Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মৃত জ্যোৎস্নার রাত্রি – অভিষেক চট্টোপাধ্যায়

    অভিষেক চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প526 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মৃত জ্যোৎস্নার রাত্রি – ১৬

    ষোলো

    আঁচলটা মুখে চাপা দিয়ে ডুকরে কেঁদে ওঠে মৃন্ময়ী। একে তো নার্সিংহোমে ঢোকার সময় প্রায় মুখ আড়াল করে পুলিশ নিয়ে এল। টিভিতে এখন ব্রেকিং নিউজ, ‘অবশেষে পুলিশ গ্রেপ্তার করল মিহির সরখেলকে। যে স্বনামধন্য অভিনেত্রী আত্রেয়ী সেনকে খুনের চেষ্টা করেছে। শুটিং ইউনিটের বৃষভানুকেও মিহিরই খুন করেছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।’ গাড়ি থেকে নেমে যখন ড্যাফোডিলে ঢুকছিল মৃন্ময়ী তখনই ছেঁকে ধরা রিপোর্টাররা চিৎকার করে প্রশ্ন করছিল, ‘আপনি কি বিশ্বাস করেন আপনার স্বামী আত্রেয়ী এবং অন্যান্যদের খুন করেছে?’ মৃন্ময়ীর মনে হচ্ছিল ধরণী দ্বিধা হয়ে যাক। এখন আইসিইউর দরজার কাছে দাঁড়িয়ে মনে হচ্ছে এর চেয়ে বোধহয় মরণও ভালো ছিল। দুজন নার্স বসে আছে। সর্বক্ষণ মনিটরে পিক পিক করে শব্দ হয়ে চলেছে। নাকে নল, পায়ে, বুকে আর মাথায় ব্যান্ডেজ নিয়ে প্রায় অজ্ঞান হয়ে পড়ে আছে মিহির। মৃন্ময়ীর ছাপোষা সাধারণ মধ্যবিত্ত মিহির। যার কাছে তার স্ত্রী আর ছেলেই ছিল একমাত্র শান্তির জগৎ। গাল-ভরতি দাড়ি। চোখের কোলে কালি। রক্তের জোগাড় করা গেছে। এক ঝটকায় ঘর ছেড়ে বেরিয়ে এল মৃন্ময়ী। চেয়ারের কাছে এসে শরীরটা তার ছেড়ে দিল। ধপ করে বসে পড়ল। সায়ন দৌড়ে কাছে এল। হাউ হাউ করে কেঁদে ফেলল মৃন্ময়ী। শব্দ হল না কোনো। সায়ন চুপ করে দাঁড়িয়ে রইল। একজন নার্স কাছে এসে বলল, ‘এত ভেঙে পড়বেন না। উনি কিন্তু ট্রিটমেন্টে রেসপন্স করছেন। এইভাবে চললে আশা করছি ওঁকে তাড়াতাড়ি বাড়ি ফিরিয়ে দিতে পারব।’ বাড়ির ফেরার কথা শুনে সায়নের দিকে চেয়ে মৃন্ময়ী বলল, ‘ও সুস্থ হলেও কি আর বাড়ি ফিরতে পারবে সায়ন?’ কথার সারমর্মটা বুঝতে পেরে নার্স সায়নের দিকে একবার তাকিয়ে ভেতরে চলে গেল। সায়ন মৃন্ময়ীর পাশে বসে শান্ত গলায় বলল, ‘আমি আপ্রাণ চেষ্টা করছি বউদি দাদাভাই যাতে সুস্থ হয়ে বাড়িতে ফিরতে পারে। মুশকিলটা অন্য জায়গায়।’ নাকের ওপর গড়িয়ে পড়া চোখের জলটা মুছে মৃন্ময়ী বলল, ‘কোথায়?’

    — সবাই বুঝতে পারছে একটা সাধারণ মানুষ এমন অস্বাভাবিক কাজ করতে পারে না। অথচ কেউ প্রমাণ পাচ্ছে না। তদন্তে দাদাভাইকেই অপরাধী মনে হচ্ছে। পুলিশ যে চোখের সামনে দেখেছে দাদাভাই ওই তন্ময় হালদারকে মাথার ওপর তুলে দেয়ালে আছড়ে ফেলল।

    কথাটা শুনেই আঁতকে উঠল মৃন্ময়ী। পরক্ষণেই সায়নের হাতটা শক্ত করে ধরে বলে উঠল, ‘তোমরা কেউ বাঁচাতে পারবে না ওকে। প্লিজ কিছু একটা করো সায়ন। নীলাম্বরবাবু কোথায় গেছেন খুঁজে বের করো।’

    — আমি চেষ্টা করেছি বউদি। ওদের প্যারানরমাল সোসাইটিতে আমি খোঁজ নিয়েছি। ওরাও কেউ জানে না। নীলাম্বরবাবুর টিমের ছেলেরা বলল, স্যার মাঝেমাঝেই এইরকম উধাও হয়ে যান। সাধারণত হিমালয়ের দিকেই যান। কিন্তু কাউকে জানিয়ে যান না ঠিক কোথায় যাচ্ছেন।

    সায়নের ফোনটা বেজে ওঠে। একটা আননোন নম্বর দেখে ফোনটা কেটে দিল। ‘চলো এবার ফিরতে হবে। তোমায় নামিয়ে দিয়ে একটু আত্রেয়ী সেনের বাড়িতে ঢু মারব।’ কথাটা শেষ হতেই ফোনটা আবার ভাইব্রেট করে উঠল। একটু বিরক্ত হয়েই ফোনটা ধরল সায়ন, ‘হ্যালো হ্যাঁ বলছি। ও আচ্ছা বলুন… হুম…!… হুম! দেখুন কেসটা কিন্তু সলভ হয়নি ম্যাডাম। অথচ আপনার কথা শুনে বুঝতে পারছি মিহির সরখেলের বিরুদ্ধে আপনারা কোনো বড়ো স্টেপ নিতে চলেছেন। আমরা কি আপনাদের জানিয়েছি যে মিহির সরখেল দোষী?… তাহলে? উইদাউট এনি ইনফরমেশন আপনারা একটা লোককে স্যাক করতে পারেন না।’ কথাটা মুখ ফসকে বলেই মৃন্ময়ীর দিকে চোখ পড়ে। মৃন্ময়ী ভাষাহীন চোখে চেয়ে থাকে সায়নের দিকে। তারপর মুখ ঘুরিয়ে নেয়। মনে মনে ভাবে এই সর্বনাশটা হওয়াই বাকি ছিল। সায়ন বলে চলেছে, ‘আচ্ছা একটা কথা বলুন, আপনারা এই শহরের একটা নামকরা চ্যানেল। আপনাদের অফিসের একটা লোক চ্যানেলেরই একটা কাজ করতে গিয়ে মারাত্মক বিপদে পড়েছে। এতে আপনারা ঠিক কী ইনিশিয়েটিভ নিয়েছেন? আদৌ কি কোনো ইনিশিয়েটিভ নিয়েছেন লোকটাকে বাঁচাবার জন্য?… সরি ম্যাডাম! একটু ভুল করছেন। তদন্তটা আমরা করছি। আপনারা নন। নিউজ চ্যানেলের খবর শুনে একটা লোকের চাকরি খাবার কথা ভেবে ফেলছেন।… না না বলেননি ঠিকই। কিন্তু আপনার যা কথার ধরন দেখছি তাতে সেটাই মনে হচ্ছে। শুনুন ম্যাডাম, হাজার রকমের মানুষ চড়িয়ে আমরা খাই তো তাই কে কী ভেবে বলছে আমরা সব বুঝি। অবাক হচ্ছি আপনাদের রেসপন্সিবিলিটি দেখে।… লিসন লিসন ম্যাডাম, একটা কথা ভালো করে শুনে রাখুন, অপরাধ প্রমাণ হওয়ার আগেই যদি মিহির সরখেলের কোনো ক্ষতি হয় চাকরিক্ষেত্রে তাহলে আমরা কিন্তু আইনি-ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হব।… ম্যাডাম প্লিজ, আমাকে কিছু বোঝাবেন না। আপনাদের কীসব জিআরপি, টিআরপি আছে না? সে সবের নিরিখে এখন তো আপনারা চার নম্বর। তাই তো?’ একটু তাচ্ছিল্যের হাসি ফুটে ওঠে সায়নের ঠোঁটে। তারপর বলে, ‘কেন বলুন তো আপনারা চার নম্বর? কারণ আপনাদের কোনো দায়িত্বজ্ঞানই নেই। এতক্ষণ আমার সঙ্গে কথা বললেন অথচ একবারও জিজ্ঞেস করলেন না মিহির সরখেল কেমন আছেন? যে কিনা আপনাদের এমপ্লয়ি।… ম্যাডাম আপনি রাখুন এবার। আমার যা বলার স্পষ্টভাবে বলেছি। এখন আমাদের কাজ আছে। নার্সিংহোমে দাঁড়িয়ে এত কথা বলা যায় না। রাখলাম।’ বলেই কান থেকে মোবাইলটা নামিয়ে নিল সায়ন। মৃন্ময়ী একটা পাথর মূর্তির মতো চুপ করে বসে আছে। উলটোদিকের দেয়ালে চোখের মণিদুটো আটকে আছে। সায়ন এসে দাঁড়াল পাশে। কথা বলতে বলতে খানিকটা এগিয়ে গিয়েছিল। বলল, ‘চ্যানেলের এইচআর ফোন করেছিল। আচ্ছা করে ধুনে দিয়েছি। কিচ্ছু ভেবো না। দাদাভাইয়ের চাকরি এই মুহূর্তে কেউ খেতে পারবে না।’ মৃন্ময়ী তাকাল সায়নের দিকে। দুটো চোখের তারায় তার যেন মহাশূন্যের ছবি ফুটে উঠল।

    .

    সায়ন নার্সিংহোমের রিসেপশনের সামনে আসতেই রিসেপশনিস্ট মেয়েটি বলল, ‘স্যার, এখুনি একজন এসে তন্ময়বাবুর খোঁজ করছিলেন।’ সায়ন জিজ্ঞেস করল, ‘বাড়ির লোক?’ মেয়েটি ঘাড় নাড়ল। বলল, ‘না সেরকম তো কিছু বললেন না। ম্যাডাম জিজ্ঞেস করলেন…’

    — ম্যাডাম!

    সায়ন আর সূর্য দুজনেই অবাক। মেয়েটি জানাল, ‘হ্যাঁ স্যার। জিজ্ঞেস করলেন তন্ময়বাবুর অবস্থা কীরকম? উনি বাঁচবেন তো? তা আমি বললাম সেটা তো এক্ষুনি বলা যাচ্ছে না? ট্রিটমেন্ট চলছে। জিজ্ঞেস করলাম আপনি কে হন। তার উত্তরে শুধু একটা থ্যাংক ইউ দিয়ে চলে গেলেন।’ সূর্য দ্রুত প্রশ্ন করল, ‘কখন এসেছিলেন উনি? আগে কেন জানাননি আমাদের?’ মেয়েটি একটু ঘাবড়ে গিয়ে বলল, ‘উনি তো এই জাস্ট বেরোলেন।’ সায়ন এক মুহূর্ত বিলম্ব না করে মৃন্ময়ীকে রিসেপশনেই অপেক্ষা করতে বলে মেয়েটিকে বলল, ‘চলুন আমাদের সঙ্গে। কী পরেছিল?’ মেয়েটি তড়িঘড়ি রিসেপশনের ডেস্ক থেকে বেরোতে বেরোতে বলে, ‘নীল রঙের চুড়িদার।

    — চলুন ফাস্ট।

    নার্সিংহোম ভরতি লোক। ওয়েটিং করিডরে যে সেই মহিলা অপেক্ষা করবে না সে ভালোই বুঝেছিল সায়ন আর সূর্য। তাই সেখানে খোঁজ না করে সোজা বাইরে। খানিক দাঁড়িয়ে এপাশ-ওপাশ ভালো করে দেখল। সামনেই রাস্তা। গাড়ি যাচ্ছে। অটো এসে থামছে। এর মধ্যেই রিসেপশনিস্ট মেয়েটি বলল, ‘ওই তো স্যার। ওই মেয়েটি।’ রাস্তার উলটো ফুটে একটি মেয়ে নীল চুড়িদার পরেই হেঁটে যাচ্ছিল। সায়ন আর সূর্য সেই দিকেই ধেয়ে যায়। সঙ্গে দুজন মহিলা পুলিশ। পেছন থেকে দেখে বোঝা যাচ্ছে সাদা ওড়না দিয়ে মাথা থেকে মুখ আপাদমস্তক মোড়া। পুলিশের দল রাস্তা পার করে উলটো ফুটপাথে যেতেই নীল চুড়িদার পরা মেয়েটির হাঁটার গতি বেশ বেড়ে যায়। সায়ন আর সূর্যও তাদের লোকজনকে ঠেলে দিয়ে দ্রুত এগোতে থাকে। দূরের মেয়েটি টুক করে পাশের গলিতে ঢুকে পড়ে। সায়ন গলা তুলে বলে, ‘সূর্য ফাস্ট। ও বুঝতে পেরেছে আমরা ওকে ফলো করছি।’ ফুটপাথ দিয়ে এরাও এঁকেবেঁকে ছুটতে থাকে। গলিতে ঢুকতেই সামনে পর্যন্ত শুনশান। দূরে দু-একটা লোকের হাঁটা চলা। রাস্তার পাশে একটা ভাঙা গাড়ি। সায়ন গাড়িটার মধ্যে মুখ ঢুকিয়ে ভালো করে দেখে। রাস্তার পাশে বেশ কিছু বাড়ির বারান্দা। কয়েকটা দোকানে লোক বসেছিল। তাদের জিজ্ঞেস করাতে সবারই এক উত্তর, কেউ নীল চুড়িদার পরা মেয়েকে দেখেনি। আজব তো। দিনেদুপুরে একটা মেয়ে চোখের সামনে দিয়ে উধাও হয়ে গেল? আশেপাশে প্রায় ঘণ্টাখানেক তন্নতন্ন করে খুঁজেও নীল চুড়িদারের দেখা মিলল না। সায়ন হুকুম করল, ‘সূর্য, ইমিডিয়েট তন্ময়ের কল লিস্ট চেক করো।’

    — অলরেডি সেটা চলছে স্যার।

    — পারলে কল রেকর্ডিং যদি জোগাড় করা যায় দ্যাখো।

    — ওকে স্যার।

    — তন্ময় তো বিবাহিত নয়। যতদূর জানি। কলকাতায় একা থাকে। মেদিনীপুরে বাড়ি। তাহলে এই মহিলাটি কে? তন্ময়ের বাড়িও সার্চ করতে হবে।

    — আত্রেয়ী সেনের বাড়ি সার্চ করে আমরা বেরিয়ে যাব তন্ময়ের বাড়ির দিকে।

    — না সূর্য। আগে তন্ময়ের বাড়ি। এই মেয়েটি এমন একজন মেয়ে যে কিনা তন্ময় বাঁচবে কিনা সে নিয়ে ভীষণ কনসার্ন। আগে নার্সিংহোমে চলো। সিসিটিভি ফুটেজ চেক করতে হবে।

    .

    সিসিটিভি ফুটেজ দেখেও মুখটা বোঝা গেল না মেয়েটির। ভালোভাবেই নিজেকে আড়াল করে এসেছিল সে। ভ্রূ দুটো কুঁচকে সূর্য প্রশ্ন করল, ‘স্যার, কেউ কারওর খবর তো নিতেই পারে। সেখানে তো কোনো অন্যায় নেই। তাহলে নিজেকে এইভাবে আড়াল করল কেন মেয়েটি?’

    — ডাল মে কুছ কালা না থাকলে আর কেন আড়াল করবে?

    সায়ন নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে দেয় তন্ময় এবং মিহিরের কেউ খোঁজ করলে তৎক্ষণাৎ যেন থানায় জানানো হয়। মোতায়েন করা পুলিশবাহিনীকেও একই নির্দেশ দেওয়া হয়।

    .

    পুলিশের একটা অন্য গাড়ি করে মৃন্ময়ীকে বাড়ি পাঠিয়ে সূর্যকে সঙ্গে নিয়ে বেরিয়ে পড়ে সায়ন। গন্তব্য তন্ময় হালদারের বাড়ি। মুকুন্দপুরের ভেতরে হাইরাইজ সিটিতে পুলিশের গাড়ি এসে থামে। ফোর্থ ফ্লোরে তন্ময়ের ফ্ল্যাট। তালা ভাঙতে হয়নি সায়নদের। তন্ময়ের জিনসের পকেট থেকে পাওয়া পার্সেই ফ্ল্যাটের চাবি ছিল। সেটা দিয়ে অনায়াসেই ফ্ল্যাটের দরজা খুলে অন্দরে। ডাইনিঙের গ্লাস-উইন্ডো দিয়ে বেশ ভালোই আলো আসছিল। দরজা দিয়ে ঢুকেই বসার ঘরটা এক ঝলকে ভালো করেই দেখে নেওয়া যায়। পরিপাটি করে সাজানো সোফাসেট। আর-একটু ভেতরে যেতে টেবিল। তার ওপর ফাঁকা গ্লাস আর মদের বোতল রাখা। গ্লাস দেখেই বোঝা যাচ্ছে মদ খেয়ে গ্লাসটা ধোয়াও হয়নি। দেয়ালে তন্ময়ের একটা শুটিঙের ছবি। বড়োসড়ো ক্যামেরা নিয়ে বেশ কেতা মেরে ছবিটা তোলা। সায়ন সেই ছবিটা একটু নাড়িয়ে-চাড়িয়ে দেখল। ছবিটা সরিয়ে ভালো করে সেই দেয়ালটা পরখ করল। সন্দেহের কিছুই পেল না। ঘরে বাকি জায়গাগুলো সূর্য দেখতে থাকে। মাটিতে শুয়ে সোফার নীচে চোখ চালিয়ে দেয়। আরও দুজন পুলিশ কনস্টেবল ঘরের ভেতর, রান্নাঘর ভালো করে দেখে। বেডরুমে ঢুকে গেল সায়ন আর সূর্য। চাদর তোশক তুলে, খাটের নীচে দেখতে থাকল। কয়েকটা ক্যামেরার স্ট্যান্ড, একটা কাপড় মোড়া ডিএসএলআর ক্যামেরা ছাড়া আর কিছু পেল না। সূর্য বলল, ‘স্যার, এই তন্ময় ভিডিয়ো ছেড়ে মাঝেমধ্যে স্টিল ছবিও তোলেন। দামি ডিএসএলআর।’ সায়ন অন্য কিছু একটা চেক করতে করতে বলল, ‘ছবি তুলতেন। এখন আর তোলেন না।’

    — কী করে বুঝলেন স্যার?

    খাটের পাশে হাঁটু গেড়ে বসে থাকা সূর্যের দিকে তাকিয়ে সায়ন বলে, ‘এখনও স্টিল তুললে ক্যামেরাটা কাপড়মোড়া অবস্থায় খাটের নীচে থাকত না।

    — সে তো এই স্ট্যান্ডগুলোও খাটের নীচে।

    — স্ট্যান্ড আর ক্যামেরা এক হল না সূর্য। যারা ছবি তোলে ক্যামেরার প্রতি তাদের একটা আলাদাই প্রেম থাকে। শোকেসের দিকে তাকাও, দ্যাখো ভিডিয়ো ক্যামেরাটা কীরকম যত্ন করে রাখা। কারণ তন্ময় ওটা ইউজ করে। কিন্তু স্টিল ক্যামেরার আর প্রয়োজন পড়ে না এখন। তাই ব্যাটাকে খাটের তলায় পাঠিয়ে দিয়েছে।

    .

    শোকেসে সাজানো নানা ধরনের চার-পাঁচরকমের লেন্স। সঙ্গে ক্রিস্টালের শো পিস। বাকি রইল বড়ো উডেন ফার্নিশের আলমারি। কিন্তু সেটার চাবি কোথায়? সারা বাড়ি তো তন্নতন্ন করে খোঁজা হল। কোথাও তো চাবির একটা রিঙের সন্ধানও মেলেনি। সূর্য বলল, ‘তন্ময় নিশ্চয়ই আলমারির চাবি সঙ্গে নিয়ে ঘুরবে না! যদি ঘোরে তাহলে আত্রেয়ী সেনের বাড়িতে কোথাও পড়ে যেতে পারে।’ চোখগুলো ছোটো করে তীক্ষ্ণ নজরে চারদিক দেখতে দেখতে সায়ন বলল, ‘সেটা হওয়ার সম্ভাবনা দুই কি তিন শতাংশ। চাবি এখানেই কোথাও আছে।’ সায়ন আলমারির গায়ে লাগানো হাতল ধরে দু-বার টান দিল। পাল্লা খুলল না। ‘ভেঙে ফেলি স্যার?’ সূর্য বলল। সায়ন ঠোঁট উলটে বলল, ‘এত সুন্দর একটা আলমারি ভেঙে ফেলব!’ বলেই সূর্যের দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসল। মুহূর্তে কিছু একটা দেখে সায়নের মুখ থেকে হাসি মিলিয়ে গেল। সূর্য ঠিক শোকেসটার পাশেই দাঁড়িয়ে ছিল। সায়ন এগিয়ে গেল। কাচের পাল্লাটা সরিয়ে খুব সন্তর্পণে একটা বড়ো লেন্স বের করল। সূর্য বেশ অবাক। সায়ন লেন্সটাকে দু-বার ঝাঁকাতেই তার মধ্যে থেকে ঝনঝন করে ভারী শব্দ বেরিয়ে এল। ঠিক চাবির ঝনঝনানি যেমন হয় তেমন। সায়ন ঠোঁট বেঁকিয়ে হাসল। লেন্সের মাথার দিকটা ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে খুলে ফেলল। তারপর হাত ঢুকিয়ে একটা চাবির গোছা বের করে আনল। বাপ রে বাপ! এ তো মহা ধুরন্ধর মাল!’ সূর্যের কথা শুনে সায়ন বলল, ‘নইলে আত্রেয়ী সেনকে চড়িয়ে খেতে পারে?’

    — আপনি বুঝলেন কী করে স্যার? আমি তো লেন্সই ভেবেছিলাম।

    — ভালো করে লক্ষ করো। তুমি নিজেই লেন্সের সঙ্গে এর পার্থক্য বুঝতে পারবে। লেন্সের মুখ যেদিকে হয় সেদিকটা সরু হয় আর উলটোদিকটা মোটা। কারণ উলটোদিকটা ক্যামেরার বড়ির সঙ্গে লাগানো হয়। প্রতিটা লেন্সের সরুদিকটা ওপর দিকে করে রাখা আছে আর মোটা দিকটা নীচে। এতে লেন্সে চাপ পড়বে না। একমাত্র এই লেন্সটারই সরু দিকটা নীচে আর মোটা দিকটা ওপরে। কারণ এটা একটা কফি মাগ। তাই চাপ পড়ার কোনো কারণ নেই। মোটা দিকটা ঠোঁটে ঠেকিয়ে কফিতে চুমুক দেওয়া হয়। এবার চলো আলমারি অভিযানে নেমে পড়া যাক।

    — ইয়েস স্যার।

    সূর্য হাসল।

    .

    আলমারি খুলতেই বেশ কিছু জামাকাপড় হুড়মুড় করে সায়নের গায়ে এসে পড়ল। ‘বোঝা যাচ্ছে ব্যাচেলারের ঘর।’ সূর্য বেশ ভাবুক চোখে চেয়ে বলল, ‘অনেকটা আমার আলমারির মতো।’ এবার সায়ন হেসে ফেলল। একে একে জামাকাপড়গুলো বিছানায় ছুড়ে ফেলতে থাকে। খানিকবাদেই একটি বস্ত্র হাতে তুলে একটু থমকে গেল সায়ন। দুটো আঙুলের ডগায় ধরে সেটিকে সূর্য ও কনস্টেবলদের সামনে মেলে ধরে। একটি ব্রা। সায়ন বলল, ‘তোমার আলমারিতেও বুঝি এসব থাকে সূর্য!’ সূর্য বেচারা ভাবতেও পারেনি তার কথাটা এইভাবে গোলাবারুদের মতো তার দিকে বাউন্স ব্যাক করবে। জিভ কেটে দু-পাশে মাথা ঝাঁকালো বেচারা। সায়ন বলে উঠল, আত্রেয়ী সেন এখানেও আসতেন।’ কথাটা শুনে সূর্যের ভ্রূটা একটু কুঁচকে যায়। সে ব্রাটা নিজে হাতে ধরে বলে, ‘আত্রেয়ী সেন!’ সূর্যের গলায় একটু সন্দেহের আঁচ পেয়ে সায়ন বলে, ‘এতে অবাক হবার কী আছে সূর্য! তন্ময়বাবু যে আত্রেয়ী সেনের বর্তমান পার্টনার সে তো দুনিয়ার লোক জানে।’

    — না স্যার, সে তো আমিও জানি। কিন্তু এটা সম্ভবত আত্রেয়ী সেনের নয়। সায়ন রীতিমতো চোখ পাকিয়ে সূর্যের দিকে তাকায়, ‘কেন বলো তো?’

    — আত্রেয়ী সেনের মতো হাই প্রোফাইল মহিলা এই সাধারণ ব্র্যান্ডের ইনার গারমেন্টস ইউজ করবেন কি?’

    চোখে-মুখে বেশ একটা রসালো ভাব এনে সায়ন বলল, ‘আরিত্তারা! এটা সাধারণ ব্র্যান্ড বুঝি?’

    — ইয়েস স্যার। হাই প্রোফাইল মহিলারা ট্রাইয়াম্ফ বা এই জাতীয় কিছু…

    সায়নের চোখে সূর্যের চোখ পড়াতে কথাটা শেষ হয় না। পাশের কনস্টেবলগুলো মুচকি মুচকি হাসছে। সায়নের তিরছি নজর যে সূর্যের গভীরে ঢুকে আরও অনেক কিছু পড়ে ফেলছে সে ভালো করেই বুঝল। ‘না মানে স্যার, ওই…

    — বিয়েটা কী গান্ধর্ব মতে হয়েছে ভায়া? তা নামটা কী?

    সূর্য ঢক করে মুণ্ডুটা নামিয়ে ঝরঝর করে চারবার ঝাঁকিয়ে নেয়। সায়ন গলায় রহস্য এনে বলে, ‘হুমম! এর পরের সার্চটা তোমার বাড়িতে করতে হবে দেখছি।’ সূর্য হেসে ফেলে। লজ্জায় গালদুটোয় লালচে আভা ফুটে ওঠে। সায়ন এবার আলমারির মধ্যে থেকে একটা প্যান্টি বের করে আনে। এবার সূর্যের মুখে কুলুপ দেখে সায়ন নিজেই বলে, ‘এটাও কী সাধারণ?’ বলেই প্যান্টিটা সূর্যের হাতে ধরিয়ে দেয়। সূর্য বলে, ‘হ্যাঁ স্যার। দুটো একই কোম্পানি।’ ঠাট্টা করে সায়ন বলে, ‘কী অভিজ্ঞ কমেন্ট!’ সূর্য এবার পালাতে পারলে বাঁচে। ‘নির্মলবাবু, এগুলো যত্ন করে ব্যাগে ভরুন’, সায়ন গলা তুলে কনস্টেবলকে নির্দেশ দেয়। তারপর নিজের মনে বিড়বিড় করে বলে, ‘তার মানে তন্ময় হালদারের জীবনে আত্রেয়ী সেন ছাড়াও অন্য নারীর আনাগোনা আছে।’

    — শুধু আনাগোনাই নয় স্যার, যথেষ্ট গভীর যাওয়া-আসা। হয়তো ওই নীল চুড়িদার!

    সায়ন মাথা নাড়ল। আলমারির মধ্যেই বেশ খানিকটা ভেতরে ছোট্ট একটা বাক্স খুঁজে পায়। যার মধ্যে ক্যামেরার বেশ কয়েকটা মেমরি কার্ড পাওয়া যায়। সেগুলোকে সূর্যের হাতে দিয়ে আলমারিটা আরও ভালো করে দেখে। একদম নীচের তাকে একটা ছিদ্র চোখে পড়ে। চোখটাকে ছিদ্রের কাছে নিয়ে যেতেই সায়নের মনে হয় ওটা একটা চাবি ঢোকাবার জায়গা। তার মানে এই আলমারির গোপন সিন্দুক ওটাই। সদ্য খুঁজে পাওয়া চাবিগুলো দিয়ে খোলবার চেষ্টা করতে থাকে। একটি ছোটো চাবি গর্তটার খাপে বসে অনায়াসেই ঘুরে যায়। সূর্য বলে, ‘স্যার সরুন আমি দেখছি।’ সায়ন বলে, ‘না আমি ডালাটা তুলছি তুমি বরং এর ভেতরে যা যা আছে বের করো।’ সায়নের নির্দেশ মতো কাজ হয়। কয়েক বান্ডিল টাকা বেরিয়ে আসে আর বেশ কতগুলো ফাইল। টাকাগুলো নেড়েচেড়ে যথাস্থানে রেখে দেয়। ফাইলগুলো খুঁটিয়ে দেখতে থাকে সায়ন আর সূর্য। দু-তিনটে ফাইলের পর সায়নের হাত থেমে যায় গোলাপি রঙের একটি বিশেষ ফাইলে। সূর্য, এ তো সাংঘাতিক ব্যাপার!’

    — কী হয়েছে স্যার?

    একটা কাগজ সূর্যের দিকে বাড়িয়ে দেয় সায়ন। সূর্য সেটা দেখতে থাকে। কাচের জানলা দিয়ে আসা দিনের আলোয় সায়ন তুলে ধরে ফাইলের মধ্যে থাকা আরও কিছু কাগজ। দেখে সায়নের চোখ কপালে ওঠে। কেসের জট যত খুলতে যাচ্ছে, ততই সেটা যেন প্রকাণ্ড এক অজগরের প্যাচে জড়িয়ে ফেলছে সায়নকে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ৪৭৪ – ডার্টি গেম
    Next Article নীরেন ভাদুড়ি সমগ্র ৩ – সৌভিক চক্রবর্তী
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }