Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মৃত জ্যোৎস্নার রাত্রি – অভিষেক চট্টোপাধ্যায়

    অভিষেক চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প526 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মৃত জ্যোৎস্নার রাত্রি – ৪৪

    চুয়াল্লিশ

    শনিবার রাত। ড্যাফোডিল সুপার স্পেশ্যালিটি হসপিটালের সিসিটিভি রুমে সায়ন, নীলাম্বর, সোমদত্তাসহ বেশ কিছু পুলিশবাহিনী জড়ো হয়েছে। সকলের তীক্ষ্ণ নজর সিসিটিভিগুলোর দিকে। ‘প্রতিটা সিসিটিভি চেক করেছেন তো?’

    — হ্যাঁ স্যার। এখানে দেখুন সবক-টাই চলছে।

    নীলাম্বর কিছুটা তফাতে একটা সোফায় চোখ বুজে একটু আরাম করে বসেছিলেন। সেখান থেকেই বললেন, ‘কোনো ক্যামেরা এক সেকেন্ডের জন্যেও যদি অফ হয় বলবেন।’ সায়ন বলল, ‘আপনি নিশ্চিত্তে বিশ্রাম করুন নীলাম্বরবাবু। আমি আছি।’

    — বিশ্রাম আমার নেই ভায়া। চর্মচক্ষু আর তৃতীয় চক্ষু একসঙ্গে খুলে রাখা যায় না। তাই ওটা খুলে এটা বন্ধ করে আছি। নইলে আমি তার আসা-যাওয়া টের পাব না যে। বরং তুমি আর সোমদত্তা একটু বিশ্রাম নাও। সারাদিন অনেক ধকল গেছে। আমি তো বাড়িতেই ছিলাম। তেমন কিছু বুঝলে আমি তোমাদের ডেকে দেব।’

    সোমদত্তা হেসে বলল, ‘না না আমি ঠিক আছি।’

    — ভালো কথা বলছি মা। সে যদি আসে হুলুস্থুল করে ছাড়বে কিন্তু। তখন সামলাতে হবে। ঘুমিয়ে নাও।

    সোমদত্তা সায়নের দিকে তাকায়। সায়ন বলে, ‘চলো একটু বিশ্রাম করলে ভালোই হয়। সত্যি আর শরীর দিচ্ছে না।’

    — ওকে স্যার। আপনি রেস্ট নিন। আমি একটু বাইরে থেকে আসছি।

    সায়ন সময় নষ্ট না করেই বলল, ‘কী দরকার বাপু এত রাতে ছেলেটাকে ঘুম থেকে তোলার? কালকেই তো ফিরছে।’

    — না না মানে বাড়িতে ফোন করতাম একটু।

    সোমদত্তার কাঁচুমাচু মুখ দেখে মনে মনে হাসে সায়ন। বলে, ‘অ। তাহলে যাও!’ বলামাত্রই গটমট করে ঘরের বাইরে চলে যায় সোমদত্তা। এবার সায়নের হাসিটা মন ছাপিয়ে মুখে চলে আসে। ওদিক থেকে চোখ বুজে আবার উড়ে এল নীলাম্বরের বাণী, ‘তুমি বড়োই বেরসিক সায়ন।’ সায়ন তো রীতিমতো অবাক, ‘আজ্ঞে!’ নীলাম্বর বললেন, ‘কারও জীবনে নতুন সূর্যোদয় হচ্ছে। আর তুমি সেটাকে মেঘে ঢেকে দিতে চাইছ? আহাম্মক!’ আর কিছু বুঝতে বাকি থাকে না সায়নের। খিকখিক করে হেসে ফেলে। নীলাম্বর কিন্তু গম্ভীর হয়ে আধা শোয়া, আধা বসা অবস্থায় থাকে।

    .

    রাত কেটে যায়। সূর্য ওঠে। সিসিটিভিগুলো গত রাতে একবারের জন্যেও চোখ বন্ধ করেনি। সকালের আলো ফুটতে নীলাম্বর, সায়ন আর সোমদত্তা ড্যাফোডিল থেকে বেরোয়। পুলিশ পোস্টিং চেঞ্জ হয়। রাতে যারা ছিল তারা পরের জনকে ডিউটি বুঝিয়ে ঘরে ফিরতে থাকে।

    — স্যার একটা রিকোয়েস্ট ছিল।

    গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে সোমদত্তা বলল কথাগুলো। ঠিক কী রিকোয়েস্ট ছিল সেটা শোনার আগেই সোমদত্তাকে সায়ন বলে, সূর্যকে আজ ছুটি নিতে বোলো। বলে দিয়ো আমি বলেছি। আর তুমিও ছুটি নাও। তবে আজ রাতে তোমরা দুজনেই এখানে আমার সঙ্গে থাকবে কিন্তু। এবার বলো কী রিকোয়েস্ট?’

    সোমদত্তা ভড়কে ভ। আর কী রিকোয়েস্ট করবে সে? আজ তার ছুটি চাই এই অনুরোধটাই তো করতে চেয়েছিল। কোনো উত্তর না পেয়ে সায়ন আবার বলল, ‘কী হল কী রিকোয়েস্ট বলো।’

    — উম… ম… মানে স্যার! কী যেন! ভুলে গেছি। মনে পড়লে বলব স্যার। সায়ন ছদ্মবিস্ময়ে বলল, ‘ভুলেই গেলে? যাঃ! এইরকম মেমরি নিয়ে পুলিশে কাজ করছ?’

    — না স্যার, সরি। আসলে আপনার কথা শুনতে গিয়ে সব ভুলে গেলাম। ঠিকাছে স্যার, মনে পড়লে বলব। গুড নাইট… এই… গুড ডে স্যার। আসছি।

    সায়ন অম্লান বদনে বলল, ‘এসো।’ সোমদত্তা পড়পড়িয়ে পালিয়ে বাঁচল। এতক্ষণ হাঁ করে নীলাম্বর পেছন থেকে সব দেখছিলেন। এবার দুজনেই হা হা করে হেসে উঠল।

    .

    গাড়িতে যেতে যেতে সায়ন প্রশ্ন করে নীলাম্বরকে, ‘আচ্ছা নীলাম্বরবাবু, আপনি শুধু রাতেই কেন এইরকম লক্ষ্য রাখার ব্যবস্থা করতে বললেন? সকালে কি কিছু ঘটতে পারে না?’

    — দেখো পৃথিবীতে অসম্ভব বলে তো কিছু নেই। যখন যা খুশি ঘটতেই পারে। কিন্তু রাতের সম্ভাবনা সর্বাধিক। কারণ সূর্যের আলোর মতো পবিত্র কিছু নেই। তার তেজ সবাই সহ্য করতে পারে না। দুষ্ট আত্মাদের কাজে অনেক বাধা আসে দিনেরবেলা। যার জন্য সন্ধে থেকে রাতের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভৌতিক ঘটনা ঘটে। সকালবেলা ভয়-টয় দেখাতে পারে। কিন্তু কারও লক্ষ্য যদি হয় কারওর প্রাণহরণ তাহলে সেটা রাতেই সম্ভব। বিশেষত রাত তিনটের সময়।

    — কেন?

    — রাত তিনটে হল দুই প্রহরের সন্ধিক্ষণ। ওই সময় একটা যোগ সৃষ্টি হয় যখন আত্মারা শক্তিশালী হয়ে ওঠে।

    কথাটা শুনেই সায়ন বলল, আত্রেয়ী সেনের মৃত্যুর সময়ও রাত তিনটে বেজে পাঁচ কি ছয়।’

    — একদমই তাই। আবার বোলপুরে ওই বাড়িতে মৃন্ময়ী যাকে দেখে সে কিন্তু ইচ্ছে করলেই ওর ক্ষতি করতে পারত। কিন্তু শুধু ভয় দেখিয়ে ছেড়ে দিয়েছে। কারণ ওই আত্মার আসল রাগ মিহিরের ওপর। আত্রেয়ীকে মারতে পারেনি সে। সেখানে মিহির বাধা দিয়েছিল। মুখের খাবার কেড়ে নিয়েছিল মিহির। এখানেও খেয়াল কর, সময়টা ছিল প্রায় যখন সন্ধে হয়ে এসেছে। কিন্তু দিনের আলোটাও আছে। তাই যেভাবেই হোক সে কাজে সফল হতে পারেনি।

    — কিন্তু পিন্টুকে মানে তেঁতুলকে তো দিনেরবেলায় ভরা রাস্তায় মারল।

    গাড়িটা বাম্পারে লাফিয়ে উঠল। নীলাম্বর বললেন, ‘মনে করে দ্যাখো, পিন্টুর গায়ে অশরীরীর কোনো চিহ্ন পাওনি তোমরা। এমনকি কোনো মানুষের চিহ্নও পাওনি। যেটা বৃষভানুর ক্ষেত্রে পেয়েছিলে। স্পষ্ট বোঝা গিয়েছিল যে কেউ একজন গলা টিপে মেরেছে। বাট হাতের ছাপ উদ্ধার করা যায়নি। কিন্তু পিন্টুর ক্ষেত্রে সেরকম হয়নি। শুধুমাত্র হাইটেনশনের তার ছিঁড়ে তার গায়ে পড়ে পেঁচিয়ে যায়। সেক্ষেত্রে যে-কোনো মানুষই মরে যাবে। মৃন্ময়ী আর সোনাইয়েরও সেদিন রাতে সর্বনাশ হয়ে যেত যদি না আমি গিয়ে পৌঁছোতাম।

    — তাহলে কি আত্রেয়ীকে পুরোপুরি মারতে চায়নি? কারণ একে রাতেরবেলা। তার ওপর গলা টিপে ধরলেই তো ল্যাটা চুকে যেত।

    — এখানেও খেয়াল করার একটা বিষয় আছে সায়ন। শান্তনুকে পাহাড় থেকে ঠেলে ফেলে দেওয়া হয়েছিল। তার আগে যথেষ্ট কষ্ট দিয়ে মারা হয়েছে। শান্তনুকে যারা মেরেছে তাদের প্রত্যেককে সে-ও কষ্ট দিয়ে কোনো উঁচু জায়গা থেকে ফেলে মারতে চেয়েছে। যদিও আত্রেয়ীকে ঠেলে ফেলার আগে কোনো কষ্ট দেয়নি।

    — স্ত্রী বলে বিশেষ ছাড় হয়তো!

    হাসল সায়ন। নীলাম্বর চোখ কুঁচকে গম্ভীর হয়েই বলল, ‘কীই জানি? সব কিছুর মোটিভ তো ওরকম যুক্তি দিয়ে বোঝা যায় না। তবে তন্ময়কে যেভাবে মেরেছে সেখানেও কিন্তু সিঁড়ির ওপর থেকে ফেলতে চেয়েছিল। এবং সফলও হয়েছিল। এমনকি দেয়ালে ছুঁড়ে মেরেছিল তন্ময়কে। মাঝখান থেকে মিহির বেচারা…!

    — শান্তনু যদি প্রতিশোধই নিতে চায় তাহলে তো বন্দনাকেও ওর ছাড়ার কথা নয়।

    — শান্তনু তো জানেই না যে এই পুরো ষড়যন্ত্রের পেছনে বন্দনার বুদ্ধি। এমনকি ওর মৃত্যুর সময়ে যে বন্দনা উপস্থিত ছিল সেটাই তো বোঝেনি। বন্দনা নামটা কারও মুখ থেকে যদি ও অচেতন অবস্থাতেও শুনত তাহলে ওর আত্মা জানতে পারত বন্দনাও এর মধ্যে ইনভলভড। বরং, বন্দনার কান্নায় গলে গিয়েই শান্তনু ভারমোরে যায়। তাই ওর প্রতি শান্তনুর সফট কর্নার জাগলেও জাগতে পারে। অনেকেই মনে করেন, মানুষ মরলে তো সব সত্যি জানতে পেরে যায়। কারণ আত্মা হল সবজান্তা। সর্বজ্ঞ। কিন্তু একদমই তা নয়। আত্মা শরীর ছেড়ে বেরোবার আগের মুহূর্ত পর্যন্ত যেটা জানে, তার মন যেটা জানে সে শুধু সেটুকুই জানবে।

    — বুঝলাম। কিন্তু মানুষের আত্মা শরীর থেকে বেরোলেই তো মানুষটার মৃত্যু হয়। তাহলে শান্তনুর মৃত্যুর পর তো ওই অকুস্থলে তিনজনেই ছিল। তাহলে বন্দনাকে চিনল না কেন?

    — মানুষের মৃত্যুর পর তিনদিন পর্যন্ত ওই আত্মা শরীরকে আগলে থাকে। সে সম্পূর্ণ মায়া কাটাতে পারে না। তাই শরীরের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে নতুন কিছু দেখা বা বোঝার অবস্থায় সে থাকে না। তুমি দেখবে অপঘাতে যাঁদের মৃত্যু হয় তাঁদের তিনদিনে কাজ হয়। কেন হয়? অনেক কারণের মধ্যে এটাও একটা কারণ। তা ছাড়া শান্তনুকে মারার সঙ্গে সঙ্গে বডিটা খাদে ফেলে দেওয়া হয়েছিল। ধরে নেওয়া যেতেই পারে শরীরের সঙ্গে সেই আত্মাও সেই অকুস্থল থেকে বিদেয় হয়। তাই বন্দনা যে দোষী সেটা বোঝাটা সম্ভব নয়।

    সায়ন বেশ চিন্তিত হয়ে বলে, ‘শুধু একটাই খটকা থেকে গেল। শান্তনুর বডিটা কোথায় গেল? কেউ খুঁজে পেল না?’

    .

    সায়নের কথা শেষ না হতেই হঠাৎ কোথা থেকে একটা কালো বেড়াল লাফ দিল পুলিশের গাড়ির বনেটের ওপর। উইন্ড স্ক্রিনে সজোরে ধাক্কা খেল। বুক-কাঁপানো গ্যাওওয়্যাও শব্দে আর্তনাদ করে রাস্তার পাশে ছিটকে পড়ল। ড্রাইভার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এদিক-ওদিক করতে থাকে। তার আগেই বেড়ালটা সরে যায়। বিকট শব্দ করে এক প্রবল ঝাঁকুনি দিয়ে গাড়িটা দাঁড়িয়ে পড়ে। সায়ন আর নীলাম্বরের শরীরটা সামনের সিটে গিয়ে ধাক্কা খায়। গাড়ি থেকে নেমে কোনো বেড়ালকে দেখতে পায় না সায়ন। নীলাম্বরের বুকে আশঙ্কার দুন্দুভি বেজে ওঠে। সায়ন গাড়িতে বসে হাঁফাতে থাকে। ড্রাইভারকে বলে, ‘সাবধানে চালাও।’

    .

    রাত দশটা বেজে গেছে। ড্যাফোডিলের সিসিটিভি রুমে একসঙ্গে ঢুকে এল সূর্য ও সোমদত্তা। সায়ন ঘাড় ঘুরিয়ে একবার দেখে নিয়ে বলল, ‘এই তো, জোড়া পায়রা এসে গেছে।’ মুচকি হেসে সূর্য আর সোমদত্তা আড়চোখে একে অপরের দিকে চাইল। তারপরে নির্দিষ্ট চেয়ারে গিয়ে বসল। ওদিকে সোফায় আগের দিনের মতোই বসে আছেন নীলাম্বর। চোখ বুজেই বললেন, এখন তো আর গুডমর্নিং বলা যাবে না। তাই সবাইকে গুড নাইটই বললাম।’ সোমদত্তাও হেসে ‘গুডনাইট’ জানাল। আরও বলল, ‘আমার মা-কে আপনার কথা বলেছি। মা ভীষণ এক্সাইটেড। একদিন আপনার সঙ্গে দেখা করবেন বলেছেন।’

    — সে কী! তোমাদের বাড়িতেও ভূত আছে নাকি?

    সবাই হা হা করে হেসে উঠল। সোমদত্তা বলল, ‘না না স্যার। আসলে মা একটু আপনাকে দেখবেন। আপনি কত কিছু পারেন।’

    — দেখেছ সায়ন, পুলিশের চেয়ে ওঝার টিআরপি বেশি।

    — সেই তো দেখছি।

    আবারও সকলে সমস্বরে হেসে ওঠে।

    .

    রাত বেড়েছে। ঝিমিয়ে পড়েছে ড্যাফোডিল। মাঝেমধ্যে কয়েকটা অ্যাম্বুলেন্সের শব্দ পাওয়া যাচ্ছে তা-ও খুব ক্ষীণ। বড়ো দুটো এলসিডি স্ক্রিনে ন-টা করে আঠেরোটা ক্যামেরা চলছে। সেদিকে তীক্ষ্ণ নজর দিয়ে বসে আছে সূর্য, সোমদত্তা, সায়ন ও হসপিটালকর্মী। সায়ন কাউকে কর্ডলেসে জিজ্ঞেস করে সব ঠিকঠাক আছে কিনা। ওপার থেকে উত্তর আসে সব ঠিক। বলে দেয় নিজেদের মোবাইলগুলো হাতের কাছে রাখবে আর ডায়ালে আমাদের তিনজনের নম্বর রেখে দেবে। ঘড়ির কাঁটা ঘুরে বারোটার ঘরে। সিসিটিভি রুম নিশ্চুপ। সকলেই স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে বসে। কিন্তু সায়ন খেয়াল করল মাঝেমাঝেই সূর্য মোবাইলে খুটখুট করছে। আর ঠিক তারপরেই সোমদত্তার আঙুল নড়েচড়ে উঠছে তার মোবাইলের ওপর। তারপর যেই সোমদত্তার মোবাইল হাতের মুঠোয় চুপ অমনি সায়নের মোবাইলের আলো জ্বলে উঠছে। এক সময় ফিক করে হেসেই ফেলল সায়ন। সামনে সিসিটিভি ফুটেজের দিকে চোখ রেখেই সায়ন অত্যন্ত শান্ত কণ্ঠে ডাক দেয়, ‘সূর্য।’ চমকে উঠেই অ্যাটেনশন মোডে সূর্য, ‘স্যার!’

    — বলছিলাম তুমি আর সোমদত্তা অনেকক্ষণ এই বদ্ধ ঘরে বসে আছ। যাও একটু বাইরে থেকে ঘুরে এসো।

    এবার সোমদত্তাও অ্যাটেনশন মোডে। সূর্য বলে, ‘না স্যার। ঠিক আছি আমরা অবশ্য সোমদত্তা গেলে যেতে পারে

    — না না স্যার, আমারও যাওয়ার প্রয়োজন নেই।

    সোমদত্তা তড়িঘড়ি উত্তর দেয়।

    — ভেবে বলছ?

    সূর্য বলে, ‘একদম স্যার।’ সায়ন এবার নিশ্বাস ছাড়তে ছাড়তে বলে, ‘বেশ যেয়ো না। আসলে তোমাদের ওই কচিকচি আঙুলগুলোর কথা ভেবে কষ্ট হচ্ছিল। টকটকাটক করে এত নড়ছে খসে না পড়ে যায়!’ এরপর অস্বাভাবিকভাবে দুজনেই চুপ। স্ক্রিনের দিকে মুখ করেই সায়নের চোখের মণিদুটো সুড়ুৎ সুড়ুৎ দু-পাশে ঘুরে দেখে নেয়। দুজনেই এখন পারলে সিসিটিভি ফুটেজগুলোকে চোখ দিয়ে গিলে নেয়। হঠাৎ ধড়মড় করে সোফা ছেড়ে উঠে আসেন নীলাম্বর ব্যানার্জি। সবাই অবাক। সায়ন প্রশ্ন করে, ‘কী হল?’ সায়নের ঘাড়ের কাছে দাঁড়িয়ে স্ক্রিনের দিকে মুখ ঝুঁকিয়ে দেন। বলেন, ‘কিছু হয়নি। তবে হবে। এক্ষুনি।’

    — মানে?

    সায়ন জিজ্ঞেস করে। নীলাম্বর পালটা প্রশ্ন করেন, ‘কোনো সিসিটিভিতে প্রবলেম হয়েছে?’

    — না তো।

    — ভালো করে খেয়াল করো সায়ন। সূর্য রেডি হও।

    ঘরের মধ্যে উপস্থিত সকলে এখন অ্যাটেনশন মোডে। সায়ন আবার কর্ডলেসে

    বলে দেয়, ‘চারপাশে নজর রাখো ভালো করে। কিছু মনে হলেই আপডেট দেবে।’

    — ইয়েস স্যার।

    — তন্ময় হালদারের ঘরে নার্স আছে?

    — না স্যার। এক্ষুনি বেরিয়ে কোথাও একটা গেল। বোধহয় ওয়াশ রুম।

    — খেয়াল রাখো। খেয়াল রাখো।

    .

    এর মধ্যেই একটা সিসিটিভি চিচ্চির করে উঠল। কানেকশন কেটে যাবার আগে যেমন হয়। নীলাম্বর প্রশ্ন করল, ‘এটা কোন দিকের করিডর?’ হসপিটালের লোকটি বলল, ‘থার্ড ফ্লোরের।’ সায়ন বলল, ‘থার্ড ফ্লোরেই তো আইসিসিইউ।’ নীলাম্বরের চোখ বিস্ফারিত। সূর্য বলল, ‘স্যার আমরা ওখানে যাই?’ সায়ন হাত তুলে বারণ করল, ‘ওয়েট।’ এবার সিসিটিভিটা একদম অফ হয়ে গেল। সায়ন সোজা হয়ে বসল, ‘এটা অফ হয়ে গেল কেন?’ সিসিটিভির সামনে বসে থাকা হসপিটালের লোকটা সঙ্গে সঙ্গে ইন্টারকমে যোগাযোগ করে, ‘সাত নম্বর ক্যামেরা অফ হয়ে গেল। থার্ড ফ্লোরের করিডর। ওয়াশ রুম যেদিকে। এখুনি দ্যাখো।’ বলেই বলল, ‘দাঁড়াও দাঁড়াও। আবার চলেছে।’ সঙ্গে সঙ্গে সোমদত্তার নজর পড়ল দশ নম্বর সিসিটিভির ওপর। সেটা ব্ল্যাক হয়ে গেল। লোকটা ইন্টারকমে আবার জানাল, ‘এবার দশ নম্বর অফ হয়েছে। শিগগিরি চেক করো। কী হচ্ছে এগুলো?’

    — এটা কোথাকার?

    সায়নের প্রশ্নে উত্তর দিল লোকটি, ‘স্যার এটা ওয়াশ রুম থেকে আইসিসিইউর দিকে আসার পথে। পরপর সিসিটিভি আছে নয়, দশ।’ নীলাম্বর হাতের রুদ্রাক্ষের মালা চেপে ধরল। সায়ন কর্ডলেসে কনট্যাক্ট করল, ‘শোভন একটু খেয়াল করো তো তন্ময়ের কেবিনের দিকে ওয়াশরুমের দিক থেকে কেউ আসছে কিনা।’

    — হ্যাঁ স্যার। ওই নার্সটাই ফিরছে।

    সবাই অবাক হয়ে যায়। একে অপরের দিকে চাইবার মুহূর্তেই দশ নম্বর সিসিটিভি চলতে শুরু করে। এবার এগারো নম্বরের পালা। ঠিক তাই। ভাবতে না ভাবতেই সেটাও অফ হয়ে যায়।

    — শোভন নার্স কি একদম কাছে এসে গেছে?

    — হ্যাঁ স্যার। তন্ময় হালদারের ঘর

    — হ্যালো, হ্যালো শোভন।

    কর্ডলেসটা ঘড়ঘড় শব্দ করে কেটে গেল। কোনো সাউন্ডই হচ্ছে না। সময় নষ্ট না করে সূর্য মোবাইল থেকে কল করে শোভনকে। কিন্তু সেখানেও কোনো শব্দ নেই। কোনো নেটওয়ার্কই পাচ্ছে না। নীলাম্বর বলে ওঠে, আর দেরি করলে সর্বনাশ হয়ে যাবে সায়ন। এখুনি চলো।’ সূর্য আর সোমদত্তাও যেতে চাইছিল। কিন্তু সায়ন তাদের এই সিসিটিভি রুমেই থাকতে বলল। হসপিটালের লোকটিকে বলল, ‘আপনি ডক্টর নার্সদের বলে দিন সতর্ক থাকতে। আমরা তন্ময় হালদারের কেবিনে যাচ্ছি।’

    — ওকে স্যার।

    .

    থার্ড ফ্লোরের লিফট থেকে বেরোতে গিয়েই দেখে শোভন দাঁড়িয়ে। ‘এ কী শোভন তুমি এখানে কেন?’

    — স্যার লাইন লাগছিল না বলে আমি আপনাদের খবর দিতে যাচ্ছিলাম।

    দ্রুত পায়ে হাঁটতে হাঁটতে কথাগুলো বলল শোভন। ইতোমধ্যেই খবর ছড়িয়ে পড়েছে। কয়েকজন নার্স বেরিয়ে এসেছে। কাঁচুমাচু মুখ নিয়ে জিজ্ঞেস করছে, ‘কী হবে স্যার?’ কেউ জিজ্ঞেস করছে, ‘কোনো বিপদ হবে না তো?’ ঝড়ের গতিতে উত্তর ছুড়ে দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে সায়ন, কারও কিচ্ছু হবে না। কেউ প্যানিক করবেন না।’ নীলাম্বর কোনো কথা বলছেন না। রুদ্রাক্ষের মালাটা হাতের মুঠোয় চেপে সামনের দিকে তাকিয়ে এগিয়ে চলেছে। তন্ময়ের কেবিনে সামনে এসে থমকে দাঁড়ায়। সায়ন দরজা খুলতে যায়। কিন্তু পারে না। দরজা ভেতর থেকে বন্ধ। আঁতকে উঠে নীলাম্বরের দিকে তাকায়। সায়ন দরজা ঠেলে। ধাক্কা দিয়ে বলে, ‘নার্স দরজা খুলুন। দরজা খুলুন বলছি। তন্ময়বাবু, তন্ময়বাবু শুনতে পাচ্ছেন?’ নীলাম্বর বিড়বড় করে মন্ত্র পড়ে চলেছেন। ঠিক তখনই তন্ময়ের আর্ত চিৎকার ভেসে আসে কেবিন থেকে। নীলাম্বর চিৎকার করে ওঠে, ‘দরজা ভেঙে ফেলো সায়ন।’ সঙ্গে সঙ্গে শোভন, সায়ন আর নীলাম্বর গায়ের জোরে ধাক্কা দিতে থাকেন। এদিকে তন্ময়ের গলার শব্দ পালটে যাচ্ছে ক্রমশ। আর্তনাদ শুনে বাইরে থেকেই ঠাওর করা যায় তন্ময় ছটফট করছে। তিনটে শক্তপোক্ত পুরুষের শরীরগুলো দরজার ওপরে গিয়ে বারংবার পড়তেই সেটা ভেঙে যায়। এক ঝটকায় সায়ন, শোভন আর নীলাম্বর হুড়মুড় করে ঢুকে পড়ে তন্ময়ের কেবিনে।

    .

    ঘর নিস্তব্ধ। বেড খালি। তন্ময় নেই। মাঝে একটা পর্দা টানা। নীলাম্বর এগোতে থাকেন। মুখে অনবরত মন্ত্রোচ্চারণ। সশব্দে দরজাটা আবার বন্ধ হয়ে যায়। চমকে ওঠে শোভন। এমন পরিস্থিতিতে সে এই প্রথম। খুব সন্তর্পণে সাদা পর্দাটা সরাতে থাকেন নীলাম্বর। পর্দাটা সরেও যায়। সায়ন বলে ওঠে, ‘বন্ধ ঘরের মধ্যে থেকে কোথায় যাবে দুজন?’ নীলাম্বরের হঠাৎ নজর পড়ে হাতের রুদ্রাক্ষের দিকে। সেটা একটা বিশেষ দিকে বেঁকে যাচ্ছে। সেইদিকে খেয়াল করতেই দেখে বেডের তলায় নির্দেশ করছে। নীলাম্বর ধীরে ধীরে মাথাটাকে বেডের নীচের দিকে ঝুলিয়ে দিতেই বিকট শব্দ করে ছিটকে আসে তন্ময়ের শরীর। নীলাম্বর ধাক্কা খেয়ে মাটিতে পড়ে যায়। তন্ময়ের মাথা দেয়ালে গিয়ে ধাক্কা খায়। সায়ন দৌড়ে যায় তন্ময়কে বাঁচাতে। চিৎকার করে বলে, ‘আপনি নার্সকে খুঁজুন। আমি তন্ময়কে দেখছি।’ নীলাম্বর কোনোরকমে বলে ওঠেন, ‘ওর গায়ে হাত দিয়ো না সায়ন।’ বলতেই তন্ময় চোখ খুলে তাকায়। চোখের কোল বেয়ে রক্তের ধারা গড়িয়ে পড়ছে। সায়ন কিছু বোঝার আগেই ধারালো নখযুক্ত তন্ময়ের হাত সায়নের গলা চেপে ধরে। নীলাম্বর সবে কাঁধের ঝোলা থেকে কিছু একটা বের করতে যাবেন অমনি আরও একটা বিকট শব্দ পান। ঘাড় ঘুরিয়ে দেখেন নার্সের হাত শোভনের গলা চিপে ধরে ওপরের দিকে তুলে ধরছে। একপাশে তন্ময়, আর-এক পাশে নার্স। দুজনেরই বিকট মূর্তি। নার্সের চোখ, ঠোঁটের কোণ রক্তে ভেসে যাচ্ছে। হাতগুলো অস্বাভাবিকভাবে বাঁকা। দুজনের মুখ দিয়েই ঘড়ঘড়ে শব্দ বেরোচ্ছে। নীলাম্বর বুঝতে পারে না ঠিক কোন শরীরে শান্তনুর আত্মা আর কোন শরীরে সেই আত্মার দশগুণ বেড়ে যাওয়া শক্তির অংশ! নীলাম্বর খেয়াল করে নার্সের মুখে চোখ, নাক, ঠোঁট কোনোটাই সঠিক জায়গায় নেই। পাথর দিয়ে থেঁতলে দেওয়া শান্তনুর মুখ যেমন দেখেছিলেন অনেকটা সেরকম। শোভনের দমটা প্রায় বেরিয়ে আসছে। সঙ্গে সঙ্গে নীলাম্বর হাতের রুদ্রাক্ষটা চেপে ধরে নার্সের মাথায়। পড়তে থাকে মহামৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র। কান-ফাটানো চিৎকার করে শোভনকে ছেড়ে দেয় নার্সের হাত। শোভন মাটিতে পড়েই জ্ঞান হারায়। উলটোদিকে সায়নের গলাতেও তন্ময়ের হাত আলগা হয়ে যায়। নার্স লুটিয়ে পড়ে। তন্ময় হঠাৎ পাথরের মতো হয়ে মুখ থুবড়ে সামনের দিকে পড়ে। বন্ধ হয়ে যাওয়া দরজাটা দড়াম শব্দে খুলে যায়। একটা হাওয়ার তোড় যেন ধ্বংসাত্মক রূপ নিয়ে ছুটে বেরিয়ে যায়। সায়ন গলা ধরে কাশতে থাকে। বাইরে থেকে কিছু পুলিশ ভেতরে ঢুকে আসে। তারাই চিৎকার করে ডাক্তার ডাকে। তন্ময়কে এই কেবিনের বেডেই শুইয়ে দেওয়া হয়। নার্স আর শোভনকে অন্যত্র নিয়ে যাওয়া হয়। সায়ন ঠিক আছ তো?’ নীলাম্বর প্রশ্ন করেন। গলায় হাত বুলিয়ে মুখে ব্যথার ভাব এনে বলে ‘হ্যাঁ, আমি ঠিকাছি। কিন্তু সে কোথায় গেল?’

    — আপাতত পালিয়েছে। কিন্তু বুঝতে পারছি না কোথায়।

    — দুজনেই পজেসড হয়ে গেল কী করে?

    — শান্তনুর আত্মার শক্তি অনেক বেড়ে গেছে। এই আত্মারা যত বেশি প্রতিশোধ নিতে সফল হয় ততই ওদের শক্তি বাড়ে। আত্রেয়ীকে মারতে সফল হয়েছে। তার আগে বৃষভানু, তেঁতুল। এদের জীবনী শক্তি শুষে নিজে শক্তিশালী হয়েছে। মিহিরের শরীরের বাস করাকালীন তারও রক্ত শুষেছে। তাই মিহির অমন রক্তশূন্য ফ্যাকাশে হয়ে গিয়েছিল। ও এখন অজস্র শরীরকে বশে আনার ক্ষমতা রাখে। একসঙ্গে এখন আমাদের অনেকের সঙ্গে লড়তে হবে সায়ন। চলে এসো।’ এগোতে গিয়েও হঠাৎ কী মনে হওয়াতে থেমে যান নীলাম্বর। সায়নের দিকে ঘুরে ডানহাতের জামার হাতাটা তুলে দেখেন বাহু শূন্য। ‘কালভৈরবের তাবিজটা কোথায় গেল সায়ন?’ এক রাশ আতঙ্ক নিয়ে নীলাম্বর বললেন। সায়ন অবাক। ‘আশ্চর্য! কালকেও তো আমার হাতে ছিল। খুলে গেল কখন?’ নীলাম্বরের মনে পড়ল আজ সকালে একটা দুর্ঘটনা ঘটতে গিয়েও ঘটেনি। ‘কালো বেড়াল!’ কথাটা নীলাম্বরের মুখ থেকে শুনেই প্রবল ঝাঁকুনি দিয়ে গাড়িটা থেমে যাওয়ার কথা মনে পড়ল। সায়ন বলল, ‘সর্বনাশ! মোহনলাল তো আমাদের এখানে নামিয়ে দিয়েই গ্যারেজে গাড়ি ধুতে নিয়ে গেছে।’ হাত উলটে ঘড়ি দেখল সায়ন। রাত একটা বেজে গেছে। মোহনলাল সায়নদের হসপিটালে ছেড়েছে রাত সাড়ে ন-টায়। নীলাম্বর বললেন, ‘আমাদের এখুনি সিসিটিভি রুমে যাওয়া উচিত।’

    — চলুন চলুন। এই তোমরা এঁদের দেখো।

    কেবিনেই শুইয়ে ডাক্তার তার মতো চিকিৎসা শুরু করেছে। সায়ন তাকেও বলে গেল, ‘যেভাবে হোক তন্ময়কে বাঁচাতে হবে ডক্টর।’

    — আমরা সবরকমের চেষ্টা করছি স্যার।

    — থ্যাংক ইউ।

    সায়ন করিডর দিয়ে লিফটের দিকে যাচ্ছে। সঙ্গে নীলাম্বর। ফোন করল মোহনলালকে। লিফটে ঢুকে গেল দুজনে। নীলাম্বর বললেন, ‘কী হল? ফোন তুলল না মোহনলাল?’

    — সুইচড অফ।

    সায়নের মুখটা একটু হলেও শুকিয়ে গেল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ৪৭৪ – ডার্টি গেম
    Next Article নীরেন ভাদুড়ি সমগ্র ৩ – সৌভিক চক্রবর্তী
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }