Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মৃত জ্যোৎস্নার রাত্রি – অভিষেক চট্টোপাধ্যায়

    অভিষেক চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প526 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মৃত জ্যোৎস্নার রাত্রি – ৪২

    বিয়াল্লিশ

    স্তনবৃত্ত শুষে নিয়ে তন্ময়ের ঠোঁটটা বন্দনার গলার কাছে পৌঁছোয়। শরীরী নেশায় ডুবে আছে তন্ময়। আজকাল সুযোগ খোঁজে বন্দনাকে কাছে পাওয়ার। নিজের বাড়িতেও ডেকে পাঠাচ্ছে। বন্দনাও ফাঁক-ফোকর দেখে চলে আসে তন্ময়ের ফ্ল্যাটে। এমনই একদিন তন্ময়ের হাতের তালুদুটো যখন বন্দনার স্তনমর্দনে ব্যস্ত, উত্তপ্ত পৌরুষ যখন যোনির আশেপাশে ইতস্তত ঘুরছে গুপ্তকক্ষে প্রবেশের আশায়, ঠিক তখনই প্রশ্নটা করে বসে বন্দনা, ‘আত্রেয়ীকে বিয়ে করবে তুমি?’ আগে-পিছে দুলন্ত শরীরটা হঠাৎ থেমে গেল। ভ্ৰূদুটো কুঁচকে গলার কাছ থেকে মুখ তোলে তন্ময়। ঘর্মাক্ত মুখে লাল চোখ দুটো হঠাৎ হেসে ওঠে, তুমিও যেমন। শালা বুড়ি মাগি বিছানা অবধি ঠিক আছে। বিয়ে-ফিয়ে ধুস।’ বলেই মুখটা বন্দনার কানের পাশে ঘষতে যায় তন্ময়। সঙ্গে সঙ্গে বন্দনা বলে ওঠে, ‘আমায় বিয়ে করবে তুমি?’ আবারও হোঁচট খায় তন্ময়। মুখ তুলে বলে, আজ কী হয়েছে তোমার? এত বিয়ে-বিয়ে করছ কেন?’

    — নাহ্। কিছু না। তুমি তো আমার সঙ্গেও শুচ্ছ আবার আত্রেয়ীর সঙ্গেও।

    — তো? কী বলতে চাইছ বলো তো? ধুস, মজাটাই চটকে দিলে। বন্দনার বুকের ওপর থেকে নেমে বিছানায় চিৎ হয়ে শুল তন্ময়। সেই, আমি তো পুতুল। মজা নাও খালি।’ বন্দনার স্বরে অভিমানী সুর দেখে তন্ময় বলল, ‘বাবা! এত অভিমান? দেখো, আত্রেয়ী আর আমার সম্পর্কটা ওই দুজন ক্লায়েন্টের মতো। ও বিশ্বাস করে আমার ক্যামেরাতেই ওকে সবচেয়ে ভালো লাগে। আমি ক্যামেরা করলে ওর ছবি হিট করে। আর সেটা সত্যিও। আমি ছাড়া আর একজনও আত্রেয়ীকে এক্সপ্লোর করতে পারেনি। তার জন্য ও কাজও পেয়েছে অনেক। আবার এটাও ঠিক, আত্রেয়ীকে সুখে রাখলে আমার কাজের অভাব হবে না। যদিও সেক্ষেত্রে সুখটা এক তরফা। যতই ফুলিয়ে ঘুরে বেড়াক, কিসসু নেই। আমাকেই খেটে মরতে হয়। কিন্তু তোমার ক্ষেত্রে তো তা নয়।’ বলতে বলতে আবার বন্দনার গায়ের ওপর এসে পড়ে। বন্দনা সরিয়ে দেয়। রিকোয়েস্ট করে, ‘নেজাল ড্রপটা দেবে প্লিজ? নাকটা বন্ধ হয়ে গেছে।’

    — কোথায় আছে?

    তন্ময়ের দিকের বিছানার পাশে একটা কালো ব্যাগ রাখা ছিল। সেটা দেখিয়ে বলল, ‘ওটার মধ্যে। ব্যাগের চেন খুলে হাতড়াতে থাকে তন্ময়। ‘কোন খাপে রেখেছ?’

    — দেখো না, ওটার মধ্যেই।

    তন্ময় ব্যাগের আর-একটা খাপে হাত ঢোকাতেই জিনিসটা পেয়ে যায়। কিন্তু সঙ্গে পায় আরও কিছু। তিনটে ছবি। বের করে নেয়। ছবি দেখেই চমকে ওঠে তন্ময়। আত্রেয়ীর কম বয়সের ছবি। তার কোলে একটা বাচ্চা। পরের ছবিতে বন্দনার মা ও আরও দুজন পুরুষ। বন্দনার মায়ের কোলেও একটি বাচ্চা। বাচ্চার কাপড়ের রং দেখে বোঝা যাচ্ছে দুটো একই বাচ্চা। ‘এগুলো কী বন্দনা?’ বন্দনা চমকে ওঠে। ‘এ কী! এগুলো নিয়েছ কেন?’ বলেই ঝাঁপিয়ে পড়ে তন্ময়ের হাত থেকে ছবিগুলো নেবার জন্য। তন্ময় ঝট করে হাতটা সরিয়ে নেয়। আগে বলো আত্রেয়ীর অল্প বয়সের ছবি তোমার কাছে কী করে এল?’

    — বলছি। তুমি আগে দাও।

    — না আগে বলো।

    তন্ময়ের হাত থেকে জোর করে ছিনিয়ে নিল ছবিগুলো। ব্যাগের ভেতর ঢুকিয়ে দিয়ে বন্দনা বলল, ‘আমারই ভুল। তোমাকে নেজাল ড্রপ না দিতে বললেই হত।’ বন্দনাকে দু-হাতে ধরে নিজের দিকে ঘুরিয়ে নেয় তন্ময়, কথা ঘুরিয়ো না বন্দনা। আত্রেয়ীর কোলে যে বাচ্চা সেই বাচ্চাই তোমার মায়ের কোলে গেল কী করে? তোমার মা কি আত্রেয়ীকে চিনত?’

    — কে বলল বাচ্চাদুটো একই? বাচ্চার সাইড ফেস দেখে সব বুঝে গেলে?

    — হ্যাঁ গেলাম। দুজনেরই সাইড ফেস এক। গায়ের কাপড়টাও একই কালারের। এমনকি আত্রেয়ী আর তোমার মা দুজনেই কমবয়সি। প্লিজ এখন বোলো না ওটা তোমার মা নয়। সেদিন তোমায় বাড়ি থেকে তুলতে গিয়ে মাসিমার সঙ্গে বেশ খানিকক্ষণ কথা হয়েছে। কয়েকটা চুল পাকা আর মোটা হয়ে যাওয়া ছাড়া কোনো পরিবর্তন নেই।

    — সত্যি, তোমার চোখ আছে তন্ময়দা।

    — আমি জানতে চাইছি আত্রেয়ীর কম বয়সের ছবি তুমি কোথা থেকে পেলে? বাচ্চাটা একই কী করে হল? তোমরা কি আগে থেকেই পরিচিত?

    বন্দনা একটু চুপ করে রইল। তন্ময় উত্তরের আশায় ঘাড় বেঁকিয়ে প্রশ্নাতুর চোখে বন্দনার দিকে তাকিয়ে নীরব। বন্দনা হঠাৎ তন্ময়ের দিকে তাকিয়ে বলল, ‘আত্রেয়ী সেন আমার বায়োলজিক্যাল মাদার।’ এখনও নীরব তন্ময়। বন্দনার চোখ ভাষাহীন। ওর চোখে কোনো মজার ইশারা নেই। নেই কোনো উত্তেজনা। ভীষণ নির্লিপ্ত সে। এইটুকু সময়ে বন্দনাকে ভয়ানক মনে হল তার। তবু প্রশ্ন করল, ঠাট্টা করছ?’ বন্দনার দৃঢ় জবাব, ‘না। ডিএনএ টেস্ট করাবে?’ তন্ময় ছিটকে গেল। কিছুক্ষণ চুপ থেকে পুরো ব্যাপারটাকে হজম করে বলল, ‘এটা কী করে সম্ভব হল?’ বন্দনা সব জানাল তন্ময় চোখে হাত চাপা দিয়ে বসে রইল। ‘তুমি যে সব জানো সেটা জানাওনি কেন?’

    — প্রতিশোধ নেব বলে।

    তন্ময় বজ্রাহতের মতো বন্দনার মুখের দিকে তাকায়। ‘মানে?’

    — আত্রেয়ী সেনের যা কিছু আছে সব আমার। সব। ওর জীবনে কোনো সুখ থাকতে পারে না। ওর জীবনে কোনো ঐশ্বর্য থাকতে পারে না।

    — একটা কথা জিজ্ঞেস করব?

    — বলো।

    — মায়ের রেড পার্টনারের সঙ্গে নিজের বেড শেয়ার করতে খারাপ লাগল না?

    বন্দনা খপ করে ডানহাত দিয়ে তন্ময়ের গলাটা টিপে ধরে। আমার মায়ের নাম সুরভি দত্ত। কোনো বেশ্যা আমার মা হতে পারে না।’ এক ঝটকায় হাতটা তন্ময়ের গলা থেকে নামিয়ে নেয় বন্দনা। দাঁতে দাঁত পিষে বলে, ‘আমার মায়ের স্টেন্ট বসাতে হবে। এখন না বসালে পরে বাইপাস সার্জারি পর্যন্ত কেসটা গড়াবে। তারপর চিকিৎসা তো রয়েইছে। আমার অনেক টাকার দরকার তন্ময়দা। আমার মা-কে বাঁচাতেই হবে। আত্রেয়ী সেনের অট্টালিকা আমায় ভাঙতেই হবে। ওর সব সম্পত্তি হবে আমার। তুমি যদি হেল্প কর, সেখানে তোমারও ভাগ থাকবে। কথা দিচ্ছি

    খ্যাঁকখ্যাঁক করে হেসে উঠল তন্ময়। বিবস্ত্র শরীরটা দুলে দুলে উঠল। ‘এতে হাসির কী হল?’ বিরক্তমুখে জিজ্ঞেস করল বন্দনা। মাথার বালিশটা দেয়ালে ঠেকিয়ে হেলান দিল তন্ময়। রিল্যাক্স হয়ে বলল, ‘বেকার বেকার বিয়ের প্যাঁচাল পাড়ছিলে। দ্যাখো, এখন কেমন সম্পর্কটা ক্লায়েন্টের মতো হয়ে গেল।’

    — সাহায্য করবে কিনা বলো।

    — ফিফটি ফিফটি।

    বন্দনা এটাই আশা করেছিল মনে মনে। বিয়ে-ফিয়ে সব ফালতু অজুহাত। তন্ময়ের প্রতি নিজের পীরিত বোঝাতে আর আত্রেয়ীকে সে ঠিক কী চোখে দেখে সেটা বুঝতে ওইসব নাটকীয় কথার অবতারণা। আসলে তন্ময়কে একটু বাজাতে চেয়েছিল সে। বন্দনা ভাবল, এই বিপুল সম্পত্তির অর্ধেক ভাগ হলেও কম কিছু নয়। তাই হালকা হেসে বলল, ‘বেশ। তাই হবে।’

    — কিন্তু অসুবিধে আছে।

    তন্ময় বলল।

    — কীসের?

    — আত্রেয়ীর জীবনের সব কিছুতে বড়ো বাধা শান্তনু। ও থাকলে কিচ্ছু হওয়া সম্ভব নয়।

    বিছানার ওপরে পড়ে থাকা ব্রা-টা তুলে গায়ে পরতে যায় বন্দনা। তন্ময় এক ঝটকায় সেটা কেড়ে নেয়। ‘আঃ! কী হচ্ছে কী?’

    — উঁহু!

    — মানে?

    এক হাতে ব্রা আর অন্য হাতে প্যান্টিটা তুলে দেখিয়ে তন্ময় বলে, ‘এটা আর এটা, এখন থেকে আমার কাছে থাকবে। এখানে।’

    — পাগল নাকি? কী অসভ্যতা করছ? দাও।

    বন্দনা শূন্যে হাত চালায় দুটো ছিনিয়ে নেবার জন্য। কিন্তু মিস হয়ে যায়। আরে আমি কী পরে বাড়ি যাব?’

    — তুমি যখন থাকবে না। তখন এগুলোর ঘ্রাণ নেব আমি।

    কথাটা বলেই তন্ময় বিছানা ছেড়ে উঠে পড়ে। ভেতর থেকে বন্দনার গা-টা গুলিয়ে ওঠে। পরক্ষণেই ভাবে, ভালোই তো। তন্ময় যত নোংরা হবে ততই বন্দনার লাভ। আলমারির দিকে এগিয়ে যায় তন্ময়। বন্দনা বলে ওঠে, ‘এরকম কোরো না তন্ময়দা প্লিজ।’ তন্ময় কোনো কথায় কান না দিয়ে আলমারি খোলে। হাতের দুটো রেখে নতুন দু-খানা প্যাকেট বের করে। আলমারি বন্ধ করে বন্দনার কোলে ছুড়ে দিয়ে বলে, ‘এগুলো পরে বাড়ি যাবে।’ বন্দনা প্যাকেট খুলে দ্যাখে নতুন ব্রা আর প্যান্টি। মুচকি হেসে বন্দনা জিজ্ঞেস করে, ‘মাপ জানলে কী করে?’ হাত দুটো ক্যামেরার ফ্রেমের মতো করে চোখ পাকিয়ে এগিয়ে যায় বন্দনার বুকের দিকে, বলে, ‘ক্যামেরার ফ্রেমে সবকিছু সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম নজর করতে হয়।’ বন্দনা চোখ তুলে হাসে। তন্ময় বসে পড়ে। প্যাকেট খুলে নতুন ব্রা বের করতে করতে বলে, ‘সরিয়ে দিতে হবে।’ প্রথম চোটে তন্ময় ঠিক ধরতে পারে না, ‘কী?’

    — বাধা। আমাদের রাস্তায় যে বাধা হয়ে দাঁড়াবে তাঁকে সরিয়ে ফেলতে হবে। ব্রায়ের স্ট্যাপে দুটো হাত গলিয়ে দেয় বন্দনা। তন্ময় বলে, ‘কিন্তু কীভাবে?’

    — একটু লাগিয়ে দাও না প্লিজ।

    এলো পিঠটা তন্ময়ের সামনে মেলে ধরে বন্দনা। তন্ময় ব্রায়ের স্ট্র্যাপদুটোকে টেনে কাছাকাছি আনে। তখন বন্দনা বলে, ‘প্ল্যান করতে হবে।’ সপ্রশ্ন দৃষ্টি নিয়ে বন্দনার দিকে তাকায় তন্ময়। বন্দনাও ঘাড় ঘুরিয়ে তন্ময়ের দিকে তাকায়।

    .

    সায়ন বলল, ‘তার মানে ভারমোরে যাওয়াটা আপনার প্ল্যান?’ বন্দনা আলতো করে চোখ তুলে সায়নকে বলে, ‘হুম। আমিই তন্ময়দাকে বলেছিলাম, আত্রেয়ীকে নিয়ে কোথাও একটা বেড়াতে যেতে। এতে শান্তনুর সঙ্গে দূরত্ব আরও বেড়ে যেত। শান্তনু এমনিতেই রাগে ফুঁসতে থাকে সর্বক্ষণ। দু-চক্ষে সহ্য করতে পারত না আত্রেয়ীকে। এর মধ্যে একদিন তন্ময়ের কাছ থেকে শুনি, আত্রেয়ীও নাকি কথায় কথায় বলেছে শান্তনুকে আর সহ্য করতে পারছে না। ইচ্ছে করছে ওকে চিরকালের মতো শেষ করে দিই। আর ঠিক সেই সুযোগে তন্ময় আরও খেপিয়ে দেয় আত্রেয়ীকে। কিন্তু ব্যাপারটা কী হবে কেউ বুঝতে পারছিল না। এমনকি তন্ময়কে যখন বেড়াতে যাবার কথা বলি তখন ও আমায় বলে, আমি একা কিছু করতে পারব কিনা। আমার মাথায় তখন অন্য প্ল্যান। আমি সেটা তন্ময়কেও বুঝতে দিই না। ওরা চলে যায়। ফ্লাইটে গিয়েছিল। এক রাত চাম্বায় থেকে পরের দিন ভারমোর পৌঁছে যায় ম্যাডামরা। ওরা পৌঁছোনোর পরের দিন আমি আমার জন্ম পরিচয়ের কথা জানাই শান্তনুকে।’

    — কীভাবে? সরাসরি গিয়ে বলে দিলেন?

    প্রশ্ন করল সোমদত্তা। দু-পাশে ঘাড় নাড়ল বন্দনা।

    .

    শান্তনু ক্যামেরার ব্যাগটা কাঁধে নিয়ে দোতলায় নিজের ঘর থেকে বেরোচ্ছিল। সিঁড়ির কাছটায় এসে পা দুটো হঠাৎ থমকে গেল তার। একটা কান্নার আওয়াজ ভেসে আসছে আত্রেয়ীর ঘর থেকে। আত্রেয়ী বাড়িতে নেই। ওই ঘরে একমাত্র বন্দনাই ঢোকে। কাজের লোক কাজ করতে ঢুকলেও বন্দনা পাহারা দেয়। ওই ঘরে শান্তনুরও যখন তখন ঢোকার অনুমতি নেই। কান্নার আওয়াজটা পেয়ে তারও কৌতূহল হল। এগিয়ে গেল দরজার সামনে। দেখল আলমারি খোলা। তার সামনে দাঁড়িয়ে আড়ালে মুখ গুঁজে সে কাঁদছে। কাঁদছে যখন কাঁদুক। আত্রেয়ীকে বাঁচাতে এই মেয়েটাই তার গায়ে হাত তুলবে বলেছিল না? ক্যারাটে জানার ভয় দেখিয়েছিল। ও কাঁদল তো বয়েই গেল। কথাগুলো মনে পড়তেই মুখ ঘুরিয়ে চলে যাচ্ছিল শান্তনু। কিন্তু বিড়বিড় করে বলা বন্দনার কথাগুলো তাকে আবার আটকে দিল। ‘এরকম কেন করলে মা? আমার কী দোষ ছিল? তুমি এরকম না করলে তো আমার জীবনটা এমন করে ছারখার হয়ে যেত না মা!’

    মা?

    বন্দনার মায়ের কী হয়েছে? ওর হাতে যেন কিছু একটা আছে মনে হচ্ছে। তা ছাড়া আত্রেয়ীর আলমারি খুলে ওর মার জন্য কাঁদছে কেন? কৌতূহল দমন করতে না পেরে বিনা শব্দে বন্দনার পিছনে গিয়ে দাঁড়ায় শান্তনু। ইতস্তত করেও ডেকে ওঠে, ‘বন্দনা।’ আপন মনে কাঁদতে থাকা বন্দনা শান্তনুর গলা পেয়ে চমকে ওঠে। চট করে শান্তনুর দিকে ফিরতেই হাত ফসকে একটা ছবি শান্তনুর পায়ের কাছে গিয়ে পড়ে। অপেক্ষা না করে সেই ছবি হাতে তুলে নেয় শান্তনু। চমকে ওঠে সে। ছবিতে অল্প বয়সের আত্রেয়ীর কোলে একটি ছোট্ট শিশু। বন্দনা এটা দেখে কাঁদছিল কেন? বন্দনার দিকে তাকাতেই ভয়ে অন্যদিকে মুখ ঘুরিয়ে রাখে সে।

    — আত্রেয়ীর অল্প বয়সের ছবি তোমার হাতে কেন? কী হল? চুপ কেন বলো। কাকে তুমি মা মা বলছিলে? বন্দনা টেল মি।

    দূর থেকে একটা প্লেনের আওয়াজ ভেসে আসছিল। ধীরে ধীরে সেটা বাড়তে থাকল। শান্তনু চিৎকার করে উঠল, ‘বন্দনা চুপ করে থেকো না বলো। বাচ্চাটা কে? এখানে কোথায় তোমার মা?’

    বিদ্যুৎস্পৃষ্ট নায়িকার মতো মাথাটা ঝাঁকিয়ে শান্তনুর দিকে তাকিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়ে বন্দনা। দু-হাত জড়ো করে হাপুস নয়নে কাঁদতে কাঁদতে শান্তনুর পায়ের কাছে বসে পড়ে। রাগে থরথর করে কাঁপতে থাকে শান্তনু। বন্দনা লুটিয়ে পড়ে অঝোর কান্নায়। যেন বাড়ির ছাদের ওপর দিয়ে প্রবল শব্দে উড়ে যাচ্ছে প্লেনটা। ঘর কাঁপছে। দেয়ালের ফাটল প্রকট হচ্ছে। এক সমুদ্র কান্না ফেনিল ক্রোধ সমেত আছড়ে পড়ছে শান্তনুর পায়ে।

    .

    — শান্তনু দিল্লির ফ্লাইটের টিকিট পায় না। তাই পরদিন ভোরের ট্রেনে দিল্লি রওনা দেয়। তারপরের দিন সকালে দিল্লি পৌঁছবে। সেখান থেকে পাঠানকোট ফ্লাইটে গিয়ে গাড়ি করে ভারমোর। কিন্তু আমায় শান্তনুর আগেই ভারমোর পৌঁছোতে হবে। আমাদের শুটিংয়ের জন্য যিনি টিকিট অ্যারেঞ্জ করেন আমি তাঁকে ধরে দিল্লির ফ্লাইটের টিকিট জোগাড় করি।

    .

    বন্দনাকে থামিয়ে সায়ন বলল, ‘আপনি টিকিট পেলেন আর শান্তনু পেল না? উনিও তো ইন্ডাস্ট্রিরই।’ গম্ভীর হয়ে বন্দনা বলল, ‘আপনি যতদিন কাজে আছেন ইন্ডাস্ট্রি ততদিনই আপনাকে পুছবে। কাজ ফুরিয়ে গেলে কেউ কারও নয়। শান্তনু যখন কাজ করত তখনই তার শত্রুর অভাব ছিল না। মেয়েবাজি, বেশি টাকা নিয়ে কাজ পাইয়ে দেওয়া এইসবের জন্যেই তার পতন হয়। বাজারে অন্যান্য আরও ভালো ফোটোগ্রাফার এসে যায়। তাই আর শান্তনুর প্রয়োজন পড়ে না। আর শান্তনুও নিজের রেট কিছুতেই কমায় না। তাই হারিয়েও যায়। কিন্তু আমি আত্রেয়ী সেনের পিএ। আর কারও টিকিট হোক না হোক আমারটা ঠিক জোগাড় হয়ে যাবে এটা আমি জানতাম।’

    — দিল্লি গেলেন?

    — হুম। আমিও সেদিন দিল্লি বেরিয়ে গেলাম। তারপর সেখান থেকে পাঠানকোট হয়ে গাড়ি করে ভারমোর। পৌঁছোতে রাত হয়ে গেল।

    — এক সেকেন্ড।

    সোমদত্তা থামালো বন্দনাকে। ‘প্রথম কথা, দুটো ফ্লাইট, একটা গাড়ি। হোম-স্টের খরচা বাদ দিলাম। এত টাকা পেলেন কোথায়? দ্বিতীয় প্রশ্ন, শান্তনুও ভোরে বেরোল, আপনিও ভোরে বেরোলেন। কেউ কাউকে দেখলেন না?’

    — না। কারণ শান্তনু আগের দিন রাতেই বেরিয়ে গিয়েছিলেন। আমি ওভার হিয়ার করেছিলাম। যে বন্ধু ওকে টিকিট করে দিয়েছে ও সম্ভবত তার বাড়িতে রাত কাটিয়ে ভোরে হাওড়া গিয়েছিল। কারণ ওর বন্ধু স্টেশনের কাছেপিঠেই থাকে। আর আমার কাছে আত্রেয়ী সেনের আলমারির চাবি থাকে। দরকার হলে সেখান থেকেই টাকা নিই। আত্রেয়ী খোঁজও নিত না।

    — চুরি করতেন?

    সায়ন বলল। দৃঢ়তার সঙ্গে বন্দনা জানাল, ‘আত্রেয়ীর সব কিছু তো আমারই। নিজের জিনিস নেওয়াটাকে চুরি করা বলে না।

    — তাহলে তো আপনার হাতের কাছে সুযোগ ছিলই। মানুষ মারতে গেলেন কেন?

    — টুকটাক টাকা নেওয়া আর গোটা সম্পত্তি নেওয়ার মধ্যে বিস্তর ফারাক স্যার। আত্রেয়ীর বিশ্বাস অর্জন করাটা প্রাথমিক কাজ ছিল। সেটা পেয়েছিলাম। কিন্তু তবু অনেক কিছুই আমার থেকে গোপন করে রাখত ম্যাডাম। একটা সন্দেহ ছিলই তার মনে। আমি সেটাও দূর করতে চেয়েছিলাম। নইলে ব্যাংকের কাজগুলো আমি করতে পারব না। কোথায় কত আছে সেটাও জানতে পারব না।

    সায়ন একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল, ‘বাবা! আপনার তো আমাদের হোমিসাইড ডিপার্টমেন্টে থাকা উচিত ছিল। তারপর, ভারমোর গিয়ে কী করলেন?’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ৪৭৪ – ডার্টি গেম
    Next Article নীরেন ভাদুড়ি সমগ্র ৩ – সৌভিক চক্রবর্তী
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }