Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মৃত জ্যোৎস্নার রাত্রি – অভিষেক চট্টোপাধ্যায়

    অভিষেক চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প526 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মৃত জ্যোৎস্নার রাত্রি – ৩৭

    সাঁইত্রিশ

    আত্রেয়ী সেনের বাড়িতে বসে তুমি যে শিরশিরে হাওয়া ফিল করেছিলে সেটা কী আর কখনও পেয়েছিলে?

    নীলাম্বর প্রশ্ন করলেন। মিহির বলল, ‘না। ঠিক হাওয়া নয়। আমি যতক্ষণ ওই বাড়িটাতে ছিলাম আমার একটা অস্বস্তি হচ্ছিল। খালি মনে হচ্ছিল আমার ঠিক পেছনে কেউ দাঁড়িয়ে আছে। দু-একবার ঘাড় ঘুরিয়ে দেখলাম। কিন্তু একবারও কাউকে দেখতে পেলাম না। শুধু একবার একটি মেয়ে এসে স্ন্যাক্স আর কফি দিয়ে গেল।’

    নীলাম্বর ‘হুম’ বলে মিহিরের হাতের কবজিটা ধরে চোখ বন্ধ করলেন। মিহির আবার বলতে শুরু করল, আত্রেয়ী সেনের বাড়ি থেকে ফিরে আসার পরের দিন মিতালি নামের একটি মেয়ে আমায় ফোন করল। আত্রেয়ী সেনের পিএ।

    মিহিরের কথায় অবাক হল নীলাম্বর। চোখ খুলে আবার প্রশ্ন করলেন, ‘আত্রেয়ী সেনের পিএ-র বন্দনা না কী যেন নাম না?’ উত্তরটা সায়ন দিল, ‘বন্দনা আগে ছিল। বোলপুরের শুটিঙের এক-দেড় মাস আগে ছেড়ে দেয়। তার কয়েকদিন বাদে মিতালি জয়েন করে।

    — বেশ।

    আবার চোখ বুজলেন নীলাম্বর। মিহির জানাল, মিতালি ফোন করে বলে পরের দিন বিকেল সাড়ে চারটে পাঁচটা নাগাদ অল্টেয়ার হোটেলের রুফটপে যেতে। সকাল থেকে ম্যাডামের ওখানেই শুট। আপনার সঙ্গে একটু বসবেন প্রোমোর স্ক্রিপ্টটা নিয়ে। মিহির সেদিন সোয়া চারটের মধ্যে যথাস্থানে পৌঁছে যায়। তখনও শুটিঙের লাস্ট শটের টেক চলছে। ক্যামেরায় তন্ময় হালদার। মিহির গিয়ে মনিটরের পাশে দাঁড়াল। শটের ফাঁকে তন্ময় আর মিহিরের চোখাচুখি হয়। মিহির ভদ্রতার খাতিরে সৌজন্যের হাসি হাসে। কিন্তু তন্ময় সেই সৌজন্যটুকু দেখাবারও প্রয়োজন মনে করে না। অপমানিত হলেও খুব একটা গায়ে মাখে না মিহির। আত্রেয়ী সেন তাকে ডেকে পাঠিয়েছে। মিহিরের কাছে এই অনেক। বন্ধুমহলে এখনই বেশ হাওয়ায় ভাসছে মিহির। কেউ কেউ পিঠ চাপড়ে বলেছে, ‘ভাই, টলিউডের স্বপ্নসুন্দরী তোমায় ডাকছে। ইস্পেশাল মিটিঙে। এরপর চিনতে পারবে তো?’ সেখানে এই তন্ময় হালদার কে? মিহির খেয়াল করে কালো ড্রেস পরে একজন লম্বা চওড়া লোক দাঁড়িয়ে অ্যাটেনশন মোডে। বুঝতে অসুবিধে হল না যে এই লোক আত্রেয়ীর বডিগার্ড। একটি ফরসা মাঝারি উচ্চতার মেয়েও দাঁড়িয়ে আছে। শটের ফাঁকে আত্রেয়ীর হয়ে সেই চিৎকার করে মেকআপ ডাকছে। জল আনাচ্ছে। এই মেয়েটিই কী মিতালি? কী জানি, হবে হয়তো।

     

     

    .

    সূর্যটা আজকের মতো ঘুমোতে যাবার তোড়জোড় করছে। প্রায় ফুরিয়ে-আসা বসন্তের শহুরে বিকেলের আকাশটা বড়ো মায়াময়। ভাবটা এমন যেন ছেড়ে যেতে মন চায় না। তবু ছেড়ে যেতে হয়। আকাশের দিকে চেয়ে খানিক আনমনাই হয়ে গেছিল মিহির। ঠিক সেই সময় ডিরেক্টর প্যাক আপ বলে ওঠে। মিহির ঠিকই ভেবেছিল, ওই মেয়েটিই মিতালি। ঠোঁটের নীচে ছোট্ট একটা তিল মিতালির মুখটাকে যেন সাজিয়ে তুলেছে। কাছে এসে বলল, ‘দাদা আপনাকে ডাকছেন।’ মিহির স্বভাবতই একটু অবাক হল। কোনো দাদার ডাক আসার তো কথা ছিল না। ‘কোন দাদা?’

    — তন্ময়দা।

    — ও।

    দূরে তন্ময় দাঁড়িয়ে দুজনের সঙ্গে হাসছে আর কীসব কথা বলছে। তা-ও মিহির গিয়ে দাঁড়াল। ‘হ্যাঁ তন্ময়দা বলুন।’

    — আজকাল ক-টা লোক কাজ বুঝে কাজ করেন বলো তো? সব শালা ভুঁইফোঁড়। কেউ বড়ো ক্যামেরাম্যান তো কেউ বড়ো ডিরেক্টর। সব্বাই নিজেকে ঋতুপর্ণ গৌতম ভাবছে। আরে তাঁদের স্কিল দ্যাখো আর নিজেরটা দ্যাখো।

    সামনে দাঁড়িয়ে থাকা চাপদাড়ির মাঝবয়সি লোকটা তন্ময়ের কথায় তাল ঠুকে ঘাড় নাড়ল। তন্ময় পাত্তাই দিল না মিহিরকে। সামনের লোকটির সঙ্গেই কথা বলে চলল। দূরে আত্রেয়ীকে কিছু একটা খেতে দিল মিতালি। আত্রেয়ী তাকাচ্ছেই না মিহিরের দিকে। আশ্চর্য ব্যাপার! ডাকল তো আত্রেয়ী। কিন্তু এই মালটা আবার কী কথা বলবে? এ যেন আমায় দেখতেই পাচ্ছে না। মনে মনে আচ্ছা করে গাল পাড়ল মিহির। আবার বলল, ‘তন্ময়দা ডাকছিলেন নাকি?’ মিহিরের গলাটা এবার একটু জোরেই বাজল। তন্ময় তাকাতে বাধ্য হল। ‘ও হো, হ্যাঁ। জরুরি কিছু কথা ছিল।’

    — বলুন।

     

     

    চাপদাড়ি লোকটা বলল, ‘আপনারা কথা বলুন। আমি ওদিকটা দেখছি।’ তন্ময় এক্কেবারে বিনয়ের অবতার হয়ে জিজ্ঞেস করল এই রুফটপে কিছুক্ষণ থাকতে পারা যাবে কিনা। চাপদাড়ি তন্ময়ের দু-হাত ধরে এক গাল হেসে জানাল, ‘আরে এ কী বলছেন? কিছুক্ষণ কেন সারা রাত থাকবেন বলুন, ব্যবস্থা করে দিচ্ছি।’

    — আরে না না। থ্যাংক ইউ।

    .

    মিহির আর তন্ময় ঠিক আত্রেয়ীর সামনেই এসে বসল। শুধু একটু হাসি বিনিময় করেই নিজের মোবাইলে মন দিল আত্রেয়ী। ব্যাপারটা ঠিক কী ঘটছে কিছু বুঝতে পারছে না মিহির। ফস করে তন্ময় বলে উঠল, শট ডিভিশনের প্রিন্ট আউটটা একবার বের করো তো।’ বস যেন সাবর্ডিনেটকে হুকুম করল। মিহির বলল, ‘প্রিন্ট তো আনিনি।’

    — যাশা! যেটা নিয়ে কথা বলব সেটাই আনোনি? এ কী ধরনের রেসপন্সিবিলিটি ভাই?

    — এটা নিয়ে যে কথা বলতে ডেকেছেন সেটাই তো বলেননি। তা ছাড়া ডেকেছিলেন তো…

    কথাটা শেষ করতে না দিয়েই তন্ময় বলল, ‘এটা বলার কী আছে? তোমার সঙ্গে নিশ্চয়ই মাসকাবারি বাজারের আলোচনা করতে ডাকিনি।’

    মাথায় আগুন জ্বলে গেলেও নিজেকে ঠান্ডা রাখল মিহির। বলল, ‘মোবাইলে আছে। কী বলবেন বলুন।’

    পকেট থেকে সিগারেট বের করে তন্ময় ধরাল। মিহিরকে অফার করল। কিন্তু হাত তুলে না বলল সে। তাতেও তন্ময় যা এক্সপ্রেশন দিল মনে হল মিহির যেন অন্য গ্রহের কোনো প্রাণী। অথবা পুরুষ মাত্রই যেন সিগারেট খাওয়াটা জরুরি।

    .

    সূর্যটা পশ্চিমে ঢলে পড়েছে। আর-একটু পরেই সন্ধে নেমে আসবে। আশেপাশে সবাই শুটিঙের জিনিসপত্র প্যাক করতে ব্যস্ত। ভুসভুস করে ধোঁয়া ছেড়ে তন্ময় বলল, ‘প্রথম পয়েন্ট হল, ওই চার নম্বর শটটা যেখানে আত্রেয়ীকে আমরা লো অ্যাঙ্গেল শটে দেখছি সেটা বাদ দিতে হবে।’

     

     

    কেন?

    — আত্রেয়ীকে লো অ্যাঙ্গেলে ভালো লাগে না। চিনটা এসে যায় তো তাই। বয়স্ক লাগবে।

    — তাতে প্রবলেমটা কোথায়? আমাদের ক্যারেক্টারটাই তো একটু এজেড। বরং দিদিকে কমবয়সি লাগলেই গল্পের সঙ্গে যাবে না।

    — মিহির, ভাই একটা জিনিস মাথায় রাখো। এটা আত্রেয়ী সেন। লোকের চোখে আত্রেয়ী এখনও টলিউডের স্বপ্নসুন্দরী।

    — আমি আত্রেয়ী সেনকে পোট্রে করছি না তন্ময়দা। আলোকপর্ণাকে দেখাচ্ছি। যার বয়স চল্লিশ পেরোতে চলেছে এবং সেই বয়সে গিয়ে একজনের প্রেমে পড়েছে যে কি না তার চেয়ে খানিক ছোটো।

    — তা হোক মিহির। তুমি ওটা বাদ দাও প্লিজ।

    হঠাৎ মিহিরকে চমকে দিয়ে আত্রেয়ী মিহিরের হাতের ওপর হাত রেখে আহ্লাদি সুরে কথাটা বলল। সত্যি কথা বলতে একটু অস্বস্তিতেই পড়ল মিহির। সেদিনকার হাত রাখাটা যতটা সুখের মনে হয়েছিল মিহিরের, আজকে যেন একটু অস্বস্তিই লাগল। তা-ও বলল, ‘কিন্তু দিদি, আপনার তো…।’

    — ওহ মিহির। কল মি আত্রেয়ী। এরকম সবার সামনে ‘দিদি দিদি’ কোরো না তো।

    ঢোঁক গিলে মিহির বলল, ‘আচ্ছা তাই হবে। কিন্তু ম্যাডাম এই প্রোমোটাতে তো আপনার ভাইটাল শটগুলোই লো অ্যাঙ্গেলে। আপনি প্রতিবাদ করতে করতে যখন লোকগুলোর দিকে তেড়ে আসছেন তখন শট তো সব…।’

    — ওগুলো বেশ কিছু লং থেকে ট্রলি করব। আর কিছু প্রোফাইল থেকে হাফ রাউন্ড ট্রলি। চকাচক হয়ে যাবে।

    মিহিরের কথার ওপর দিয়েই ওভারল্যাপ করল তন্ময়ের কথা। তন্ময়ের দিকে তাকিয়ে আদুরে চোখদুটো টিপল আত্রেয়ী। মিহির চোখটা নামিয়ে নিল। আবারও আত্রেয়ীর নরম হাত এসে মিহিরের পিঠ স্পর্শ করে বলল, ‘তোমরা কথা বলো, আমি একটু আসছি।’ যেন অনন্ত সুখলোকের কোনো তরঙ্গ মিহিরের শরীরে আবার আলোর আঁকিবুকি কেটে দিয়ে গেল। সঙ্গে কোনো এক হিমশীতল হাওয়া মিহিরকে ছুঁয়ে আত্রেয়ীর সঙ্গে দূরে সরে গেল। মিহিরের মনে হল ওর ঘাড়ে কেউ নিশ্বাস ফেলছে। কিন্তু পেছনে অনেক লোক ঘোরাঘুরি করছে। গলা তুলে একে অন্যকে ডাকছে। বিশেষ কেউ মিহিরের ঘাড়ের কাছে দাঁড়িয়ে নেই। কানে মোবাইল দিয়ে আত্রেয়ী রুফটপের একদম ধারে গিয়ে দাঁড়াল। আকাশ থেকে আলো হারিয়ে যাচ্ছে ক্রমশ। ভিড়ও খালি হয়েছে ছাদের। আরও কিছু কথা বলতে বলতে তন্ময়ের একটা ফোন আসে। সে-ও উঠে খানিকটা দূরে চলে যায়। মিহির শুধু একা বসে অপেক্ষা করতে থাকে।

     

     

    .

    মিহির এক দৃষ্টে চেয়ে আছে আত্রেয়ী সেনের দিকে। রুফটপের এক্কেবারে ধারে দাঁড়িয়ে কথা বলছে। মাঝে মাঝে হাসতে হাসতে পিঠের ওপর ছড়িয়ে থাকা চুলগুলো হাত দিয়ে মুখের সামনে এনেই আবার পেছনে ছুড়ে দিচ্ছে। খোলা আকাশের হাওয়ায় সেগুলো ফুরফুর করে ডানা মেলে উড়ে আবার নিজের জায়গায় ফিরে আসছে। এখনও বিশ্বাসই হচ্ছে না তার ডিরেকশনে অভিনয় করবে আত্রেয়ী সেন। মিহিরের মনে হচ্ছে আত্রেয়ী যেন লালিমা ছড়ানো আকাশের বুকে মুখ পেতে বেঁচে থাকার ঘ্রাণ নিচ্ছে। তার মাথার ওপরে রূপ বদলাচ্ছে অস্তরাগের আকাশ।

    কিন্তু ওটা কে? আত্রেয়ী সেনের পেছনে! মিহির তো এতক্ষণ একভাবে আত্রেয়ীর দিকেই তাকিয়ে ছিল। কেউ তো ছিল না। ধূসর রঙের জামা আর কালো রঙের প্যান্ট, তার ওপর কালচেটে লাল ছোপ। যেন চারপাশে রক্ত শুকিয়ে আছে। অদ্ভুত দেখতে জামাকাপড় পরা লোকটা কে? আত্রেয়ীর দিকেই-বা এগোচ্ছে কেন? মিহির এদিক-সেদিক তাকিয়ে দেখল কাউকে জিজ্ঞেস করা যায় কিনা। কিন্তু কেউ নেই। সবাই দূরে-দূরে। সেই বডিগার্ডই-বা গেল কই? আবার আত্রেয়ীর দিকে চোখ ফেরাতেই চমকে ওঠে মিহির। ঝড়ের বেগে উঠে দাঁড়ায় সে। লোকটার বিচ্ছিরি বাঁকা দুটো হাত আত্রেয়ীর দিকে উঠেছে। এক্ষুনি পেছন থেকে আত্রেয়ীকে ঠেলে ফেলে দেবে। আর কিচ্ছু না ভেবে মিহির পাগলের মতো দৌড়োতে থাকে আত্রেয়ীর দিকে। লোকটার হাত আত্রেয়ীর পিঠের একদম সামনে চলে এসেছে। ‘আত্রেয়ীইইইইইইই’ চিৎকার করে ওঠে মিহির। দূরে-দূরে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা লোকগুলো যে যার কাজ ছেড়ে তাকায়। দেখে একটি ছেলে দৌড়ে আত্রেয়ীর দিকে গেল, আত্রেয়ী ফিরে তাকাল এবং কিছু বোঝার আগেই ছেলেটি আত্রেয়ী সেনকে টেনে নিয়ে ছাদের ওপর চিত হয়ে শুয়ে পড়ল। হ্যাঁচকা টানে আত্রেয়ী সেন সোজা মিহিরের বুকের ওপর মুখ গুঁজে হুমড়ি খেয়ে পড়ল। ঠিক সেই মুহূর্তে একমাত্র মিহির দেখতে পেয়েছিল রক্ত-মাংস থ্যাঁতলানো মুখে ভয়ানক দুটো সাদা চোখ প্ৰচণ্ড হিংস্রতায় চেয়ে আছে। দাঁতগুলো তার ভেঙেচুরে বেরিয়ে আছে। কিন্তু সেই লোকটা মুহূর্তের জন্য দেখা দিয়েই চোখের পলকে উধাও। ততক্ষণে সকলে হইহই করতে করতে ছুটে এসেছে। আত্রেয়ী সেন দাঁতে দাঁত চিপে বলে উঠল, ‘হোয়াট দ্য ফাক!’ তন্ময় দৌড়ে এসেই মিহিরকে মুখঝামটা দিতে শুরু করে দেয়। ‘এসব কী হচ্ছে? চ্যাংড়ামো পেয়েছ? আত্রেয়ী তুমি ঠিক আছো তো?’ বডিগার্ড এসে ম্যাডাম-ম্যাডাম করে কত কী বলছে। মিহির তখনও হাঁফাচ্ছে। ভীষণ জোরে জোরে নিশ্বাস নিচ্ছে। মিতালিকে ধরে আত্রেয়ী উঠে দাঁড়াল। মিহির তখনও ছাদের ওপর বসে সেই ভয়ানক লোকটাকে এপাশ-ওপাশ খোঁজার চেষ্টা করছে।

     

     

    — হেইইই, ওঠো ওঠো। অনেক নাটক করেছ।

    তন্ময় গায়ের জোরে টেনে তুলল মিহিরকে। সকলের সামনে মিহিরের জামার কলার ধরে গলা চড়িয়ে তন্ময় বলল, ‘টলিউডের এক নম্বর সুন্দরী নায়িকাকে খুব বুকে জড়াতে ইচ্ছে করেছিল না? চ্যানেলে জানাব নাকি?’

    — তন্ময় লিভ ইট। মিহির এখন যাও তুমি।

    আত্রেয়ীর কথার ওপর দিয়ে তন্ময় তেড়েফুঁড়ে উঠল, ‘আমি তোমায় সেদিনই বলেছিলাম ছেলেটার চোখদুটো ভালো না।’

    — থামুন আপনি।

    ধমকে উঠল মিহির। ‘তখন থেকে অনেক ফালতু কথা বলেছেন। আমি যদি দৌড়ে না আসতাম ওই লোকটা আত্রেয়ীকে ঠেলে ফেলে দিত। মেরে ফেলত।’ আকাশে কোনো মেঘ নেই। দিনমণি তার সব রংটুকু বিলোতে বিলোতে হারিয়ে যাচ্ছে। তবু রুফটপে প্রাণঘাতী এক বাজ পড়ল। সব্বাই চমকে উঠল। এ কী কথা বলছে মিহির?

    — মেরে ফেলত? মানে?

    অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করল আত্রেয়ী।

    — সব ঢপ। এখন শাক দিয়ে মাছ ঢাকছে।

    তন্ময় ঝংকার দিয়ে বলল।

    — না আত্রেয়ী, বিশ্বাস করুন। লোকটা আপনাকে ঠেলে ফেলে দেবে বলে আপনার পিঠের দিকে হাত বাড়িয়ে এগিয়ে আসছিল। আমি স্পষ্ট দেখেছি।

    — কে লোক? কোন লোকের কথা বলছ বলো তো? আমার পেছনে তো কেউ ছিল না তুমি ছাড়া।

     

     

    আত্রেয়ী পালটা প্রশ্ন করল।

    — লোকটাকে ভয়ানক দেখতে। সাদা ফ্যাটফ্যাটে চোখ। থ্যাতলানো মুখ। গায়ে বোধহয় অফ হোয়াইট বা গ্রে শেডের টি শার্ট ছিল। কিন্তু সেটাতে অদ্ভুত ডিজাইন। মনে হল চাপ চাপ রক্ত শুকিয়ে জমাট বেঁধে আছে।

    এবার আত্রেয়ীর বডিগার্ড বলে উঠল, ‘এসব কী গল্প বানাচ্ছেন? এরকম কেউ ছিল না ছাদে।’ মিহির জোর দিয়ে বলল, ‘একশোবার ছিল। আমি স্পষ্ট দেখেছি।’ মিতালি বলল, ‘কিন্তু আপনি যেরকম বর্ণনা দিচ্ছেন সেরকম কোনো মানুষ হয় না। ভূত-প্রেত হয়। এখানে তারা আছে বলে তো কলকাতা শহরে কেউ শোনেনি।’ আশেপাশে আরও নানান গুঞ্জন উঠল। বেশিরভাগটাই মিহিরকে অবিশ্বাস করে লোকে কমেন্ট পাস করতে থাকে। কিন্তু এবার একদম চুপ করে যায় আত্রেয়ী সেন আর তন্ময় হালদার। আত্রেয়ী বলে ওঠে, ‘তন্ময়, এখান থেকে চলো।’ অদ্ভুত দৃষ্টিতে মিহিরের দিকে তাকায় আত্রেয়ী। সেই দৃষ্টিতে সন্দেহ নাকি ভয়, ঠিক কোনটা ছিল মিহিরের বোধগম্য হল না। তন্ময় আর একটা কথাও বলল না। চুপচাপ আত্রেয়ীকে নিয়ে চলে গেল। সূর্য অস্ত গেল। অন্ধকার নেমে এল।

    .

    পকেটের মধ্যে ফোনটা কেঁপে উঠতেই সায়ন দেখল সূর্য ফোন করছে। বুকের কাছে কে একটা পিন ফুটিয়ে দিল তার। এবার কী সূর্যও কোনো খারাপ খবর দেবে! ‘আমি জাস্ট দু-মিনিটে আসছি এই ফোনটা রিসিভ করে।’ মিহির আলতো করে মাথা নাড়ল। কিন্তু নীলাম্বর মিহিরের হাতের কবজি ধরে চুপ করে বসে রইলেন। সায়ন বেরিয়ে গেল। করিডরে গিয়ে ফোনটা রিসিভ করল। ‘হ্যাঁ বলো সূর্য…। তাই, কী খবর? কী বলছ?’ সায়ন ফোনটা কানে নিয়ে অবাক হয়ে খুব ধীর গতিতে পায়চারি করতে থাকে। ‘তারপর? মানে কী কী বলল একটু শর্টে বলো।’ এরপর বর্ষার আকাশের মতো সায়নের মুখের পেশিগুলোর অভিব্যাক্তি বদলাতে থাকে। কোনো এক লক্ষ্যভেদের অভিপ্রায়ে তীক্ষ্ণ চোখদুটো করিডরের ফাঁকা দেয়ালের গায় স্থির হয়ে যায়। কিন্তু দৃষ্টি তার দেয়াল ফুঁড়ে দেখছে অন্য এক জায়গার ছবি, ভিন্ন এক ক্ষণের ছবি যেখানে সব কিছু ওলট-পালট হয়ে যাচ্ছে। খানিক বাদে কান থেকে ফোনটা নামিয়ে কী যেন ভাবে। তারপর সঙ্গে সঙ্গে সোমদত্তাকে ফোন করে বলে, ‘সোমদত্তা, এখুনি দুজনকে তুলতে হবে। থানায় এনে খাতির-যত্ন করো। আমি এদিকটা সেরে আসছি।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ৪৭৪ – ডার্টি গেম
    Next Article নীরেন ভাদুড়ি সমগ্র ৩ – সৌভিক চক্রবর্তী
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }