Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মৃত জ্যোৎস্নার রাত্রি – অভিষেক চট্টোপাধ্যায়

    অভিষেক চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প526 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মৃত জ্যোৎস্নার রাত্রি – ২৫

    পঁচিশ

    মোম-জোছনায় গা ভিজিয়ে জানলার পাশে বসে আছে বিনোদিনী। পরনে বিধবার বরাদ্দ সাদা থান। মাথার মাঝে শূন্য আলপথের মতো খাঁ খাঁ করছে বিবর্ণ সিঁথি। বিয়ের অনতিকাল পরেই বিধবা হয়েছে সে। বাঞ্ছিত সম্মিলনে যৌবন তার সম্মান পায়নি। বিধবা হয়েও সর্বনাশা ভালোবাসা গ্রাস করেছে তাকে। নিতম্ব ছাপানো এলো চুল মাটিতে লুটোচ্ছে অনাদরে। অন্তরে তার প্রাণনাথের জন্য প্রতীক্ষা কিন্তু শেষ হয়নি এখনও। তাই তো ভর সন্ধেবেলা গান উঠেছে গলায়। ‘আমারে যে জাগতে হবে, কী জানি সে আসবে কবে/ যদি আমায় পড়ে তাহার মনে/ বসন্তের এই মাতাল সমীরণে। আজ জ্যোৎস্নারাতে সবাই গেছে বনে।’ এই এত বড়ো অংশের টেকটা এক শটে দিল আত্রেয়ী। তন্ময়ও সময় মেপে ক্যামেরা ট্রলি করল। পরিচালক ঋতম ঘোষ খুশি। হাততালি দিল সবাই। জোর গলায় লাঞ্চ ঘোষণা করলেন পরিচালক। ট্রলির ওপর বসেই মুগ্ধ চোখে আত্রেয়ীকে দেখছিল তন্ময়। দারুণ শট দেওয়ার জন্য সবাই প্রশংসা করছে। আত্রেয়ী হালকা হেসে থ্যাংক ইউ বলে এগিয়ে আসছিল। বন্দনা মনিটরের সামনে দাঁড়িয়েছিল। ম্যাডামকে নিয়ে মেকআপ রুমে যাবে। সে খেয়াল করল ম্যাডাম হেঁটে আসছে। আড়চোখে তন্ময়ের দিকে তাকিয়ে আর তন্ময় ঘাড় বেঁকিয়ে হাসিমুখে আত্রেয়ীকে দেখছে। পাশ দিয়ে যাবার সময় তন্ময়ের হাতে একটা চিমটি কেটে ফ্লোরের দরজার দিকে চলে গেল। বন্দনা মনে মনে হাসল। এত দিনে বুঝেছে, এই সোহাগি চিমটিটা ম্যাডামের ইঙ্গিত। মেকআপ রুমে আত্রেয়ী ঢোকার পরেই তন্ময় আসবে। কোনো ছুতোয় বেরিয়ে যেতে হবে বন্দনাকে। আর তারপর ভেতর থেকে ছিটকিনি দিয়ে খানিক অত্যন্ত গোপন আলাপচারিতা হবে দুজনের মধ্যে।

    ফ্লোর ইপি ভিকি বিশ্ব হারামির এক হারামি। গোপন আলাপে কী হয় বন্দনাকে সে-ই দেখিয়েছিল একদিন। আড়ালে ডেকে বলেছিল, ‘তোর ম্যাডাম আর তন্ময় ঘরে ঢুকলেই তুই বেরিয়ে আসিস কেন রে?’ বন্দনা বলেছিল, ‘ম্যাডামের জুস নিতে আসি তো।’

    — সে তো আগে থেকেই রুমে রেখে দিতে পারিস।

    — আগে থেকে বললে তো রাখব। ম্যাডামের হঠাৎ হঠাৎ ইচ্ছে জাগে। ভিকি ফ্যাক করে হেসে ফেলে। বলে, ‘ওটাই তো কায়দা।’

    — মানে?

    — মানে? এই দ্যাখ।

    বলেই ওর মোবাইলটা হাত দিয়ে আড়াল করে বন্দনার মুখের সামনে ধরে। বন্দনা দেখে আত্রেয়ীকে জড়িয়ে ধরে ঠোঁটের মধ্যে ঠোঁট ডুবিয়ে দিয়েছে তন্ময়। বন্দনা হাঁ করে মুখে হাত চাপা দেয়। দুজনে জড়াজড়ি করে গভীর চুমু খেতে খেতে মাঝে মাঝেই ব্যালেন্স হারিয়ে টলে যাচ্ছে। তন্ময়ের চুমুটা ঠোঁট থেকে গাল বেয়ে গলা পর্যন্ত নেমে এসেছে। আত্রেয়ী খামচে ধরেছে তন্ময়ের পিঠ। হাত দিয়ে টেনেটুনে যতটা পারে আত্রেয়ীর বুকের ওপরের জামা নামিয়ে নরম মাংসল স্তনের ভেতর মুখ ডুবিয়ে দিচ্ছে। বন্দনা দেখতে দেখতে লজ্জায় লাল হয়ে যাচ্ছে। গলা শুকিয়ে আসছে বন্দনার। ভিকি পাশে দাঁড়িয়ে দৃশ্যের উষ্ণতা আর বন্দনার লজ্জা পাওয়া তারিয়ে তারিয়ে উপভোগ করছে। হঠাৎ মেকআপ রুমের দরজায় ধাক্কা। হাবুডুবু খেতে থাকা দুটো মানুষ চকিতে দরজার দিকে তাকায়। আত্রেয়ী চটপট ঘেঁটে যাওয়া চুল ঠিক করতে করতে আয়নার সামনে বসে পড়ে। তন্ময় চটজলদি রুমাল দিয়ে মুখে ফুটে ওঠা হালকা ঘাম মুছে নিয়ে দরজা খোলে। এরপর বন্দনার আরও লজ্জা করে। মোবাইলে দেখে আর কেউ নয়, সেদিন বন্দনাই ম্যাডামের জুস হাতে মেকআপ রুমে এসেছে। পাশ থেকে ভিকি বলে, ‘দেখেছিস পোড়ারমুখি, সেদিন কী সব্বোনাশটা ঘটিয়েছিলি? ভিডিয়োটা যেই গরম থেকে আরও গরম হচ্ছে অমনি তুই সবটা ভণ্ডুল করে…শালা!’

    — আমি কী করে জানব? আর তুই-ই বা এটা পেলি কী করে?

    — ভিডিয়োতেই আছে। দেখ।

    বন্দনা অবাক চোখে আবার ভিডিয়োটা চালায়। দেখে ভিকি নিজে ঢুকে আত্রেয়ীকে বলল, ‘ম্যাডাম পরের শট রেডি। আপনি চলে আসুন।’ বলেই ক্যামেরার দিকে এগিয়ে এসে হাতটা বাড়ায়। তারপরেই ক্যামেরাসমেত গোটা দৃশ্যটাই তুমুল নড়েচড়ে ওঠে। ভিকি বন্দনাকে বলল, ‘আমার ব্যাগ আর মোবাইল তো থাকতেই পারে ওই ঘরে তাই না?’

    — ইসসস! ছি ছি। এটা তোর একদম উচিত হয়নি। শিগগির ডিলিট কর।

    ভিকি অমনি বন্দনার হাত থেকে মোবাইল কেড়ে নিয়ে আদ্যিকালের পিসিমাদের মতো বলে ওঠে, ‘ওরে মাগি ভাতারখাকি, আমি আমার মোবাইলে কী রেকর্ড করব না করব সেকি তোকে বলে করব নাকি র‍্যা? বজ্জাত মেয়েছেলে!’ বন্দনা হাসতে হাসতে ভিকির পিঠে চটাস করে চড় কষিয়ে বলে, ‘তুই মহা শয়তান। ম্যাডামের পিন্ডি চটকে আবার ম্যাডামেরই সিনেমার ডায়লগ ঝাড়ছিস?’

    মেকআপ রুমে আয়নার সামনে আত্রেয়ী বসেছিল। তন্ময় ঘরে ঢুকেই পেছন থেকে জাপটে ধরে হাপুস-হুপুস চুমু খেতে থাকে। ‘আরে ছাড়ো ছাড়ো কী করছ? মেকআপ নষ্ট হয়ে যাবে। কন্টিনিউটি আছে তো।’ চুমু খেতে খেতেই তন্ময় বলে, বন্দনা আছে তো।’

    — হোক। সরো।

    বলে তন্ময়কে ঠেলে সরিয়ে দিল আত্রেয়ী। নীচু গলায় বলল, ‘দরজা খোলা তন্ময়।’

    — তাতে কী? আমি আমার প্রেমিকাকে আদর করছি। কার বাপের কী?

    — ইসসস! বীরপুরুষ একেবারে। বাড়িতে আসো না কেন? হুঁ?

    তন্ময় সোফায় বসতে বসতে বলল, ‘সে-এ তো বাওয়াল চাই না তাই।’

    — চুপ করো। আমার বাড়িতে তুমি আসবে বাওয়ালের কী আছে?

    — কী দরকার? বেকার আমার জন্য তোমার অশান্তি বাড়বে।

    — ছেঁটে ফেলব।

    — অ্যাঁ?

    অশান্তি ছেঁটে ফেলব। আর নেওয়া যাচ্ছে না। আমার সুখ আমার তন্ময়। অনেক কষ্ট করে অনেক কিছু মূল্য দিয়ে আজ সেটা অর্জন করেছি। কোনো গুড ফর নাথিঙের জন্য আমার লাইফটা হেল হয়ে যেতে দিতে পারি না।

    — তাহলে যাব বলছ?

    — ন্যাকা। আমি তো কবে থেকে বলছি এসো এসো। তুমিই তো খালি ধানাই-পানাই করছ।

    — চলো না তুমি আর আমি বাইরে কোথাও থেকে ঘুরে আসি।

    — এখন? ঋতমের চোখের বালি শেষ হলে মিন্টুর ছবিটার ডাবিং বাকি। সব মিলিয়ে মাসখানেকের ধাক্কা।

    — তারপরেই না হয় যাব।

    — এই শোনো, শটের পর সবাই আমার প্রশংসা করল। এমনকি ঋতমও। তুমি করলে না কেন গো?

    তন্ময়ের ঠোঁটে প্রেমিক-প্রেমিক হাসি। ‘হাসছ যে?’

    — সব কথা মুখে বলে বোঝাতে হবে?

    আহ্লাদী সুরে আত্রেয়ী দাবি জানাল, ‘হ্যাঁ হবে।

    — বেশ! সারপ্রাইজ থাক তবে।

    বলেই সোফা ছেড়ে উঠে পড়ল। আত্রেয়ী বলল, ‘মানে?’ আবারও একটা রোমান্টিক হাসি ছুড়ে দিয়ে তন্ময় বলল, ‘লাঞ্চ করে নাও। পরের শটেও ফাটিয়ে দিতে হবে।’ কথাটা শেষ করেই মেকআপ রুমের দরজাটা ঝট করে টেনে খুলে বেরোতে গিয়েই থমকে গেল। বন্দনা দাঁড়িয়ে আছে। ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে গেল সে-ও। ‘এ কী তুমি? নক করোনি কেন?’ তন্ময়ের কথায় ঘাবড়ে গিয়ে প্রথম কথাটা জিভের ডগায় এসে পিছলে গেল, ‘এ-এই তো। নক করতেই যাচ্ছিলাম। ওই সময়েই আপনি… ম্যাডামের জুস এনেছিলাম।’ তন্ময় আর কথা বাড়াল না, ‘যাও’ বলে বেরিয়ে গেল।

    সেই সপ্তাহের রবিবারেই এগারোটা-সাড়ে এগারোটা নাগাদ আত্রেয়ীর বাড়ি এল তন্ময়। হাতে একটা চকচকে গিফট র‍্যাপারে মোড়া বাক্স। আত্রেয়ী তো আপ্লুত। বন্দনা দূরে দাঁড়িয়ে দেখল শান্তনুর চোয়ালদুটো যত শক্ত হচ্ছে তন্ময়কে নিয়ে আত্রেয়ীর আদিখ্যেতা আরও বাড়ছে। বাড়ির নীচের বসার ঘরে বসেই ফোনে কথা বলছিল শান্তনু। কারওর কাছ থেকে ছবি তোলার কোনো অ্যাসাইনমেন্ট পাওয়ার কথা ছিল। সেই ব্যাপারেই কথা হচ্ছিল। তবে সেই কথায় যত না মন ছিল তার চেয়ে বেশি মন ছিল আত্রেয়ী ও তন্ময়ের পাশাপাশি বসে থাকার দিকে। তন্ময় যদিও ঢুকেই হাত নেড়ে মিষ্টি করে হেসেছে। কিন্তু তাতে শান্তনুর খুব একটা কোনো প্রত্যুত্তর অভিব্যক্তি চোখে পড়েনি। বাক্স দেখে আত্রেয়ীর প্রশ্ন, ‘এইটা কী?’ তন্ময় বলল, ‘এক-এর পর এক দুরন্ত শট দেওয়ার উপহার। বলেছিলাম না সারপ্রাইজ!’ অষ্টাদশীর মতো হাতদুটো গালে দিয়ে চোখ পাকিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করল আত্রেয়ী। উৎফুল্ল হয়ে তক্ষুনি র‍্যাপার খুলতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে সে। এইসময় ফোনটা কান থেকে নামিয়ে ফুট কাটে শান্তনু, শট ভালো দিয়েছে বলে ডিরেক্টরের থেকে ক্যামেরাম্যানের আনন্দটা একটু বেশিই মনে হচ্ছে!’ আত্রেয়ীর হাত থেমে যায়। ভ্ৰূটাও কুঁচকে যায়। প্রথমটা তন্ময় একটু থমকালেও মুহূর্তে সামলে নিয়ে হেসে হেসে জবাব দেয়, ‘ঠিক ধরেছেন শান্তনুবাবু, সত্যিই আমার আনন্দটা ডিরেক্টরের চেয়ে বেশি। কেন বলুন তো?’ কাঁধ নাচিয়ে তাচ্ছিল্যের সুরে শান্তনু জানতে চায়, ‘কেন?’

    — কারণ ও শটগুলো এত ভালো দিয়েছে বলেই এক টেকে ওকে হয়েছে। আর ক্যামেরাম্যানের খাটনিও প্রচুর কমে গেছে। ওই চোদ্দোবার একই শট নিতে নিতে বড্ড ক্লান্ত হয়ে পড়ি। আত্রেয়ী আমায় সেই সুযোগই দেয়নি। তা ছাড়া ক্যামেরা পার্সনেরও তো একটা স্যাটিসফ্যাকশন থাকে, তাই না? আপনিও তো ক্যামেরা নিয়ে কাজ করেন, মডেল দুরন্ত পোজ দিলে আপনার ছবিটারই তো প্রশংসা হয় তাই তো?

    কামড়ানোর সুযোগটা হাতছাড়া করল না আত্রেয়ী। তন্ময়কে একবার ঠেলে দিয়ে বলল, ‘কার সঙ্গে কার। তুমি পারোও তন্ময়। ও তো স্টিল ছবি তোলে। ও কী বুঝবে সিনেমাটোগ্রাফির ব্যাপারে?’ শান্তনুর পিঠটা চিড়বিড় করে উঠল। বজ্রের চাবুক মারল কেউ। তন্ময় একটু সৌজন্য-লজ্জা দেখাল বটে। তবে তার আড়ালে যে অপমানের অট্টহাসি লুকিয়ে ছিল সেটা ভালোভাবেই বুঝল শান্তনু। নিষ্প্রাণ মূর্তির মতো দাঁড়িয়ে রইল। আত্রেয়ী অপেক্ষা না করে উপহারের র‍্যাপারটা খুলে চমকে উঠল। আনন্দে প্রায় নেচে উঠল আত্রেয়ী। সপ্তমে স্বর চড়িয়ে ‘সোয়ারভস্কি! ও মাই গড! আই লাভ দিস তন্ময়। তুমি জানলে কী করে?’ আপ্লুত হয়ে কথা বলতে বলতে চটপট বাক্সটাও খুলে ফেলল। তন্ময় বলল, ‘কাছের বন্ধুর পছন্দ-অপছন্দ না জানলে আর বন্ধু হলাম কীসের?’ ধপ ধপ করে পা ফেলে আত্রেয়ীদের সামনে থেকে সিঁড়ির দিকে চলে গেল শান্তনু। বাক্সর মধ্যে থেকে বেরিয়ে এল চকচকে কাচের সুদৃশ্য বাহারি গ্লাস। ক্রিস্টালের ছোট্ট গোল চাকতির ওপর প্রিজম কাটিং ক্রিস্টাল দিয়ে লম্বা একটা ডাঁটি। তার ওপর গ্লাসের চোখটানা লম্বাটে মোলায়েম অবয়ব। খুশিতে আনন্দে দিগবিদিক জ্ঞানশূন্য হয়ে তন্ময়কে জড়িয়ে ধরল আত্রেয়ী। উল্লাসের উত্তেজনা কানে যেতে শান্তনু চুপ করে ঘুরে তাকাল। মাথায় আগুন চড়ে গেল স্ত্রীর সঙ্গে আলিঙ্গনরত তন্ময়কে দেখে। শান্তনু দেখতে পেল, দূরে খাবার টেবিলের সামনে দাঁড়িয়ে পুরো ব্যাপারটা বন্দনা আর কাজের মেয়ে স্বপ্নাও খেয়াল করছে। সিঁড়িতে আরও জোরে শব্দ করে পা ফেলে উঠে গেল শান্তনু।

    .

    — এরপর থেকে ম্যাডামের বাড়িতে তন্ময়ের আনাগোনা লেগেই থাকত। স্যার মদ খেয়ে যেখানে-সেখানে পড়ে থাকত। মাঝেমধ্যে খবর আসত ম্যাডামের কাছে। এত বড়ো একজন নায়িকার স্বামী যেখানে-সেখানে মদ খেয়ে পড়ে আছে সেটা আত্রেয়ী ম্যাডাম কিছুতেই মেনে নিতে পারতেন না। মিডিয়া থেকে ফোনও আসতে শুরু করে। এ-বিষয়ে ম্যাডাম চিৎকার-চ্যাঁচামেচি করলে তন্ময় তাকে শান্ত করত। কখনও সেই শান্ত করার দৃশ্যটা ঘটত শান্তনুর সামনেই। তাতে আরও বেশি মাথা ঘুরে যেত শান্তনুর। এমন করে দিন কাটতে থাকে। তারপর একদিন তন্ময় আর ম্যাডাম প্ল্যান করেন নির্জন পাহাড়ি জায়গায় বেড়াতে যাবেন। অনেকদিন ধরেই যাব-যাব করছিলেন। কিন্তু কোনো-না-কোনো কাজ ঠিক এসে পড়ছিল।

    — কোথায় গেলেন বেড়াতে?

    বন্দনার কথার মাঝে সায়ন জিজ্ঞেস করল। অনেক মনে করেও ঠিক নামটা বলতে পারল না বন্দনা। ঠিক মনে নেই নামটা। খুব পরিচিত জায়গা নয়।’

    সূর্য চাপ দিল, ‘জায়গাটা কোথায়? মানে সিকিম না ভুটান নাকি হিমাচল, উত্তরাখণ্ড!’

    — হিমাচল। তন্ময়ের সঙ্গে ফোনে কথা বলার সময় ম্যাডামকে এটা অনেকবার বলতে শুনেছি।

    সায়ন বলল, হিমাচল তো বিশাল জায়গা। সেখানে কোথায় একটু মনে করুন না।’ দীর্ঘশ্বাস ফেলে চোখ বুজে খানিক ভেবেও এক বর্ণ মনে পড়ল না। সোমদত্তা বলল, ‘একটা শব্দও মনে পড়ছে না? অ্যাটলিস্ট একটা লেটার!’ সোফায় বসে হাতগুলো কচলাতে কচলাতে চোখ বুজে ভাবে বন্দনা। ‘কী যেন মোর’! বন্দনা বলে। সায়ন বলে, ‘সে তো অনেক রাস্তার মোড়ই আছে। রাস্তার মোড়ে বেড়াতে গিয়েছিল?’ সূর্য বলে উঠল, ‘না স্যার, মোড় সাধারণত জনবহুল জায়গাতেই হয় জানি। তা ছাড়া হিমাচলে মোড় হবে না। ওরা চক বলে।’

    — কারেক্ট। তাহলে?

    — এক মিনিট স্যার।

    সূর্য তৎক্ষণাৎ পকেট থেকে মোবাইল বের করে গুগুলে সার্চ দিল। কিন্তু তাতে এমন কোনো নামই বেরলো না যেখানে ‘মোর’ শব্দটি আছে। ‘সূর্য পেলে কিছু?’ সায়নের প্রশ্নে সূর্য ঘাড় নেড়ে বলল, ‘না স্যার।’

    — একবার হিমাচল প্রদেশ ট্যুরিজমে ফোন কর।

    — ওকে স্যার।

    সূর্য ফোন করল। সেখানে প্রশ্নটা করা মাত্রই উত্তর ভেসে এল, ‘ভারমোর।’ বন্দনা মাথা নেড়ে সম্মতি জানাল, ‘হ্যাঁ এই জায়গাটাই।’ বন্দনা বলতে শুরু করল, ‘ওরা ভারমোরে বেড়াতে গেল। এর ঠিক দু-দিন পর ভোরবেলা শান্তনু স্যার হঠাৎ একটা ব্যাগ গুছিয়ে বেরিয়ে গেলেন। সঙ্গে ক্যামেরার ব্যাগটাও নিতে ভোলেননি। জিজ্ঞেস করলাম, কোথায় যাচ্ছেন? বললেন, জাহান্নমে। আমি আবার বললাম, ম্যাডাম এলে যদি জিজ্ঞেস করেন কী বলব? স্যার বললেন, জিজ্ঞেস করবে না। বলেই হন্তদন্ত হয়ে চলে গেলেন। এর ঠিক দু-দিন পর ম্যাডাম ফিরে এলেন।

    সোমদত্তা প্রশ্ন করল, ‘একা?’

    — হ্যাঁ।

    — তন্ময়বাবু?

    — কলকাতা ফিরেছিলেন। কিন্তু সেদিন ম্যাডামের বাড়িতে আসেননি।

    — আর শান্তনু?

    ম্যাডামকে বললাম স্যারের কথা। বললেন স্যার আর এ-বাড়িতে আসবেন না। ইনফ্যাক্ট উনি কোথায় থাকবেন সেটাও ম্যাডামকে জানাননি। ওঁর সঙ্গে আর কোনো সম্পর্ক নেই ম্যাডামের।

    সোমদত্তা অবাক হয়ে প্রশ্ন করল, ‘ওদের কি ডিভোর্স হয়েছিল?’

    — বলতে পারব না।

    সূর্য বলল, ‘তারপর থেকে শান্তনু আর কক্ষনো ফেরেননি?’

    — না। ইন্ডাস্ট্রির কেউ কেউ স্যারের খোঁজ করেছিলেন। ম্যাডাম বলেছিলেন, শান্তনু কোথায় আছে কাউকে জানায়নি।

    — আত্রেয়ীও খোঁজ করেননি?

    উত্তরটা সায়ন দিল, ‘যার সঙ্গে সম্পর্কই নেই তার খোঁজ কেন করবেন? কিন্তু প্রশ্নটা হল অন্য জায়গায়!’ বলে একটু গলা ঝেড়ে নিল সায়ন। তারপর বলল, শান্তনু নিয়োগী কি আদৌ বেঁচে আছেন?’ বন্দনা চোখ নামিয়ে নেয়। মুখে তারও বোধহয় চিন্তার ছায়া। অন্তত সায়ন, সূর্য আর সোমদত্তার সেটাই মনে হল। সায়ন জিজ্ঞেস করল, ‘যে ক-দিন ওরা বাড়িতে ছিলেন না ততদিন আপনি কোথায় ছিলেন?’

    — আমি… আমি আমার বাড়ি চলে গিয়েছিলাম।

    — কোনো পুলিশ কেস হয়নি?

    — না।

    — একটা জলজ্যান্ত লোক উবে গেল তাকে নিয়ে কেস হল না?

    — আমি যদি স্বেচ্ছায় বিবাগী হয়ে যাই আর বাড়ির লোক যদি আমায় পছন্দই না করে তাহলে কে করবে পুলিশ কেসটা?

    — হুম! আচ্ছা, আত্রেয়ীরা কোন হোটেলে উঠেছিলেন?

    বন্দনা সায়নের দিকে তাকিয়ে মাথা নাড়ল। বলল, ‘জানি না। আমাকে বলেননি।’

    — বেশ। সূর্য শোনো…

    বলে সূর্যের কানে কানে ফিশফিশ করে কীসব যেন বলল সায়ন। তারপরেই সবাইকে শুনিয়ে বলল, ‘এই কাজটা মিত্রকে করতে বলো। ডিটেলসে।’

    — ওকে স্যার।

    সূর্য জায়গা ছেড়ে উঠে বেরিয়ে গেল। প্রশ্নের বিরতি পেয়ে বন্দনা বলল, ‘এবার তাহলে আমি উঠি? আমার শরীর দিচ্ছে না আর।’ সায়ন আর সোমদত্তা দুজনেই একে-অপরের দিকে মুখ চাওয়া-চাওয়ি করল। সোমদত্তা বলল, ‘কোনো বিশেষ প্রবলেম হচ্ছে শরীরে? ডাক্তার ডাকব?

    — না না। ভীষণ ক্লান্ত লাগছে। একটানা অনেকক্ষণ বসে আছি। পিঠে ব্যথা করছে।

    সোমদত্তা বলল, ‘আপনি শোবেন? আমি পিলো আনিয়ে দিচ্ছি। রিল্যাক্স করে কথা বলুন কোনো অসুবিধে নেই।’ বন্দনা বিরক্ত। ‘আপনাদের এখনও আর কী জানার থাকতে পারে বলুন তো?’ সায়ন বলল, ‘ওমা! এখনও তো আসল কথাই জানা হল না। যেটা থেকে দেখে আমাদের মনে হয়েছে আপনি ভীষণভাবে আত্রেয়ী সেনের জীবনের গল্পের সঙ্গে জড়িত।’ বন্দনার মুখটা শুকিয়ে গেল। ভয় পেয়ে তুতলিয়ে জিজ্ঞেস করল, ‘কী— কী দেখে মনে হল?’

    সায়ন রহস্যময় একটা হাসি মুখে নিয়ে চেয়ারে হেলান দিল। সোমদত্তার দিকে ইঙ্গিত করল। সোমদত্তাও প্রশ্নটা করতে দেরি করল না, ‘ক-মাস চলছে?’ জেরার শুরুতেই বন্দনার সামনে যখন তন্ময়ের বাড়ি থেকে পাওয়া রিপোর্টগুলো ফেলেছিল তখনই বুঝেছিল এ নিয়েও প্রশ্ন উঠবে। তাই কোনো ভণিতা না করে বন্দনা জবাব দিল, ‘চার মাস।’

    — তন্ময়বাবুর কী বক্তব্য?

    বন্দনা চুপ করে থাকে। সোমদত্তা আবারও প্রশ্ন করে, ‘বিয়ে করবে?’

    — সেসব নিয়ে কথা হয়নি।

    — আবার মিথ্যে কথা।

    — না। সত্যিই সেসব নিয়ে কথা হয়নি।

    .

    সায়ন সোমদত্তার দিকে একবার আড়চোখে তাকায়। তারপর পকেট থেকে নিজের মোবাইলটা বের করে। হঠাৎ সেখানে গান বেজে ওঠে। কলার টিউন, ‘আজ জ্যোৎস্নারাতে সবাই গেছে বনে।’ বন্দনার নিশ্বাসের গতি বেড়ে যায়। আত্রেয়ী ‘চোখের বালি’ ছবিতে যে গানে লিপ দিয়েছিল এ সেই গান। হাত কচলাতে শুরু করে বন্দনা। গান থামিয়ে বেশ কিচ্ছুক্ষণ পর একটা পুরুষকণ্ঠ একটু বিরক্তি নিয়েই বোধহয় বলে ওঠে, ‘হ্যালো।’ এবার মেয়ের গলা, ‘আমি বলছি।’

    — কে?

    — এখন গলাটাও চিনতে পারছ না? বন্দনা।

    — ও শালা, এটা কার নম্বর?

    গলা চিনতে এবং ফোন কলের সময়টা বুঝতে বন্দনার বিন্দুমাত্র অসুবিধে হল না। কাঁপা কাঁপা হাতে নিজের মুখ ঢেকে নেয় বন্দনা। চোখ বন্ধ করে বসে থাকে। ফোনে রেকর্ড করা কথা বাজতে থাকে। বন্দনা বলছে, ‘সে জেনে তুমি কী করবে? এতবার ফোন করছি, ফোন ধরছ না কেন?

    — আরে বাবা আমি নার্সিংহোমে আছি তাই ধরতে পারিনি।

    — অজুহাত রাখো তন্ময়দা। তোমার আত্রেয়ী বাঁচবে কিনা জানি না। কিন্তু আমাকে বাঁচতেই হবে। মায়ের জন্য। যে আসছে তার জন্য। একে আমি কিছুতেই

    বন্দনার গলার ওপর দিয়েই তন্ময় বলে ওঠে, ‘আচ্ছা তোমার কী ধারণা বলো তো? আমি সারাদিনে কামকাজ কিছু করি না নাকি? সারাদিন তোমার ফোন রিসিভ করব বলে বসে আছি?

    ঠিক তখনই দূর থেকে একটা মহিলার গলা ভেসে এল, ‘এখানে ফোন করবেন না প্লিজ। বাইরে গিয়ে কথা বলুন।’ এরপর শুধু খুটখাট শব্দ। এই ফাঁকে সূর্য আবার ইন্টারোগেশন রুমে ঢুকে আসে। ফোনে তখন আবার শুরু হয়েছে তন্ময়ের কথা। কথার প্রতিধ্বনি শুনে বোঝাই যাচ্ছে সে সিঁড়ি দিয়ে নামছে। ‘আমি বারবার একটাই কথা বলছি তোমায়, তুমি আর ফোন কোরো না। প্লিজ। দেখছ তো পুলিশি ঝামেলা চলছে। কে বলতে পারে আমার ফোন ট্যাপ করা নেই? আর সবাই সব কিছু জানলে সেটা তোমার জন্যেও খুব একটা ভালো কিছু হবে না তাই না? এখন রাখো।’

    — বলো সেটা তোমার জন্য ভালো হবে না।

    বন্দনার কথা শেষ হয় না। তন্ময় বলতে শুরু করে, ‘না না না। আর কোনো কথা নয়। সব সময়মতো পেয়ে যাবে। রাখছি।’

    ফোন কেটে যায়। সায়নও মোবাইলটা বন্ধ করে পকেটে রাখতে রাখতে বলে, আমাদের খুব বেশি খাটতে হয়নি জানেন। তন্ময়ের মোবাইল ফোনেই কল রেকর্ডারটা অন করা ছিল। তাই আপনাদের প্রতিটা কল, প্রতিটা কথা আমাদের হেফাজতে।’ বন্দনা কোনো কথা বলে না। চুপ করে চোখ বন্ধ করে বসে থাকে। ‘বন্দনা ম্যাডাম, আমাদের কাছে কিছু লুকিয়ে লাভ নেই। এবার বলুন তো, সময় মতো কী পেয়ে যাবার কথা বলছিলেন তন্ময়বাবু? টাকা?’ মুখের সামনে থেকে আলতো করে হাত সরিয়ে বন্দনা বলে, ‘আমাদের সব কথাই যখন আপনাদের হেফাজতে তখন তো সবই জানেন। আমায় কেন প্রশ্ন করছেন?’ কড়া গলায় সোমদত্তা বলে, ‘বেশি কথা না বাড়িয়ে স্যার যা জিজ্ঞেস করছেন তার উত্তর দিন।’

    — হ্যাঁ। টাকা।

    জবাব দিল বন্দনা। সায়ন প্রশ্ন করল, ‘কত টাকা?’

    — নির্দিষ্ট কিছু নেই। যখন যেরকম দরকার হবে। কেন? মানে সেটা কী যে আসছে তার জন্য?

    — হ্যাঁ।

    — আপনার কী মনে হয়? তন্ময়বাবু দায়িত্ব এড়িয়ে যাচ্ছেন?

    — বুঝতে পারছি না। কিছু খোলসা করে বলছেও না। টেনশনে রাতে আমার ঘুম হয় না। যদি ও কোনো দায়িত্ব না নেয় তখন কী করব আমি?

    সোমদত্তা জিজ্ঞেস করে, ‘আপনি তো ভালো করেই জানতেন যে তন্ময়বাবু আত্রেয়ী সেনের সঙ্গী। বয়সেও অনেকটা বড়ো আপনার চেয়ে। তা সত্ত্বেও এরকম একটা সম্পর্কে জড়ালেন কী করে?’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ৪৭৪ – ডার্টি গেম
    Next Article নীরেন ভাদুড়ি সমগ্র ৩ – সৌভিক চক্রবর্তী
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }