Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মৃত জ্যোৎস্নার রাত্রি – অভিষেক চট্টোপাধ্যায়

    অভিষেক চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প526 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মৃত জ্যোৎস্নার রাত্রি – ৩৩

    তেত্রিশ

    দু-বার চাবিটা ঘোরাতেই বড়ো তালাটা ঘটাং করে খুলে গেল। কনস্টেবলের হাতের ধাক্কায় কাঠরঙের দরজাটা ধড়াম করে হাট হয়ে গেল। ঢুকে পড়ল সায়ন, সোমদত্তা আর তিনজন কনস্টেবল। একটা গুমোট গন্ধ সবার নাক দিয়ে ঢুকে শরীরের তন্ত্রীতে ছড়িয়ে পড়ল। সপ্তাখানেকের বেশি সময় ধরে ঘরটা বন্ধ। আলো-পাখা চলেনি। এক ফোঁটা হাওয়াও ঢোকেনি অন্ধকার ঘরটায়। ‘আলোটা জ্বালো’ হুকুম ছুড়ে দিল সায়ন। আদেশ মতো পটাপট যতগুলো আলো ছিল ঘরে, সবকটা পরপর জ্বলে উঠল। পাখাটা ঘুরতে শুরু করল। এক ঝলকে ঘরটা সকলের চোখের সামনে দিনের আলোর মতো ফুটে উঠল।

    — ইসস কী অবস্থা ঘরের!

    সোমদত্তার মুখ দিয়ে বেরিয়ে এল কথাটা।

    — হুম। ধানুয়াটা বড্ড নোংরা। আত্রেয়ী সেন যে কী করে একে কাজে বহাল রেখেছিল কে জানে?

    এর আগে আত্রেয়ীর পুরো বাড়ি সার্চ করলেও, বাগানের পেছনে ধানুয়ার থাকার এক চিলতে ঘরটাকে পাত্তাই দেয়নি সায়ন। ঘরের চারপাশে চোখটাকে চরকির মতো ঘোরাতে ঘোরাতে সায়ন বলল কথাগুলো। সোমদত্তা পালটা উত্তরে বলল, ‘কথায় আছে না স্যার, রতনে রতন চেনে।’ হাতে ধরা রুল দিয়ে বিছানায় ছড়িয়ে থাকা জামাকাপড় সরাতে সরাতে খানিক থেমে গেল সায়ন। সোমদত্তার কথার অর্থ বুঝল না। সোমদত্তা সেটা বুঝে ফিক করে হেসে বলল, ‘কেউ বাইরে ময়লা আর কেউ ভেতরে ময়লা, ব্যাপারটা স্যার একই।’ ঠোঁট বেঁকিয়ে হেসে সায়ন বলল, ‘ওয়েল সেইড ওয়েল সেইড। সূর্যের কিন্তু এই সুন্দর কথা বলার গুণটা নেই।’ খাটের তলায় উঁকি মারবে বলে সবে একটু ঝুঁকেছিল সোমদত্তা। সায়নের মুখে সূর্যের কথা শুনে মাঝপথ থেকেই একেবারে সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে পড়ল সে। কিছু না বুঝেই জিজ্ঞেস করল, ‘হঠাৎ সূর্যের কথা বললেন কেন?’

    — কেন? ও তো আমাদের ডিপার্টমেন্টেরই একজন। বলতে পারি না?

    — হ্যাঁ, হ্যাঁ স্যার নিশ্চয়ই।

    ঝট করে সিরিয়াস হয়ে সায়ন প্রশ্ন করল, ‘বাই দ্য ওয়ে, কাজের কথা বলো। সূর্যের কাজের কী আপডেট? ওর সঙ্গে আমার কথাই হচ্ছে না।’

    — সে কী স্যার, ও যে বলল কালই আপনার সঙ্গে কথা হয়েছে!

    সায়নের প্রশ্নটা পড়ামাত্রই সোমদত্তার উত্তর। সোমদত্তাও উত্তরটা দিয়ে একটু ব্যোমকে গেল। সূর্যের সঙ্গে যে হরবখতই সোমদত্তার সব বিষয় নিয়ে কথা হয় সেটা ধরে ফেলাটা সায়নের পক্ষে অসম্ভব নয়। সায়ন চোখদুটোকে বড়ো করে ভ্রূ উঁচিয়ে সোমদত্তার উত্তর দেবার ভঙ্গিমা খেয়াল করছিল। সায়নের চাউনির ভাষা বুঝতে পেরেই চুপ করে গেল সোমদত্তা। অমনি ছদ্মগম্ভীর স্বরে সায়ন বলল, ‘বাহ্! খুশি হলাম জেনে যে একজন কলিগ আর-এক কলিগের কাজের খবরাখবর রাখে।’ সোমদত্তার মনে হল ধানুয়ার তক্তপোশটার তলায় ঢুকে যেতে পারলে ভালো হয়। কী, তোমরা কিছু পেলে?’ এতক্ষণ ধরে কনস্টেবলরা ঠকাঠক, ঠুংঠাং শব্দ করে ঘরের আনাচ-কানাচ খুঁজছিল। যদিও অত খোঁজার আছেটাই-বা কী? এই তো একখানা ঘর। এখানে-সেখানে দেয়াল থেকে রং খসে গেছে। ঘরের মধ্যেই দড়ি টাঙিয়ে জামা-কাপড় ঝোলানো। ঘরের এক কোণে স্টোভ রাখা। কিন্তু বাসন-কোশন কিছু নেই। সোমদত্তা জিজ্ঞেস করল, ‘ধানুয়া নিজে রেঁধে খেত?’ সায়ন বলল, ‘তাহলে বাসন থাকবে। কিছুই তো নেই। এই ওই ট্রাংকটা খোলো তো।’ সায়নের নির্দেশ পেয়েই একজন গিয়ে লোহার ট্রাংকটা খুলে দেয়। ঘেঁটেঘুটে তিনটে জামা, দুটো লুঙ্গি আর কয়েক প্যাকেট বিড়ি ছাড়া কিচ্ছু পায় না। ঘর-লাগোয়া ছোট্ট বাথরুম। উঁকি মারে সায়ন। চোখে পড়ার মতো কিছু নেই। ওদিকে সোমদত্তা মাটিতে রুল দিয়ে ঠুকে ঠুকে দেখছে কোথাও কোনো ফাঁপা শব্দ পায় কিনা। কিন্তু সন্দেহ করার মতো কিছুই শ্রুতিগোচর হয় না। সায়ন মাথা নীচু করে খাটের তলাটা ভালো করে দেখতে থাকে। ‘পুরো ফাঁকা স্যার। কিছু নেই।’ সায়ন মাথা তোলে। সোমদত্তাকে বলে, ‘যেখানে দেখিবে ফাঁকা, সরাইয়া দ্যাখো ঢাকা। পাইলেও পাইতে পারো কোনো গুপ্ত পথ।’

    — মানে?

    সায়ন আবার হুকুম ছোড়ে, ‘এই তক্তপোশটা সরাও তো। ওই দেয়ালের দিক থেকে এপাশে সরিয়ে আনো।’ সোমদত্তা রীতিমত ভেবলে দাঁড়িয়ে থাকে। তক্তপোশ সরানো হয়। সায়ন বলে, ‘ছেনি-হাতুড়ি যা পারো এনে এই টাইলসটা ভাঙো, তাড়াতাড়ি।’ লোকগুলো ছুটে বেরিয়ে যায়। সেই ফাঁকে সায়ন দেয়ালের নীচের দিকে রুল দিয়ে একটি বিশেষ জায়গায় মারে। সোমদত্তাও এবার খেয়াল করে, দেয়ালের নীচে এ-মাথা থেকে ও-মাথা পর্যন্ত অন্য রঙের টাইলসের বেড় দেওয়া। পুরোটাই সমান। কেবল একটি টাইলসের দু-পাশে লম্বা করে সিমেন্টের দাগ। জায়গাটা অন্ধকার থাকায় সোমদত্তা খেয়াল করেনি।

    .

    আধঘণ্টার কসরতে জায়গাটা ভেঙে একটা গর্ত তৈরি হল। ভাঙতে ভাঙতে বেরিয়ে এল ভাঁজ করা একটা শাড়ির দোকানের প্যাকেট। সোমদত্তা হাতে গ্লাভস পরে সেই প্যাকেট বের করে আনল প্রাচীর গহ্বর থেকে। সায়ন ভ্রূ কুঁচকে উদ্‌বিগ্ন হয়ে তাকিয়ে রইল সোমদত্তার হাতের দিকে। প্যাকেটটা খুলতেই ভক করে একটা বিশ্রী গন্ধ সোমদত্তার নাকে এসে ঝাপটা মারল। সায়নও নাকটা প্যাকেটের কাছে নিয়ে যেতেই বিশ্রী গন্ধটা পেল। দু-বার শ্বাস নিয়ে বলল, শাড়ির প্যাকেটে মদের গন্ধ! সঙ্গে আরও কোনো গন্ধ মিশে আছে।’ প্যাকেটের মধ্যে থেকে একটা চামড়ার ওয়ালেট বের করে আনল সোমদত্তা। সায়নের চোখের ওপর চকলেট রঙের ওয়ালেটটা এপাশ-ওপাশ করে ঘোরাল সে। সায়নও সেটা হাতে নিয়ে আলোর সামনে ধরে দেখল ওয়ালেটের গায়ে লম্বা লম্বা গাঢ় দাগ। কিন্তু পুরোনো হয়ে যাওয়া চামড়ার ওপর কীসের দাগ সেটা বোঝা যাচ্ছে না। কিছু জায়গায় এলোমেলো ঘষে সেটা জমে আছে। দাগগুলোর ওপর তর্জনী বুলিয়ে কিছু বোঝার চেষ্টা করে সায়ন। ওয়ালেটের চামড়া একটা দিক আর-একটা দিকের সঙ্গে চটচটে হয়ে এঁটে গেছে। এই চামড়াটা একটার সঙ্গে আর-একটা যেন একটু বেশিই কামড়ে ধরে আছে। খুলতে চচ্চড় করে শব্দ হল। ওয়ালেটটা পুরো খুলে ফেলতেই একপাশে একটা ছবি চোখে পড়ল। পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি। সায়নের ভ্রূ কুঁচকে গেল। কোনোরকমে ছবিটা বের করে সোমদত্তার হাতে দিয়ে নিজের মোবাইলটা সামনে ধরে। লক খুলে গ্যালারির মধ্যে ঢুকতেই বেরিয়ে আসে একটি নির্দিষ্ট ছবি। ওয়ালেটের ছবিটা এতদিন মুখ গুঁজে বদ্ধ জায়গায় থাকার জন্য অনেকটাই নষ্ট হয়ে গেছে। তবু দুটো ছবি যে একই লোকের সেটা বুঝতে অসুবিধে হল না সায়ন আর সোমদত্তার।

    — মানে এই ওয়ালেটটা শান্তনু নিয়োগীর?

    সোমদত্তা বলল। সায়ন ঘাড় নেড়ে বলল, ‘শুধু এইটুকু বুঝলে? শান্তনুকে যে খুন করা হয়েছে সেটা বুঝলে না? ওয়ালেটের ওপরে, ভেতরে এগুলো কীসের দাগ বলে মনে হয়?’ দৃঢ় কণ্ঠে উত্তর দেয় সোমদত্তা, ‘রক্তের দাগ।’

    — রাইট। প্যাকেটে মদের সঙ্গে রক্তের গন্ধও মিশে আছে। তবে এটা আমার অ্যাসাম্পশন। ল্যাবে টেস্ট করলেই ধরা পড়বে। ভেতরে ছবি ছাড়া কিছু নেই।

    — মানে শান্তনুকে খুন করে তার পকেট থেকে এটা বের করে নিয়েছে। কিন্তু কেন?

    — কারণ খুনি চেয়েছিল লাশটাকে বেওয়ারিশ করে দিতে। যাতে লোকটার কোনো পরিচয়ই না পাওয়া যায়।

    — তার মানে স্যার খুনি লোকটার মুখটাকেও অক্ষত রাখবে না। কিছু না কিছুভাবে ক্ষতবিক্ষত করে দেবে।

    কথাটা কানে যাওয়া মাত্রই সায়নের চোখের সামনে বাজ পড়ে জ্বলে ওঠা প্ৰকাণ্ড গাছের মতো ঝলসে ওঠে দু-দিন আগে মিহিরের বাড়িতে দেখা সেই বীভৎস মূর্তির মুখ। যাকে একটা কালো প্রবল বলশালী ধোঁয়া টেনে নিয়ে গেল চোখের সামনে দিয়ে।

    — স্যার

    সোমদত্তার ডাকে হুঁশ ফিরল সায়নের। সাড়া দিল সায়ন। সোমদত্তা বলল, ‘স্যার, খুনটা তার মানে এই বাড়িরই কেউ করেছে। কিন্তু এখানে নয়। এখানে লাশ লুকোবার জায়গা…’ বলেই সোমদত্তার চোখদুটো বিস্ফারিত হয়ে উঠল। উত্তেজিত হয়ে বলে উঠল, ‘বাগানের কোথাও পোঁতা নেই তো?’ সায়ন এতক্ষণ ঘটনার মধ্যে প্রায় ঢুকে গিয়েছিল। দুম করে মুডটা চেঞ্জ করে বলে উঠল, ‘এটা তো এক্কেবারে অপটু বাচ্চা গোয়েন্দার মতো কথা বললে সোমদত্তা!’

    — কেন স্যার?

    সোমদত্তার মুখটা ছোটো হয়ে গেল। সায়ন বলল, ‘একে সেলিব্রেটির বাড়ি। দুনিয়ার মিডিয়া পারলে বেডরুমের অ্যাটাচ বাথে পর্যন্ত ঢুকে পড়ে। আর এখানে সবার চোখ এড়িয়ে একটা আস্ত লাশ পুঁতে ফেলবে?’

    — তা-ও ঠিক। তাহলে স্যার লাশটা গেল কোথায়?

    — সম্ভবত পাহাড়ে।

    — ভারমোর!

    — রাইট। কিন্তু সেখান থেকেই-বা লাশ কোথায় গেল? সূর্য তো বলল এরকম লাশের কোনো রেকর্ডই পাওয়া যায়নি।

    সায়ন আবার সেই বড়ো গোল গোল চোখ করে সোমদত্তার দিকে তাকাল। বলল, ‘নাহ্! এবার দেখছি সূর্যকে আর ফোন করে ডিস্টার্ব করা ঠিক হবে না। তোমাকে করলেই চলবে।’ লজ্জায় ঢক করে মাথাটা মাটির দিকে নেমে যায় সোমদত্তার। একটাও কথা বলে না। সায়ন হাসে। বলে, ‘ক্যারি অন।’ সোমদত্তা এতক্ষণে মাথা তুলল। বলল, ‘তবে স্যার একটা কথা কিছুতেই মাথায় ঢুকছে না।’

    — কী?

    — খুন করল ভারমোরে। আর প্রমাণ পকেটে করে এই এতটা পথ বয়ে এনে দেয়াল খুঁড়ে এখানে লুকোল। কেন? মাঝপথে ট্রেন থেকে ফেলে দিলেই তো ল্যাটা চুকে যেত।

    — কী জানি? যতদূর মনে পড়ছে বন্দনা বলেছিল শান্তনু একটা ব্যাগ নিয়ে বেরিয়েছিল ভারমোর যাবে বলে। তাহলে সেই ব্যাগটাই বা কোথায় গেল? আত্রেয়ীর সারাবাড়িতে নেই। খুনি যদি লাশটাকে না-চেনার মতো অবস্থায় কোথাও ফেলে ও তাহলে সেই লাশটা পাওয়া উচিত। কিন্তু সেটাও পাওয়া যায়নি। লাশের ব্যাগ নেই। কেবল এতটা রাস্তা পার করে এই ওয়ালেট লুকোনো বাড়ির দেয়ালে।

    — আর স্যার ক্যামেরা? সেটাও তো সঙ্গে ছিল।

    সোমদত্তা কথাটা বলামাত্রই মাথার মধ্যে চিড়িক দিয়ে ওঠে সায়নের। মনে পড়ে তন্ময়ের বাড়িতে খাটের তলা থেকে পাওয়া কাপড় মোড়া সেই ক্যামেরাটা। কিছুক্ষণ চুপ থেকে সায়ন বলে, ‘তন্ময় হালদারের বাড়ি থেকে যে ক্যামেরা আর কার্ড পাওয়া গিয়েছিল সেগুলো ল্যাবে পাঠাবার ব্যবস্থা করো। সম্ভবত সেগুলোই শান্তনুর।

    — ওকে স্যার। বাট কার্ডগুলো থেকে কোনো ছবি পাওয়া যায়নি। সব কার্ড ফাঁকা ছিল।

    গালের পাশটা চুলকে নিয়ে দাঁতে দাঁত চেপে সায়ন বলল, ‘শালা তন্ময়টা হসপিটালে থেকেই যত কাল হয়েছে। নইলে ঘা কতক দিলেই ভড়ভড় করে বেরিয়ে আসত।’

    — স্যার আরও একটা জিনিস আছে।

    বলেই প্যাকেটের মধ্যে হাত ঢুকিয়ে মোটা কাগজের খামে মোড়া চৌকো মতন কিছু একটা বের করে সোমদত্তা। ‘কী এটা? খোলো দেখি’ বলেই ওয়ালেটটা সোমদত্তার দিকে বাড়িয়ে দেয় সায়ন, ‘এটাকে প্যাকেটের মধ্যে রাখো। সোমদত্তা হাত থেকে প্যাকেটটা নিয়ে নেয় চিরঞ্জীব। খামের মধ্যে থেকে বেরিয়ে আসে কতগুলো পোস্টকার্ড সাইজের চেয়ে একটু ছোটো মাপের ছবি। ‘দেখি কীসের ছবি’ বলে হাত বাড়িয়ে দেয় সায়ন। সোমদত্তা ভালো করে দেখে বলে, মনে তো হচ্ছে আত্রেয়ী সেনের কম বয়সের ছবি। দেখুন।’ সায়ন ছবিগুলো হাতে নেয়। প্রথম ছবিটা দেখেই বলে ওঠে, ‘আত্রেয়ী সেনের কোলে বাচ্চাটা কে?’ ছবির নীচ থেকে আর-একটা ছবি বের করে ভালো করে দেখে। যতই দেখে ততই কমে আসে দুটো ভ্রূর মাঝখানের দূরত্ব। চোখদুটো অজানা কোনো সূত্র পাওয়ার চমকে চঞ্চল হয়ে ওঠে। ছবিগুলো পরপর দেখতেই থাকে সায়ন। সোমদত্তা খেয়াল করে সায়ন বেশ অস্থির হয়ে উঠেছে।

    — কী হয়েছে স্যার? এগুলো কার ছবি? কোনো ক্লু পেলেন?

    পরপর তিনটে প্রশ্ন করে সায়নের মুখের দিকে তাকিয়ে থাকে সোমদত্তা। সায়ন কপালের ঘাম মুছে বলে, ‘সব যে তালগোল পাকিয়ে যাচ্ছে সোমদত্তা। অনেক, অনেক রহস্য একসঙ্গে জমে আছে। কতগুলোর জট ছাড়াব একসঙ্গে?’

    — স্যার কী হয়েছে আমাকে একটু বলুন না। আমি যদি কিছু হেল্প করতে পারি!

    — সালমা খাতুনের খবর নিয়েছ?

    — সালমা খাতুন!

    আত্রেয়ী সেন থেকে হঠাৎ করে সালমা খাতুনে ট্রান্সফার হওয়াতে প্রথমটায় খেয়াল করতে পারেনি সোমদত্তা। ঠিক তারপরেই মনে পড়াতে বলল, ‘ও হ্যাঁ হ্যাঁ। কবরডাঙায় থাকে। ওটা ওর বাপের বাড়ি। মেয়েটির শ্বশুরবাড়ি বেহালার দিকে। ওর বরের নাম রফিক আহমেদ। কিন্তু সে বছরের বেশিরভাগ সময়েই বাইরে থাকে কাজের সূত্রে। তাই বাপের বাড়িতে আছে এখন।’

    — সালমা যে সোনোগ্রাফি করাতে আসে, ডাক্তার দেখায়, সেটা কার সঙ্গে? নিশ্চয়ই একা আসে না। মা বা বাবার সঙ্গে?

    — না স্যার বাবা নেই। মা আছেন। তবে বেরোন-টেরোন না। সালমার ভাই আছে ওয়াসিম। ওই দিদির দেখাশোনা করে।

    — কবরডাঙা, তার মানে চারু মার্কেট পুলিশ স্টেশন!

    — হ্যাঁ স্যার।

    — হারি আপ। এক্ষুনি চলো।

    ছবিগুলো হাতে নিয়েই হুড়মুড় করে বেরিয়ে গেল সায়ন। স্যারের মাথায় ঠিক কী চলছে কিচ্ছু বুঝল না সোমদত্তা। কেবল অন্ধের মতো অনুসরণ করতে করতে ছুটল সায়নের পেছন পেছন।

    .

    আত্রেয়ী ঘুমিয়ে পড়ার পর সোহিনী কেবিনের কাচের সামনের পর্দা টেনে দিল। ঘরের মাঝের পর্দাটাও টেনে দিয়ে আত্রেয়ীর মাথার ওপরের আলোটা নিভিয়ে দিল। পর্দার ওপারে হালকা আলোটা জ্বলছে। আজ আত্রেয়ীর যে টেস্টগুলো হয়েছে সেগুলোর রিপোর্ট এসেছে খানিকক্ষণ আগে। এতদিনেও তো পেশেন্টের বাড়ির লোক বলতে কেউ এল না। এক ওই তন্ময় হালদার দু-বার এসেছিল। কিন্তু এখন সে-ও তো হসপিটালে। যে প্রোডাকশন হাউসের কাজ করছিল সেই হাউজের লোকজনই যা খবরাখবর নেয়। এই নিয়েও তো মিডিয়ার প্রশ্নের শেষ নেই। এত বড়ো একজন অভিনেত্রী, অথচ তার বাড়ির লোক বলতে কেউ নেই? আত্রেয়ী সেনের নার্স বলে সোহিনী নিজেই যে কত লোকের কতরকমের প্রশ্নের মুখোমুখি হয়েছে তার ইয়ত্তা নেই। পর্দার শেষ প্রান্তে চেয়ারে বসে আছে সোহিনী। কেবিনের মাঝের পর্দার ওপাশ থেকে ঠিকরে আসা আলোয় রিপোর্টগুলো দেখতে অসুবিধে হচ্ছে না তার। বাইরের করিডর নিস্তব্ধ। একেই রাত। তার ওপর চারপাশের নৈঃশব্দ্য চোখের পাতাকে ভারী করে তোলে। বাইরের করিডর থেকে সাদা টিউবের আলো কাচের দরজা ঠেলে কেবিনের মাটিতে আড়াআড়ি ভাবে পড়েছে। বেশ কিছুক্ষণ পর সোহিনীর মনে হয় কাচের দরজার কাছে কে যেন এসে দাঁড়িয়েছে। মাটিতে আলোর সঙ্গে তেরচা ছায়া পড়েছে তার। চোখ তুলে তাকায় সোহিনী। কিন্তু দরজার বাইরে সে কাউকেই দেখতে পায় না। দুটো ভ্রূর মাঝে অল্প ভাঁজ ফেলে ভাবে ভুল দেখল সে! হয়তো না, সত্যিই হসপিটালের কেউ এসে দাঁড়িয়েছিল কোনো কাজে। তারই ছায়া দেখেছে। এ নিয়ে আর বিশেষ পাত্তা দিল না মনকে। কাজে মন দিল সোহিনী।

    .

    আত্রেয়ী সেন ঘুমের মধ্যেই নড়ে ওঠে। পাশ ফেরার চেষ্টা করছিল। বুঝতে পেরে সোহিনী দৌড়ে গিয়ে আত্রেয়ীর হাতটা ধরে একটা বালিশের ওপর রাখল। পিঠের তলায় আর-একটা বালিশ দিয়ে দিল। মুখটা একটু ঝুঁকিয়ে জিজ্ঞেস করল, ‘ম্যাম, জল খাবেন?’ আত্রেয়ী চোখ বুজেই না-সূচক ঘাড় নাড়ল। সোহিনী ফিরে এল নিজের জায়গায়। ঠিক সেইসময় বাইরের করিডরের লিফটটা খুলে গেল। স্ট্রেচারে করে অক্সিজেনের নলসমেত একজন রোগীকে নিয়ে আসা হল। আত্রেয়ীর ঘর ছাড়িয়ে পাশের কেবিনে চলে গেল। কেবিনের দরজায় আবার বেশ কিছু মানুষের ছায়ার চলাচল দেখল সোহিনী। একটা সময় সেইসব সব ছায়াও সরে গেল। কেবল একটি ছায়া কাচের গায়ে গা ঠেকিয়ে ঠায় দাঁড়িয়ে রইল। সোহিনী রিপোর্টগুলো একটা ফাইলে রাখবার জন্য চেয়ার ছেড়ে উঠে আত্রেয়ীর পাশের টেবিলের দিকে গেল। টেবিল লাগোয়া ড্রয়ার টেনে নীল ফাইলটা বের করে কাগজগুলো গুছিয়ে রাখল। ঘর জুড়ে এসির ঠান্ডা হাওয়াটা আরও বেশি ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছে। সোহিনীর গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠছে। বাইরে গিয়ে শুভমকে বলতে হবে এ ঘরের এসিটা একটু কমিয়ে দিতে, এই ভেবে পেছনে ঘুরতেই থমকে গেল। আশ্চর্য! দরজার বাইরে কে? একভাবে ওইখানেই দাঁড়িয়ে আছে। সোহিনী এগিয়ে গিয়ে টান মেরে দরজাটা খুলে দিল। বুকের কাছে কে যেন সজোরে এক ধাক্কা দিয়ে গেল সোহিনীর। দরজার বাইরে কেউ নেই। নিশ্বাসটা ভারী হয়ে এল তার। এবার একটু ভয় পেল সে। ঝট করে বাইরে এদিক-ওদিক ভালো করে দেখল। করিডরটা সাদা আলোর চাদর মুড়ি দিয়ে শূন্য বুকে বসে আছে। হঠাৎ চচ্চড় করে কাচ ফাটার শব্দ কানে আসে। খুব মনোযোগ সহকারে শুনতে চেষ্টা করে শব্দের উৎস। কোথাকার কাচ ফাটছে? মুহূর্তে দরজার দিকে তাকায়। কিন্তু কিচ্ছু দেখতে পায় না। আওয়াজটা একবার করে হচ্ছে আর থেমে যাচ্ছে। রিপোর্টগুলো পড়তে পড়তে সত্যিই চোখটা জুড়ে আসছিল সোহিনীর। এইসব ভুলভাল দেখছে, শুনছে কী তার জন্য?

    — তপতীদিইইই, ও তপতীদিইই।

    দু-বার ডেকেও সাড়া পেল না কারও। এদিকে এক কাপ কফি না হলে খুব মুশকিল। দরজার বাইরে দাঁড়িয়েই ঘরের ভেতর মাথা ঝুঁকিয়ে আত্রেয়ীর অবস্থান দেখে নিল। মহিলা নিশ্চিন্তে ঘুমোচ্ছে। কাউকে যখন পাওয়াই যাচ্ছে না তখন কয়েক পা এগিয়ে নিজেই নিয়ে আসুক কফিটা। কতক্ষণ আর! দু-মিনিটের ব্যাপার। সেই মতো ঘর ছেড়ে বেরিয়ে গেল সোহিনী। তেরো-চোদ্দো পা হাঁটতেই কফি মেকার। ড্রয়ার খুলে কাপ নিল। মেশিনের সুইচ টিপে দুধ নিল। ঘষঘষ শব্দ করে কফির ফ্যানা উপচে এল কাপের কিনারায়। এরপর একটা চুমুক। আঃ! গরম কফিটা গলা দিয়ে বুকের কাছে যেতে বেশ আরাম হল। কাপে চুমুক দিতে দিতে কেবিনের দিকে এগিয়ে যায় সে। বাঁ-হাতে কাপটা ধরে ডান হাত দিয়ে দরজার হাতলে চাপ দেয়। তারপর শরীর দিয়ে দরজাটা ঠেলে ভেতরে ঢুকতেই দেখে আত্রেয়ীর বিছানা খালি। একটু আগেই যে কফিটা গলা দিয়ে উষ্ণ পরশ বুলিয়ে নামছিল সেটা এখন কণ্ঠনালিটা যেন জ্বালিয়ে দিল। আত্রেয়ী সেন গেল কোথায়? হঠাৎ কেবিনের কাচ ঢাকা জানলার দিকে চোখ পড়তেই সোহিনী দেখে আত্রেয়ী জানলার দিকে ফিরে চুপ করে দাঁড়িয়ে আছে। পর্দাটা সরানো। জানালার কাচে ফেটে যাওয়ার অজস্র নিশান। আত্রেয়ীর হাত থেকে ঝুলছে ছিঁড়ে যাওয়া স্যালাইনের নল। ঘরের মাঝের পর্দাটাও খানিকটা সরে গেছে। কোনো কিছু ভাবার আগেই সোহিনী চিৎকার করে ওঠে, ম্যাম, আপনি উঠলেন কী করে?’ বলেই এগিয়ে যেতে থাকে আত্রেয়ীর দিকে। চোখের পলকে হাওয়ার বেগে এক বীভৎস দর্শন লোক সোহিনীর সামনে এসে দাঁড়ায় তার রক্তমাংস মাখামাখি হয়ে যাওয়া থ্যাতলানো মুখের দাঁতগুলো বের করে। সে মুখের চোখ, ঠোঁট, দাঁত কিছুই ঠিক জায়গায় নেই। আচমকা ঝাঁপিয়ে পড়া আতঙ্কে সোহিনীর গলা দিয়ে তীক্ষ্ণ আর্তনাদ বেরিয়ে আসে। ঠিক তারপরেই ফেটে যাওয়া কাচগুলো ফুঁড়ে আত্রেয়ী সেন ছিটকে পড়ে জানলার বাইরে। আলোর ছদ্মবেশে থাকা শহুরে নিশুতি করালী রাক্ষসীর মতো তাকে গ্রাস করে নেয় উদরে। আত্রেয়ীর শরীরটা ছয়তলার জানলা দিয়ে ছুড়ে ফেলা পুতুলের মতো হুহু করে মাটির দিকে নেমে যায়। মাটিতে পড়ে মুখ থুবড়ে। মরণ-তামসী খলখল করে হাসতে হাসতে উদ্‌বাহু হয়ে নৃত্য করতে থাকে সেই মাথা থেঁতলে, হাড় গুঁড়িয়ে যাওয়া শরীরটার ওপর। জানলার কিছু কাচ বিঁধে থাকে নটীর নরম শরীরে। ছড়িয়ে-পড়া চুলগুলো রক্তে-ঘিলুতে মাখামাখি। চোয়াল ভেঙে ঘুরে গেছে। হাঁ হয়ে গেছে মুখটা। চোখদুটো বন্ধ করারও সময় পায়নি আত্রেয়ী। ডানহাতটা কে যেন মুচড়ে ভেঙে দিয়েছে। বাঁ-হাত বাঁধানো চাতালে ছড়িয়ে আছে। যারা ছুটে এল অকুস্থলে আত্রেয়ীকে দেখে তারাই সবার আগে আঁতকে উঠে মুখ ফিরিয়ে নিল। তারপর চোখ-মুখ কুঁচকে অনেক কষ্টে দেখবার চেষ্টা করে আত্রেয়ীর লাশটাকে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ৪৭৪ – ডার্টি গেম
    Next Article নীরেন ভাদুড়ি সমগ্র ৩ – সৌভিক চক্রবর্তী
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }