Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    সৌরভ চক্রবর্তী এক পাতা গল্প127 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    হলাহল বিষভাণ্ড – ৭

    ।। ৭।।

    গুরুদেব শেকলে জড়িয়ে আছেন ঠিকই কিন্তু তাঁর চোখ আর কান সদা জাগ্রত। তিনি দেখছেন যে বৃশ্চিক কৈটভের উপর নিয়ে কিছু পরীক্ষানিরীক্ষা করছে। কৈটভের মতো লোক যখন বিনা বাক্যব্যয়ে তার ওপর এসব পরীক্ষা করতে দিচ্ছে তখন যে কিছু ভয়ানক হতে চলেছে তা নিয়ে সন্দেহের অবকাশ নেই। আজ সাতনম্বর দিন। সাতদিন ধরে কৈটভশূন্য এই খাদানপুরী। গুরুদেবকে বেঁধে রাখা হলেও সময়ে সময়ে খাদ্যবস্তু ও প্রাত্যহিক কাজের জন্য বন্ধন মুক্ত করা হচ্ছে। বৃশ্চিক নিজেই এসে গুরুদেবকে বন্ধন মুক্ত করে। কৈটভ-বাহিনীকে বৃশ্চিক নিজেই খুব একটা পছন্দ করে না। তাই এইসব সে নিজেই করে। এমনকি হিংস্র কৈটভ-বাহিনীর থেকে বাঁচার জন্য নিজেই একটা গোলকের ভেতরে সারাদিন অবস্থান করে।

    গুরুদেবকে যখন মুক্ত করে তখন তার আবিষ্কৃত কিছু পাশ গুরুদেবের আশেপাশে অটোম্যাটিকভাবে ঘুরতে থাকে। বাধা ধরা কাজের বাইরে কোনো কিছু করতে চাইলেই গুরুদেবকে আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে ফেলে সেই পাশ। গুরুদেব একদিন সেই চেষ্টা করেছিলেন বটে। তারপর যখন বুঝলেন এসব করে কোনো লাভ নেই, তারপর থেকে খাদ্য গ্রহণ এবং প্রাত্যহিক কাজের বাইরে আর কিছু করেন না। যথাসময়ে আবার শৃঙ্খলিত হয়ে পড়েন তিনি। তবে এরই মাঝে একদিন বৃশ্চিককে তিনি জিজ্ঞেস করেছিলেন, “কৈটভের ওপর তুমি কী পরীক্ষা করছ?”

    বৃশ্চিক তখন বসে বসে ঝিমোচ্ছিল। কথা বলার লোক পেয়ে তারও ভালোই লাগল, “সেটা বলছি। তার আগে এটা বলুন তো আপনাকে কেন ধরে নিয়ে এসেছি?”

    গুরুদেব অনেক ভেবে বললেন, “আমি জানি না।

    আসলে প্রশ্নের উত্তরে এরকম প্রশ্ন গুরুদেব আশাই করেননি বৃশ্চিককে মাঝে মাঝে তার পাগল মনে হয়। বৃশ্চিক বিচ্ছিরি হাসল। তারপর বলল, “আগে তো নিজের ব্যাপারটা বুঝবেন। তারপর তো বাকিদের কথা ভাববেন। আর শুনুন আমি একটু পাগলই। না-হলে কৈটভের সঙ্গে কেউ পার্টনারশিপ করে।”

    গুরুদেব স্নিগ্ধ হেসে বললেন, “আমরা গুরু তো। আমরা আগে সবার কথা ভাবি। সে তুমি বুঝবে না। বলো কৈটভের ব্যাপারটা বলো।”

    বৃশ্চিক বলল, “বেশ। আমিও আগে আপনারটাই আপনাকে শোনাব। তারপর কৈটভ।”

    “তাই হোক।”

    “আপনার একটা অসম্ভব শক্তি রয়েছে। সেটা আপনি শুধুমাত্র গোপন কক্ষে ওই বারোজন শিক্ষার্থীর সঙ্গেই ভাগ করে নেন।”

    বৃশ্চিকের কথায় গুরুদেবের কপালে ভাঁজ পড়ে। সেটা দেখে বৃশ্চিক মুচকি হেসে বলল, “একদম ঠিক ধরেছেন। ওই বারোজনকে আপনি চাইলে আবার বাঁচিয়ে দিতে পারেন যাদের ওপর গন্দবেরুন্দার শরীর নিঃসৃত নির্যাস ইতিমধ্যে তার অপগুণ বিস্তার করেছে। মস্তক ছেদনের পরেও চাইলে আপনি তাদের বাঁচাতে পারেন। কিন্তু আজ অবধি আপনি কখনোই কাউকে বাঁচিয়ে তোলেননি। কারণ আপনি সেই গোপন কক্ষেই জানিয়ে দেন যে যদি আপনার মনে হয় কোনো শিক্ষার্থীর বেঁচে থাকা এই সমাজের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজন তবেই আপনি এই সিদ্ধান্ত নেবেন। এখন অবধি সেরকম কোনো ঘটনা ঘটেনি। এবার কৈটভ হচ্ছে ওই বারোজন শিক্ষার্থীদেরই একজন যে দীর্ঘায়ু হয়েছে তার নিজ গুণে। তবে এবার আমরা যে অভিযানটি করছি তাতে কৈটভের প্রাণনাশেরও সম্ভাবনা আছে।”

    গুরুদেব কৌতূহলী হলেন, “কী অভিযান?”

    বৃশ্চিক মুচকি হেসে বলল, “হলাহল বিষভাণ্ডের অভিযান, যা সমুদ্রমন্থনে উঠেছিল। মহাদেব সেই বিষ পান করার পর পানপাত্রে যে কয়েক ফোঁটা বিষ রাখা ছিল তা গোপন এক ডেরায় রাখা আছে। এই বিষ দিয়েই সৃষ্টি হবে কলিযুগের অসুর কলিপুরুষের। সেই বিষ আমি সময়ের আগে খুঁজে বের করব। কৈটভকেই পরিণত করব কলি পুরুষে।”

    গুরুদেব চমকে উঠলেন এসব কথায়, “আমি হাতজোড় করছি, এরকম অনর্থ তোমরা কোরো না। সৃষ্টি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যাবে। স্থিতি-লয় বিনষ্ট হবে।”

    বৃশ্চিক এই কথায় মজা পেল, “আগে নিজের হাত বন্ধন থেকে মুক্ত করে তবেই না জোড় করবেন!”

    গুরুদেব এই কথাটাকে উড়িয়ে বলেন, “এরকম কোরো না তোমরা।”

    বৃশ্চিক বলে, “এরকম করতে তো হবেই। আর এতে আপনি আমাদের সাহায্যও করবেন।”

    গুরুদেব বুঝতে পারেন না এই কথার অর্থ। গুরুদেবকে বিহ্বল দেখে বৃশ্চিক বুঝিয়ে বলে, “হলাহল খুবই মারাত্মক বিষ। সেই বিষের প্রভাবে যদি কৈটভের কিছু হয় সেক্ষেত্রে আপনি তাকে বাঁচিয়ে তুলবেন।”

    গুরুদেব চিৎকার করে উঠলেন, “এ অসম্ভব! আমি কখনোই এরকম গর্হিত কাজ করব না। এতদিন ধরে এই শক্তি বাঁচিয়ে রেখেছি কি কৈটভের মতো পাষণ্ডের জীবন রক্ষা করার জন্য?”

    বৃশ্চিক কথাটা শুনেও শুনল না, “আপনি সবই করবেন। যদি ভালোভাবে আমাদের কথায় না-করেন তবে আপনার শরীরকে কাবু করে আমি সমস্ত কিছু করিয়ে নেব। আপনাকে বেশি ভাবতে হবে না।”

    গুরুদেব মিনতি করলেন, “কেন সমস্ত কিছু ধ্বংস করতে উঠে পড়ে লেগেছ তোমরা?”

    বৃশ্চিক উত্তরে বলে, “কারণ এরপর আবার নতুন সৃষ্টি হবে। এটাই নিয়ম।”

    গুরুদেব রেগে গেলেন, “সেই সৃষ্টি পরমপিতা করবেন। তোমাদের মতো শয়তানেরা নয়।”

    বৃশ্চিক নিজের গবেষণাগারের দিকে যেতে যেতে বলে, “এই যুগ যে শয়তানের যুগ! দেখছেন না কীভাবে চারিদিক শয়তানে ভরে যাচ্ছে। আর শয়তানেরা স্বয়ংসম্পূর্ণ। তাই যা করার শয়তানেরাই করবে। কেন মিছিমিছি আপনার পরমপিতাকে কষ্ট দেওয়া! আপনি বরং এখন বিশ্রাম নিন। সময়ে ডেকে নেব।”

    বৃশ্চিক গবেষণাগারে ঢুকে দেখল কৈটভকে জারে ঢোকাবার পর ৬ দিন ২৩ ঘণ্টা ৫০ মিনিট কেটে গেছে। আর দশ মিনিটের মধ্যেই এই পরীক্ষা শেষ হবে। কী হতে চলেছে তা ভেবেই বৃশ্চিকের চোখ মুখ উজ্জ্বল হয়ে উঠল। আর মাত্র দশ মিনিট। সময় যেন কাটতে চাইছে না। অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে বৃশ্চিক। এরই মধ্যে গুরুদেবের চিৎকার ভেসে এল, “হলাহলের বিষ ধারণ করার উপযুক্ত শরীর কৈটভের কাছে আছে কি?”

    কর্কট এখন তার পরীক্ষার ফলাফলের কথা ভাবছে। এসব প্রশ্নের উত্তরে সে বলল, “আমার হিসেব বলছে কৈটভ সক্ষম। যদি সক্ষম না-হয় তাহলে আপনি তাকে বাঁচিয়ে তুলবেন। সহজ সমাধান।”

    গুরুদেব নাছোড়বান্দা, “তাতেও কি অভিষ্ট লাভ হবে?”

    বৃশ্চিক অধৈর্য হয়ে বলে উঠে, “এই দেখুন। ঠাকুরদার তৈরি যন্ত্র। এটা তখনই সবুজ সংকেত দেখাবে যখন পৃথিবীর অন্যতম শক্তিশালী কেউ আশেপাশে থাকবে। কৈটভ পাশে আসার পর থেকেই এই যন্ত্র সবুজ সংকেত দিচ্ছে। তাই আমি নিশ্চিত কৈটভ হলাহল গ্রহণ করার অধিকারী।”

    গুরুদেব বুঝলেন যে বৃশ্চিক আটঘাট বেধেই যুদ্ধে নেমেছে। অনুনয় বিনয় করে নিরস্ত্র করা মুশকিল। অন্য পথ ভাবতে হবে। এদিকে আর এক মিনিট বাকি বৃশ্চিকের পরীক্ষার ফলাফল বের হতে। শেষ মিনিটে এসে ধৈর্য ধরে রাখা কঠিন হয়ে গেল বৃশ্চিকের পক্ষে। এটাই হতে চলেছে বৃশ্চিকের গুরুত্বপূর্ণ এক আবিষ্কার। কর্কটকে ছাড়াও সে একমেবাদ্বিতীয়ম্। আর দশ সেকেন্ড মাত্র। তিন দুই এক……

    গবেষণাগার পূর্ণ হতে থাকল ধোয়াঁতে। সেই ধোঁয়া কাটিয়ে ধীরে ধীরে এগিয়ে যেতে লাগল বৃশ্চিক। সে কাচের জারের সামনে গিয়ে দাঁড়াল। পরপর দুটো কাচের জার ছিল। একটা সুইচে চাপ দিতেই ধোঁয়া অনেকটা কমে এল। সাকশানের মাধ্যমে ধোঁয়া টেনে নিল মেশিন। তারপর কাচের জারের দিকে তাকিয়ে বৃশ্চিক আনন্দে লাফিয়ে উঠল।

    “ইউরেকা… ইউরেকা।”

    গুরুদেব বাইরে থেকে শুনল বৃশ্চিকের হর্ষোল্লাস। পর পর দুটো জারে বসে আছে দু-দুটো কৈটভ। দু-জনেই তার দিকে তাকিয়ে হাসছে। আসল কৈটভকে কাচের জার থেকে মুক্ত করল বৃশ্চিক।

    “শরীর ঠিক আছে তো?”

    কৈটভকে চনমনে লাগছে। সে বলল, “হ্যাঁ। ঠিক যেন আবার মাতৃগর্ভ থেকে বেরোলাম।”

    বৃশ্চিক জিজ্ঞেস করল, “খিদে পেলে অসুবিধে হয়নি তো।”

    কৈটভ বলল, “বললাম-না একেবারে মাতৃগর্ভ। তোমার লাগানো পাইপ দিয়ে প্রতিনিয়ত খাবার পেয়েছি। প্লাসেন্টার মতো কাজ করেছে এই পাইপ। খাবার মুখ দিয়ে খেতে পারিনি ঠিকই। কিন্তু শরীরে অপুষ্টি হয়নি।”

    বৃশ্চিক বলল, “যাক, তাহলে আমি সফল। এবার দেখা যাক আমার আবিষ্কার কেমন হয়েছে।”

    কৈটভ বলল, “হ্যাঁ দ্যাখো, দ্যাখো। এমনিতে বাইরে থেকে দেখতে তো আমার মতোই লাগছে।”

    বৃশ্চিক খোলার আগে কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইল। সাধারণ ক্লোনের মতো লাগছে না। আসল কৈটভ-ই লাগছে। শেষে এক লহমায় জার থেকে মুক্ত করল নকল কৈটভ-কে। আসল কৈটভ ঘুরে ফিরে এই কৈটভ-কে দেখতে লাগল। তারপর একসময় তারিফের সুরে বলল, “হুবহু এক। হুবহু। তুমি চমৎকার একটা কাজ করেছ।”

    বৃশ্চিক হাসে।

    “কৈটভ আমাকে খুশি হয়ে তুমি সম্বোধন করছে। আমি এতেই আমার কাজের পরিণাম উপলব্ধি করতে পারছি।”

    কৈটভ হাসল।

    “আচ্ছা আমার বদলে এই কি তোমার সঙ্গে যাবে? এ পারবে আমার মতো চিন্তাভাবনা এমনকি যুদ্ধ অবধি করতে?”

    বৃশ্চিক ক্লোন-কৈটভের গা থেকে জল মুছতে মুছতে বলে, “সব পারবে। আমি আগে চেক করে নেব। তোমার যদি নব্বই শতাংশও করে দেয় তাহলেও অনেক। কারণ আমি যতদূর বুঝি সেখানে একটা প্রাণনাশের আশঙ্কা থাকছেই। তাই প্রথমে যাবে এই ক্লোন কৈটভ। তারপর যাবে তুমি। এরপরেও কিছু হলে গুরুদেব তো রইল তোমাকে বাঁচিয়ে তোলার জন্য।”

    বৃশ্চিকের প্ল্যানটা ভালো মনে হল কৈটভের। “বেশ। তাহলে তুমি একে পরীক্ষা করে দ্যাখো। আমি একটু বিশ্রাম নিই বরং।”

    কৈটভ চলে গেল। বৃশ্চিক ক্লোন-কৈটভকে ট্রেইন করতে ব্যস্ত হয়ে পড়ল। তারপর কেটে গেল আরও দু-দিন। ক্লোন-কৈটভ একেবারে তৈরি হয়ে গেল। কৈটভ সেদিন সকালবেলায় পরীক্ষা করতে এল তার ক্লোন-কে। গুরুদেব শৃঙ্খলিত অবস্থায় দেখছিল দূর থেকে। দুইদিকে দুই কৈটভ দাঁড়িয়ে। গুরুদেব যা বোঝার বুঝে গেছেন। আশঙ্কায় অনিদ্রায় গুরুদেব ক্রমশ কাহিল হয়ে পড়ছেন। প্রতিপক্ষ দিন দিন এত ভয়ংকর হয়ে উঠছে যে মোকাবিলা শুধু কঠিন নয, অবাস্তব হয়ে যাচ্ছে।

    শুরুতে আসল কৈটভ তার শারীরিক দক্ষতার পরিচয় পেতে তার সঙ্গে মল্লযুদ্ধ শুরু করল। মল্লযুদ্ধে কৈটভের জুড়ি মেলা ভার। কিন্তু আজ সে তার ক্লোনের সঙ্গে পেরে উঠল না। সে যতই মারপ্যাঁচ দিক না কেন তার ক্লোনের কাছে সমস্ত মার প্যাঁচেরই জবাব ছিল। একসময় সে ক্লান্ত হয়ে পড়ল। কিন্তু তার ক্লোন ক্লান্ত হল না। তারপর কৈটভ নিল তার অস্ত্র পরীক্ষা। তলোয়ার, তির-ধনুক, লাঠি, আগ্নেয়াস্ত্র সমস্ত পরীক্ষাতেই ক্লোন-কৈটভ আসল-কৈটভের মতোই ভালো ফলাফল করল। শেষে কৈটভ তাকে দিল মোক্ষম এক পরীক্ষা। সে ক্লোনকে জিজ্ঞেস করল, “তুমি মৃতকৈটভ-কে আপগ্রেড করতে পারবে?”

    “পারব।”

    “বেশ। তবে মৃতকৈটভ-এর এক অংশকে এরকমভাবে আপগ্রেড করো যেন কোনো গোপন ডেরায় আমরা পৌঁছে যেতে পারি অনায়াসে।”

    “অবশ্যই। আমাকে বারো ঘণ্টা সময় দিন।”

    “মাত্র বারো ঘণ্টা?”

    “হ্যাঁ।”

    “বারো ঘণ্টায় কীভাবে করবে? তুমি তো মৃতকৈটভ-এর ফর্মেশন জানো না।”

    “আপনি যা যা জানেন ততটুকু অবধি আমিও জানি। মৃতকৈটভ থেকে এই পদার্থ তৈরি করতে আমার সাধারণ হিসেবে বারো ঘণ্টার বেশি লাগা উচিত নয়।”

    “বেশ। শুরু করো। এখন বাজে বারোটা। আমি ঠিক রাত বারোটায় দেখতে আসব।”

    পরের বারো ঘণ্টা ক্লোন-কৈটভ লেগে রইল গবেষণাগারে। বৃশ্চিক আশেপাশে রইল তত্ত্বাবধান করার জন্য। রাত বারোটায় যতক্ষণে কৈটভ পরিদর্শনে এল ততক্ষণে ক্লোন-কৈটভ বানিয়ে ফেলেছে উদ্দিষ্ট পদার্থ।

    “হয়ে গেছে?”

    “হ্যাঁ, এই নিন।”

    আসল-কৈটভ বৃশ্চিকের দিকে তাকাল। বৃশ্চিক হাত নেড়ে বলল, “আমি শুধু তত্ত্বাবধায়কের কাজে ছিলাম। সে যা করেছে নিজে করেছে।”

    কৈটভ দেখল সত্যিই আবিষ্কার তৈরি। পরখ করার জন্য সে তরলের প্রয়োগ করল নিজের ওপরে।

    “যে জায়গায় আমার অতীতের দেহ মাটি চাপা দেওয়া হয়েছে সেই জায়গায় যেতে চাই।”

    সঙ্গে সঙ্গে তরলের প্রতিক্রিয়ায় সে পৌঁছে গেল সেই জায়গায়। এত ভালো কিছুর মধ্যে কৈটভ এই জায়গায় আসা চয়ন করল। কারণ সে তার মনের ভেতর জমে থাকা রাগ-কে ঠান্ডা হতে দিতে চায় না। এই ক্লোন যে তার ঠিক অবিকল প্রতিমূর্তি তাতে আর কোনো সন্দেহ রইল না। সে আবার ফিরে এল খাদানের ভেতরে গবেষণাগারে।

    “আমার পরীক্ষায় ক্লোন-কৈটভ পাশ করল।”

    কৈটভের এই কথা বৃশ্চিককে আপ্লুত করে ফেলল। কৈটভ সেদিকে দৃকপাত না-করে বলল, “তাহলে প্ল্যান-টা কী দাঁড়াচ্ছে?”

    বৃশ্চিক গদগদ হয়ে বলল, “কিছুই প্ল্যান নেই। শুধু তোমার বদলে তোমার এই ক্লোন এই অভিযানে যাবে। শত্রুপক্ষ যদি কিছু করার কথা ভাবে অথবা সেখানে স্বাভাবিক পরিস্থিতিতেও আমরা যদি আক্রান্ত হই তাহলে তোমার কিছু হচ্ছে না। হবে ক্লোন-কৈটভের।”

    কৈটভ ক্লোনের সামনেই এরকম কথায় অস্বস্তিতে পড়ে। বৃশ্চিক সেটা বুঝে বলে, “ক্লোনের মধ্যে এসব আবেগ থাকে না। চিন্তা নেই।”

    “বেশ তবে আমিও এই যাত্রায় থাকব। সম্পূর্ণ অদৃশ্য হয়ে থাকব আমি।”

    “ভ্যানিশিং-এর ব্যবহার করবে, তাই তো?”

    বৃশ্চিকের প্রশ্নে মাথা নেড়ে সম্মতি জানায় কৈটভ। যাবার সময় বৃশ্চিকের কাঁধে হাত রেখে সাবাশি দিয়ে কৈটভ বলে, “দারুণ এক কৈটভ বানিয়েছ। আমি আমার সামর্থ্যের পঞ্চাশ ভাগ ব্যবহার করেছিলাম যুদ্ধে। আমার পঞ্চাশ ভাগও বহু সমর্থ যোদ্ধার একশো ভাগের সমান। তোমার ক্লোন পরীক্ষায় পাশ করেছিল। কিন্তু এর বৈজ্ঞানিক স্বভাব তোমার অনবদ্য সৃষ্টি। প্রোগ্রাম যেভাবেই করে থাকো -না কেন এ ঠিক রোবট নয়। আমার ধারণা এর মধ্যে আবেগ রয়েছে। নইলে আমি যখন উপস্থিত হয়েছিলাম কবরে, সেও তখন ভ্যানিশিং ব্যবহার করে আমার সঙ্গে উপস্থিত হত না। তুমি হয়তো লক্ষ করোনি। মুহূর্তের ভগ্নাংশের মধ্যেই সে ফিরে এসেছিল। আমি তার উপস্থিতি টের পেয়েছিলাম কবরের কাছে। মারাত্মক এক আবিষ্কার করেছ।”

    বৃশ্চিক একইসঙ্গে আশ্চর্য ও অভিভূত দুই-ই হয়ে যায়। কৈটভ কথা শেষ করে গবেষণাগার ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে গেল।

    * * * * *

    কাকতালীয়ভাবে দুই শিবিরেরই সময়চক্রযানে যাত্রা শুরুর সময় ঠিক হয় পরদিন সকাল সাতটায়। রামানুজ বর্তমানে সেই ভোরবেলায় পবন কুমারের গুহামুখের বাইরে দাঁড়িয়ে আছে। সে মাত্র কোনোক্রমে গুহামুখ থেকে বেরিয়েছে। তার পিঠে উপদেবতার আঁচড়ের গভীর ক্ষত চিহ্ন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleরক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    Related Articles

    সৌরভ চক্রবর্তী

    মৃত কৈটভ ২ – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }