Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মৃত জ্যোৎস্নার রাত্রি – অভিষেক চট্টোপাধ্যায়

    অভিষেক চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প526 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মৃত জ্যোৎস্নার রাত্রি – ৪৩

    তেতাল্লিশ

    — যেদিন শান্তনুর সন্ধেবেলা পৌঁছোবার কথা সেদিন বেলার দিকে আমি তন্ময়কে ফোন করি। বলি যে শান্তনু আমার হাতে আত্রেয়ীর ছবি দেখে ফেলেছে। জানতে চায় ছবিটা কী করে আমার কাছে এল। আমি চাপে পড়ে সব বলে ফেলেছি। প্রচণ্ড রেগে যায়। তোমাদের সঙ্গে বোঝাপড়া করতে সে আজ পৌঁছোচ্ছে। এটা শুনে তন্ময় খুব ভয় পেয়ে যায়। ও জিজ্ঞেস করে, কোন হোটেলে ওরা আছে সেটা কী জানে? আমি বলি, হ্যাঁ জানে। তন্ময় বলে, কী করে জানল? তুমি বলেছ? আমি বললাম, না বলব কী করে? আমি আত্রেয়ী সেনের পিত্র। আমি জানব না সেকি হয় নাকি? তন্ময় দাঁত খিঁচিয়ে ওঠে। টেনশন করতে থাকে। ঠিক করে এখুনি আত্রেয়ীকে নিয়ে চেক আউট করবে। কিন্তু তাহলে তো আমার উদ্দেশ্য সফল হবে না। তাই ওকে বুদ্ধি দিলাম।

    .

    খোলা জানলার ওপারে মণিকৈলাসের শৃঙ্গ। জানলার পাশে বসেই বন্দনা মোবাইলে কথা বলছে। ‘পাগলামো কোরো না তন্ময়দা। ভারমোরে আর কোনো ভালো হোটেল নেই। আর এখন এমনিতেই বেলা হয়ে গেছে। আর ঘণ্টাদুয়েকের মধ্যেই আলো পড়তে শুরু করবে। কোথায় যাবে ম্যাডামকে নিয়ে?… আমি যা বলছি তাই করো। শোনো, রিসেপশনে কথা বলো। ওদের বলো যে শান্তনু নামের একজন ফোটোগ্রাফার আসবে ম্যাডামের এক্সক্লিউজিভ ছবি তুলতে। ওঁর নাম যেন রেজিস্টারে না রাখে। কোনো আলাদা ঘরও যেন না দেয়। ডিরেক্ট তোমাদের ঘরে যেন পাঠিয়ে দেয়। এটা শুনে তন্ময় জিজ্ঞেস করে, আমি বললেই বা ম্যানেজার শুনবে কেন? হোটেলের রুলস আছে তো। আমি বললাম, সে থাকুক। সেলিব্রেটি গেছে। তাঁদের জন্য অনেক ছাড় থাকে। কোনো মিডিয়া যেন জানতে না পারে শান্তনু এসেছে। তাহলে আর এক্সক্লিউজিব ছবি হবে না। ওদের হোটেলে খুব গুরুত্বপূর্ণ কিছু কাজ হতে চলেছে যা দু-দিন বাদে খবরের কাগজ, টিভি সব জায়গায় ছড়িয়ে পড়বে। সঙ্গে হোটেলের নামও থাকবে। এইভাবে বোঝাও। এতেও যদি না হয় তাহলে ম্যাডামকে দিয়ে বলাবে। উনি ঠিক পারবেন ম্যানেজ করতে। কিন্তু আত্রেয়ী সেনকে মাঠে নামতে হয়নি। তন্ময়ের কথাতেই পঙ্কজ শর্মা পটে যায়। তাই শান্তনু আসতেই চিনতে পারে সে।

    .

    সোমদত্তা বড়ো বড়ো চোখ করে বলে, ‘সেটাও আপনার বুদ্ধি?’ বন্দনা চুপ করে থাকে। সায়ন গালে হাত রেখে বন্দনার দিকে হাঁ করে তাকিয়ে থাকে। এই দুজনের মনের ভাব বন্দনা বেশ ভালোই বুঝতে পারে। বলে, ‘আমাকে আমার লক্ষ্যে পৌঁছোতেই হত। যেভাবে হোক।’ সায়ন বলল, ‘আপনি জানতেন যে শান্তনুকে আপনি আর রাখবেন না। তাই রেজিস্টারে নাম রাখেননি। তন্ময়কে দিয়েও বলিয়েছেন যে শান্তনু সেই রাতেই চলে যাবে। কারণ অন্য হোম-স্টেতে উঠেছে। তার মানে হোটেলের ঘরে অশান্তি চলাকালীন তন্ময়ের ফোনে বারবার আপনিই ফোন করেছিলেন এবং কোথায় নিয়ে যেতে হবে বুদ্ধি দিয়েছিলেন। ঠিক বললাম তো?’

    — হুম। আমি সকাল থেকে নির্জন জায়গা দেখতেই বেরিয়েছিলাম। স্থানীয় লোকেদের মুখেই সুইসাইড পয়েন্টের নামটা শুনি আর সেটাই তন্ময়কে জানাই।

    — তন্ময় বা আত্রেয়ী কারুর চোখে যদি পড়ে যেতেন তখন কী করতেন? ঠোঁটের কোণে তাচ্ছিল্যের হাসি। ‘পড়িনি কে বলল?’

    — তারপর?

    — পাশ দিয়ে চলে এসেছি। আমায় চিনতেও পারেনি। গায়ে তো এমনিতেই জ্যাকেট ছিল। মাংকি ক্যাপে মাথা থেকে মুখ সবটুকু ঢাকা। চোখদুটো শুধু দেখা যাচ্ছিল। সেটাও সানগ্লাসে ঢাকা।

    — আচ্ছা ফোনে তন্ময়কে ঠিক কী বলেছিলেন আপনি? পঙ্কজ তো আড়াল থেকে এক তরফা শুনেছে তন্ময়ের কথা। আপনারটা তো শুনতে পায়নি।

    .

    জনহীন পাহাড়ি প্রান্তর। খাদের ধারে দাঁড়িয়ে চারপাশে নজর রাখতে রাখতে ফোনে কথা বলছে বন্দনা। ওপার থেকে বেশ রেগেমেগে প্রশ্ন উড়ে এল তন্ময়ের, ‘কী হয়েছে কী? বারবার কেন কল করছ?’

    — এত চিৎকার কীসের?

    — চূড়ান্ত অসভ্যতা চলছে হোটেলে। আর এই সব হয়েছে তোমার জন্য।

    — মানে?

    — মানেটা বুঝছ না? কী দরকার ছিল শান্তনুকে ছবিটা দেখাবার?

    — স্যারের তো বাড়ি থাকারই কথা ছিল না। কখন ঘরে ঢুকে এসেছে জানব কী করে?

    — একটু সাবধান হতে পারলে না? নাকে কাঁদুনিটা ওর সামনেই কাঁদতে হল?

    — সরি তন্ময়দা। আমি ঠিক বুঝতে পারিনি গো।

    — কী হয়েছে বলো।

    — এখুনি তোমরা বেরিয়ে পড়ো। চিৎকার-চেঁচামেচি করলে লোক জানাজানি হবে। ওটা তো হোটেল।

    — সেটা আমিও জানি এটা হোটেল।

    — তুমি বলো, যা কথা বলার হোটেলের বাইরে গিয়ে বলতে। যেভাবে হোক বোঝাও। কোথাও একটা বসে কথা বলা দরকার। তুমি বলো যে আত্রেয়ীর এই নোংরামি তুমিও জানতে না। এর একটা ফয়সালা তোমাকেও করতে হবে। তাহলে স্যার ঠান্ডা হলেও হতে পারে। কিন্তু সেটা কোনোভাবেই হোটেলে নয়।

    — আরে ও তো এখানে। আমি কী করব? বের করব কী করে? শালাকে এক্ষুনি শেষ করে দিতে ইচ্ছে করছে। নেহাত লাশ লুকোবার জায়গা নেই তাই…

    — এটা মাথা গরম করার সময় নয় তন্ময়দা। আগে বেরোও ওখান থেকে।

    — এই জ্ঞান মেরো না তো। এতো রাতে যাবটা কোথায়?

    — সুইসাইড পয়েন্ট।

    — সেটা আবার কোথায়?

    — তোমাদের হোটেল থেকে বেরিয়ে দারোল গ্রামের দিকে এগোবে। দেখবে দুটো রাস্তা ভাগ হচ্ছে। ডানহাতের রাস্তা ধরে উঠে যাবে। একদম টপ। ওটাই সুইসাইড পয়েন্ট। পনেরো মিনিট মতো হাঁটা কিন্তু। এর আগে কোত্থাও থামবে না।

    — ও হো, আজ বিকেলে একজন বলছিল বটে। কিন্তু তুমি এত ডিটেইলস জানলে কী করে?

    — ট্রাভেল সাইট থেকে

    — বাবা! ট্রাভেল সাইট!

    — লোকে বলে ওটা নাকি হন্টেড।

    — কী বলছ? শুনতে পাচ্ছি না।

    — জায়গাটা হন্টেড বলে বিশেষ কেউ যায় না। রাতে তো নয়ই

    — হন্টেড? কেন?

    — কয়েক বছর আগে দুজন টুরিস্ট পরপর মারা যায় ওখানে গিয়ে। তারপর আরও একজন। সেই থেকে ওখানে কেউ যায় না। আর এই সুযোগে তুমিও তোমার কাজ সেরে নাও। পথের কাঁটাকে সরিয়ে দাও। বাবা-বাছা করে পেট ভরে মদ গেলাও। এমনিতেই যন্ত্রণায় আছে। রাগের চোটে এখন গ্যালন গ্যালন মদ খেয়ে নেবে শান্তনু নিয়োগী। মাতাল করে দাঁড় করিয়ে দাও খাদের ধারে। তোমায় কিছু করতে হবে না। নিজে থেকেই গড়িয়ে যাবে অতলে। আর সেটা না হলে টুক করে একটু ঠেলে দিয়ো। ব্যস, মাল সাবাড়

    — হুম। সেটাই করতে হবে।

    — যা করার সাবধানে তাড়াতাড়ি করো।

    — এতে তোমারও সুবিধে তাই তো?

    ও তোমার অসুবিধে হচ্ছে নাকি? তাহলে আত্রেয়ী সেনের আলমারির ডুপ্লিকেট চাবিটা ফেরত দিয়ে দিয়ো আমায়। আমি একাই যা করার করব। শুধু ভাগটা নিতে এসো না।

    আচ্ছা আচ্ছা ঠিক আছে। রাখছি এখন। দেখছি, শালার একটা ব্যবস্থা করতে হবে। –

    .

    রাত প্রায় সোয়া ন-টা। আত্রেয়ী আর তন্ময় শান্তনুকে নিয়ে এল সুইসাইড পয়েন্ট। আত্রেয়ী, তুমি যা করেছ তাতে তোমার সঙ্গে আর কথা বলার অভিরুচি নেই আমার।’

    — তন্ময় তুমিও একথা বলছ?

    আত্রেয়ী সরু গলায় বলে ওঠে।

    — হ্যাঁ বলছি। আমাকে, শান্তনুকে দুজনকেই ঠকিয়েছ তুমি।

    — তন্ময়…

    — আর-একটাও কথা বলবে না আত্রেয়ী। আর আমরা এখানে নিজেদের মধ্যে একটু কথা বলব। তুমি আমাদের মধ্যে থাকবে না।

    শান্তনু রাগে ফুঁসছিল। এতটা পথ রাগের চোটে খুব দ্রুত হেঁটে এসেছে সে। তাই হাঁফাচ্ছিল। তন্ময়ের মুখের ওপর বলে ওঠে, ‘আমার তোমার সঙ্গে কোনো কথা নেই তন্ময়।’ তন্ময়ের গলা নরম। প্লিজ শান্তনু। আমার কথা আছে আপনার সঙ্গে। আত্রেয়ী, তুমি ওইখানে গিয়ে বোসো।’ সুইসাইড পয়েন্টটা অনেক বড়ো। খানিকটা তফাতে একটা জায়গা নির্দেশ করে দিল তন্ময়। শান্তনু তখন অন্যদিকে তাকিয়ে। সেই ফাঁকে চোখ মেরে যা বোঝানোর বুঝিয়ে দিয়েছে আত্রেয়ীকে। আত্রেয়ীও নিজেকে সামলে নিয়ে ছদ্মরাগ দেখিয়ে বলে উঠল, ‘আমাকে তোমরা এখানে নিয়ে এলে কেন তা তো বুঝলাম না। যতসব। বেশ। আমি তোমাদের মধ্যে থাকতেও চাই না। এত সুন্দর ওয়েদার। এমন ভরা জ্যোৎস্না। আমার গান গাইতে ইচ্ছে করছে। তোমরা মরো এখানে

    — একটা নির্লজ্জ বেহায়া মাগি।

    শান্তনুর কথায় আবার ঝাঁঝ দেখাতে যাচ্ছিল আত্রেয়ী। তন্ময়ের ইশারা তাকে শান্ত করে। সে-ও শান্তনুকে শুনিয়ে বলে, ‘হ্যাঁ হ্যাঁ যাও। জন্মের শেষ গানটা গেয়ে নাও। এখানে যাই হয়ে যাক। ভুলেও আসবে না।’ আত্রেয়ী চলে গেল। তন্ময় শান্তনুর পাশে বসল। কাঁধে করে বয়ে আনা ব্যাগের মধ্যে থেকে একটা হুইস্কির বোতল বের করল। সঙ্গে বেরিয়ে এল চকচকে স্ফটিকখচিত দুটো গ্লাস। জ্যোৎস্নার আলোয় স্বর্গের সুরাপাত্রের মতো লাগছে। শান্তনু অবাক চোখে তাকিয়ে দেখছে তন্ময়ের কীর্তিকলাপ। ‘আমরা এখানে কোনো পিকনিক করতে আসিনি তন্ময়। কী বলার আছে বলো। ওই হারামিটাকে শেষ না করে আমার শান্তি নেই।’ এই সংক্রান্ত কোনো কথাই বলল না তন্ময়। বরং নিজের মনে স্ফটিকখচিত দুটি পাত্রে হুইস্কি ঢালল। এই সময় আত্রেয়ীর গলা ভেসে এল। ও গান ধরেছে। ‘আজ জ্যোৎস্নারাতে সবাই গেছে বনে।’

    — দেখুন, ওই মহিলার কোনো ভ্রূক্ষেপ আছে?

    আত্রেয়ী দূরে বসে গাইছে। সেদিকে তাকিয়ে কথাটা বলল তন্ময়। শান্তনুকে বলল, ‘তাকান তাকান, কেমন নিশ্চিন্তে বসে গান গাইছে।’ শান্তনু আত্রেয়ীর দিকে তাকায়। অন্ধকারে রাগের আগুনে জ্বলজ্বল করছে দুটো চোখ। সেই ফাঁকে একটা হুইস্কির মধ্যে মিশে গেল কিছু একটা। ‘নিন ধরুন। শান্তনুর মুখের সামনে একটা সুরাপাত্র ধরে তন্ময়। ‘তুমি খাও।’ রাগ দেখায় শান্তনু।

    — সোয়ারভস্কির ক্রিস্টালাইন টোস্টিং ফ্রুটস। এই পাত্রে একটা চুমুক দিলে পাতি রামও দামি ওয়াইনের মতো লাগে। পরখ করেই দেখুন।

    — তোমার মতলবটা কী বলো তো?

    — ঠগিনীকে সরিয়ে দেওয়া।

    কেউ যেন ধাক্কা মারল শান্তনুকে। ‘মানে?’

    — আত্রেয়ী আপনাকে ঠকিয়েছে। আমাকেও ঠকিয়েছে। ওর মিথ্যে অভিনয়টা শুধু ফ্লোরে নয়, বাড়িতে এনেও তুলেছে। আপনি কেন কাজ পান না জানেন?

    — কেন?

    — আত্রেয়ী সেন চায় না তাই।

    শান্তনুর মুখ কঠিন হয়ে যায়। চাঁদের আলোয় চোয়াল দুটো শক্ত হয়ে ওঠে। তন্ময় বলে, ‘আত্রেয়ীকে নিয়ে যেসব পরিচালকেরা কাজ করেন তাদের ছবিতে স্টিল ফোটোগ্রাফারের নাম উঠলে প্রোডাকশন থেকে এখনও আপনার নামটাই আসে। কিন্তু ম্যাডাম পত্রপাঠ নাকচ করে দেন। আপনি নাকি ঘেঁটে গেছেন। মদ খেয়ে রেড লাইট এরিয়াতে পড়ে থাকেন।

    — হোয়াট?

    — শুধু তাই না। আপনার বদলে বেছে বেছে চিকনা দেখতে কচি ছেলেগুলোকে সেই কাজ দেওয়া হয়। এতদিন আপনাকে বলতে পারিনি। ভাবতাম আত্রেয়ী বোধহয় সত্যিই আমাকে ভালোবাসে। কিন্তু আজ বুঝলাম, ও আমাকে ইউজ করছে। এত মিথ্যে একটা মানুষের জীবনে? এর তো চরিত্রই…

    কথাটা শেষ করার আগেই শান্তনু তন্ময়ের হাত থেকে গ্লাসটা কেড়ে নিয়ে ঢকঢক করে গলায় ঢেলে নিল। আরে আরে আস্তে আস্তে। এইভাবে কেউ খায় নাকি?’ শেষ করেই শান্তনু কাশতে থাকে। চাঁদের আলোয় ভীষণ শান্ত শীতল একটা হাসি খেলে যায় তন্ময়ের ঠোঁটে। শান্তনু ফাঁকা গ্লাসটা বাড়িয়ে দিয়ে বলে, ‘প্লিজ।’

    — ওহ্ শিয়োর।

    পাত্রটা আবার পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে সর্বনাশী সুরায়। তন্ময় বলে, ‘আত্রেয়ী গান ধরে ভালোই করেছে। আমাদের কথাগুলো ওর কানে পৌঁছোবে না। চলুন একটু ওখানে যাওয়া যাক। আপনি রিল্যাক্স করে খান। ক্যামেরাটা আমায় দিন।’

    — না না ঠিকাছে।

    — আরে দিন তো মশাই। আপনি প্রাণভরে খান।

    তন্ময় ক্যামেরাটা নিজের কাঁধে ঝুলিয়ে নেয়। শান্তনুকে পাথরের ওপর থেকে তুলে গল্প করতে করতে খাদের দিকে এগোতে থাকে তন্ময়। ‘এটা সুইসাইড পয়েন্ট। লোকে বলে এখানে ভূত আছে। তাই এখান থেকে যদি কেউ হাপিস হয়ে যায় তাহলে লোকে ভাববে ভূতে মেরেছে।’ শান্তনুর চোখদুটো এখনই ঘোলাটে হয়ে গেছে। পা দুটোও ঠিকঠাক পড়ছে না। একে হুইস্কি, তার ওপর ওষুধের গুণ। সব কিছু ধোঁয়াশা শান্তনুর চোখে।

    .

    আদিগন্ত হিমাচলী প্রকৃতির সুন্দরী রূপ উছলে পড়ছে। এই সুন্দরের মধ্যেই মহাকাল বসে সর্বনাশের জাল বুনছে। বেশি অপেক্ষা করতে হয়নি কাউকেই। সেই মাহেন্দ্রক্ষণ খুব তাড়াতাড়িই এসে উপস্থিত হয় খাদের ধারে। শান্তনু আর দাঁড়াতে পারছে না। টলে টলে এগিয়ে যাচ্ছে। তন্ময় ধাক্কা মারার জন্য প্রস্তুত। হঠাৎ বড়ো পাথরের আড়াল থেকে আপাদমস্তক নিজেকে ঢেকে প্রবল বেগে দৌড়ে আসে বন্দনা। শান্তনুর একটা পা মাটি থেকে শূন্যের দিকে এগিয়ে গিয়েছিল প্রায়। ঠিক সেই মুহূর্তেই এক ঝটকায় পেছন থেকে টেনে মাটিতে ফেলে দেয় শান্তনুকে। শান্তনু প্রায় অজ্ঞান হয়ে পড়ে যায়। তন্ময় ‘এই কে?’ বলে চমকে ওঠে। সঙ্গে সঙ্গে আগন্তুকের হাত এসে তন্ময়ের মুখ চেপে ধরে। আত্রেয়ী তখনও ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে একই গান গেয়ে চলেছে। তন্ময়ের চোখে বিস্ময়। নাকের ওপর অবধি উঠে থাকা মাংকিক্যাপটা অন্য হাত দিয়ে নামায় আগন্তুক। তন্ময়ের চোখদুটো আরও বিস্ময়ে বিস্ফারিত হয়ে যায়। চিনতে পারে বন্দনাকে। মুখে হাত চাপা দেওয়া অবস্থাতেই জড়ানো শব্দ বেরিয়ে আসে তন্ময়ের মুখ দিয়ে, ‘তুমি?’

    অত্যন্ত ফিশফিশ করে বন্দনা বলে, চুপ। যা বলছি করো। ওই পাশ থেকে একটা পাথর নিয়ে এসে মুখটা থেঁতলে দাও। যাতে লাশ কেউ চিনতে না পারে। যাও দেরি কোরো না।’ তন্ময় বিভ্রান্ত। ওকে সত্যিই এই কাজটা করতে হবে? ‘লাশ চিনলে আমাদের কেউ বাঁচাতে পারবে না তন্ময়দা। গো।’

    তন্ময় দৌড়ে গিয়ে একটা ভারী পাথর অনেক কষ্টে তুলে আনে। মাটিতে পড়ে থাকা শান্তনুর মুখের ওপর ঝুলিয়ে রেখে বন্দনার দিকে তাকায় তন্ময়। বন্দনা হাতের ইশারায় পাথরটা মুখের ওপর ফেলতে বলে। একটা বড়ো নিশ্বাস নিয়ে পাথর ধরে থাকা হাত দুটো আলগা করে দেয় তন্ময়

    পাথর পতনের ‘দুমমম’ শব্দের সঙ্গে হাড়-মাংস মিশে থেঁতলে যাবার ‘পচাত’ করে একটা শব্দ হয়। তন্ময় টলে যায়। আত্রেয়ীর গান থেমে যায়। শান্তনুর পা দুটো ছটফট করাও বন্ধ করে দেয় একসময়। একটু চুপ করে দাঁড়িয়ে তন্ময় হাতিয়ার পাথরটাকে খানিকটা সরিয়ে দেখতে যায়। একটুখানি সরাতেই বেসামাল হয়ে পাথরটা গড়িয়ে খাদের দিকে পড়তে থাকে। চাঁদের আলোয় বেরিয়ে আসে ক্ষতবিক্ষত রক্তাক্ত বীভৎস মুখ। গা গুলিয়ে ওঠে তন্ময়ের। মুহূর্তের আকস্মিকতায় পাথরটা ধরতে চায় তন্ময়। পড়লেই বিরাট শব্দ হবে। যদি লোক জানাজানি হয়ে যায়! কিন্তু শেষ রক্ষা হয় না। পাথরটা নির্জন পাহাড়গাত্রে গুমগুম শব্দ তুলে পড়তে থাকে। মাঝখান থেকে তন্ময়ের হাতদুটো পাথরের গায়ে লেগে থাকা রক্তে মাখামাখি হয়ে যায়। আত্রেয়ী দৌড়ে এসে মুখে হাত চাপা দিয়ে আঁতকে ওঠে। ওদিক থেকে বন্দনা বলে, ‘পকেট থেকে মোবাইল, পার্স যা আছে বের করে নাও।’ তন্ময় দরদর করে ঘামছে টেনশনে। আর বিলম্ব না করে জিনসের পকেট থেকে পার্স আর বুক পকেট থেকে মোবাইল বের করে নেয়। তারপর তন্ময় আর বন্দনা মিলে শান্তনুর নিথর শরীরটাকে ঠেলে খাদে ফেলে দেয়। আত্রেয়ী একটু হলেও টলে যায়। চোখটা চকচক করে ওঠে তার। বিড়বিড় করে আত্রেয়ী বলে, ‘সরি শান্তনু।’ মদ, জল যা ছিল সব ঢেলে দিল পাথরের মাটিতে লেগে থাকা রক্তের ওপর। ধুয়ে গেল। কিছু যদি লেগেও থাকে তাতেও খুব একটা অসুবিধে হবে না। কারণ এখানে কেউ আসেই না। তন্ময় আর-একটা পাথর দিয়ে শান্তনুর মোবাইলটা ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয়। তারপর সেগুলোকেও মুঠো করে ধরে খাদের দিকে শূন্যে ছুঁড়ে দেয়।

    — এখানে আর এক মিনিটও নয়। তাড়াতাড়ি চলো।

    বন্দনা বলল। উলটোদিক থেকে আত্রেয়ীর ভীত গলা ভেসে এল, ‘বন্দনা তুমি! তুমি এখানে কী করে?’ বন্দনা এগিয়ে গেল। আত্রেয়ীকে বলল, ‘স্যার তোমায় বড্ড জ্বালাতন করত। খুব কষ্ট দিত। আমার ভালো লাগত না, মা।

    — বন্দনা!

    ‘মা’ ডাকটা শুনে আঁতকে ওঠে আত্রেয়ী।

    — আমি সব জানি মা। তুমি কোন লজ্জা ঢাকতে আমায় অন্যের হাতে তুলে দিয়েছিলে। আমার জীবন থাকতে তোমার ক্ষতি কেউ করতে পারবে না। ভয় নেই। আমি কাউকে বলব না তুমি আমার মা। শুধু একটু তোমার কাছে থাকতে দিয়ো।

    একটু আগে চোখের কোলে জমে থাকা চকচকে জিনিসটা মুক্তোদানার মতো ঝরে পড়ল আত্রেয়ীর। ভীষণ ইচ্ছে করছিল বন্দনাকে বুকে জড়িয়ে ধরতে। কাঁপতে কাঁপতে আদরের হাতটাও উঠেছিল বন্দনার মুখ লক্ষ্য করে। কিন্তু মাঝপথেই হাতটা মুঠো করে ফিরিয়ে নেয় আত্রেয়ী। নরম হলে চলবে না। দুর্বলতা তার সাকসেসের ক্ষেত্রে বাধা হতে পারে। তাই গম্ভীর হয়ে বলে ওঠে, ‘আর কক্ষনো আমায় মা বলে ডেকো না। ম্যাডামই বোলো। চলো এখন।’ বলেই উলটোমুখে হাঁটা দেয় আত্রেয়ী সেন। বন্দনা হাসে। ধারালো মিছরির ছুরি চাঁদের আলোয় ঝলসে ওঠে তার ঠোঁটে। তন্ময় বন্দনার চোখে চোখ রেখে ইশারা করে এগিয়ে যাবার জন্য।

    .

    — জীবনের চরমতম মুহূর্তে যখন পেটের সন্তান তার কাছে নিজের পরিচয় দিচ্ছে, তখনও আত্রেয়ী সেন শুধুমাত্র একজন নামকরা অহংকারী অভিনেত্রী হয়েই রইল। মাতৃত্বের কোনো অনুভূতিই আমি দেখলাম না। ও আসলে নাম, খ্যাতি, যশ, অর্থ এই সবই চেয়ে এসেছে। পৃথিবীর কোনো সম্পর্কই ওর কাছে কোনোদিন গুরুত্ব পায়নি। যতদিন কাউকে কাজে লাগবে ততদিনই তার গুরুত্ব। তারপর তাকে ছুড়ে ফেলে দেবে।

    আত্মমগ্ন হয়ে একটানা কথাগুলো বলে গেল বন্দনা। সোমদত্তা বলল, ‘এরপরের প্ল্যান কী ছিল? আত্রেয়ীকে শেষ করে দেওয়া?’ ফিক করে হাসল বন্দনা। বলল, অত কাঁচা কাজ আমি করি না। অত তাড়াহুড়োও আমার নেই। তাই তো ওই সর্বনাশের পরেও সাড়ে ছয় বছর কেটে গেল।’

    — সেটাই তো আশ্চর্যের। এত বছরে আর কিচ্ছু করলেন না?

    — কে বলেছে? টুকটুক করে আত্রেয়ী সেনের ব্যাংকের কাজ সামলাতে শুরু করি। আত্রেয়ীর আরও কাছে চলে আসি। ঠিক তখনই তন্ময় বদমাইশি করতে শুরু করে। আমার অসতর্ক মুহূর্তে তোলা বেশ কিছু ছবি দেখিয়ে আমায় ব্ল্যাকমেল করতে থাকে। যাতে ওর ফিফটি পার্সেন্টটা বেড়ে সেভেন্টি হয়। দীর্ঘ দু-বছর আমি মুখ বুজে সহ্য করি। আমার শরীরটাকেও ইচ্ছেমতো ব্যবহার করতে শুরু করেছিল শয়তানটা। আমি বুঝতে পারি, আমি ফেঁসে যাচ্ছি। কিন্তু একজন সামান্য কামুক, ধূর্ত শয়তানের কাছে আমি হারব না। এর থেকে আমায় বেরোতে হবে। তাই প্রেগনেন্ট হবার অ্যাক্টিং শুরু করি। প্রমাণও জোগাড় করি।

    — তন্ময় যদি ধরে ফেলত?

    বন্দনা হাসে। সব অপরাধ জানাজানি হবার পরেও সে হাসছে। অবাক হয়ে যায় সায়ন আর সোমদত্তা। বন্দনা বলে, শান্তনুকে খুনের পর কলকাতায় ফিরে তন্ময়ের ফোনটা আমি সরিয়ে দিই। ওটাতে আমার সব কথা রেকর্ড করা ছিল। শুধু তাই-ই নয়, প্রথম দিনের আমার বেশ কিছু সাহসী ছবিও ওখানে ছিল। ও বেসিক্যালি ভীতু। যা যা হবে ও নাকি সব কিছুর প্রমাণ রাখবে। যাতে ওকে কেউ ফাঁসাতে না পারে। বা ও ফাঁসলে একা না ফাঁসে। সবাইকে নিয়ে ফাঁসবে। সব প্রমাণ রাখা যায় বলুন তো? তন্ময় আজও জানে না ওর ফোনটা কে নিয়েছিল। ও ভাবে স্টুডিয়ো থেকে চুরি হয়ে গেছে।

    — তাহলে পরের ফোনটা সরালেন না কেন?

    — চেষ্টা যে একেবারে করিনি তা নয়। তন্ময় বুঝে গিয়েছিল। আমার সামনেই আমার ফুটেজ, ছবি যা ছিল সব ডিলিট করে দেয়। কিন্তু পরেরদিনই আবার সেই একই ছবি আর ফুটেজগুলো আমায় দেখিয়ে বলে, ফোন যদি চুরিও হয়ে যায় এগুলো সারা জীবনের জন্য ওর কাছেই থেকে যাবে। তন্ময় ওইগুলো আরও অন্যান্য জায়গায় রেখেছিল।

    সায়ন অবাক হয়ে বলল, ‘কিন্তু আমরা ওর যে ল্যাপটপের হদিশ পেয়েছি সেখানেও তো নেই।’ সোমদত্তা বলে, ‘স্যার, কোনো সিক্রেট ক্লাউডে রাখতে পারে। যার হদিশ একমাত্র তন্ময়ই জানে!’ একটু ভেবে সায়ন বলল, ‘হুম। হতে পারে।’ বন্দনাকে প্রশ্ন করল সোমদত্তা, কিন্তু এই মিথ্যেটা তো একটা সময় তন্ময় জেনেই যেত যে আপনি প্রেগনেন্ট নন। এটা তো আর লুকোবার বিষয় নয়।

    সোমদত্তার এই কথার রেশ টেনেই সায়ন উত্তর দিল, ‘বন্দনা তার আগেই তো বড়ো বাজি জিতে নেবে ভেবেছিল। তাই আর ধরা পড়ার ভয় ছিল না।’ সোমদত্তা সপ্রশ্ন চোখে সায়নের দিকে তাকায়। সায়নের অভিজ্ঞ চোখ সোমদত্তার মুখের দিকে তাকিয়ে বুঝে নেয় যে সে কিছুই বুঝছে না। তাই সে নিজেই বলে, ‘বুঝলে না তো। খুব সহজ। ওই একটা ফেক রিপোর্ট দেখিয়ে বাড়ি বসেই তন্ময়ের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা আদায় করছিলেন বন্দনা। আমরা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট চেক করেছি। একটা নয়। তিনটে অ্যাকাউন্ট বন্দনা দত্তের নামে। আলাদা আলাদা ব্যাংকে। মাঝখান থেকে আত্রেয়ী সেনের এই দুর্ঘটনা ব্যাপারটাকে একটু টালমাটাল করে দেয়। তখন বন্দনাই তন্ময়কে হার-চুরির বুদ্ধি দেয়। আত্রেয়ী যখন বাঁচবেই না তখন আর সে হার রেখে কী হবে? তার চেয়ে বন্দনার ভোগেই লাগুক। বাইশটা হিরে বসানো প্ল্যাটিনামের হারের কত দাম হতে পারে আজকের বাজারে জানো? ওটা পেলেই তো কেল্লাফতে। মা কেন? সারা পাড়াতে যত বয়স্ক মানুষ আছেন তাদেরও একবার করে বাইপাস সার্জারি হয়ে যাবে। কী ম্যাডাম, ঠিক বলেছি তো?’

    বন্দনা নীরব। সোমদত্তার মাথা ভোঁ ভোঁ করতে থাকে। পুলিশে চাকরি করেও অনেকের মাথায় এত প্ল্যানমাফিক বুদ্ধি থাকে না। সায়ন চেয়ার ছেড়ে উঠে পড়ে বন্দনার দিকে তাকিয়ে বলে, ‘তাহলে ম্যাডাম! এবার তো প্রতিদিনই আমাদের আপ্যায়ন আপনাকে সহ্য করতে হবে।’ আর কিছু বলার নেই বন্দনার। জীবনটাকে গোছাতে চেয়েছিল। একমাত্র অবলম্বন যে মা, তাকে আরও কিছু বছর বাঁচিয়ে রাখতে চেয়েছিল। কিন্তু ভেসে গেল। আসলে হড়পা বানের খবর আমরা কেউ জানি না। সে কখন আসবে, তা বোধহয় কেবল নিয়তিই জানে।

    .

    মুখের ওপর বন্ধ হয়ে গেল কারাগারের দরজাটা। নিষ্প্রাণ চোখে তাকিয়ে রইল বন্দনা। সায়ন বলল, ‘কাল রবিবার। কোর্ট বন্ধ। তাই পরশু আপনাকে কোর্টে তোলা হবে।’ বন্দনা শুধু একটাই কথা বলল, ‘আমার মাকে একটু দেখবেন স্যার। আমি ছাড়া মায়ের কেউ নেই।’

    ওপর নীচে ঘাড় নেড়ে নীরব সম্মতি জানাল সায়ন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ৪৭৪ – ডার্টি গেম
    Next Article নীরেন ভাদুড়ি সমগ্র ৩ – সৌভিক চক্রবর্তী
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }