Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মৃত জ্যোৎস্নার রাত্রি – অভিষেক চট্টোপাধ্যায়

    অভিষেক চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প526 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মৃত জ্যোৎস্নার রাত্রি – ১০

    দশ

    মিহির যেখান থেকে আবার হাঁটা শুরু করেছে সেখান থেকে রাস্তার আলোগুলো সব ক-টা নিভে গেছে। এই সুচিভেদ্য অন্ধকারেও কুকুরগুলো বড্ড জ্বালাচ্ছে। শালাদের চোখে ঘুম নেই। ইচ্ছে করছে প্রত্যেকটার টুটি টিপে গলা থেকে ছিঁড়ে ফেলুক মুণ্ডুটাকে। নিকষ আঁধারে খানাখন্দ, ইট-পাথর টপকে অবলীলায় হেঁটে চলেছে সে। ডানহাতে লেগে থাকা রক্তটা শুকিয়ে চেপে বসে গেছে। নখের ডগায় লেগে থাকা মানুষের গলা থেকে খুবলে আসা মাংস শহরের অলিতে-গলিতে খসে পড়ে গেছে। কিছু উড়িয়ে নিয়ে গেছে হাওয়ায়। একবগগা লোকের মতো চোখদুটোকে স্থির ও সোজা রেখে এতক্ষণের হন্তদন্ত হাঁটা হঠাৎ করে থমকে গেল। যে গলি দিয়ে হাঁটছিল তার সামনেই একটা রাস্তা আর সেই রাস্তা পেরোলেই সাদা রঙের বিরাট বাড়িটা। কিন্তু সেখানে গেটে রাতের প্রহরী। বসে বসেই ঢুলছে। রাস্তার ওপারে একটা মানুষকে চেনার মতো আলো জ্বলছে। মিহিরের বন্ধ ঠোঁটদুটো অনেকক্ষণ বাদে নড়ে ওঠে। ঠোঁটের ফাঁক দিয়ে বেরিয়ে আসে পান-গুটখা খাওয়া বিচ্ছিরি দাঁতগুলো। ওই ঢুলতে থাকা প্রহরীটা জানতেও পারে না ওর দিকে তাকিয়ে আস্ত একটা শয়তান হাসছে। হঠাৎ একটা কুকুর আবার ডেকে ওঠে। ঠিক মিহিরের পেছনে এসে দাঁড়িয়েই সে একবার করে ঘেউ ঘেউ করছে আর দু-পা পিছিয়ে যাচ্ছে। শুনশান রাতে হঠাৎ পাড়া-কাঁপানো কুকুরের ডাকে ঢুলতে ঢুলতে চমকে ওঠে দূরের প্রহরী। আগুন চড়ে যায় মিহিরের মাথায়। কুকুরটাকে এক মুহূর্তও সময় দেয় না। আচমকাই ঝড়ের বেগে ঘুরে একটা থাবা বসিয়ে দেয় কুকুরটার ঘাড়ে। ছুঁচোলো দাঁত বের করে গরগর শব্দ করতে থাকে কুকুরটা। তারপরেই চচ্চড়, খড়মড়, এমনই আরও কিছু মাংস-হাড়ের আলাদা হয়ে যাওয়ার শব্দ। কুকুরের ডাকও স্তব্ধ হয়ে গেল। ফুটপাথের একপ্রান্তে ছিটকে গেল কুকুরটার মাথা আর অন্য প্রান্তে চার-পা সমেত ধড়। সব কিছু আবার চুপচাপ। নিস্তব্ধ। প্রহরীও দু-বার ‘কৌন হ্যায় রে? কৌন হ্যায়’ বলে চুপ করে বসে পড়ল নিজের জায়গায়। সঙ্গে সঙ্গে সাদা বাড়িটার আলোগুলো সব নিভে গেল। আশেপাশে যত রাতবাতি ছিল সব্বাই মুহূর্তের মধ্যে বাধ্য শিশুর মতো ঘুমিয়ে পড়ল। নাকি ভয়ে চোখ বুজে ফেলল?

    এখন নীল অন্ধকার। ছায়া নড়লে তার আভাসটুকু পাওয়ারও সম্ভাবনা নেই। মিহির সাদা বড়ো বাড়িটার গেটের দিকে গেল না। আঁধারের আড়ালে নিজেকে লুকিয়ে গেটের পাশ দিয়ে চলে গেল পেছনের পাঁচিলের দিকটায়। পাঁচিল যতই বড়ো হোক। মিহিরের কাছে সেটা টপকানো এখন আর খুব একটা কঠিন ব্যাপার নয়। ডান পা-টা পাঁচিলের গায়ে রেখে চাপ দিতেই শরীরটা ওপর দিকে উঠে গেল। পা তো ফসকালোই না। উপরন্তু বাঁ পা-টা পাঁচিলের ওপর দিকটায় রাখতেই এক্কেবারে মাথার ওপর উঠে গেল মিহির। এরপর একটা লাফ। সোজা পেছনের বাগানে।

    .

    ওদিকে পাঁচজন সাঙ্গোপাঙ্গ নিয়ে সায়ন পৌঁছে গেছে তার শ্বশুরবাড়ি অর্থাৎ যেখানে মিহির আর মৃন্ময়ী এতকাল সুখেই বাস করছিল। এখন সেটা বন্ধ। কারণ মৃন্ময়ী আজ রাতে তার ছেলে নিয়ে সায়নের বাড়িতে আর মিহির নিরুদ্দেশ। লোকাল থানার পুলিশ আসার আগে সে নিজে একবার ভালো করে দেখতে চায় এই বাড়িটাকে। যদি মিহির তার নিজের বাড়িতেই গা-ঢাকা দিয়ে থাকে। আসলে খুব বুদ্ধিমান অপরাধীরা অনেক সময়ে সবার নাকের ডগাতেই থাকে। আর সবার পরিচিত এমন এক জায়গাতে সে নিজেকে লুকিয়ে রাখে যে, কেউ সেই জায়গাটাকে সন্দেহের তালিকাতেই রাখবে না। মিহিরের ক্ষেত্রেও এই বাড়িটা সেই সহজলভ্য জায়গা। মিহিরকে অপরাধী ভাবতে সায়নের নিজেরই খারাপ লাগছে। তাই তো আগেভাগে এসেছে সে। যদি এখানেই পায় তাহলে সারেন্ডার করতে বলবে সে। শাস্তি হয়তো কিছুটা কম হবে তাতে। সায়নের ওপর এতটুকু ভরসা রাখতে পারল না দাদাভাই? এ কী করে বসল? আবারও সায়নের মন বলল, এ অসম্ভব! অসম্ভব! দরজায় যথারীতি তালা ঝুলছে। আর অন্য কোনো দরজাও নেই এই বাড়িতে ঢোকার। তার মানে এখানে আসেনি। তাহলে গেল কোথায়? এভাবে রাতারাতি উবেই-বা যাচ্ছে কী করে?

    .

    সাদা বাড়িটার পেছনের দিকের বারান্দা দিয়ে সোজা দোতলার ঘরে উঠে এল মিহির। তরতর করে ওঠার জন্য পাইপটা খুব ভালো রাস্তা। ঘর আর বারান্দার মাঝে কাচের দরজাটা ভেতর থেকেই দেওয়া ছিল। সেটা গায়ের একটু জোর দিতেই ঘসঘস শব্দে খুলে গেল। এই শব্দ সামনের গেটের ধানুয়া প্রহরীর কানে পৌঁছোবে না। ঘরের মধ্যে মিশকালো অন্ধকার। তবু মিহিরের চোখে সব স্পষ্ট। আলো জ্বালার প্রয়োজন নেই তার। শূন্য থেকে নিজের শরীরটাকে বিলাসবহুল বিছানার ওপর ফেলে দিল। নরম তোশকের ওপর পড়তেই চিত হয়ে থাকা মিহিরের শরীরটা দু-বার লাফিয়ে উঠল। মনে মনে বলল, কত্তদিন পর! নিজের তৈরি সাম্রাজ্যে আবার ফিরে এলাম। এর চেয়ে শান্তি আর কিছুতে নেই। এই কথা মনে হওয়া মাত্রই মাথার মধ্যে একটা আগুনের ফুলকি চিড়িক করে জ্বলেই নিভে যায়। মনে পড়ে যায় সে এখনও বেঁচে আছে। এখনও তার বুকের খাঁচায় প্রাণপাখিটা ধুকপুক করছে। যা ওর নিজের জন্য ভীষণ রিস্ক। যদিও ওকে ধরা অত সহজ নয়। তড়াক করে লাফিয়ে উঠে পড়ে মিহিরের শরীরটা। দামি শো পিস, আলমারি, আয়না যেখানে যা ছিল সব একই আছে। মিহির ঘর ছেড়ে বেরিয়ে যায়। এপাশ-ওপাশ তাকিয়ে সিঁড়ির ধারে আসে। নীচ থেকে ওপরে ওঠার সিঁড়ির মাঝে বিশাল ছবিটাতে চোখ আটকে যায়। এবার আর ফুলকি নয়। মগজে আগুন জ্বলে ওঠে দাউদাউ করে।

    বাঁ-হাতের আঙুলগুলো ঘাড়ের পাশে রেখে মাথাটা হেলানো। ভেজা চুলগুলো মাথার একপাশে ঝুলে পড়েছে। শুধু একখানি চুল মুখের ওপর পড়ে ঠোঁট অবধি নেমে এসেছে। সাদা সুন্দর সাজানো দাঁত দিয়ে নীচের ঠোঁটটা কামড়ে ধরে আছে আত্রেয়ী সেন। মিহিরের চোখের সামনে ক্যামেরার ফ্ল্যাশের মতো চকাচক আলোর ঝলকানি। হ্যাভলকের হোটেলে স্নান সেরে বেরোনোর পর জোর করে ছবিটা তুলেছিল। আত্রেয়ী প্রথমে কিছুতেই তুলতে চায়নি। দু-একটা তোলার পর ছবিগুলো আত্রেয়ীর এত ভালো লেগে যায় যে, পরপর প্রায় তেত্রিশটা ছবি তুলেছিল সেদিন। আর তারপরেই শরীরের তোয়ালেটা নিজেই খসিয়ে দিয়ে মিহিরের বুকে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। মনে পড়ে গেল সব। বুকের ওপর পর্যন্ত ছবি। তাই শরীরের তোয়ালেটা দেখা যাচ্ছে না ছবিটাতে। গলা আর ঘাড়ের মসৃণ ত্বকে বিন্দু বিন্দু জলের ফোঁটা হিরের ফুল হয়ে ফুটে আছে। দেয়ালজুড়ে বাঁধানো সাদা-কালো ছবিটায় ভরা যৌবনের যৌন আবেগ। নীল রঙের অন্ধকারটা উলঙ্গ পুরুষের মতো উপুড় হয়ে জাপটে শুয়ে আছে ছবিটার ওপর। ঠিক তখনই মিহিরের গা-টা গুলিয়ে উঠল। বাইরে আবার আলো জ্বলে উঠেছে আগের মতো। তারই কিছু ছেঁড়া ছেঁড়া অংশ পাশের রঙিন কাচ গলে ঢুকছে। অনেক আগে এই ছবি দেখে সারা শরীরে আগুন জ্বলত। সেই আগুনে পুড়ে মরতে ভীষণ ভালোবাসত ওপরতলায় সিঁড়ির ধারে দাঁড়িয়ে থাকা পুরুষ মানুষটা। কিন্তু দিন যত এগোতে থাকল ওই আবেদনময়ীর শরীর থেকে পচা দুর্গন্ধ বেরিয়ে আসতে থাকল। এতদিন পরেও ঘেন্না করছে খুব। ওই অন্ধকারেও মিহির অনায়াসেই পাশের একটা ঘরে ঢুকে ঘড়ররর শব্দে একটা ড্রয়ার টেনে খুলে ফেলল।

    .

    সাপের মতো অজস্র নল ঘিরে রেখেছে আত্রেয়ী সেনকে। মনিটরে ধরা পড়ছে প্রাণপাখিটার গতিবিধি। লাইনটা সোজা হতে গিয়েও বেঁকে যাচ্ছে। মাথা থেকে মুখে ব্যান্ডেজ। হাতে ব্যান্ডেজ। ডান পায়ের পুরোটাই শক্ত সাদা পট্টিতে মোড়া। মুখে অক্সিজেন মাস্ক। ভ্রূ দুটোকে মাঝখানে জড়ো করে ঘরের বাইরে থেকে দেখছে তন্ময়। কিছুক্ষণ অন্তর ডাক্তার এসে দেখে যাচ্ছে। সদা-সর্বদা নার্সদের তত্ত্বাবধানে চুপ করে শুয়ে আছে আত্রেয়ী। পকেটে ফোনটা ভাইব্রেট করে উঠল তন্ময়ের। হাতে নিয়ে দেখে অমিতাভ মল্লিক।

    — হ্যাঁ অমিতাভদা বলো।

    — খবরটা পেয়েছ?

    — কোন খবর?

    — আরে বৃষভানু বলে ছেলেটার খবর।

    আত্রেয়ীর দিকে আড়চোখে আর-একবার দেখে নিয়ে খুব গা-ছাড়াভাবেই বলল, ‘সেটা আবার কে? ‘

    — সেটা কে মানে? আমাদের শুটিঙে যে খাবার দিত। আত্রেয়ীর পুরো ঘটনাটার সাক্ষী যে ছেলেটি। তোমার কথা যখন মিহির মিথ্যে বলে প্রমাণ করতে চাইছিল তখন তো ভানুই বলল

    — হ্যাঁ হ্যাঁ মনে পড়েছে। কী হয়েছে তার?

    গলায় এবার অল্প-অল্প আশঙ্কা। ধীরে ধীরে তন্ময়ের সারা মুখে ছড়িয়ে পড়ল ভয়ের ছায়া। আত্রেয়ীর কেবিনের সামনে থেকে খানিক সরে এসে দাঁড়াল তন্ময়। অমিতাভ মল্লিক সবটা বলল তন্ময়কে।

    — হ্যালো, হ্যালো তন্ময়।

    ফোনটা কানে ধরে খানিকক্ষণের জন্য অন্যমনস্ক হয়ে পড়েছিল সে। বুকের ছাতিটা এবার একটু ঘন-ঘনই ওঠানামা করছে। অমিতাভর বারংবার ডাকে সংবিত ফেরে। হ্যাঁ হ্যাঁ শুনছি। বলছি পুলিশ কিছু করতে পারছে না? জেল ভেঙে একটা লোক পালায়ই-বা কী করে?’

    — ওটাই তো রহস্য। জেলের গরাদগুলো নাকি দুমড়ে-মুচড়ে দিয়েছে। শালা মিহিরকে দেখে তো কখনোই তেমন কিছু মনে হয়নি। নিতান্ত সাধারণ নিপাট ভদ্রলোক। আজ সকালের নিউজে বলল পুলিশ মিহিরকে শুধু সন্দেহই করছে না। এবার নাকি তারাও এইট্টি পারসেন্ট নিশ্চিত যে মিহিরই খুনি। নিউজে যা বলছে আর লোকের মুখে যা শুনছি তাতে মিহিরের গায়ের জামাকাপড় নাকি সিসিটিভিতে দেখা ওই আগন্তুকের জামাকাপড়ের সঙ্গে হুবহু মিলে যাচ্ছে। একটা বাচ্চা ছেলে নাকি মিহিরকে পালাতে দেখেছে। সেই তো শনাক্ত করেছে ছবি দেখে। আমার কিন্তু খুব ভয় করছে তন্ময়।

    — এইবার বুঝলাম! ওই জন্যে নার্সিংহোমে কালকের চেয়ে আরও বেশি পুলিশ মোতায়েন করেছে। চার-পাঁচ খেপ ইন্টারভিউ দিয়ে তবে আত্রেয়ীকে দেখা যাচ্ছে।

    — তুমি কি নার্সিংহোমে নাকি?

    — হ্যাঁ। নইলে আর কোথায়? সকালে এরাই ফোন করেছিল। শালা আত্রেয়ীর বাড়ির একটা লোকও নেই? কোনো আত্মীয়-স্বজন কেউ এল না।

    — কেন ওর বাবা মা?

    — ধুস! সে তো কবেই সম্পক্কো ঘুচে গেছে। ওরা কোথায় থাকে তা-ও জানি না।

    — ও বাবা! তাহলে নার্সিংহোম কি তোমার সঙ্গেই সব …

    — হ্যাঁ। ওই বিল-টিল নিয়ে কথা বলবে। শোনো না, অমিতাভদা … কথাটা সম্পূর্ণ করার আগেই অমিতাভ মল্লিক বলে উঠল, ‘এই তন্ময়। আমি রাখছি বুঝলে। আমার একটা জরুরি ফোন আসছে।’ বাকি কথা শেষ করার জন্য তন্ময় প্রায় হাঁ করেই রইল। কিন্তু তার আগেই ফোনটা কেটে গেল। কান থেকে ফোনটা নামিয়ে বিরক্তিমুখে অমিতাভর উদ্দেশ্যে বলল, ‘শালা ঢ্যামনা। যেই বুঝেছে পয়সার কথা বলব অমনি …।’

    .

    আত্রেয়ীর ঘরের দিকে পেছন ফিরে এতক্ষণ কথা বলছিল তন্ময়। ফোনটা পকেটে ঢুকিয়ে ঘুরে তাকাতেই খানিক থমকে যায়। একজন বৃদ্ধ অচেনা লোক দরজা দিয়ে আত্রেয়ীকে দেখেই যাচ্ছে। রোগাপাতলা চেহারা, গায়ের রঙে দারিদ্রের ছাপ। চোখে হাই পাওয়ারের চশমা। তন্ময় দেখেনি কোনোদিন। লোকটার সারা মুখে উদাস-উদাস ভাব। চোখের পলক পড়ছে না তার। এত কড়াকড়ি টপকে এই লোকটা এই পর্যন্ত পৌঁছোল কী করে? তন্ময় এগিয়ে গিয়ে প্রশ্ন করল, ‘আপনি কে?’ বৃদ্ধ লোকটার কোনো হেলদোল হল না। তন্ময় আবার বলল, ‘শুনছেন, কোথা থেকে আসছেন?’ চোখের সামনে কেউ যেন পটকা ফাটাল, এমন করে চমকে উঠে তন্ময়ের দিকে তাকাল লোকটি। হাই পাওয়ারের চশমার জন্য বৃদ্ধের চোখের মণিগুলো মুখের তুলনায় বিশাল বড়ো বড়ো দেখাচ্ছে। তন্ময়ের মুখটা একটু ভালো করে পর্যবেক্ষণ করল বৃদ্ধ। তারপর বলল, তুমি বুঝি ঝুমার এখনকার বয়ফ্রেন্ড?’ তন্ময় অবাক। অস্বস্তিও হল। কথাটা কি খোঁচা মেরে বলল বুড়োটা? ‘ঝুমা? কে ঝুমা?’ তন্ময় জিজ্ঞেস করল। ঠোঁট-বাঁকানো তাচ্ছিল্যের হাসি সারা মুখে ছড়িয়ে বৃদ্ধ বলল, বুঝেছি, এই নামটা বলেনি তোমায়। তা তুমি তোমাদের আত্রেয়ীকে কী বলে ডাকো বাবা? আতু না পুতু?’

    — হোয়াট দ্য হেল? কীসব বলছেন বলুন তো?

    — ঠিকই বলেছ বাবা। হেলই বটে। নইলে বাপ হয়ে মেয়েকে এই অবস্থায় দেখতে হয়?

    — আপনি আত্রেয়ীর বাবা?

    হাতে যেন চাঁদ পেল তন্ময়। মনে মনে বলল, এই তো পাওয়া গেছে। এবার সবদিক থেকে তার নিস্তার। কঠিন হয়ে যাওয়া মুখটায় একটু পেলবতার আস্তরণ টেনে তন্ময় বলল, ‘ওহ সরি সরি। আমি ঠিক বুঝিনি। আসলে কোনোদিন পরিচয় হয়নি তো। আপনি চিন্তা করবেন না মেসোমশাই। আত্রেয়ী ভালো হয়ে যাবে। আসলে অনেক বড়ো—’ কথাটা শেষ হবার আগেই বৃদ্ধ বলল, ‘চাই না।’

    — অ্যাঁ?

    বৃদ্ধ এবার অত্যন্ত নির্লিপ্ত কণ্ঠে জানাল, ‘আমি চাই না ঝুমা মানে তোমাদের আত্রেয়ী সেন সুস্থ হয়ে যাক।’

    — এ কী বলছেন মেসোমশাই? ও আপনার মেয়ে তো!

    — দুর্ভাগ্যবশত। যবে থেকে খবরটা শুনেছি তবে থেকে প্রার্থনা করছি রাধামাধবের কাছে, ওকে তুলে নাও। অনেক হল।

    তন্ময়ের ঠোঁটদুটো যেন নড়েও নড়ল না। এ কেমন বাবা? শুধু জিজ্ঞেস করল, আপনি থাকেন কোথায়?’ বৃদ্ধ বলল, ‘যমের বাড়ির একটু আগে ডানদিকের গলি।’

    .

    — তন্ময় হালদার।

    বৃদ্ধের কথায় আবার নতুন করে অবাক হবার সুযোগ হল না তন্ময়ের। নিজের নামটা শোনামাত্রই তন্ময়ের চোখটা চলে গেল খানিক দূরে দাঁড়িয়ে থাকা মহিলাটির দিকে। পরিপাটি করে নীল-সাদা শাড়ি পরা। তন্ময় নিজের পরিচয় দেয়। মহিলাটি বলে, ‘নমস্কার। বিদিশা শীল। এই নার্সিংহোমের সুপারভাইজার কাম অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ অফিসার। আমিই সকালে আপনাকে ফোন করেছিলাম।’ ‘ও হ্যাঁ হ্যাঁ, বলুন’ বলে তন্ময়ও দু-পা এগিয়ে গেল। ‘কী বুঝছেন ম্যাডাম?’ একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলল বিদিশা। বলল, ‘দেখুন মিথ্যে আশ্বাস দেব না। যতক্ষণ প্রাণ আছে ততক্ষণ আমরা জানপ্রাণ দিয়ে চেষ্টা করব। বাট লাক যদি ফেবার না করে তাহলে …।’ এরপর দুজনের মাঝেই কিছুটা নীরবতা। বিদিশা বলল, ‘যেহেতু নার্সিংহোমের খাতায় আত্রেয়ী সেনের রিলেটিভ হিসেবে আপনারই নাম আছে তাই আপনাকেই বলা। এখনও পর্যন্ত প্রায় দেড় লাখ বিল হয়ে গেছে। এবার একটা মানি ডিপোজিট করতেই হবে।’ তন্ময় তার শরীরের মধ্যে শশব্যস্ত ভাব নিয়ে বলে উঠল, ‘হ্যাঁ হ্যাঁ নিশ্চই, আপনারা এমনিতেই অনেক ফেবার করেছেন। এই তো আত্রেয়ীর বাবা এসে গেছেন। আমার আর চিন্তা নেই। উনিই সব আপনাকে …’ কথাটা বলতে বলতেই পেছন ঘুরে তাকায় তন্ময় আর ঠিক তারপরেই চমকে ওঠে। করিডরের কোত্থাও বৃদ্ধ মানুষটা নেই ‘আরে কোথায় গেলেন, এই তো এখানেই ছিলেন।’ বিদিশা বলল, ‘হ্যাঁ আমিও তো দেখলাম আপনি কথা বলছেন। তাহলে বোধহয় আমাদের কথার মাঝখানে উনি চলে গেছেন। দেখুন ওঁর সঙ্গে কনট্যাক্ট করতে পারেন কিনা। তবে ডিপোজিটটা কিন্তু কাল সকালেই করে দেবেন প্লিজ।’ অত্যন্ত নম্রস্বরে কথাগুলো বলে চলে গেল বিদিশা।

    যাশ্লা! বচন দিয়ে কেটে পড়ল? নামটাও বলে গেল না তো। ঠিকানাটাও হেঁয়ালি করে বলে গেল। যমের বাড়ির ঠিক আগেই ডানদিকের গলি! পাগল নাকি? সে পাগল-ছাগল যাইহোক, এখন কড়কড়ে দেড় লাখ টাকা কোত্থেকে দেবে তন্ময়? বোলপুরের নার্সিংহোমে প্রায় চল্লিশ হাজারের মতো তার গ্যাঁট থেকে খসেছে। গিল্ডের ইনসিয়োরেন্স থেকেও কত কী দেবে তার ঠিক নেই। চ্যানেলও সুযোগ বুঝে পিঠটান দিয়েছে। তন্ময়ের ফোনটা আবার ভাইব্রেট করে ওঠে। স্ক্রিনে অচেনা নম্বর। একটু বিরক্ত হয়েই ফোনটা ধরে, ‘হ্যালো … কে?’ চোখের নীচের চামড়াটা এবার একটু বেশিই কুঁচকে গেল। ‘ও শালা, এটা কার নম্বর? আরে বাবা আমি নার্সিংহোমে আছি তাই ধরতে পারিনি। আচ্ছা তোমার কী ধারণা বলো তো? আমি সারাদিনে কামকাজ কিছু করি না নাকি? সারাদিন তোমার ফোন রিসিভ করব বলে বসে আছি?’ গলাটা বেশ চড়ে যায় তন্ময়ের। সঙ্গে সঙ্গে পেছন থেকে একজন নার্স এসে বাইরে যেতে বলে। এইখানে ফোনে কথা বলা যাবে না। তন্ময় তরতরিয়ে সিঁড়ির দিকটায় চলে যায়। নামতে নামতে বলে, ‘আমি বারবার একটাই কথা বলছি তোমায়, তুমি আর ফোন কোরো না। প্লিজ। দেখছ তো পুলিশি ঝামেলা চলছে। কে বলতে পারে আমার ফোন ট্যাপ করা নেই? আর সবাই সব কিছু জানলে সেটা তোমার জন্যেও খুব একটা ভালো কিছু হবে না, তাই না? এখন রাখো। না না না। আর কোনো কথা নয়। সব সময়মতো পেয়ে যাবে। রাখছি।’ বলেই ফোনটা কান থেকে নামিয়ে কেটে দিল।

    .

    মুখটা ব্যাজার করে নীচে নেমে গেল তন্ময়। বেরোতে যাবে অমনি বেশ কিছু টিভি চ্যানেলের রিপোর্টার ঘিরে ধরল তাকে। এই ক-বছরে ক্যামেরাম্যান হিসেবে তন্ময়ের যত না পরিচিতি তার চেয়ে বেশি আত্রেয়ী সেনের বয়ফ্রেন্ড হিসেবে। তার ওপর আত্রেয়ী তার ইন্টারভিউতে তো বলেই ছিল, সে এখন তন্ময়ের ক্যামেরা ছাড়া আর অন্য কোনো ক্যামেরা ম্যানের সামনে দাঁড়িয়ে অভিনয় করবে না। কারণ একমাত্র তন্ময়ই জানে আত্রেয়ীর ফেসের প্রপার অ্যাঙ্গেল কোনটা। কোনদিক থেকে আত্রেয়ীকে দেখতে সবচেয়ে সুন্দর লাগে। সেই নিয়ে তো আর কম জলঘোলা হয়নি। অনেক বড়ো বড়ো ক্যামেরাম্যানই অসন্তুষ্ট হয় আত্রেয়ীর কথায়। তন্ময়ের মনে হল, এতকাল ক্যামেরার পেছনে থেকেই যত কারিগরি দক্ষতা দেখিয়েছে। এবার আত্রেয়ীর দৌলতে যদি প্রতিদিন ক্যামেরার সামনে আসা যায় তাহলে মন্দ কী? একটু রেলা নিয়েই রিপোর্টারদের মুখোমুখি হয় তন্ময়। এক-এর পর এক প্রশ্নবাণ আছড়ে পড়তে থাকে তন্ময়ের দিকে।

    — আত্রেয়ী সেনকে কেমন দেখলেন?

    — এখনও উনি আইসিসিইউতে।

    — ডাক্তাররা কী বলছেন?

    — ওঁরা যথাসাধ্য করছেন। বাট এবার ওই ওপরওয়ালা কী চান সেটাই দেখার।

    — আপনাদের শুটিং টিমের আরও একজন কাল রাতে নৃশংসভাবে খুন হয়েছে। আপনার কী মনে হয় কে খুন করল?

    .

    এই রে! এটার কথা একদম মাথাতেই ছিল না তন্ময়ের। একটা খুন থেকে আর-একটা খুন, তার থেকে আরও কিছু …! না না, হট করে ক্যামেরার সামনে চলে আসা তার একদম উচিত হয়নি। খুব শান্ত স্বরেই উত্তর দিল তন্ময়, ‘দেখুন আপনারা যেখানে আমিও সেখানে। তবে নিউজ চ্যানেলগুলোই তো বলছে শুনছি যে মিহির সরখেলকেই নাকি সন্দেহ করছে সবাই।’

    .

    ক্ষয়ে যাওয়া দাঁতগুলো ছাড়িয়ে হাসছে সে। নারকীয় হাসিতে দুলে উঠছে মিহিরের শরীর। চোখের সামনে টিভি চলছে। আর টিভিতে লাইভ ইন্টারভিউ চলছে তন্ময় হালদারের। রিপোর্টার প্রশ্ন করছে, ‘আত্রেয়ী সেনকে খুন করার চেষ্টা কেন হল? আপনার কী মনে হয়?’

    — শুটিংয়ের দিন মিহিরের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয় আত্রেয়ীর। নতুন পরিচালক কাজে ভুল করছিল। আত্রেয়ী তাকে শুধরে দিতে গিয়েছিল। সেই থেকেই ঝগড়া, রাগ, অশান্তি। চ্যানেল থেকেও আত্রেয়ীকে সাপোর্ট করা হয়। তাতে মিহির সরখেলের আঁতে লাগে। সেই থেকেই এই খুনের চেষ্টা।

    .

    রক্তবর্ণ চোখদুটোতে খুশির জোয়ার। ডানহাত দিয়ে নিজের বুকের বাঁ-দিকটা দু-বার চাপড়ে বলে ওঠে, ‘বেঁচে থাক মিহির। বেঁচে থাক। অনেক হিসেব মেলাতে হবে তোকে।’ বলেই থেমে গেল। নিমেষে পালটে গেল মুখের হাসি। কারণ টিভিতে সংবাদ-পাঠিকা বলে চলেছে তদন্ত থেকে উঠে আসা মিহিরের গোপন কথা, ‘তেঁতুল নামক ছেলেটির কথা অনুযায়ী আততায়ীর চোখ-দুটি ছিল অস্বাভাবিক। বলা যায় রীতিমতো ভয়ংকর। প্রতিটি থানায় মিহির সরখেলের দুটি করে ছবি পাঠানো হয়েছে। একটিতে আমরা দেখতে পাই সাধারণ মানুষের মতো চোখ আর অন্যটিতে, খুব আজব মনে হলেও এটা সত্যি যে, অন্যটিতে হাড়হিম করে দেওয়া দুটি সাদা চোখ। বোলপুরের গ্রামে-গঞ্জে এই ছবি ছড়ানো মাত্র হইচই পড়ে গেছে। সকলেই বলছে, এ মানুষ নয়। কোনো অশুভ পিশাচ। বলাই বাহুল্য, বিজ্ঞানের জয়যাত্রার যুগে এ কথা অত্যন্ত ক্লিশে এবং মানুষের কুসংস্কারাচ্ছন্ন মনের প্রকাশ ছাড়া আর কিছু নয়।’ কথাগুলো বলাকালীন টিভির পর্দায় মিহিরের দুটো ছবিই ফুটে ওঠে। ঘরে বসে মিহিরের দু-চোখ বেয়ে তখন রক্ত গড়াচ্ছে। দাঁতে দাঁত লেগে কটমট শব্দ হচ্ছে। হাত-পায়ের নখগুলো কালো আর তীক্ষ্ণ হচ্ছে। এইভাবে যে বা যারা ওকে ভরা হাটের মাঝে টেনে নামিয়ে বাজারি করে দিল তাদের ও ছাড়বে না, কিছুতেই ছাড়বে না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ৪৭৪ – ডার্টি গেম
    Next Article নীরেন ভাদুড়ি সমগ্র ৩ – সৌভিক চক্রবর্তী
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }