Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মৃত জ্যোৎস্নার রাত্রি – অভিষেক চট্টোপাধ্যায়

    অভিষেক চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প526 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মৃত জ্যোৎস্নার রাত্রি – ২৩

    তেইশ

    মধ্যরাতের উল্লাস উৎসবে শ্যাম্পেনের ফোয়ারা উঠল সেদিন। আত্রেয়ী সেন নিজে খুলল শ্যাম্পেনের বোতল। সেই উপলক্ষ্যে সমবেত করতালিতে মুখরিত হয়ে উঠল নামি হোটেলের ব্যাংকোয়েট। তন্ময় আপ্লুত উচ্ছ্বসিত হয়ে গলা চড়িয়ে সকলের উদ্দেশ্যে বলে উঠল, ‘বন্ধুগণ, আজকের রাত আমাদের সবার জীবনে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। যে মানুষ ফলের রস ছাড়া আর কিছু খান না, তিনি আজ তার বিয়াল্লিশ তম জন্মদিনে…’ আত্রেয়ী অমনি রে রে করে উঠল। ‘এই এই এই এই, কী করছ তন্ময়! হিরোইনের বয়স কখনোই বাইশের থেকে বাড়ে না। আর তুমি কি না আমায় বিয়াল্লিশ বানিয়ে দিচ্ছ? হিপোক্রিট!’ হাতে-ধরা বোতলটা দিয়ে তন্ময়ের কাঁধে ঠোকা মারল। উপস! সরি সরি সরি সেনোরিটা।’ কান ধরে মাথা ঝুঁকিয়ে খানিক ন্যাকামি করে বলল তন্ময়। তারপরেই গলা তুলে সবার উদ্দেশ্যে আবার বলে উঠল, ‘আমাদের মোস্ট অ্যাডরেবল হিরোইন তার মাত্র বাইশ বছরের জন্মদিনে একবারের চেষ্টায় খুলে ফেললেন শ্যাম্পেনের বোতল।’ হো হো করে সবাই উল্লাসধ্বনি দিয়ে উঠল। তন্ময় বলল, ‘শুধু খুললেনই না, বটল নাড়িয়ে সবাইকে শ্যাম্পেনে স্নান করালেন।’ বলেই হো হো করে হেসে আবারও হাততালি দিয়ে উঠল। আত্রেয়ী তন্ময়ের দিকে আড়চোখে চেয়ে হাসল। এত আলোর ঝিকিমিকি, এত বৈভবের বাঁধ-ভাঙা উন্মাদনা সামনে থেকে কোনোদিন দেখেনি বন্দনা। দূরে দাঁড়িয়ে একমনে সব দেখছিল। ও বরাবরই মুখচোরা। নাম করা অভিনেত্রীর পিএ হলেও সে নিয়ে বন্দনার মধ্যে বিন্দুমাত্র মাত্রাতিরিক্ত উচ্ছ্বাস ছিল না। সে দেখল সকলের সামনে তন্ময় হালদার বন্দনার গলায় পরিয়ে দিল হিরে-খচিত প্ল্যাটিনামের হার। লোকের মুখে কানাঘুষোয় শুনল ওই হারে নাকি বাইশটা হিরে বসানো আছে। বন্দনার চোখদুটো চকচক করে উঠল। ভাবল মানুষের এত পয়সাও হয়? পরক্ষণেই নিজের মনকে সান্ত্বনা দিল। না হবার কী আছে? আত্রেয়ী সেনের সব ছবিতেই তন্ময় হালদার ক্যামেরাম্যান। ভিড়ের মধ্যে থেকে কে যেন জিজ্ঞাসা করল, ‘অ্যাই আত্রেয়ীদি, শান্তনুদা কই গো?’ উঠতি কোনো নায়িকাই হবে। তখন থেকে খুব দিদি দিদি করছে। আদিখ্যেতা করে দিল একখানা মোক্ষম প্রশ্ন ছুড়ে। বন্দনার মনে হল, নেচে চলা নানা রঙের আলো আত্রেয়ীর মুখে এসে হঠাৎ করেই যেন নিভে গেল। বুকের ওপর একটু বেশি উঠে যাওয়া শাড়ির আঁচলটা বেশ খানিকটা নামিয়ে আত্রেয়ী জবাব দিল, ‘ওর কথা আর বলিস না। বেছে বেছে আজকেই ওর শরীরটা খারাপ হল। বললাম, আজকের পার্টিটা তাহলে ক্যানসেল করি। সে শুনলে তো আমার কথা। না না, এত লোককে বলেছ। এরকম পাগলামি কোরো না। আমি ঠিক থাকব।’ এ ক-দিনে টালিগঞ্জে বিচরণ করে বন্দনা ভালোই বুঝেছে যে শান্তনু স্যারের খবর নেওয়া উঠতি নায়িকা এক্ষুনি এসে অন্য কারও কাছে ম্যাডামের ভেঙে চলা দাম্পত্য সম্পর্ক নিয়ে মুখরোচক আলোচনায় মাতবে। মনে মনে হাসল বন্দনা। বেচারা শান্তনু স্যার। বাড়িতে বসে হয়তো মদে চুর হয়ে আছে। তার নামেও তো ইন্ডাস্ট্রিতে কত কথা! একসময়ে সেই নাকি আত্রেয়ী সেনের খাস ক্যামেরাম্যান ছিল। তবে সেটা স্টিল। শান্তনুর ছবি দেখেই প্রথম ছবিতে সিলেক্টেড হয় আত্রেয়ী। তখন শান্তনুর প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছে আরও দুজন নিউকামার। কিন্তু তাদের মধ্যে থেকে আত্রেয়ীকেই বেছে নেয় শান্তনু স্যার। বিয়ের আগেই আন্দামান, প্যারিস, ব্যাংকক কত জায়গায় যে প্রি-হানিমুন হয়েছে তার ইয়ত্তা নেই। অবশেষে বিয়ে। তারপর দশ বছর যেতে না যেতেই তন্ময়ের প্রবেশ। বন্দনা এসব কিচ্ছু জানত না। ম্যাডামকে মেকআপ করে দেবার পর যখন ফ্লোরে চলে যায় তখন ফ্লোরের একধারে বসে ফিশফিশ করে থার্ড অ্যাসিস্ট্যান্ট পূজা অথবা মেকআপ রুমে ড্রেসার শিবানী কিংবা কখনও ম্যাডামের ড্রাইভার নন্দনের কাছ থেকে অবসর সময়ের পিএনপিসিতে এইসব গোপন খবর বেরিয়ে এসেছে।

    .

    যাইহোক, জন্মদিনের রাতে মোটামুটি সবাই যখন টলতে টলতে ফাঁকা হচ্ছে তখনই তন্ময় আসে বন্দনার কাছে। নেশা-জড়ানো গলায় তন্ময় জিজ্ঞেস করে, ‘পেট ভরে খেয়েছ তো?’ বন্দনা কোনের দিকের একটা টেবিলে বসে মোবাইল ঘাঁটছিল। তন্ময়ের আকস্মিক প্রশ্নে চমকে উঠে তাকায়। মুখে সৌজন্যমূলক হাসি টেনে ঘাড় নাড়ে বন্দনা। তন্ময় বন্দনার এক্কেবারে মুখের সামনের একটা চেয়ারে বসে পড়ে। বন্দনা দেখে আত্রেয়ী বেশ খানিকটা দূরে ইন্ডাস্ট্রির নামকরা পরিচালক সৌপ্তিক গাঙ্গুলির সঙ্গে হেসে হেসে কথা বলছে। এঁর ছবিতে অভিনয় করেই আত্রেয়ী বিএফজেএ অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে। ঠিক বুঝতে পারছে না, ম্যাডামকে ছেড়ে খামোখা বন্দনার সামনে এসে কেন বসতে গেল তন্ময়। হাতে মদের গ্লাস, শরীরে মদের গন্ধ আর দামি সেন্টের গন্ধ মিশে একটা অদ্ভুত গন্ধ তৈরি হয়েছে। কাচের গ্লাসে একটা চুমুক দিয়ে তন্ময় আবার জিজ্ঞেস করে, ‘আচ্ছা বন্দনা, তোমায় আমি শুটিঙেও দেখেছি, বড্ড চুপচাপ থাকো। কেন? আমাদের ভালো লাগে না?’

    — এ মা! না না। তা কেন হবে? আসলে আমি ঠিক গুছিয়ে কথা বলতে পারি না।

    ঠোঁট বেঁকিয়ে হাসতে গিয়ে ফুস করে একটা শব্দ বেরিয়ে আসে তন্ময়ের মুখ দিয়ে। গালদুটো বেলুনের মতো অল্প ফুলে উঠেই চুপসে যায়। ‘কয়েকটা এরকম পার্টি-ফাটি অ্যাটেন্ড করো। দেখবে বুলি আপনা থেকেই ফুটছে। তন্ময়ের কথা শুনে হাসল বন্দনা। আত্রেয়ীকে একবার দেখে নিল তন্ময়। তারপর গলাটা একটু চেপে তন্ময় বলল, ‘বাড়ির কী অবস্থা? বরটা হেবি বাওয়াল দিচ্ছে না?’

    — সরি!

    দুম করে এমন একটা প্রশ্নের জন্য মোটেও প্রস্তুত ছিল না বন্দনা।

    — আরে শান্তনু নিয়োগী। হেবি বাওয়াল দিচ্ছে আমায় নিয়ে? আত্রেয়ী তো অর্ধেক সময়েই মনমরা হয়ে থাকছে। শটও ঠিক মতো দিতে পারছে না আজকাল।

    এবার বেশ অস্বস্তিতে পড়ল বন্দনা। ঠিক কী উত্তর দেবে সেটা ভেবে পেল না। চট করে ভেবে সব দিক রক্ষা হয় এমন উত্তরই দিল, ‘আসলে আমি এসব ব্যাপারে থাকি না। সবসময় আমার সামনেও কিছু হয় না।’

    — আরে থামো থামো। শাক দিয়ে কি মাছ ঢাকা যায়? তুমি হলে আত্রেয়ীর পিএ। মানে ছায়া। ও যেখানে তুমিও সেখানে। আর তুমি বলছ কিছুই জানো না?

    — না সত্যিই আমি জানি না। ম্যাডামের পার্সোনাল স্পেসে আমি কক্ষনো ঢুকি না। তন্ময়ের নেশাতুর চোখ বন্দনার মাথা থেকে পা পর্যন্ত একবার মেপে নিল। ঠিক তখনই এগিয়ে এল আত্রেয়ী, তন্ময় তুমি এখানে বসে বন্দনার সঙ্গে গল্প করছ? আর আমি তোমায় সারা ব্যাংকোয়েটে খুঁজছি!’

    — অ্যাই ছিঃ! জন্মদিনের দিন মিথ্যে কথা বলতে নেই।

    — মানে?

    — তুমি তো সৌপ্তিক গাঙ্গুলির সঙ্গে এক্কেবারে লেগে-লেগে আছ। আমায় কোথায় খুঁজলে বাপু?

    বন্দনার সামনে এমন একখানা চড় খেয়ে বেজায় লজ্জায় পড়ল আত্রেয়ী। অবশ্য পরক্ষণেই যা হল তাতে বন্দনা বুঝল যে, আত্রেয়ী আর যাইহোক, কখনোই লজ্জায় পড়তে পারে না। কারণ ওই নামের কোনো বস্তুই ওর শরীরে নেই। ‘ডোন্ট টক রাবিশ তনু। একটু গায়ে গা না ঠেকালে পুরস্কারপ্রাপ্ত ছবিতে কাজ জোটে কখনও?’

    — শুধু গায়ে গা তো?

    বন্দনা উঠে দাঁড়িয়ে পড়ে। যে বিষয়ের কথা শুরু হয়েছে তাতে সেখানে শালগ্রাম শিলা হয়ে বসে থাকার কোনো মানেই হয় না। ‘ম্যাডাম আপনারা কথা বলুন। আমি গাড়িতে আছি।’

    — দাঁড়াও। ওপাশে আমার গিফটের প্যাকেটগুলো আছে। ওগুলো নন্দনকে বলে বাড়িতে ড্রপ করে দিতে বলো। আর ওই গাড়িতেই তুমি আজ বাড়িতে ফিরে যেয়ো।

    — আপনি ফিরবেন না ম্যাডাম?

    নো। আমি আজ এই হোটেলেই থাকব।

    — ও।

    সঙ্গে সঙ্গে তন্ময় আত্রেয়ীর পেটের ওপর মুখ রেখে ন্যাকা সুরে বলল, ‘আর আমি? আমাকেও ড্রপ করে দাও না।’ আত্রেয়ী অমনি তন্ময়ের পিঠে একটা আদুরে চড় মেরে বলে ওঠে, ‘খালি ন্যাকামি! তুমি জানো না রাতে আমার একা ভয় করে! বন্দনার কানের সামনে কেউ যেন একশোটা কাচের গ্লাস একসঙ্গে আছাড় মেরে ভেঙে ফেলল। এরা ঠিক কোন ধাতুতে গড়া? দুনিয়ার সামনে বলে বেড়ায় ‘উই আর ভেরি গুড ফ্রেন্ডস।’ আবার দুনিয়ার সামনেই এক ঘরে রাত কাটাবার কথা বলে? নিতান্ত মধ্যবিত্ত ছাপোষা বন্দনার মাথার দশ হাত ওপর দিয়ে বেরিয়ে যায় বিত্তশালীদের সম্পর্কের সমীকরণ। আর-এক মুহূর্তও সেখানে না দাঁড়িয়ে দ্রুত পায়ে সেই স্থান ত্যাগ করল বন্দনা।

    .

    পরের দিন বন্দনাকে গেট খুলে দেবার সময় ধানুয়া বলল, ‘সাবধান দিদি। আজ ফিরসে ফাইট স্টার্ট হুয়া।’ গেটের সামনে দাঁড়িয়েই আত্রেয়ী আর শান্তনুর গলার আওয়াজের কণিকামাত্র আগুনপোড়া ছাইয়ের মতো উড়ে ভেসে আসছিল। যদিও বন্দনা মনে মনে এটার জন্যে তৈরিই ছিল। কাল পার্টিতে যাবার আগেই শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেটা যখন হল না, শান্তনু যখন বেরোবার সময় ম্যাডামের দিকে তাকিয়েও তাকাল না, তখনই বুঝেছিল এই গুমরানো মেঘ আজ না হোক কাল ভেঙে পড়বেই। যাইহোক, বন্দনাকে বাড়িতে ঢুকতেই হবে। তাই সে গুটিগুটি পায়ে কাচ দিয়ে সাজানো বাহারি দরজাটা ঠেলে ঢুকতেই উত্তপ্ত কথাগুলো আরও ভালো করে কানে আসতে লাগল। শান্তনু চিৎকার করে বলছে, ‘তুমি তো মহাসতী শালা। সারারাত পরপুরুষের সঙ্গে মাড়িয়ে এসে বাড়িতে ভালো মানুষ সাজছ।’ উত্তরে আত্রেয়ীর সরু গলাটা চচ্চড় করে শব্দ করে জানাল, ‘বেশ করেছি। আমি আমার পয়সায় যা করার করেছি। তুমি কোন সাহসে আমার বাড়িতে বসে নোংরামি করো?’

    — শাট আপ।

    বলেই একটা কাচের কিছু ভাঙল। ধক করে উঠল বন্দনার বুকটা। আজ কি তবে শুধু আর মুখ নয়! হাতও চলছে? সিঁড়ি বেয়ে উঠতে থাকে বন্দনা। আত্রেয়ী চিৎকার করে ওঠে, তুই হারামজাদি দাঁড়িয়ে কী করছিস? খুব শখ হয়েছে না আত্রেয়ীর পোষা ভেড়াটাকে ধরে দু-পয়সা কামাবার?’ শান্তনুর গলা ফাটিয়ে ধমক, ‘আত্রেয়ী!’ দূরে চলে যাওয়া কারওর উদ্দেশে যেমন করে বলে তেমনি উচ্চস্বরে আত্রেয়ী বলে উঠল, ‘এখানে এসেছিস কেন মাগি? সোনাগাছি আছে তো?’ কথাটা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বন্দনা দেখল হট প্যান্ট পরা একটি লিকলিকে মেয়ে কাঁদতে কাঁদতে দৌড়ে আসছে সিঁড়ির দিকে। খানিকক্ষণের জন্য সিঁড়ির রেলিং ধরে থমকে দাঁড়াল সে। মেয়েটি চোখের জল মুছতে মুছতে বন্দনার সামনে দিয়ে মাথা নীচু করে এক দৌড়ে বেরিয়ে গেল। অবাক কাণ্ড! এ তো পাশা উলটে গেল মনে হচ্ছে! বউ তন্ময়ের সঙ্গে রাত কাটাচ্ছে জেনে শান্তনু বাড়ি মাথায় করবে এটাই ধারণা ছিল বন্দনার। কিন্তু যা কথাবার্তা ভেসে এল এবং এখনও আসছে তাতে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে শান্তনুও বাইরের এই মেয়েটিকে বাড়িতে এনে একসঙ্গে কাল রাত কাটিয়েছে। সকালে সেটা হাতেনাতে ধরেছে আত্রেয়ী। হঠাৎ চটাস করে একটা শব্দ। এক মুহূর্তের নীরবতা। তারপরেই আর্তনাদ করে আত্রেয়ী বলে উঠল, ‘তোমার এত্ত বড়ো স্পর্ধা তুমি আমার গায়ে হাত তোলো?’ ঠিক এরপরেই শান্তনুর দাঁতে দাঁত চিপে কথা, ‘আর-একটা ফালতু কথা বললে গলা টিপে এখানেই শেষ করে দেব হারামির বাচ্চা।’ আত্রেয়ী গোঙানির স্বরে বলতে থাকে, ‘ছাড়ো ছেড়ে দাও। লাগছে, ছাড়ো।’ আরও দু-তিনটে চড়ের আওয়াজের সঙ্গে কয়েকটা চুড়ি ছনছন করে আর্তনাদ করে উঠে। আত্রেয়ীর হাতও যে একই সঙ্গে চলতে বাধ্য হচ্ছে তা বেশ ভালোই টের পায় বন্দনা। স্যার কী এমন করছে যাতে আত্রেয়ীকেও হাত দিয়ে প্রতিরোধ গড়তে হচ্ছে! বন্দনার বুকটা ধুকপুক করতে থাকে। স্যার রাগের মাথায় ম্যাডামকে মেরে ফেলতে চাইছেন? ওর কি যাওয়া উচিত?

    — মরতে এত ভয় কেন তোর?

    — অক অক।

    — দিনের পর দিন আমায় যে মারছিস তুই। তখন কষ্ট হয় না?

    — ছাড়ো। অক।

    বন্দনা বুঝতে পারে আজ একটা সর্বনাশ হয়ে যাবে। যাই হয়ে যাক ওকেই আটকাতে হবে। আর কিচ্ছু না ভেবে দৌড়ে ঘরের দরজার সামনে গিয়ে দাঁড়ায়। চমকে ওঠে। শান্তনু বিছানার ওপর আত্রেয়ীকে চিত করে শুইয়ে তার ওপর চেপে বসেছে। শক্ত হাতটা ম্যাডামের গলা টিপে ধরেছে গায়ের জোরে।

    — গলায় নাগরের দেওয়া হিরের হার ঝুলিয়েছিস না মাগি? সেই গলা টিপেই —

    — স্যার। কী করছেন আপনি?

    দৌড়ে ভেতরে এসে গায়ের জোরে ধাক্কা মারে শান্তনুকে। শান্তনু তা-ও নড়ে না। বন্দনা এবার পেছন দিক থেকে শান্তনুর গলায় হাত পেঁচিয়ে টান মারে। তাতে শান্তনু হেলে যায়। আত্রেয়ীর গলা থেকে হাতটা নরম হতেই গায়ের সব জোর এক করে ঠেলা মারে শান্তনুকে। শান্তনু এবার বিছানায় আত্রেয়ীর পাশেই পড়ে যায়। সেই ফাঁকে বন্দনা ম্যাডামকে তুলে ধরে। গলায় হাত দিয়ে খকখক করে কাশতে থাকে আত্রেয়ী। বন্দনা ধমকে বলে ওঠে, ‘আপনারা কি পাগল হয়ে গেছেন? কী করছেন এসব? ম্যাডাম তো এক্ষুনি মরে যেতেন। রাগের বিস্ফোরণে তড়াক করে উঠে দাঁড়ায় শান্তনু। ‘এই শালা চামচা, তুই কেন এসেছিস আমাদের মধ্যে?’

    — আমি ম্যাডামের পিএ। সবদিক থেকে ম্যাডামকে রক্ষা করা আমার কর্তব্য। শান্তনু হিতাহিত জ্ঞানশূন্য হয়ে হাত তুলে তেড়ে আসে বন্দনার দিকেও, এই চোপ শালা। ম্যাডামের সঙ্গে তোকেও জ্যান্ত পুঁতে দেব।’ মুখচোরা বন্দনাকে কে যেন ভেতর থেকে ঠেলে দিল। সে-ও শান্তনুর চোখে চোখ রেখে মারমুখী হয়ে তেড়ে গেল আত্মরক্ষার্থে। দাঁত চিপে ঠান্ডা স্বরে বলে, ‘এইইই!’ সাধারণ মেয়ের আকস্মিক ফুঁসে ওঠাতে শান্তনু থমকে যায়। আত্রেয়ীও অবাক। কঠোর চোখে তাকিয়ে বন্দনা বলে, ‘ক্যারাটেতে ব্ল্যাক বেল্ট। পয়সা ছিল না তাই স্টেট লেভেলে যেতে পারিনি। ভেবে-চিন্তে গায়ে হাত তুলবেন।’ শান্তনুর শরীরটা রাগে-ক্ষোভে থরথর করে কাঁপছে। দু-তিন পা করে পিছিয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে গেল।

    আত্রেয়ী চোখ ভরা জল নিয়ে এতক্ষণ বসে ফুঁসছিল। ‘আমি ওকে কিছুতেই ছাড়ব না। এক্ষুনি পুলিশকে ফোন করব।’ বিছানার ওপর থেকে মোবাইলটা হাতে তুলে নেয় আত্রেয়ী। ‘না ম্যাডাম এটা করবেন না।’ বাধা দেয় বন্দনা।

    — একশোবার করব। তুমি আমায় বাধা দেবে না। ওই হারামির বিষদাঁত আজকেই আমি উপড়ে নেব।

    বন্দনা আত্রেয়ীর হাত থেকে ফোন কেড়ে নেয়। ক্ষোভে খেপে ওঠে আত্রেয়ী, ‘হাউ ডেয়ার ইউ? আমার হাত থেকে ফোন কেড়ে নাও তুমি?’ বন্দনা শান্ত গলায় বলে, ‘আই অ্যাম সরি ম্যাডাম।’ বলে ম্যাডামের পাশে বসে বন্দনা। ‘কিন্তু এই কাজ আপনি কিছুতেই করবেন না।’ বন্দনার কথায় অবাক আত্রেয়ী। সে তো নিজেই দেখেছে শান্তনুর ব্যবহার। তাহলে কেন পুলিশকে ফোন করতে বাধা দিচ্ছে?

    — ঠান্ডা মাথায় একটু ভাবুন ম্যাডাম। সামনেই আপনার দু-দুটো সিনেমা রিলিজ। যার মধ্যে একটা ঋতম ঘোষের অন্নপূর্ণার সংসার। ছবিটার গল্পটা কী? একজন মহিলা, যে কিনা একদিকে মা হয়ে সন্তানকে মানুষ করছে, অন্যদিকে অত্যাচারী স্বামীকে সামলে আদর্শ স্ত্রী-এর দায়িত্ব পালন করছে।

    আত্রেয়ী মাথা ঝাঁকিয়ে বলে, ‘হ্যাঁ তাতে কী? সে তো সিনেমা।’

    — জানি সেটা সিনেমা। কিন্তু সাধারণ মানুষ অভিনেতা-অভিনেত্রীদের সিনেমার ক্যারেক্টার দিয়েই বিচার করে। ভালোবাসে। ওরা তো আপনার মমতাময়ী রূপের একটা কাট আউটও শহরের নানান জায়গায় লাগিয়ে প্রচার শুরু করেছে। যে কি না হাসিমুখে সব সহ্য করে চলেছে শুধুমাত্র তার সংসার বাঁচিয়ে রাখার জন্য। সিনেমার ক্যাপশনও দিয়েছে, ভেঙে ফেললে ফেলাই যায়, জুড়তে পারে ক-জন? ঠিক এই মুহূর্তে যদি সেই নায়িকাই তার স্বামীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করে তাহলে তো মিডিয়া ঝাঁপিয়ে পড়ে আপনার পার্সোনাল লাইফ নিয়ে কাদা ছোঁড়াছুড়ি শুরু করবে। সেটা আপনার কেরিয়ার বা সিনেমা কোনো কিছুর জন্যেই ভালো নয়। তাই বলছিলাম ঘরের ঝামেলা ঘরের মধ্যেই থাক।

    আত্রেয়ীকে আগের চেয়ে অনেকটা শান্ত দেখায়। এই মুহূর্তে অহংকার, বদমেজাজ, ক্ষোভ কোনো কিছুই বন্দনা খুঁজে পায় না তার ম্যাডামের চোখে-মুখে। আত্রেয়ী শুধু বলে, ‘মাত্র তো ক-টাদিন ইন্ডাস্ট্রিতে এসেছ। এর মধ্যে এত কিছু বুঝে গেছ?’ বন্দনা হাসে। বলে, ‘সবই আপনার জন্য ম্যাডাম। আপনার কাজ করতে করতেই সব বুঝেছি, শিখেছি।’ এরপর একটা দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে আসে আত্রেয়ীর মুখ দিয়ে।

    বন্দনা এক গ্লাস জল এনে দেয় তার ম্যাডামকে। আত্রেয়ী ঢকঢক করে গলায় ঢোলে ফাঁকা কাচের গ্লাসটা বন্দনার দিকে বাড়িয়ে দিয়ে বলে, ‘তুমি ক্যারাটে জানো?’ ম্যাডামের হাত থেকে গ্লাসটা দু-হাতের মধ্যে নিয়ে বন্দনা বলে, হুম। ছোটোবেলা থেকে যেমন সাজতে ভালোবাসতাম, তেমনি খেলাধুলোতেও নেশা ছিল। সাতশো মিটার পর্যন্ত একটানা দৌড়োতে পারতাম। প্রাইজও আছে। লং জাম্প, হাইজাম্পেও মন্দ ছিলাম না।’ বলে চলে যেতে যাচ্ছিল। কিন্তু আত্রেয়ীর কথায় থামল, ‘তাহলে সেগুলোই করলে না কেন?’

    — মধ্যবিত্ত বাড়ির মেয়ে। বাবাও অকালে চলে গেলেন। কে চালাবে এত খরচ? তাই আর হল না।

    টেবিলের ওপর গিয়ে গ্লাসটা রাখতে রাখতে বন্দনা বলল, ‘ম্যাডাম আজ বিকেলে আর সন্ধেবেলায় আপনার দুটো ইন্টারভিউ আছে। চারটের সময় আনন্দবাজার আর সন্ধে সাতটায় টোয়েন্টি ফোর ইন্টু সেভেন টিভি চ্যানেল।’ বন্দনা দেখল ম্যাডামের যেন কোনো ভ্রূক্ষেপই নেই। সে তন্ময়ের দেওয়া গলার দামি হারটা খুলতে ব্যস্ত। আত্রেয়ী বলল, ‘বন্দনা এই হারটাকে যত্ন করে আলমারির লকারে রেখে দাও তো।’ চমকে উঠল বন্দনা। যতই পিএ হোক, লাখ লাখ টাকার হার বন্দনার মতো সাধারণ এক মেয়ের দায়িত্বে ম্যাডাম লকারে রাখতে বলছে এ যেন অবিশ্বাস্য। একটু তুতলিয়ে বন্দনা বলল, ‘ম্যা-ম্যাডাম আমি?’

    — এখানে বন্দনা নামের আর কী কেউ আছে? শোনো, আমার ব্যাগটা খোলো, ওখানে এই হারের বাক্সটা আছে। ওটার মধ্যে সুন্দর করে সাজিয়ে রাখো। আর বিছানার নীচে আলমারির চাবি আছে।

    নিমেষের মধ্যে চোখের সামনে চলকে ওঠে বন্দনার সঙ্গে আত্রেয়ীর প্রথম দিনের ব্যবহার। সেইদিন আর এই দিনের মধ্যে এত পার্থক্য যে কিছুতেই মেলাতে পারছিল না বন্দনা। কী হল? কী ভাবছ দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে? রেখে দাও।’ এক আকাশ বিস্ময় নিয়ে বন্দনা বাক্সের মধ্যে হারটা ভরে আলমারি খোলে। আত্রেয়ী বলে, ‘ওপরের তাকে ভেতর দিকে হাত চালিয়ে দাও। একটা বাক্স পাবে। সেখানে লকারের চাবি আছে।’ বুকের ভেতরে অনেকটা ভয়ও কাজ করছে এবার বন্দনার। বড়োলোকের খেয়াল। কখন কী হবে, বেমালুম দায় চাপিয়ে দেবে বন্দনার ঘাড়ে। লকার খোলা কি ঠিক হবে? ম্যাডাম, লকারে আপনার কত দামি জিনিস থাকে। সেখানে আমার হাত দেওয়া ঠিক হবে না। আপনি খুলে রেখে দিন।’ শাট আপ’ ঢুলুঢুলু চোখে মুখ তুলে বলল আত্রেয়ী। ‘কাল সারা রাত ঘুম হয়নি। তার ওপর তোমার স্যারের অসভ্যতা! আমার খুব ঘুম পেয়েছে। আর শোনো, তুমি আমার পিএ। এইটুকু বিশ্বাস তোমায় আমি করতেই পারি। আমার প্রাণ বাঁচানোর জন্য এটা তোমার পুরস্কার। হারটা রেখে ঘরের দরজাটা ভেজিয়ে দিয়ে যেয়ো। আর হ্যাঁ, এই বারান্দার দিকের পর্দাগুলো টেনে দিয়ো আর মাটি থেকে কাচগুলো স্বপ্নাকে বলো তুলে পরিষ্কার করে দিতে।’

    — আপনি রেস্ট করুন। আমি সব করে দিচ্ছি।

    — ইসসস! আমার সাধের ক্রিস্টাল গ্লাসগুলো ভেঙে গেল। শালা হারামখোর।

    বলেই চাবুকের মতো শরীরটা বিছানায় এলিয়ে দিল আত্রেয়ী। বন্দনা হারটাকে যত্ন করে রেখে আত্রেয়ীর হুকুম পালন করল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে।

    .

    অনেকক্ষণ একটানা কথা বলে ক্লান্ত বন্দনা। সায়ন চেয়ার ছেড়ে উঠে পড়ল। ওরও কোমর ধরে গেছে। সোমদত্তা বন্দনাকে জিজ্ঞেস করল, ‘কিছু খাবেন? ফল-টল জাতীয় কিছু?’ এত খাতির পেয়ে বন্দনা একটু অস্বস্তিই বোধ করল। সূর্য বলল, ‘নির্দ্বিধায় বলতে পারেন। আমরা বড়ো একটা খাতির-টাতির কাউকে করি না। কিন্তু আপনার শরীরের কথা ভেবেই বলছি।’

    — না। কিছু লাগবে না।

    সোমদত্তা বাঁ-দিকের ভ্রূটা তুলে বলল, ‘আপনি তো ছুপা রুস্তম বন্দনা! ক্যারাটে, দৌড়, লং জাম্প, হাই জাম্প সাবাশ!’ সূর্য তাল ঠুকল, ‘ওই জন্যেই সেদিন হসপিটাল থেকে আমরা ফলো করার পরেও ভ্যানিশ হয়ে গিয়েছিলেন। কত জোরে দৌড়েছিলেন আপনি তা-ও আবার এই অবস্থায়!’ বন্দনা আড়চোখে সূর্যর দিকে তাকিয়ে বলল, ‘সঙ্গে সঙ্গে ট্যাক্সিটা পেয়েছিলাম বলেই আমার নাগাল কেউ পাননি।’

    — অও।

    সায়ন হাত উলটে ঘড়ি দেখল। বিকেল সাড়ে পাঁচটা বেজে গেছে। সময়টা মেপেই সায়ন বলে উঠল, ‘তার মানে শান্তনু নিয়োগীও ধোয়া তুলসীপাতা নন।’ বন্দনা বলল, ইন্ডাস্ট্রিতে ধোয়া তুলসীপাতা বলে কিছু হয় না ইনস্পেক্টর। ম্যাডাম যে তন্ময়ের সঙ্গে রাত কাটাতে শুরু করেন সেটা শুধু প্রেম বা অন্য কিছুর জন্য নয়।

    — তবে? উনি কী শোবার জন্য পয়সা নেন নাকি?

    কথাটা খটাস করে বন্দনার কানে লাগল। কঠিন গলায় বলল, ‘না।’ সোমদত্তা বলল, ‘ঝেড়ে কাশুন তো।’

    — ম্যাডামের কেরিয়ারের শুরুর দিকের ঘটনা। লোকজনের কাছ থেকেই শুনেছি। ম্যাডাম তখন কাজের খোঁজে প্রোডিউসারের দোরে দোরে ঘুরছেন। কিন্তু তখন ম্যাডামের কোনো ভালো ছবি ছিল না। এমন কিছু পয়সাও ছিল না যে পোর্টফোলিয়ো বানাবেন। লোকের দরজায় সাধারণ স্টুডিয়োয় তোলা ছবি নিয়ে ঘুরতে ঘুরতে আত্রেয়ী সেন যখন ক্লান্ত, কেউ কোনো কাজ দিচ্ছে না, তখন ঠিক করলেন সবার আগে উনি বেশ কিছু ভালো ভালো ছবি তুলবেন। পোর্টফোলিয়ো বানাবেন। তার জন্য প্রয়োজন ভালো ফটোগ্রাফার। কিন্তু তাদেরও তো বিশাল খাঁই। হাজার হাজার টাকা চাইছেন। তখন কোনোভাবে স্টুডিয়ো পাড়া থেকে খবর পেয়েই ম্যাডাম পোর্টফোলিয়ো নামে একটি নাম করা স্টুডিয়োতে যান। যেখানে তখন একচেটিয়া কাজ করছেন শান্তনু স্যার।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ৪৭৪ – ডার্টি গেম
    Next Article নীরেন ভাদুড়ি সমগ্র ৩ – সৌভিক চক্রবর্তী
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }