Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মৃত জ্যোৎস্নার রাত্রি – অভিষেক চট্টোপাধ্যায়

    অভিষেক চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প526 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মৃত জ্যোৎস্নার রাত্রি – ১৫

    পনেরো

    — মেডিলাইফে বেড পেলে খুব ভালো হত। এক জায়গায় আত্রেয়ী, মিহির আর তন্ময়।

    অবনীশের কথায় মাথা নেড়ে সায় দিল সায়ন। বলল, ‘তদন্তটা অনেক তাড়াতাড়ি হত।’

    — সেটাই। কেসটাও বেশ ছড়ানো।

    — ওটাই তো ঝামেলা অবনীশবাবু। বোলপুর থানার আন্ডারে আত্রেয়ীর ঘটনা I সেটা ঘুরে এল আমার থানায় মানে বিধাননগর। আবার সেই সূত্র ধরেই বালিগঞ্জ।

    — আমাদের সেম পেজে থাকতে হবে সায়নবাবু।

    সায়ন একবার অবনীশের দিকে চেয়ে বলল, ‘কৃষ্ণপদ ঘোড়ুইয়ের সঙ্গে আলাপ আছে?’ ফিক করে হেসে ফেলল অবনীশ। বলল, ‘ফোনে একবার কথা হয়েছে। তবে যতটা শুনেছি ওঁর সম্পর্কে আমার সঙ্গে ততটা রুক্ষ হয়ে কথা বলেননি।’

    — কারণ তখন উনি একটা বড়োসড়ো কেস খেয়ে আছেন তাই। মিহির জেল থেকে পালাবার পরেই কথা বলেছেন তো?

    — না না। আত্রেয়ী সেনের ঘটনাটা ঘটার পরেই উনি ফোন করে ওঁর বাড়ির ওপর নজর রাখতে বলেন। আর ওপরমহল থেকেও নির্দেশ ছিল আত্রেয়ী সেনের বাড়িতে কে, কখন ঢুকছে সেটা খবর রাখার। তারপর আমরা যখন বুধুয়ার সঙ্গে কথা বলছি…

    — ধানুয়া।

    সায়ন ফস করে আর-একটা নাম বলে ওঠায় অবনীশের কথা থেমে গেল। বুঝতে পারল নামটা ভুল বলেছে অবনীশ। ‘ও হ্যাঁ, ওই ধানুয়ার সঙ্গে কথা বলছি তখন আবার লালবাজার থেকে ফোন। বলল যে, আত্রেয়ী সেনের বাড়িতে তালা দিয়ে দিতে। তা আমরা ধানুয়াকে ফিট করলাম। ওকে স্ট্রিক্টলি বলা ছিল এই বাড়িতে কেউ এলে যেন তৎক্ষণাৎ খবর দেয়। আত্রেয়ীর বাড়ির চাবিও আমাদের কাছে ছিল।

    — তাহলে তন্ময় কীভাবে…?

    — ওটাই তো ব্যাপার। ধানুয়াকে বলেছে থানা থেকে চাবি পেয়েছে। ডাহা ঢপ দিয়েছে। আসলে ওর কাছেই ডুপ্লিকেট চাবি ছিল।

    — হতেই পারে। আত্রেয়ীর পেয়ারের লোক বলে কথা।

    — হ্যাঁ সেটা হতেই পারে। কিন্তু প্রশ্ন হল, তাহলে মিথ্যে বলবে কেন? বলতেই পারত যে আত্রেয়ী ওকেও এই বাড়ির আর-একটা চাবি দিয়েছে।

    সায়ন নীরবে ঘাড় নাড়ল। অবনীশ বলল, ‘ডাল মে কুছ তো কালা হ্যায়। আবার অত দামি একটা হিরে বসানো প্ল্যাটিনামের হার পাওয়া গেল ওর পকেট থেকে। বোঝাই গেল চুরি করে কেটে পড়ার ধান্দায় ছিল। অন্যদিকে ধানুয়া সময় মতো খবর না দিলে আজ তন্ময়ও খুন হয়ে যেত।

    — কিন্তু কেন? আপনি বিশ্বাস করুন অবনীশবাবু, মিহির সরখেল আমার আত্মীয় বলে বলছি না। যা যা ঘটনা যেমনভাবে একের পর এক ঘটেছে সেটা কোনো সাধারণ মানুষের পক্ষে একা বা দোকা, যেভাবেই হোক করা সম্ভব নয়। ধরে নিলাম মিহির সরখেল সুপারম্যানের মতো লোহার গরাদ ভেঙে বেরিয়ে এসেছে। কিন্তু বিকেলের শেষ দিকে বোলপুর থেকে অতগুলো পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে বেরোল। কৃষ্ণপদর কথা অনুযায়ী সময়টা সন্ধে সাড়ে ছ-টার আশেপাশে। তারপর কীভাবে, কীসে চড়ে রাত এগারোটায় বৃষভানুর বাড়ি পৌঁছে তাকে ওইভাবে খুন করল? একেবারে গলার হাড়গুলো গুঁড়িয়ে চিপসে দিয়ে মেরেছে।

    — কলকাতা থেকে বোলপুর চার সাড়ে চার ঘণ্টাই লাগে সায়নবাবু।

    তক্ষুনি সায়ন বলল, ‘যদি দুর্গাপুর হাই রোডে জ্যাম না থাকে। সেদিনই আমরা বিকেল সাড়ে চারটেয় রওনা দিয়ে রাত প্রায় সাড়ে দশটায় পৌঁছেছি। কারণ দুর্গাপুরে বেশ জ্যাম ছিল। খবর নিয়ে দেখেছি পরে সেই জ্যাম আরও বেড়ে যায়। আর ডট সাড়ে ছ-টার আশেপাশে একমাত্র সন্ধে ছ-টা চুয়াল্লিশে একটাই মাত্র এক্সপ্রেস ট্রেন যেটা রাত দশটা তেইশে হাওড়া ঢোকে। সেদিন সেটা রাত পৌনে এগারোটায় হাওড়া ঢুকেছে। এদিকে হিসেব মতো সেই সময়েই বৃষভানুর খুন হচ্ছে। তার মানে এই যুক্তিটাও খাটে না। মিহির তবে কীসে করে এল? হাওয়ায় ভেসে?

    .

    সায়নের যুক্তিগুলো অবনীশকে বেশ ভাবিয়ে তুলল। অবাক হয়ে বলল, ‘তাহলে?’ এবার বেশ গম্ভীর হয়ে সায়ন বলল, ‘মিহির সরখেলের গায়ে হাতির জোর কোনো কালেই ছিল না অবনীশবাবু। যে সে একটা মানুষকে তুলে ছুড়ে ফেলে দেবে। অথচ আমরা সেটাই স্বচক্ষে দেখেছি। মিহির তার স্ত্রী ও তিন বছরের ছেলেকে প্রাণের চেয়েও বেশি ভালোবাসে। তাই দোতলার বারান্দা থেকে ঝাঁপ দিয়ে সুইসাইড করবে সেটাও রূপকথার গল্পের মতো অসম্ভব।’

    অবনীশ কী বলবে ভেবে পেল না। সায়ন বলল, ‘আত্রেয়ী সেনের বাড়ি কাল সকালে আর-একবার যেতে হবে। খুব ভালো করে দেখতে হবে। আপনিও যদি থাকেন ভালো হয়।’

    — নিশ্চয়ই। সেটা নিয়ে সমস্যা নেই। কিন্তু এই ডাক্তার দুজন কোথায় গেল বলুন তো? সেই কখন তন্ময় আর মিহিরবাবুকে ভরতি করেছি। কী অবস্থা না অবস্থা কিছুই তো ..

    কথা শেষ হবার আগে সায়ন নিজের মধ্যে ডুবে কী যেন একটা ভাবতে ভাবতে বলল, ‘আমাদের এখন অপেক্ষা করা ছাড়া উপায় নেই।’

    — মানে?

    — আত্রেয়ী সেনের যা অবস্থা তাতে তিনি কথা বলার অবস্থায় নেই। এদিকে মিহির আর তন্ময়ও ভীষণভাবে ইনজিয়রড। মিহির আর তন্ময়ের সাক্ষ্য আমাদের ভীষণ জরুরি। ওদের মুখ থেকে কথা না বের করতে পারলে আমরা অথই জলে সাঁতার কেটেই যাব।

    — আর এরাও যদি…

    অবনীশকে থামিয়ে সায়ন বলে উঠল, ‘ওই তো ডক্টর বকশি আর ডক্টর চ্যাটার্জি আসছেন।’

    .

    ড্যাফোডিল সুপার স্পেশ্যালিটি হসপিটালের দুই নামকরা ডাক্তার চিরন্তন বকশি ও বিশাখ চ্যাটার্জি। দুজনের বয়সই পঞ্চাশের কাছাকাছি। চট করে কেউ এঁদের নাগাল পান না। কিন্তু এটা স্পেশ্যাল কেস তাই এঁরাই হাল ধরেছেন। উভয়পক্ষই খানিকটা করে এগিয়ে এল পরস্পরের দিকে। কাউকে প্রশ্ন করতে হল না। বকশি নিজেই বলতে শুরু করলেন, মিহির সরখেলের মাথা ফেটেছে। চেস্টে একটা রিব ভেঙেছে। বাঁ-পায়ের হাড় ডিসলোকেটেড হয়েছে। এগুলো ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু যেটা আমাদের ভাবাচ্ছে সেটা হচ্ছে ওঁর শরীরে ব্লাডের অভাব। রক্তশূন্য ঠিক বলব না। তবে ওইদিকেই গেছে ব্যাপারটা। ওঁর কি ব্লাডের কোনো সমস্যা আছে?’ অবনীশকে উদ্দেশ্য করেই প্রশ্ন করলেন ডক্টর। অবনীশ সায়নের দিকে তাকাতে সে বলল, ‘না ডক্টর, মিহির সরখেলের এরকম কোনোদিনই কোনো অসুখ ছিল না। নেইও।’

    — শিয়োর?

    — হ্যাঁ ডক্টর। আসলে উনি আমার আত্মীয়।

    বকশি একটু থেমেই গেল। পাশেই দাঁড়িয়ে থাকা ডক্টর চ্যাটার্জির মুখের দিকে চাইল। একজন আসামি পুলিশের আত্মীয় এই ব্যাপারটা ঠিক হজম হল না। অবনীশ অবস্থাটা বুঝতে পেরে বলল, ‘ডক্টর বকশি, যেভাবে হোক এই দুজনকে বাঁচাতে হবে।’ বকশি জানাল এখুনি বি-পজিটিভ রক্তের প্রয়োজন। আজ রাতেরটা ওঁরাই ব্যবস্থা করেছেন। চিকিৎসা চলছে। তবে কাল থেকে রক্তের প্রয়োজন। এবার বিশাখ চ্যাটার্জি মুখ খুললেন, ‘শুধু মিহির সরখেলই নয়, তন্ময় হালদারেরও রক্তের প্রয়োজন। প্রচুর ইনজিউরি। অনেক রক্ত বেরিয়ে গেছে। ওঁর এবি পজিটিভ রক্ত। আমরা এখন সামলে নিচ্ছি। কাল থেকে আপনারা প্লিজ দেখুন।’ সায়ন বলল, শিয়োর। আমরা দেখছি।’

    — আচ্ছা ওঁদের বাড়ির লোকদের কী খবর দেওয়া হয়েছে?’

    সায়ন বলল, ‘আমরা ব্যবস্থা করছি। আপনারা যেভাবে হোক ওদের বাঁচিয়ে তুলুন।’

    .

    ভোরের আলো তখন কৈশোর সকালের বয়স ছুঁয়েছে। কিন্তু মৃন্ময়ীর ঘরের ভেতর ঘন তমসার আস্তরণ। জানলায় পেলমেটে ঝুলতে থাকা ভারী পর্দাগুলো টানা। তবু অন্যান্য দিন জানলার কাচ গলে পর্দা ছাপিয়ে সকালের আভাস রাত পেরোনো ঘরটাকে ছুঁয়ে যায়। আজ এক্কেবারে অন্যরকম। বাড়ির মধ্যে অবাস্তব কিছু কাণ্ড ঘটার পর ছেলেকে জড়িয়ে মৃন্ময়ী ঠিক যেভাবে ঘুমিয়েছে এখনও সেভাবেই ঘুমিয়ে আছে। হঠাৎ কলিং বেলটা বাজল। একবার, দু-বার, তিনবার। মৃন্ময়ীর ঘুম ভাঙল না। ছেলেটাও অকাতরে ঘুমোচ্ছে। খানিক বাদে হঠাৎ বিছানার মাথার দিকের জানলায় দুম দুম করে আঘাত। সেখানে দু-তিনবার শব্দ হতেই চমকে ঘুম থেকে জেগে ওঠে মৃন্ময়ী। প্রথমে ভাবল ভুল শুনছে। ছেলেকে বুকের কাছে নিয়ে মাথাটা বালিশ থেকে খানিকটা তুলে চুপ করে রইল। আবার জানলায় টোকা। সঙ্গে ডাক, ‘বউদিইইই, ও বউদিইইই।’ মহিলার গলা। চট করে মৃন্ময়ীর খেয়াল হয় ছেলের আয়া আসবে আজ থেকে। কাল রাতে সায়নের বাড়ি থেকে ফেরার পথেই খবর দিয়েছিল। তার তো সকাল আটটায় আসার কথা। পরক্ষণেই মনে হল, নাহ্! এখন তো আর সে সম্ভাবনাও নেই। খেয়ালই নেই। তাহলে কে এল এত সকালে? গলাটা কিছুটা চেপেই উত্তর দিল ‘আসছিইইই।’ ছেলেকে বুকের কাছ থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে কোনোরকমে বিছানা ছাড়ল মৃন্ময়ী। ঘরের দরজা খুলে ডাইনিঙে গেল। আরও একটা দরজা খুলে বারান্দায় পৌঁছোল। মোটা কাচ-ঢাকা গেটটা খুলতেই হাঁ হয়ে গেল মৃন্ময়ী। ‘এ কী মুনাই! সায়ন তোমরা? কী হয়েছে?’ মুনাই বলল, ‘ভেতরে চলো।’ বুকের ভেতরে একটা গোপন ব্যথা চলকে উঠল মৃন্ময়ীর। ডাইনিঙে এসে সায়ন বলল, ‘গতকাল রাতে দাদাভাইকে ড্যাফোডিলে ভরতি করা হয়েছে।’

    ‘কীইইই? ওকে পেয়েছ তোমরা?’ মিহিরকে পাওয়া গেছে সেটাই যেন মৃন্ময়ীর কাছে অনেকখানি স্বস্তির। দু-হাত জড়ো করে কপালে ঠেকাল। মুনাই সায়নের দিকে তাকাল। সায়ন বলল, ‘পেয়েছি। তবে ইনজিয়োরড অবস্থায়।’ এবার মৃন্ময়ী ধাক্কা খেল। ‘মানে?’ মুনাই বলে উঠল, ‘বউদি, তুমি আর সোনাই এখুনি আমার বাড়ি চলো। এখানে থাকলে হবে না। দাদার রক্ত লাগবে।’ মৃন্ময়ী এবার বেশ গলা চড়িয়েই বলল, ‘তোমরা খুলে বলো না। কী হয়েছে ওর? নার্সিংহোমে কেন?’ বলেই মুখটায় আরও বেশি আতঙ্কের ছায়া টেনে বলল, ‘ও! তোমরা গুলি করেছ না?’

    — কী বলছ বউদি?

    মুনাই বলল। ‘কেউ কিচ্ছু করেনি। ঘটনা অনেক বড়ো। যেতে যেতে বলব। সায়ন সারা রাত হসপিটালে ছিল।’ সায়ন কিছু একটা বলতে যাচ্ছিল তার মাঝেই মৃন্ময়ী অসহায় মুখে বলে ওঠে, ‘ও বেঁচে আছে তো সায়ন? সত্যি করে বলো।’ উফফফ বউদি! এসব কেন ভাবছ? দাদার রক্ত লাগবে। বি পজিটিভ। বেঁচে না থাকলে কেউ রক্ত দেয়?’ একদমে বলে গেল সায়ন। মুনাই ব্যস্ততা দেখিয়ে বলল, ‘আর দেরি কোরো না। চলো। সোনাইকে আমি তুলছি। তুমি যা যা নেবার নিয়ে নাও।’ বলেই ঘরে ঢুকে গেল মুনাই। ঢুকতেই খানিকটা থমকে গেল। ‘বাবা! ঘরটা এত অন্ধকার কেন? জানলার কাচ দিয়ে তো দিব্যি আলো আসত।’ বলে জানলার কাছে গিয়ে ভারী পর্দাটা এক টানে সরিয়ে দিল। এক ঝাঁক আলো ঢুকে মুনাইয়ের মুখ ছুঁয়ে ঘরের মেঝেতে লুটোপুটি খেল। মুনাই পেছন ফিরে খাটের দিকে যেতেই আঁতকে উঠল। ‘ও মা গো! এটা কী?’ সায়ন আর মৃন্ময়ী এগিয়ে এল। ‘কী হয়েছে?’ মৃন্ময়ী জিজ্ঞেস করল। মুনাই আঙুল তুলে শোকেসে টেডি বিয়ারটার দিকে দেখাল। সকালের আবছা আলোয় কালো গর্তের মতো চোখ নিয়ে বসে থাকা টেডিটাকে ভয়ংকর দেখাচ্ছে। সায়ন বলল, এটা তো আমরা দিয়েছিলাম।’ মৃন্ময়ী অবাক হয়ে বলল, ‘কাল মাঝরাতে ছেলেটা হঠাৎ এটা দেখিয়ে পরিত্রাহী কাঁদছিল।’ ‘হ্যাঁ কাঁদারই তো কথা। কী ভয়ানক!’ মুনাই বলল। মৃন্ময়ী বলল, ‘না গো মুনাই, কাল রাতে আমি নিজে আলো জ্বালিয়ে দেখেছি তখন এরকম ছিল না। একদম নরমাল। ও যে কেন কাঁদছিল কিছুই বুঝিনি। কিন্তু এখন দেখছি এটা এইরকম!’ কথাটা শেষ করেই থমকে যায় মৃন্ময়ী। মনে পড়ে কাল রাতে শোবার সময় ঘরে টিউবলাইটটা জ্বালিয়ে ছেলেকে জড়িয়ে শুয়েছিল। কিন্তু সকালে উঠে তো সেটা নেভানো দেখল। আলোটা নেভাল কে?

    .

    সায়ন শোকেসের পাল্লা খুলে টেডিটাকে হাতে নিয়ে উলটে-পালটে দেখে। টেডিটার চোখের কালো গহ্বরদুটোর ওপর চোখ রেখে ভালো করে দেখার চেষ্টা করে। কিন্তু কিছুই বোঝে না। ‘এটাকে এখানে রেখো না। সিঁড়ির ঘরে ডাস্টবিনে রেখে দিয়ে আসছি। তোমরা তাড়াতাড়ি নাও।’ কথাগুলো বলে সায়ন ডাইনিং পেরিয়ে সিঁড়ির নীচের দরজা খুলে টেডিটাকে ছুড়ে ফেলে দিল। তারপর বাইরে থেকে দরজা বন্ধ করে ঘরে ফিরে এল। মুনাই বলল, ‘বউদি পূর্ণিমাদিকে ফোন করে আসতে বারণ করো।’ মুখ চুন করে মৃন্ময়ী বলল, ‘আয়া সেন্টার থেকে ফোন করেছিল, ও আর কাজ করবে না। এই মুহূর্তে কেউ আর খুনির বাড়িতে কাজ করতে চাইছে না।’ মুনাই আর সায়ন একবার একে ওপরের দিকে চেয়ে নিল। হাতের কাছে যা পেল তাই ব্যাগে ভরে বাড়িতে তালা দিয়ে বেরিয়ে পড়ল মৃন্ময়ী।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ৪৭৪ – ডার্টি গেম
    Next Article নীরেন ভাদুড়ি সমগ্র ৩ – সৌভিক চক্রবর্তী
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }