Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মৃত জ্যোৎস্নার রাত্রি – অভিষেক চট্টোপাধ্যায়

    অভিষেক চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প526 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মৃত জ্যোৎস্নার রাত্রি – ২৪

    চব্বিশ

    লাল টকটকে সালোয়ার। বুকের কাছটা একটু বেশিই কাটা। বাঁ-কাঁধের ওপর ফেলা ঘিয়ে রঙের ওড়না। স্টুডিয়োর বাইরে ছোট্ট রিসেপশনে অপেক্ষা করছে আত্রেয়ী। প্রায় ঘণ্টা দুয়েক হয়ে গেল। আজকে নিয়ে দু-দিন হল। আগেরদিন শান্তনু কথাই বলেনি। এত তাড়া ছিল তার। আজ আত্রেয়ী তার কথা মতো সময়ে এসেছে। খুব দরকার। কিন্তু তাতেও কোনো পাত্তা নেই। অবশেষে লাঞ্চ টাইমে বেরোল শান্তনু। সঙ্গে একটি স্বল্পবসনা মেয়ে। দুজনেই সমানতালে হাসছে। শান্তনু যেন আত্রেয়ীকে দেখতেই পেল না। গলা তুলে রিসেপশনিস্টকে জিজ্ঞাসা করল, ‘মধু আমার টিফিনটা ক্যান্টিনে পাঠিয়ে দে।’ আত্রেয়ী কিছুক্ষণ বলবে কী বলবে না করে সবে বলতে যাচ্ছিল অমনি পাশের স্বল্পবসনা শান্তনুর হাতটাকে বগলদাবা করে বলল, ‘হেইইইই, তুমি কি এই ক্যান্টিনে লাঞ্চ করবে নাকি? পাশেই গোল্ডেন জয়। আজ আমি তোমায় লাঞ্চ করাব।’ শান্তনু একটু লজ্জা-লজ্জা ভাব করে মুখে ‘না না’ বলল বটে। তবে তার নেতিবাচক সুরে ইতিবাচক ইচ্ছেটা ঝলমল করে উঠল। দরজা দিয়ে বেরিয়ে যাচ্ছে ঠিক এমন সময় পথ আটকে দাঁড়াল আত্রেয়ী। ‘স্যার, স্যার একটু কথা ছিল।’ শান্তনুর মুখটা মুহূর্তে পালটে গম্ভীর হয়ে গেল। চোখ দিয়ে একবার আত্রেয়ীকে আদ্যোপান্ত মেপে জিজ্ঞাসা করল, ‘কী চাই?’

    — আপনিই আমায় আসতে বলেছিলেন। আমার ছবি তুলে দেবেন বলে।

    — অ্যাঁ। আমি আপনার ছবি তুলব! কেন?

    স্বল্পবসনা কাঁধ নাচিয়ে চোখ ঘুরিয়ে কিছু একটা করল। কিন্তু সেদিকে নজর দেওয়ার প্রয়োজন বোধ করল না আত্রেয়ী। মুখ ফসকে কী বলতে কী বলে ফেলেছে তাই তাড়াতাড়ি সামলে নিয়ে বলল, ‘না স্যার মানে ছবি তোলা নিয়ে কথা বলার জন্য ডেকেছিলেন।’ পাশের স্বল্পবসনা প্যাংলা মেয়েটা ঠোঁট উলটে বলল, ‘দেখছেন তো শান্ত এখন লাঞ্চ করতে যাচ্ছে। কেন ডিসটার্ব করছেন?’ আত্রেয়ীর চোখের মণিতে একটা বিষাক্ত কেউটে ফণা তুলে ফোঁস করে উঠল, ‘শুনুন, আমি আপনার কাছে ছবি তুলতে আসিনি। আর উনি যে খেতে যাচ্ছেন সেটা আমিও দেখতে পাচ্ছি। অসুবিধে থাকলে উনি বলুন না। মুখ তো ওঁরও আছে।’ রিসেপশনিস্ট মধু হকচকিয়ে উঠে দাঁড়ায়। শান্তনুও থ হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে। স্বল্পবসনা লালচুলো প্যাংলা মেয়েটা শান্তনুকে ঠেলা মেরে বলে ওঠে, ‘বাআবাআ! ঢোঁড়া সাপ আবার ফণাও তোলে?’

    — আপনাকে দেখে তো বেদেনি বলে মনে হচ্ছে না। তা কী করে বুঝলেন, আমি ঢোঁড়া না চন্দ্রবোড়া?

    — হাউ ডেয়ার ইউ?

    মাটিতে হিল ঠুকে তড়পে ওঠে মডেলসুন্দরী। আত্রেয়ী পাত্তাও দেয় না। শান্তনুর দিকে চোখ ফিরিয়ে বলে, ‘আপনি খেয়ে আসুন স্যার। আমি এখানে অপেক্ষা করছি। আগের দিন দু-ঘণ্টা করেছি। আজকে আড়াই ঘণ্টা করেছি। কাজটা না হওয়া অবধি অপেক্ষা করেই যাব। কিন্তু ছবিটা আমি তুলবই।’

    শান্তনু আরও একবার আগাপাস্তলা আত্রেয়ীকে মেপে নেয়। তারপর মেয়েটাকে নিয়ে বেরিয়ে যায়। আত্রেয়ী শুনতে পায় মেয়েটি শান্তনুকে বলছে, সে যেন কোনোভাবেই আত্রেয়ীর ছবি না তুলে দেয়। মনে মনে মেয়েটির উদ্দেশ্যে ‘হুঁঃ’ শব্দ করে মুখ বেঁকাল আত্রেয়ী।

    .

    লাঞ্চ করে ফিরে এল। আত্রেয়ী উঠে দাঁড়াল। পাশ দিয়ে প্রচণ্ড ব্যস্ততার অজুহাত দেখিয়ে স্টুডিয়োর ভেতরে ঢুকে গেল শান্তনু। সেদিন বিকেলে সিনেমার নামকরা পরিচালক ত্র্যম্বকেশ্বর মুখোপাধ্যায় এলেন শান্তনুর সঙ্গে মিটিং করতে। আত্রেয়ী দু-চোখে মুগ্ধতা নিয়ে দেখল তাকে। মনে মনে পল-অণুপল গুণে চলল সে। কবে? এমন দিন কবে আসবে তার জীবনে? খানিকক্ষণের জন্য চোখ লেগে গিয়েছিল আত্রেয়ীর। চোখ যখন খুলল তখন সন্ধে গড়িয়ে রাত। ঘড়িতে ন-টা। রিসেপশনিস্ট জানাল, শান্তনু খানিকক্ষণ আগেই বেরিয়ে গেলেন। নিজের ওপর রাগে, ক্ষোভে ফেটে পড়ল আত্রেয়ী। তবে সবটাই অন্তরে সুপ্ত রইল, তার অধরা স্বপ্নের মতো। এখন বুঝতে পারছে শান্তনুর অ্যাসিস্ট্যান্টকে খোলাখুলি কথাগুলো বলাটাই ভুল হয়েছে তার। আসলে প্রথমদিন যখন শান্তনুর সহকারীর সঙ্গে কথা হয়, তখনই সে বলেছে শান্তনুর যা রেট সেটা এই মুহূর্তে দিতে পারবে না। খুব সামান্য কিছু সে দেবে। তবে কথা দিচ্ছে, প্রয়োজনে তারা কাগজে-কলমেও চুক্তি করে নিতে পারেন যে, প্রথম যে কাজই পাক সেখান থেকে টাকা পেলে সবটা শোধ করে দেবেন। এখন শুধু ভালো ছবি তুলে একটা কাজ চাই।

    .

    আত্রেয়ী পরেরদিন স্টুডিয়োতে গিয়ে শোনে শান্তনু ত্র্যম্বকেশ্বরের একটা ফিল্মের ফটোশুট করতে গেছে। ঠিকানা নিয়ে আত্রেয়ীও সেখানে ছোটে। শান্তনুর সহকারী তো তাকে দেখে অবাক। ‘আপনি এখানেও পৌঁছে গেছেন?’

    আমি একটু পার্সোনালি দেখা করতে চাই স্যারের সঙ্গে। কথা বলতে চাই। আপনাকে তো আমি কিচ্ছু লুকোইনি। সব বলেছি। প্লিজ একটা সুযোগ করে দিন না।

    সেদিন ভেতর থেকে সহকারী একটা চিরকুট নিয়ে এল। সেখানে একটা ঠিকানা। সহকারী বলল, ‘আজ রাত দশটায় এই ঠিকানায় পৌঁছে যাবেন।’ এইটুকু বলেই চলে যাচ্ছিল কিন্তু আত্রেয়ী বলে উঠল, ‘এক মিনিট! এটা কোথাকার ঠিকানা?’ রেলা নিয়ে সহকারী জানাল, ‘আপনি লাকি। স্যার এত তাড়াতাড়ি কাউকে বাড়িতে ডাকেন না। স্পেশালি কাজের জন্য। আপনাকে ডেকেছে।

    — কিন্তু রাতে কেন?

    — কারণ সারাদিন উনি ভীষণ ব্যস্ত থাকবেন। রাতে বাড়ি ফিরে আপনার সব কথা শুনবেন। আপত্তি থাকলে বলে দিন। জানিয়ে দিচ্ছি।

    — না না। আপত্তি কীসের? ওঁকে বলবেন আমি ঠিক দশটায় পৌঁছে যাব। এক মিনিটও দেরি হবে না।

    মনে আর বুকে সহসা বিদ্যুতের আলো চিড়িক করে উঠলেও আত্রেয়ী সেটা বাইরের লোকটাকে বুঝতে দিল না। ‘অশেষ ধন্যবাদ’ জানিয়ে বেরিয়ে এল।

    .

    রাত ন-টা পঞ্চান্ন। বাঁশদ্রোনীর ঠিকানায় পৌঁছে গেছে আত্রেয়ী। বেলটা তিনবার বাজাতে হল। দরজা খুলে লম্বা বারান্দাতে বেরিয়ে এল স্বয়ং শান্তনু নিয়োগী। আত্রেয়ীকে দেখে মুচকি হাসল। গেট খুলে ভেতরে আসতে বলল। ঘরের ভেতর ঢুকতেই মদের গন্ধটা ভক করে আত্রেয়ীর কান মাথা ঝাঁঝিয়ে দিল। এই গন্ধটা একদম নিতে পারে না আত্রেয়ী। তা-ও সহ্য করে নিল। কিন্তু যেটা ওকে অস্বস্তিতে ফেলল তা হল বাইরের ঘরটায় আর-একটি মেয়ের উপস্থিতি। আত্রেয়ী ভালো করে বুঝতে চেষ্টা করল এই মেয়েটিই সেই আগের দিনের প্যাংলা সুন্দরী কিনা। কিন্তু কালো রঙের জামার নীচে গোদা গোদা ফরসা থাইদুটো আত্রেয়ীকে নিশ্চিত করল যে, এ সে নয়। এই মেয়েটির ভ্রূতে দুল, নাকের মাঝে নোলক, কানে চারটে করে মোট আটটা সিলভার কালারের দুল। মদের গ্লাস হাতে নিয়ে সোফায় এলিয়ে আছে। বুকের জামা থেকে ঠেলে উঠেছে সুডৌল স্তনের মোলায়েম হাতছানি। হাবেভাবে শান্তনু নিয়োগীর মতো যে-কোনো পুরুষের ঘুম উড়িয়ে দেবে।

    — বসুন।

    শান্তনুর কথায় হালকা করে হেসে সোফায় বসল আত্রেয়ী। শান্তনু ড্রিংক অফার করল।

    — থ্যাংক ইউ। খাই না।

    শান্তনু ভ্রূ উঁচিয়ে অবাক হল। ভাবখানা এমন যেন এই প্রথম কোনো মেয়ে মদ খাবে না বলল। ‘কোল্ড ড্রিংকস?’ আত্রেয়ী আবারও বেশ সংকোচের সঙ্গে বলল, ‘না। আসলে আমার ভীষণ মোটা হওয়ার ধাত। কোল্ড ড্রিংকস মানেই ফ্যাট। ভাই যতটা পারি এড়িয়ে যাই। আমি জাস্ট আপনার সঙ্গে কথা বলেই চলে যাব।’

    কাচের গ্লাসে একটা চুমুক দিয়ে শান্তনু বলল, ‘আমার একটু সময় লাগবে মিস…

    — আত্রেয়ী সেন।

    — মিস আত্রেয়ী। আসলে সারাদিন এত হেকটিক শিডিউল ছিল আমার মাথা থেকে পা পর্যন্ত পুরো জ্যাম হয়ে গেছে। শরীরটা জাস্ট কোনো কাজ করছে না।

    এত রাতে ডেকেও ন্যাকামো। আত্রেয়ীর বিরক্ত লাগলেও মুখে হাসিটাকে স্টিকারের মতো মেরে রেখেছে। পাশে বসা মেয়েটার দিকে চোখের ইশারায় দেখিয়ে বলল, ‘ও রোজি। আমায় মাঝেমধ্যেই মাসাজ করাতে আসে। অফফফ,

    কী বলব আত্রেয়ী, রোজির হাতে জাদু আছে। ও তো আমায় পুরো স্বর্গে নিয়ে যায়।’ সেই কথা শুনে রোজি আবার ঘাড় বেঁকিয়ে ফিচফিচ করে হাসল। চোখ নেশায় ঢুলুঢুলু। ও করাবে মাসাজ! আড়চোখে তাকিয়ে আত্রেয়ী তার কিছুটা হাসি রোজির দিকেও ছুড়ে দিল।

    — এখানে কত রাত পর্যন্ত গাড়ি পাওয়া যায় স্যার?

    — যত রাত চাও।

    — ও।

    — তুমি আজ আমায় অবাক করে দিয়েছ। ভাবিনি এত রাতে তুমি আসবে।

    — অ্যাক্টিঙে চান্স আমায় পেতেই হবে স্যার। এতে আমায় যত রাত জাগতে হয়, তত রাতই জাগব।

    কথাগুলোর মধ্যে স্বপ্নসত্যির যে আগুন আগ্নেয়গিরির মতো বেরিয়ে এল আত্রেয়ীর গলা দিয়ে তার আঁচ রোজি আর শান্তনু দুজনকেই স্পর্শ করল। ‘বেশ। অপেক্ষা করো তাহলে। আমি আর বসতে পারছি না। রোজি, কাম টু মাই বেড।’ কথাটা বলে হাত বাড়িয়ে দিল শান্তনু। রোজি কোঁকড়ানো চুল ঝাঁকিয়ে শান্তনুর গায়ে ঢলে পড়ে ভেতরে ঢুকে গেল। আত্রেয়ী অবাক চোখে চেয়ে দেখল।

    .

    ঘড়ির কাঁটা ঘুরে চলল। ঘরের বাইরে গাড়ির আওয়াজ কমে গেল। মাঝেমধ্যে দু-একটা সাইকেল বা ভ্যান টিংটিং করে হর্ন দিয়ে ছুটে যাচ্ছিল। এখন সেটাও শোনা যাচ্ছে না। ভেতর থেকে দু-তিনবার মেয়েটার গলার আওয়াজ ভেসে এল। আত্রেয়ী একটু সজাগ হয়ে বসল। কী করবে? ভেতরে গিয়ে দেখবে? না থাক। যাদের ব্যাপার তারা বুঝুক। ঘড়ির কাঁটা বারোটা ছুইছুই। অনেকক্ষণ ধরে চেপে আছে আত্রেয়ী। একবার বাথরুম না গেলেই নয়। শান্তনুবাবুকে ডাকবে? ঠিক হবে কী? নাহ্! নিজেই একটু ভেতরে গিয়ে দেখুক বরং। নিশ্চয়ই সামনেই বাথরুম থাকবে। আত্রেয়ী ভেতরের ঘরে ঢুকল। ডাইনিং রুম। আলোটা জ্বলছে। সোজাসুজি একটা বন্ধ দরজা দেখল। ওটাই বোধহয় বাথরুম। এগিয়ে গিয়ে দরজা ঠেলতেই দেখল ও ঠিকই ভেবেছিল। আলো জ্বালিয়ে বাথরুমে ঢুকে গেল। বেরিয়ে এসে আলো নিভিয়ে এগোতে যাবে আবার মেয়েটার গলা। তীক্ষ্ণ স্বরে উহ! আঃ!’ করছে। আত্রেয়ী বুঝল এই শব্দের মধ্যে কোনো যন্ত্রণা নেই। আছে অপার্থিব সুখ। শব্দটা যেন আত্রেয়ীকে টানছে। সে এড়িয়ে যেতে চাইলেও পারছে না। ডাইনিঙের পাশেই সরু প্যাসেজ। ওদিকটা খানিক অন্ধকার। সেখানে বন্ধ দরজা। তার ভেতর থেকেই রোজির সরু গলাটা নিশির ডাকের মতো আত্রেয়ীকে টানছে। বন্ধ দরজাটার কাছে এগোতেই আত্রেয়ী বুঝল রোজির গলাটার সঙ্গে মিশে আছে শান্তনুর ঘন ঘন শ্বাস। দরজায় কান পাততেই আত্রেয়ীর সামনে মাসাজের ছবিটা স্পষ্ট হয়ে উঠল। ঘরের ভেতরে শীৎকারধ্বনিতে চরমতম শরীরী খেলায় মেতে উঠেছে দুটো শরীর। দরজার বাইরে আত্রেয়ীর নিশ্বাস ঘন হয়ে এল। বুকটা ঘন ঘন উঠছে আর নামছে। গলায়, কপালে ঘাম ফুটে উঠেছে। দরজার ওপর কান পাততে গিয়ে কখন যে আত্রেয়ীর কাঁধ লেগে ভেজানো দরজাটা খানিকটা খুলে গেছে সেটা প্রথমে টের পায়নি। শব্দের অভিঘাতটা বাড়তেই আত্রেয়ীর চোখ পড়ে দরজার দুটো পাল্লার ফাঁকে। ঘরের ভেতর বিছানায় যে রতিতাণ্ডব চলছে তা দেখে আত্রেয়ীর শরীরটা টলে যায়। আর এক মুহূর্তও সেখানে না দাঁড়িয়ে বাইরের ঘরে এসে সোফা থেকে ব্যাগটা তুলে নেয়। বুঝতে পারে, শান্তনু আত্রেয়ীকে ফাঁসাতে চাইছে। ন্যায্য পয়সা দিতে পারবে না বলে অন্যভাবে টাকাটা উশুল করবে। নিমেষের মধ্যে দরজা খুলে বারান্দায় এসে দাঁড়ায় আত্রেয়ী। গেটটা খোলাই আছে। ইচ্ছে করলেই বেরিয়ে যেতে পারে। কিন্তু এই মাঝরাতে যাবেটা কোথায়? রাস্তা শুনশান। দূরে একটা মাতাল জড়ানো গলায় আবোল-তাবোল গান গাইছে। দু-একটা কুকুর ডাকছে। এই সময় রাস্তায় একা বেরোলে অন্য বিপদ যে আসবে না তা কে বলতে পারে? গাড়িও নেই। অতএব এখান থেকে বাড়ি ফেরা অসম্ভব। কান্না পেয়ে যায় আত্রেয়ীর। আবার ঘরের ভেতর চলে আসে। সোফায় বসে কেঁদে ফ্যালে। কী করবে সে এখন? পরক্ষণেই নিজেকে প্রশ্ন করে, আচ্ছা, ও কী দুর্বল হয়ে পড়ছে? না না। ভেঙে পড়লে তো একদম চলবে না। ও তো সব কিছু জেনেশুনেই এই জগতে আসতে চায়। বাবার সঙ্গে মুখ দেখাদেখি বন্ধ। সংসারে একটা পয়সাও দিতে পারে না আত্রেয়ী। দিনরাত টাকার খোঁটা। চরিত্রের খোঁটা তো আছেই। ভালো জিনিস মানুষ ভুলে যায়। কিন্তু কলঙ্ক একবার লেগে গেলে আমরণ পিছু ছাড়ে না। ছাব্বিশ বছরের জীবনে আত্রেয়ী এটা ভালো মতন বুঝে গেছে। মরুক গে যাক, লোকে কী বলল তাতে কবেই-বা ওর কিছু যায় এসেছে? সে তো আর কারও প্রাণ নিচ্ছে না। নিজের বিবেক ছাড়া কাউকে খুনও করছে না। তাই আততায়ী আর শিকার যখন একজনই তখন চিন্তা কী? ক্ষণিকের আবেগে যেটুকু নোনতা জল আত্রেয়ীর চোখ ঠেলে উপচে পড়েছিল সেটুকুর চিহ্ন মুহূর্তে মুছে ফেলল সে। পায়ের ওপর পা তুলে শরীরটাকে নরম সোফায় এলিয়ে দিল। মাথার ওপর সিলিঙে ভাসিয়ে দিল চোখদুটোকে। আত্রেয়ী জানে, সাপ তার বিষ একবার উগরে দিলে সে নিস্তেজ হয়ে পড়বে। সঙ্গে এটাও নিশ্চিত, আজ রাত তার এই বাড়িতে এই সোফাতেই কাটবে। লম্বা শ্বাস নিল আত্রেয়ী।

    .

    ঘড়ির কাঁটা অনিশ্চয়তার রাত পেরোচ্ছে। চোখের পাতাগুলোকে কিছুতেই এক হতে দিচ্ছে না আত্রেয়ী। ক্লান্তিতে ঘুমে ভেঙে আসছে শরীর। কিন্তু না, এখন মনের চেয়ে শরীরের দামটাই বেশি। তাই তাকে ভেঙে পড়তে দিলে চলবে না। একসময় মনে হল বাইরে পাখি ডাকল। দু-একটা সাইকেল, রিকশার টিংটিং বেজে উঠেছে। হাত উলটে ঘড়ি দেখল আত্রেয়ী। ভোর সাড়ে পাঁচটা বেজে গেছে। হঠাৎ ঠক খটাস করে শব্দ হওয়াতে সোজা হয়ে বসল আত্রেয়ী। চোখ দরজার ওপর পড়তেই দেখল রোজি সেজেগুজে বেরোচ্ছে। পিছনে শান্তনু। দুজনেই আত্রেয়ীকে দেখে হকচকিয়ে গেছে। আত্রেয়ী রীতিমতো শান্তনুর চোখে চোখ রেখে ঠায় চেয়ে রইল। শান্তনু ও বুঝল নবাগতা এই মেয়েটির চোখে গতরাত পর্যন্ত যে বিনয়, কাকুতি-মিনতি ছিল সেসব উধাও। বলতে বাধ্য হল শান্তনু, ‘ও হো! এক্সট্রিমলি সরি মিস আত্রেয়ী। আপনাকে…’

    আর কিছু বলার আগেই আত্রেয়ী বলে উঠল, ‘না না সরি বলছেন কেন? সারা রাত চূড়ান্ত বডি মাসাজের পর আমার নামটা যে আপনার মনে আছে এই তো অনেক!’ শান্তনুর মনে হল, কোনো কামারশালায় ধাতব কিছুতে শান দেওয়ার শব্দ হল। কথা না বাড়িয়ে রোজিকে বলল, ‘রোজি বাই। সময় মতো চলে এসো তাহলে।’ রোজিও হেলেসাপের মতো কোঁকড়াচুলো মাথা হেলিয়ে বলল, ‘ওকে শান্তনু। বাই। শান্তনুর মুখের সামনে কতগুলো রাক্ষুসে নখওয়ালা আঙুল নেড়ে বেরিয়ে গেল। শান্তনু দরজাটা বন্ধ করে দিল। ‘চা খাবেন?’ শান্তনুর খাতিরদারিতে হাসি পেল আত্রেয়ীর। সোফা ছেড়ে উঠে দাঁড়াল। এগিয়ে গেল শান্তনুর সামনে। চোখের ওপর চোখ রেখে বলল, ‘সারা রাত জাগিয়ে রেখে সকালে শুধু চা?’ শান্তনু আমতা-আমতা করে বলল, ‘না না, বলুন না আর কী খাবেন? স্যান্ডউইচ, ম্যাগি, পাস্তা আর

    এবার আর হাসি চেপে রাখতে পারল না আত্রেয়ী। শরীর দুলিয়ে ঝাঁকিয়ে খলখলিয়ে হেসে বলল, ‘ব্যাস ব্যাস, এই যে বলেছেন আপনার এতেই কত লস হয়ে গেল বলুন তো? একেই আমি আপনার রেট দিতে পারছি না বলে আমায় হেনস্থার পর হেনস্থা করে চলেছেন তার ওপর আবার এসব খাবার খেলে যে বিল হবে সেটা তো আমাকে বেচেও পাওয়া যাবে না।’ শান্তনুর গালদুটো জ্বলে উঠল। মনে হল কেউ কষিয়ে দুটো থাপ্পড় মারল। গলায় একটু ঝংকার তুলে শান্তনু বলল, ‘শুনুন, ওটা আমার প্রফেশন। সেখানে কোনো কম্প্রোমাইজ করি না আমি।’

    — কম্প্রোমাইজ করেন না। কম্প্রোমাইজ করান। বেশ।

    বলেই গায়ের ওড়নাটা পাশের সোফায় ছুড়ে ফেলে দেয় আত্রেয়ী। শান্তনুকে চমকে দিয়ে গায়ের কামিজ ঝট করে খুলে ফেলে। বেচারা কামিজটা নরম সোফায় আত্রেয়ীর লজ্জাটুকু সম্বল করে কুঁকড়ে পড়ে থাকে। শান্তনু দু-পা পিছিয়ে বলে ওঠে, ‘এ-এসব কী করছেন?’

    — অ্যাডভান্স করছি। ওটা ছাড়া তো আপনি কাজ করেন না।

    কথাটা বলতে বলতে এগিয়ে যায় শান্তনুর দিকে। দু-হাত দিয়ে খামচে ধরে শান্তনুর দুটো পেশিবহুল হাত। শান্তনু চূড়ান্ত অপ্রস্তুত। কল্পনাতেও ভাবেনি এই মেয়ে এত সহজে এত দূর পর্যন্ত যেতে পারে।

    — ইন্ডাস্ট্রিতে তো এত ক্যামেরাম্যান আছে। তা সত্ত্বেও আমি কেন আপনার পেছনে পড়ে আছি বলুন তো?

    আত্রেয়ীর গলাটা সাপের মতো হিসহিস করছে। ‘কেন?’ শান্তনু জিজ্ঞেস করল।

    — ত্র্যম্বকেশ্বর মুখোপাধ্যায়, ঋতম ঘোষ, অনিন্দিতা সেন এরা প্রত্যেকে আপনার কাছ থেকে নায়িকা তোলে। কারণ তাদের সঙ্গে আপনার দারুণ খাতির। আমি সেইসব পরিচালকের ছবিতেই কাজ করতে চাই। কাজ আমায় পেতেই হবে। আমার কাছে তো পয়সা নেই। থাকার মধ্যে আছে শুধু এই…

    .

    বলে নিজের প্রায় অনাবৃত শরীরের দিকে ইশারা করে। তারপর নাগিনীর মতো খল-হাসি হেসে বলে, ‘নিন, অ্যাডভান্সটা গ্রহণ করুন!’ শান্তনু ঘন ঘন দু-বার নিশ্বাস ছেড়ে বলে, আত্রেয়ী কুল।’

    — বিলকুল। আমি ফুল্লি কুল। কিন্তু আপনার কী হল শান্তনুবাবু? রাতে একবার বিষ ঢেলেই টোড়া সাপ হয়ে গেলেন?

    শান্তনুর ভ্রূ দুটো কুঁচকে গেল। কথার আঁচ ভালোই বুঝল সে। আত্রেয়ী ছুরির মতো গলার স্বরে শান দিয়ে বলল, ‘দ্বিতীয়বার করার মুরোদ যখন নেই তখন ইন্ডাস্ট্রির কচি মেয়েগুলোকে বগলে চেপে ঘোরেন কেন? রাতে মাসাজ নেবার জন্য?’

    কথার চাবুক পড়া মাত্রই শান্তনু তার পেশিবহুল দক্ষিণ বাহুপাশে ঝপাৎ করে বেঁধে নিজের বুকের ওপর চেপে ধরল আত্রেয়ীকে। দাঁতেদাঁত দিয়ে আত্রেয়ীর মুখের সামনে হিসহিস করছে সে-ও। আলতো আলোমাখা নরম সকালে এমন আগুনে কক্ষনো শরীর সেঁকেনি শান্তনু। আত্রেয়ীও জ্বলে উঠেছে। আজ সে স্বেচ্ছায় তার সর্বস্ব পুড়িয়ে ছারখার করে দেবে। শান্তনুর ঠোঁটে তর্জনী রেখে আত্রেয়ী বলে, ‘শুধু একটা রিকোয়েস্ট, অন্য কারও ধামসানো বিছানায় আত্রেয়ী সেন উঠবে না। শান্তনুর ঠোঁটে বাঁকা হাসি। নরম সুরে ফিশফিশে গলায় আত্রেয়ীকে বলল, ‘কাল সকাল দশটায় পোর্টফোলিয়ো স্টুডিয়ো। দেরি কোরো না।’

    — বুঝলাম। শান্তনুর ওপর প্রতিশোধ নিতেই তন্ময়ের সঙ্গে…

    সূর্যর কথা শেষ করতে না দিয়েই সায়ন বলে উঠল, শরীরের খিদে আর কেরিয়ারে টপে যাওয়ার খিদে এই দুটোকে অত লঘু করে দেখো না সূর্য। আত্রেয়ী সেনের কেরিয়ার গ্রাফটা শুধু খেয়াল করো। প্রথমে শান্তনুকে পাকড়াও করলেন যে কিনা ছবি তোলে। কারণ ওঁর অভিনয়ে প্রবেশ করতে একজন স্টিল ক্যামেরা পার্সন প্রয়োজন। শুধু প্রবেশই নয়। ভালোভাবে প্রবেশ। যতদূর মনে হয় ওঁর প্রথম ছবিই ছিল ত্র্যম্বকেশ্বরের বিজয়িনী। কী তাই তো বন্দনা ম্যাডাম?’

    বন্দনা ওপর নীচে ঘাড় নাড়ে। বলে, ‘স্যারই কন্ট্যাক্ট করিয়ে দিয়েছিলেন। তখন আত্রেয়ী সেন আর শান্তনু নিয়োগীর তুমুল প্রেম।’

    আবার সায়ন বলতে শুরু করল, ‘খবর আছে আত্রেয়ী সেন আর শান্তনু দীর্ঘ ছয় বছর লিভ ইন রিলেশনে ছিলেন। সেই সময় ব্যাংকক, পাটায়া, আন্দামান, প্যারিস হানিমুনের পর হানিমুন। কী তাই তো বন্দনা ম্যাডাম?’ বন্দনা আবারও ঘাড় নেড়ে ‘হুম’ বলে। আরও বলে যে বাড়িতে মাঝ সিঁড়িতে যে বিশাল ছবিটি আছে সেটা শান্তনু স্যারেরই তোলা। আন্দামানে। ছবিটার কথা ওঠাতে এক ঝলক দৃশ্য সায়নকে নাড়িয়ে দিল নতুন করে। দেয়াল জোড়া অত বড়ো ছবিটার ওপর থেকে নীচ পর্যন্ত লাল কালি দিয়ে কোনো মানুষের পক্ষে কী ক্রস আঁকা সম্ভব? কোনো একটা মানুষ মই নিয়ে খেটেখুটে এই কাজটা করবে এই যুক্তি গ্রহণ করার মতো একেবারেই নয় যদি না সে উন্মাদ হয়।

    — স্যার। স্যার।

    সূর্য দু-বার ডাকল সায়নকে। ভাবনার ঘেরাটোপ থেকে বেরিয়ে নিজে একটু সোজা হয়ে বসে পড়ল। ‘কিছু ভাবছেন?’ প্রশ্ন করল সূর্য।

    — না না। যা বলছিলাম। আত্রেয়ী সেন একজন নামজাদা অভিনেত্রী হবেন বলে শান্তনুর মতো একজন মেয়েবাজ দুশ্চরিত্র লোকের সঙ্গে প্রেম করতেও দ্বিধা করেননি। এমনকি বিয়েও করেছেন। আর তারপরে দিন এগোল। আত্রেয়ী সেন নাম করলেন। এবার আর স্টিল নয়, একেবারে সিনেমাটোগ্রাফারকে পাকড়ে ফেললেন। হলই-বা সে তার থেকে বয়সে বছর সাতেকের ছোটো। এবার তাকে স্বনামধন্য অভিনেত্রী তার মোহের জালে বেঁধে সাইড করতে থাকেন স্টিল ক্যামেরাকে ওরফে তার স্বামীকে।

    — আচ্ছা আপনারা যখন সবটাই জানেন তাহলে খামোখা আমাকে এখানে বসিয়ে রাখার মানেটা কী?

    রীতিমতো খেপে উঠল বন্দনা। সায়ন, সূর্য আর সোমদত্তা অবাক। সোমদত্তা বলল, ‘বাবা! গায়ে লাগল নাকি?’ সূর্য ঠাট্টা করল, ‘বটেই তো বটেই তো। এতকাল ম্যাডামের নুন খেয়ে তার নামে বদনাম নিজের কানে শোনা… ছি ছি… এ পরম পাপ’!

    রাগে বন্দনার সারা গা রি রি করে ওঠে। সায়ন জিজ্ঞেস করে, ‘আচ্ছা একটা কথা বলুন দেখি, এই তন্ময় হালদার লোকটা কবে থেকে ঠিক কোন কোন সময়ে আপনার প্রণম্য ম্যাডামের বাড়িতে আসতেন?’

    — আমি ক্যালেন্ডার দেখিনি। তাই এক্স্যাক্ট বলতে পারব না।

    সূর্য উত্তেজিত হয়ে বলে ওঠে, ‘আরে বাবা একটা সময় তো খেয়াল আছে আপনার? সেটাই বলুন না। সবথেকে বড়ো কথা শান্তনু থাকাকালীন কি আসতেন আত্রেয়ী সেনের বাড়ি?’

    বন্দনা কিছুক্ষণ চুপ থেকে মুখ নীচু করে ভাবে। তারপর সামনে ঝুলন্ত আলোতে চোখ মেলে বলে, ‘প্রথম দিকে আসত না।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ৪৭৪ – ডার্টি গেম
    Next Article নীরেন ভাদুড়ি সমগ্র ৩ – সৌভিক চক্রবর্তী
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }