মুখ অবধি জড়ানো আছে সাপের লেজের দ্বারা। মুখের কাছে সাপের মাথাগুলো ফণা তুলে আছে। সবগুলো মাথা একটা করে ছোবল দিলে গুরুদেবকে ইহলোকের মায়া ত্যাগ করতে হতে পারে। তিনি জানেন কৈটভবধ তাঁর সাহায্য ছাড়া সম্ভব নয়। এটা সঠিক সময় নয় কোনো। সঠিক সময় অবশ্যই উপস্থিত হবে। এখন কোনো হেলদোলের দরকার নেই। তিনি সম্পূর্ণ নিষ্ক্রিয় রইলেন।

    কৈটভ সকলের উদ্দেশে শেষবারের মতো বলে, “আমি তোমাদের প্রাণভিক্ষা দেব। তোমরা আমার রাস্তা থেকে সরে যাবে। আর কখনও আমার রাস্তা আগলে তোমরা দাঁড়াবে না।”

    কৈটভ আর কথা বাড়ায় না। নাগপাশে জড়ানো গুরুদেবকে নিজের কাঁধে তুলে নেয় সে। তারপর সময়চক্রযানের গুহামুখের দিকে হাঁটতে থাকে। তার প্রতিটা পায়ের অগ্রগতির সঙ্গে সেখানে একটি সিঁড়ির জন্ম হয় আর আগের সিঁড়ি অদৃশ্য হয়ে যায়। কৈটভ গুহামুখে প্রবেশ করে। বৃশ্চিক একটা তাচ্ছিল্যের হাসি হাসে, “কর্কট, ঠাকুরদা!”

    বৃশ্চিক বিচ্ছিরি অঙ্গভঙ্গি করে মুখে। তারপর ফিরে যায় সময়চক্রযানে। কয়েক মুহূর্ত মাত্র। তাদের সবাইকে নিয়ে অদৃশ্য হয় সময়চক্রযান। আর সময়চক্রযান অদৃশ্য হবার সঙ্গে সঙ্গে স্বাভাবিক হয়ে পড়ে সকলে। যেন পাথরে প্রাণ প্রতিষ্ঠা হয়েছে। এক-আধজন গতিজাড্যের পূর্ব প্রবণতায় মাটিতে পড়ে গেলেন। বিবস্বান স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতেই কর্কটকে প্রশ্ন করলেন, “আপনি তো জানতেন এই স্থবির অবস্থা থেকে কীভাবে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে হয়। আপনার চোখ তো স্থবির হয়ে যায়নি। আপনার চোখে জল এলেই আপনি সেই জল-এর স্পর্শে বাকি দেহে প্রাণ ফিরে পেতেন। কেন করলেন না? কেন আপনি এতটা বিমুখ হয়ে আছেন? গুরুদেবকেও আজ কৈটভ নিয়ে চলে গেল। আমরা কিছুই করতে পারলাম না। আমরা আর কত দুর্বল হয়ে যাব ঠাকুরদা? আর কত?”

    বিবস্বান যেন এই ঘটনায় ভেঙে পড়েছে। রামানুজ মুখে কিছু বলে না। শুধু বিবস্বানকে সামলাবার চেষ্টা করে। আশ্রমবাসীরা গুরুদেবকে নিয়ে কৈটভের এই অন্তর্ধান হওয়ায় বিধ্বস্ত। চারদিকে কান্নার রোল উঠেছে। গুরুদেব সঙ্গে না-থাকা যে কত বড়ো পরাজয় তা সকলেই জানে। এই অসম যুদ্ধে যে আর কখনও জয়ী হওয়া সম্ভব নয় তা একপ্রকার ধরেই নিয়েছে সকলে। কর্কট চারদিকে চোখ ফেরালেন। দুর্ঘটনায় ক্লান্ত ন্যুব্জ আশ্রমবাসী চারদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। সকলেই হা-হুতাশে মত্ত। রামানুজ জনে জনে সবাইকে আগলে রাখার বৃথা চেষ্টা করছে। বিবস্বান এক কোনায় বসে আছে। কর্কট নিজের মৌন ভাঙার এর থেকে অধিক সঠিক সময় আর পাবেন না। কর্কট নিজের পুরোনো মহিমায় হুংকার দিলেন, “কিচ্ছু হবে না গুরুদেবের। কৈটভের কলজেতে এতটা দম নেই যে সে গুরুদেবকে মেরে ফেলতে পারে। গুরুদেব তার পরবর্তী সিন্দুকের চাবি। তাই তাঁকে সঙ্গে নিয়ে গেছে। ওঁর কোনো অনিষ্ট হবে না। আমি বারবার গুরুদেবকে বলেছি কৈটভ বধের সূচনা করব আমি। আজ থেকে সেই সূচনা পর্ব শুরু হল।”

    বিবস্বান যেন প্রাণ ফিরে পেল। ঠাকুর কে এরকম তেজস্বী অবতারে দেখতেই সে অভ্যস্ত। সে এগিয়ে এসে জিজ্ঞেস করল, “কিন্তু ঠাকুরদা, আমাদের কাছে তো সময়চক্রযান নেই। টাইম-ট্র্যাকারও নেই। আমরা কীভাবে জানব যে ওরা কোথায় আছে? আর যদি জেনে-ই বা গেলাম সেখানে যাব কীভাবে?”

    কর্কট হাত তুলে থামালেন বিবস্বানকে। তারপর বললেন, “মাইন্ড-রিডার যে বৃশ্চিক আবিষ্কার করে ফেলেছে আমি জানতাম। গবেষণাগারে কোনো পদার্থই আমার অনুমতিভিন্ন তৈরি হয়নি। মাইন্ড-রিডারের প্রাথমিক ফর্মুলা আমারই তৈরি। তাই আমার কাছেও মাইন্ড-রিডিং পাওয়ার রয়েছে। যা আমি সযত্নে আমার সঙ্গেই রেখেছিলাম। আমি শুধু অপেক্ষায় ছিলাম কবে বৃশ্চিক বা কৈটভ আমার সামনে আসবে।”

    বিবস্বানের মুখ উজ্জ্বল হল। সে জিজ্ঞেস করল, “ওরা কী ভাবছে ঠাকুরদা?”

    কর্কট উত্তরে বললেন, “এক বীভৎস উদ্দেশ্যে বেরিয়েছে ওরা। কৈটভ এই সৃষ্টি ধ্বংস করে দিতে উদ্যত। সে কলিপুরুষ হতে চায়। কলিপুরুষের জন্মের আগেই যদি সে নিজে কলিপুরুষে পরিণত হয় তবে তো এই যুগ সৃষ্টির আগেই নষ্ট হয়ে যাবে। সাত চিরঞ্জীবী অপেক্ষারত রয়েছেন। সময়ের আগে তাঁদের সাহায্য পাওয়া সম্ভব নয়। তাই একবার যদি কৈটভ কলিপুরুষে পরিণত হয়ে যায় তাহলে আর কখনোই তার বিরুদ্ধে লড়াই সম্ভব নয়।”

    রামানুজ এতক্ষণে প্রশ্ন করল, “কলিপুরুষ মানে কলি যুগের সেই রাক্ষস যার বিরুদ্ধে কল্কি দেবতা যুদ্ধ করবেন?”

    কর্কট মাথা নেড়ে বলে, “হ্যাঁ, সেই ভয়ানক শক্তিশালী রাক্ষস। যাকে স্বয়ং বিষ্ণু একা মারতে পারবেন না। সাত সাতজন পরম বিক্রমশীল চিরঞ্জীবী সাহায্য করলে তবেই তার বধ সম্ভব।”

    রামানুজ মাথায় হাত দেয়, “সর্বনাশ! তাহলে আমাদের কী করা উচিত?”

    কর্কট উত্তরে বললেন, “ওরা সময়ের যে অংশে যাচ্ছেন আমাদেরও সময়ের ঠিক সেই অংশে যেতে হবে।”

    বিবস্বান জিজ্ঞেস করে, “সেই তো ঘুরে ফিরে একই জায়গায় আসছি আমরা। সময়চক্রযান কোথায়? আর তো তরল অবশিষ্ট নেই।”

    কর্কট হেসে বলে, “সেই তরল প্রস্তুত করার সময়টাও আর নেই।”

    রামানুজের কপালে ভাঁজ পড়ে, “তাহলে? উপায়?”

    কর্কট হাসে। হেসে বলে, “উপায় একটা আছে। একজনের সাহায্য চাইতে হবে।”

    রামানুজ, বিবস্বান-সহ সকলে উৎসুক দৃষ্টিতে তাকায়। কর্কট বলে চলে, “এক বিশেষ ব্যক্তির সাহায্য নিতে হবে আমাদের। একমাত্র তার কাছেই আছে সময়চক্রের হদিশ।”

    রামানুজ জিজ্ঞেস করে, “কে সে?”

    কর্কট এবার ক্রুর হাসি হাসে। তারপর বলে, “আছে একজন। এক শয়তান! কিন্তু যে নিজেকে শিল্পী বলতে ভালোবাসে।”

    কথাটা শেষ করেই কর্কট নিজের কক্ষের দিকে এগিয়ে গেলেন। বাকিরা সকলে দাঁড়িয়ে রইলেন। গুরুদেব ছাড়া এই আশ্রম যেন তুলসীগাছহীন এক তুলসী বেদি। এর আলাদাভাবে আর কোনো মূল্যই রইল না। সন্ধ্যা ঘনিয়ে এল। চারদিকে কালো অন্ধকার নেমে এল। অন্ধকারের চাদর গায়ে মেখে তাতে তলিয়ে গেল আশ্রম। রামানুজ আর বিবস্বান আশ্রমে পাহারা দিতে লাগল।

    * * * * *

    নিজের কক্ষের ভেতরে কর্কট বসে আছেন। সামনে রাখা আছে একটা বাক্স। বাক্সে কোনো তালা নেই। কিন্তু বাক্সটি বন্ধ। কর্কট শোকে পাথর হয়ে গেছেন। তাই তাঁর চোখে অশ্রু নেই। কিন্তু এই বাক্স খুলতে হলে অশ্রুর প্রয়োজন। এই বাক্সের চাবি কর্কটের চোখের জল। কর্কট ভাবতে লাগলেন সেইসব মুহূর্ত যে মুহূর্তে কৈটভ তার নাতিদের ফাঁসিতে ঝুলিয়েছিল। টেনে হিঁচড়ে এক পুলিশ অফিসারের লাশকে নিয়ে এসেছিল মেরুদণ্ড উৎপাটিত করে। তাঁর বাল্যবন্ধু গুরুদেবকে সবার চোখের সামনে সর্পবেষ্টিত করে নিয়ে চলে গেল। কর্কটের বুক ভেঙে গেল একটার পর একটা ঘটনার কথা মনে পড়ে। তার মনে পড়ল মিথ সংঘের বিনাশের কথা। তিলে তিলে গড়ে উঠা মিথ সংঘ এক-বেলারও কম সময়ে সমূলে নষ্ট করে দিয়েছিল কৈটভ। নিজের দুর্বল মুহূর্ত মনে করে কষ্ট বাড়তে লাগলেন ঠিকই। কিন্তু হৃদয় বিদারিত কান্না চোখ বেয়ে নেমে এল না। বুকে জমা মেঘ বুকেতেই শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করল, বারিধারা হয়ে নেমে এল না।

    কর্কট বুঝতে পারছিলেন তাঁর চোখের সমস্ত জল হয়তো শুকিয়ে গেছে। কিন্তু ফোঁটা জল তো চাই। যে কলিপুরুষের মোকাবিলার কথা ভাবা হচ্ছে সেই স্থান বিপদসংকুল। সেখানে এই বাক্সে রাখা অমূল্য সম্পদের দরকার পড়বে। কর্কট নিজের চোখটাকে এগিয়ে নেন বাক্সের কাছে। নিজের সমগ্র একাগ্রতা ঢেলে দেন নিজের বাঁ চোখে। বার্ধক্যে ঢাকা দুটো কাঁপা হাত এগিয়ে যায় চোখের কাছে। আঙুলগুলো চেপে ধরে চোখটাকে। যে ছিদ্রপথে অশ্রু নিঃসৃত হয় সেখানে নিংড়ে ধরেন আঙুল। আজ পাষাণের চোখেও জল আসতেই হবে। প্রবল শক্তিতে চেপে ধরায় ক্ষণিকেই চোখ লাল হয়ে যায়। যেন চোখে জল না-এলে চোখ সুদ্ধ খুবলে ফেলবেন কর্কট। এক বিন্দু শুধু এক বিন্দু অশ্রুর জন্য প্রাণপাত করছেন বৃদ্ধ কর্কট। এককালের সর্বশক্তিমান শয়তানকেও ঈশ্বর রেয়াত করেন না! সব ছিনিয়ে নিয়েছেন ঈশ্বর কর্কটের থেকে। শেষে চোখের জলটাও ছিনিয়ে নিলেন। কর্কট চিৎকার করে উঠলেন। কিন্তু কাঁদতে পারলেন না।

    বাক্স খোলা গেল না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleরক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    Related Articles

    সৌরভ চক্রবর্তী

    মৃত কৈটভ ২ – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }