Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মৃত জ্যোৎস্নার রাত্রি – অভিষেক চট্টোপাধ্যায়

    অভিষেক চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প526 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মৃত জ্যোৎস্নার রাত্রি – ৩৯

    ঊনচল্লিশ

    দ্রুত পায়ে থানায় ঢুকে আসে সায়ন। সোমদত্তাকে দেখতে পেয়েই প্রশ্ন করে, ‘কী অবস্থা? ভেতরে আছে তো?’

    — হ্যাঁ স্যার।

    — কোনো ঝামেলা করেনি?

    — মেয়ে হম্বিতম্বি শুরু করেছিল। বলছিল আসব না।

    — তারপর।

    — হঠাৎ একটা নাম মাথায় এল। শান্তিলতা নবজীবন আশ্রম। এটা বলতেই সব চুপ। সুড়সুড় করে চলে এল। এখানে নিশ্চয়ই কোনো কেস আছে স্যার।

    — হ্যাঁ সে তো বুঝলাম। কিন্তু এটা কোথাকার নাম। তুমি পেলেই-বা কোথা থেকে?

    — ওই যে ছবিগুলো আত্রেয়ী সেনের ড্রাইভারের ঘর থেকে পেলাম ওটাতেই তো লেখা ছিল।

    — আই সি।

    — ফস করে বলে ভাবছি কী জানি কাজ হবে কিনা। কারণ কিছুই তো জানি না ওটার সম্পর্কে। ফোন নম্বরও নেই। দেখলাম তাতেই কাজ হল।

    সায়ন মুচকি হেসে বলল, ‘ইম্প্রেসড।’ সোমদত্তা একটু লজ্জা পেল। লাড্ডুটা আড়ালে ফাটল।

    .

    আতঙ্কে ভিজে থাকা দু-জোড়া চোখের সামনে ইন্টারোগেশন রুমের আলোটা ঝুলছে। বৃদ্ধ চোখদুটো লাল। অনেকবার চোখ মোছার পর যেমন রক্তিম আভা ছড়িয়ে পড়ে, তেমন। অন্য চোখদুটো ভাষাহীন। টেবিলের দিক থেকে আলোর দিকে চোখটা তুলে তাকায় বন্দনা। কারণ আলোর ওপারে এক জোড়া কঠিন চোখ একভাবে চেয়ে আছে তাদের দিকে। থমথমে নীরবতা কাটিয়ে বন্দনা ও সুরভির দিকে তাকিয়েই সোমদত্তাকে প্রশ্ন করে সায়ন, ‘সোমদত্তা।’

    — স্যার।

    — অতিথিদের কোনো অমর্যাদা হয়নি তো?

    — না স্যার। খাবার অফার করেছিলাম, খাননি।

    — কেন সুরভি দেবী? বাই দ্য ওয়ে, আপনাকে দেবী বলতে পারি তো? আসলে আপনার মেয়ের এই দেবীত্বে বড়ো আপত্তি।

    ঝিমিয়ে পড়া ত্রস্ত হরিণীর মতো চোখ তুলে সায়নের দিকে তাকায় সুরভি। কিছু না বলে মেয়ের দিকে চোখ ফেরান। ‘যাক, মৌনতা সম্মতির লক্ষণ ধরে নিলাম।’ সায়ন সোজা হয়ে বসে আবার সোমদত্তাকে জিজ্ঞেস করল, ‘সুরভি দেবী যা মেডিসিন নেন সেগুলো এনেছ তো?’

    — হ্যাঁ স্যার।

    — লাঞ্চে আর ডিনারে আপনারা কী খাবেন সেটা একবার বলে দিলে সুবিধে হয়। আসলে এত গল্প জমে আছে যে সেটা দু-তিন ঘণ্টায় শেষ হবে না। রাত কাবার হয়ে যাবে।

    বন্দনা চাপা গলায় বলল, ‘আমার মা কিন্তু খুব অসুস্থ।’ সায়ন অমনি অত্যন্ত বিনয়ের সঙ্গে বলল, ‘হ্যাঁ জানি তো। ডক্টর অনিরুদ্ধ সরকার বাইপাস করতে বলেছেন। টাকার জন্য ব্যাপারটা আটকে আছে। আসলে টাকাটা এতদিনে পেয়ে যাবারই কথা ছিল। যদি হাতে আত্রেয়ী সেনের দামি নেকলেসটা চলে আসত। বাইশটা হিরে বসানো। সুরভি অবাক হয়ে বন্দনার দিকে তাকায়। মানে?’ সায়ন বলল, ‘আস্তে আস্তে সব জানতে পারবেন সুরভি দেবী। এখন হাতে অনেক সময় আছে। আর আপনার জন্য আরামদায়ক বিছানাও রেডি। আপনি শুয়ে শুয়েও আমাদের উত্তর দিতে পারেন।’

    — কী জানতে চান?

    — এই তো। তার আগে আরও একটা কথা জানিয়ে রাখি আপনাকে। যেটা আপনার মেয়ে আপনাকে বলেইনি।

    — কী কথা?

    — আপনার মেয়ের সাড়ে চার মাস চলছে।

    — মানে?

    আঁতকে ওঠে সুরভি। মেয়ের দিকে তাকিয়ে বলে, ‘এই বাণী, কী বলছেন এঁরা? অ্যাঁ?’

    টেবিল চাপড়ে বন্দনা খেপে বলে ওঠে, ‘কেন ছেলেখেলা করছেন মায়ের জীবন নিয়ে? মার এক্ষুনি শ্বাসকষ্ট শুরু হয়ে যাবে।’ সায়ন আর সোমদত্তা দুজনেই চুপ। সুরভির নিশ্বাসের গতি বাড়ছে। মেয়েকে ঠেলা দিয়ে প্রশ্ন করেই চলেছে, ‘অ্যাই তুই আমার কথা বাদ দে। এঁরা কী বলছেন? তোর সাড়ে চার মাস চলছে মানে কী?’ অনেকক্ষণ ধরেই চোখের কোলে জলগুলো জমেছিল। সেখানে আকস্মিক ঘা লাগতেই দু-গাল বেয়ে গড়িয়ে পড়ে।

    — মা তুমি চুপ করো। হাঁফিয়ে যাচ্ছ। তোমার কষ্ট হবে তো।

    — হোক কষ্ট। এঁরা কেন এই কথা বললেন বল। আমার অনেকদিন ধরে তোকে দেখে ভালো লাগছে না। কী করেছিস বল হতচ্ছাড়ি।

    মা আর মেয়ের কীর্তিকলাপ একভাবে দেখে চলেছে সায়ন। সুরভির শরীর এবার সত্যিই খারাপ করছে মনে হয়। বন্দনা মা-কে বোঝানোর চেষ্টা করে, মা ওসব কিচ্ছু না। তুমি চুপ করো টেনশন কোরো না।’ বলেই দাঁত খিঁচিয়ে উঠল সায়নকে, ‘কেন এই শয়তানিগুলো করছেন আপনারা? কেন?’

    — আরে কী আশ্চর্য! এটা কী লুকিয়ে রাখার ব্যাপার নাকি? আজ বাদে কাল মা তো জানতেই পারবে। ঘরে নতুন অতিথি আসছে এটা তো ভালো কথা।

    সুরভি আরও খেপে ওঠে। বন্দনাকে চটাস চটাস করে দুটো চড় মেরে দেয় পিঠে। হতচ্ছাড়ি, কোথায় মুখ পুড়িয়েছিস তুই? বল আগে বল। নইলে তুই আমার মরা মুখ দেখবি।’ এবার বেশ বড়ো করে একটা শ্বাস নেয় সুরভি। সোমদত্তা সায়নের মুখের দিকে তাকায়। সায়ন বুঝতে পারে ব্যাপারটা এবার হাতের বাইরে যেতে বসেছে। সোজা হয়ে বসে সে। সুরভি এক-এর পর এক বলতেই থাকে। হাউ হাউ করে কান্নায় ভেঙে পড়ে। তুই একবার আমার কথা ভাবলি না? এত বেইমান তুই? এই জন্য তুই কাজ ছেড়ে বাড়িতে বসে?’

    — মা চুপ করো। তোমার শরীর ভালো না।

    — আমি মরে যাব। তুই আমায় মা বলে ডাকবি না।

    — মা প্লিজ।

    — এখন আমি মুখ দেখাব কী করে? এই দেখার জন্য আমায় বাঁচিয়ে রাখতে চাস তুই? আমারই ভুল, সব আমার ভুল। আমার বোঝা উচিত ছিল।

    — মা তুমি একটু ইনহেলার নাও। চুপ করো।

    — তুই চুপ কর শয়তানি। তোর রক্তে দোষ আছে।

    .

    চিৎকার করে ওঠে সুরভি। আর কিছু বলার আগেই বন্দনা মায়ের মুখ চেপে ধরে। সুরভির কথায় সায়ন আর সোমদত্তা দুজনেই একটু থমকে যায়। ‘রক্তে দোষ!’

    — চুপ, চুপ করো মা। আমার কিচ্ছু হয়নি। আমার কোনো মাস চলছে না। সব মিথ্যে। বিশ্বাস করো। এরা মিথ্যে বলছে। তোমাকে উত্তেজিত করে দিচ্ছে।

    সুরভি পাগলের মতো মাথা ঝাঁকিয়ে নিজের মুখ থেকে বন্দনার হাত সরিয়ে দেয়। এখন সুরভির যা অবস্থা তাতে যে-কোনো মুহূর্তে তার হৃদযন্ত্র স্তব্ধ হয়ে যেতে পারে। তাই বেগতিক বুঝে সোমদত্তা সুরভিকে শান্ত করে। সায়ন টেবিল চাপড়ে ধমকে ওঠে, ‘চুউউউপ। একদম চুপ সবাই।’ সুরভি হাঁফাচ্ছে। ফুলে-ফুলে কাঁদছে। বন্দনার চোখে মায়ের জন্য ভয় আর ভীষণ রাগ চুঁইয়ে আগুনের ধারা নেমে আসছে। সায়ন গলা নামিয়ে বলে, ‘আপনার মেয়ে ঠিকই বলছে সুরভি দেবী। এ সব মিথ্যে এক্ষুনি আপনার মেয়েই নিজের মুখে স্বীকার করল। সুরভির ভেঙে-যাওয়া মুখ আর কাঁপতে থাকা চোখদুটো বিস্ময়ে থমকে গেল সায়নের মুখের দিকে তাকিয়ে। সায়ন বলল, ‘আসলে আপনার মেয়ে বন্দনা ওরফে বাণী, সে আমাদের গতবারের জেরায় জাস্ট ঘোল খাইয়ে ছেড়েছে। সত্যি-মিথ্যের মিশেলে এমন গপ্পো বানিয়ে বলেছে উইথ প্রপার অ্যাক্টিং যে আমরাও তখনকার মতো বিশ্বাস করে গিয়েছিলাম। অবশ্য ও শুধু আমাদেরই ঘোল খাওয়ায়নি। তন্ময় হালদারকেও বিশ্বাস করতে বাধ্য করেছিল যে, বন্দনার গর্ভে তার সন্তান আছে। কিন্তু ওই যে, যমদূত আর পুলিশ, এই দুজনের চক্ষে ফাঁকি দেওয়া যে অত সহজ নয়।’

    — আমি কিছুই বুঝতে পারছি না।

    ধুঁকতে ধুঁকতে সুরভি বলল। সায়ন পালটা প্রশ্ন ছুড়ে দিল বন্দনার দিকে, ‘কী ম্যাডাম পুরোটা আপনি বলবেন না কি আমিই…’

    — আপনারা যখন সবটাই জানেন তখন আপনারাই বলুন।

    — না ম্যাডাম। সবটা আমরা জানি না। আমরা যেটুকু জানি, সেটুকু হল এই আপনি আমাদের বলেছিলেন একদিন আপনি আত্রেয়ী সেনের বাড়িতে আপনার যে ঘর সেখানে চেঞ্জ করছিলেন, আর ঠিক তখনই পর্দার আড়ালে ক্যামেরা হাতে লুকিয়ে ছিল তন্ময়। আপনাকে না জানিয়ে আপনার ড্রেস চেঞ্জ করার ছবি তোলে। আর তারপর সেটা দেখিয়ে আপনাকে ব্ল্যাকমেল করতে থাকে এবং দীর্ঘদিন ধরে আপনাকে ভোগ করতে থাকে। সরি ফর মাই ল্যাঙ্গোয়েজ।’ কথাগুলো শুনতে সুরভির ভীষণ অস্বস্তি হচ্ছে। তবু সায়ন বলে চলে, ‘তারপর বেশ কিছু বছর পর হঠাৎ একদিন আপনাদের অসতর্কতার মুহূর্তে একটা দুর্ঘটনা ঘটে যায় এবং আপনি প্রেগনেন্ট হয়ে পড়েন। সেটা যাতে আত্রেয়ী সেন না জানতে পারেন তাই আপনি অসুস্থতার নাম করে আত্রেয়ীর কাজ ছেড়ে চলে যান। আমরা সেটা বিশ্বাস করতে বাধ্য ছিলাম। কারণ তন্ময় হালদারের বাড়ি থেকে আপনার সোনোগ্রাফি রিপোর্ট, প্রেসক্রিপশন সব পেয়েছিলাম। কিন্তু কী জানেন ম্যাডাম, একটা কথা চালু আছে। অপরাধীরা অপরাধ করার সময় কোনো-না-কোনো প্রমাণ নিজেরাই ফেলে যায়। আত্রেয়ী সেনের বাড়িতে যে ঘরে আপনি থাকতেন সেই ঘর সার্চ করে একটা কনট্রাসেপ্টিভ পিল খুঁজে পাই আমরা। তখনই সন্দেহ হয় আমার। তারপর আপনার সব রিপোর্ট অর্থাৎ যে জায়গা থেকে আপনি সোনোগ্রাফি করিয়েছিলেন মানে রিপোর্টে যে নাম লেখা আছে সেই কেয়ার অ্যান্ড কিয়োরে আমরা যাই। কিন্তু রিপোর্টে মেনশন করা ডেটে বন্দনা দত্ত নামের কেউ সোনোগ্রাফি করায়নি। অথচ আপনার সোনোগ্রাফি প্লেটে যে ব্যাচ নম্বর আছে সেটা মিলিয়ে দেখা গেছে যে, সেটা ওই ল্যাবেরই ব্যাচ নম্বর। অর্থাৎ রিপোর্টটা ভুয়ো নয়। ওটা সত্যিই একজন প্রেগন্যান্ট মহিলার রিপোর্ট, যার নাম, সালমা খাতুন।’ বন্দনা ঘামছে। সায়ন বেশ বুঝতে পারে টেবিলের তলায় হাতদুটো বেশ জোরেই কচলাচ্ছে বন্দনা।

    — আর এই সালমা খাতুনেরই ভাই ওয়াসিম। ওয়াসিম মুরশেদ। টালিগঞ্জ পাড়ায় লোকে যাকে ভিকি বলে চেনে।

    ভিকির নামটা শোনামাত্রই একটা বড়ো নিশ্বাস যেন পিছলে বেরিয়ে আসে বন্দনার নাক দিয়ে। চোখটা বন্ধ করে ফেলে। দমটাও কয়েক মুহূর্তের বিরতি পায়। এবার সোমদত্তা বলল, ‘স্যার, বাকিটুকু না হয় ভিকির মুখ থেকেই শোনা যাক।’ সায়ন কাঁধ ঝাঁকিয়ে বলল, ‘অ্যাজ ইয়োর উইশ!’ টেবিলের ওপর থেকে একটা রিমোট তুলে নেয় সোমদত্তা। ইন্টারোগেশন রুমের যেদিকটা গাঢ় অন্ধকার সেদিকে লক্ষ্য করে রিমোটটা তুলে ধরে। ঘাপটি মেরে থাকা অন্ধকারটা চকিতে বড়ো টিভি স্ক্রিনের আলোয় উদ্ভাসিত হয়ে ওঠে। ওদিকে যে একটা টিভি ছিল সেটা কারও নজরেই পড়েনি। ফুটে উঠল ভিকির মুখ। এই সেই ভিকি, যে আত্রেয়ী আর তন্ময়ের কেচ্ছা ভিডিয়ো করে বন্দনাকে দেখিয়েছিল। ভিকির মুখে অসম্ভব ভয়। আতঙ্কে কুঁকড়ে আছে সে। প্লে বটমটা টিপতেই ভিকি বলতে শুরু করল।

    — মাসখানেক আগে হঠাৎ একদিন বন্দনা আমায় বলল, ভিকি আমার একটা উপকার করে দে না। আমি বললাম কী? ও বলল, আমার এক পরিচিত, ভাই বলতে পারিস। একটা শর্ট ফিল্ম করছে। একদম বাজেট নেই। আমি জিজ্ঞেস করলাম, কী করতে হবে? বিনা পয়সায় আর্টিস্ট দিতে হবে? ও বলল, না না। ওসব কিছু না। একটা প্রেগনেন্ট মহিলার সোনোগ্রাফি রিপোর্ট জোগাড় করে দিতে হবে। আমি বললাম, এ আর এমন কী? বানিয়ে দেব। বন্দনা বলল, না না। অত খাটতে হবে না। তুই বলছিলিস না যে তোর দিদি প্রেগনেন্ট। সেদিন সোনোগ্রাফি করাতে গেলি তো। সেখান থেকে রিপোর্টের একটা ডুপ্লিকেট কপি এনে দে না। যা পয়সা লাগে আমি দিয়ে দেব। আমি বললাম, ঠিক আছে ওদের বলে দেখি। আমি ওদের বললাম যে রাস্তায় হারিয়ে গেছে। আমার আর-একটা ডুপ্লিকেট লাগবে। আমি সেটাই ওকে দিয়েছিলাম।

    .

    ভিডিয়োর অন্তরাল থেকে সায়নের গলা শোনা গেল, ‘নামটা কে পালটাল?’

    — আমি ওকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, নামটা তো আমার দিদির রয়েছে।

    — কী নাম দিদির?

    — সালমা খাতুন।

    — বেশ। তারপর।

    — তারপর বন্দনা বলল, ও নিয়ে ভাবিস না। এটাকে স্ক্যান করে নামটা পালটে ওই ক্যারেক্টারের নামটা বসিয়ে নেব। তারপর সেটার একটা কালার প্রিন্ট নিলেই হয়ে যাবে।

    — তুমি যে কাজটা করেছ সেটা যে বেআইনি জানো?

    ভিকি সবে কাঁদো-কাঁদো মুখে হাত জোড় করেছিল। ভিডিয়োটা পজ করে দিল সোমদত্তা। বন্দনা মুখে হাত চাপা দিয়ে বসে আছে।

    — মুখ যা পোড়ার তা তো পুড়েই গেছে। আর মুখ ঢেকে কী হবে? আমাদের মেডিক্যাল টেস্টেও আপনার শরীরে কোনো প্রেগনেন্সির চিহ্ন পাওয়া যায়নি।

    সায়ন বন্দনার উদ্দেশ্যে বলল। সুরভি নাকের নীচে আঁচল চেপে কাঁদতে থাকে।

    — কেন করলেন বন্দনা?

    সায়নের প্রশ্নে ঝাঁঝিয়ে উঠল বন্দনা, ‘আর কী করতাম? কী করার ছিল আমার? একদিকে মায়ের এই অবস্থা। লাখ লাখ টাকা চাই। তার ওপর তন্ময়ের ব্ল্যাকমেল। ভেবে দেখলাম এটাই একমাত্র পথ। তাই করেছি।’

    — আপনার মায়ের অসুখটা তো ধরা পড়েছে আড়াই-তিনমাস হল। তাই তো?

    বন্দনা আঙুলের ফাঁক দিয়ে অর্ধেক চোখ সায়নের দিকে চালিয়ে দিয়ে বলল, ‘অনেক আগে থেকেই প্রবলেম ছিল।’

    — চালাকি করে উত্তর দেবেন না। আমি জিজ্ঞেস করেছি ধরা পড়েছে কবে?

    — সাত বছর আগেই ধরা পড়েছিল। তখন স্টেন্ট বসাতে বলেছিল ডক্টর। কিন্তু পয়সা ছিল না। তাই বসানো হয়নি। ডাক্তার বলেছিল পরে বাড়াবাড়ি হলে বাইপাস ছাড়া গতি নেই। ঠিক সেই বাড়াবাড়িটাই হয় আড়াই-তিনমাস আগে। ডাক্তার বলেন, বাইপাস সার্জারি মাস্ট।

    — বেশ। এবার বলুন তো, আত্রেয়ী সেনের স্বামী কোথায়?

    বন্দনা নড়ে উঠল। মানে? আপনাকে তো বলেইছি। কেউ জানে না।

    — আমি কারও কথা জিজ্ঞেস করিনি তো। আমি আপনার কথা জিজ্ঞেস করেছি।

    — আমিও জানি না।

    — বেশ। আচ্ছা বন্দনা। আত্রেয়ী, তন্ময় আর শান্তনু যখন ভারমোরে গিয়েছিল তখন আপনি কোথায় ছিলেন?

    — একই প্রশ্নের উত্তর আমি কতবার দেব ইনস্পেক্টর। আমি তো আগেই বলেছি যে আমি বাড়িতেই ছিলাম।

    — আপনার আগের বলা সব কথা মিথ্যে।

    — মানে?

    — আমাদের কাছে খবর আছে আপনিও সেই সময় ভারমোরেই ছিলেন।

    — মিথ্যে কথা।

    — কৈলাস হোমস্টের রেজিস্টারে কী তাহলে ভুল নাম লেখা আছে?

    বন্দনা এবার সোজা হয়ে বসল। আমত-আমতা করে বলল, ‘মা… মানে। সারা পৃথিবীতে আমি একাই বন্দনা দত্ত নাকি? আর কেউ থাকতে পারে না?’

    সায়ন জোরের সঙ্গে বলল, ‘নিশ্চয়ই থাকতে পারে। কিন্তু সেক্ষেত্রে তাদের সইটা আলাদা হবে। কিন্তু আপনার সই আর সাড়ে ছয় বছর আগের বন্দনা দত্তের সইটা যে হুবহু এক বন্দনা ম্যাডাম! আর সেখানেই প্রমাণিত হয় যে আপনিই সেই বন্দনা দত্ত। আগের দিন আমাদের রেজিস্টারে আপনি সই করেছিলেন। মনে পড়ে?

    .

    কথাটা শেষ করেই সুরভির দিকে প্রশ্ন ঘুরে যায় সায়নের, ‘কী সুরভি দেবী, মেয়ে ভারমোর গিয়েছিল তো?’

    সুরভি ঠিক কী বলবে আর কী বলবে না সেটা বুঝে উঠতে পারল না। সায়ন কড়া সুরে বলল, ‘মেয়ের যদি ভালো চান তাহলে সত্যি কথাটা বলুন। মেয়ে ভারমোর গিয়েছিল কি না!’ কুঁতিয়ে কুঁতিয়ে বলল সুরভি, ‘জায়গার নাম মনে নেই। তবে কোনো একটা শীতের জায়গায় গেছিল। বলল, ম্যাডাম বেড়াতে গেছেন তাই ছুটি পেয়েছি। বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরে আসি।’

    — আপনার মেয়ে ভীষণ গোছানো। সবদিক থেকে। মিথ্যে কথাটাও খুব গুছিয়ে বলেন। কিন্তু শেষমেশ ছড়িয়ে ফেলেন। কোথায় যে কখন ছাপ রেখে চলে যান সেটা নিজেও জানেন না। যাইহোক, এবার বলুন বন্দনা, আপনি যে ভারমোরে গেলেন কী উদ্দেশ্যে? ঘুরতে তো যাননি।

    — ঘুরতেই গিয়েছিলাম।

    সায়ন হেসে বলল, ‘এই তো বললেন যে ভারমোর যাননি। আবার বলছেন ঘুরতে গিয়েছিলাম? তার মানে আপনি যে প্রতিটা পদক্ষেপে পুলিশের কাজে অসহযোগিতা করছেন সেটা বুঝতে পেরেছেন? আর এর পরিণাম লকআপ।’ ঠিক তখনই সুরভি বলে ওঠে, ‘কেন বলে দিচ্ছিস না বাণী? তুই কেন সেখানে গিয়েছিলি?’

    — মা তুমি চুপ করো।

    — মা-কে চুপ করালেও আমাকে চুপ করাতে পারবেন না বন্দনা। আপনি যা করেছেন তাতে আপনার যাবজ্জীবন থেকে ফাঁসি পর্যন্ত হতে পারে।

    একেবারে নাভিমূল থেকে ব্রহ্মতালু পর্যন্ত কেঁপে উঠল বন্দনার। সঙ্গে সঙ্গে সুরভি প্রচণ্ড ভয় পেয়ে জিজ্ঞেস করল, ‘এসব কী বলছেন? বাণীর যাবজ্জীবন, ফাঁসি এসব কেন হবে?’ বুকের ওপর হাত রেখে কেঁদে ফেলে সুরভি। বন্দনা মায়ের জন্য বিচলিত হয়ে ওঠে। নিজেকে শক্ত করে বলে, ‘মা তুমি টেনশন কোরো না। তুমি কী বুঝতে পারছ না ওরা তোমায় ভয় দেখাচ্ছে। মিথ্যে কথা বলছে।’ ঝংকার দিয়ে ধমকে ওঠে সায়ন, ‘মিথ্যে আপনি বলছেন বন্দনা। আমাদের সময় বেকার নষ্ট করছেন। মায়ের সামনে বলব আপনার কেন ফাঁসি হবে? অবশ্য বলতে তো আমাকে হবেই।’

    — চুপ করুন আপনারা। প্লিজ চুপ করুন।

    — না ওঁরা বলবেন। আমি শুনব। আমি শুনব তুই কী করেছিস।

    সুরভি আর্তনাদ করে ওঠে। হাউহাউ করে কাঁদছে। স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে নিশ্বাসের কষ্ট হচ্ছে। বন্দনা চিৎকার করে ওঠে, ‘আমার মায়ের যদি কিছু হয় তাহলে আপনাদের আমি ছাড়ব না ইনস্পেক্টর।’

    সায়ন তৎক্ষণাৎ বলে, ‘সোমদত্তা ওঁর ইনহেলারটা দাও। সুরভি প্রতিবাদ করে ওঠে, ‘না আমি ইনহেলার নেব না। আমায় আগে বলুন ও কী এমন করেছে যাতে… উফফফ!’ কথাটা শেষ করতে পারল না। তার আগেই দম ফুরিয়ে গেল সুরভির। ‘মা ইনিহেলারটা নাও। জেদ কোরো না। দিন না আপনারা। খেপে ওঠে বন্দনা। সোমদত্তা ইনহেলার আনলেও সুরভি দেবী নিতে চায় না। দু-পাশে মাথা ঝাঁকাতে থাকে। কাঁদতে কাঁদতে বলে, ‘তুই কেন বলতে চাইছিস না বাণী? কী এমন করেছিস? বল, তুই বল!’ কাঁদতে কাঁদতে ভেঙে পড়ছে সুরভি। সোমদত্তা সুরভিকে অনুরোধ করে ইনহেলার নিয়ে নিতে। কিন্তু তার এক গোঁ। সে রেগে গিয়ে বলে, ‘বেশ তুই যখন বলবিই-না তখন আমি এখানেই মরব। কোনো ওষুধ নেব না।’ বন্দনা থামাতে চেষ্টা করে মাকে। কিন্তু ব্যর্থ হয়। সায়ন বলে, ‘সোমদত্তা ডাক্তারকে নিয়ে এসো। ইনজেকশন দিতেই হবে।’

    — না না। আমি কিচ্ছু নেব না।

    ইন্টারোগেশন রুমের মধ্যে দক্ষযজ্ঞ বেঁধে যায় কয়েক মিনিটে। সায়ন বলতে থাকে, ‘বন্দনা একমাত্র আপনিই আপনার মা-কে সুস্থ করতে পারেন। বলে দিন আপনি কী করেছেন। আমাদের হাতে সব প্রমাণ আছে। আপনি না বললে সুরভি দেবীর এখুনি কিছু একটা ঘটে যাবে।’ বন্দনা দাঁত খিঁচিয়ে ওঠে, ‘আপনারা বেশি চালাক। আমার অসুস্থ মাকে শিখণ্ডী করে আমার মুখ থেকে কথা বের করবেন? আমি কিচ্ছু করিনি। কিচ্ছু করিনি।’ সায়ন অধৈর্য হয়ে টেবিলের ওপর একটা ঘুষি মারে। সুরভির নিশ্বাসের সঙ্গে একটা সাঁই সাঁই শব্দ হতে শুরু করেছে। এর মধ্যেই ডাক্তারকে সঙ্গে নিয়ে ঢুকে আসে সোমদত্তা। সঙ্গে দুজন মহিলা কনস্টেবল। ঘরের এক পাশেই রাখা ছিল বেড। জোর করে ধরাধরি করে সুরভিকে বেডে শুইয়ে দেওয়া হয়। হাত চেপে ধরে ডাক্তার ইনজেকশন পুশ করে। তারপর জোর করে হাঁ করিয়ে ইনহেলার দেওয়া হয়। সুরভির ঘুম যতক্ষণ চোখের পাতা ভারী করেনি ততক্ষণ সে জানতে চেয়েছে। কী করেছিস বল। আমি শুনব। কেন তোর ফাঁসি হবে?’ বন্দনা পাশে বসে শুধু অঝোরে কেঁদে গেছে আর বলেছে, ‘মা এরকম কোরো না। তুমি ছাড়া আমার আর কেউ নেই, মা। এরকম কোরো না।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ৪৭৪ – ডার্টি গেম
    Next Article নীরেন ভাদুড়ি সমগ্র ৩ – সৌভিক চক্রবর্তী
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }