Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মৃত জ্যোৎস্নার রাত্রি – অভিষেক চট্টোপাধ্যায়

    অভিষেক চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প526 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মৃত জ্যোৎস্নার রাত্রি – ১৮

    আঠারো

    শরীরটা আর চলছে না। শুধুমাত্র মনের জোরে শরীরটাকে টেনে নিয়ে চলেছে সারাদিন ধরে। কতবার ভেবেছে, কিছুতেই যাবে না নার্সিংহোমে। গেলে বিপদের আশঙ্কা নব্বই শতাংশ। তবু নিজেকে ঘরের মধ্যে ধরে রাখতে পারেনি। সর্বনাশের বিশ বাঁও জলে ফেলে দিয়ে সে পালিয়ে গেল কিনা জানাটা ভীষণ জরুরি ছিল। কিন্তু এইটুকু সময়ের মধ্যে যে পুলিশ তার পিছু নেবে তা ভাবতেও পারেনি। ওরা মুখটা কী দেখে ফেলেছিল? দেখার তো কথা নয় কোনোভাবেই। যারা পাহারা দিচ্ছিল তারা কি নার্সিংহোমের অতগুলো মুখের মধ্যে একটা বিশেষ মুখ মনে রাখতে পারবে? কি জানি? ভাগ্যিস রাস্তার মোড় ঘুরতেই হলুদ ট্যাক্সিটা পেয়ে গেছিল। নইলে কীভাবে পুলিশের হাত থেকে নিজেকে বাঁচাত বন্দনা নিজেও জানে না। তারপর ওখান থেকে শ্রীতমার বাড়ি ঘুরে সময় কাটিয়ে ইচ্ছে করেই সন্ধে করে ঘরে ফিরছে সে। সন্ধের অন্ধকারে নিজেকে আড়াল করাটা বেশ সহজ। রাস্তায় যদি পুলিশ ধরেও তাহলেও থানায় নিয়ে যেতে পারবে না। যদিও সে সম্ভাবনা প্রায় নেই। যারা বন্দনার মুখটাই দেখেনি তারা কী করে বাড়ি চিনে আসবে? সাদা ওড়নায় মুখটা অনেকটা ঢেকেই আবাসনের গেট দিয়ে ঢুকে লিফটের বোতামটা টিপে দিল। কালিকাপুরের কাছে ছোট্ট জায়গা সাপুইপাড়া। সেখানেই চারতলার সাধারণ একটা ফ্ল্যাট। সবসময় গেটে পাহারাদারও থাকে না। গা-টা বেশ গুলোচ্ছে। সঙ্গে জলও নেই। খিদে পেলেও গা গুলোয় বন্দনার। এবার ঘরে ঢুকে খেয়ে, স্নান করে সোজা ঘুম দেবে। কিন্তু চোখে কী আদৌ ঘুম আসবে তার?

    তিনতলায় উঠে ফ্ল্যাটের দরজায় দু-বার বেল দিতেই দরজা খুলে গেল। বয়স্কা মহিলা দরজা খুললেন। ‘কোথায় ছিলিস সারাদিন? ওঁরা সেই কখন থেকে বসে আছেন!’

    — কারা?

    হাতে ধরা রুমালে মুখের ঘাম মুছুতে মুছতে একটু থমকে গেল বন্দনা। বয়স্কা মানুষটা মুখের সামনে থেকে সরে যেতেই দেখল ডাইনিঙে বসে আছে দুজন মহিলা এবং দুজন পুরুষ পুলিশ অফিসার। পাথরের মূর্তির মতো দাঁড়িয়ে রইল বন্দনা। সায়ন আর সূর্য সোফা ছেড়ে উঠে দাঁড়াল। বন্দনা বয়স্কা মানুষটার দিকে তাকাতেই বুঝল তার চোখদুটোয় অজস্র প্রশ্ন। খানিকটা না-জানার ভান করেই বলল, ‘কী-কী ব্যাপার! আপনারা?’

    — আপনিই বন্দনা দত্ত তো?

    — হ্যাঁ। ব্যাপারটা কী?

    সায়ন নিজের সঙ্গে বাকি সকলের পরিচয় করিয়ে দিয়ে বলল, ‘একটু আলাদা কথা বলতে চাই আপনার সঙ্গে।’ বন্দনা বয়স্কা মানুষটার দিকে তাকিয়ে বলল, ‘তুমি একটু ভেতরে যাও মা।’ ষাটোর্ধ্ব মহিলাটি মেয়ের দিকে জুলজুল করে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করল, ‘কী হয়েছে রে বাণী? কোনো বিপদে পড়েছিস?’

    — না মা আমি কিছুই জানি না। কথা বলি আমরা। তুমি চিন্তা কোরো না। ঘরে যাও।

    বন্দনার মা সায়নদের দিকে তাকিয়ে ভেতরে চলে যায়। ঘরের দরজা বন্ধ করে দেয়। সকলেই যে যার আসন গ্রহণ করে। বন্দনা বেশ বিরক্তি নিয়েই বলে, কী হয়েছে বলুন তো? এইভাবে দলবল নিয়ে বাড়ি বয়ে এসেছেন।’ সায়ন বলল, ‘ও মা! রাস্তায় অত করে ডাকলাম। সাড়া দিলেন না। মানে শুনতে পেয়েও শুনতে পেলেন না। হঠাৎ করে দৌড়োতে শুরু করলেন।’

    — এক মিনিট মিস্টার…

    — সায়ন মল্লিক।

    — হুম। আমাকে ডেকেছেন মানে? কোথায় ডেকেছেন?

    — ওই যে ড্যাফোডিল হসপিটালের সামনে। তন্ময়বাবুর খবর নিতে গিয়েছিলেন তো?

    একটু ইতস্তত করে বন্দনা বলল, ‘কে বলল? আমি ওখানে গিয়েছিলাম! কোনো প্রমাণ আছে আপনাদের কাছে?’

    — যাক। তন্ময়বাবুকে যে চেনেন সেটা যে অস্বীকার করেননি এই ভালো।

    বন্দনা থমকে গেল। স্মার্ট হতে গিয়ে প্রথম চোটে একটু পিছলেই গেল। তা-ও নিজেকে সামলে বলল, ‘আমি অনেক তন্ময়কে চিনি। আপনি কোন তন্ময়ের কথা বলছেন?’ সূর্য মুখ কুঁচকিয়ে বলল, ‘স্যার ইনি কিন্তু বেকার ফুটেজ খাচ্ছেন।’ সায়ন বলল, ‘আহাহাহা! অভিনেত্রীর সঙ্গে এত বছর ওঠাবসা করেছেন একটু তো ফুটেজ খাবেনই। ধৈর্য হারালে চলবে?’ সায়ন আড়চোখে বন্দনার হাতের দিকে তাকায়। দুটো হাত কচলেই চলেছে। শান্তস্বরে সায়ন বলে, ‘বন্দনা দেবী, আত্রেয়ী সেনের বিশেষ ঘনিষ্ঠ ক্যামেরাম্যান, ইন্ড্রাস্ট্রির ভাষায় যাকে ডিওপি বলে আমরা সেই তন্ময় হালদারের কথা বলছি। আশা করি এবার বুঝেছেন।’ বন্দনা ভাঙবে তবু মচকাবে না। একটুও না ভেবে বলে বসে, ‘ওখানে যে আমিই গেছিলাম তার কী প্রমাণ আছে আপনাদের কাছে? আপনাদের মধ্যে কেউ কি দেখেছেন আমাকে?’

    — বাবা! আপনি তো দেখছি প্রমাণ ছাড়া এক পা-ও চলেন না! বেশ বেশ! তাহলে বলি শুনুন ..

    বন্দনা একটু সোজা হয়ে বসল। সায়ন ঠিক কী বলতে চলেছে? পুলিশের কাছে কী প্রমাণ আছে যে ওটা বন্দনাই ছিল! সায়ন বন্দনার চোখের দিকে খানিক চেয়ে থেকে বলল, ‘কাল আপনাকে একবার বিধাননগর থানায় আসতে হবে।’

    নে?

    — হ্যাঁ। সকাল এগারোটার মধ্যে বিধাননগর থানা। যদিও আপনি থাকেন কালিকাপুরে। তবুও আপনাকে বিধাননগর থানাতেই আসতে হবে।

    — ইনস্পেক্টর, আমার মনে হয় আপনারা আপনাদের সীমা লঙ্ঘন করছেন।

    কড়া গলায় বলা বন্দনার অপমান দাঁতে দাঁত চিপে হজম করল সায়ন। এক মহিলা পুলিশ তড়পে উঠলে সায়ন তাকে থামিয়ে দেয়। গলা নামিয়ে সায়ন বলে, ‘মিস বন্দনা দত্ত! আত্রেয়ী সেনকে খুন করার চেষ্টা, তন্ময় হালদারকে মারার চেষ্টা। পুলিশের সন্দেহ, এই দুটো ঘটনার সঙ্গে আপনার জড়িয়ে থাকাটা স্বাভাবিক আমাদের হাতে অনেক প্রমাণ এসেছে বলেই এই কথা বলছি। সঙ্গে আপনি তো দীর্ঘ আট বছর আত্রেয়ী সেনের পিএ ছিলেন। তাই এই সম্পূর্ণ ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আপনাকে থানায় আসতে বলা হচ্ছে। বাড়িতে এটা বলা সম্ভব নয়। কারণ ঘরের দরজায় আপনার বয়স্কা মা কান পেতে দাঁড়িয়ে আছেন।

    .

    বলার সঙ্গে সঙ্গেই বন্দনা ঘাড় ঘুরিয়ে ঘরের দিকে তাকায়। সঙ্গে সূর্য এবং দুজন মহিলা পুলিশও খেয়াল করে যে ব্যাপারটা সত্যি। দরজার দিকে সকলের সতর্ক হয়ে তাকানো এবং হঠাৎ চুপ করে যাওয়ায় বন্দনার মা দরজার পাশ থেকে সরে যান। সায়ন বন্দনার দিকে মুখ এগিয়ে এনে খুব নীচু স্বরে বলে, ‘আশা করি আপনার জীবনে এখন কী ঘটে চলেছে সেটা সম্পর্কে আপনার মা যথেষ্ট ওয়াকিবহাল নন। এই বয়সে কোনো বড়ো আঘাত উনি পান সেটা আমরাও চাই না। তাই আপনাকে থানায় আসতে বলা।’

    বন্দনার মনে হল সহস্র তির যেন তার দিকে ধেয়ে এসে এক আঙুল দূরত্বে থেমে গেল। পুলিশ ঠিক কতটা জানে কিছুতেই বুঝে উঠতে পারছে না বন্দনা। অবশ্য এর পরেই সায়ন যে কথা বলল, তাতে বন্দনার বুকের ভেতরের পাখিটা এক্কেবারে স্তব্ধ হয়ে গেল। সায়ন বলল, ‘আর হ্যাঁ, এই মুহূর্তে যদি আপনি কোনো মেডিসিন নিয়ে থাকেন তাহলে সেটাও সঙ্গে রাখবেন। কারণ সারাদিনের ব্যাপার তো!’ বন্দনার চমকে যাওয়া মুখটা দেখে সায়ন মনে মনে হাসল। ‘আসি’ বলে বেরিয়ে যেতে গিয়েও থমকে দাঁড়াল সায়ন। বলল, ‘পালাবার চেষ্টাও করবেন না, কেমন বাইরে সিভিল ড্রেসে পুলিশ আছে।’ ঠোঁট ছড়িয়ে সৌজন্যমূলক হাসি ছুড়েই সদলবলে বেরিয়ে গেল। দরজা বন্ধ করেই সোফায় গিয়ে বসে পড়ল বন্দনা। অনেকক্ষণের জল পিপাসা এতক্ষণ যেন উবে গিয়েছিল। পুলিশ চলে যেতে আবার তারা ঝাঁপিয়ে পড়েছে বন্দনার শুকনো গলায়। সোফা থেকে উঠে গেল টেবিলের কাছে। জগ থেকে ঢকঢক করে গলায় জল ঢালল বন্দনা। হাত উলটে মুখ মুছল। বুকের খাঁচায় হাঁফ ধরেছে তার। পাশে চুপ করে দাঁড়িয়েছিলেন বন্দনার মা, সুরভি। মেয়ের মুখ বুজে গুমরে মরা দেখে তারও বুকের ভেতর ধড়ফড় করছে। বন্দনা সোফায় এসে বসতেই সুরভি প্রশ্ন করলেন, ‘কী হয়েছে রে বাণী? কোনো বিপদে পড়েছিস? পুলিশ এল কেন? আর কেনই-বা তোকে থানায় যেতে বলছে?’ একদমে চাপা আশঙ্কা নিয়ে কথাগুলো বলে হাঁফাতে লাগলেন সুরভি। বন্দনা একটু খেঁকিয়েই উঠল, ‘আড়িপেতে শোনার অভ্যেসটা এবার ছাড়ো মা। কোনো বিপদ হয়নি।’

    — তাহলে পুলিশ কেন? আত্রেয়ী সেনের খুনের ব্যাপারে কিছু?

    — আমি জানি না। প্লিজ একটু একা থাকতে দাও।

    — দিন দিন শুকিয়ে যাচ্ছিস। চোখের তলায় কালি পড়েছে। কাজেও যাচ্ছিস না। মাস গড়িয়ে গেল ঘরে বসে আছিস।

    — উফফফ মা! একটু চুপ করো না।

    — চুপ করেই তো থাকি। বলি কি কিছু? একজন তো চুপ করিয়ে রেখে নিজেই কেটে পড়ল। না সংসার গোছাতে পারল, না নিজের দিকে খেয়াল রাখল।

    — আমার কিচ্ছু হয়নি। প্লিজ লিভ মি অ্যালোন।

    বলেই সোফা ছেড়ে উঠে যাচ্ছিল বন্দনা। সুরভি বিড়বিড় করে উঠল, ‘আমারই ভুল। কেন যে যেচে আগুনের মধ্যে তোকে ঠেলে দিলাম! উফফফ ভগবান!’ মুখে হাতচাপা দিয়ে বসে রইলেন সুরভি। একটু নিশ্বাসের কষ্ট হচ্ছে মনে হয়। বন্দনা এক রাশ আতঙ্ক নিয়ে মায়ের দিকে আড়চোখে চেয়ে ঘরে চলে গেল।

    .

    রাত বেড়েছে। বন্দনার বাড়ি থেকে থানায় ফিরেছিল সায়ন। সেখানে কিছু কাজ সেরে বাড়ি ফিরছে। বাইপাসের রাস্তাটা এখন বেশ ফাঁকা। ড্রাইভারের পাশের সিটে বসে বালিগঞ্জ থানার ওসি অবনীশের সঙ্গে কথা বলছিল সায়ন। আত্রেয়ীর বাড়ি হয় কাল রাতে কিংবা পরশু সকালে দেখতে যাবে। অবনীশ অবশ্য জানায় তাতে কেস সলভ দেরি হয়ে যেতে পারে! সায়ন বলে বন্দনার কথা। কাল থানায় সকাল এগারোটা থেকে ইন্টারোগেশন। কথাগুলো বলতে বলতে গাড়ির সামনের মিররে চোখ পড়ে যায় সায়নের। পেছনের সিটে কে ওটা? কানে ফোনটা ধরেই পিছনে তাকায় সায়ন। মুখে বলে ওঠে, ‘কে?।’ ড্রাইভারও একটু চমকে ওঠে। জিজ্ঞেস করে ‘কী হয়েছে স্যার?’ ফোনের ওপার থেকে অবনীশ বলে চলে, ‘সায়নবাবু, হ্যালো হ্যালো শুনতে পাচ্ছেন?’ সায়ন একটু ধাতস্থ হয়ে কানে ফোন দিয়ে বলে, হ্যাঁ হ্যালো। বলুন।’

    — এনি প্রবলেম?

    — না না। আসলে হঠাৎ মনে হল গাড়ির পেছনে কাউকে যেন দেখলাম।

    — কাকে?

    — না না। কেউ না। ছাড়ুন। সারাদিন এত চাপে থাকি যে! বাদ দিন। তাহলে পরশুদিন একদম পাক্কা।

    অবনীশ একটা নিশ্বাস ছেড়ে বলে, ‘ওক্কে ডান। বাড়ি ফিরছেন নাকি?’ মুখে জোর করে হাসি এনে বলে, ‘হ্যাঁ ওই রাত কাটাতে হবে তাই। আবার তো কাল সক্কাল সক্কাল!’

    — কেসটা মিটে গেলে একটা লম্বা ছুটি নিন। গিন্নিকে নিয়ে ঘুরে আসুন কোথাও থেকে।

    সায়ন হাসল। কিছু একটা জবাব দিতে যাবে অমনি গাড়িটা অদ্ভুত ঘড়ঘড়ে একটা শব্দ করতে থাকে। হেঁচকি তোলার মতো হোঁচট খেতে খেতে এগোতে থাকে। ড্রাইভার অনেক কষ্টে শুনশান বাইপাসের পাশে গাড়িটাকে দাঁড় করায়। ‘কী হল আবদুল?’ সায়ন জিজ্ঞেস করল। আবদুল ঠোঁট উলটে বলল, ঠিক বুঝছি না স্যার। নেমে দেখছি।’ গঁক করে হিক্কা তুলে গাড়িটা থামল। আবদুল নেমে সামনের বনেট তুলল। সায়ন অবনীশকে বলল, ‘মরার আগে আমাদের ছুটি নেই অবনীশবাবু। এই দেখুন না, সারাদিনের খাটাখাটনির শেষে বাড়ি ফিরে যে আরাম করব তার উপায় নেই। মাঝরাস্তায় গাড়ি গেল বিগড়ে।’

    — এই রে! সবে ভাবছিলাম গুড নাইট বলব আপনাকে। সেটা আর হল না।

    অবনীশের ঠাট্টায় হেহে করে হাসল সায়ন। তারপর ফোন রেখে জিজ্ঞেস করল, ‘কী বুঝছ আবদুল?’ বনেটের ওপার থেকে আবদুলের উত্তর এল, ‘একটু সময় লাগবে স্যার।’ হুঃ করে মুখ দিয়ে একটা শ্বাস ছেড়ে গাড়ি থেকে নেমে পড়ল সায়ন। মোবাইল আনলক করে সোশ্যাল সাইটে ঢুঁ মারতে মারতে গাড়ির পেছনের দিকে একটু এগিয়ে গেল। সারাদিন গরম থাকলেও এখন বেশ ফুরফুরে হাওয়া দিচ্ছে। সায়নের ইচ্ছে করছে শরীর থেকে পুলিশের উদিটা খুলে ফেলে একটু প্রাণখুলে শ্বাস নিতে। পাশ দিয়ে মাঝেমধ্যে দু-একটা চারচাকা ঝড়ের বেগে ছুটে যাচ্ছে। রাত অনেক। তাই আর স্পিডোমিটারের ধার ধারছে না কেউ। গাড়িটা যেখানে দাঁড়িয়েছে তার থেকে কয়েক হাত দুরেই একটা ল্যাম্পপোস্ট। সেই আলোর বেশ খানিকটা জিপের ওপর এসে পড়েছে। সায়নের আলো ভালো লাগছে না। তাই একটু অন্ধকার দেখে সরে দাঁড়িয়েছে। অনেকক্ষণ সিগারেট ধরায়নি। এমনিতে বড়ো একটা খায় না। মাঝেমধ্যে ক্লান্ত লাগলে একটু ধরায়। ডান হাতের দু-আঙুলের ফাঁকে জ্বলন্ত সিগারেট আর বাঁ-হাতে মোবাইল। বেশ খানিকক্ষণ কেটে যায়। দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে পা-টা টনটন করছে সায়নের। ‘কী আবদুল আর কতক্ষণ?’ সায়ন উঁচু স্বরে জিজ্ঞেস করল। কিন্তু উত্তর এল না। আবার হাঁক পাড়ল, ‘আবদুউউল, কী হল?’ কপালে বিন্দু বিন্দু ঘাম জমেছে সায়নের। এবারেও উত্তর না পেয়ে ভ্রূ কুঁচকে জিপের সামনের দিকে এগোতে থাকল। ‘আরে আবদুল, ঘুমিয়ে পড়লে নাকি?’ কথাটা বলতে বলতে জিপের সামনে এসে দাঁড়াতেই মনে হল মহাকাশ থেকে একটা ধূমকেতু যেন প্রচণ্ড বিস্ফোরণে ঝাঁপিয়ে পড়ল। মুহূর্তে জ্বালিয়ে-পুড়িয়ে খাক করে দিল সব। আবদুল মুখ থুবড়ে ইঞ্জিনের ওপর পড়ে আছে। কিন্তু তার মুখটা কে যেন ঘুরিয়ে এক্কেবারে পিঠের দিকে নিয়ে এসেছে। চোখদুটো যন্ত্রণায় ঠেলে বেরিয়ে এসেছে। সায়নের জীবনে এমন লাশ প্রথমবার দেখছে সে। আবদুলের নাম ধরে চিৎকার করে উঠল সায়ন। পুলিশ হয়েও সে প্রচণ্ড ভয়ে কাঁপছে। মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যে এমন সর্বনাশ কে ঘটাল? আশেপাশে তো কেউ নেই। পাগলের মতো গাড়িকে কেন্দ্র করে সায়ন চিৎকার করছে। ‘কোন শুয়োরের বাচ্চা এ কাজ করলি? সাহস থাকলে সামনে আয় জানোয়ার।’ চিৎকার করাই সার। আগের মতো ফুরফুরে হাওয়া ছাড়া কেউ নেই। পাশ দিয়ে আরও দুটো গাড়ি ছুটে গেল। আর ঠিক তার পরেই সায়নের মনে হল দূরে রাস্তার ওপারে কেউ একজন দাঁড়িয়ে। আগন্তুককে চিনতে না পারলেও একটা জিনিস সে ভালো করেই চিনতে পারল। দূরে দাঁড়িয়ে থাকা লোকটার দুটো চোখ। অন্ধকারেও সাদা রক্তশূন্য দুটো চোখ এক দৃষ্টে চেয়ে আছে সায়নের দিকে। সায়ন দৌড়ে রাস্তা পেরোতে গেল। দানবের মতো ছুটে এল একটা চারচাকা। বিকট শব্দে সে-ও চাকা ঘষে ছুটে গেল। দাঁড়াল না বা দাঁড়াবার চেষ্টাও করল না। সায়ন নিজেকে এগিয়ে দিয়েও ঝটিকার মতো পিছিয়ে এল। একটুর জন্য প্রাণ রক্ষা হল তার। গাড়িটা চলে গেল। রাস্তার ওপারে আর কেউ নেই। তবু দৌড়ে গেল সায়ন। ধু ধু করছে ফুটপাথ। দু-তিনটে বন্ধ দোকান। বুকের ভেতর হাপরে টান লাগছে। গুলিয়ে উঠছে কান্না। আবদুলের বীভৎস মৃতদেহটার পাশে দাঁড়াতে পারছে না সে। অনেক কষ্টে থানায় ফোন করে সে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ৪৭৪ – ডার্টি গেম
    Next Article নীরেন ভাদুড়ি সমগ্র ৩ – সৌভিক চক্রবর্তী
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }